বিশেষ নিবন্ধ
 

ফুলের যুদ্ধে কাঁটার প্রকোপ বাড়ছে

মেরুনীল দাশগুপ্ত :টার্গেট বাংলা না টার্গেট মমতা! এসব হচ্ছেটা কী! কোনও প্রমাণ নেই, তথ্য নেই—যা ইচ্ছে বলে দিলেই হল? এটা রাজনীতি? এ তো চরিত্র হনন, কুৎসা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এভাবে ঠেকাতে পারবেন ওঁরা? জিততে পারবেন! আরে, বাংলা ইউপি নয়, বাংলাকে চিনতে ওঁদের এখনও ঢের দেরি। এসব বলে বেড়াতে থাকলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কিস্যু যাবে আসবে না। কিন্তু, ক্ষমতায় আসার আগেই ওই বলিয়েদের সিপিএমের মতো অবস্থা হবে। ভোটবাক্সে একমুঠো পাবলিক জোটাতে কালঘাম ছুটে যাবে...। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষদিকে আচমকা কলকাতায় উড়ে এসে বিজেপির মহানেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সদস্যদের সরাসরি আর্থিক দুর্নীতিতে অভিযুক্ত করলেন তার পরদিন এমন মন্তব্যই শুনেছিলাম বাসে। এবং, আশ্চর্য হয়েছিলাম দেখে যে ওই বক্তব্যের বিরোধিতা করছেন না একজনও! এর আগে মমতা ও তাঁর সরকারের কাজকর্ম বা নীতি বিষয়ে এমন আলোচনায় ক্ষীণ হলেও একটা বিরোধী কণ্ঠ শুনেছি। কখনও-সখনও সে বিরোধী কণ্ঠকে উচ্চগ্রামে বাজতেও শুনেছি। তাই নিয়ে মারমার অবস্থা তাও দেখেছি। অস্বাভাবিক লাগেনি।
সব কালে সব দেশে সর্বত্রই শাসক-বিরোধী একটা কণ্ঠ থাকেই। সকলকে খুশি করতে পারে, সকলের সব মনোবাঞ্ছা পূরণ করতে পারে—এমন ব্যক্তি বা সরকার তো বাস্তবে সম্ভব নয়। বাইবেল থেকে অদ্যাবধি মহাজনেরা সকলেই সেটা স্বীকার করেছেন। সুতরাং, এমন যে-কোনও আলোচনায় একটা বিরোধী কণ্ঠ অনিবার্য। কিন্তু, আশ্চর্যের বিষয়, সেদিন ছিল না। কোনও বিরোধী স্বর আমি সেদিন শুনিনি। বরং, একটা প্রৌঢ় রাখঢাক না রেখেই বলছেন শুনলাম, আমি তৃণমূল নই। মমতা নিয়ে আমার কোনও আবেগ নেই। কিন্তু, এভাবে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া আমাদের মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের লোকজনকে একটা বাইরের লোক এসে অপমান করে যাবেন—এটাও সহ্য করতে পারছি না। রাজনীতিকে তাঁরা কোথায় টেনে নামাচ্ছেন! আরে, হাটের মাঝে এসব বলার দরকার কী? তথ্য-প্রমাণ থাকলে যথাস্থানে পেশ করুন, অভিযোগ প্রমাণ হলে আইনে যা ব্যবস্থা হয় তখন হবে। তার আগে লোকজন জড়ো করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার নিয়ে এসব বলা তো অসভ্যতা। এসব দেখলে তো বোঝাই যায় ওঁদের টার্গেট বাংলা নয়, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা। ঠিকই বলেছেন উনি। ঠিক।
