বিশেষ নিবন্ধ
 

অপরকে নিয়ে ভাববার কথা

অভিজিৎ তরফদার: স্থান: হাওড়া অভিমুখী কোনও লোকাল ট্রেনের কামরা। কাল: আশির দশক। হঠাৎ এক প্রৌঢ় বুক চেপে ধরে কাত হয়ে পড়ে গেলেন। চঞ্চলতা। ছুটোছুটি। হাওয়া-বাতাস। জলের ছিটে। রব উঠল: ডাক্তার ডাক্তার। তখনও ডিগ্রি হাতে আসেনি। তথাপি গম্ভীর মুখে পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। নাড়িতে হাত দিতেই বুঝলাম, পরিস্থিতি সহজ নয়। সত্যি কথাটা বলে ফেললাম, অবিলম্বে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দরকার।
হাওড়া স্টেশন থেকে একটা ট্যাক্সিতে শুইয়ে অসুস্থ মানুষটিকে মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হল। সঙ্গে এলেন তিনজন সহযাত্রী। তখনও মোবাইল ফোনের আমদানি হয়নি। একজন আগেই তাঁর বাড়ির সন্ধান জেনে চলে গিয়েছেন খবর দিতে। সারাদিন যথাসাধ্য চিকিৎসার পর সন্ধ্যাবেলা ইমার্জেন্সির বাইরে বেরিয়ে যখন খবর দিলাম—ভালো আছেন। চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন—অনাত্মীয় সেই তিনজন মানুষের মুখে যে রোশনাই ফুটে উঠতে দেখেছিলাম, কোনওদিন তা ভুলব না। হালকা করে বলেছিলাম, আপনাদের যে অফিস কামাই হয়ে গেল? তিনজনে একসঙ্গে গর্জন করে উঠেছিলেন—একটা মানুষ মরে যাচ্ছে, আমরা সঙ্গে আসব না? হলই বা একদিন কামাই। কথায় কথায় জেনেছিলাম, তিনজনের একজনও অসুস্থ মানুষটির পরিচিত নন।
ঘড়ির কাঁটাকে এগিয়ে নিয়ে আসি। মাস চারেক আগের দৃশ্য। পুরানো টাকা বদল করার লম্বা লাইন। একজন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়লেন। লাইনে দাঁড়ানো শতাধিক মানুষ তা দেখলেন। কেউ এগিয়ে এলেন না। মানুষটি লুটিয়ে পড়লেন। পেছনের মানুষেরা মৃত্যুপথযাত্রী সেই মানুষটিকে ডিঙিয়ে এগিয়ে গেলেন এটিএম-এর কাউন্টারের দিকে। এবং এই দৃশ্য কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
কোনও এক বাইক অরোহী দুর্ঘটনায় পড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় যখন সাহায্য প্রার্থনা করছেন, পথচারী মানুষেরা দাঁড়িয়ে পড়ছেন। কিন্তু মানুষটিকে হাসপাতালে পৌঁছে দেবার জন্য নয়—সেই দুর্লভ মুহূর্তটি মোবাইল ক্যামেরায় ধরে রাখবার জন্য।
প্রশ্ন উঠতে পারে আমরা ঠিক কতখানি স্বার্থপর?
জানবার জন্য এক মাস সময়কে বেছে নিলাম। ওই সময়কালে পরপর চোখের সামনে ঘটে যাওয়া কয়েকটি অভিজ্ঞতা আপনাদের সামনে সাজিয়ে দিচ্ছি।
(১) লিফ্‌টের লাইন। অন্তত জনাদশেক দাঁড়িয়ে। লিফ্‌ট দশতলা থেকে নামল। ভেতর থেকে জনাতিনেক বেরিয়ে এলেন। একদম সামনে দাঁড়ানো মানুষটি লিফ্‌টে ঢুকলেন। লিফ্‌টম্যানহীন লিফ্‌ট, অতএব লিফ্‌টে ঢুকেই তিনি লিফ্‌টের বোতাম টিপে দিলেন। অপেক্ষমাণ অন্যান্য সবাইকে হতবাক করে লিফ্‌঩টের দরজা বন্ধ হয়ে গেল। একমাত্র আরোহীকে নিয়ে লিফ্‌ট উঠে গেল উপরে।
(২) সুইং দরজা। ঠেললে সামনের দিকে খোলে। ছেড়ে দিলে নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। দ্বিতীয় জনের দু’হাত আটকা। প্রথমজন সুইং দরজা ঠেলে এগিয়ে গেলেন। ভেতরে ঢুকেই পাল্লাটি ছেড়ে দিলেন। তাকিয়েও দেখলেন না পেছনে কে আছে। দরজার পাল্লা দড়াম করে পেছনের মানুষটির মুখের ওপর আছড়ে পড়ল। রক্তাপ্লুত অবস্থায় মানুষটি মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। মজার ব্যাপার আওয়াজ শুনেও সামনের ব্যক্তি কিন্তু পেছনে ফিরে তাকালেন না।
