বিশেষ নিবন্ধ
 

শেষে কিনা তৃণমূলের হাত ধরতে চাইছে সিপিএম!

শুভা দত্ত: ফের একবার বোমা ফাটিয়েছেন সিপিএমের প্রবীণ নেতা গৌতম দেব। অবশ্য, বোমা তিনি এর আগেও বেশ কয়েকবার ফাটিয়েছেন। তবে, এবারের বোমাটি যাকে বলে একেবারে জবরদস্ত। বর্ধমানের আউশগ্রামের বিস্ফোরণের চেয়েও মনে হচ্ছে জোরালো। এক বোমাতেই কেঁপে উঠেছে বাংলা থেকে, দিল্লি থেকে কেরল বাম শিবির। বলছেন কী! রাজ্যে সাম্প্রদায়িক শক্তির বাড়বাড়ন্ত রোধ করতে তৃণমূলের সঙ্গে মঞ্চভাগ! গৌতম দেব কি পার্টির লাইনটাও ভুলে গিয়েছেন! জানেন না, একমাত্র রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনও ক্ষেত্রে সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামেরা তৃণমূলের সঙ্গে থাকবে না—এমনটাই সিদ্ধান্ত? আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেপি মনোনীত প্রার্থীকে হারাতে বাম কংগ্রেস তৃণমূল একজোট হয়ে লড়বে, তেমনই কথা হয়ে আছে। কিন্তু, অন্য ইস্যুতে তো নয়। তাহলে কী করে অমন প্রকাশ্যে অন্য ইস্যুতে তৃণমূলের হাত ধরার কথা বলেন তিনি! ফ্রন্টে আলোচনা না করে এমন একটা গুরুতর কথা হাটের মাঝে বলা যায়?
খুব চটেছেন শরিকবৃন্দ—আরএসপি ফরওয়ার্ড ব্লক সকলেই। এমনকী রাজ্য সিপিএমের বিভিন্ন মহলেও গৌতম দেবের ওই ‘তৃণমূল পন্থী’ মন্তব্য নিয়ে ভালোই জলঘোলা শুরু হয়েছে। হবেই তো! শেষে কিনা তৃণমূলের হাত ধরতে চাইছে সিপিএম! কেউ কেউ অবশ্য বলছেন, গৌতমবাবু না ভেবে মন্তব্য করেননি। তাঁর মন্তব্যের পিছনে রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের পরোক্ষ মদত থাকলেও আশ্চর্যের কিছু নেই। রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে দলে এবং অন্য দলে কে কোথায় কতটা কীভাবে আছেন সেটা যাচাই করতেই তৃণমূলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার প্রস্তাবটা ভাসিয়ে দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে সাম্প্রতিকে মমতার ব্যাপারে ‘নরম’ কেরল লবির অংশটিকেও একটা বার্তা হয়তো পাঠাতে চাইছেন তাঁরা। আসলে, রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএমের মাখামাখি কখনওই ভালো মনে নেয়নি কেরালা পার্টি। অথচ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোদি-বিরোধী মঞ্চকে প্রকারান্তরে সমর্থন জানিয়েছে কেরল সিপিএমের একটি অংশ! রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞদের অনেকে গৌতমবাবুর তৃণমূলতত্ত্বকে তার পালটা হিসেবেও দেখছেন। কেরল সিপিএমের মমতা প্রীতিতে সীতারাম ইয়েচুরিরা যে বিস্তর অস্বস্তিতে—তা কি বলার অপেক্ষা রাখে?
তবে, গৌতমবাবুর এমন বোমা ফাটানো মন্তব্য তো নতুন নয়। এর আগে, বিগত বিধানসভা ভোটের আগে, কংগ্রেসের সঙ্গে নির্বাচনী বোঝাপড়ার প্রশ্নেও এমনটা করেছেন তিনি। সেবারও যখন তিনি রাজ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য প্রকাশ্যে কাস্তে হাতুড়িওয়ালাদের ‘হাত’ ধরার প্রস্তাব দেন—রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। সিপিএমের অন্দরে বাহিরে তো বটেই, বাম শরিকদের মহলে মহলে গৌতমবাবুর প্রস্তাব নিয়ে রাজনীতির পারদ চড়েছিল বহুদূর। অবিশ্বাস্য, অসম্ভব, পার্টি লাইনের চরম বিরোধী ইত্যাদি—গৌতমবাবুর বাম-কং নিয়ে সন্ধি প্রস্তাব নিয়ে কত কথাই না শোনা গিয়েছিল। