বিশেষ নিবন্ধ
 

আইনের মারপ্যাঁচ ও গরিবের কপাল

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: করবী ঘোষের কথাটা ঘুরেফিরে মনে পড়ছে। এবং কী আশ্চর্য, ঠিক একই সময় প্রায় একই রকম কথা শোনা গেল বিলকিস ইয়াকুব রসুলের কণ্ঠেও।
কলকাতায় করবী যে-কথাটা বললেন, একই কথা একই দিনে প্রতিধ্বনিত হল প্রায় দু’হাজার কিলোমিটার দূরে গুজরাতের দাহোদে। বিলকিস ইয়াকুব রসুলের সাকিন ওটাই।
কে করবী ঘোষ, কে-ই বা বিলকিস ইয়াকুব রসুল, হলফ করে বলতে পারি, খুব কম মানুষই তা বলতে পারবেন। খবরের কাগজে যাঁরা কাজ করেন অথবা নিত্য একাধিক কাগজ খুঁটিয়ে পড়েন, তাঁদের কেউ কেউ এই দুই নারীর পরিচয় দিলেও দিতে পারেন। কিন্তু বাকিরা ডাহা ফেল করে ঠোঁট ওলটাবেন।
এই বাকিদের জন্য বলি, করবী ঘোষের ছেলে অর্ণব, যিনি ‘দোহার’-এর প্রাণ কালিকাপ্রসাদের গাড়ির চালক ছিলেন, হয়তো যাঁর মুহূর্তের অসাবধানতায় দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে থেকে গাড়িটা নয়ানজুলিতে পড়ে যায়, যে-দুর্ঘটনায় কালিকাপ্রসাদের মৃত্যু হয়।
আর বিলকিস ইয়াকুব রসুল? গুজরাতের দাহোদ জেলার এক গ্রামের বিবাহিতা নারী। পনেরো বছর আগে ২০০২ সালে যখন গোধরা-কাণ্ড হয়, তখন তাঁর বয়স ছিল ১৯। উন্মত্ত হিন্দুরা যখন খুঁজে খুঁজে মুসলমানদের হত্যা করছে, নারীদের ধর্ষণ করছে, সেই সময় পুরো পরিবার সহ বিলকিসেরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছিলেন। যে-ট্রাকে চেপে তাঁরা পালাচ্ছিলেন, হিন্দুরা তা ধরে ফেলে। পরিবারের ১৪ জন সেদিন খুন হন। বিলকিস গণধর্ষিতা।
ধর্ষণের আগে বিলকিসের তিন বছরের কন্যাকে তাঁর চোখের সামনেই আছড়ে মেরে ফেলেছিল ধর্ষকেরা। বিলকিস
তখন পাঁচ মাসের গর্ভবতী। গণধর্ষণে অচৈতন্য বিলকিসকে দেখে ওরা
মৃত ভেবেছিল। ফলে তাঁর প্রাণে বাঁচা।
দিল্লিতে জ্যোতি নামের যে-মেয়েটি চলন্ত
বাসে ধর্ষিতা হন, যাঁকে বাস থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, পরে যিনি মারা যান, পরিচয় গোপন
করতে যাঁর নাম দেওয়া হয়েছিল ‘নির্ভয়া’,
তাঁর ধর্ষকদের ফাঁসির সাজা সুপ্রিম কোর্ট
বহাল রেখেছে। কেন? আদালতের মতে ওই
ঘটনা ছিল ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’। এই রায়ের
ঠিক আগের দিন বিলকিস ইয়াকুব রসুল, পনেরো বছর ধরে ধর্ষক ও পুলিশদের বিরুদ্ধে লড়াই
করে
যিনি গোটা দেশে ‘বিলকিস বানো’ নামে পরিচিত, তাঁর ধর্ষকদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ শোনায় বম্বে হাইকোর্ট। কেন তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল না? কারণ, বিচারপতিরা মনে করেছেন, গোধরায় ট্রেনের কামরায় আগুন দেওয়ার প্রতিবাদে অপরাধীরা প্রতিশোধস্পৃহায় উন্মত্ত হয়েছিল। ওটা ছিল এক ঘটনার প্রতিক্রিয়া, যা কিনা উত্তেজনার বশে করা।
করবী ও বিলকিস, দুই হতভাগ্য আজ বলতেই পারেন, আইন দু’ধরনের। একটা আইন দেশের বড়লোক ও ক্ষমতাধরদের জন্য, অন্যটা তাঁদের
মতো হতভাগ্যদের জন্য।
বিলকিস প্রায় বলেও ফেলেছিলেন তা। জ্যোতির ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় বেরনোর পরের দিন। বিস্মিত বিলকিসের প্রশ্ন ছিল, জ্যোতির অপরাধীদের ফাঁসি হল অথচ তাঁর অপরাধীদের যাবজ্জীবন? বলেছিলেন, ‘আশা করি সুপ্রিম কোর্টে ন্যায়বিচার পাব।’
বিচার পেতে বিলকিস বানোকে যাঁরা সাহায্য করেছিলেন, সেই মানবাধিকার কর্মীরা তাঁকে দিল্লি নিয়ে আসেন। দিল্লি প্রেস ক্লাবে তাঁদের ঘেরাটোপে থাকা বিলকিস বানো ফাঁসির দাবি জানাতে পারেননি। শুধু বলেছিলেন, ‘আমি ন্যায়বিচার চাই।’
বিচারের সঙ্গে ‘ন্যায়’ শব্দটি সব সময় যে
মানানসই নয়, করবী ঘোষ এই মুহূর্তে তা হাড়ে
হাড়ে টের পাচ্ছেন। টের পাইয়েছে আরও
একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।
কালিকাপ্রসাদের গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়েছিল হাইওয়েতে, তরুণ অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি দুর্ঘটনা হয় খোদ কলকাতায়। গভীর রাতে। বিক্রম সামান্য আহত হলেও তাঁর সঙ্গী সোনিকা মারা যান। গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে ছিলেন বিক্রমই। পুলিশ তাঁকে সঙ্গে সঙ্গেই জামিন দেয়। কালিকাপ্রসাদের গাড়ি চালাচ্ছিলেন করবীর ছেলে অর্ণব। তিনি এখনও জামিন পাননি!
