বিশেষ নিবন্ধ
 

ফুলের যুদ্ধে কাঁটার প্রকোপ বাড়ছে

মেরুনীল দাশগুপ্ত :টার্গেট বাংলা না টার্গেট মমতা! এসব হচ্ছেটা কী! কোনও প্রমাণ নেই, তথ্য নেই—যা ইচ্ছে বলে দিলেই হল? এটা রাজনীতি? এ তো চরিত্র হনন, কুৎসা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এভাবে ঠেকাতে পারবেন ওঁরা? জিততে পারবেন! আরে, বাংলা ইউপি নয়, বাংলাকে চিনতে ওঁদের এখনও ঢের দেরি। এসব বলে বেড়াতে থাকলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কিস্যু যাবে আসবে না। কিন্তু, ক্ষমতায় আসার আগেই ওই বলিয়েদের সিপিএমের মতো অবস্থা হবে। ভোটবাক্সে একমুঠো পাবলিক জোটাতে কালঘাম ছুটে যাবে...। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষদিকে আচমকা কলকাতায় উড়ে এসে বিজেপির মহানেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সদস্যদের সরাসরি আর্থিক দুর্নীতিতে অভিযুক্ত করলেন তার পরদিন এমন মন্তব্যই শুনেছিলাম বাসে। এবং, আশ্চর্য হয়েছিলাম দেখে যে ওই বক্তব্যের বিরোধিতা করছেন না একজনও! এর আগে মমতা ও তাঁর সরকারের কাজকর্ম বা নীতি বিষয়ে এমন আলোচনায় ক্ষীণ হলেও একটা বিরোধী কণ্ঠ শুনেছি। কখনও-সখনও সে বিরোধী কণ্ঠকে উচ্চগ্রামে বাজতেও শুনেছি। তাই নিয়ে মারমার অবস্থা তাও দেখেছি। অস্বাভাবিক লাগেনি।
সব কালে সব দেশে সর্বত্রই শাসক-বিরোধী একটা কণ্ঠ থাকেই। সকলকে খুশি করতে পারে, সকলের সব মনোবাঞ্ছা পূরণ করতে পারে—এমন ব্যক্তি বা সরকার তো বাস্তবে সম্ভব নয়। বাইবেল থেকে অদ্যাবধি মহাজনেরা সকলেই সেটা স্বীকার করেছেন। সুতরাং, এমন যে-কোনও আলোচনায় একটা বিরোধী কণ্ঠ অনিবার্য। কিন্তু, আশ্চর্যের বিষয়, সেদিন ছিল না। কোনও বিরোধী স্বর আমি সেদিন শুনিনি। বরং, একটা প্রৌঢ় রাখঢাক না রেখেই বলছেন শুনলাম, আমি তৃণমূল নই। মমতা নিয়ে আমার কোনও আবেগ নেই। কিন্তু, এভাবে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া আমাদের মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের লোকজনকে একটা বাইরের লোক এসে অপমান করে যাবেন—এটাও সহ্য করতে পারছি না। রাজনীতিকে তাঁরা কোথায় টেনে নামাচ্ছেন! আরে, হাটের মাঝে এসব বলার দরকার কী? তথ্য-প্রমাণ থাকলে যথাস্থানে পেশ করুন, অভিযোগ প্রমাণ হলে আইনে যা ব্যবস্থা হয় তখন হবে। তার আগে লোকজন জড়ো করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার নিয়ে এসব বলা তো অসভ্যতা। এসব দেখলে তো বোঝাই যায় ওঁদের টার্গেট বাংলা নয়, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা। ঠিকই বলেছেন উনি। ঠিক।
