বিশেষ নিবন্ধ
 

মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পেরেছে,
বাংলার পাহাড়ে আসল পরিবর্তন হয়েই গেছে

হারাধন চৌধুরী: বাংলার পাহাড়েও ‘পরিবর্তন’ চেয়েছেন ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের ভগীরথ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছেন পুরক্ষমতার পরিবর্তন। পাহাড়বাসী সেই আবেদন মঞ্জুর করলেন কি না তা জানার জন্য আমাদের আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু, তার আগেই রবিবার সেখানে আসল পরিবর্তনটাই ঘটে গিয়েছে। পাহাড়ের ভোটাররা নিজেদের ভোট নিজেরাই দিয়েছেন! এমন একটা পরিবেশ পরিস্থিতির জন্যই পাহাড়বাসী যেন কয়েক যুগ অপেক্ষা করেছিলেন। সত্যিই এক যুগ-প্রতীক্ষার অবসান হল।
রবিবার দার্জিলিং পাহাড়ের চারটি পুরসভাসহ রাজ্যে মোট সাতটি পুরসভায় ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। গণনা শেষে আগামীকালই ঘোষিত হবে এই পুরসভাগুলি কাদের দখলে যাবে বা থাকবে। সন্দেহ নেই যে প্রতিটি পুরসভাই গুরুত্বপূর্ণ। তবু, রাজ্যজুড়ে সকলের কৌতূহল কিন্তু পাহাড়ের চারটি পুরসভা দার্জিলিং, মিরিক, কার্শিয়াং ও কালিম্পং নিয়েই। এগুলি পরিচালনার দায়িত্ব যে রাজনৈতিক দল বা জোটের হাতেই যাক না কেন তা সর্বান্তঃকরণেই মেনে নেওয়া দরকার। পুরসভাগুলির দায়িত্বে পুরানো শাসকরাই পুনর্বহাল হ’ন কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল বা জোট সেগুলি ছিনিয়ে নিক সেটাকে বড় করে দেখার কিছু নেই। ‘পরিবর্তন’-এর কথাই যদি গুরুত্বপূর্ণ হয় সেটা কিন্তু ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। পাহাড়ের সব শ্রেণির মানুষ বহুদিন বাদে গণতন্ত্রের স্বাদ পেয়েছেন। বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা তাঁদেরই কারও-না-কারও ঘরের ছেলে কিংবা মেয়ে। তাঁরা ভোটে দাঁড়িয়েছেন নির্ভয়ে। শেষবেলায় দু-একজন প্রার্থীর শিবির বদলেরও চমক দেখা গিয়েছে। সকলের পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারও চলেছে কোনওরকম বাধা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই। এবার ভোটাররাও তাঁদের ভোট দিয়েছেন নির্ভয়ে। হয়েছে বহু দল ও মতের গণতন্ত্রের অনুশীলন। বলা বাহুল্য যে, এর মধ্যে ভাষা ধর্ম জাতপাত গোষ্ঠী প্রভৃতি সংক্রান্ত কোনও সংকীর্ণতাই মান্যতা পায়নি। আর কী চাই! বাংলার পাহাড়ে গত তিন-চার দশক যাবৎ ‘গণতন্ত্র’ বলে কিছু ছিল না। সাধারণ মানুষ ভুলেই গিয়েছিল ‘নিজের ভোট নিজে দেওয়া’ কাকে বলে। নির্বাচনও যে আসলে বাংলার অন্যতম এক পার্বণ—এই অনুভূতিটাই চলে গিয়েছিল ক্রমে অসাড়-হয়ে-যাওয়া পাহাড় থেকে।
আমরা দেখেছি, কোনও পুরসভাতেই কোনও দল সব আসনে নিজের প্রার্থী দেয়নি। দার্জিলিং, মিরিক ও কার্শিয়াং পুরসভার ৬১টি ওয়ার্ডে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার (গজমম বা মোর্চা) সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সরাসরি লড়াই হয়েছে। অন্যদিকে, কালিম্পংয়ে মোর্চা ও তৃণমূল প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী। এছাড়া কিছু ভোটে ভাগ বসিয়েছে হরকা বাহাদুর ছেত্রীর জন আন্দোলন পার্টিও। সামান্য জায়গায় হলেও উপস্থিত আছে সিপিএম। এছাড়া আছে ছোট কিছু সংগঠন কিংবা ‘নির্দল’। অর্থাৎ স্বনামে বেনামে ভোটের লড়াইতে শামিল অনেকেই। সারা দেশে বা রাজ্যে স্বীকৃত বড় দলগুলির সকলে এখনও এই পাহাড়ি এলাকায় নিজস্ব মজবুত সংগঠন তৈরি করতে পারেনি বলেই চিত্রটা এ‌ইরকম।
