বিশেষ নিবন্ধ
 

পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বেগ কাটাতে ‘নিট’ সংকটের দ্রুত সমাধান জরুরি

নিমাই দে: উদ্দেশ্যটা ছিল খুবই সহজ এবং এর মধ্যে আপাতভাবে জটিলতার তেমন নামগন্ধ ছিল না। সারা দেশজুড়ে সমমেধার চিকিৎসক তৈরি করতে পরীক্ষাটাও নেওয়া হবে সমমানের। অর্থাৎ প্রশ্নপত্র হবে একই, প্রবেশিকা পরীক্ষাও হবে একটাই। তার নামকরণ হল ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট বা সংক্ষেপে ‘নিট’। এর আরও একটি উল্লেখযোগ্য এবং চমকপ্রদ দিক হল, সারা দেশে ইংরেজিসহ নয় নয় করে দশটি ভাষায় প্রশ্নপত্র তৈরি হয়েছিল। উদ্দেশ্য, ভাষাগত দুর্বলতা এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে আড়ষ্ঠতা থেকে ছাত্রছাত্রীদের মুক্তি দেওয়া। তাই পশ্চিমবঙ্গে বাংলা মাধ্যমে পড়া হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী অনেকটাই আশার আলো দেখেছিলেন। কিন্তু সেই আপাত নিরীহ ব্যাপারটাই যে শেষমেশ তাঁদের কাছে বিভীষিকা হয়ে দাঁড়াবে, তা বোধহয় কেউ কল্পনাতেও আনতে পারেননি।
গত ৭ মে দেশজুড়ে নেওয়া হল মেডিকেলে ভরতির জন্য ওই তথাকথিত অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষা শেষ হতেই যে তথ্য মুহূর্তের মধ্যে চারদিক ছড়িয়ে পড়ল, তা হল, আদৌ অভিন্ন হয়নি ওই পরীক্ষা। প্রথমত, বাংলার ছাত্রছাত্রীদের মনে হয়েছে, প্রশ্নপত্র বেশ কঠিন হয়েছে। প্রশ্ন না হয় কারও কাছে কঠিন লাগতেই পারে। এ নিয়ে বড়জোড় বিতর্ক হতে পারে। কিন্তু আরও যে অভিযোগটি উঠে এল, তা এর চেয়েও মারাত্মক। তা হল, বাংলা ভাষায় যে প্রশ্নপত্র হয়েছে, তা ইংরেজি ভাষায় হওয়া প্রশ্নপত্রের চেয়ে একেবারে আলাদা। বাংলা মাধ্যমের হাজার হাজার ছেলেমেয়ে শুধু অশেষ ভোগান্তি এবং উদ্বেগের মধ্যে যেমন পড়লেন, পাশাপাশি এটি নতুন বিতর্কেরও জন্ম দিল। প্রশ্ন উঠে গেল, ইংরেজি এবং হিন্দিসহ যেখানে মোট দশটি ভাষায় এবার প্রশ্নপত্র তৈরি হল, সেখানে বাংলার প্রশ্নই আলাদা হয়ে গেল কীভাবে? এ কি নিছক ভুল, নাকি এর মধ্যে সেই পুরানো বিভেদ সৃষ্টির ছকই কাজ করেছে? নিট এই প্রথম হল, এমনটা নয়। এর আগে ২০১৩ এবং ২০১৬ সালে নিট হয়েছিল, তবে এতগুলি ভাষায় নয়। ২০১৬ তে কিন্তু এই সর্বভারতীয় পরীক্ষার আয়োজক সিবিএসই বোর্ডের তুলনায় বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা খুব একটা ভালো ফল করতে পারেননি। কিন্তু তা হলেও সেবার প্রশ্ন ছিল একটাই, অভিন্ন। অথচ এবার ইংরেজির থেকে বাংলায় শুধু প্রশ্নই আলাদা করা হয়নি, প্রশ্নের প্যাটার্নও সম্পূর্ণ আলাদা হয়েছে বলে বহু ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন। মেডিকেলে ভরতি সংক্রান্ত পরীক্ষার প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত অনেক শিক্ষকও একই অভিযোগ করেছেন। তাঁরাও হতাশ এটা শুনে যে অনেক ছেলেমেয়ে ফিজিক্স ও কেমিস্ট্রিতে ৪৫টি করে প্রশ্নের মধ্যে আট-দশটির বেশি উত্তর দিতে পারেননি। বায়োলজির ৯০টি প্রশ্নের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতিটা ছিল কমবেশি একই। এক ছাত্র যেমন নিজের অভিজ্ঞতা শোনাতে গিয়ে বলেছিলেন, পরীক্ষা অভিন্ন হওয়ার কথা থাকলে কী হবে, এবার প্রশ্নও আলাদা ছিল, আলাদা ছিল প্রশ্নপত্রের ধরনও। সবচেয়ে বড় কথা প্রশ্নগুলির উত্তর বড় এবং সময়সাপেক্ষ। ফলে