বিশেষ নিবন্ধ
 

পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বেগ কাটাতে ‘নিট’ সংকটের দ্রুত সমাধান জরুরি

নিমাই দে: উদ্দেশ্যটা ছিল খুবই সহজ এবং এর মধ্যে আপাতভাবে জটিলতার তেমন নামগন্ধ ছিল না। সারা দেশজুড়ে সমমেধার চিকিৎসক তৈরি করতে পরীক্ষাটাও নেওয়া হবে সমমানের। অর্থাৎ প্রশ্নপত্র হবে একই, প্রবেশিকা পরীক্ষাও হবে একটাই। তার নামকরণ হল ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট বা সংক্ষেপে ‘নিট’। এর আরও একটি উল্লেখযোগ্য এবং চমকপ্রদ দিক হল, সারা দেশে ইংরেজিসহ নয় নয় করে দশটি ভাষায় প্রশ্নপত্র তৈরি হয়েছিল। উদ্দেশ্য, ভাষাগত দুর্বলতা এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে আড়ষ্ঠতা থেকে ছাত্রছাত্রীদের মুক্তি দেওয়া। তাই পশ্চিমবঙ্গে বাংলা মাধ্যমে পড়া হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী অনেকটাই আশার আলো দেখেছিলেন। কিন্তু সেই আপাত নিরীহ ব্যাপারটাই যে শেষমেশ তাঁদের কাছে বিভীষিকা হয়ে দাঁড়াবে, তা বোধহয় কেউ কল্পনাতেও আনতে পারেননি।
গত ৭ মে দেশজুড়ে নেওয়া হল মেডিকেলে ভরতির জন্য ওই তথাকথিত অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষা শেষ হতেই যে তথ্য মুহূর্তের মধ্যে চারদিক ছড়িয়ে পড়ল, তা হল, আদৌ অভিন্ন হয়নি ওই পরীক্ষা। প্রথমত, বাংলার ছাত্রছাত্রীদের মনে হয়েছে, প্রশ্নপত্র বেশ কঠিন হয়েছে। প্রশ্ন না হয় কারও কাছে কঠিন লাগতেই পারে। এ নিয়ে বড়জোড় বিতর্ক হতে পারে। কিন্তু আরও যে অভিযোগটি উঠে এল, তা এর চেয়েও মারাত্মক। তা হল, বাংলা ভাষায় যে প্রশ্নপত্র হয়েছে, তা ইংরেজি ভাষায় হওয়া প্রশ্নপত্রের চেয়ে একেবারে আলাদা। বাংলা মাধ্যমের হাজার হাজার ছেলেমেয়ে শুধু অশেষ ভোগান্তি এবং উদ্বেগের মধ্যে যেমন পড়লেন, পাশাপাশি এটি নতুন বিতর্কেরও জন্ম দিল। প্রশ্ন উঠে গেল, ইংরেজি এবং হিন্দিসহ যেখানে মোট দশটি ভাষায় এবার প্রশ্নপত্র তৈরি হল, সেখানে বাংলার প্রশ্নই আলাদা হয়ে গেল কীভাবে? এ কি নিছক ভুল, নাকি এর মধ্যে সেই পুরানো বিভেদ সৃষ্টির ছকই কাজ করেছে? নিট এই প্রথম হল, এমনটা নয়। এর আগে ২০১৩ এবং ২০১৬ সালে নিট হয়েছিল, তবে এতগুলি ভাষায় নয়। ২০১৬ তে কিন্তু এই সর্বভারতীয় পরীক্ষার আয়োজক সিবিএসই বোর্ডের তুলনায় বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা খুব একটা ভালো ফল করতে পারেননি। কিন্তু তা হলেও সেবার প্রশ্ন ছিল একটাই, অভিন্ন। অথচ এবার ইংরেজির থেকে বাংলায় শুধু প্রশ্নই আলাদা করা হয়নি, প্রশ্নের প্যাটার্নও সম্পূর্ণ আলাদা হয়েছে বলে বহু ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন। মেডিকেলে ভরতি সংক্রান্ত পরীক্ষার প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত অনেক শিক্ষকও একই অভিযোগ করেছেন। তাঁরাও হতাশ এটা শুনে যে অনেক ছেলেমেয়ে ফিজিক্স ও কেমিস্ট্রিতে ৪৫টি করে প্রশ্নের মধ্যে আট-দশটির বেশি উত্তর দিতে পারেননি। বায়োলজির ৯০টি প্রশ্নের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতিটা ছিল কমবেশি একই। এক ছাত্র যেমন নিজের অভিজ্ঞতা শোনাতে গিয়ে বলেছিলেন, পরীক্ষা অভিন্ন হওয়ার কথা থাকলে কী হবে, এবার প্রশ্নও আলাদা ছিল, আলাদা ছিল প্রশ্নপত্রের ধরনও। সবচেয়ে বড় কথা প্রশ্নগুলির উত্তর বড় এবং সময়সাপেক্ষ। ফলে সীমিত সময়ের এই ধরনের পরীক্ষায় তাঁরা