এই চার পুরসভা এলাকার কোনওটিতেই তিন দশক যাবৎ মূল ধারার রাজনীতি বা মেইন স্ট্রিম পলিটিক্স কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি। এমনকী টানা ৩৪ বছর রাজ্যশাসনকালে সিপিএমও পাহাড়ের পুরভোটে একটিও আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি। মূলত বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিজেদের কিছু ‘প্রার্থী’র শুধু ‘জয়’-এর খেলাটাই খেলে গিয়েছে জিএনএলএফ/মোর্চা। এবার প্রায় সব আসনেই প্রকৃত লড়েই জিততে/হারতে হচ্ছে সকলকেই। আর এই পরিস্থিতিতেই এবার সিপিএম চার পুরসভার ৮৪টি আসনের মধ্যে ১৩টিতে দলীয় প্রতীকে প্রার্থী দিতে পেরেছে—দার্জিলিংয়ে চারটি এবং কালিম্পংয়ে নয়টি আসনে। মিরিক ও কার্শিয়াংয়ে অবশ্য সিপিএমসহ কোনও বাম দলই প্রার্থী খুঁজে পায়নি। বহু বছর বাদে এবারই প্রথম পাহাড়ে স্বনামে ভোট-যুদ্ধে অংশ নিয়েছে সিপিএম। ইমানে বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা থাকলে এজন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিই সিপিএমের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। ক্ষমতাসীন সিপিএম তাদের সময়েই বরং পাহাড়ে ক্ষাত্রবীর্যহীন হয়েই ছিল। এই সুযোগটাই প্রথম দিকে নিয়েছিল সুবাস ঘিসিংয়ের গোর্খা ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট। সুবাস ঘিসিং নামক সূর্য অস্তাচলে যেতেই সেই শূন্যস্থান দখল করতে মরিয়া হয়ে ওঠেন মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং।
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আমলের কিছুটাকাল বিমল বেশ লম্ফঝম্প করেছিলেন পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের জিগির নিয়ে। কিন্তু, ২০১১-য় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হয়ে আসার পর থেকেই বিমলের রাজনীতির গ্রাফ ক্রমান্বয়ে পতনমুখী হয়ে পড়ে। গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অথরিটি (জিটিএ) মমতা বানিয়েও পাহাড় নিয়ে ভাবনাচিন্তা ছেড়ে দেননি তাঁর পূর্বসূরিদের মতো। বরং বিমলের হাতে ওই ললিপপ তুলে দিয়ে তিনি পাহাড় নিয়ে আন্তরিকভাবেই ভাবতে থাকেন—ঘিসিং, বিমলের মতো পিগমি নেতাদের সংকীর্ণ কথাবার্তায় কেন কিছু লোক ভুলছে, কেন বারবার অশান্ত হচ্ছে বাংলার উত্তরাঞ্চল? সরকারি অফিসার আর মাটি ও মানুষের সঙ্গে সম্পর্কহীন কিছু দলীয় নেতার রিপোর্টকেই তিনি নিজের মত বলে গ্রহণ করার কালচার ত্যাগ করলেন।
মমতা ঠিক করলেন তিনি নিজেই যাবেন পাহাড়ি মানুষজনের কাছে। প্রথমবার গিয়ে তিনি বুঝেছিলেন, এটা দু-একবার প্রমোদ ভ্রমণের কাজ নয়। সেখানে তাঁকে বারবার যেতে হবে সেখানকারই একজন হয়ে। পূর্বসূরিদের এতকালের অবহেলার প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে তাঁকেই। কারণ, কেন্দ্র ও রাজ্য বছরের পর বছর বহু কোটি টাকা দিলেও তাঁর পূর্বসূরিদের এই ব্যর্থতার কারণেই পাহাড়ি মানুষের দুর্দশা বিন্দুমাত্র দূর হয়নি। বেশিরভাগটাই চলে গিয়েছে দুর্নীতির গহ্বরে। অতএব মমতা মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। তাদের সুখ-দুঃখ, চাওয়া-পাওয়া না-পাওয়ার কথা শুনবেন। জানবেন তাদের স্বপ্ন বারবার ভেঙে যাচ্ছে কেন।
