বিশেষ নিবন্ধ
 

বিজ্ঞান, প্রযুক্তির অগ্রগতির যুগেই এত কুসংস্কার! বড় ভয়ংকর লাগে এই বৈপরীত্যের সহবাস

শাঁওলী মিত্র: আজকের এই সমাজের দিকে চেয়ে দেখি আর আমার ছোটবেলার কথা মনে পড়ে। আজ তো আমার সে ছেলেবেলাকে স্বপ্নরাজ্য বলে বোধ হবে। সদ্য স্বাধীন দেশে অন্য ধর্মের প্রতি এত বিশ্বাসহীনতা ছিল না তো। বরং কম্যুনাল হওয়াকে কেউ ভালো চোখে দেখত না। সেদিন আমরা সেই কসমোপলিটন পাড়ায় হিন্দু বাঙালি, হিন্দু পাঞ্জাবি, সিন্ধি, বোরি মুসলমান, বাঙালি মুসলমান, পার্শি, বাঙালি ক্রিশ্চান, মাদ্রাজি ক্রিশ্চান— সবরকম জাত-ধর্ম-ভাষা-সংস্কৃতি নিয়ে আমাদের পাড়া। পারস্পরিক কোনও বিদ্বেষ ছিল না।
আমার জন্মের আগেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। নতুন দু-টুকরো দেশ, পূর্বে ও পশ্চিমে, ধর্মের অধিকারে মানচিত্রে স্থান পেয়েছে। সেই লড়াইয়ের নমুনা দেখেছে ইতিহাস। কলকাতায় ঘটে গিয়েছে দুর্ভাগ্যজনক দাঙ্গা। গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং। সেই সময়ে রাস্তায় পড়ে-থাকা অগণিত বীভৎস লাশের গল্প শুনেছি বাবা-কাকাদের মুখে। সে তো এক মর্মান্তিক ঘটনা। তারপরে দেশবিভাগ, দাঙ্গা এবং পাড়ায় পাড়ায় ‘রিফিউজি’ আগমন।
কিন্তু তার দু-এক বছরের মধ্যেই তো আমরা মিলেমিশে থাকতে শিখে গিয়েছি। এমনই তো মনুষ্যজাতির স্বভাব! মিলেমিশে থাকাতেই তার শান্তি। কিছু বছর বাদে অকস্মাৎ দুই ধর্মের মধ্যে পুনরায় বৈরিতা! আবারও কলকাতায় দাঙ্গা, তখন আমার বছর পনেরো বয়স। সাধারণ মানুষ দায়ী ছিলেন না এতে।
অকস্মাৎ কেন এ বৈরিতা? সত্যিই কি শত্রুতা ছিল? না, তা কোনও অজানিত কারণে তৈরি হয়ে উঠত? আজকে আমরা যাদের এই ভয়ানক খেলায় মাততে দেখতে পাচ্ছি তাদেরই পূর্বসূরিরা কি রাজনৈতিক কারণে মেতে ওঠেননি এই একই খেলায়? স্বাধীনতার আগে কিংবা পরে? কিংবা হাল আমলে?
ধর্মের জিগির তুলে মানুষকে খেপিয়ে তোলা রাজনৈতিক ব্যবসায়ীদের বরাবরের দস্তুর। মানুষকে অন্তর থেকে শুদ্ধ করে ‘মানুষ’ গড়ে তুলতে অনেক সময় লাগে। নেতাদের হাতে সে সময়, সেই ধৈর্য কই? তার চেয়ে তো অনেক সহজ ধর্মের আফিমে চুবিয়ে সাধারণ মানুষের মনকে অন্ধ বিশ্বাসে ডুবিয়ে রাখা। তাতে ডান-বাম সব রাজনীতির খেলোয়াড়দের সুবিধা।
আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে এবং আরও বেশ কিছু দেশে মহম্মদের রক্ষকরা তাঁর বাণীর বিরুদ্ধে গিয়ে পৃথিবী কাঁপিয়ে তুলছে থেকে থেকে। আর, আমরা ‘হিন্দুত্ব’র জিগির তুলে তরোয়াল-নৃত্য করছি। রাম মন্দিরের ধুয়ো তুলছি। রাম মিথ্‌ না ইতিহাস— সে-সম্পর্কে নিশ্চিত নন বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। আর রাম যদি সুবুদ্ধিসম্পন্ন রাজা থেকে থাকেন তাহলে তাঁকে ঘিরে এত হিংসা কেন?
