বিশেষ নিবন্ধ
 

দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে সেই দুর্নীতিরই জালে আজ আটক কেজরিওয়ালরা!

বিশ্বনাথ চক্রবর্তী: আন্না হাজারের নেতৃত্বে ২০১২ সালে দিল্লির রামলীলা ময়দানে যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনশন আন্দোলন চলছে, সেই সময় অরবিন্দ কেজরিওয়াল ছিলেন আন্নার নিকট অনেকটা ঠাকুর রামকৃষ্ণের শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দের মতো। আন্নার যোগ্যতম শিষ্য ছিলেন কেজরিওয়াল। আন্না স্বপ্ন দেখেছিলেন কেজরিওয়ালের মতো যুব সংগঠকদের হাত ধরে ভারতীয় সমাজজীবন থেকে দুর্নীতিকে চিরকালের জন্য বিদায় দিতে। জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃত্বে ইন্দিরা গান্ধীর শাসনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক বিপ্লবের ডাক ছিল স্বাধীন ভারতে প্রথাগত রাজনীতি ভেঙে নতুন রাজনৈতিক ঘরানা সৃষ্টির প্রথম প্রয়াস। যদিও ১৯৭৭ সালে মোরারজি দেশাইয়ের নেতৃত্বে দেশের প্রথম অকংগ্রেসি সরকার ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন কোনও ধারা সংযোজন করতে পারেনি। জয়প্রকাশের মৃত্যুর পর মূলত ক্ষমতার লড়াইয়ে ভেঙে খান খান হয়ে যায় জনতা পার্টির পরিবার।
২০১২ সালে আরও একবার আন্নার নেতৃত্বে জনজীবন থেকে দুর্নীতি মুক্তির জন্য ভারতজুড়ে মানুষ এক হয়েছিল। ইউপিএ জামানায় কয়লা থেকে টুজি স্পেক্ট্রামের মতো একের পর এক দুর্নীতি ফাঁস হওয়ার পর আন্না জন লোকপাল আইন পাশের ডাক দেন। সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি যে আমাদের জীবনের অভিশাপ এই ভাবনা সাধারণ মানুষের ভিতরে সঞ্চারিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্নার অনশন আন্দোলন সবদিক থেকেই রাজনীতির সাধারণ গতের বাইরে ছিল। আন্দোলনের প্রকরণ, স্লোগানের ভাষা, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সবই ছিল প্রথাগত রাজনীতির বাইরে। আন্নার নেতৃত্বে কেজরিওয়ালরা সেদিন মনমোহন সিং ও সোনিয়া গান্ধীকে একপ্রকার বাধ্য করেছিলেন সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডেকে লোকপাল বিল পাশ করাতে। যদিও আজও ওই বিল কার্যকর করতে পারেনি মোদি সরকার। তবে নাগরিক জীবন থেকে দুর্নীতি মুক্তির ওই আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উত্থান। আন্নার নেতৃত্বে নাগরিক আন্দোলনের শক্তি প্রত্যক্ষ করেছিল ভারতীয়রা। নাগরিক সমাজের শক্তি নিয়ে যখন ভারতীয়দের মধ্যে একটু একটু করে প্রত্যয় তৈরি হচ্ছিল ঠিক তখনই আন্নার তৈরি নাগরিক মঞ্চকে রাজনৈতিক মঞ্চে পরিণত করেন কেজরিওয়াল, প্রশান্ত ভূষণ, যোগেন্দ্র যাদবেরা।