পথ চলতি মানুষজনের এই মনোভাব গোটা রাজ্যে কতটা ছড়িয়েছে আমরা জানি না। কিন্তু, একথা হলফ করে বলা যায়, বাংলার সাধারণ রাজনৈতিক সেন্টিমেন্ট কৈলাসবাবুর ওইসব মন্তব্য ভালো মনে নেয়নি। ঠিক যেমন নিচ্ছে না মমতাকে লক্ষ্য করে দিলীপ ঘোষ ও তাঁর দলীয় অনুগামীদের কুভাষণ। আসলে কুভাষণের হোলসেলের সূত্রপাতটা তো এরাজ্যে বেশিদিন নয়। রাজত্বের একেবারে শেষলগ্নে এসে সিপিএমের কয়েকজন কুলভূষণ, কুলতিলক এবং তাঁদের সাঙ্গোপাঙ্গোদের নিরলস চেষ্টায় মাইকেল বঙ্কিম রবীন্দ্রনাথ নজরুলের বাংলায় কুভাষণের রাজনীতির প্রতিষ্ঠা ও প্রসার ঘটেছিল। রাজনীতির পরিসর থেকে একটু একটু করে ঝাপসা হতে শুরু করেছিল শিষ্টাচার সৌজন্য। তার চেয়েও বড় কথা, তাঁদের যাবতীয় কুভাষণের এক ও অদ্বিতীয় লক্ষ্য ছিলেন তৎকালের জননেত্রী মমতা! একে তো কুভাষণে অনভ্যস্ত বাংলা রাজনীতি, তায় লক্ষ্য একজন মহিলা—বঙ্গবাসীর হজম হয়নি। ফলত, কুভাষণের টোটকা মারাত্মক ব্যুমেরাং হয়ে ফিরেছিল সিপিএম তথা বামেদের ঘরে। মজার ব্যাপার, সেই উদাহরণ চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও বিজেপি সেই পথ নিচ্ছে! কেন নিচ্ছে, সে প্রশ্ন অবান্তর, বিশেষত অমিত শাহের সার্টিফিকেটের পর তো সে প্রশ্ন তোলাই যায় না। খবরে প্রকাশ বাংলা জয়ের লক্ষ্যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক অভিযানের কায়দা তরিকায় (অকথা কুকথা সমেত) সিলমোহর দিয়েছেন অমিতজি। এর পর আর কথা চলে? কিন্তু, এই পথের সমস্যা ও বিপদগুলো? তা কি সার্টিফিকেটের জোরে উপড়ে ফেলা যাবে? প্রথমত, যেভাবে ও ভাষায় মাঝেমধ্যেই কৈলসাজি দিলীপজিরা রাজনৈতিক প্রচার মঞ্চ গরম করছেন, মমতার ভাবমূর্তিতে কালিমা লেপনের প্রয়াস করছেন—রাজ্যের আম পাবলিক তো বটেই তাঁদের দলের বাঙালি সদস্য সমর্থকদের সকলে কি তাতে আন্তরিক সিলমোহর দিচ্ছেন? তথ্যভিজ্ঞরা বলছেন, না, দিচ্ছেন না। তার কারণ, অবাঙালিয়ানায় বাঙালি এখন যত অভ্যস্তই হোক নিজেদের কৃষ্টি সভ্যতা এখনও তারা পুরোপুরি ভুলতে পারেনি। তাই, একজন মহিলার অসম্মান মানহানি মানতে এখনও বাঙালি ততটা অভ্যস্ত নয়। দ্বিতীয়ত, সভায় বসে নেতামুখে গরম কথা শুনে রাজনৈতিক আবেগে হাততালি দিলেও কোনও প্রৌঢ়ের মুখ থেকে অশালীন কথা শুনে বাঙালি এখনও বিশেষ স্বচ্ছন্দ বোধ করে না। তাই, চলতি কুভাষণের রাজনীতি বাঙালি মনে কতটা কি ইতিবাচক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে তা নিয়ে সংশয় অবশ্যম্ভাবী। বিজেপির মহাযোদ্ধারা অবশ্য সেসব তোয়াক্কা করছেন কতটা