স্কুলের শিশুদের শতবার রামনাম লিখে পাঠারম্ভের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কোথাও। আবার অন্য ধর্মেও সেই একই প্রকারে বিষিয়ে তোলা হচ্ছে শিশুদের মন। এতে কুসংস্কারের শিক্ষা হয়, মানবধর্মকে মর্যাদা দেওয়া হয় না। অথচ সেই ধর্মের মর্যাদা তো সকলের উপরে। কোনও এককালে আমাদের বাঙালি কবি বড় এক সত্য কথা বলেছিলেন,
‘শুন হে মানুষ ভাই
সবার উপরে মানুষ সত্য
তাহার উপরে নাই।’
সে কি মানি আমরা? বরং তার অপব্যাখ্যা করি।
আমাদের আশ্চর্য লাগে ভাবতে দেশবিভাগে সায় ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত রাজনৈতিক মতবাদে বিশ্বাসী সকল দলগুলোর। দেশের কথা তারা ভাবেনি। কাশ্মীর নিয়ে যেমন সুষ্ঠু বিচার হয়নি, তেমনি চীন-ভারত সীমানা নির্বাচনে অবহেলার ফলে অন্য দেশকে তার সুযোগ নিতে দিচ্ছি আমরা। দেশের পক্ষে ভয়ানক এই অবস্থান। আমাদের দেশকে কেন্দ্র করে যা ঘটে চলেছে পর পর, আমরা তো বুঝতে পারছি, এগুলো কোনও ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দেশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলার জট পাকিয়ে তুলছি আমরা এমন করেই। বাইরের বিপদের মোকাবিলা করব কেমন করে?
আগুন নিয়ে এই ভয়াবহ খেলা কি অকস্মাৎ শুরু হল? নাকি অনেকদিন ধরে তার প্রেক্ষিত তৈরি হয়েছিল? আর তা মূলত রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতির হিসাব কষেই। রবীন্দ্রনাথের অনেক চিঠি-পত্রে, নিবন্ধে, গল্পে, উপন্যাসের বর্ণনায় মুসলমানদের প্রতি হিন্দুদের অশ্রদ্ধা প্রকাশের কথা আমরা জানি। তা উচ্ছেদ করবার পন্থা আমরা গ্রহণ করিনি। এবং রাজনীতির খেলায় ধর্মকে হাতিয়ার করেছি। বারবার ইতিহাস সে ঘটনা ঘটতে দেখেছে। বড় সহজ এই পন্থা ব্যবহৃত হয়েছে সে ব্রিটিশের বিরুদ্ধেই হোক আর স্বাধীন দেশের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধেই হোক। অব্যাহত সে খেলা।
রবীন্দ্রনাথ বারবার বলেছেন ভারতবর্ষ যদি আমাদের দেশ হয়, তাহলে তার মধ্যে মুসলমানও আছে। এত জোর দিয়ে কেন বলতে হয়েছিল তাঁকে একথা? নিশ্চয়ই তিনি মানবাত্মার অবমাননা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। আর তা যে কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না তা তো সাল-তারিখ মেলালেই বুঝতে পারা যায়। গো-রক্ষকদের তো জানা আছেই হিন্দুধর্মে পাঁঠাবলি মোষবলি কত বছরের ট্র্যাডিশন।