তাতেই সম্ভবত মমতার উপলব্ধি হয়েছে, এতকাল দার্জিলিং পাহাড়ে গোর্খা গোর্খা করে স্রেফ জাতের নামে, ভাষার নামে বজ্জাতিটাই হয়েছে। সেখানে গোর্খারা সংখ্যায় বেশি ঠিকই, কিন্তু, লেপচা, ভুটিয়াসহ আরও কিছু জনজাতির বহু নরনারী আছেন। তাঁদেরকে কোনওদিনই তাঁদের কথা বলতে দেওয়া হয়নি। ওইসঙ্গে বাংলারই সমতল আর দক্ষিণবঙ্গ সম্পর্কেও পাহাড়ি মানুষের মন বিষিয়ে দেওয়ার নিরন্তর চেষ্টা হয়েছে। তাঁদের শুধু ভাবতে শেখানো হয়েছে যে তাঁরা ভাষা ও কালচারে একেবারে ভিন্ন এক জনগোষ্ঠী। ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের সুন্দর সত্যটিকে। অতএব তাদের মোক্ষলাভের একটিই পথ—সমতল ও দক্ষিণবঙ্গের ‘প্রভুত্ব’ থেকে মুক্তি। ঘিসিং থেকে বিমলরা এমন বিচ্চিছন্নতার বীজ বপনের জন্য দায়ী অবশ্যই—ওইসঙ্গে সেদিনের নিষ্ক্রিয় সরকার ও সরকারি দলকেও দায়ী করতে হয়।
মমতা দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে বুঝলেন, এই মৌরসি পাট্টা ভাঙতেই হবে। তিনি ঠিক করলেন—জিটিএ যেমন আছে থাক। জিটিএ দিয়ে পাহাড়ের সব সমাধান সম্ভব নয়। পাশাপাশি অন্য জনজাতিগুলির বিকাশের জন্য পৃথক পৃথক উন্নয়ন পর্ষদ হওয়া দরকার। অতএব একে একে ১৫টি উন্নয়ন পর্ষদ গড়ে দিয়ে প্রতিটি জনজাতির বুকে বল ভরসা জোগালেন। দার্জিলিং জেলা থেকে কালিম্পংকে আলাদা করে দিলেন পৃথক এক জেলার মর্যাদা। পৃথক মহকুমার মর্যাদা পেল মিরিক। ওইসঙ্গে ধারাবাহিকভাবে নেওয়া হচ্ছে একের পর এক উন্নয়নমুখী কর্মসূচি। এতে ওই দুই অঞ্চলের মানুষের বহুদিনের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের উপায় বেরচ্ছে। মমতা বুঝিয়ে দিলেন একচেটিয়া মাতব্বরি করার সুযোগ কারও নেই। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই সবার উন্নয়ন করবে রাজ্য। তাতে বিমল গুরুং বা রোশন গিরিরা রাগ করলেও তিনি নিরুপায়। তিনি বাংলার সবার মুখ্যমন্ত্রী। সমাজ উন্নয়ন তত্ত্বে যাকে ‘ইনক্লুসিভ সোসাইটি’ বা ‘সোসাইটি ফর অল’ বলা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু তাতেই আস্থা রাখেন।
এমন যাঁর বিচারধারা, এমন যিনি বিচক্ষণ তাঁকে চ্যালেঞ্জ করে কতদূর আর যেতে পারেন বিমল বা রোশনরা। অতএব ‘লড়কে লেঙ্গে’ মার্কা হম্বিতম্বিই সার হল তাঁদের। আন্দোলন বলতে যা বোঝায় গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে তার কিছুই দানা বাঁধেনি ২০১১-র পর থেকে। বিজেপির সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়ার মতো দু-একজনকে পাশে পেয়েও দিল্লিতেও সুবিধা করতে পারেননি গোর্খাল্যান্ডওয়ালারা।
সারা দেশ জানে এই সাফল্য দু-একদিনে আসেনি। মমতা ২০১১ সাল থেকে ৬৬ বার দার্জিলিং পাহাড়ে গিয়েছেন! রাজ্যের একটি অবহেলিত অঞ্চল নিয়ে তাঁর এতখানি ভাবনায় প্রভাবিত হয়েছেন মদন তামাং, সুবাস ঘিসিং, বিমল গুরুং, রোশন গিরির ভক্তদেরও অনেকে। সুবাস ঘিসিংয়ের একসময়ের অনুগামী শান্তা ছেত্রী, বিমল-রোশনের এক সময়ের বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা হরকা বাহাদুর ছেত্রী থেকে রোশনের বোন পরিসীমা ওরফে পারো গিরি সরাসরি মমতার হাত ধরেছেন। হরকা বাহাদুর পৃথক দল তৈরি করলেও গত বিধানসভার ভোটে তিনি তৃণমূলের সমর্থনে লড়েছিলেন। আর রবিবার পুরভোটে সরাসরি ঘাসফুল প্রতীকে লড়লেন শান্তা ও পারো। ভবিষ্যতে তাঁদেরকেই ধরে মোর্চার আরও অনেক রথীমহারথী তৃণমূলের কূলে নাও ভিড়াতে চাইলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