যথেষ্টই সমস্যায় পড়েছিলেন। ৭২০ নম্বরের মধ্যে বাংলা মাধ্যমের ছেলেদের অনেকেই বড়জোর ৩০০ নম্বরের উত্তর দিতে সমর্থ হন। সেখানে ইংরেজি মাধ্যমের বেশিরভাগ ছেলেমেয়েই হাসতে হাসতে ৪৫০ নম্বরের উত্তর দিয়েছেন। ফলে বহু অভিভাবকের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। সেই দিনটি থেকেই অনেকের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। কারণ, অনেকেই তাঁদের ছেলেমেয়েকে ভবিষ্যতে ডাক্তার হিসাবে গড়ে তোলার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন। তার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন। ভালো ভালো কোচিং সেন্টারে পড়িয়ে লাখ লাখ টাকা খরচ করতেও দু’বার ভাবেননি। কিন্তু একটা বোর্ডের স্রেফ ‘দ্বিচারিতা’র জেরে এতদিনের পরিশ্রম বিফলে চলে যাবে, এটা কেউই মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না। কিন্তু অভিভাবকদের করারই বা কী আছে? তাঁরা তো আর সংঘবদ্ধ নন। ফলে এ নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ থাকলেও তা সেভাবে দানা বাঁধেনি। ক্ষোভের আগুন জ্বলছে ধিকি ধিকি।
সুখের কথা একটাই। নিট-এ এই প্রশ্নপত্রের বিভ্রাট নিয়ে শোরগোল পড়তেই রাজ্য সরকার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। খোদ শিক্ষামন্ত্রী নবান্নে দাঁড়িয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন, কৌশলে বিভাজন সৃষ্টির লক্ষেই এমনটা করা হয়েছে। এর পিছনে যে কেউ রয়েছে, এমন সম্ভাবনার কথাও তিনি সেদিন শুনিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি সেদিন স্বীকার করেছিলেন, পরীক্ষার পর অসংখ্য ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবক-অভিভাবকা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের ক্ষোভ এবং উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। এমনকী অনেকে সরাসরি অভিযোগ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীকেও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত। তিনি সেদিনই স্বাস্থ্য দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দিল্লিতে চিঠি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সেইমতো রাজ্য সরকার সিবিএসই বোর্ডকে কড়া চিঠি পাঠিয়েও দিয়েছে। এই চিঠি পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফেই। কারণ, এ নিয়ে একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। তা হল, পরীক্ষার্থীরা যেহেতু এখনও কোনও মেডিকেল কলেজে ভরতি হননি, তাই তাঁদের স্বার্থরক্ষায় চিঠি পাঠাবে কে, স্বাস্থ্য দপ্তর নাকি উচ্চশিক্ষা দপ্তর, এই প্রশ্নটা উঠেছিল। যদিও শেষমেশ স্বাস্থ্যসচিব আর এস শুক্লাই ওই কড়া চিঠিটি পাঠিয়েছেন বলে খবর। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকও এই একই ইস্যুতে সিবিএসই বোর্ডের জবাবদিহি তলব করেছে। বিক্ষোভ যে শুধু এ রাজ্যেই সীমাবদ্ধ, তা কিন্তু নয়। গুজরাতেও একই ঘটনা ঘটছে।