তৈরি হল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বে আম আদমি পার্টি। প্রকাশ হল দলের সংবিধান ও কর্মসূচি। সর্বার্থেই প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের কথা বলা হল ওই দলীয় সংবিধানে। স্লোগান উঠেছিল দুর্নীতিমুক্ত স্বচ্ছ ভারত গঠনের। যে-কোনও কর্মসূচি গ্রহণের ক্ষেত্রে জনগণ ও কর্মীদের ভাবনাকেই গুরুত্ব দেবার কথা বলা হয়েছিল। দেওয়া হয়েছিল বিকেন্দ্রিত অংশগ্রহণমূলক প্রশাসন গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি। ২০১৩-র দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগে মহল্লা কমিটি গঠন করে নাগরিকদের ভাবনা ও মতামতের ভিত্তিতে রচনা হল মহল্লাভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা। এতে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেছিল। যদিও প্রথম থেকে গুরু আন্না হাজারে নাগরিক মঞ্চকে রাজনৈতিক মঞ্চে পরিণত করার তীব্র বিরোধী ছিলেন। স্পষ্ট করেই জানিয়েছিলেন কেজরিওয়ালদের এই উদ্যোগে তাঁর কোনও সায় নেই। সংশয় প্রকাশ করেছিলেন আম আদমি পার্টির সাফল্য নিয়েও।
২০১৩-র দিল্লি বিধানসভায় ৭০টির মধ্যে ২৮টি আসন পেয়ে কংগ্রেসের সহাযোগিতায় সরকার গঠন করে আপ। কিন্তু, হঠাৎ করে সরকার গঠনের ৩৯ দিনের মাথায় কেজরিওয়াল মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে বসেন। ভেঙে যায় বিধানসভা। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে আপ সারা দেশে ৪০০টি আসনে লড়াই করে পাঞ্জাব থেকে মাত্র ৪টি আসনে জয় পায়। বারাণসীতে কেজরিওয়াল স্বয়ং মোদির কাছে পরাজিত হন। আপের অন্তর্জলি যাত্রা নিয়ে যখন দেশজুড়ে চর্চা হচ্ছিল তখন বিজেপি এবং কংগ্রেসের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তে নতুন উদ্যমে দিল্লির রাজনীতিতে প্রবলভাবে উঠে আসে আপ। আপ নেতৃত্ব ভুল স্বীকার করে নেয়। তারা নিষ্ঠাসহ কঠোর পরিশ্রম করে। ২০১৫-র নির্বাচনে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। দিল্লির ৫৩ শতাংশ মানুষের সমর্থন লাভ করে এবং ৬৭টি আসন পায়। দ্বিতীয়বারের জন্য দিল্লিতে ক্ষমতা দখল করে আপ।
ক্ষমতায় এসে কিছু জনহিতকর কাজ দ্রুততার সঙ্গে আপ সরকার রূপায়ণ করতে শুরু করলেও দলের ভিতর গণতন্ত্রের অভাবের কথা উঠতে শুরু করে। কেজরিওয়ালের কথা ও কাজের ফারাক নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রশান্ত ভূষণ, যোগেন্দ্র যাদবরা দল ছাড়তে বাধ্য হন। দলকে সাধারণ নাগরিকমুখী না-করে কেজরিওয়াল-নির্ভর করা হচ্ছে—এই অভিযোগে একের পর এক নেতা দল ছাড়তে শুরু করেন। যে আম আদমি পার্টি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে রাজনৈতিক দর্শনে পরিণত করেছিল সেই দলেরই নেতাদের একাংশের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে শুরু করে! যেমন—(ক) কেজরিওয়াল মন্ত্রিসভার আইনমন্ত্রী জিতেন্দ্র তোমর জাল শিক্ষা শংসাপত্র ব্যবহার করার অভিযোগে জেল হেপাজতে যান। (খ) ৫২৬ কোটি টাকা খরচ করে বিভিন্ন সংবাদপত্রে যে বিজ্ঞাপন দিল্লি সরকার দিয়েছিল তা নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। (গ) একইসঙ্গে দুটি লাভজনক পদে ২১ জন বিধায়ককে বসিয়ে ছিলেন কেজরিওয়াল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সংসদীয়সচিব পদ তৈরি করে বিধায়কদের বেতন, ভাতা, গাড়ি ইত্যাদি সরকারি সুযোগের ব্যবস্থা করে দেন। এমনকী