গত ছ’বছরের রেকর্ড বলে দিচ্ছে—মমতা আর যাই হ’ন বসন্তের কোকিল নন, শীত গ্রীষ্ম বর্ষা সব ঋতুতেই নির্ভরযোগ্য। বিচ্ছিন্নতার অসুখে ভোগা অঞ্চলে মূল ধারার রাজনীতির চর্চা ফেরাতে হলে এমন নেতৃত্বই দরকার। সেখানে মমতার সমকক্ষ এই মুহূর্তে কাউকেই দেখা যাচ্ছে না। ভবিষ্যতে যদি অন্যকেউ দার্জিলিং পাহাড়সহ সমগ্র উত্তরবঙ্গকে গুরুত্ব দিয়ে রাজনীতি করেন—তা অবশ্যই প্রশংসনীয় হবে—একইসঙ্গে তা গণ্য হবে মমতাকেই অনুসরণ বলে। এ কোনও প্রতিযোগিতার বিষয় নয়— বিষয়টি আন্তরিকতার সঙ্গে উপলব্ধি করার। সংখ্যার বিচারে যে রেজাল্টই হোক এবার তাতে নীতিগত পরাজয় কারোরই হচ্ছে না। কারণ, এবার আসল জয়ী হয়েছে গণতন্ত্র। গণতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল শ্রদ্ধাবান সকলের পক্ষেই উপভোগ্য হয়েছে এই জয়। বিষয়টি আগামী দিনে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের চর্চায় নতুন একটি দিক হিসাবেই বিবেচিত হবে। সিপিএম, বিজেপি, কংগ্রেস প্রভৃতি মমতা-বিরোধীরা যদি এই পরিবেশ ভণ্ডুল করার ভুলটি করেন কখনও তাও বিচার্য হয়ে থাকবে। তখন পাহাড়ে রাজনীতি করার হকটিও চিরকালের জন্য হারিয়ে বসবে তারা।
অতএব এখন এমনকিছু করা ঠিক হবে না যাতে করে মূল ধারার রাজনীতির প্রতি ফের অনীহা, ঘৃণা কিংবা ভয় তৈরি হয়। যেমনটা রবিবারই দেখাল রায়গঞ্জ, পূজালি ও ডোমকল। যেন বিধাননগর পুরসভার ২০১৫-র ভোট কালচারকেই নকল করা হল। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি নিয়েও ভক্তি ছুটে গিয়েছে শিক্ষানুরাগী বঙ্গবাসীর। এর ফল ভবিষ্যতের পক্ষে ভালো হতে পারে না। তাই দার্জিলিং পাহাড়ে গণতন্ত্রের যতটুকু ফেরানো গিয়েছে তা রক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রে ও রাজ্যে শাসক, বিরোধী সকলকেই নিতে হবে। সবচেয়ে বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে তৃণমূলকে। এত করে যে-ঘর তৃণমূল নেত্রী নিজের হাতে বেঁধেছেন তাকে রক্ষাও করতে হবে তাঁদেরকে। মমতার অনুগামী কতিপয় আধিপত্যবাদী নেতা সম্পর্কে উষ্মাপ্রকাশসহ রীতিমতো হতাশা ব্যক্ত করেছেন হরকা বাহাদুর। এই ধরনের ‘সামান্য’ অগ্নিকণা সম্পর্কে গোড়াতেই সাবধান হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। অন্যদিকে, জেলা পরিষদের মাধ্যমে যে-সকল সুযোগ-সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, তা যথাবিহিতভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কালিম্পং জেলা পরিষদও দ্রুত গঠন করতে হবে। এক্ষেত্রে সাংবিধানিক বাধাটুকু কাটিয়ে
উঠতে হবে দ্রুত। পাহাড়ে যে চারটি পুরবোর্ড তৈরি হতে চলেছে সেগুলি যাতে পুরো টার্ম নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্যকেই। পুরসভার ক্ষমতাও রাজ্যের শাসক দল না-পেলে উন্নয়ন হতে পারে না গোছের কোনও কিম্ভূত তত্ত্ব খাড়া করার চেষ্টা হলে তা অন্যায়ই হবে; তাতে জলে যেতে পারে দিদিমণির এত বড় সাধনাটিই। মন কু ডাকছে এই কারণে যে, মানুষের শিলিগুড়ির অভিজ্ঞতা ভালো নয়। শাসক দলের আরও কিছুটা সংযমরক্ষা প্রার্থনীয়। তাতে দার্জিলিং পাহাড়ে মূল ধারার রাজনীতির এই অনুশীলন প্রক্রিয়াটি দীর্ঘমেয়াদেও সফল হতে পারে। দেশের অনুরূপ সমস্যাসঙ্কুল অঞ্চলগুলির সামনে তবেই এটি হয়ে উঠবে এক অনুসরণযোগ্য দৃষ্টান্ত।
16th  May, 2017
রাজ্যের উদ্বেগজনক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্র এত উদাসীন কেন?
শুভা দত্ত

