বিশেষ নিবন্ধ
 

শেষে কিনা তৃণমূলের হাত ধরতে চাইছে সিপিএম!

শুভা দত্ত: ফের একবার বোমা ফাটিয়েছেন সিপিএমের প্রবীণ নেতা গৌতম দেব। অবশ্য, বোমা তিনি এর আগেও বেশ কয়েকবার ফাটিয়েছেন। তবে, এবারের বোমাটি যাকে বলে একেবারে জবরদস্ত। বর্ধমানের আউশগ্রামের বিস্ফোরণের চেয়েও মনে হচ্ছে জোরালো। এক বোমাতেই কেঁপে উঠেছে বাংলা থেকে, দিল্লি থেকে কেরল বাম শিবির। বলছেন কী! রাজ্যে সাম্প্রদায়িক শক্তির বাড়বাড়ন্ত রোধ করতে তৃণমূলের সঙ্গে মঞ্চভাগ! গৌতম দেব কি পার্টির লাইনটাও ভুলে গিয়েছেন! জানেন না, একমাত্র রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনও ক্ষেত্রে সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামেরা তৃণমূলের সঙ্গে থাকবে না—এমনটাই সিদ্ধান্ত? আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেপি মনোনীত প্রার্থীকে হারাতে বাম কংগ্রেস তৃণমূল একজোট হয়ে লড়বে, তেমনই কথা হয়ে আছে। কিন্তু, অন্য ইস্যুতে তো নয়। তাহলে কী করে অমন প্রকাশ্যে অন্য ইস্যুতে তৃণমূলের হাত ধরার কথা বলেন তিনি! ফ্রন্টে আলোচনা না করে এমন একটা গুরুতর কথা হাটের মাঝে বলা যায়?
খুব চটেছেন শরিকবৃন্দ—আরএসপি ফরওয়ার্ড ব্লক সকলেই। এমনকী রাজ্য সিপিএমের বিভিন্ন মহলেও গৌতম দেবের ওই ‘তৃণমূল পন্থী’ মন্তব্য নিয়ে ভালোই জলঘোলা শুরু হয়েছে। হবেই তো! শেষে কিনা তৃণমূলের হাত ধরতে চাইছে সিপিএম! কেউ কেউ অবশ্য বলছেন, গৌতমবাবু না ভেবে মন্তব্য করেননি। তাঁর মন্তব্যের পিছনে রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের পরোক্ষ মদত থাকলেও আশ্চর্যের কিছু নেই। রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে দলে এবং অন্য দলে কে কোথায় কতটা কীভাবে আছেন সেটা যাচাই করতেই তৃণমূলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার প্রস্তাবটা ভাসিয়ে দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে সাম্প্রতিকে মমতার ব্যাপারে ‘নরম’ কেরল লবির অংশটিকেও একটা বার্তা হয়তো পাঠাতে চাইছেন তাঁরা। আসলে, রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএমের মাখামাখি কখনওই ভালো মনে নেয়নি কেরালা পার্টি। অথচ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোদি-বিরোধী মঞ্চকে প্রকারান্তরে সমর্থন জানিয়েছে কেরল সিপিএমের একটি অংশ! রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞদের অনেকে গৌতমবাবুর তৃণমূলতত্ত্বকে তার পালটা হিসেবেও দেখছেন। কেরল সিপিএমের মমতা প্রীতিতে সীতারাম ইয়েচুরিরা যে বিস্তর অস্বস্তিতে—তা কি বলার অপেক্ষা রাখে?
তবে, গৌতমবাবুর এমন বোমা ফাটানো মন্তব্য তো নতুন নয়। এর আগে, বিগত বিধানসভা ভোটের আগে, কংগ্রেসের সঙ্গে নির্বাচনী বোঝাপড়ার প্রশ্নেও এমনটা করেছেন তিনি। সেবারও যখন তিনি রাজ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য প্রকাশ্যে কাস্তে হাতুড়িওয়ালাদের ‘হাত’ ধরার প্রস্তাব দেন—রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। সিপিএমের অন্দরে বাহিরে তো বটেই, বাম শরিকদের মহলে মহলে গৌতমবাবুর প্রস্তাব নিয়ে রাজনীতির পারদ চড়েছিল বহুদূর। অবিশ্বাস্য, অসম্ভব, পার্টি লাইনের চরম বিরোধী ইত্যাদি—গৌতমবাবুর বাম-কং নিয়ে সন্ধি প্রস্তাব নিয়ে কত কথাই না শোনা গিয়েছিল। