বিশেষ নিবন্ধ
 

মন খারাপের গল্প ও উনিশে মে

সুব্রত চট্টোপাধ্যায়: মনে পড়ে গতবারের ‘উনিশে মে’তে ছিল ভোটগোনাপড়া। তাই বাংলা ভাষা দিবস-চর্চায় একটু ভাটাই ছিল বলতে হবে। গোনাপড়ার শেষে একটা সুযোগও মিলে গিয়েছিল। বলা গিয়েছিল—এমন দিনে এই উনিশে মে-তে, দাদা, জিতলেন যখন, ভাষার জন্য একটু সময় দেবেন। শিলচরে ১৯৬১-র এই ‘উনিশে’ বাঙালির অনেকটাই রক্ত ঝরেছিল। আজ সেই উনিশে মে। ৫৬-টা বছর কাটলে কী হবে। কটা ‘মন-খারাপ’-ও জমে গিয়েছে। শুনুন তাহলে।
প্রধানবাবুদের মন খারাপ:
পঞ্চায়েতে একটা বিজ্ঞপ্তি এলে প্রধানবাবুরা মুশকিলে পড়েন। হাতে ওটা নিয়ে কতবার নাড়াচাড়া হয়, মানেটা উদ্ধার হয় না। পাবলিক ঘরে ঢুকলে বলেন—বাইরে একটু দাঁড়ান। পরে ডেকে নেব। ততক্ষণে প্রধানবাবু এক মাস্টারবাবুকে ধরে ইংরেজি বিজ্ঞপ্তির মানেটা বুঝে নিলেন। মানেটা শুনে তো প্রধানবাবুর চোখ কপালে। ভাগ্যিস মাস্টারবাবুকে পাওয়া গিয়েছিল, না-হলে তো পাবলিককে উলটোটাই বোঝানো হয়ে যেত। দু-একটা বিজ্ঞপ্তি বাংলায় আসে না এমন নয়। আবার মাঝে মাঝে দুম করে ইংরেজিতে। প্রধানবাবুর মন খারাপ হয়ে যায়।
বাংলা ভাষাপ্রেমীদের মন খারাপ:
বাঙালির একটা ভাষাসংগীত নেই। রাজ্যসংগীতও নেই। নেই আরও অনেক কিছু। পাহাড়ে বাংলা ভাষণ নেই, পড়ুয়াদের বাংলায় আগ্রহ নেই, প্রবাসীদের বাংলা-চর্চা নেই ইত্যাদি কত ‘নেই’ আছে। একটা ভাষাগোষ্ঠীর আইডেন্টিটির জন্য সেই ভাষায় লেখা একটি বিশেষ সংগীত থাকতে পারে। সেই সংগীতের নাম হবে ভাষাস্মারক সংগীত বা জাতীয় ভাষা সংগীত। এই সংগীত গড়ে তুলবে ভাষাগোষ্ঠীর সংহতি। এছাড়া একটি রাজ্যের নিজস্ব ভাষায় লেখা একটি রাজ্য সংগীত থাকবে যা কর্ণাটকে আছে। এমন সংগীত রাজ্যের ভাষাগোষ্ঠীর তথা জনগোষ্ঠীর আত্মপরিচয়ের প্রতীক হয়ে উঠতে পারে। এবং, তাই এইরকম একটা সংগীত থাকা বাঞ্ছনীয়। দার্জিলিংটা কোথায়। এই বাংলায়। তবু সেখানে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিতান্তই কম। সেখানে বাংলা ভাষণ দুষ্প্রাপ্য। সেখানে ভাষণ ইংরেজি-নেপালি-হিন্দিতে। বাংলায় দাঁড়িয়ে বাংলায় কথা হবে না? তাই বলে অন্য ভাষাকে হিংসে করা নয়। কিন্তু বাংলা ভাষণ কি