 ‘কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণ’ বলে একটা কথা একসময় খুব শোনা যেত। ইন্দিরা গান্ধীর আমলে তো বটেই, তার পরে তাঁর পুত্র রাজীব গান্ধী বা তাঁর পরের প্রধানমন্ত্রীদের আমলেও এ রাজ্যে ওই ‘বিমাতৃসুলভ আচরণ’ নিয়ে রাজনৈতিক হইচই যথেষ্ট হয়েছে।
বিশদ

20th  August, 2017
আহা, সেই নতুন ভারত ভয়মুক্ত হোক
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চতুর্থ ভাষণ বেশ মন দিয়েই শুনলাম। স্বচ্ছ ভারত, স্মার্ট সিটি, মেক ইন ইন্ডিয়া, স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া, জন ধন প্রকল্প, নমামি গঙ্গে, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, কংগ্রেস মুক্ত ভারত, কালো টাকা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোমর-কষা লড়াই ইত্যাদি ইত্যাদি প্রতিজ্ঞা ও স্বপ্নের জাল গত চারটি ভাষণে শোনানোর পর সেদিন তিনি ‘নিউ ইন্ডিয়া’ বা নতুন ভারত গড়ার কথা শোনালেন।
বিশদ

20th  August, 2017
সফলতা বনাম সফলতা
অভিজিৎ তরফদার

 সংবাদপত্রের প্রথম পাতা আলো করে কোন ব্যক্তিরা শোভা পান? তাঁরা জনপ্রতিনিধি। তাঁরা দেশের আইনও প্রণয়ন করেন। দুর্জনে বলে তাঁদের এক চতুর্থাংশ বা তারও বেশিজনের নামে ফৌজদারি মামলা আছে। খুন-ধর্ষণ-ডাকাতি ইত্যাদি ভয়ানক সব অভিযোগে তাঁরা অভিযুক্ত। কিন্তু আমরা, আম জনতা, তাঁদের ফুল্লবিকশিত মুখশোভা সংবাদপত্রে দেখতেই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি।
বিশদ

19th  August, 2017
ভারত চীন যুদ্ধ হলে চীন পরাজিত হবে
প্রশান্ত দাস

 সারা ভারতজুড়ে এখন একটাই আলোচনা ঝড় তুলেছে—ডোকালাম নিয়ে চীন ভারতকে আক্রমণ করবে কি? চীন অনবরত ভারতকে চমকে চলেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপত্র গ্যারিরস বলেছেন—কোনও দেশ যেন নিজেকে সর্বশক্তিমান না ভাবে। চীন এবং ভারত মুখোমুখি আলোচনায় বসে ব্যাপারটি মিটিয়ে নেয়।
বিশদ