(৩) ঘটনাস্থল হাসপাতাল। নাম লিখিয়ে নম্বর নিয়ে পরপর রোগীরা অপেক্ষা করছেন। হঠাৎ, একটু পেছনের দিকে সিরিয়াল, বৃদ্ধ মানুষ, বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লেন। একদম সামনে ছিলেন বছর পঁয়তাল্লিশের মহিলা। স্বামীকে দেখতে এসেছেন। তাঁর কাছে বৃদ্ধ রোগীর ছেলের অনুরোধ : যদি বাবাকে আগে ছেড়ে দেওয়া হয়। ছিটকে উঠলেন ভদ্রমহিলা: ‘পাগল হয়েছেন? ডাক্তারের চেম্বার থেকে আমাকে ছুটতে হবে মেয়ের স্কুলে। ঠিক সময়ে পিক আপ না করতে পারলে অনর্থ হবে। মাফ করবেন। আমার পক্ষে আপনার বাবাকে আগে ছেড়ে দেওয়া সম্ভব নয়।’
তিনটে অভিজ্ঞতার কথা বললাম। আপনারা মিলিয়ে নেবেন—এক অন্তহীন স্বার্থপরতা যেন মেঘের মতো তার কালো ছায়া বিস্তার করে সর্বত্র পরিব্যাপ্ত। মিনিবাসের ড্রাইভার সেখানেই গাড়িটা দাঁড় করাবে যেখানে প্যাসেঞ্জার অপেক্ষা করছে। তার জন্য আপনার স্টপ ছাড়িয়ে এক মাইল এগিয়ে যেতেও তার বাধবে না। ট্যাক্সি ড্রাইভার সেখানেই নিয়ে যাবে যেখান থেকে সে ফেরার প্যাসেঞ্জার পাবে। সামনের গাড়ি রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে সওয়ারি নামাবে অথবা তুলবে। পেছনের একশো গাড়ি দাঁড়িয়ে রইল কি না তাতে তার কিছুই যায় আসে না।
এর ঠিক উলটোদিকে বিরাজ করছে, যে ঘটনা দিয়ে শুরু করেছিলাম, যাকে আমরা বলতে পারি পরার্থপরতা। পরার্থপরতায় অন্যের জন্য এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের স্বার্থহানির সম্ভাবনাও জড়িয়ে থাকে। যা ঘটেছিল তিনজন সহযাত্রীর ক্ষেত্রে। তাঁদের একদিন অফিস কামাই হয়েছিল। হয়তো মাইনেও কাটা গিয়েছিল।
পরার্থপরতা সবাই যে পারবেনই তা নয়। কেউ চ্যারিটিতে লক্ষ টাকা দান করছেন। খোঁজ নিয়ে দেখুন, ওই টাকা দান না করলে আয়কর দপ্তর কেড়ে নিয়ে যেত। অতএব দানও হল, আয়কর দপ্তরকে বুড়ো আঙুল দেখানোও হল। এই দান কিন্তু পরার্থ পরতা নয়। এখানে কোনও স্বার্থত্যাগ নেই। স্বার্থহানির তো প্রশ্নই ওঠে না।
স্বার্থপরতার যে উদাহরণগুলি দিলাম, তা কখনও কখনও আরও এগিয়ে গিয়ে আত্মসর্বস্বতায় পর্যবসিত হয়। যেখানে পৃথিবীতে ‘আমি’ এই ব্যক্তিটি বাদ দিলে সবাই গৌণ। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এই আত্মমগ্নতা এবং আত্মসর্বস্বতারই চাষ হচ্ছে। ফলে দেশ বলতে আমরা একটি মানচিত্রের বেশি কিছু বুঝতে শিখি না। কাশতে গেলে মুখে হাত চাপা দিই না। কলের মুখ থেকে জল পড়তে দেখলেও কলটা বন্ধ করবার চেষ্টা করি না। একটি চার ইঞ্চি বাই দুই ইঞ্চি স্ক্রিন-এ জগৎ যেখানে সীমাবদ্ধ, সেখানে নিজের বাইরে অবশিষ্ট মনুষপ্রজাতি সম্বন্ধে সহানুভূতির স্রোত ধাবিত হবে এমন প্রত্যাশা করাই বাতুলতা।
