বিশেষ নিবন্ধ
 

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা: পূর্ব সাগরে সিঁদুরে মেঘ?

গৌরীশঙ্কর নাগ : অতি সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে, আমেরিকা তথা পশ্চিমি শক্তি-জোটের যে উদ্বেগ তা যেন মুহূর্তে কোরীয় দ্বীপপুঞ্জের ছবিটাই বদলে দিয়েছে। এর ফলে একদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান যেমন ত্রস্ত হয়ে উঠেছে, তেমনি মার্কিন তৎপরতাও লক্ষণীয় মাত্রায় পৌঁছেছে। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া চ্যানেলের ছবিতে প্রকাশ পাচ্ছে, ইতিমধ্যেই মার্কিন প্রশাসন সেনেটরদের ডেকে পরিস্থিতির ব্রিফিং দিয়েছে। আবার উত্তর কোরিয়াকে চাপে রাখতে আমেরিকা পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন সাবমেরিন ও বিখ্যাত রণতরি কার্ল ভিনসেনকে উত্তর কোরিয়ার দিকে যেতে নির্দেশ দিয়েছে, যা জাপানের নাগাসাকির উপকূল এলাকা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত কার্ল ভিনসেন হল সেই পরীক্ষিত রণতরি যা অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম, অপারেশন এনডিয়োরিং ফ্রিডম ইত্যাদি সামরিক অভিযানে আমেরিকা সাফল্যের সঙ্গে ব্যবহার করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও সন্ত্রস্তভাবে পরিস্থিতির দিকে লক্ষ রাখছে, কারণ সামরিক উত্তেজনা যদি শেষ পর্যন্ত সামরিক বিরোধের পর্যায়ে উন্নীত হয় তবে তার প্রথম ঢেউ এসে পড়বে দক্ষিণ কোরিয়ার উপর। সামরিকভাবে তো বটেই, এমনকী মানবিক সংকট যেমন শরণার্থী সমস্যায় দক্ষিণ কোরিয়া নাজেহাল হতে পারে। উল্লেখ্য যে, দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থাও তথৈবচ। কারণ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান সমস্যা একদিকে যেমন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বিবাদজনিত স্থায়ী নিরাপত্তার সমস্যা, তেমনি তার সঙ্গে গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো যুক্ত ছিল দুর্নীতির কালো মেঘ। আপাতভাবে গণতান্ত্রিক প্রকরণ থাকলেও সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দেওয়ারও চেষ্টা হচ্ছিল। প্রশাসনে এতটাই দুর্নীতির অনুপ্রবেশ ঘটেছিলে যে, দুর্নীতিগ্রস্ত বরখাস্ত-হওয়া প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি পার্ক গুয়েন হুইয়ের শাস্তির দাবিতে সাধারণ মানুষ পথে নেমেছিল। সাংবিধানিক আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছিল। দক্ষিণ কোরিয়া ভিত্তিক একটি নামী বহুজাতিক কোম্পানি যেভাবে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে, তার রেশ যে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতিকে ভবিষ্যতে বেশ ভোগাবে, তা বলাই বাহুল্য।
কোরিয়ার সংকটের সঙ্গে যে আঞ্চলিক শক্তি ওতপ্রোতভাবে যুক্ত তার নাম কমিউনিস্ট চীন। ফলে এই মুহূর্তে চীন কিন্তু চাপে পড়ে গিয়েছে। ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে ট্রাম্পের আমেরিকা। আমেরিকা চাইছে, চীন কিম উনকে বোঝাক যাতে পিয়ংইয়ং পারমাণবিক ও মিসাইল পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে হাত গুটিয়ে নেয়। আমেরিকা এও আশঙ্কা করছে, উত্তর কোরিয়ার হাতে মারাত্মক বায়োলজিকাল ও রাসায়নিক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে। ফলে সামরিক দ্বৈরথের ক্ষেত্রে বীভৎসতা মাত্রা ছাড়াতে পারে। বিশেষত আশঙ্কার বড় কারণ হল উত্তর কোরিয়ার প্রতি চীনের প্রচ্ছন্ন সমর্থন। মুখে উত্তর কোরিয়াকে সতর্ক করলেও নতুন করে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কোনও অনাস্থা আনা হোক বা অর্থনৈতিক অবরোধ তৈরি করা হোক তা চীন চায় না। বরং চীনের অবস্থান স্পষ্ট। যদি আমেরিকা দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া বন্ধ করে, তবে উত্তর কোরিয়াও সংযত হবে।
কিন্তু, চীনের এ জাতীয় কোনও প্রস্তাব মানতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাজি নয়। বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে উত্তর কোরিয়া হল দায়িত্বজ্ঞানহীন, জঙ্গি ও আগ্রাসী পারমাণবিক শক্তি। তাই রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট দেখিয়ে অবাধ্য উত্তর কোরিয়া বারংবার সামরিক অতি প্রস্তুতির মাধ্যমে আঞ্চলিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। তাই এই আপদকে উচিত শিক্ষা দেবার সময় এসেছে। মার্কিন উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্স সম্প্রতি বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধৈর্যচ্যুতি ঘটেছে।
এখন দেখা যাক, আমেরিকার সামনে এই সংকটের মোকাবিলায় কী কী নীতিগত বিকল্প রয়েছে: ১) কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাওয়া। কিন্তু বর্তমান উত্তপ্ত আবহে সেটা কতখানি ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাছাড়া ২০১৭-র ট্রাম্প। মার্চে প্রশাসন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ব্যাক-চ্যানেল কূটনীতি আপাতত স্থগিত রেখেছে। ফলে কূটনৈতিক আদানপ্রদানের রাস্তা ক্রমশ রুদ্ধ হয়ে যাবে, তাতে সন্দেহ নেই।
২) আমেরিকা চাইবে রাষ্ট্রসংঘের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অবরোধকে জোরদার করা; সেই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নতুন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া। টিলারসন রাষ্ট্রসংঘকে সম্প্রতি এ কথা বোঝাতে চেয়েছেন যে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে আশু ব্যবস্থা না নিলে তা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে। উল্লেখ্য ফ্রান্স, ব্রিটেনসহ ইউরোপের অগ্রবর্তী শক্তিসমূহ আমেরিকার এই অবস্থানকে সমর্থন করেছে। ফলে নিকট ভবিষ্যতে সামরিক বল প্রয়োগের ক্ষেত্রে এরাও আমেরিকার সঙ্গী হতে পারে।
৩) আমেরিকা একসময় আর এক পরিকল্পনার কথাও বলেছিল যার উদ্দেশ্য উত্তর কোরিয়ার সামরিক একনায়ক কিম উনকে সরিয়ে দেওয়া। তবে আমেরিকা এই বক্তব্য থেকে সরে এসেছে।
৪) চীনের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়াকে শায়েস্তা করা যায় কি না সেটাও আমেরিকাকে ভাবাচ্ছে। চাপের মুখে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে উত্তর কোরিয়া থেকে কয়লা আমদানি চীন সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে। কিন্তু বন্ধু রাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কোনও বড় রকমের বিরোধিতার পথে চীন হাঁটবে কি না সন্দেহ আছে।
