বিশেষ নিবন্ধ
 

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা: পূর্ব সাগরে সিঁদুরে মেঘ?

গৌরীশঙ্কর নাগ : অতি সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে, আমেরিকা তথা পশ্চিমি শক্তি-জোটের যে উদ্বেগ তা যেন মুহূর্তে কোরীয় দ্বীপপুঞ্জের ছবিটাই বদলে দিয়েছে। এর ফলে একদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান যেমন ত্রস্ত হয়ে উঠেছে, তেমনি মার্কিন তৎপরতাও লক্ষণীয় মাত্রায় পৌঁছেছে। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া চ্যানেলের ছবিতে প্রকাশ পাচ্ছে, ইতিমধ্যেই মার্কিন প্রশাসন সেনেটরদের ডেকে পরিস্থিতির ব্রিফিং দিয়েছে। আবার উত্তর কোরিয়াকে চাপে রাখতে আমেরিকা পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন সাবমেরিন ও বিখ্যাত রণতরি কার্ল ভিনসেনকে উত্তর কোরিয়ার দিকে যেতে নির্দেশ দিয়েছে, যা জাপানের নাগাসাকির উপকূল এলাকা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত কার্ল ভিনসেন হল সেই পরীক্ষিত রণতরি যা অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম, অপারেশন এনডিয়োরিং ফ্রিডম ইত্যাদি সামরিক অভিযানে আমেরিকা সাফল্যের সঙ্গে ব্যবহার করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও সন্ত্রস্তভাবে পরিস্থিতির দিকে লক্ষ রাখছে, কারণ সামরিক উত্তেজনা যদি শেষ পর্যন্ত সামরিক বিরোধের পর্যায়ে উন্নীত হয় তবে তার প্রথম ঢেউ এসে পড়বে দক্ষিণ কোরিয়ার উপর। সামরিকভাবে তো বটেই, এমনকী মানবিক সংকট যেমন শরণার্থী সমস্যায় দক্ষিণ কোরিয়া নাজেহাল হতে পারে। উল্লেখ্য যে, দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থাও তথৈবচ। কারণ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান সমস্যা একদিকে যেমন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বিবাদজনিত স্থায়ী নিরাপত্তার সমস্যা, তেমনি তার সঙ্গে গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো যুক্ত ছিল দুর্নীতির কালো মেঘ। আপাতভাবে গণতান্ত্রিক প্রকরণ থাকলেও সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দেওয়ারও চেষ্টা হচ্ছিল। প্রশাসনে এতটাই দুর্নীতির অনুপ্রবেশ ঘটেছিলে যে, দুর্নীতিগ্রস্ত বরখাস্ত-হওয়া প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি পার্ক গুয়েন হুইয়ের শাস্তির দাবিতে সাধারণ মানুষ পথে নেমেছিল। সাংবিধানিক আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছিল। দক্ষিণ কোরিয়া ভিত্তিক একটি নামী বহুজাতিক কোম্পানি যেভাবে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে, তার রেশ যে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতিকে ভবিষ্যতে বেশ ভোগাবে, তা বলাই বাহুল্য।