পথ চলতি মানুষজনের এই মনোভাব গোটা রাজ্যে কতটা ছড়িয়েছে আমরা জানি না। কিন্তু, একথা হলফ করে বলা যায়, বাংলার সাধারণ রাজনৈতিক সেন্টিমেন্ট কৈলাসবাবুর ওইসব মন্তব্য ভালো মনে নেয়নি। ঠিক যেমন নিচ্ছে না মমতাকে লক্ষ্য করে দিলীপ ঘোষ ও তাঁর দলীয় অনুগামীদের কুভাষণ। আসলে কুভাষণের হোলসেলের সূত্রপাতটা তো এরাজ্যে বেশিদিন নয়। রাজত্বের একেবারে শেষলগ্নে এসে সিপিএমের কয়েকজন কুলভূষণ, কুলতিলক এবং তাঁদের সাঙ্গোপাঙ্গোদের নিরলস চেষ্টায় মাইকেল বঙ্কিম রবীন্দ্রনাথ নজরুলের বাংলায় কুভাষণের রাজনীতির প্রতিষ্ঠা ও প্রসার ঘটেছিল। রাজনীতির পরিসর থেকে একটু একটু করে ঝাপসা হতে শুরু করেছিল শিষ্টাচার সৌজন্য। তার চেয়েও বড় কথা, তাঁদের যাবতীয় কুভাষণের এক ও অদ্বিতীয় লক্ষ্য ছিলেন তৎকালের জননেত্রী মমতা! একে তো কুভাষণে অনভ্যস্ত বাংলা রাজনীতি, তায় লক্ষ্য একজন মহিলা—বঙ্গবাসীর হজম হয়নি। ফলত, কুভাষণের টোটকা মারাত্মক ব্যুমেরাং হয়ে ফিরেছিল সিপিএম তথা বামেদের ঘরে। মজার ব্যাপার, সেই উদাহরণ চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও বিজেপি সেই পথ নিচ্ছে! কেন নিচ্ছে, সে প্রশ্ন অবান্তর, বিশেষত অমিত শাহের সার্টিফিকেটের পর তো সে প্রশ্ন তোলাই যায় না। খবরে প্রকাশ বাংলা জয়ের লক্ষ্যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক অভিযানের কায়দা তরিকায় (অকথা কুকথা সমেত) সিলমোহর দিয়েছেন অমিতজি। এর পর আর কথা চলে? কিন্তু, এই পথের সমস্যা ও বিপদগুলো? তা কি সার্টিফিকেটের জোরে উপড়ে ফেলা যাবে? প্রথমত, যেভাবে ও ভাষায় মাঝেমধ্যেই কৈলসাজি দিলীপজিরা রাজনৈতিক প্রচার মঞ্চ গরম করছেন, মমতার ভাবমূর্তিতে কালিমা লেপনের প্রয়াস করছেন—রাজ্যের আম পাবলিক তো বটেই তাঁদের দলের বাঙালি সদস্য সমর্থকদের সকলে কি তাতে আন্তরিক সিলমোহর দিচ্ছেন? তথ্যভিজ্ঞরা বলছেন, না, দিচ্ছেন না। তার কারণ, অবাঙালিয়ানায় বাঙালি এখন যত অভ্যস্তই হোক নিজেদের কৃষ্টি সভ্যতা এখনও তারা পুরোপুরি ভুলতে পারেনি। তাই, একজন মহিলার অসম্মান মানহানি মানতে এখনও বাঙালি ততটা অভ্যস্ত নয়। দ্বিতীয়ত, সভায় বসে নেতামুখে গরম কথা শুনে রাজনৈতিক আবেগে হাততালি দিলেও কোনও প্রৌঢ়ের মুখ থেকে অশালীন কথা শুনে বাঙালি এখনও বিশেষ স্বচ্ছন্দ বোধ করে না। তাই, চলতি কুভাষণের রাজনীতি বাঙালি মনে কতটা কি ইতিবাচক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে তা নিয়ে সংশয় অবশ্যম্ভাবী। বিজেপির মহাযোদ্ধারা অবশ্য সেসব তোয়াক্কা করছেন কতটা জানা নেই। খুব যে করছেন না তা তাঁদের আচরণ থেকেই বোঝা