বাঞ্ছনীয় নয়? টাকাওয়ালা পরিবারের ছেলেমেয়েরা এখন বাংলায় আগ্রহ প্রকাশ করে না, ইংরেজি নিয়েই ব্যস্ত। বাংলা ক্লাসে ঘুমোয়, হাই তোলে। হাতে শুধু মুখস্থ করা যুক্তি—মাতৃভাষা মাতৃদুগ্ধ। এ যেন একটা কথার কথা। রবিঠাকুর রাগ করবেন—তাই বলা। আসলে বিদেশি দুগ্ধ খেয়েই বাঁচা হচ্ছে। শামসুর রহমানের দুঃখী বর্ণমালাটা কি দুঃখীই থেকে যাবে? আজ প্রবাসীদের মধ্যেও বাংলাচর্চা প্রায় বন্ধ। তাঁরা সেখানে গিয়েছেন যুবক বয়েসে চাকরি নিয়ে। তার আগ পর্যন্ত বাংলায় কেটেছে বাংলা নিয়ে। বাংলায় ভেসেছেন, ডুবেছেন, পথেঘাটে ড্যাং-কলুই খেলেছেন, মাঠে রাখালি করেছেন, লাঙলও ধরেছেন, অর্থাৎ পুরো বাঙালিয়ানা। সে বাঙালিয়ানা কোথায়। পুরোপুরি থাকাও সম্ভব নয়। রুটিরুজির প্রয়োজনে বিদেশে যাওয়া অপরাধের কিছু নয়। সেখানকার ভাষা চর্চার মধ্যেও অপরাধ নেই। বরং সেটা একটা ক্রেডিট। সুন্দরবনের নোনা মাটিতে যে ছেলেটি মানুষ, সে এখন আমেরিকায়। কম কথা এটা? কিন্তু রাতের খাওয়ার টেবিলে একটু বাংলা কথাটা হবে না? ওঁদের ছেলেমেয়েদের অবস্থাটা দেখেছেন? প্রথম থেকেই বিদেশে। অর্থাৎ বিদেশের মাটি বিদেশের জল। বিদেশের বায়ু বিদেশের ফল। মুখে বাংলাটা কোথায়? বাঙালি আইডেন্টিটি সেখানে হারিয়ে যাচ্ছে। তাই বলে ‘‘এ কোন সকাল/ রাতের চেয়েও অন্ধকার’’ এরকম হতাশার ইঙ্গিতও আমি দিচ্ছি না। ব্যতিক্রমী দু-একটা ঘটনাও আছে।
বাংলা শব্দর মন খারাপ:
কিন্তু আঞ্চলিক বাংলা শব্দ বা লোকশব্দ হারিয়ে যাচ্ছে। তাই শব্দগুলোর মন খারাপ। শব্দগুলোর ব্যবহার একদম কমে গিয়েছে। সবাই এখন শহরমুখী। চাকরি নিয়ে গ্রাম ছেড়ে কোথায় না পাড়ি দিচ্ছে বাঙালি। গ্রামের শব্দ মুখে আনলে শহর যে গাঁইয়া বলবে। মুখে সবাই রপ্ত করছে শহুরে প্রমিত বাংলা। উচ্চারণভঙ্গিও পালটে যাচ্ছে। গোসাবা-বাসন্তীর মাঝি-মাল্লারা, সাগর-কাকদ্বীপের মুটে-মজুরেরা, নামখানার টিউকল মিস্ত্রিরাই শুধু লোকশব্দগুলো একটু একটু বয়ে বেড়াচ্ছে। খেতে-খামারে ছ্যামোত টানতে টানতে, কুমড়ো-তরমুজের বাগানে ভাটি কাটতে কাটতে মানুষ যেটুকু বলছে, ওইটুকুই। দু’দিন পরে তাও কোথায় উবে যাবে। মাতলার মাঝিরা মুখে মুখে কত শব্দ বলত, এখন তো ব্রিজের পর খেয়াও