একই ধরনের দুটি দুর্ঘটনা। একজন চালক পরিচিত এবং নিশ্চিতই প্রভাবশালী। অন্যজন ‘ম্যাঙ্গো পিপল’, মানে আম জনতা। একজন ধনী, অন্য জন গরিব। আইন অথচ একটাই।
করবীর কথায় ফিরে আসি। সংবাদপত্রে তাঁর খেদ, ‘আমার ছেলে গরিবের ঘরে জন্মেছে। এটাই কি ওর অপরাধ? তাই আজও ওকে জেলের ভেতরে দাগি অপরাধীদের সঙ্গে কাটাতে হচ্ছে। আর যারা সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মেছে, তারা একই ধরনের অপরাধ করে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটা কেমন আইন? আমরা গরিব বলে আমাদের জন্য ৩০৪ নম্বর ধারা। আর বড়লোকদের জন্য ৩০৪-এ!’
করবীর কথা সারাদিন ধরে ভাবাল। সত্যিই তো! অপরাধের চরিত্র এক। তবে কেন দু’ধরনের শাস্তি? অর্ণব নেশা করেছিলেন, এমন অভিযোগ কেউ করেনি। বিক্রম কিন্তু সে রাতে নেশা করেছিলেন। কতটা নেশা, কতটা বেহুঁশ তিনি হয়ে পড়েছিলেন তা তদন্ত সাপেক্ষ। কিন্তু দুটি দুর্ঘটনাই তো একটি একটি দুটি অমূল্য প্রাণ কেড়ে নিয়েছে? তবে কেন আইনের রক্ষকদের এহেন ভিন্ন আচরণ?
করবীর ক্ষোভ কমার নয়। কেনই বা কমবে? অর্ণবের রোজগারে সংসার চলে। নিম্নবিত্ত পরিবারে সব সময়েই যা হয়, নুন আনতে পান্তা ফুরনোর হাল, করবীর পরিবারও তা থেকে মুক্ত নয়। আচমকা বিপর্যয়ে এইসব পরিবারের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। করবীর মাথাতেও ভেঙে পড়েছে আকাশ। হাঁড়ি না-চড়ার হাল যাঁর, তাঁকে এখন উকিলের ফি জোগাড় করতে হচ্ছে। কলকাতা থেকে ছুটতে হচ্ছে হুগলির কারাগারে, যেখানে অর্ণব আরও অনেক দাগি অপরাধীর সঙ্গে দিন কাটাচ্ছে। ছেলের জামিনের চিন্তা তাঁর দিনরাত এক করে দিয়েছে।
এই আমরা গণতন্ত্রের বড়াই করি। এই আমরা বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাবনত থাকি। এই সেদিন অর্ণবের জামিন ফের অগ্রাহ্য হল। তারা এখন হাইকোর্টের দ্বারস্থ। বিক্রমকে অথচ কিছুই করতে হল না! এক দেশ, এক রাজ্য, এক আইন, এক পুলিশ, এক আদালত, অথচ কী বিপুল ফারাক!
মানবাধিকার আন্দোলনের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁরা জোরের সঙ্গে বলেন, এ দেশে আইন সবার জন্য সমান নয়। খুব একটা ভুল কি বলেন তাঁরা? হয়তো নয়। রাজনীতির মানুষজন আকছার বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। সেই পথটা যে বেজায় ঘোরালো, সে কথা তাঁরা বলেন না। আইনের ব্যাখ্যা একেকজনের কাছে যে একেকরকম, তা-ও তো বিস্ময় জাগায়! না হলে জ্যোতির ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ড হয়, আর বিলকিস বানোর ধর্ষকদের যাবজ্জীবন? দিল্লির বুকে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে মিডিয়া তোলপাড় তুলেছিল বলে মাত্র সাড়ে চার বছরের মধ্যে জ্যোতির হতভাগ্য মা-বাবা সুবিচার পান, আর সুদূর গুজরাতের অজ্ঞাতকুলশীল বিলকিস বানোদের বিচার পেতে অপেক্ষায় থাকতে হয় দীর্ঘ পনেরোটা বছর? বিক্রমকে একটা দিনের জন্যও হাজতবাস করতে হল না, অথচ অর্ণব পচে মরছেন কারাগারে।
হতভাগ্য করবীর কথা যত ভাবছি ততই মনে পড়ে যাচ্ছে আইন, আইনের মারপ্যাঁচ, তার ফাঁক ফোকর, তার ব্যাখ্যা, আইনের রক্ষকদের প্রভাবশালী তত্ত্ব ও তার প্রয়োগের কথা। মনে পড়ছে মানবাধিকার কর্মীদের বহু উচ্চারিত সেই অমোঘ বাক্য, এ দেশে শুধু ধনঞ্জয়দেরই ফাঁসি হয়। এ দেশে প্রভাব ও প্রতিপত্তিশালী এমন কারও ফাঁসি হয়েছে আমি অন্তত মনে করতে পারছি না। হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে বছরের পর বছর জেলের ঘানি টানছেন, এমন কোনও বাঘা শিল্পপতির নামও মনে করতে পারলাম না। অথচ এ দেশে নাকি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত! এ দেশে আইন নাকি তার নিজের পথে নিজস্ব ধারায় বয়ে যায়!
বিলকিস বানো, করবী ঘোষ বা অর্ণবদের জন্য সহানুভূতি ছাড়া কীই বা দেখাতে পারি?
14th  May, 2017
এবারই প্রথম নয়, ’৯৯-এ কারগিল যুদ্ধেও পাক সেনারা নৃশংসতার নজির রেখেছিল