সাধারণ মনে বিদ্বেষ ও হিংসার বাতাবরণ তৈরির বহু উদাহরণ ইতিহাস জানিয়েছে। বিভিন্ন ঐতিহাসিক বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক নেতাদের সহায়তা না পেলে ব্রিটিশের পক্ষে গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং ঘটিয়ে, নোয়াখালিতে অত বড় দাঙ্গা বাধিয়ে দেশবিভাগের পথ সুগম করে তোলা হল।
এই পারস্পরিক হিংসা রোধ করবার জন্য মহাত্মা গান্ধীর ভূমিকা আমরা জানি। আর এও জানি সর্বধর্মের মানুষের সুসম্পর্কের কথা বলবার জন্য বৃদ্ধকে দাম দিতে হয়েছিল নিজের প্রাণটি দিয়ে। স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক গুলি করে হত্যা করেছিল তাঁকে। ব্রিটিশ শক্তি নয়।
অথচ গত দু-দশকে যখন থেকে ক্রমে এই বিভাজন নীতি প্রদর্শিত হতে শুরু করল তখন কি এই ধর্মের বিভেদ ঘটাতে তদানীন্তন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাধরেরাই সচেষ্ট হননি? নীরবে এমন সব ধর্মীয় কার্যকলাপকে সহায়তা দেননি সেই বামপন্থী জোটসরকার? ‘বিখ্যাত রথযাত্রা’ রুখেছিলেন কি এঁরা কেউ? সমস্ত ধর্মীয় উৎসবের রমরমা বাড়তে বাড়তে চরমে পৌঁছাল ‘বাবরি মসজিদ’ ঘটনার পরে! এই পশ্চিমবঙ্গে! তার আগে রাস্তায় রাস্তায় শনিপুজো, গণেশপুজোর কথা তো মনে পড়ে না।
স্বাধীনতার পরে ভারতবর্ষ তার সংবিধানে সমস্ত ধর্মের ও জাতির সমানাধিকারের কথা বলেছিল। মৌলবাদীরাও এর বিরোধিতা করতে সাহস করেননি। কারণ, সাধারণ মানুষের এতে সায় ছিল। এখন ধীরে ধীরে সেই সাধারণ মানুষের সহজ বুদ্ধিকে ঘুলিয়ে দেওয়ার প্রয়াস পেতে দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক মহলের পক্ষ থেকে।
বহু সাধারণ মানুষ যাঁদের মধ্যে মুসলমান সম্প্রদায়ের প্রতি কখনও বিরূপতা প্রকাশ পেতে দেখিনি হিন্দু করসেবকরা মসজিদ ভাঙার পরে যা অকস্মাৎ প্রকট হয়ে উঠল। হিন্দুদের বিরুদ্ধে নয়! দায় গিয়ে পড়ল অন্য সম্প্রদায়ের ওপরে।
ইতিহাসে কখনও কখনও অন্ধকার সময় নেমে আসে যখন ‘হাঁচি’, ‘টিকটিকি’, ‘কালো বেড়াল’—ইত্যাদির প্রকোপে সাধারণ বুদ্ধি হ্রাস পেতে থাকে। আজ বৈজ্ঞানিক অভিযান, প্রযুক্তির উন্নতির অভাবিত সুবিধার পাশাপাশি শিক্ষিত মধ্যবিত্তরাও নানা কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। এই বৈপরীত্যের সহবাস বড় ভয়ংকর লাগে।
আমরা নিজেরা যদি এত অন্ধ হয়ে পড়ি তাহলে আমাদের বাঁচাবে কে? আমাদের নিজেদের কি একটু থিতু হয়ে নিজেদের বিচার করবার প্রয়োজন নেই?
20th  May, 2017
কেন্দ্রীয় নীতিতে পাট শিল্প ধুঁকছে, মরছে চাষি-শ্রমিক, ভরসা মমতা
নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়