যাচ্ছে। করবেনই বা কেন? তাঁদের ‘অমৃত বাণী’ ছোটখাটো মানুষজনের মনে কী বার্তা দিচ্ছে সেই অকিঞ্চিৎকর ব্যাপারে কালক্ষয় করার মতো সময় কি রাজনৈতিক মহাবলীদের আছে! তবে কি, রাজ্যের দশদিগন্তজোড়া ঘাসফুলের বাগানে পদ্ম ফোটাতে চাইছেন যাঁরা বাংলার মাটি বাংলার জলের খোঁজখবরটা রাখলে তাঁদের লাভ বই ক্ষতি হবে না মনে হয়। কারণ, জল মাটির আনুকূল্য ছাড়া ফুলও ফোটে না, ফলও ধরে না।
অন্যদিকে, টার্গেট বাংলার ছদ্মবেশে টার্গেট মমতা যদি হয়ে দাঁড়ায় বাংলা দখল অভিযানে বিজেপির লক্ষ্য—তাহলেও বিপদের যথেষ্ট সম্ভাবনা। মমতার একচ্ছত্র আধিপত্যের ভূমিতে দাঁড়িয়ে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া ব্যক্তি মমতাকে আক্রমণ করলে, তাঁর মানহানি ঘটালে—প্রতিক্রিয়া তো ঘটবেই। কারণ, আঘাতটা দল, দলীয় নেতা-কর্মী ছাপিয়ে নিশ্চিতভাবেই গিয়ে যে লাগবে বাঙালির রাজনৈতিক সেন্টিমেন্টে। সেখানে মমতা ছাড়া আছেন কে? ফলে, প্রতিক্রিয়া তো ঘটবেই। প্রতিক্রিয়া প্রতিবাদ থেকে প্রতিরোধের আকার নিলেও আশ্চর্যের কিছু নেই। সব মিলিয়ে ফল অশান্তি। ইতিমধ্যেই পাড়ুই থেকে দিনহাটা অনেক জায়গায় এমন অশান্তি ছড়িয়েছে। তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে ছড়িয়েছে হিংসার বাতাবরণ, রক্তও ঝরেছে। রবিবার সমতলের তিন পুরসভার ভোটে যে দৃশ্য দেখা গেল—তার পর আগামী পঞ্চায়েত নিয়ে রাজ্যবাসীর মনে চিন্তার ভাঁজ যে গভীর হয়েছে তা বলাই বাহুল্য।
দেখেশুনে বোঝাই যাচ্ছে, দুই ফুলের যুদ্ধে কাঁটার প্রকোপ উত্তরোত্তর বাড়ছে। বিষকাঁটা। রক্তঝরানো কাঁটা! ঘাসফুলে কাঁটা থাকে না। কিন্তু, পদ্মকাঁটার বিষকামড় থেকে আত্মরক্ষার দায় তো থাকে। তার উপর প্রাণাধিক জননেত্রী সম্পর্কে ওইসব বিষবাক্য! প্রতিরোধ অগ্নিগর্ভ হবে না? কিন্তু, কথা হল, এভাবে পদ্মকাঁটায় বিষের মাত্রা বাড়িয়ে গেরুয়া শিবিরের লক্ষ্যপূরণ হবে? পঞ্চায়েত ভোট, লোকসভা তার পর বিধানসভা। এখনও দিল্লি তো অনেক দূর। এখন থেকে স্বাভাবিক রাজনীতি সরিয়ে রেখে মমতার মতো জনপ্রিয় রাজনীতিককে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে লোক খেপালে পরিণামে সুফল মিলবে! মমতার আমলে পঞ্চায়েত স্তরে যে বিরাট উন্নতি হয়েছে, রাস্তাঘাট, আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল, কন্যাশ্রী, খাদ্যসাথি থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সর্বস্তরে সেসব মানুষ ভুলে যাবেন! বাংলার মানুষ কতটা জাতীয়বাদী জানি না—তবে তাঁরা বেইমান নন, তার প্রমাণ বহুবার দিয়েছেন। সেটা সকলেই জানেন। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বও আশা করি বোঝেন। তাহলে কি সেজন্যই অমিত শাহের বক্তৃতা নিয়ে ভিডিয়ো, তাঁর কণ্ঠে ‘অব কি বার বঙ্গাল’ দিকে দিকে ছড়িয়ে দেওয়া মিটিং, মিছিল, প্রতিবাদ—এসব দিয়ে এরাজ্যের মমতা-ভক্তি দূর করা দুষ্কর মনে করছেন তাঁরা! তাই কি পদ্ম-বাহিনীর ওই লড়কে লেঙ্গে ভাব!