কোরিয়ার সংকটের সঙ্গে যে আঞ্চলিক শক্তি ওতপ্রোতভাবে যুক্ত তার নাম কমিউনিস্ট চীন। ফলে এই মুহূর্তে চীন কিন্তু চাপে পড়ে গিয়েছে। ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে ট্রাম্পের আমেরিকা। আমেরিকা চাইছে, চীন কিম উনকে বোঝাক যাতে পিয়ংইয়ং পারমাণবিক ও মিসাইল পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে হাত গুটিয়ে নেয়। আমেরিকা এও আশঙ্কা করছে, উত্তর কোরিয়ার হাতে মারাত্মক বায়োলজিকাল ও রাসায়নিক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে। ফলে সামরিক দ্বৈরথের ক্ষেত্রে বীভৎসতা মাত্রা ছাড়াতে পারে। বিশেষত আশঙ্কার বড় কারণ হল উত্তর কোরিয়ার প্রতি চীনের প্রচ্ছন্ন সমর্থন। মুখে উত্তর কোরিয়াকে সতর্ক করলেও নতুন করে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কোনও অনাস্থা আনা হোক বা অর্থনৈতিক অবরোধ তৈরি করা হোক তা চীন চায় না। বরং চীনের অবস্থান স্পষ্ট। যদি আমেরিকা দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া বন্ধ করে, তবে উত্তর কোরিয়াও সংযত হবে।
কিন্তু, চীনের এ জাতীয় কোনও প্রস্তাব মানতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাজি নয়। বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে উত্তর কোরিয়া হল দায়িত্বজ্ঞানহীন, জঙ্গি ও আগ্রাসী পারমাণবিক শক্তি। তাই রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট দেখিয়ে অবাধ্য উত্তর কোরিয়া বারংবার সামরিক অতি প্রস্তুতির মাধ্যমে আঞ্চলিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। তাই এই আপদকে উচিত শিক্ষা দেবার সময় এসেছে। মার্কিন উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্স সম্প্রতি বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধৈর্যচ্যুতি ঘটেছে।
এখন দেখা যাক, আমেরিকার সামনে এই সংকটের মোকাবিলায় কী কী নীতিগত বিকল্প রয়েছে: ১) কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাওয়া। কিন্তু বর্তমান উত্তপ্ত আবহে সেটা কতখানি ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাছাড়া ২০১৭-র ট্রাম্প। মার্চে প্রশাসন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ব্যাক-চ্যানেল কূটনীতি আপাতত স্থগিত রেখেছে। ফলে কূটনৈতিক আদানপ্রদানের রাস্তা ক্রমশ রুদ্ধ হয়ে যাবে, তাতে সন্দেহ নেই।
২) আমেরিকা চাইবে রাষ্ট্রসংঘের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অবরোধকে জোরদার করা; সেই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নতুন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া। টিলারসন রাষ্ট্রসংঘকে সম্প্রতি এ কথা বোঝাতে চেয়েছেন যে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে আশু ব্যবস্থা না নিলে তা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে। উল্লেখ্য ফ্রান্স, ব্রিটেনসহ ইউরোপের অগ্রবর্তী শক্তিসমূহ আমেরিকার এই অবস্থানকে সমর্থন করেছে। ফলে নিকট ভবিষ্যতে সামরিক বল প্রয়োগের ক্ষেত্রে এরাও আমেরিকার সঙ্গী হতে পারে।
৩) আমেরিকা একসময় আর এক পরিকল্পনার কথাও বলেছিল যার উদ্দেশ্য উত্তর কোরিয়ার সামরিক একনায়ক কিম উনকে সরিয়ে দেওয়া। তবে আমেরিকা এই বক্তব্য থেকে সরে এসেছে।
৪) চীনের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়াকে শায়েস্তা করা যায় কি না সেটাও আমেরিকাকে ভাবাচ্ছে। চাপের মুখে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে উত্তর কোরিয়া থেকে কয়লা আমদানি চীন সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে। কিন্তু বন্ধু রাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কোনও বড় রকমের বিরোধিতার পথে চীন হাঁটবে কি না সন্দেহ আছে।