ফলে সবশেষে যে বিকল্প হাতে থাকে, তা হল সামরিক পদক্ষেপ। তবে সেটা কতটা রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচায়ক হবে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কারণ উত্তর কোরিয়ার হাতে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র, আর সেই সঙ্গে ইন্টার কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল যা ওয়াশিংটনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলবেই। তাছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকার যৌথ সামরিক মহড়ায় রুষ্ট চীন ও রাশিয়া যদি উত্তর কোরিয়ার পাশে গিয়ে দাঁড়ায় তাহলে তো কথাই নেই। তাহলে সিরিয়া সংকটের মতো আমেরিকা নতুন সংকটে পড়তে বাধ্য। উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট যে তার মধ্যবর্তী পাল্লার মিসাইল পারমাণবিক সমরাস্ত্র বহন করতে সক্ষম। তাছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকার যৌথ সামরিক মহড়াকে ইলেকট্রনিক সিগনালের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া যেভাবে বানচাল করতে চাইছে, তাতে এ কথাই প্রমাণিত হয় যে উত্তর কোরিয়া সাইবার যুদ্ধে অপটু নয়। ফলে কেবল সামরিক প্যাঁচ কষে উত্তর কোরিয়াকে কাবু করা সহজ হবে না, তা বলাই বাহুল্য। উপরন্তু দক্ষিণ কোরিয়ায় অতি সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী মুন জো বামপন্থী মনোভাবাপন্ন হওয়ায় তাঁকে হাতিয়ার করে উত্তর কোরিয়ার উপর নতুনভাবে চাপ সৃষ্টির ট্রাম্পীয় রণনীতি ততটা সফল হবে বলে মনে হয় না।
এ প্রসঙ্গে ভারতের গঠনমূলক শান্তি প্রচেষ্টার উদ্যোগের কথা এসে পড়ে। ১৯৫০-৫৩ কোরিয়া যুদ্ধের সময় সমস্যা সমাধানের জন্য রাষ্ট্রসংঘের উদ্যোগে যে অস্থায়ী কমিশন গঠিত হয়, তার সভাপতির আসন লাভ করেন ভারতের কূটনৈতিক কে পি এস মেনন। মেনন এ ব্যাপারে বৃহৎ শক্তিবর্গকে ঐক্যবদ্ধ হবার আবেদন করেন। তাছাড়া নেহরুর ভারত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সেই যুদ্ধ মেটানোর প্রক্রিয়া চালু রাখে। এতে ভারতের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়, তেমনি রাষ্ট্রসংঘের গুরুত্বও বৃদ্ধি পায়। ভারতের এই দৃষ্টিভঙ্গি ঠান্ডা যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতেও বিদ্যমান। তাছাড়া ভারত নিজে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের দৃঢ় সমর্থক। সুতরাং কোরিয়ার বর্তমান সংকট দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংকট নয় বলেই ভারত সে ব্যাপারে নীরব/উদাসীন থাকবে—এ কথা বলা যায় না। চীন-বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক স্মরণ সিংয়ের মতে, এখনই যুদ্ধের সম্ভাবনা নেই। তবে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, পরিস্থিতি যে দিকে গড়াচ্ছে তাতে পূর্ব এশিয়ায় কোরীয় সংকট ঘনীভূত হলে তা যে ভারতের ‘পুবে তাকাও’ নীতি এবং ভারত-চীন সম্পর্ককে জর্জরিত করবে— তা বলাই বাহুল্য।
লেখক সিধো কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
18th  May, 2017
কেন্দ্রীয় নীতিতে পাট শিল্প ধুঁকছে, মরছে চাষি-শ্রমিক, ভরসা মমতা
নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়