সীমান্তরক্ষায় অনেকদিন কাটানো পোড়খাওয়া এক ক্যাপ্টেন একদিন দার্শনিকের ঢঙে বললেন, আমরা এটুকুই বুঝি—যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন মানে পদ্মপাতায় জল। এই ছিল, এই গড়িয়ে গেল। তাই কর্তব্য সম্পর্কে সজাগ থাকি, ভবিতব্য নিয়ে ভাবিত নই। অনেকগুলো প্রাণ গেলেও সেদিন আমরা কিন্তু পাকিস্তানকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়িনি। ধেয়ে আসা এলাকা থেকে খেদিয়ে বিদায় করেছিলাম। শহিদদের উদ্দেশে প্রণাম। মাতৃভূমির মর্যাদা আর নাগরিকদের সুরক্ষায় যারা এমনি করে নিজেদের বিলিয়ে দেন, দেশবাসীকে তাঁদের কথা আরও বেশি করে ভাবতে হবে।
আর, আঠারো বছর আগে কারগিলে সমুচিত জবাব পেয়েও পাকিস্তানের এখনও শিক্ষা হয়নি। তাই ওরা ফের বাড়াবাড়ির চেষ্টা করছে। এবার ওদের জন্য কারগিলের চেয়েও কড়া দাওয়াই দরকার।
বিশদ