ফলে সবশেষে যে বিকল্প হাতে থাকে, তা হল সামরিক পদক্ষেপ। তবে সেটা কতটা রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচায়ক হবে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কারণ উত্তর কোরিয়ার হাতে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র, আর সেই সঙ্গে ইন্টার কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল যা ওয়াশিংটনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলবেই। তাছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকার যৌথ সামরিক মহড়ায় রুষ্ট চীন ও রাশিয়া যদি উত্তর কোরিয়ার পাশে গিয়ে দাঁড়ায় তাহলে তো কথাই নেই। তাহলে সিরিয়া সংকটের মতো আমেরিকা নতুন সংকটে পড়তে বাধ্য। উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট যে তার মধ্যবর্তী পাল্লার মিসাইল পারমাণবিক সমরাস্ত্র বহন করতে সক্ষম। তাছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকার যৌথ সামরিক মহড়াকে ইলেকট্রনিক সিগনালের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া যেভাবে বানচাল করতে চাইছে, তাতে এ কথাই প্রমাণিত হয় যে উত্তর কোরিয়া সাইবার যুদ্ধে অপটু নয়। ফলে কেবল সামরিক প্যাঁচ কষে উত্তর কোরিয়াকে কাবু করা সহজ হবে না, তা বলাই বাহুল্য। উপরন্তু দক্ষিণ কোরিয়ায় অতি সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী মুন জো বামপন্থী মনোভাবাপন্ন হওয়ায় তাঁকে হাতিয়ার করে উত্তর কোরিয়ার উপর নতুনভাবে চাপ সৃষ্টির ট্রাম্পীয় রণনীতি ততটা সফল হবে বলে মনে হয় না।
এ প্রসঙ্গে ভারতের গঠনমূলক শান্তি প্রচেষ্টার উদ্যোগের কথা এসে পড়ে। ১৯৫০-৫৩ কোরিয়া যুদ্ধের সময় সমস্যা সমাধানের জন্য রাষ্ট্রসংঘের উদ্যোগে যে অস্থায়ী কমিশন গঠিত হয়, তার সভাপতির আসন লাভ করেন ভারতের কূটনৈতিক কে পি এস মেনন। মেনন এ ব্যাপারে বৃহৎ শক্তিবর্গকে ঐক্যবদ্ধ হবার আবেদন করেন। তাছাড়া নেহরুর ভারত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সেই যুদ্ধ মেটানোর প্রক্রিয়া চালু রাখে। এতে ভারতের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়, তেমনি রাষ্ট্রসংঘের গুরুত্বও বৃদ্ধি পায়। ভারতের এই দৃষ্টিভঙ্গি ঠান্ডা যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতেও বিদ্যমান। তাছাড়া ভারত নিজে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের দৃঢ় সমর্থক। সুতরাং কোরিয়ার বর্তমান সংকট দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংকট নয় বলেই ভারত সে ব্যাপারে নীরব/উদাসীন থাকবে—এ কথা বলা যায় না। চীন-বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক স্মরণ সিংয়ের মতে, এখনই যুদ্ধের সম্ভাবনা নেই। তবে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, পরিস্থিতি যে দিকে গড়াচ্ছে তাতে পূর্ব এশিয়ায় কোরীয় সংকট ঘনীভূত হলে তা যে ভারতের ‘পুবে তাকাও’ নীতি এবং ভারত-চীন সম্পর্ককে জর্জরিত করবে— তা বলাই বাহুল্য।
লেখক সিধো কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
18th  May, 2017
নদী তুমি কার

বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত করে দেয়। অবশ্য দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা পাবার আগে ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে ভারতবর্ষের নেতৃত্ব যখন আলোচনা আরম্ভ করেন তখনই ভারতবর্ষ দ্বিখণ্ডিত হলে প্রাকৃতিক সম্পদ বিশেষ করে জলবণ্টনের নীতি কীভাবে স্থিরীকৃত হবে সে ব্যাপারে কয়েকজন আলোচনাকারী উত্থাপন করলেও, দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা লাভ করার দুরন্ত আশা তদানীন্তন রাজনৈতিক নেতাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছিল।
বিশদ

চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে

কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে হেরে প্রমাণ করল ক্রিকেট বিশ্বে ভারত কতটা বন্ধুহীন। যেসব দেশকে ভারত হাতে করে জাতে তুলেছে তারাও ভারতের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
বিশদ

ভুলে যাওয়ার রাজনীতি

 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব সুবিধা হয় আমাদের বোকা বানাতে। এই তো মার্চ মাসে সংগীতশিল্পী কালিকাপ্রসাদের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বাংলা সংগীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতির জন্য যথার্থ শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল।
বিশদ

26th  May, 2017
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি

অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। কয়েকটা রেললাইনের পরে সারি সারি ওয়াগনের পাশে শান্টিং করছে একটা ডিজেল ইঞ্জিন। এই স্টেশনটা আমি বা আমার মতো অনেকেই হয়তো আগে চোখে দেখিনি।
বিশদ

25th  May, 2017
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়

অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া যাবে। এই ভাবনা এখন সবথেকে বেশি চর্চিত। কিন্তু এটা মাথায় রাখতে হবে যুদ্ধ কখনওই কাম্য নয়। যুদ্ধ কোনও দেশই চায় না। সবচেয়ে বড় কথা, আমার মনে হয় যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান বা আমরা কেউই তেমন তৈরি নয়।
বিশদ

25th  May, 2017
লোকসভার ভোট যখনই হোক এবার
মমতাই হবেন মোদির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী

হিমাংশু সিংহ : অধীরবাবুরা এতদিন রাজনীতি করছেন, এত দীর্ঘ সময় সংসদীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এখনও কংগ্রেস নেতৃত্বের মেজাজটাই বুঝতে পারেন না। গত বিধানসভা ভোটে এ রাজ্যে সিপিএমের সঙ্গে জোট করে, খুলে আম বুদ্ধদেববাবুর সঙ্গে মালাবদল করে কংগ্রেসের কোন লাভটা হয়েছে? 
বিশদ

24th  May, 2017
মমতা-সোনিয়া বৈঠক কি সিপিএমের চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে?

 শুভা দত্ত: কে বেশি বিজেপি বিরোধী? কে বেশি ধর্মনিরপেক্ষ? হিন্দু-মুসলমান সৌহার্দ সম্প্রীতি রক্ষার ব্যাপারে কে বেশি তৎপর, আন্তরিক? এইসব নিয়ে এ রাজ্যে শাসক-বিরোধী তরজা বহুদিন ধরেই চলছে।
বিশদ

21st  May, 2017
  এত দেরি করলেন কেন পার্থবাবু?

 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: কথায় বলে, বাঙালির ঝুঁটি ধরে না-ঝাঁকালে টনক নাকি নড়ে না। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও একবার খুব বড় একটা ধন্যবাদ জানাই বাঙালির এই টনকটা নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য।
বিশদ

21st  May, 2017



একনজরে
 সংবাদদাতা,শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির ক্রীড়া সংগঠক তথা রাজনৈতিক নেতা পীযূষ বসু শুক্রবার প্রয়াত হলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। এদিন কিালে তিনি কলকাতার একটি নার্সিংহোমে মারা যান। পীযূষ বসুর মৃত্যুতে শিলিগুড়ির ক্রীড়া মহল গভীর শোক ...

বোকারো (ঝাড়খণ্ড), ২৬ মে (পিটিআই): মাওবাদী হামলার জেরে ব্যাহত হল গোমো-বারকানানা শাখার ট্রেন চলাচল। বৃহস্পতিবার রাতে ডুমরি বিহার রেল স্টেশনে হানা দেয় মাওবাদীরা। জানা গিয়েছে, ...

 কান্দাহার, ২৬ মে (এএফপি): কান্দাহারে তালিবান হামলায় অন্তত ১৫ জন আফগান সেনার মৃত্যু হল। আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, কান্দাহারের সেনা ঘাঁটিতে এই তালিবান হামলা হয়েছে। ...