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘মানুষের জোট’ ‘মানুষের মহাজোট’ গড়ার আহ্বান জানিয়ে ব্যাপারটা আড়াল করার চেষ্টাও করেছিলেন অনেক। কিন্তু, কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল গৌতম দেব বাম-কং জোট গড়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়ার যে তত্ত্ব ভাসিয়ে দিয়েছিলেন সেটাই বাস্তবের মাটি পেয়েছে! দিল্লির হাইকমান্ড এবং পলিটব্যুরোর সবুজ সংকেতে রাজ্যে হাত-হাতুড়ি জোট বেঁধে নেমেছে নির্বাচনে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিপিএমের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ধরা পড়েছেন একই মালায়! তাতে অবশ্য তৃণমূলের বিশেষ অসুবিধে হয়নি ভোটে, বরং লাভই হয়েছিল। কতটা লাভ তা সকলেই জানেন—রাজ্য বিধানসভায় সংখ্যার বিচারে সিপিএম দুই থেকে নেমে তিনে এবং সেই সুবাদে রাজ্য রাজনীতিতে আরও ঝাপসা আরও ম্লান! গৌতমবাবুর বাম-কং জোটতত্ত্ব মাঠে মারা গিয়েছিল।
কিন্তু, সাম্প্রদায়িক শক্তি রুখতে গৌতম দেব এবার যে প্রস্তাব রেখেছেন তা এককথায় অভাবনীয়। কে না জানে, রাজ্য রাজনীতিতে প্রথমাবধিই সিপিএমের জাতশত্রু একটাই দল—তৃণমূল এবং সিপিএম নেতানেত্রীদের অধিকাংশের একমাত্র চক্ষুশূল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার রাজনৈতিক জীবনের শুরু তাঁকে ঠেকাতে কী না করেছে সিপিএম! মাথায় লাঠির বাড়ি থেকে চুলের মুঠি ধরে শারীরিক নিগ্রহ, অকথ্য গালিগালাজ থেকে অতি নিম্ন রুচির কুৎসা—কী নয়! কিন্তু মজাটা হল, সিপিএমের এই অত্যাচার অপমান লাঞ্ছনা-গঞ্জনা সবকিছুই জনতার অকৃপণ সমর্থনে শেষপর্যন্ত মমতার বরমাল্য হয়ে উঠেছে।
পাহাড় থেকে সাগর—বাংলায় একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম হয়েছে মমতার। আর ওইসব অকথা কুকথা সন্ত্রাসের হোতারা জনতার বুকে জমা ক্ষোভের বিস্ফোরণে রাতারাতি ক্ষমতার সিংহাসন থেকে ছিটকে পড়েছেন পথের ধুলায়! এবং তার পর থেকে ঘুরে দাঁড়ানো দূরে থাক আজ অব্দি উঠে দাঁড়ানোর ক্ষমতাটুকুও জোগাড় করে উঠতে পারেননি তাঁরা। কংগ্রেসের অবস্থাও তথৈবচ। সিপিএমের ৩৪ বছরের রাজত্বে তাঁরা রাজনৈতিকভাবে ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়েছেন। মমতার রাজত্বে কংগ্রেসের চেহারাটা আলাদা করে উল্লেখ করার আশা করি প্রয়োজন নেই।
এবং অনিবার্যভাবেই এ রাজ্যে বাম কংগ্রেসের হারানো জমিতে পদ্ম ফোটাতে তৎপর হয়েছে মোদিজির দল বিজেপি। বেশ কিছুদিন যাবৎই তাঁদের এই তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের অনেক আগে থেকেই রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বিজেপির সহযোগী আরএসএসের প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধির খবর পাওয়া যাচ্ছিল। অবশ্য, গত লোকসভা ভোটে বিজেপি এ রাজ্যে বিশেষ কিছু করে উঠতে পারেনি। শেষ বিধানসভাতেও না। কিন্তু, কিছুদিন আগে উত্তরপ্রদেশের বিধানসভায় নিরঙ্কুশ জয়ের পর যেই মাত্র বিজেপির দিল্লি নেতারা বাংলা জয়ের টার্গেট ঘোষণা করলেন অমনি যেন রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের ছবিটাই পালটে গেল! কলকাতার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির দিল্লি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয় দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ রামনবমীতে সশস্ত্র মিছিল করে নারদা-সারদা নিয়ে গরমাগরম বক্তৃতা চালিয়ে চারদিকে গেরুয়া ঢেউ তোলার একটা প্রয়াস শুরু করে দিলেন। আর তাঁদের সভাপতি অমিত শাহ রাজনৈতিক সফরে এসে উত্তরবঙ্গে জনজাতি ও দক্ষিণবঙ্গে সংখ্যালঘুর বাড়িতে দুদণ্ড কাটিয়ে সামান্য খাওয়াদাওয়া করে তাকে আরও উসকে দিয়ে গেলেন। তার উপর কাঁথি দক্ষিণে উপনির্বাচনী লড়াইতে সিপিএম কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে দল! এত কিছুর পর রাজ্যের বিজেপি নেতাকর্মীদের মধ্যে একটা বাড়তি উদ্দীপনা জাগবে এটাই কি স্বাভাবিক নয়!
বলতে কী, বিজেপির এই উদ্দীপ্ত ভূমিকায় ভূত দেখছে সিপিএম। তৃণমূলের অবশ্য বিজেপি নিয়ে বিশেষ মাথাব্যথার কারণ আছে বলে কেউই মনে করছেন না। শত হলেও পশ্চিমবাংলা তো আর ইউপি নয়।
ইউপি মানে উত্তরপ্রদেশে যেটা ঘটানো যায় তা যে বাংলার মাটিতে অসম্ভব সেটা কে না বোঝেন? সেসব নিয়ে বিস্তারিতে যাচ্ছি না। ওসব নিয়ে অনেক আগেই আলোচনা করেছি। কিন্তু, বিজেপির বাড়বাড়ন্ত এবং লড়াকু মানসিকতায় সিপিএম যে যথেষ্ট ভয় পাচ্ছে এটা পরিষ্কার। কারণ, বিজেপি যত বাড়বে সিপিএমের জায়গা তত সংকুচিত হবে। মমতাময় এই রাজ্যে সিপিএমের একেই দমবন্ধ অবস্থা, সংগঠন ভেঙে চৌচির। মানুষজনের বিশ্বাস ফিরে পেতে গত ছ-বছর ধরে আপ্রাণ চেষ্টার পরও সাফল্য নামমাত্র। কংগ্রেসের হাত ধরেও ভোট রাজনীতিতে নিজেদের স্থান ধরে রাখা যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে আগামী দিনে এই নতুন অতিসক্রিয় বিজেপির মোকাবিলা কী করে করা যাবে তা নিয়ে সংগত কারণেই সিপিএমে চিন্তা গভীর। ফ্রন্ট শরিক এবং কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়েও আগামী দিনে বিজেপি মোকাবিলায় বিশেষ ভরসা পাচ্ছে না সিপিএম। এবং রাজ্য সিপিএমের শীর্ষ নেতৃত্ব বাইরে মুখে যা-ই বলুন ভিতরে ভিতরে ভালোই জানেন, দেশের মসনদে আসীন নরেন্দ্র মোদি অমিত শাহের গেরুয়া বাহিনীকে ঠেকানো দূর অস্ত, তাঁদের রাজনৈতিক আগ্রাসন থেকে নিদেন পক্ষে পার্টিটাকে বাঁচানোও তাঁদের সম্মিলিত শক্তি সামর্থ্যে সম্ভব হবে না।
এমন অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া গতি কী? নোটকাণ্ডে গোটা দেশ দেখেছে দোর্দণ্ডপ্রতাপ দিল্লির বিরুদ্ধে মমতার আগুনে ভূমিকা। টাকাপয়সা নিয়ে রাজ্য কেন্দ্র টানাটানিতে বা যে কোনও ইস্যুতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে গোটা দেশে যে প্রধান বিরোধী মুখ মমতা—তাতেও সন্দেহ আছে কার? রাজ্যে তো কথাই নেই। বিজেপির যাবতীয় রাজনৈতিক অরাজনৈতিক আক্রমণ একা হাতে সামলে চলেছেন তিনি।
সকলেই বুঝতে পারছেন—সাম্প্রদায়িকতার বিষ থেকে রাজ্য বাঁচাতে বা বিজেপির দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক আগ্রাসন রুখতে মমতা ছাড়া গতি নেই। সেইদিক থেকে, সূর্যকান্ত মিশ্র বিমান বসুরা মুখ রক্ষার খাতিরে যা-ই বলুন, সিপিএমের প্রবীণ নেতা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব বিজেপি রুখতে মমতার শরণ নেওয়ার প্রস্তাব রেখে ভুল কিছু করেননি। তবে কী, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং বুদ্ধিকৌশলে মমতাও
তো কম যান না। তাই, এহেন শরণার্থীকে মমতা শেষ
অব্দি কতটা আশ্রয় দেন—তা নিয়ে আমদের কৌতূহল রয়েই গেল।
14th  May, 2017
বিশ্বচরাচরের আনন্দ
অমর মিত্র