উঠে গিয়েছে, শব্দগুলো আর কানে আসে না। সেদিন গোসাবার বেলতলি, সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার গোরুহাটে গিয়ে দেখলাম—ওসব গোরুহাটায় এখন আর ব্যবসায়ীদের মুখে ঠারের ভাষা বা সাংকেতিক শব্দগুলো আর নেই। থাকলেও একদম কমে গিয়েছে। গোরু-ছাগল-ভেড়া-মোষের কারবারিরা ব্যাবসার প্রয়োজনে সাধারণ মানুষকে আড়াল করে অনেক ঠারের ভাষা ব্যবহার করত। সত্তর-আশির দশকে এইসব শব্দ ওদের মুখে মুখে ফিরত। এই প্রতিবেদকের একটা ছোটখাট শব্দসংগ্রহও আছে। এগুলো কি ব্যাকডেটেড, বাসি, বেদামি হয়ে যাবে আজ। শব্দ মানেই তো একটা ভাষার সম্পদ। শব্দগুলোর তাই মন খারাপ। ওদের আজ অস্তিত্বের সংকট।
বাংলা ভাষার মন খারাপ:
বাংলা ভাষাটা এক মলাটের তলায় নেই, এক ভূগোলে নেই। এ ভাষা কিছুটা ওপার বাংলায়, কিছুটা এপার বাংলায়, কিছুটা ত্রিপুরা-শিলচরে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বিহারে, ঝাড়খণ্ডে। ভূগোলের রকমফেরে ভাষারও রকমফের দাঁড়িয়ে যায়। প্রমিত ব্যাকরণ থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু ভিন্নতা বানান ইত্যাদিতে রয়েও গিয়েছে। ভাষা-সাফাইয়ের কাজটাও যিনি যেমনভাবে পারছেন করছেন। কটা বিশ্ববিদ্যালয়ের যা একটু ভূমিকা আছে। মাঝে মাঝে বা ফি বছর বাংলাভাষা নিয়ে আলোচনার জন্য, ভাষাটা কোথায় কেমন আছে জানতে একটা সমাবেশের ব্যবস্থা করা যায় না? এমন ব্যবস্থার কথা কোনওকালেই ভাবা হয়নি। এমন সমাবেশ আজ কলকাতায় হলে কাল হবে ঢাকায়, পরের বছর ত্রিপুরায় অথবা শিলচরে। সমাবেশটা এমনভাবে হতে পারে। অর্থাৎ একটা ভাষা-কংগ্রেস ফি বছর দরকার। এমনটা হলে বাংলাভাষার হেঁশেল, ঘর-সংসারটা অন্তত দেখা যায়। সংযোজন-সংশোধনের কাজটাও দারুণভাবে চলতে পারে। ভাষা-কংগ্রেসে বাধা কোথায়। নাকি ইগোর লড়াই বেধে যাবে? শেষমেশ ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গীয় বাংলা, ঢাকাই বাংলা, ত্রিপুরাই বাংলা, শিলচরি বাংলা গড়ে উঠবে না তো? বাংলা ভাষার তাই মন খারাপ।
19th  May, 2017
কেন্দ্রীয় নীতিতে পাট শিল্প ধুঁকছে, মরছে চাষি-শ্রমিক, ভরসা মমতা
নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়