 বিএনএ, তমলুক: লালবাজার অভিযানে দলের নেতা-কর্মীদের উপর লাঠি চালানোর প্রতিবাদে শুক্রবার বিকালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন বিকালে তমলুকের হলদিয়া-মেচেদা ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটি শুভ। কর্মে সাফল্য। অবিবাহিতদের বিবাহের যোগ। প্রেমপরিণয়ে জটিলতা বৃদ্ধি।প্রতিকার: প্রবাহিত জলস্রোতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৪ টাকা ৬৫.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮১.৭৫ টাকা ৮৪.৭২ টাকা
ইউরো ৭১.০৭ টাকা ৭৩.৬০ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯, ২৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮, ২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০, ৩০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৩ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, শনিবার, দ্বিতীয়া অপঃ ৫/৩২, মৃগশিরানক্ষত্র অপঃ ৬/৭, সূ উ ৪/৫৬/২৩, অ ৬/১০/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১-অস্তাবধি রাত্রি ৬/৫৩-৭/৩৬, পুনঃ ১১/১২-১/২১ পুনঃ ২/৪৭-উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ পুনঃ ১/১৩-২/৫২ পুনঃ ৪/৩২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩২ পুনঃ ৩/৩৬-উদয়াবধি।
১২ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, শনিবার,দ্বিতীয়া রাত্রি ৮/৪৯/৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ৯/৩১/১৬, সূ উ ৪/৫৫/২, অ ৬/১১/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩২/১৭-৬/১১/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/২৯-৭/৩৭/২৩, ১১/১১/৫২-১/২০/৩৩, ২/৪৬/২০-৪/৫৪/৫৬, বারবেলা ১/১২/৫৩-২/৫২/২৭, কালবেলা ৬/৩৪/৩৬, ৪/৩২/২২-৬/১১/৩৫, কালরাত্রি ৭/৩২/১, ৩/৫৪/৩০-৪/৫৪/৫৬।
৩০ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে

 ১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম

09:46:00 PM

'একনায়কতন্ত্র চলছে, সম্পূর্ণ বিরোধিতা করি', জবাইয়ের উদ্দেশ্যে গবাদি পশু কেনাবেচা বন্ধ সংক্রান্ত কেন্দ্রের নির্দেশিকা প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের 
জবাইয়ের উদ্দেশ্যে কোনও গবাদি পশু কেনা বা বিক্রি করা যাবে না। গতকাল কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা এই নির্দেশিকার তীব্র বিরোধিতা করলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, 'প্রতিবার কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে দিচ্ছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা না বলে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। একনায়কতন্ত্র চলছে, এর সম্পূর্ণ বিরোধিতা করি।' তিনি আরও জানান, সাম্প্রদায়িকতা কোনও ভাবেই মানা হবে না। 

06:08:20 PM

জম্মু-কাশ্মীরের ত্রালে সেনা-বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ১জনের মৃত্যু 

04:47:02 PM

শিলিগুড়ির ফুলবাড়িতে শ্যালিকাকে অ্যাসিড ছুঁড়ল জামাইবাবু, জখম ২ 
শ্যালিকাকে অ্যাসিড ছুঁড়ে জখম করল জামাইবাবু। অ্যাসিড লেগে জখম হয়েছে এক শিশুও। শিলিগুড়ির ফুলবাড়ির ওই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

02:54:17 PM

উত্তরাখণ্ডে বজ্রাঘাতে মৃত ৩, জখম ৯

02:12:00 PM

বিক্ষোভে উত্তাল বারাসত আদালত চত্বর, প্রহৃত মনুয়ার আইনজীবী 
হৃদয়পুরে প্রেমিককে দিয়ে স্বামীকে খুনের ঘটনায় ধৃত মনুয়া মজুমদারকে আদালতে পেশ করা নিয়ে উত্তাল বারাসত আদালত চত্বর। সকাল থেকেই সেখানে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে সাধারণ মানুষ। মারধর করা হয়েছে মনুয়ার আইনজীবীকে। বিশাল পুলিশ বাহিনী ও RAF মোতায়েন থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। 

01:58:27 PM






বিশেষ নিবন্ধ
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...
ভুলে যাওয়ার রাজনীতি
 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব ...
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি
অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। ...
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়
অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া ...