 সারা বছর কায়ক্লেশে বেঁচে থাকি, উৎসব নিয়ে আসে তা থেকে মুক্তি। বাঙালির জীবনে বারো মাসে তেরো পার্বণ। এর ভিতরেই বড় উৎসব হিন্দুর দুর্গোৎসব আর মুসলমানের ইদুল ফিতর, খুশির ইদ, আর খ্রিস্টানের বড় দিন। তিন মহা উৎসব বাদ দিয়ে ধর্মীয় এবং লোকপুরাণের সঙ্গে যুক্ত আরো কত যে উৎসব, টুসু, ভাদু, নবান্ন, থেকে নানা ব্রত শবে বরাত, পীর ফকিরের উরস—সব। সমস্ত উৎসবই আনন্দের, সমস্ত উৎসবই আত্মীয় বান্ধব, অবান্ধবে মিলনের।
বিশদ

কোনও বিঘ্নই বাঙালির পুজোর আনন্দ পণ্ড করতে পারবে না
শুভা দত্ত

পুজো এসে গেল। মহাপূজা। ঝড়বৃষ্টি, বানবন্যার ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে শেষপর্যন্ত আমাদের সংবৎসরের আনন্দের দিনগুলো এসে পড়ল দোরগোড়ায়। গত মঙ্গলবার মহালয়ায় দেবীপক্ষের সূচনা হতেই মহামায়া বন্দনার শেষমুহূর্তের তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছিল আসমুদ্রহিমাচল বাংলায়। বিশদ

24th  September, 2017
ডায়নেস্টি চালচিত্র ও মাছরাঙা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

রাহুল গান্ধী খুব সত্যি দুটো কথা বলেছেন। কিছুদিন ধরে উনি প্রবাসী। আমেরিকায় রয়েছেন। বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলছেন। ভাব বিনিময় করছেন। সেলফি তুলছেন। এইসব অনুষ্ঠানে প্রায় প্রতিদিনই তিনি ওই কথা দুটি বলেছেন। এ নিয়ে ভারতের রাজনীতিও বেশ সরগরম।
বিশদ