কিন্তু, লড়কে লেঙ্গে ভাবটা ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক পরিসরে এমন ছড়িয়েছে যে গ্রামবাংলায় সাধরণ গরিবগুর্বোদের আশঙ্কা আতঙ্কের দিকে গড়াতে শুরু করেছে। শহর মহানগরে বসে তো গ্রামবাংলার প্রাকভোটযন্ত্রণা তো বোঝা যায় না। কোথাও বাড়ির পর বাড়ি জ্বলছে, বোমা ফাটছে। পার্টি অফিস দুমড়ে মুচড়ে ধূলিস্যাৎ। বাইক-বাহিনী, মাস্কট-বাহিনী, সশস্ত্র বহিরাগতরা মুঙ্গেরি বন্দুক পিস্তল উঁচিয়ে ঘুরছে। কোথাও লাশ গড়াগড়ি খাচ্ছে রক্তের বন্যায়। বুকফাটা আর্তনাদে ফেটে পড়ছে দিনরাতের আকাশ—তার মধ্যে জীবনযাপন, ভোট! ভাবা যায়! অথচ, উপায় তো নেই। গ্রামবাংলায় ভোটযুদ্ধের এটাই রীতি প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে আজ। শাসকের প্রভাব প্রতিপত্তি হটাতে বিজেপিও নেমে পড়েছে। তাদের শক্তঘাঁটি বীরভূম দিয়ে শুরু করেছে গ্রামবাংলা অভিযান। সেখানে পদ্মের বিষকাঁটা বেশ ভালোই টের পেয়েছে শাসক তৃণমূল।
এখন কথা হল, এই লড়কে লেঙ্গে ভাব দিয়েও কি শেষপর্যন্ত গেরুয়াভক্তি জাগানো যাবে জনমনে? বাইরে থেকে এসে সমবেত জনতার সংখ্যা দেখে দিল্লির নেতাদের এমন বিভ্রম জাগা অস্বাভাবিক নয়। তাতে কোনও মহানেতা আতিশয্যে আপ্লুত হলেও বলার কিছু নেই। ধাক্কা যতক্ষণ না লাগছে ততক্ষণ এই তুষ্টিভাব বহাল থাকবেও। কারণ, কঠিন বাস্তবটা জানা বা জানানোর জন্য ধাক্কা ছাড়া তো উপায় নেই আজ। বাস্তব পরিস্থিতিটা অবহিত করাতে মহানেতা বা নেত্রীর আতিশয্যে বাদ সাধবেন—আজকের রাজনীতিতে এমন সাধ্য কার! সুতরাং, ভোট। ভোট ছাড়া আজকের রাজনীতিতে ধাক্কা দেওয়ার ব্যবস্থা কোথায়। সেখানে ধাক্কা লাগলেই না বাস্তব সম্পর্কে বোধোদয় হয়। সিপিএম, কংগ্রেস থেকে শুরু করে বিজেপি, সমাজবাদী—নানা সময়ে এমন বোধোদয় সকলের হয়েছে। অনেকবার হয়েছে। এরাজ্যে হয়েছে। আবার একবার না হয় হবে। টার্গেট বাংলার ধুয়ো তুলে ব্যক্তি মমতাকে টার্গেট করলে পরিণতি কী হয় তাও পরিষ্কার হয়ে যাবে। অপেক্ষা তো কেবল একটা পূর্ণাঙ্গ ভোটের। আসছে পঞ্চায়েত।
18th  May, 2017
কেন্দ্রীয় নীতিতে পাট শিল্প ধুঁকছে, মরছে চাষি-শ্রমিক, ভরসা মমতা
নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়