নির্বাচন কমিশনের নজরের বাইরে এই ২১ জন বিধায়ককে রাখার জন্য দিল্লি বিধানসভায় আইন তৈরি করেছিলেন কেজরিওয়াল। যদিও তা শেষপর্যন্ত ধোপে টেকেনি। (ঘ) একাধিক বিধায়কের বিরুদ্ধে সরকারি ক্ষমতা ও অফিসের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে বারবার। (ঙ) আপ-এর মন্ত্রী-বিধায়কদের বিদেশভ্রমণে যথেচ্ছ টাকা খরচ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। (চ) বিধায়ক পিছু বেতন ভাতা বাবদ দিল্লি সরকারের মাসিক খরচ ৮৪ হাজার টাকা। এর পরেও সরকারি কোষাগার নয়ছয়ের নানা অভিযোগ আপ বিধায়কদের বিরুদ্ধে বারবার উঠেছে। সব শেষে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধেও। একদা তাঁর মন্ত্রিসভার অন্যতম সদস্য কপিল মিশ্র অভিযোগ করেছেন যে তিনি নিজে চোখে দেখেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ২ কোটি টাকা সত্যেন্দ্র জৈনের কাছ থেকে নিতে! দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদের ডাক দিয়ে রাজনীতিতে যাঁর উত্থান হয়েছিল তাঁর গায়েই শেষ পর্যন্ত কেলেঙ্কারির কালি লেগে গেল! পরিস্থিতি এমনই গুরুতর যে স্বয়ং গুরু আন্না হাজারে তাঁর একদা শিষ্য কেজরিওয়ালের পদত্যাগের দাবিতে অনশন করবেন বলে জানিয়েছেন।
দিল্লির রাজৌরি গার্ডেনের উপনির্বাচনে বিজেপির কাছে জামানত জব্দ হয়েছে। ভরাডুবি হয়েছে পাঞ্জাবে। এরপর দিল্লির পুর নির্বাচনেও বিজেপির কাছে চূড়ান্তভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে আজ আপ-এর অস্তিত্ব নিয়েই নানা মহলে সংশয় দানা বাঁধছে। ভারতীয় রাজনীতিতে উল্কার গতিতে যে দলের উত্থান ঘটেছিল সেই দল অস্তমিত হওয়া যেন এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। এই পরিপ্রেক্ষিতে সমাজবিজ্ঞানের ছাত্রদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল—যে রাজনৈতিক দল ভারতীয় রাজনীতিতে অন্য ঘরানা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জাগিয়েছিল অল্প সময়ের মধ্যে কী এমন ঘটল যার ফলে আপ-কে আজ ‘অস্তমিত সূর্য’ বলে মনে হচ্ছে?
আপ গঠিত হয়েছিল নানা চিন্তা ভাবনা দর্শনের মানুষকে একত্রিত করে। আন্না হাজারে যতদিন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন ততদিন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে সামনে রেখে নানা দর্শনের মানুষগুলো একসঙ্গে ছিল। আন্না সরে যেতেই ভাবনা চিন্তার ভিন্নতা প্রকট হতে শুরু করে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে যোগেন্দ্র যাদবের ভাবনার তফাত ছিল মূলত গণতন্ত্রের প্রশ্নকে কেন্দ্র করে। আবার প্রশান্ত ভূষণের সঙ্গে কেজরিওয়ালের তফাত ছিল সরকারের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার প্রকরণের নিরিখে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নেতৃত্বের স্বৈরাচার আপ-কে আজ এই করুণ অবস্থায় পৌঁছে দিয়েছে। ২০১৪-এর লোকসভা নির্বাচনে সাধ্য এবং সামর্থ্যকে বিচার না করে দেশজুড়ে ৪০০ আসনে লড়াই করা যে ভুল সিদ্ধান্ত ছিল, তা আজ আপ-এর প্রথম সারির নেতারা একবাক্যে মানছেন। প্রতি পদক্ষেপে মোদি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতাকে কেজরিওয়াল রাজনৈতিক দর্শনে পরিণত করেছিলেন। প্রতিপদে মোদিকে তীব্র আক্রমণের পথে যাওয়া কেজরিওয়ালের দিক থেকে যে সঠিক ছিল না তা পাঞ্জাব নির্বাচনের ভরাডুবির পর আপ নেতৃত্ব মেনে নিয়েছেন।