 প্রণব মুখোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে নেই। তাই ২০১৩ সাল থেকে অনাথ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের পাট চাষ আর শিল্প। ওই বছর থেকেই পুরোদমে পাট শিল্পের ওপর শুরু হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-নীতির আরোপ যা অনেকটা পুলিশি নজরদারির মতো বলা চলে। মমতা আর প্রণববাবু রাজ্যের পাট শিল্পের ৩ কোটি চাষি ও শ্রমিককে সবসময় আগলে রাখতেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তাঁরা না থাকায় পাট শিল্পে আজ বাজছে বেদনার সুর।
বিশদ

রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য: রবার যেটা সেটা রবেই
মেরুনীল দাশগুপ্ত

রবীন্দ্র-অমর্ত্য নিয়ে সংঘচালকদের প্রসঙ্গ উঠতেই কেন যে তিনি ওই অনুবাদ প্রসঙ্গ তুললেন—বলা বিপজ্জনক! কেবল কবির কথায় বলা চলে—রইলো বলে রাখলে কারে, হুকুম তোমার ফলবে কবে?/ তোমার টানাটানি টিকবে না ভাই, রবার যেটা সেটাই রবে। বলতে কী, যেভাবে করার চেষ্টা হচ্ছে, সেভাবে কিছুই হবে না। বড়জোর ওই—গ্রাউন ভালোবাসে ফিগুরিসকে! তাতে স্বচ্ছ ভারতের মুখে ছায়াকালিমাই শুধু বাড়বে। আমরা নিশ্চিত, রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য, রামায়ণ থেকে রাজনীতি—শেষ পর্যন্ত রবার যেটা সেটা রবেই। জাভড়েকর সেটা খানিক বুঝেছেন বলেই হয়তো সামলে নিয়েছেন। পহেলাজরা বুঝবেন কবে!
বিশদ

দার্জিলিং জেলাকে পৃথক একটি রাজ্য করার দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব
শমিত কর

বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পৃথক রাজ্য হিসাবে দার্জিলিংকে গড়ার দাবিতে পাহাড়বাসী রণং দেহি ভূমিকা নিচ্ছে। উত্তরে কাশ্মীর পরিস্থিতির মতো আমাদের রাজ্যের এই পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থা এক মারাত্মক আকার নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে যে জঙ্গি নাশকতা ধারাবাহিকভাবে চলেছে তার পিছনে পাকিস্তানের মদত কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

25th  July, 2017
আপনিই সর্বশক্তিমান, তবু দেশজুড়ে এত অস্থিরতা কেন মোদিসাহেব?
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় থাকলে বুদ্ধিমান চতুর শাসকেরও বুদ্ধিবৃত্তি লোপ পায়। দম্ভে, অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না। বিরোধিতা দেখলেই নেমে আসে দমন, পীড়ন। পুলিশ লেলিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে বন্দি করে রাখা... আরও কত কী! আজকের পশ্চিমবঙ্গে গত বেশ কিছুদিন ধরেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের বদান্যতায় যা দস্তুর।
বিশদ

25th  July, 2017
বইই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মুক্তির জগৎ

পঙ্কজ সাহা : রাষ্ট্রপতি ভবন বলতে মনের মধ্যে যে ধারণা ছিল সেটা একেবারে বদলে গেল দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছানোর পরে। কলকাতা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলে যাওয়ার পরে ব্রিটিশ আমলে যে বিরাট প্যালেসটি দিল্লির রাইসিনা হিলসে নির্মিত হয়েছিল ভাইসরয় প্যালেস হিসেবে এবং ভারতের স্বাধীনতার পরে যেটি রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে চিহ্নিত হয়, সেই বিরাট প্যালেসটির ছবিই মনের মধ্যে মুদ্রিত ছিল রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে।
বিশদ

24th  July, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

23rd  July, 2017
শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

23rd  July, 2017
যুদ্ধ নয়, স্থিতাবস্থা চাই ডোকালায়
প্রশান্ত দাস

 চীনের কথা উঠলেই সুবেদার মেজর হামিদ সাহেব বলতেন—বাঁদরের যত বাঁদরামি গাছের ডালে। ডাঙায় এলেই লেজ তোলে। লেজ তোলার অর্থ, লেজ তুলে পালায়। চীনের অবস্থা ওই বাঁদরের মতন। দাদাগিরি দেখাবে পাহাড়ের মাথায়। সমতলে নয়। সমতলের যুদ্ধে ভারতীয় সেনারা এখনও আনপ্যারালেলড। বিশদ

22nd  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

21st  July, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কৈখালি এলাকায় তৃণমূল আশ্রিত সিন্ডিকেটের ‘দাদাদের’ দাপটে নাজেহাল এলাকার বাসিন্দারা। এমনই অভিযোগ তুলে নবান্নে ও বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার জ্ঞানবন্ত সিংকে চিঠি দিয়েছেন বিধাননগর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলার সুভাষ বসু। তাঁর অভিযোগ, এই এলাকার বাসিন্দারা সিন্ডিকেটের লোকজনের দাপটে অতিষ্ঠ ...