সীমিত সময়ের এই ধরনের পরীক্ষায় তাঁরা যথেষ্টই সমস্যায় পড়েছিলেন। ৭২০ নম্বরের মধ্যে বাংলা মাধ্যমের ছেলেদের অনেকেই বড়জোর ৩০০ নম্বরের উত্তর দিতে সমর্থ হন। সেখানে ইংরেজি মাধ্যমের বেশিরভাগ ছেলেমেয়েই হাসতে হাসতে ৪৫০ নম্বরের উত্তর দিয়েছেন। ফলে বহু অভিভাবকের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। সেই দিনটি থেকেই অনেকের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। কারণ, অনেকেই তাঁদের ছেলেমেয়েকে ভবিষ্যতে ডাক্তার হিসাবে গড়ে তোলার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন। তার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন। ভালো ভালো কোচিং সেন্টারে পড়িয়ে লাখ লাখ টাকা খরচ করতেও দু’বার ভাবেননি। কিন্তু একটা বোর্ডের স্রেফ ‘দ্বিচারিতা’র জেরে এতদিনের পরিশ্রম বিফলে চলে যাবে, এটা কেউই মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না। কিন্তু অভিভাবকদের করারই বা কী আছে? তাঁরা তো আর সংঘবদ্ধ নন। ফলে এ নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ থাকলেও তা সেভাবে দানা বাঁধেনি। ক্ষোভের আগুন জ্বলছে ধিকি ধিকি।
সুখের কথা একটাই। নিট-এ এই প্রশ্নপত্রের বিভ্রাট নিয়ে শোরগোল পড়তেই রাজ্য সরকার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। খোদ শিক্ষামন্ত্রী নবান্নে দাঁড়িয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন, কৌশলে বিভাজন সৃষ্টির লক্ষেই এমনটা করা হয়েছে। এর পিছনে যে কেউ রয়েছে, এমন সম্ভাবনার কথাও তিনি সেদিন শুনিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি সেদিন স্বীকার করেছিলেন, পরীক্ষার পর অসংখ্য ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবক-অভিভাবকা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের ক্ষোভ এবং উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। এমনকী অনেকে সরাসরি অভিযোগ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীকেও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত। তিনি সেদিনই স্বাস্থ্য দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দিল্লিতে চিঠি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সেইমতো রাজ্য সরকার সিবিএসই বোর্ডকে কড়া চিঠি পাঠিয়েও দিয়েছে। এই চিঠি পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফেই। কারণ, এ নিয়ে একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। তা হল, পরীক্ষার্থীরা যেহেতু এখনও কোনও মেডিকেল কলেজে ভরতি হননি, তাই তাঁদের স্বার্থরক্ষায় চিঠি পাঠাবে কে, স্বাস্থ্য দপ্তর নাকি উচ্চশিক্ষা দপ্তর, এই প্রশ্নটা উঠেছিল। যদিও শেষমেশ স্বাস্থ্যসচিব আর এস শুক্লাই ওই কড়া চিঠিটি পাঠিয়েছেন বলে খবর। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকও এই একই ইস্যুতে সিবিএসই বোর্ডের জবাবদিহি তলব করেছে। বিক্ষোভ যে শুধু এ রাজ্যেই সীমাবদ্ধ, তা কিন্তু নয়। গুজরাতেও একই ঘটনা ঘটছে।