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘মানুষের জোট’ ‘মানুষের মহাজোট’ গড়ার আহ্বান জানিয়ে ব্যাপারটা আড়াল করার চেষ্টাও করেছিলেন অনেক। কিন্তু, কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল গৌতম দেব বাম-কং জোট গড়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়ার যে তত্ত্ব ভাসিয়ে দিয়েছিলেন সেটাই বাস্তবের মাটি পেয়েছে! দিল্লির হাইকমান্ড এবং পলিটব্যুরোর সবুজ সংকেতে রাজ্যে হাত-হাতুড়ি জোট বেঁধে নেমেছে নির্বাচনে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিপিএমের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ধরা পড়েছেন একই মালায়! তাতে অবশ্য তৃণমূলের বিশেষ অসুবিধে হয়নি ভোটে, বরং লাভই হয়েছিল। কতটা লাভ তা সকলেই জানেন—রাজ্য বিধানসভায় সংখ্যার বিচারে সিপিএম দুই থেকে নেমে তিনে এবং সেই সুবাদে রাজ্য রাজনীতিতে আরও ঝাপসা আরও ম্লান! গৌতমবাবুর বাম-কং জোটতত্ত্ব মাঠে মারা গিয়েছিল।
কিন্তু, সাম্প্রদায়িক শক্তি রুখতে গৌতম দেব এবার যে প্রস্তাব রেখেছেন তা এককথায় অভাবনীয়। কে না জানে, রাজ্য রাজনীতিতে প্রথমাবধিই সিপিএমের জাতশত্রু একটাই দল—তৃণমূল এবং সিপিএম নেতানেত্রীদের অধিকাংশের একমাত্র চক্ষুশূল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার রাজনৈতিক জীবনের শুরু তাঁকে ঠেকাতে কী না করেছে সিপিএম! মাথায় লাঠির বাড়ি থেকে চুলের মুঠি ধরে শারীরিক নিগ্রহ, অকথ্য গালিগালাজ থেকে অতি নিম্ন রুচির কুৎসা—কী নয়! কিন্তু মজাটা হল, সিপিএমের এই অত্যাচার অপমান লাঞ্ছনা-গঞ্জনা সবকিছুই জনতার অকৃপণ সমর্থনে শেষপর্যন্ত মমতার বরমাল্য হয়ে উঠেছে।
পাহাড় থেকে সাগর—বাংলায় একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম হয়েছে মমতার। আর ওইসব অকথা কুকথা সন্ত্রাসের হোতারা জনতার বুকে জমা ক্ষোভের বিস্ফোরণে রাতারাতি ক্ষমতার সিংহাসন থেকে ছিটকে পড়েছেন পথের ধুলায়! এবং তার পর থেকে ঘুরে দাঁড়ানো দূরে থাক আজ অব্দি উঠে দাঁড়ানোর ক্ষমতাটুকুও জোগাড় করে উঠতে পারেননি তাঁরা। কংগ্রেসের অবস্থাও তথৈবচ। সিপিএমের ৩৪ বছরের রাজত্বে তাঁরা রাজনৈতিকভাবে ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়েছেন। মমতার রাজত্বে কংগ্রেসের চেহারাটা আলাদা করে উল্লেখ করার আশা করি প্রয়োজন নেই।
এবং অনিবার্যভাবেই এ রাজ্যে বাম কংগ্রেসের হারানো জমিতে পদ্ম ফোটাতে তৎপর হয়েছে মোদিজির দল বিজেপি। বেশ কিছুদিন যাবৎই তাঁদের এই তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের অনেক আগে থেকেই রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বিজেপির সহযোগী আরএসএসের প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধির খবর পাওয়া যাচ্ছিল। অবশ্য, গত লোকসভা ভোটে বিজেপি এ রাজ্যে বিশেষ কিছু করে উঠতে পারেনি। শেষ বিধানসভাতেও না। কিন্তু, কিছুদিন আগে উত্তরপ্রদেশের বিধানসভায় নিরঙ্কুশ জয়ের পর যেই মাত্র বিজেপির দিল্লি নেতারা বাংলা জয়ের টার্গেট ঘোষণা করলেন অমনি যেন রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের ছবিটাই পালটে গেল! কলকাতার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির দিল্লি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয় দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ রামনবমীতে