এইরকম পরিস্থিতিতে সিবিএসই কী করবে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। এমন একটি আপাত সহজবোধ্য কেলেঙ্কারির ঘটনায় তদন্ত করতে খুব বেশি সময় লাগারও কথা নয়। কারণ, পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের অনেকেই বলেছেন, এই পরীক্ষা আসলে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আয়োজক সংস্থার এক ধরনের চুক্তি। যা কি না নিয়মাবলীতেই রয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী অভিন্ন পরীক্ষায় অভিন্ন প্রশ্নপত্রই হওয়ার কথা। অথচ বাস্তবে হল ভিন্ন প্রশ্নপত্র। কেন? প্রশ্ন এবং উত্তর সবই এই ছোট্ট বিষয়টির মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। এর জন্য বিরাট তদন্ত কমিটি গঠন করে, মাসের পর মাস সময় নষ্ট করে এতগুলি ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের অভিভাবকদের চরম দুশ্চিন্তায় রাখার কি কোনও যৌক্তিকতা আছে? অথচ তদন্তের যা গতিপ্রকৃতি, তাতে অনেকেই খুব একটা আশান্বিত হওয়ার মতো কিছু খুঁজে পাচ্ছেন না। কারণ, এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের জবাবদিহি তলব এবং রাজ্য সরকারের কড়া চিঠি ছাড়া এই কাণ্ডের আর কোনও অগ্রগতি নেই।
মেডিকেল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার যুক্তি ছিল, সারা দেশে একাধিক পরীক্ষার বদলে একটিমাত্র পরীক্ষা হলে দুর্নীতি এবং অনিয়মের অবসান ঘটবে। ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনও ডাক্তারির মতো পেশার পবিত্রতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই ধরনের অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষাকে স্বাগত জানিয়েছিল। অন্যদিকে, ডাক্তারির প্রতি ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহে যে বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হল, এবার নিটে বসেছিলেন রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার্থী। সারা দেশে সংখ্যাটা ছিল ১১ লক্ষ ৩৫ হাজার ১০৪ জন। গত বছরের তুলনায় যা ৩ লক্ষ ৩২ হাজার ৫১০ জন বেশি। ২০১৬ সালে নিটে বসেছিলেন ৮ লক্ষ ২ হাজার ৫৯৪ জন। রা঩জ্যে ডাক্তারদের নিগ্রহ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে ডাক্তারদের কাঠগড়ায় তোলা প্রভৃতি ঘটনা নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের যে ডাক্তার হওয়ার বাসনাকে বিন্দুমাত্র দমাতে পারেনি, তা উপরের পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যায়।
এরকম একটা প্রেক্ষাপটে অনেক আশা নিয়ে পরীক্ষায় বসা ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে যে কোনও ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের কাজই চরম অপরাধের শামিল। কারণ, সিবিএসই’র ওই ভুলই (ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত) হাজার হাজার মানুষকে চরম হতাশার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, এর পিছনে কারও হাত আছে। সেই হাত কার, তা তিনি খোলসা করেননি। কিন্তু পার্থবাবুর কথার মধ্যেই কেন্দ্র-রাজ্য দ্বন্দ্ব বা সংঘাতের সেই পুরানো ইঙ্গিত লুকিয়ে ছিল। হতে পারে এর পিছনেও হয়তো রাজনীতির খেলা আছে। থাকতে পারে রাজ্যকে বঞ্চনা করা বা রাজ্যের মেধাকে স্বীকৃতি না দেওয়ার কৌশল।
কিন্তু পিছনে যাই থাক না কেন, হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর মানসিক যন্ত্রণা ও উদ্বেগকে সম্মান দিয়ে এই কেলেঙ্কারির রহস্য দ্রুত উন্মোচন হোক, এটাই সবার একমাত্র কামনা। এবং তা হোক রাজনীতির বাইরে থেকেই।
19th  May, 2017
কেন্দ্রীয় নীতিতে পাট শিল্প ধুঁকছে, মরছে চাষি-শ্রমিক, ভরসা মমতা
নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়