দুর্নীতির পাশাপাশি একাধিক আপ বিধায়কের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও মারপিটের অভিযোগ ওঠে। বিধায়ক জিতেন্দ্র তোমরের বিরুদ্ধে যেমন জাল শিক্ষার শংসাপত্র ব্যবহারের অভিযোগ ছিল তেমনি সোমনাথ ভারতীর বিরুদ্ধে ছিল স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ। আবার জগদীপ সিংয়ের বিরুদ্ধে মারপিটের অভিযোগ উঠেছিল। একের পর এক বিধায়কদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম অভিযোগ ওঠায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আম আদমি পার্টির ভাবমূর্তি কলঙ্কিত হয়েছিল। যেভাবে সংসদীয়সচিব পদে ২১জন বিধায়ককে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল তাতে সাধারণ মানুষের আপ সম্পর্কে মোহভঙ্গ হয়। পাঞ্জাব বিধানসভা ও দিল্লি পুরসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর আমানাতুল্লা খান বনাম কুমার বিশ্বাসের লড়াইয়ে দলের কর্মীদের মনোবলে পুনরায় চিড় ধরে।
আম আদমি পার্টির অবস্থা অনেকটা অসম গণ পরিষদের ন্যায়। ১৯৮৫ সালে প্রফুল্ল মহন্ত, ভৃগু ফুকনের মতো যুব নেতারা গণআন্দোলনের মধ্যে দিয়ে ক্ষমতায় এসে প্রত্যাশা জাগালেও অভিজ্ঞতার অভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন তা পূরণ করতে। কেজরিওয়ালদেরও রাজনীতিতে অভিজ্ঞতার অভাব স্পষ্ট ধরা পড়ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। পাশাপাশি যে ভিআইপি রাজনীতির বিরুদ্ধে আম আদমি পার্টি লড়াই শুরু করেছিল আজ সেই ভিআইপি সংস্কৃতির বেড়াজালেই তারা আবদ্ধ। যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন কেজরিওয়ালরা, সেই দুর্নীতির জালেই আজ আটকে পড়েছেন তাঁরা। প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠার আশ্বাস দিয়েছিলেন যাঁরা আজ তাঁদের বিরুদ্ধেই অস্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার অভাবের অভিযোগ উঠছে বারবার। আম আদমি পার্টি ভারতীয় রাজনীতিতে ভিন্ন ঘরানার স্বপ্ন দেখালেও, সেই স্বপ্ন পূরণ অধরাই থেকে গেল। প্রত্যাশা জাগিয়েও হারিয়ে গেল ভিন্ন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ। জনজীবন থেকে দুর্নীতি যতদিন না নির্মূল হবে ততদিন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের রাজনীতির প্রাসঙ্গিতা কিন্তু রয়েই যাবে। অরবিন্দ, কুমার বিশ্বাসরা হেরে গেলেও হারিয়ে যাবে না আগামীতেও সাধারণ মানুষের ভিন্ন ঘরানার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ।
লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
13th  May, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