জানা নেই। খুব যে করছেন না তা তাঁদের আচরণ থেকেই বোঝা যাচ্ছে। করবেনই বা কেন? তাঁদের ‘অমৃত বাণী’ ছোটখাটো মানুষজনের মনে কী বার্তা দিচ্ছে সেই অকিঞ্চিৎকর ব্যাপারে কালক্ষয় করার মতো সময় কি রাজনৈতিক মহাবলীদের আছে! তবে কি, রাজ্যের দশদিগন্তজোড়া ঘাসফুলের বাগানে পদ্ম ফোটাতে চাইছেন যাঁরা বাংলার মাটি বাংলার জলের খোঁজখবরটা রাখলে তাঁদের লাভ বই ক্ষতি হবে না মনে হয়। কারণ, জল মাটির আনুকূল্য ছাড়া ফুলও ফোটে না, ফলও ধরে না।
অন্যদিকে, টার্গেট বাংলার ছদ্মবেশে টার্গেট মমতা যদি হয়ে দাঁড়ায় বাংলা দখল অভিযানে বিজেপির লক্ষ্য—তাহলেও বিপদের যথেষ্ট সম্ভাবনা। মমতার একচ্ছত্র আধিপত্যের ভূমিতে দাঁড়িয়ে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া ব্যক্তি মমতাকে আক্রমণ করলে, তাঁর মানহানি ঘটালে—প্রতিক্রিয়া তো ঘটবেই। কারণ, আঘাতটা দল, দলীয় নেতা-কর্মী ছাপিয়ে নিশ্চিতভাবেই গিয়ে যে লাগবে বাঙালির রাজনৈতিক সেন্টিমেন্টে। সেখানে মমতা ছাড়া আছেন কে? ফলে, প্রতিক্রিয়া তো ঘটবেই। প্রতিক্রিয়া প্রতিবাদ থেকে প্রতিরোধের আকার নিলেও আশ্চর্যের কিছু নেই। সব মিলিয়ে ফল অশান্তি। ইতিমধ্যেই পাড়ুই থেকে দিনহাটা অনেক জায়গায় এমন অশান্তি ছড়িয়েছে। তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে ছড়িয়েছে হিংসার বাতাবরণ, রক্তও ঝরেছে। রবিবার সমতলের তিন পুরসভার ভোটে যে দৃশ্য দেখা গেল—তার পর আগামী পঞ্চায়েত নিয়ে রাজ্যবাসীর মনে চিন্তার ভাঁজ যে গভীর হয়েছে তা বলাই বাহুল্য।
দেখেশুনে বোঝাই যাচ্ছে, দুই ফুলের যুদ্ধে কাঁটার প্রকোপ উত্তরোত্তর বাড়ছে। বিষকাঁটা। রক্তঝরানো কাঁটা! ঘাসফুলে কাঁটা থাকে না। কিন্তু, পদ্মকাঁটার বিষকামড় থেকে আত্মরক্ষার দায় তো থাকে। তার উপর প্রাণাধিক জননেত্রী সম্পর্কে ওইসব বিষবাক্য! প্রতিরোধ অগ্নিগর্ভ হবে না? কিন্তু, কথা হল, এভাবে পদ্মকাঁটায় বিষের মাত্রা বাড়িয়ে গেরুয়া শিবিরের লক্ষ্যপূরণ হবে? পঞ্চায়েত ভোট, লোকসভা তার পর বিধানসভা। এখনও দিল্লি তো অনেক দূর। এখন থেকে স্বাভাবিক রাজনীতি সরিয়ে রেখে মমতার মতো জনপ্রিয় রাজনীতিককে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে লোক খেপালে পরিণামে সুফল মিলবে! মমতার আমলে পঞ্চায়েত স্তরে যে বিরাট উন্নতি হয়েছে, রাস্তাঘাট, আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল, কন্যাশ্রী, খাদ্যসাথি থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সর্বস্তরে সেসব মানুষ ভুলে যাবেন! বাংলার মানুষ কতটা জাতীয়বাদী জানি না—তবে তাঁরা বেইমান নন, তার প্রমাণ বহুবার দিয়েছেন। সেটা সকলেই জানেন। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বও আশা করি বোঝেন। তাহলে কি সেজন্যই অমিত শাহের বক্তৃতা নিয়ে ভিডিয়ো, তাঁর কণ্ঠে ‘অব কি বার বঙ্গাল’ দিকে দিকে ছড়িয়ে দেওয়া মিটিং, মিছিল, প্রতিবাদ—এসব দিয়ে এরাজ্যের মমতা-ভক্তি দূর করা দুষ্কর মনে করছেন তাঁরা! তাই কি পদ্ম-বাহিনীর ওই লড়কে লেঙ্গে ভাব!
কিন্তু, লড়কে লেঙ্গে ভাবটা ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক পরিসরে এমন ছড়িয়েছে যে গ্রামবাংলায় সাধরণ গরিবগুর্বোদের আশঙ্কা আতঙ্কের দিকে গড়াতে শুরু করেছে। শহর মহানগরে বসে তো গ্রামবাংলার প্রাকভোটযন্ত্রণা তো বোঝা যায় না। কোথাও বাড়ির পর বাড়ি জ্বলছে, বোমা ফাটছে। পার্টি অফিস দুমড়ে মুচড়ে ধূলিস্যাৎ। বাইক-বাহিনী, মাস্কট-বাহিনী, সশস্ত্র বহিরাগতরা মুঙ্গেরি বন্দুক পিস্তল উঁচিয়ে ঘুরছে। কোথাও লাশ গড়াগড়ি খাচ্ছে রক্তের বন্যায়। বুকফাটা আর্তনাদে ফেটে পড়ছে দিনরাতের আকাশ—তার মধ্যে জীবনযাপন, ভোট! ভাবা যায়! অথচ, উপায় তো নেই। গ্রামবাংলায় ভোটযুদ্ধের এটাই রীতি প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে আজ। শাসকের প্রভাব প্রতিপত্তি হটাতে বিজেপিও নেমে পড়েছে। তাদের শক্তঘাঁটি বীরভূম দিয়ে শুরু করেছে গ্রামবাংলা অভিযান। সেখানে পদ্মের বিষকাঁটা বেশ ভালোই টের পেয়েছে শাসক তৃণমূল।
এখন কথা হল, এই লড়কে লেঙ্গে ভাব দিয়েও কি শেষপর্যন্ত গেরুয়াভক্তি জাগানো যাবে জনমনে? বাইরে থেকে এসে সমবেত জনতার সংখ্যা দেখে দিল্লির নেতাদের এমন বিভ্রম জাগা অস্বাভাবিক নয়। তাতে কোনও মহানেতা আতিশয্যে আপ্লুত হলেও বলার কিছু নেই। ধাক্কা যতক্ষণ না লাগছে ততক্ষণ এই তুষ্টিভাব বহাল থাকবেও। কারণ, কঠিন বাস্তবটা জানা বা জানানোর জন্য ধাক্কা ছাড়া তো উপায় নেই আজ। বাস্তব পরিস্থিতিটা অবহিত করাতে মহানেতা বা নেত্রীর আতিশয্যে বাদ সাধবেন—আজকের রাজনীতিতে এমন সাধ্য কার! সুতরাং, ভোট। ভোট ছাড়া আজকের রাজনীতিতে ধাক্কা দেওয়ার ব্যবস্থা কোথায়। সেখানে ধাক্কা লাগলেই না বাস্তব সম্পর্কে বোধোদয় হয়। সিপিএম, কংগ্রেস থেকে শুরু করে বিজেপি, সমাজবাদী—নানা সময়ে এমন বোধোদয় সকলের হয়েছে। অনেকবার হয়েছে। এরাজ্যে হয়েছে। আবার একবার না হয় হবে। টার্গেট বাংলার ধুয়ো তুলে ব্যক্তি মমতাকে টার্গেট করলে পরিণতি কী হয় তাও পরিষ্কার হয়ে যাবে। অপেক্ষা তো কেবল একটা পূর্ণাঙ্গ ভোটের। আসছে পঞ্চায়েত।
18th  May, 2017
নদী তুমি কার

বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত করে দেয়। অবশ্য দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা পাবার আগে ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে ভারতবর্ষের নেতৃত্ব যখন আলোচনা আরম্ভ করেন তখনই ভারতবর্ষ দ্বিখণ্ডিত হলে প্রাকৃতিক সম্পদ বিশেষ করে জলবণ্টনের নীতি কীভাবে স্থিরীকৃত হবে সে ব্যাপারে কয়েকজন আলোচনাকারী উত্থাপন করলেও, দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা লাভ করার দুরন্ত আশা তদানীন্তন রাজনৈতিক নেতাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছিল।
বিশদ

চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে

কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে হেরে প্রমাণ করল ক্রিকেট বিশ্বে ভারত কতটা বন্ধুহীন। যেসব দেশকে ভারত হাতে করে জাতে তুলেছে তারাও ভারতের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
বিশদ

ভুলে যাওয়ার রাজনীতি

 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব সুবিধা হয় আমাদের বোকা বানাতে। এই তো মার্চ মাসে সংগীতশিল্পী কালিকাপ্রসাদের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বাংলা সংগীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতির জন্য যথার্থ শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল।
বিশদ

26th  May, 2017
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি

অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। কয়েকটা রেললাইনের পরে সারি সারি ওয়াগনের পাশে শান্টিং করছে একটা ডিজেল ইঞ্জিন। এই স্টেশনটা আমি বা আমার মতো অনেকেই হয়তো আগে চোখে দেখিনি।
বিশদ

25th  May, 2017
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়

অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া যাবে। এই ভাবনা এখন সবথেকে বেশি চর্চিত। কিন্তু এটা মাথায় রাখতে হবে যুদ্ধ কখনওই কাম্য নয়। যুদ্ধ কোনও দেশই চায় না। সবচেয়ে বড় কথা, আমার মনে হয় যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান বা আমরা কেউই তেমন তৈরি নয়।
বিশদ

25th  May, 2017
লোকসভার ভোট যখনই হোক এবার
মমতাই হবেন মোদির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী

হিমাংশু সিংহ : অধীরবাবুরা এতদিন রাজনীতি করছেন, এত দীর্ঘ সময় সংসদীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এখনও কংগ্রেস নেতৃত্বের মেজাজটাই বুঝতে পারেন না। গত বিধানসভা ভোটে এ রাজ্যে সিপিএমের সঙ্গে জোট করে, খুলে আম বুদ্ধদেববাবুর সঙ্গে মালাবদল করে কংগ্রেসের কোন লাভটা হয়েছে? 
বিশদ

24th  May, 2017
মমতা-সোনিয়া বৈঠক কি সিপিএমের চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে?

 শুভা দত্ত: কে বেশি বিজেপি বিরোধী? কে বেশি ধর্মনিরপেক্ষ? হিন্দু-মুসলমান সৌহার্দ সম্প্রীতি রক্ষার ব্যাপারে কে বেশি তৎপর, আন্তরিক? এইসব নিয়ে এ রাজ্যে শাসক-বিরোধী তরজা বহুদিন ধরেই চলছে।
বিশদ

21st  May, 2017
  এত দেরি করলেন কেন পার্থবাবু?

 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: কথায় বলে, বাঙালির ঝুঁটি ধরে না-ঝাঁকালে টনক নাকি নড়ে না। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও একবার খুব বড় একটা ধন্যবাদ জানাই বাঙালির এই টনকটা নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য।
বিশদ

21st  May, 2017



একনজরে
বোকারো (ঝাড়খণ্ড), ২৬ মে (পিটিআই): মাওবাদী হামলার জেরে ব্যাহত হল গোমো-বারকানানা শাখার ট্রেন চলাচল। বৃহস্পতিবার রাতে ডুমরি বিহার রেল স্টেশনে হানা দেয় মাওবাদীরা। জানা গিয়েছে, ...