24th  September, 2017
আমেরিকায় শারদোৎসব
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 প্রবাসে দীর্ঘকাল এক সমান্তরাল জীবনযাপনে অভ্যস্ত বাঙালির দুর্গাপুজোর ছুটি বলে কিছু নেই। দেশে যখন পুজোর ছুটি, এখানে তখন গ্রীষ্ম অবকাশের শেষে স্কুল, কলেজ ইউনিভার্সিটি খুলে গিয়েছে। তবু পুজোর সময় আসে কাছে। মহালয়ার পরে দেবীপক্ষে নির্ধারিত দিনে পুজো হয় রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ, আদ্যাপীঠ আর আমেরিকার কয়েকটি শহরে বাঙালি প্রতিষ্ঠিত মন্দিরে।
বিশদ

23rd  September, 2017
রীতিনীতি-আচরণে দুর্গাপূজার সেকাল ও একাল
গৌরী দে

 পুরাণ-উপপুরাণ অনুসারে শরৎকালে রামচন্দ্র রাবণ বধের আশায় যে পূজা করেছিলেন সেটাই অকাল বোধন। দক্ষিণায়নে দেবতারা ঘুমিয়ে থাকেন। শরৎকালে শ্রাবণ থেকে পৌষ পর্যন্ত এই কাল। তাই দেবীকে জাগ্রত করতে রামচন্দ্রকে অকাল বোধন করতে হয়। জয়লাভের জন্য তিনি দেবী দুর্গার শরণাপন্ন হন।
বিশদ

23rd  September, 2017
ছেলেবেলার দুর্গাপূজা—কিছু স্মৃতি কিছু বেদনা
ভগীরথ মিশ্র

 ছেলেবেলায় আমাদের গাঁয়ে কোনও বারোয়ারি দুর্গাপুজো হ’ত না। গোটা এলাকা জুড়ে কেবল আমাদের গাঁয়ের জমিদারবাড়িতেই হ’ত পারিবারিক দুর্গাপুজো। সত্যি কথা বলতে কী, দুর্গাপূজাটা গাঁয়ের অধিকাংশ মানুষের কাছেই কোনও সুখকর অভিজ্ঞতা ছিল না।
বিশদ

22nd  September, 2017
বদলে যাচ্ছি আমরা?
সমৃদ্ধ দত্ত

 থিমের পুজো করলেই তো পুরস্কার পাওয়া যায়। স্পনসর পাওয়া যায়। মিডিয়ায় ছবি বেরোয়। কিন্তু কই! তা তো সকলে করে না? কেন করে না? তাহলে সেই লোকগুলোর কী হবে? যাঁরা থিমের পুজো দেখতে মোটেই আগ্রহী নয়।
বিশদ

22nd  September, 2017
অভিযুক্তের গায়ে নারীঘটিত অপবাদের কাদা না ছেটালে কি শাস্তি অসম্পূর্ণ থাকত!
মেরুনীল দাশগুপ্ত

সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়, ব্রতীন সেনগুপ্ত, লক্ষ্মণ শেঠ, রেজ্জাক মোল্লা, সইফুদ্দিন চৌধুরির মতো অনেক তাবড় নেতাকেই নানা সময় দল ছাড়তে হয়েছে। বহিষ্কারের অপমান বইতে হয়েছে। কিন্তু, কারও গায়ে এত কালি লাগাবার দরকার কি পড়েছিল? পড়েনি। বাদবাকি সকলের ক্ষেত্রেই শাস্তির ব্যাপারটা দলীয় নীতি-নৈতিকতার দ্বান্দ্বিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ ছিল।
বিশদ

21st  September, 2017
একনজরে
 বিএনএ, বারাকপুর: দলের এক সময়ের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মুকুল রায় সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে কার্যত তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছেন। স্বাভাবিকভাবে তাঁর পুত্র বীজপুরের তৃণমূল বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়ের ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে দলের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ...