 প্রণব মুখোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে নেই। তাই ২০১৩ সাল থেকে অনাথ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের পাট চাষ আর শিল্প। ওই বছর থেকেই পুরোদমে পাট শিল্পের ওপর শুরু হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-নীতির আরোপ যা অনেকটা পুলিশি নজরদারির মতো বলা চলে। মমতা আর প্রণববাবু রাজ্যের পাট শিল্পের ৩ কোটি চাষি ও শ্রমিককে সবসময় আগলে রাখতেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তাঁরা না থাকায় পাট শিল্পে আজ বাজছে বেদনার সুর।
বিশদ

রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য: রবার যেটা সেটা রবেই
মেরুনীল দাশগুপ্ত

রবীন্দ্র-অমর্ত্য নিয়ে সংঘচালকদের প্রসঙ্গ উঠতেই কেন যে তিনি ওই অনুবাদ প্রসঙ্গ তুললেন—বলা বিপজ্জনক! কেবল কবির কথায় বলা চলে—রইলো বলে রাখলে কারে, হুকুম তোমার ফলবে কবে?/ তোমার টানাটানি টিকবে না ভাই, রবার যেটা সেটাই রবে। বলতে কী, যেভাবে করার চেষ্টা হচ্ছে, সেভাবে কিছুই হবে না। বড়জোর ওই—গ্রাউন ভালোবাসে ফিগুরিসকে! তাতে স্বচ্ছ ভারতের মুখে ছায়াকালিমাই শুধু বাড়বে। আমরা নিশ্চিত, রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য, রামায়ণ থেকে রাজনীতি—শেষ পর্যন্ত রবার যেটা সেটা রবেই। জাভড়েকর সেটা খানিক বুঝেছেন বলেই হয়তো সামলে নিয়েছেন। পহেলাজরা বুঝবেন কবে!
বিশদ

দার্জিলিং জেলাকে পৃথক একটি রাজ্য করার দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব
শমিত কর

বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পৃথক রাজ্য হিসাবে দার্জিলিংকে গড়ার দাবিতে পাহাড়বাসী রণং দেহি ভূমিকা নিচ্ছে। উত্তরে কাশ্মীর পরিস্থিতির মতো আমাদের রাজ্যের এই পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থা এক মারাত্মক আকার নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে যে জঙ্গি নাশকতা ধারাবাহিকভাবে চলেছে তার পিছনে পাকিস্তানের মদত কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

25th  July, 2017
আপনিই সর্বশক্তিমান, তবু দেশজুড়ে এত অস্থিরতা কেন মোদিসাহেব?
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় থাকলে বুদ্ধিমান চতুর শাসকেরও বুদ্ধিবৃত্তি লোপ পায়। দম্ভে, অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না। বিরোধিতা দেখলেই নেমে আসে দমন, পীড়ন। পুলিশ লেলিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে বন্দি করে রাখা... আরও কত কী! আজকের পশ্চিমবঙ্গে গত বেশ কিছুদিন ধরেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের বদান্যতায় যা দস্তুর।
বিশদ

25th  July, 2017
বইই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মুক্তির জগৎ

পঙ্কজ সাহা : রাষ্ট্রপতি ভবন বলতে মনের মধ্যে যে ধারণা ছিল সেটা একেবারে বদলে গেল দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছানোর পরে। কলকাতা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলে যাওয়ার পরে ব্রিটিশ আমলে যে বিরাট প্যালেসটি দিল্লির রাইসিনা হিলসে নির্মিত হয়েছিল ভাইসরয় প্যালেস হিসেবে এবং ভারতের স্বাধীনতার পরে যেটি রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে চিহ্নিত হয়, সেই বিরাট প্যালেসটির ছবিই মনের মধ্যে মুদ্রিত ছিল রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে।
বিশদ

24th  July, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

23rd  July, 2017
শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

23rd  July, 2017
যুদ্ধ নয়, স্থিতাবস্থা চাই ডোকালায়
প্রশান্ত দাস

 চীনের কথা উঠলেই সুবেদার মেজর হামিদ সাহেব বলতেন—বাঁদরের যত বাঁদরামি গাছের ডালে। ডাঙায় এলেই লেজ তোলে। লেজ তোলার অর্থ, লেজ তুলে পালায়। চীনের অবস্থা ওই বাঁদরের মতন। দাদাগিরি দেখাবে পাহাড়ের মাথায়। সমতলে নয়। সমতলের যুদ্ধে ভারতীয় সেনারা এখনও আনপ্যারালেলড। বিশদ

22nd  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

21st  July, 2017



একনজরে
কাবুল, ২৬ জুলাই: আফগানিস্তানে তালিবান জঙ্গিদের অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ উঠল রাশিয়ার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালিবানের হাতে যেসব ‘উন্নত অস্ত্র’ দেখা গিয়েছে, যেগুলি রাশিয়ায় তৈরি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ ভিডিও রেকর্ড হাতে আসার দাবি করে আফগান ও আমেরিকার কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ...