 প্রণব মুখোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে নেই। তাই ২০১৩ সাল থেকে অনাথ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের পাট চাষ আর শিল্প। ওই বছর থেকেই পুরোদমে পাট শিল্পের ওপর শুরু হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-নীতির আরোপ যা অনেকটা পুলিশি নজরদারির মতো বলা চলে। মমতা আর প্রণববাবু রাজ্যের পাট শিল্পের ৩ কোটি চাষি ও শ্রমিককে সবসময় আগলে রাখতেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তাঁরা না থাকায় পাট শিল্পে আজ বাজছে বেদনার সুর।
বিশদ

রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য: রবার যেটা সেটা রবেই
মেরুনীল দাশগুপ্ত

রবীন্দ্র-অমর্ত্য নিয়ে সংঘচালকদের প্রসঙ্গ উঠতেই কেন যে তিনি ওই অনুবাদ প্রসঙ্গ তুললেন—বলা বিপজ্জনক! কেবল কবির কথায় বলা চলে—রইলো বলে রাখলে কারে, হুকুম তোমার ফলবে কবে?/ তোমার টানাটানি টিকবে না ভাই, রবার যেটা সেটাই রবে। বলতে কী, যেভাবে করার চেষ্টা হচ্ছে, সেভাবে কিছুই হবে না। বড়জোর ওই—গ্রাউন ভালোবাসে ফিগুরিসকে! তাতে স্বচ্ছ ভারতের মুখে ছায়াকালিমাই শুধু বাড়বে। আমরা নিশ্চিত, রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য, রামায়ণ থেকে রাজনীতি—শেষ পর্যন্ত রবার যেটা সেটা রবেই। জাভড়েকর সেটা খানিক বুঝেছেন বলেই হয়তো সামলে নিয়েছেন। পহেলাজরা বুঝবেন কবে!
বিশদ

দার্জিলিং জেলাকে পৃথক একটি রাজ্য করার দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব
শমিত কর

বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পৃথক রাজ্য হিসাবে দার্জিলিংকে গড়ার দাবিতে পাহাড়বাসী রণং দেহি ভূমিকা নিচ্ছে। উত্তরে কাশ্মীর পরিস্থিতির মতো আমাদের রাজ্যের এই পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থা এক মারাত্মক আকার নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে যে জঙ্গি নাশকতা ধারাবাহিকভাবে চলেছে তার পিছনে পাকিস্তানের মদত কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

25th  July, 2017
আপনিই সর্বশক্তিমান, তবু দেশজুড়ে এত অস্থিরতা কেন মোদিসাহেব?
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় থাকলে বুদ্ধিমান চতুর শাসকেরও বুদ্ধিবৃত্তি লোপ পায়। দম্ভে, অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না। বিরোধিতা দেখলেই নেমে আসে দমন, পীড়ন। পুলিশ লেলিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে বন্দি করে রাখা... আরও কত কী! আজকের পশ্চিমবঙ্গে গত বেশ কিছুদিন ধরেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের বদান্যতায় যা দস্তুর।
বিশদ

25th  July, 2017
বইই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মুক্তির জগৎ

পঙ্কজ সাহা : রাষ্ট্রপতি ভবন বলতে মনের মধ্যে যে ধারণা ছিল সেটা একেবারে বদলে গেল দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছানোর পরে। কলকাতা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলে যাওয়ার পরে ব্রিটিশ আমলে যে বিরাট প্যালেসটি দিল্লির রাইসিনা হিলসে নির্মিত হয়েছিল ভাইসরয় প্যালেস হিসেবে এবং ভারতের স্বাধীনতার পরে যেটি রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে চিহ্নিত হয়, সেই বিরাট প্যালেসটির ছবিই মনের মধ্যে মুদ্রিত ছিল রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে।
বিশদ

24th  July, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

23rd  July, 2017
শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

23rd  July, 2017
যুদ্ধ নয়, স্থিতাবস্থা চাই ডোকালায়
প্রশান্ত দাস

 চীনের কথা উঠলেই সুবেদার মেজর হামিদ সাহেব বলতেন—বাঁদরের যত বাঁদরামি গাছের ডালে। ডাঙায় এলেই লেজ তোলে। লেজ তোলার অর্থ, লেজ তুলে পালায়। চীনের অবস্থা ওই বাঁদরের মতন। দাদাগিরি দেখাবে পাহাড়ের মাথায়। সমতলে নয়। সমতলের যুদ্ধে ভারতীয় সেনারা এখনও আনপ্যারালেলড। বিশদ