 চেন্নাই, ২৫ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): জয়ললিতার মৃত্যুর কারণ নিয়ে শশীকলা শিবিরের উপর চাপ আরও বাড়াতে সোমবার তদন্ত কমিশন গঠন করল তামিলনাড়ু সরকার। তদন্তে কমিশনের নেতৃত্ব দেবেন হাইকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। ...

অভিজিৎ সরকার  শিলিগুড়ি, ২৫ সেপ্টেম্বর: রবিবার লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরই রাতে টিম হোটেলে কেক কেটে সেলিব্রেশন করেছেন ইস্ট বেঙ্গল ফুটবলাররা। মঙ্গলবার সকালে ক্লাব তাঁবুতে ...

বার্লিন, ২৫ সেপ্টেম্বর: বুথ ফেরত সমীক্ষায় পাওয়া আভাসই শেষমেশ সত্য হল। চতুর্থবার জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হলেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেলই। ৩২.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে মার্কেলের দল। আর ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুপ্ত শত্রুতা বৃদ্ধি। কর্মে উন্নতি। ব্যবসায় অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় সাফল্য। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো যাবে।প্রতিকার: বট ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২০: মনীষী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম
১৯২৩: অভিনেতা দেব আনন্দের জন্ম
১৯৩২: ভারতের চতুর্দশ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের জন্ম
১৯৭৭: নৃত্যশিল্পী উদয়শংকরের মৃত্যু
১৯৮৯: সঙ্গীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০১ টাকা ৬৫.৬৯ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৫ টাকা ৮৯.১৭ টাকা
ইউরো ৭৬.০১ টাকা ৭৮.৬৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,২৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,১৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, নক্ষত্র-অনুরাধা দং ৩/৫১ দিবা ঘ ৭/৩, সূ উ ৫/৩০/২, অ ৫/২৬/১২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/১৭ মধ্যে পুনঃ ৭/৫ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৪৯ গতে ৮/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১১/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/২৯ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৪/৪১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/২৮ মধ্যে।
৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, অনুরাধানক্ষত্র ৭/৯/৪, সূ উ ৫/২৮/৩৬, অ ৫/২৭/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬/৩০, ৭/৪/২৫-১১/৩/৫৭, রাত্রি ৭/৫১/৩০-৮/৩৯/৩৫, ৯/২৭/৪১-১১/৫১/৫৭, ১/২৮/৮-৩/৪/১৯, ৪/৪০/৩০-৫/২৮/৫৬, বারবেলা ৬/৫৭/২৬-৮/২৮/১৫, কালবেলা ১২/৫৭/৪৪-২/২৭/৩৪, কালরাত্রি ৬/৫৭/২৩-৮/২৭/৩৪।
 ৫ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভিড়ের জেরে আজও বাড়ানো হল রাতের শেষ মেট্রোর সময় 
ষষ্ঠীর রাতে কলকাতা শহরে জনজোয়ারের জেরে এদিনও রাতের ...বিশদ

09:42:56 PM

সল্টলেকের ইসি ব্লকের কাছে অটো উলটে চালক-সহ জখম ৪

02:37:00 PM

বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা, একই লাইনে চলে এল ৩টি ট্রেন
বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা। এলাহাবাদের কাছে ...বিশদ

01:44:46 PM

গাজিয়াবাদে ব্যবসায়ীকে খুন, মৃতের নাম রাজেন্দ্র আগরওয়াল (৭৫)

01:24:00 PM

আজ দিল্লি আদালতে দুপুর ২টো নাগাদ হানিপ্রীতের আগাম জামিনের শুনানি

01:19:00 PM

দার্জিলিংয়ে খুলল অধিকাংশ দোকানপাট

01:08:00 PM

ঝাড়গ্রামে ২টি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি
সোমবার রাতে ঝাড়গ্রাম শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বামদা এলাকায় চুরির ...বিশদ

01:01:00 PM