 প্রণব মুখোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে নেই। তাই ২০১৩ সাল থেকে অনাথ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের পাট চাষ আর শিল্প। ওই বছর থেকেই পুরোদমে পাট শিল্পের ওপর শুরু হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-নীতির আরোপ যা অনেকটা পুলিশি নজরদারির মতো বলা চলে। মমতা আর প্রণববাবু রাজ্যের পাট শিল্পের ৩ কোটি চাষি ও শ্রমিককে সবসময় আগলে রাখতেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তাঁরা না থাকায় পাট শিল্পে আজ বাজছে বেদনার সুর।
বিশদ

রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য: রবার যেটা সেটা রবেই
মেরুনীল দাশগুপ্ত

রবীন্দ্র-অমর্ত্য নিয়ে সংঘচালকদের প্রসঙ্গ উঠতেই কেন যে তিনি ওই অনুবাদ প্রসঙ্গ তুললেন—বলা বিপজ্জনক! কেবল কবির কথায় বলা চলে—রইলো বলে রাখলে কারে, হুকুম তোমার ফলবে কবে?/ তোমার টানাটানি টিকবে না ভাই, রবার যেটা সেটাই রবে। বলতে কী, যেভাবে করার চেষ্টা হচ্ছে, সেভাবে কিছুই হবে না। বড়জোর ওই—গ্রাউন ভালোবাসে ফিগুরিসকে! তাতে স্বচ্ছ ভারতের মুখে ছায়াকালিমাই শুধু বাড়বে। আমরা নিশ্চিত, রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য, রামায়ণ থেকে রাজনীতি—শেষ পর্যন্ত রবার যেটা সেটা রবেই। জাভড়েকর সেটা খানিক বুঝেছেন বলেই হয়তো সামলে নিয়েছেন। পহেলাজরা বুঝবেন কবে!
বিশদ

দার্জিলিং জেলাকে পৃথক একটি রাজ্য করার দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব
শমিত কর

বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পৃথক রাজ্য হিসাবে দার্জিলিংকে গড়ার দাবিতে পাহাড়বাসী রণং দেহি ভূমিকা নিচ্ছে। উত্তরে কাশ্মীর পরিস্থিতির মতো আমাদের রাজ্যের এই পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থা এক মারাত্মক আকার নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে যে জঙ্গি নাশকতা ধারাবাহিকভাবে চলেছে তার পিছনে পাকিস্তানের মদত কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

25th  July, 2017
আপনিই সর্বশক্তিমান, তবু দেশজুড়ে এত অস্থিরতা কেন মোদিসাহেব?
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় থাকলে বুদ্ধিমান চতুর শাসকেরও বুদ্ধিবৃত্তি লোপ পায়। দম্ভে, অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না। বিরোধিতা দেখলেই নেমে আসে দমন, পীড়ন। পুলিশ লেলিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে বন্দি করে রাখা... আরও কত কী! আজকের পশ্চিমবঙ্গে গত বেশ কিছুদিন ধরেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের বদান্যতায় যা দস্তুর।
বিশদ

25th  July, 2017
বইই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মুক্তির জগৎ

পঙ্কজ সাহা : রাষ্ট্রপতি ভবন বলতে মনের মধ্যে যে ধারণা ছিল সেটা একেবারে বদলে গেল দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছানোর পরে। কলকাতা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলে যাওয়ার পরে ব্রিটিশ আমলে যে বিরাট প্যালেসটি দিল্লির রাইসিনা হিলসে নির্মিত হয়েছিল ভাইসরয় প্যালেস হিসেবে এবং ভারতের স্বাধীনতার পরে যেটি রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে চিহ্নিত হয়, সেই বিরাট প্যালেসটির ছবিই মনের মধ্যে মুদ্রিত ছিল রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে।
বিশদ

24th  July, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

23rd  July, 2017
শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

23rd  July, 2017
যুদ্ধ নয়, স্থিতাবস্থা চাই ডোকালায়
প্রশান্ত দাস

 চীনের কথা উঠলেই সুবেদার মেজর হামিদ সাহেব বলতেন—বাঁদরের যত বাঁদরামি গাছের ডালে। ডাঙায় এলেই লেজ তোলে। লেজ তোলার অর্থ, লেজ তুলে পালায়। চীনের অবস্থা ওই বাঁদরের মতন। দাদাগিরি দেখাবে পাহাড়ের মাথায়। সমতলে নয়। সমতলের যুদ্ধে ভারতীয় সেনারা এখনও আনপ্যারালেলড। বিশদ