 প্রণব মুখোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে নেই। তাই ২০১৩ সাল থেকে অনাথ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের পাট চাষ আর শিল্প। ওই বছর থেকেই পুরোদমে পাট শিল্পের ওপর শুরু হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-নীতির আরোপ যা অনেকটা পুলিশি নজরদারির মতো বলা চলে। মমতা আর প্রণববাবু রাজ্যের পাট শিল্পের ৩ কোটি চাষি ও শ্রমিককে সবসময় আগলে রাখতেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তাঁরা না থাকায় পাট শিল্পে আজ বাজছে বেদনার সুর।
বিশদ

রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য: রবার যেটা সেটা রবেই
মেরুনীল দাশগুপ্ত

রবীন্দ্র-অমর্ত্য নিয়ে সংঘচালকদের প্রসঙ্গ উঠতেই কেন যে তিনি ওই অনুবাদ প্রসঙ্গ তুললেন—বলা বিপজ্জনক! কেবল কবির কথায় বলা চলে—রইলো বলে রাখলে কারে, হুকুম তোমার ফলবে কবে?/ তোমার টানাটানি টিকবে না ভাই, রবার যেটা সেটাই রবে। বলতে কী, যেভাবে করার চেষ্টা হচ্ছে, সেভাবে কিছুই হবে না। বড়জোর ওই—গ্রাউন ভালোবাসে ফিগুরিসকে! তাতে স্বচ্ছ ভারতের মুখে ছায়াকালিমাই শুধু বাড়বে। আমরা নিশ্চিত, রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য, রামায়ণ থেকে রাজনীতি—শেষ পর্যন্ত রবার যেটা সেটা রবেই। জাভড়েকর সেটা খানিক বুঝেছেন বলেই হয়তো সামলে নিয়েছেন। পহেলাজরা বুঝবেন কবে!
বিশদ

দার্জিলিং জেলাকে পৃথক একটি রাজ্য করার দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব
শমিত কর

বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পৃথক রাজ্য হিসাবে দার্জিলিংকে গড়ার দাবিতে পাহাড়বাসী রণং দেহি ভূমিকা নিচ্ছে। উত্তরে কাশ্মীর পরিস্থিতির মতো আমাদের রাজ্যের এই পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থা এক মারাত্মক আকার নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে যে জঙ্গি নাশকতা ধারাবাহিকভাবে চলেছে তার পিছনে পাকিস্তানের মদত কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

25th  July, 2017
আপনিই সর্বশক্তিমান, তবু দেশজুড়ে এত অস্থিরতা কেন মোদিসাহেব?
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় থাকলে বুদ্ধিমান চতুর শাসকেরও বুদ্ধিবৃত্তি লোপ পায়। দম্ভে, অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না। বিরোধিতা দেখলেই নেমে আসে দমন, পীড়ন। পুলিশ লেলিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে বন্দি করে রাখা... আরও কত কী! আজকের পশ্চিমবঙ্গে গত বেশ কিছুদিন ধরেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের বদান্যতায় যা দস্তুর।
বিশদ

25th  July, 2017
বইই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মুক্তির জগৎ

পঙ্কজ সাহা : রাষ্ট্রপতি ভবন বলতে মনের মধ্যে যে ধারণা ছিল সেটা একেবারে বদলে গেল দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছানোর পরে। কলকাতা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলে যাওয়ার পরে ব্রিটিশ আমলে যে বিরাট প্যালেসটি দিল্লির রাইসিনা হিলসে নির্মিত হয়েছিল ভাইসরয় প্যালেস হিসেবে এবং ভারতের স্বাধীনতার পরে যেটি রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে চিহ্নিত হয়, সেই বিরাট প্যালেসটির ছবিই মনের মধ্যে মুদ্রিত ছিল রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে।
বিশদ

24th  July, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

23rd  July, 2017
শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

23rd  July, 2017
যুদ্ধ নয়, স্থিতাবস্থা চাই ডোকালায়
প্রশান্ত দাস

 চীনের কথা উঠলেই সুবেদার মেজর হামিদ সাহেব বলতেন—বাঁদরের যত বাঁদরামি গাছের ডালে। ডাঙায় এলেই লেজ তোলে। লেজ তোলার অর্থ, লেজ তুলে পালায়। চীনের অবস্থা ওই বাঁদরের মতন। দাদাগিরি দেখাবে পাহাড়ের মাথায়। সমতলে নয়। সমতলের যুদ্ধে ভারতীয় সেনারা এখনও আনপ্যারালেলড। বিশদ