যুদ্ধ নয়, স্থিতাবস্থা চাই ডোকালায়
প্রশান্ত দাস

 চীনের কথা উঠলেই সুবেদার মেজর হামিদ সাহেব বলতেন—বাঁদরের যত বাঁদরামি গাছের ডালে। ডাঙায় এলেই লেজ তোলে। লেজ তোলার অর্থ, লেজ তুলে পালায়। চীনের অবস্থা ওই বাঁদরের মতন। দাদাগিরি দেখাবে পাহাড়ের মাথায়। সমতলে নয়। সমতলের যুদ্ধে ভারতীয় সেনারা এখনও আনপ্যারালেলড। বিশদ

22nd  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

21st  July, 2017
দলিত, কৃষক ক্ষোভ এত বাড়ছে কেন?
সমৃদ্ধ দত্ত

 একটা বাড়ি করার পর খুব স্বাভাবিকভাবেই মনে ইচ্ছা থাকে সেই বাড়ির গেটের পাশে অথবা বোগেনভিলিয়া ঢাকা আর্চ প্যাটার্নের বারান্দার উপরের দেওয়ালে লেখা হবে একটা নাম। নিজের বাড়ির নাম।
বিশদ

21st  July, 2017
 সব বিরোধ মেটাতেই চান নরেন্দ্র মোদি, তবে মোটেই চীনের আগ্রাসন মেনে নয়
গৌরীশঙ্কর নাগ

 অমরনাথের সাম্প্রতিক হামলার যে বিভীষিকা, তার আগে থেকেই ভুটানের ডোকলা মালভূমি ও ভারতের সিকিম সীমান্তে চীনা-ড্রাগনের শ্যেনদৃষ্টিকে কেন্দ্র করে ভারত-চীন সামরিক দামামা নতুন করে দক্ষিণ এশিয়ার আবহাওয়াকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। বিশদ

20th  July, 2017
সেচ ও জলপথ দপ্তরের কাজে বামেদের কার্যত দশ গোল দিয়েছে মমতার সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

উচ্চতর সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন বলতে বোঝায় ব্যারেজ, চেক ড্যাম পদ্ধতি থেকে শুরু করে নদীপাড় ও নদীবাঁধ নির্মাণ ইত্যাদি পদ্ধতিতে অতিরিক্ত সেচের জমি চাষের আওতায় আনা। পশ্চিমবঙ্গে সেচ ও জলপথ দপ্তরের অধীনেই রাজ্যে উচ্চতর সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের সামগ্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়ে থাকে।
বিশদ

20th  July, 2017
২১ জুলাই: গণতন্ত্র ফেরানোর মস্ত সুযোগ
হারাধন চৌধুরী

 রাজ্যে গণতন্ত্র ফেরানোর প্রশ্নে তৃণমূল ও তার প্রশাসন কতটা আন্তরিক ১৩ আগস্ট‌ই হতে পারে তার প্রথম পরীক্ষা। এই ভোটপর্বটিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। ওইদিন যে রেকর্ড সৃষ্টি হবে সেটাই কিন্তু বাজবে রাজ্যজুড়ে পরবর্তী পঞ্চায়েত ভোটে। এই অনুমান অসংগত নয় যে, গত সাত বছরে বিভিন্ন দফায় নানা কৌশলে বাংলায় কংগ্রেস, কমিউনিস্ট প্রভৃতিকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলার কারণেই বিজেপি ও তাদের দোসরদের অভাবনীয় উত্থান ঘটেছে। এখন সেই ম্যাও সামলানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এবার সম্মানের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চ হয়ে উঠুক একুশে জুলাই। এ স্বার্থ শুধু তৃণমূলের নয়—সব দলের, সার্বিকভাবে সারা বাংলার ও গণতন্ত্রের।
বিশদ

18th  July, 2017
মোদির দৃঢ় সংকল্পের অঙ্গীকার জিএসটি
অনিল বালুনি

  ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে আমরা পেয়েছিলাম এক অপরিমেয় উদ্যম। মধ্যরাতের সেই ঐতিহাসিক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, জিএসটি চালু করা ছাড়া অন্য কোনও পথ ছিল না।
বিশদ

18th  July, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহরমপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা বিচারাধীন বন্দি উধাও হল হাসপাতাল থেকে। পলাতক ওই বন্দির নাম সোহেল রানা (২৫)। ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই: জাতীয় গড়ের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার বেশি। সম্প্রতি লোকসভায় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয়’র পেশ করা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী এও উল্লেখ করেছেন যে, ২০১২-১৩ আর্থিক বছরের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইষ্টার্ন কোলফিল্ডের সালানপুর এলাকায় থাকা কর্মী আবাসন থেকে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে অন্তত ১০০ বেআইনি দখলদারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বস্তুত, এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বহু আবাসনেই তারপরেও প্রচুর বেআইনি দখলদার রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ...

 সংবাদদাতা, ঘাটাল: দুই দেশের খেলা দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ল দাসপুর-১ ব্লকের কলোড়াতে। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ফুটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কলোড়া স্কুল ফুটবল মাঠে ভারতের জাতীয় ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM

ভারত ৩১/১ (৮ ওভারে)

07:26:26 PM