22nd  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

21st  July, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কৈখালি এলাকায় তৃণমূল আশ্রিত সিন্ডিকেটের ‘দাদাদের’ দাপটে নাজেহাল এলাকার বাসিন্দারা। এমনই অভিযোগ তুলে নবান্নে ও বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার জ্ঞানবন্ত সিংকে চিঠি দিয়েছেন বিধাননগর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলার সুভাষ বসু। তাঁর অভিযোগ, এই এলাকার বাসিন্দারা সিন্ডিকেটের লোকজনের দাপটে অতিষ্ঠ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের বহু স্কুলে কম্পিউটার নেই। আবার কোথাও কম্পিউটার থাকলেও নেই ইন্টারনেট সংযোগ। এই অবস্থায় মাধ্যমিক স্তরের ছাত্রীদের কেন্দ্রীয় স্কলারশিপের টাকা পেতে অনলাইনে আবেদন করার নির্দেশকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক স্কলারশিপের আবেদন সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তন ...

কাবুল, ২৬ জুলাই: আফগানিস্তানে তালিবান জঙ্গিদের অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ উঠল রাশিয়ার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালিবানের হাতে যেসব ‘উন্নত অস্ত্র’ দেখা গিয়েছে, যেগুলি রাশিয়ায় তৈরি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ ভিডিও রেকর্ড হাতে আসার দাবি করে আফগান ও আমেরিকার কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ...

 গল, ২৬ জুলাই: শিখর ধাওয়ানের অনবদ্য ১৯০ এবং চেতেশ্বর পূজারা অপরাজিত ১৪৪ রানের সুবাদে গলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে ৩ উইকেটে ৩৯৯ রান ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরানো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দ লাভ হবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৪৪- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৬০- শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৯২- অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
২০১৫- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৬০ টাকা ৬৫.২৮ টাকা
পাউন্ড ৮২.৫২ টাকা ৮৫.৩৫ টাকা
ইউরো ৭৩.৭৮ টাকা ৭৬.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৩৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৭৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ১১ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী দিবা ৭/১, উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ৪/৪০, সূ উ ৫/৯/৩৯, অ ৬/১৬/৩১, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-২/৫৮, বারবেলা ৩/০-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪৩-১/৪।
১০ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী ১০/০/৭, পূর্বফাল্গুনীনক্ষত্র ৮/৬/৪৫, সূ উ ৫/৬/৩৭, অ ৬/১৮/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩১-২/৪৭/৪, বারবেলা ৪/৩৯/৫১-৬/১৮/৫৩, কালবেলা ৩/০/৪৯-৪/৩৯/৫১, কালরাত্রি ১১/৪২/৪৫-১/৩/৪৩।
 ৩ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামীকাল বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিজেপির সমর্থন নিয়ে ফের শপথ নেবেন নীতীশ কুমার

26-07-2017 - 11:03:16 PM

হাসপাতাল রাজ্যপাল কে এন ত্রিপাঠি
বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কে এন ত্রিপাঠি ইএনটি সমস্যা নিয়ে ভরতি হলেন পাটনার ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্স হাসপাতালে

26-07-2017 - 10:29:00 PM

 রাত ১০টায় ২ লক্ষ ৩১ হাজার ৪৫০ কিউসেক জল ছাড়ল দুর্গাপুর ব্যারেজ

26-07-2017 - 10:26:00 PM

দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে রাত ৯ টায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার ৪৫০ কিউসেক জল ছাড়া হল

26-07-2017 - 09:41:02 PM

 ঘাটালের প্রতাপপুরের কাছে ১৫ মিটারের মতো বাঁধ ভেঙেছে বলে জানালেন জেলার ভারপ্রাপ্ত মহকুমা শাসক অমিত শেঠ।

26-07-2017 - 09:26:00 PM

 নীতীশ কুমারের দলকে বিজেপি সমর্থন করবে, জানালেন সুশীল মোদি

26-07-2017 - 09:11:30 PM