এইরকম পরিস্থিতিতে সিবিএসই কী করবে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। এমন একটি আপাত সহজবোধ্য কেলেঙ্কারির ঘটনায় তদন্ত করতে খুব বেশি সময় লাগারও কথা নয়। কারণ, পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের অনেকেই বলেছেন, এই পরীক্ষা আসলে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আয়োজক সংস্থার এক ধরনের চুক্তি। যা কি না নিয়মাবলীতেই রয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী অভিন্ন পরীক্ষায় অভিন্ন প্রশ্নপত্রই হওয়ার কথা। অথচ বাস্তবে হল ভিন্ন প্রশ্নপত্র। কেন? প্রশ্ন এবং উত্তর সবই এই ছোট্ট বিষয়টির মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। এর জন্য বিরাট তদন্ত কমিটি গঠন করে, মাসের পর মাস সময় নষ্ট করে এতগুলি ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের অভিভাবকদের চরম দুশ্চিন্তায় রাখার কি কোনও যৌক্তিকতা আছে? অথচ তদন্তের যা গতিপ্রকৃতি, তাতে অনেকেই খুব একটা আশান্বিত হওয়ার মতো কিছু খুঁজে পাচ্ছেন না। কারণ, এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের জবাবদিহি তলব এবং রাজ্য সরকারের কড়া চিঠি ছাড়া এই কাণ্ডের আর কোনও অগ্রগতি নেই।
মেডিকেল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার যুক্তি ছিল, সারা দেশে একাধিক পরীক্ষার বদলে একটিমাত্র পরীক্ষা হলে দুর্নীতি এবং অনিয়মের অবসান ঘটবে। ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনও ডাক্তারির মতো পেশার পবিত্রতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই ধরনের অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষাকে স্বাগত জানিয়েছিল। অন্যদিকে, ডাক্তারির প্রতি ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহে যে বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হল, এবার নিটে বসেছিলেন রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার্থী। সারা দেশে সংখ্যাটা ছিল ১১ লক্ষ ৩৫ হাজার ১০৪ জন। গত বছরের তুলনায় যা ৩ লক্ষ ৩২ হাজার ৫১০ জন বেশি। ২০১৬ সালে নিটে বসেছিলেন ৮ লক্ষ ২ হাজার ৫৯৪ জন। রা঩জ্যে ডাক্তারদের নিগ্রহ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে ডাক্তারদের কাঠগড়ায় তোলা প্রভৃতি ঘটনা নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের যে ডাক্তার হওয়ার বাসনাকে বিন্দুমাত্র দমাতে পারেনি, তা উপরের পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যায়।
এরকম একটা প্রেক্ষাপটে অনেক আশা নিয়ে পরীক্ষায় বসা ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে যে কোনও ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের কাজই চরম অপরাধের শামিল। কারণ, সিবিএসই’র ওই ভুলই (ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত) হাজার হাজার মানুষকে চরম হতাশার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, এর পিছনে কারও হাত আছে। সেই হাত কার, তা তিনি খোলসা করেননি। কিন্তু পার্থবাবুর কথার মধ্যেই কেন্দ্র-রাজ্য দ্বন্দ্ব বা সংঘাতের সেই পুরানো ইঙ্গিত লুকিয়ে ছিল। হতে পারে এর পিছনেও হয়তো রাজনীতির খেলা আছে। থাকতে পারে রাজ্যকে বঞ্চনা করা বা রাজ্যের মেধাকে স্বীকৃতি না দেওয়ার কৌশল।
কিন্তু পিছনে যাই থাক না কেন, হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর মানসিক যন্ত্রণা ও উদ্বেগকে সম্মান দিয়ে এই কেলেঙ্কারির রহস্য দ্রুত উন্মোচন হোক, এটাই সবার একমাত্র কামনা। এবং তা হোক রাজনীতির বাইরে থেকেই।
19th  May, 2017
নদী তুমি কার

বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত করে দেয়। অবশ্য দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা পাবার আগে ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে ভারতবর্ষের নেতৃত্ব যখন আলোচনা আরম্ভ করেন তখনই ভারতবর্ষ দ্বিখণ্ডিত হলে প্রাকৃতিক সম্পদ বিশেষ করে জলবণ্টনের নীতি কীভাবে স্থিরীকৃত হবে সে ব্যাপারে কয়েকজন আলোচনাকারী উত্থাপন করলেও, দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা লাভ করার দুরন্ত আশা তদানীন্তন রাজনৈতিক নেতাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছিল।
বিশদ

চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে

কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে হেরে প্রমাণ করল ক্রিকেট বিশ্বে ভারত কতটা বন্ধুহীন। যেসব দেশকে ভারত হাতে করে জাতে তুলেছে তারাও ভারতের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
বিশদ

ভুলে যাওয়ার রাজনীতি

 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব সুবিধা হয় আমাদের বোকা বানাতে। এই তো মার্চ মাসে সংগীতশিল্পী কালিকাপ্রসাদের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বাংলা সংগীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতির জন্য যথার্থ শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল।
বিশদ

26th  May, 2017
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি

অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। কয়েকটা রেললাইনের পরে সারি সারি ওয়াগনের পাশে শান্টিং করছে একটা ডিজেল ইঞ্জিন। এই স্টেশনটা আমি বা আমার মতো অনেকেই হয়তো আগে চোখে দেখিনি।
বিশদ

25th  May, 2017
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়

অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া যাবে। এই ভাবনা এখন সবথেকে বেশি চর্চিত। কিন্তু এটা মাথায় রাখতে হবে যুদ্ধ কখনওই কাম্য নয়। যুদ্ধ কোনও দেশই চায় না। সবচেয়ে বড় কথা, আমার মনে হয় যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান বা আমরা কেউই তেমন তৈরি নয়।
বিশদ

25th  May, 2017
লোকসভার ভোট যখনই হোক এবার
মমতাই হবেন মোদির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী

হিমাংশু সিংহ : অধীরবাবুরা এতদিন রাজনীতি করছেন, এত দীর্ঘ সময় সংসদীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এখনও কংগ্রেস নেতৃত্বের মেজাজটাই বুঝতে পারেন না। গত বিধানসভা ভোটে এ রাজ্যে সিপিএমের সঙ্গে জোট করে, খুলে আম বুদ্ধদেববাবুর সঙ্গে মালাবদল করে কংগ্রেসের কোন লাভটা হয়েছে? 
বিশদ

24th  May, 2017
মমতা-সোনিয়া বৈঠক কি সিপিএমের চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে?

 শুভা দত্ত: কে বেশি বিজেপি বিরোধী? কে বেশি ধর্মনিরপেক্ষ? হিন্দু-মুসলমান সৌহার্দ সম্প্রীতি রক্ষার ব্যাপারে কে বেশি তৎপর, আন্তরিক? এইসব নিয়ে এ রাজ্যে শাসক-বিরোধী তরজা বহুদিন ধরেই চলছে।
বিশদ

21st  May, 2017
  এত দেরি করলেন কেন পার্থবাবু?

 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: কথায় বলে, বাঙালির ঝুঁটি ধরে না-ঝাঁকালে টনক নাকি নড়ে না। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও একবার খুব বড় একটা ধন্যবাদ জানাই বাঙালির এই টনকটা নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য।
বিশদ

21st  May, 2017



একনজরে
 বিএনএ, রায়গঞ্জ: উত্তর দিনাজপুর জেলার কুলিক ও শ্রীমতি নদীর নাব্যতাসহ নানা ধরণের সমস্যা মেটাতে দক্ষিণ দিনাজপুরের একটি পরিবেশপ্রেমী সংগঠন আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই কুলিক নদীর নাব্যতা হারানো, যত্রতত্র পারের মাটি কেটে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে। শ্রীমতি নদীর ...

 কান্দাহার, ২৬ মে (এএফপি): কান্দাহারে তালিবান হামলায় অন্তত ১৫ জন আফগান সেনার মৃত্যু হল। আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, কান্দাহারের সেনা ঘাঁটিতে এই তালিবান হামলা হয়েছে। ...