22nd  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

21st  July, 2017



একনজরে
কাবুল, ২৬ জুলাই: আফগানিস্তানে তালিবান জঙ্গিদের অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ উঠল রাশিয়ার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালিবানের হাতে যেসব ‘উন্নত অস্ত্র’ দেখা গিয়েছে, যেগুলি রাশিয়ায় তৈরি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ ভিডিও রেকর্ড হাতে আসার দাবি করে আফগান ও আমেরিকার কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের বহু স্কুলে কম্পিউটার নেই। আবার কোথাও কম্পিউটার থাকলেও নেই ইন্টারনেট সংযোগ। এই অবস্থায় মাধ্যমিক স্তরের ছাত্রীদের কেন্দ্রীয় স্কলারশিপের টাকা পেতে অনলাইনে আবেদন করার নির্দেশকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক স্কলারশিপের আবেদন সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তন ...

 বিএনএ, বহরমপুর: দু’টি পঞ্চায়েতের দুই প্রধান সহ ১২জন সদস্যকে দলে টেনে জলঙ্গি ব্লক দুষ্কৃতীমুক্ত করার ডাক দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার জলঙ্গির সাহেবনগর পঞ্চায়েতের সাতজন, কাটাবাড়ি পঞ্চায়েতের পাঁচজন এবং পঞ্চায়েত সমিতির দু’জন সদস্য তৃণমূলে যোগ দেন। তাঁদের অধিকাংশই কংগ্রেস ছেড়ে এসেছেন। ...

মুম্বই, ২৬ জুলাই (পিটিআই): প্রতিদিনই নতুন রেকর্ড গড়ছে শেয়ার বাজারের সূচক। এদিন বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সেনসেক্স ১৫৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৩২ হাজার ৩৮২.৪৬ পয়েন্টে পৌঁছেছে। এত পয়েন্টে এর আগে কখনও সেনসেক্স পৌঁছায়নি। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরানো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দ লাভ হবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৪৪- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৬০- শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৯২- অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
২০১৫- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৬০ টাকা ৬৫.২৮ টাকা
পাউন্ড ৮২.৫২ টাকা ৮৫.৩৫ টাকা
ইউরো ৭৩.৭৮ টাকা ৭৬.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৩৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৭৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ১১ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী দিবা ৭/১, উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ৪/৪০, সূ উ ৫/৯/৩৯, অ ৬/১৬/৩১, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-২/৫৮, বারবেলা ৩/০-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪৩-১/৪।
১০ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী ১০/০/৭, পূর্বফাল্গুনীনক্ষত্র ৮/৬/৪৫, সূ উ ৫/৬/৩৭, অ ৬/১৮/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩১-২/৪৭/৪, বারবেলা ৪/৩৯/৫১-৬/১৮/৫৩, কালবেলা ৩/০/৪৯-৪/৩৯/৫১, কালরাত্রি ১১/৪২/৪৫-১/৩/৪৩।
 ৩ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামীকাল বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিজেপির সমর্থন নিয়ে ফের শপথ নেবেন নীতীশ কুমার

26-07-2017 - 11:03:16 PM

হাসপাতাল রাজ্যপাল কে এন ত্রিপাঠি
বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কে এন ত্রিপাঠি ইএনটি সমস্যা নিয়ে ভরতি হলেন পাটনার ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্স হাসপাতালে

26-07-2017 - 10:29:00 PM

 রাত ১০টায় ২ লক্ষ ৩১ হাজার ৪৫০ কিউসেক জল ছাড়ল দুর্গাপুর ব্যারেজ

26-07-2017 - 10:26:00 PM

দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে রাত ৯ টায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার ৪৫০ কিউসেক জল ছাড়া হল

26-07-2017 - 09:41:02 PM

 ঘাটালের প্রতাপপুরের কাছে ১৫ মিটারের মতো বাঁধ ভেঙেছে বলে জানালেন জেলার ভারপ্রাপ্ত মহকুমা শাসক অমিত শেঠ।

26-07-2017 - 09:26:00 PM

 নীতীশ কুমারের দলকে বিজেপি সমর্থন করবে, জানালেন সুশীল মোদি

26-07-2017 - 09:11:30 PM