 বিএনএ, বহরমপুর: দু’টি পঞ্চায়েতের দুই প্রধান সহ ১২জন সদস্যকে দলে টেনে জলঙ্গি ব্লক দুষ্কৃতীমুক্ত করার ডাক দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার জলঙ্গির সাহেবনগর পঞ্চায়েতের সাতজন, কাটাবাড়ি পঞ্চায়েতের পাঁচজন এবং পঞ্চায়েত সমিতির দু’জন সদস্য তৃণমূলে যোগ দেন। তাঁদের অধিকাংশই কংগ্রেস ছেড়ে এসেছেন। ...

কাবুল, ২৬ জুলাই: আফগানিস্তানে তালিবান জঙ্গিদের অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ উঠল রাশিয়ার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালিবানের হাতে যেসব ‘উন্নত অস্ত্র’ দেখা গিয়েছে, যেগুলি রাশিয়ায় তৈরি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ ভিডিও রেকর্ড হাতে আসার দাবি করে আফগান ও আমেরিকার কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ...

প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেলের খাবার নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের অন্ত নেই। দিন কয়েক আগে ক্যাগের রিপোর্টেও রেলের খাবারের করুণ ছবি উঠে এসেছে। রেলকর্তাদের অনেকেরই বক্তব্য ছিল, যে জায়গায় রেলের খাবার তৈরি হয়, সার্বিক অবস্থার পরিবর্তনে অবিলম্বে সেই রান্নাঘরে নজরদারি চালানো দরকার। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরানো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দ লাভ হবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৪৪- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৬০- শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৯২- অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
২০১৫- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৬০ টাকা ৬৫.২৮ টাকা
পাউন্ড ৮২.৫২ টাকা ৮৫.৩৫ টাকা
ইউরো ৭৩.৭৮ টাকা ৭৬.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৩৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৭৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ১১ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী দিবা ৭/১, উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ৪/৪০, সূ উ ৫/৯/৩৯, অ ৬/১৬/৩১, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-২/৫৮, বারবেলা ৩/০-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪৩-১/৪।
১০ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী ১০/০/৭, পূর্বফাল্গুনীনক্ষত্র ৮/৬/৪৫, সূ উ ৫/৬/৩৭, অ ৬/১৮/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩১-২/৪৭/৪, বারবেলা ৪/৩৯/৫১-৬/১৮/৫৩, কালবেলা ৩/০/৪৯-৪/৩৯/৫১, কালরাত্রি ১১/৪২/৪৫-১/৩/৪৩।
 ৩ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসের স্কোর: ১৫৪/৫

05:35:19 PM

  মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বন্যা কবলিত অঞ্চল পরিদর্শনে আগামী শনিবার ঘাটাল যাবেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়

05:02:00 PM

  বাজ পড়ে ক্ষতিগ্রস্থ দমকলের সদর দপ্তর
বাজ পড়ে দমকলের সদর দপ্তরের কন্ট্রোলরুম ক্ষতিগ্রস্থ। ক্ষতি হয়েছে মন্ত্রীর ঘরও 

05:00:00 PM

 মেদিনীপুরে সুবর্ণরেখার ভাঙনে আতঙ্ক

 মেদিনীপুরের দাঁতন ১ ব্লকের বড়া মহেশপুর গ্রামের কাছে সুবর্ণরেখা নদী পাড়ে ভাঙন। চাষযোগ্য জমি, খেলার মাঠ নদী গর্ভে। নদী ক্রমশ গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।

04:51:25 PM

 গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দুর্গত হয়েছেন ৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৭৫ জন। রাজ্যে ত্রাণ শিবির চলছে ১৬২ টি : নবান্ন সূত্রের খবর

04:41:00 PM

এই মরশুমে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে বন্যায় মৃত ১৬

 এই মরশুমে গত ২১ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১৬। আজ নবান্ন সূত্রে এই খবর পাওয়া গিয়েছে।

04:36:00 PM