সশস্ত্র মিছিল করে নারদা-সারদা নিয়ে গরমাগরম বক্তৃতা চালিয়ে চারদিকে গেরুয়া ঢেউ তোলার একটা প্রয়াস শুরু করে দিলেন। আর তাঁদের সভাপতি অমিত শাহ রাজনৈতিক সফরে এসে উত্তরবঙ্গে জনজাতি ও দক্ষিণবঙ্গে সংখ্যালঘুর বাড়িতে দুদণ্ড কাটিয়ে সামান্য খাওয়াদাওয়া করে তাকে আরও উসকে দিয়ে গেলেন। তার উপর কাঁথি দক্ষিণে উপনির্বাচনী লড়াইতে সিপিএম কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে দল! এত কিছুর পর রাজ্যের বিজেপি নেতাকর্মীদের মধ্যে একটা বাড়তি উদ্দীপনা জাগবে এটাই কি স্বাভাবিক নয়!
বলতে কী, বিজেপির এই উদ্দীপ্ত ভূমিকায় ভূত দেখছে সিপিএম। তৃণমূলের অবশ্য বিজেপি নিয়ে বিশেষ মাথাব্যথার কারণ আছে বলে কেউই মনে করছেন না। শত হলেও পশ্চিমবাংলা তো আর ইউপি নয়।
ইউপি মানে উত্তরপ্রদেশে যেটা ঘটানো যায় তা যে বাংলার মাটিতে অসম্ভব সেটা কে না বোঝেন? সেসব নিয়ে বিস্তারিতে যাচ্ছি না। ওসব নিয়ে অনেক আগেই আলোচনা করেছি। কিন্তু, বিজেপির বাড়বাড়ন্ত এবং লড়াকু মানসিকতায় সিপিএম যে যথেষ্ট ভয় পাচ্ছে এটা পরিষ্কার। কারণ, বিজেপি যত বাড়বে সিপিএমের জায়গা তত সংকুচিত হবে। মমতাময় এই রাজ্যে সিপিএমের একেই দমবন্ধ অবস্থা, সংগঠন ভেঙে চৌচির। মানুষজনের বিশ্বাস ফিরে পেতে গত ছ-বছর ধরে আপ্রাণ চেষ্টার পরও সাফল্য নামমাত্র। কংগ্রেসের হাত ধরেও ভোট রাজনীতিতে নিজেদের স্থান ধরে রাখা যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে আগামী দিনে এই নতুন অতিসক্রিয় বিজেপির মোকাবিলা কী করে করা যাবে তা নিয়ে সংগত কারণেই সিপিএমে চিন্তা গভীর। ফ্রন্ট শরিক এবং কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়েও আগামী দিনে বিজেপি মোকাবিলায় বিশেষ ভরসা পাচ্ছে না সিপিএম। এবং রাজ্য সিপিএমের শীর্ষ নেতৃত্ব বাইরে মুখে যা-ই বলুন ভিতরে ভিতরে ভালোই জানেন, দেশের মসনদে আসীন নরেন্দ্র মোদি অমিত শাহের গেরুয়া বাহিনীকে ঠেকানো দূর অস্ত, তাঁদের রাজনৈতিক আগ্রাসন থেকে নিদেন পক্ষে পার্টিটাকে বাঁচানোও তাঁদের সম্মিলিত শক্তি সামর্থ্যে সম্ভব হবে না।
এমন অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া গতি কী? নোটকাণ্ডে গোটা দেশ দেখেছে দোর্দণ্ডপ্রতাপ দিল্লির বিরুদ্ধে মমতার আগুনে ভূমিকা। টাকাপয়সা নিয়ে রাজ্য কেন্দ্র টানাটানিতে বা যে কোনও ইস্যুতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে গোটা দেশে যে প্রধান বিরোধী মুখ মমতা—তাতেও সন্দেহ আছে কার? রাজ্যে তো কথাই নেই। বিজেপির যাবতীয় রাজনৈতিক অরাজনৈতিক আক্রমণ একা হাতে সামলে চলেছেন তিনি।
সকলেই বুঝতে পারছেন—সাম্প্রদায়িকতার বিষ থেকে রাজ্য বাঁচাতে বা বিজেপির দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক আগ্রাসন রুখতে মমতা ছাড়া গতি নেই। সেইদিক থেকে, সূর্যকান্ত মিশ্র বিমান বসুরা মুখ রক্ষার খাতিরে যা-ই বলুন, সিপিএমের প্রবীণ নেতা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব বিজেপি রুখতে মমতার শরণ নেওয়ার প্রস্তাব রেখে ভুল কিছু করেননি। তবে কী, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং বুদ্ধিকৌশলে মমতাও
তো কম যান না। তাই, এহেন শরণার্থীকে মমতা শেষ
অব্দি কতটা আশ্রয় দেন—তা নিয়ে আমদের কৌতূহল রয়েই গেল।
14th  May, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