 মুম্বই, ২৬ মে (পিটিআই): একের পর এক রেকর্ড গড়েই চলেছে সেনসেক্স। মোদি সরকারের তৃতীয় বর্ষপূর্তির মধ্যেই প্রথমবারের জন্য ৩১ হাজারের শিখর ছুঁল সেনসেক্স। বৃহস্পতিবার রেকর্ড ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চিরকাল বিরোধীদের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলে তার হিসাব চেয়ে এসেছে শাসকপক্ষ। এবার তার উলটো পথে হাঁটল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। রাজ্যে পালাবদলের পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ রয়েছে টিএমসিপি’র হাতেই। তাদের পক্ষ থেকে চিঠি লেখা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটি শুভ। কর্মে সাফল্য। অবিবাহিতদের বিবাহের যোগ। প্রেমপরিণয়ে জটিলতা বৃদ্ধি।প্রতিকার: প্রবাহিত জলস্রোতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৪ টাকা ৬৫.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮১.৭৫ টাকা ৮৪.৭২ টাকা
ইউরো ৭১.০৭ টাকা ৭৩.৬০ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯, ২৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮, ২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০, ৩০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৩ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, শনিবার, দ্বিতীয়া অপঃ ৫/৩২, মৃগশিরানক্ষত্র অপঃ ৬/৭, সূ উ ৪/৫৬/২৩, অ ৬/১০/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১-অস্তাবধি রাত্রি ৬/৫৩-৭/৩৬, পুনঃ ১১/১২-১/২১ পুনঃ ২/৪৭-উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ পুনঃ ১/১৩-২/৫২ পুনঃ ৪/৩২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩২ পুনঃ ৩/৩৬-উদয়াবধি।
১২ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, শনিবার,দ্বিতীয়া রাত্রি ৮/৪৯/৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ৯/৩১/১৬, সূ উ ৪/৫৫/২, অ ৬/১১/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩২/১৭-৬/১১/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/২৯-৭/৩৭/২৩, ১১/১১/৫২-১/২০/৩৩, ২/৪৬/২০-৪/৫৪/৫৬, বারবেলা ১/১২/৫৩-২/৫২/২৭, কালবেলা ৬/৩৪/৩৬, ৪/৩২/২২-৬/১১/৩৫, কালরাত্রি ৭/৩২/১, ৩/৫৪/৩০-৪/৫৪/৫৬।
৩০ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে

 ১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম

09:46:00 PM

'একনায়কতন্ত্র চলছে, সম্পূর্ণ বিরোধিতা করি', জবাইয়ের উদ্দেশ্যে গবাদি পশু কেনাবেচা বন্ধ সংক্রান্ত কেন্দ্রের নির্দেশিকা প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের 
জবাইয়ের উদ্দেশ্যে কোনও গবাদি পশু কেনা বা বিক্রি করা যাবে না। গতকাল কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা এই নির্দেশিকার তীব্র বিরোধিতা করলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, 'প্রতিবার কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে দিচ্ছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা না বলে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। একনায়কতন্ত্র চলছে, এর সম্পূর্ণ বিরোধিতা করি।' তিনি আরও জানান, সাম্প্রদায়িকতা কোনও ভাবেই মানা হবে না। 

06:08:20 PM

জম্মু-কাশ্মীরের ত্রালে সেনা-বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ১জনের মৃত্যু 

04:47:02 PM

শিলিগুড়ির ফুলবাড়িতে শ্যালিকাকে অ্যাসিড ছুঁড়ল জামাইবাবু, জখম ২ 
শ্যালিকাকে অ্যাসিড ছুঁড়ে জখম করল জামাইবাবু। অ্যাসিড লেগে জখম হয়েছে এক শিশুও। শিলিগুড়ির ফুলবাড়ির ওই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

02:54:17 PM

উত্তরাখণ্ডে বজ্রাঘাতে মৃত ৩, জখম ৯

02:12:00 PM

বিক্ষোভে উত্তাল বারাসত আদালত চত্বর, প্রহৃত মনুয়ার আইনজীবী 
হৃদয়পুরে প্রেমিককে দিয়ে স্বামীকে খুনের ঘটনায় ধৃত মনুয়া মজুমদারকে আদালতে পেশ করা নিয়ে উত্তাল বারাসত আদালত চত্বর। সকাল থেকেই সেখানে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে সাধারণ মানুষ। মারধর করা হয়েছে মনুয়ার আইনজীবীকে। বিশাল পুলিশ বাহিনী ও RAF মোতায়েন থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। 

01:58:27 PM






বিশেষ নিবন্ধ
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...
ভুলে যাওয়ার রাজনীতি
 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব ...
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি
অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। ...
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়
অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া ...