19th  August, 2017
শুধুই প্রচার, রেজাল্ট কই!
সমৃদ্ধ দত্ত

 গোরখপুর থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরের জৈনপুর গ্রামের লক্ষ্মী আর শৈলেন্দ্র তিন সপ্তাহ বয়সি মেয়ের মৃতদেহ নিয়ে অনেক দেরি করে বাড়িতে ফিরতে পেরেছিল। গোরখপুরের হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মেয়ে মারা যাওয়ার পর হাসপাতালের বাবুদের কাছে বারংবার ধমক খেতে হয়েছে তাঁদের।
বিশদ

18th  August, 2017
 কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে।
বিশদ

17th  August, 2017
স্বাধীনতার ৭০ বছর, নেতাতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র?
হিমাংশু সিংহ

বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলন আমি দেখিনি। ৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের মুহূর্তে মধ্যরাতের জওহরলাল নেহরুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ চাক্ষুষ করার সুযোগও হয়নি। হওয়ার কথাও নয়, কারণ ওই ঘটনার প্রায় দু’দশক পর আমার জন্ম। সেদিনের কথা বইয়ে, ইতিহাসের পাতায় পড়েছি মাত্র।
বিশদ

15th  August, 2017
গভীর রাতের নাটক শেষে স্যালুট
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জেতা ম্যাচ কী করে হারতে হয়, এই নির্বাচন তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে। হারতে হারতে জিতে গিয়েছেন আহমেদ প্যাটেল। এই দুর্দিনে তাঁর জয় কংগ্রেসের মরা গাঙে বান হয়তো ডেকে আনবে না, তবে মনোবল সামান্য হলেও বাড়াবে। সোনিয়া গান্ধীর দলের এই দুর্দিনে এটাই বা কম কী? তবে আহমেদ প্যাটেল নন, অমিত শাহও নন, শেষ বিচারে আসল জয়ী নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এটাই। ওই গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনকেই তাই স্যালুট জানিয়েছি।
বিশদ

13th  August, 2017
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে: কিছু প্রশ্ন
শুভা দত্ত

শুধু ভারত ছাড়ো কেন? রামনবমী রাখিবন্ধন পুজোপাঠ স্বাধীনতা দিবস প্রজাতন্ত্র—সবকিছুতেই এখন এত বেশি বেশি রাজনৈতিক দখলদারি শুরু হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে উৎসবের মেজাজ ধরে রাখাই মুশকিল হচ্ছে। রাজনীতি ছাড়া যেন কিছু হতেই পারে না!
বিশদ

13th  August, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রকল্পটি চালু হয়েছিল ২০০৯ সালে। কিন্তু তার আট বছর পরও নাকি রাজ্যের শিক্ষকদের একটা বড় অংশ রাষ্ট্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা অভিযান (আরএমএসএ) নামে ওই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ব্যাপারে সেভাবে ওয়াকিবহাল নন। এমনটাই ধারণা শিক্ষা দপ্তরের। তাই এবার এই প্রকল্পের ...

 নয়াদিল্লি, ২০ আগস্ট (পিটিআই): ৭৩তম জন্মদিনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে স্মরণ করল গোটা দেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইটারে লিখলেন, ‘ জন্মদিনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তরবঙ্গের মালদহ, বালুরঘাট, রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, ইটাহার, কুশমুন্ডি, বাউল, পতিরাম, গঙ্গারামপুর সহ বিভিন্ন অঞ্চলে ভারত সেবাশ্রম সংঘ সম্প্রতি বন্যাদুর্গতদের ত্রাণের কাজ শুরু করেছে। রোজই সংঘের পক্ষ থেকে দুর্গতদের রান্না করা খাবার বিলি করা হচ্ছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইতিমধ্যেই দক্ষিণ দমদম পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্তের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। অবশেষে নড়েচড়ে বসল দক্ষিণ দমদম পুরসভা। পুরসভার যে সমস্ত ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি, সেখানে গাপ্পি মাছ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে ভাবনা-চিন্তা করে বিষয় নির্বাচন করলে ভালো হবে। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। কারও সঙ্গে মতবিরোধ ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৭৮- ভিনু মানকড়ের মৃত্যু
১৯৮৬- উসেইন বোল্টের জন্ম
১৯৯৫- সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখরের মৃত্যু
২০০৬- ওস্তাদ বিসমিল্লা খানের মৃত্যু
১৯৭২- বন সংরক্ষণ আইন চালু