 সংবাদদাতা,শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির ক্রীড়া সংগঠক তথা রাজনৈতিক নেতা পীযূষ বসু শুক্রবার প্রয়াত হলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। এদিন কিালে তিনি কলকাতার একটি নার্সিংহোমে মারা যান। পীযূষ বসুর মৃত্যুতে শিলিগুড়ির ক্রীড়া মহল গভীর শোক ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চিরকাল বিরোধীদের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলে তার হিসাব চেয়ে এসেছে শাসকপক্ষ। এবার তার উলটো পথে হাঁটল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। রাজ্যে পালাবদলের পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ রয়েছে টিএমসিপি’র হাতেই। তাদের পক্ষ থেকে চিঠি লেখা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিক্ষক শিক্ষণের নিয়ামক সংস্থা ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন (এনসিটিই) এবার ইনটার্ন নিয়োগ করবে। এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে তারা। পড়ুয়া, গবেষক ও অন্যান্য বিভাগের বিশেষজ্ঞদের এই কাজে যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে এনসিটিই। শিক্ষক প্রশিক্ষণের পাঠ্যক্রম ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটি শুভ। কর্মে সাফল্য। অবিবাহিতদের বিবাহের যোগ। প্রেমপরিণয়ে জটিলতা বৃদ্ধি।প্রতিকার: প্রবাহিত জলস্রোতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৪ টাকা ৬৫.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮১.৭৫ টাকা ৮৪.৭২ টাকা
ইউরো ৭১.০৭ টাকা ৭৩.৬০ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯, ২৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮, ২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০, ৩০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৩ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, শনিবার, দ্বিতীয়া অপঃ ৫/৩২, মৃগশিরানক্ষত্র অপঃ ৬/৭, সূ উ ৪/৫৬/২৩, অ ৬/১০/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১-অস্তাবধি রাত্রি ৬/৫৩-৭/৩৬, পুনঃ ১১/১২-১/২১ পুনঃ ২/৪৭-উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ পুনঃ ১/১৩-২/৫২ পুনঃ ৪/৩২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩২ পুনঃ ৩/৩৬-উদয়াবধি।
১২ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, শনিবার,দ্বিতীয়া রাত্রি ৮/৪৯/৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ৯/৩১/১৬, সূ উ ৪/৫৫/২, অ ৬/১১/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩২/১৭-৬/১১/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/২৯-৭/৩৭/২৩, ১১/১১/৫২-১/২০/৩৩, ২/৪৬/২০-৪/৫৪/৫৬, বারবেলা ১/১২/৫৩-২/৫২/২৭, কালবেলা ৬/৩৪/৩৬, ৪/৩২/২২-৬/১১/৩৫, কালরাত্রি ৭/৩২/১, ৩/৫৪/৩০-৪/৫৪/৫৬।
৩০ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে

 ১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম

09:46:00 PM

'একনায়কতন্ত্র চলছে, সম্পূর্ণ বিরোধিতা করি', জবাইয়ের উদ্দেশ্যে গবাদি পশু কেনাবেচা বন্ধ সংক্রান্ত কেন্দ্রের নির্দেশিকা প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের 
জবাইয়ের উদ্দেশ্যে কোনও গবাদি পশু কেনা বা বিক্রি করা যাবে না। গতকাল কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা এই নির্দেশিকার তীব্র বিরোধিতা করলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, 'প্রতিবার কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে দিচ্ছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা না বলে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। একনায়কতন্ত্র চলছে, এর সম্পূর্ণ বিরোধিতা করি।' তিনি আরও জানান, সাম্প্রদায়িকতা কোনও ভাবেই মানা হবে না। 

06:08:20 PM

জম্মু-কাশ্মীরের ত্রালে সেনা-বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ১জনের মৃত্যু 

04:47:02 PM

শিলিগুড়ির ফুলবাড়িতে শ্যালিকাকে অ্যাসিড ছুঁড়ল জামাইবাবু, জখম ২ 
শ্যালিকাকে অ্যাসিড ছুঁড়ে জখম করল জামাইবাবু। অ্যাসিড লেগে জখম হয়েছে এক শিশুও। শিলিগুড়ির ফুলবাড়ির ওই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

02:54:17 PM

উত্তরাখণ্ডে বজ্রাঘাতে মৃত ৩, জখম ৯

02:12:00 PM

বিক্ষোভে উত্তাল বারাসত আদালত চত্বর, প্রহৃত মনুয়ার আইনজীবী 
হৃদয়পুরে প্রেমিককে দিয়ে স্বামীকে খুনের ঘটনায় ধৃত মনুয়া মজুমদারকে আদালতে পেশ করা নিয়ে উত্তাল বারাসত আদালত চত্বর। সকাল থেকেই সেখানে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে সাধারণ মানুষ। মারধর করা হয়েছে মনুয়ার আইনজীবীকে। বিশাল পুলিশ বাহিনী ও RAF মোতায়েন থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। 

01:58:27 PM






বিশেষ নিবন্ধ
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...
ভুলে যাওয়ার রাজনীতি
 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব ...
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি
অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। ...
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়
অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া ...