 বিএনএ, বহরমপুর: দু’টি পঞ্চায়েতের দুই প্রধান সহ ১২জন সদস্যকে দলে টেনে জলঙ্গি ব্লক দুষ্কৃতীমুক্ত করার ডাক দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার জলঙ্গির সাহেবনগর পঞ্চায়েতের সাতজন, কাটাবাড়ি পঞ্চায়েতের পাঁচজন এবং পঞ্চায়েত সমিতির দু’জন সদস্য তৃণমূলে যোগ দেন। তাঁদের অধিকাংশই কংগ্রেস ছেড়ে এসেছেন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের বহু স্কুলে কম্পিউটার নেই। আবার কোথাও কম্পিউটার থাকলেও নেই ইন্টারনেট সংযোগ। এই অবস্থায় মাধ্যমিক স্তরের ছাত্রীদের কেন্দ্রীয় স্কলারশিপের টাকা পেতে অনলাইনে আবেদন করার নির্দেশকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক স্কলারশিপের আবেদন সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তন ...

প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেলের খাবার নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের অন্ত নেই। দিন কয়েক আগে ক্যাগের রিপোর্টেও রেলের খাবারের করুণ ছবি উঠে এসেছে। রেলকর্তাদের অনেকেরই বক্তব্য ছিল, যে জায়গায় রেলের খাবার তৈরি হয়, সার্বিক অবস্থার পরিবর্তনে অবিলম্বে সেই রান্নাঘরে নজরদারি চালানো দরকার। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরানো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দ লাভ হবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৪৪- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৬০- শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৯২- অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
২০১৫- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৬০ টাকা ৬৫.২৮ টাকা
পাউন্ড ৮২.৫২ টাকা ৮৫.৩৫ টাকা
ইউরো ৭৩.৭৮ টাকা ৭৬.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৩৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৭৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ১১ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী দিবা ৭/১, উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ৪/৪০, সূ উ ৫/৯/৩৯, অ ৬/১৬/৩১, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-২/৫৮, বারবেলা ৩/০-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪৩-১/৪।
১০ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী ১০/০/৭, পূর্বফাল্গুনীনক্ষত্র ৮/৬/৪৫, সূ উ ৫/৬/৩৭, অ ৬/১৮/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩১-২/৪৭/৪, বারবেলা ৪/৩৯/৫১-৬/১৮/৫৩, কালবেলা ৩/০/৪৯-৪/৩৯/৫১, কালরাত্রি ১১/৪২/৪৫-১/৩/৪৩।
 ৩ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামীকাল বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিজেপির সমর্থন নিয়ে ফের শপথ নেবেন নীতীশ কুমার

26-07-2017 - 11:03:16 PM

হাসপাতাল রাজ্যপাল কে এন ত্রিপাঠি
বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কে এন ত্রিপাঠি ইএনটি সমস্যা নিয়ে ভরতি হলেন পাটনার ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্স হাসপাতালে

26-07-2017 - 10:29:00 PM

 রাত ১০টায় ২ লক্ষ ৩১ হাজার ৪৫০ কিউসেক জল ছাড়ল দুর্গাপুর ব্যারেজ

26-07-2017 - 10:26:00 PM

দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে রাত ৯ টায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার ৪৫০ কিউসেক জল ছাড়া হল

26-07-2017 - 09:41:02 PM

 ঘাটালের প্রতাপপুরের কাছে ১৫ মিটারের মতো বাঁধ ভেঙেছে বলে জানালেন জেলার ভারপ্রাপ্ত মহকুমা শাসক অমিত শেঠ।

26-07-2017 - 09:26:00 PM

 নীতীশ কুমারের দলকে বিজেপি সমর্থন করবে, জানালেন সুশীল মোদি

26-07-2017 - 09:11:30 PM