22nd  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

21st  July, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের বহু স্কুলে কম্পিউটার নেই। আবার কোথাও কম্পিউটার থাকলেও নেই ইন্টারনেট সংযোগ। এই অবস্থায় মাধ্যমিক স্তরের ছাত্রীদের কেন্দ্রীয় স্কলারশিপের টাকা পেতে অনলাইনে আবেদন করার নির্দেশকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক স্কলারশিপের আবেদন সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তন ...

প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেলের খাবার নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের অন্ত নেই। দিন কয়েক আগে ক্যাগের রিপোর্টেও রেলের খাবারের করুণ ছবি উঠে এসেছে। রেলকর্তাদের অনেকেরই বক্তব্য ছিল, যে জায়গায় রেলের খাবার তৈরি হয়, সার্বিক অবস্থার পরিবর্তনে অবিলম্বে সেই রান্নাঘরে নজরদারি চালানো দরকার। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কৈখালি এলাকায় তৃণমূল আশ্রিত সিন্ডিকেটের ‘দাদাদের’ দাপটে নাজেহাল এলাকার বাসিন্দারা। এমনই অভিযোগ তুলে নবান্নে ও বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার জ্ঞানবন্ত সিংকে চিঠি দিয়েছেন বিধাননগর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলার সুভাষ বসু। তাঁর অভিযোগ, এই এলাকার বাসিন্দারা সিন্ডিকেটের লোকজনের দাপটে অতিষ্ঠ ...

 গল, ২৬ জুলাই: শিখর ধাওয়ানের অনবদ্য ১৯০ এবং চেতেশ্বর পূজারা অপরাজিত ১৪৪ রানের সুবাদে গলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে ৩ উইকেটে ৩৯৯ রান ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরানো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দ লাভ হবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৪৪- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৬০- শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৯২- অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
২০১৫- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৬০ টাকা ৬৫.২৮ টাকা
পাউন্ড ৮২.৫২ টাকা ৮৫.৩৫ টাকা
ইউরো ৭৩.৭৮ টাকা ৭৬.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৩৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৭৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ১১ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী দিবা ৭/১, উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ৪/৪০, সূ উ ৫/৯/৩৯, অ ৬/১৬/৩১, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-২/৫৮, বারবেলা ৩/০-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪৩-১/৪।
১০ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী ১০/০/৭, পূর্বফাল্গুনীনক্ষত্র ৮/৬/৪৫, সূ উ ৫/৬/৩৭, অ ৬/১৮/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩১-২/৪৭/৪, বারবেলা ৪/৩৯/৫১-৬/১৮/৫৩, কালবেলা ৩/০/৪৯-৪/৩৯/৫১, কালরাত্রি ১১/৪২/৪৫-১/৩/৪৩।
 ৩ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামীকাল বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিজেপির সমর্থন নিয়ে ফের শপথ নেবেন নীতীশ কুমার

26-07-2017 - 11:03:16 PM

হাসপাতাল রাজ্যপাল কে এন ত্রিপাঠি
বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কে এন ত্রিপাঠি ইএনটি সমস্যা নিয়ে ভরতি হলেন পাটনার ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্স হাসপাতালে

26-07-2017 - 10:29:00 PM

 রাত ১০টায় ২ লক্ষ ৩১ হাজার ৪৫০ কিউসেক জল ছাড়ল দুর্গাপুর ব্যারেজ

26-07-2017 - 10:26:00 PM

দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে রাত ৯ টায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার ৪৫০ কিউসেক জল ছাড়া হল

26-07-2017 - 09:41:02 PM

 ঘাটালের প্রতাপপুরের কাছে ১৫ মিটারের মতো বাঁধ ভেঙেছে বলে জানালেন জেলার ভারপ্রাপ্ত মহকুমা শাসক অমিত শেঠ।

26-07-2017 - 09:26:00 PM

 নীতীশ কুমারের দলকে বিজেপি সমর্থন করবে, জানালেন সুশীল মোদি

26-07-2017 - 09:11:30 PM