 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!

শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। সেই মতো অভিযানের অনেক আগে থেকে তোড়জোড় প্রস্তুতিও চলেছিল জোরকদমে। রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দিল্লি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় থেকে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই অভিযানের প্রচারে গত কয়েকদিন ধরে যে মনোভাব ব্যক্ত করেছিলেন তার মোদ্দা কথা ছিল, লড়কে লেঙ্গে ধাঁচের। বিশদ

28th  May, 2017
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ

 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, হাঁপানি বা এই ধরনের নানান ব্যামোই শুধু অসুখ বা রোগ নয়। অপ্রয়োজনে মিথ্যে কথা বলা কিংবা আমরা যাকে চলতি ভাষায় ‘গুল’ মারা বলি সেগুলোও নাকি অসুখ। এবং এই সব ধরনের অসুখেরও নাকি ওষুধ আছে।
বিশদ

28th  May, 2017
নদী তুমি কার

বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত করে দেয়। অবশ্য দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা পাবার আগে ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে ভারতবর্ষের নেতৃত্ব যখন আলোচনা আরম্ভ করেন তখনই ভারতবর্ষ দ্বিখণ্ডিত হলে প্রাকৃতিক সম্পদ বিশেষ করে জলবণ্টনের নীতি কীভাবে স্থিরীকৃত হবে সে ব্যাপারে কয়েকজন আলোচনাকারী উত্থাপন করলেও, দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা লাভ করার দুরন্ত আশা তদানীন্তন রাজনৈতিক নেতাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছিল।
বিশদ

27th  May, 2017
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে

কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে হেরে প্রমাণ করল ক্রিকেট বিশ্বে ভারত কতটা বন্ধুহীন। যেসব দেশকে ভারত হাতে করে জাতে তুলেছে তারাও ভারতের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
বিশদ

27th  May, 2017
ভুলে যাওয়ার রাজনীতি

 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব সুবিধা হয় আমাদের বোকা বানাতে। এই তো মার্চ মাসে সংগীতশিল্পী কালিকাপ্রসাদের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বাংলা সংগীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতির জন্য যথার্থ শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল।
বিশদ

26th  May, 2017
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি

অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। কয়েকটা রেললাইনের পরে সারি সারি ওয়াগনের পাশে শান্টিং করছে একটা ডিজেল ইঞ্জিন। এই স্টেশনটা আমি বা আমার মতো অনেকেই হয়তো আগে চোখে দেখিনি।
বিশদ

25th  May, 2017
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়

অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া যাবে। এই ভাবনা এখন সবথেকে বেশি চর্চিত। কিন্তু এটা মাথায় রাখতে হবে যুদ্ধ কখনওই কাম্য নয়। যুদ্ধ কোনও দেশই চায় না। সবচেয়ে বড় কথা, আমার মনে হয় যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান বা আমরা কেউই তেমন তৈরি নয়।
বিশদ

25th  May, 2017



একনজরে
নয়াদিল্লি, ২৯ মে (পিটিআই): সাংবাদিক রাজদেও রঞ্জন হত্যা মামলায় আরজেডি নেতা সাহাবুদ্দিনকে হেপাজতে নিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানানো হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাহাবুদ্দিনকে এজেন্সির ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির শ্লথতা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে বিস্তর। আর সেকারণেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির জন্য এক বছর আগে পুলিশকে দেওয়া হয়েছিল চারটি গাড়ি। এই গাড়িগুলি ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির উপযোগী যাবতীয় পরিকাঠামোয় সজ্জিত। ...