যুদ্ধ নয়, স্থিতাবস্থা চাই ডোকালায়
প্রশান্ত দাস

 চীনের কথা উঠলেই সুবেদার মেজর হামিদ সাহেব বলতেন—বাঁদরের যত বাঁদরামি গাছের ডালে। ডাঙায় এলেই লেজ তোলে। লেজ তোলার অর্থ, লেজ তুলে পালায়। চীনের অবস্থা ওই বাঁদরের মতন। দাদাগিরি দেখাবে পাহাড়ের মাথায়। সমতলে নয়। সমতলের যুদ্ধে ভারতীয় সেনারা এখনও আনপ্যারালেলড। বিশদ

22nd  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

21st  July, 2017
দলিত, কৃষক ক্ষোভ এত বাড়ছে কেন?
সমৃদ্ধ দত্ত

 একটা বাড়ি করার পর খুব স্বাভাবিকভাবেই মনে ইচ্ছা থাকে সেই বাড়ির গেটের পাশে অথবা বোগেনভিলিয়া ঢাকা আর্চ প্যাটার্নের বারান্দার উপরের দেওয়ালে লেখা হবে একটা নাম। নিজের বাড়ির নাম।
বিশদ

21st  July, 2017
 সব বিরোধ মেটাতেই চান নরেন্দ্র মোদি, তবে মোটেই চীনের আগ্রাসন মেনে নয়
গৌরীশঙ্কর নাগ

 অমরনাথের সাম্প্রতিক হামলার যে বিভীষিকা, তার আগে থেকেই ভুটানের ডোকলা মালভূমি ও ভারতের সিকিম সীমান্তে চীনা-ড্রাগনের শ্যেনদৃষ্টিকে কেন্দ্র করে ভারত-চীন সামরিক দামামা নতুন করে দক্ষিণ এশিয়ার আবহাওয়াকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। বিশদ

20th  July, 2017
সেচ ও জলপথ দপ্তরের কাজে বামেদের কার্যত দশ গোল দিয়েছে মমতার সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

উচ্চতর সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন বলতে বোঝায় ব্যারেজ, চেক ড্যাম পদ্ধতি থেকে শুরু করে নদীপাড় ও নদীবাঁধ নির্মাণ ইত্যাদি পদ্ধতিতে অতিরিক্ত সেচের জমি চাষের আওতায় আনা। পশ্চিমবঙ্গে সেচ ও জলপথ দপ্তরের অধীনেই রাজ্যে উচ্চতর সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের সামগ্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়ে থাকে।
বিশদ

20th  July, 2017
২১ জুলাই: গণতন্ত্র ফেরানোর মস্ত সুযোগ
হারাধন চৌধুরী

 রাজ্যে গণতন্ত্র ফেরানোর প্রশ্নে তৃণমূল ও তার প্রশাসন কতটা আন্তরিক ১৩ আগস্ট‌ই হতে পারে তার প্রথম পরীক্ষা। এই ভোটপর্বটিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। ওইদিন যে রেকর্ড সৃষ্টি হবে সেটাই কিন্তু বাজবে রাজ্যজুড়ে পরবর্তী পঞ্চায়েত ভোটে। এই অনুমান অসংগত নয় যে, গত সাত বছরে বিভিন্ন দফায় নানা কৌশলে বাংলায় কংগ্রেস, কমিউনিস্ট প্রভৃতিকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলার কারণেই বিজেপি ও তাদের দোসরদের অভাবনীয় উত্থান ঘটেছে। এখন সেই ম্যাও সামলানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এবার সম্মানের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চ হয়ে উঠুক একুশে জুলাই। এ স্বার্থ শুধু তৃণমূলের নয়—সব দলের, সার্বিকভাবে সারা বাংলার ও গণতন্ত্রের।
বিশদ

18th  July, 2017
মোদির দৃঢ় সংকল্পের অঙ্গীকার জিএসটি
অনিল বালুনি

  ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে আমরা পেয়েছিলাম এক অপরিমেয় উদ্যম। মধ্যরাতের সেই ঐতিহাসিক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, জিএসটি চালু করা ছাড়া অন্য কোনও পথ ছিল না।
বিশদ

18th  July, 2017



একনজরে
 সংবাদদাতা, ঘাটাল: দুই দেশের খেলা দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ল দাসপুর-১ ব্লকের কলোড়াতে। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ফুটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কলোড়া স্কুল ফুটবল মাঠে ভারতের জাতীয় ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ পুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে গত ৯ জুলাই আদিবাসী নাবালিকাদের ধর্ষণ এবং ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ জুলাই শহরে আদিবাসীদের তাণ্ডবের পর শনিবার রায়গঞ্জে এসে বৈঠক করলেন আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী জেমস কুজুর। এদিন কর্ণজোড়ায় সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়েছে। ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই: জাতীয় গড়ের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার বেশি। সম্প্রতি লোকসভায় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয়’র পেশ করা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী এও উল্লেখ করেছেন যে, ২০১২-১৩ আর্থিক বছরের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২১ জুলাই শহিদ দিবসের সমাবেশে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মন্তব্য নিয়ে ওঠা বিতর্কের ঝড় রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে এবার জাতীয় স্তরে উঠে এল। নরেন্দ্র মোদির ব্যর্থতা তথা বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির অপশাসন নিয়ে শুক্রবার ধর্মতলার ঐতিহাসিক সমাবেশমঞ্চ থেকে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM

ভারত ৩১/১ (৮ ওভারে)

07:26:26 PM