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৩৫ টাকা ৬৫.০৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.২৫ টাকা ৮৪.২১ টাকা
ইউরো ৭৩.৯৬ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  August, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) 29465
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) 27955
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) 28375
রূপার বাট (প্রতি কেজি) 39100
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) 39200
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  August, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ ভাদ্র, ২১ আগস্ট, সোমবার, অমাবস্যা রাত্রি ১২/০, অশ্লেষানক্ষত্র দিবা ৩/৫১, সূ উ ৫/১৯/১৪, অ ৬/০/২৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ পুনঃ ১০/২৩-১২/৫৬ রাত্রি ৬/৪৫-৯/১ পুনঃ ১১/১৭-২/১৮, বারবেলা ৬/৫৪-৮/২৯ পুনঃ ২/৫১-৪/২৬, কালরাত্রি ১০/১৫-১১/৪০। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ (ভারতে অদৃশ্য)
৪ ভাদ্র, ২১ আগস্ট, সোমবার, অমাবস্যা রাত্রি ১২/৮/৯, অশ্লেষানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৪/৫৪/৪০, সূ উ ৫/১৬/৪৮, অ ৬/২/২৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮/৫৩, ১০/২৩/২-১২/৫৬/১০ রাত্রি ৬/৪৭/২২-৯/২/২০, ১১/১৭/১৭-২/১৭/১২, বারবেলা ২/৫১/০-৪/২৬/৪২, কালবেলা ৬/৫২/৩০-৮/২৮/১২, কালরাত্রি ১০/১৫/১৮-১১/৩৯/৩৬। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ (ভারতে অদৃশ্য)
২৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বন্যায় ৭ লক্ষ হেষ্টর চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্থ: কৃষিমন্ত্রী

 বন্যায়য় উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে ৭ লক্ষ হেক্টর চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যার মধ্যেো ৪ লক্ষ জমি উত্তরের। কৃষিতে প্রাথমিক হিসেবে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে উত্তরে ৫৩৪ কোটি ৫১ লক্ষ টাকাো জানালেন কৃষি মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু।

05:24:00 PM

 তামিলনাড়ুর উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ পনিরসেলভামের

 এআএিডিএমকে-র দুই শিবিরের সংযুক্তিকরণের পর তামিলনাড়ুর উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন পনিরসেলভাম

04:49:00 PM

বন্যার জন্য কেন্দ্রে কাছে উপযুক্ত প্যাকেজ চাইব: মমতা

কেন্দ্রের কাছে উপযুক্ত প্যাকেজের দাবি করতে চলেছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান গোটা রাজ্যে এবছর বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। কেবলমাত্র উত্তরবঙ্গেই মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের। আর গোটা রাজ্যে ১৫২জনের। রাজ্যে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ত্রাণ নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। তাই যতটা প্রয়োজন ততটাই ত্রাণ মিলবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, অনেক সড়ক থেকেই জল নামতে শুরু করেছে, তাই যে সমস্ত সড়ক থেকে জল নেমে যাবে, সেখান দিয়েই ধীরে ধীরে ট্রাক পাঠানো হবে। কারণ অনেক ট্রাক পচনশীল দ্রব্য নিয়ে আটকে রয়েছে। পাশাপাশি এই বন্যার নামে যে সমস্ত অসাধু ব্যবসায়ী দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করতে চেষ্টা করছেন তাদের বিরুদ্ধেও নজরদারি চালানো হবে বলে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জল নামলেই  বন্যা সংক্রান্ত রোগব্যাধির প্রতিষেধক এবং পানীয় জলের পথগুলিকে পরিশ্রুত করার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

04:47:00 PM

সিলেবাস কমিটির প্রস্তাবে সিলমোহর রাজ্য সরকারের, সব ক্লাসে পড়তে হবে কন্যাশ্রী স্বীকৃতি, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে কন্যাশ্রী

04:12:00 PM

বন্যায় দেড় কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত: মুখ্যমন্ত্রী

04:10:07 PM

রাজ্যে যথেষ্ট পরিমানে ত্রান সামগ্রী মজুত রয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী

04:10:06 PM