সিওল, ২৯ মে: তিন সপ্তাহের মধ্যে ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া। জাপানের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি তাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলে আছড়ে পড়েছে। স্কাড মিসাইলটি ৪৫০ কিলোমিটার আকাশপথ ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পাহাড় জয়ের স্বপ্নে এবার হাত মেলাল দুই বাংলা। কলকাতার পর্বতারোহী সত্যরূপ সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশের মুসা ইব্রাহিম একযোগে অভিযান শুরু করলেন ওশিয়ানিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কারস্টেইনৎস পিরামিড ওরফে পুনসাক জয়া-র উদ্দেশ্যে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭০ টাকা ৬৫.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৮ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭০.৮৭ টাকা ৭৩.২৩ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,২৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৪০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

 ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী দিবা ৮/৪৭, পুষ্যানক্ষত্র দিবা ১১/৫৭, সূ উ ৪/৫৫/৪৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ পুনঃ ৯/২১-১২/০ পুনঃ ৩/৩১-৪/২৫, বারবেলা ৬/৩৬-৮/১৫ পুনঃ ১/১৩-২/৫৩, কালরাত্রি ৭/৩২-৮/৫৩।
১৫ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী ২/১৯/৫, পুষ্যানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৫/২৮/৪৩, সূ উ ৪/৫৪/৪৫, অ ৬/১২/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪/১৯, ৯/২০/৪২-১২/০/১৬, ৩/৩৩/২-৪/২৬/১৩ রাত্রি ৬/৫৫/২৫, ১১/৫৫/৫-২/৩/৩১, বারবেলা ৬/৩৪/২৯-৮/১৪/১৩, কালবেলা ১/১৩/২৪-২/৫৩/৮, কালরাত্রি ৭/৩২/৫২-৮/৫৩/৮।
৩ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণার ইচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মান পাণিগ্রাহীর 
চিকিৎসক বা ইঞ্জিনিয়ার নয়। গবেষক হতে চায় এবছর উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থান অধিকারি হুগলি কলেজিয়েট স্কুলের অর্চিষ্মান পাণিগ্রাহী। পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। ২০১৫ সালে মাধ্যমিকে দ্বিতীয় হয়েছিল অর্চিষ্মান। উচ্চ মাধ্যমিকে তার থেকেও ভালো ফল করায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি সে। 

11:00:40 AM

চিকিৎসক হতে চায় উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বাঁকুড়া জেলা স্কুলের সুরজিৎ লোহার 

10:54:51 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় (৯৭.৮%) শুভম সিংহ ও সুরজিৎ লোহার (বাঁকুড়া জেলা স্কুল) 

10:49:32 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মাণ পানিগ্রাহি ( হুগলি কলেজিয়েট স্কুল) 

10:45:00 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় (৯৮.৪%) ময়াঙ্ক চট্টোপাধ্যায় (মাহেশ শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যাভবন), উপমন্যু চক্রবর্তী (নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন) 

10:39:06 AM

সাফল্যের নিরিখে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর 

10:15:00 AM






বিশেষ নিবন্ধ
এবারই প্রথম নয়, ’৯৯-এ কারগিল যুদ্ধেও পাক সেনারা নৃশংসতার নজির রেখেছিল
সীমান্তরক্ষায় অনেকদিন কাটানো পোড়খাওয়া এক ক্যাপ্টেন একদিন দার্শনিকের ঢঙে বললেন, আমরা এটুকুই বুঝি—যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন মানে ...
 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!
শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ...
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ
 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, ...
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...