এই দুই চূড়ান্ত বিপরীত মেরু, স্বার্থপরতা এবং পরার্থপরতা, এর মাঝামাঝিও একটি অবস্থান আছে, যাকে বলা যায় নিঃস্বার্থপরতা। নিঃস্বার্থপরতা প্রয়োগ করতে গেলে নিজের স্বার্থহানির সম্ভাবনা থাকে না। তা সত্ত্বেও আমরা সাহায্যের হাতটুকু বাড়িয়ে দিতেই পারি। কোনও অন্ধ পথচারীকে রাস্তা পার হতে সাহায্য করতে পারি। কিছু না হোক, রাস্তা খুঁজে পাচ্ছেন না এমন মানুষকে পথের সন্ধান দিতে পারি। এমন সহস্র উদাহরণ আমাদের দৈনন্দিনতায় ছড়িয়ে আছে। যা প্রয়োগ করতে পরিশ্রম করতে হয় না। স্বার্থহানির তো সম্ভাবনাই নেই।
ধর্মস্থানের বাইরে জুতো খুলে রেখে যেতে হয়। দেখবেন মানুষ জুতোজোড়া রাস্তার মধ্যিখানে খুলে ভেতরে ঢোকে। পেছনের মানুষটি হোঁচট খেতে খেতে সামনের মানুষের পিতৃ-উদ্ধার করে। অভ্যেস বদলায় না। আমরা নিজেরাই দেখতে চেয়েছিলাম। মানুষ কতখানি আত্মসর্বস্ব। আমার চেম্বারে মানুষ আসেন, রোগী দেখার শয্যায় গিয়ে শুয়ে পড়েন। তার আগে জুতো জোড়া খুলতে হয়। আমরা দেখবার চেষ্টা করলাম, কতজন মানুষ জুতো জোড়া ঘরের মধ্যিখানে খুলে রাখছেন, কতজনই বা জুতো খুলছেন দেওয়ালের ধার ঘেঁষে। পরপর চারশোজন মানুষকে দেখা হল। খুব বৃদ্ধ, অশক্ত এবং মায়ের কোলে আসা শিশুকে বাদ দেওয়া হল। একজন, যেন দেবস্থানে প্রবেশ করছেন। এই বিবেচনায়, ঘরের বাইরেই জুতো খুলে এসেছিলেন। তাঁকে প্রথমে ধরা হয়। পরে বাদ দেওয়া হল। অতএব পড়ে রইলেন তিনশো নিরানব্বই জন।
দেখা গেল, এর মধ্যে কেবল তিনজন জুতোজোড়া ঘরের মধ্যিখানে খোলেননি। দুজন গ্রামের শিক্ষক। একজন দরিদ্র কাঠের মিস্ত্রি, সংলগ্ন রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকে এসেছেন। এই তিনজনের একজনেরও বয়েস চল্লিসের নীচে নয়। প্রত্যেকেই পুরুষ।
এই পর্যবেক্ষণের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনেকই তোলা যায়। এইসব মানুষ প্রত্যেকেই অসুস্থ, রোগী। কাজেই ডাক্তারবাবুর চেম্বারে এসে তাঁদের স্বাভাবিক বিচারবুদ্ধি প্রয়োগের ক্ষমতা কর্মে যেতে পারে। তাছাড়া কে কোথায় জুতো খুলে রাখছে তা দিয়ে তার স্বার্থপরতা বিচার করা যায় না।
অভিযোগগুলি অমূলক নয়। কিন্তু পর্যবেক্ষণটির মাত্রা অসামান্য। এক শতাংশেরও কম মানুষ পরবর্তী মানুষটির কথা ভাবছেন। এই পর্যবেক্ষণটি বৃহত্তর কোনও গবেষণার প্রথম ধাপ হিসেবে ভেবে দেখা যেতে পারে। অবশ্য সে দায়িত্ব সমাজবিজ্ঞানীদের।
13th  May, 2017
এবারই প্রথম নয়, ’৯৯-এ কারগিল যুদ্ধেও পাক সেনারা নৃশংসতার নজির রেখেছিল

সীমান্তরক্ষায় অনেকদিন কাটানো পোড়খাওয়া এক ক্যাপ্টেন একদিন দার্শনিকের ঢঙে বললেন, আমরা এটুকুই বুঝি—যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন মানে পদ্মপাতায় জল। এই ছিল, এই গড়িয়ে গেল। তাই কর্তব্য সম্পর্কে সজাগ থাকি, ভবিতব্য নিয়ে ভাবিত নই। অনেকগুলো প্রাণ গেলেও সেদিন আমরা কিন্তু পাকিস্তানকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়িনি। ধেয়ে আসা এলাকা থেকে খেদিয়ে বিদায় করেছিলাম। শহিদদের উদ্দেশে প্রণাম। মাতৃভূমির মর্যাদা আর নাগরিকদের সুরক্ষায় যারা এমনি করে নিজেদের বিলিয়ে দেন, দেশবাসীকে তাঁদের কথা আরও বেশি করে ভাবতে হবে।
আর, আঠারো বছর আগে কারগিলে সমুচিত জবাব পেয়েও পাকিস্তানের এখনও শিক্ষা হয়নি। তাই ওরা ফের বাড়াবাড়ির চেষ্টা করছে। এবার ওদের জন্য কারগিলের চেয়েও কড়া দাওয়াই দরকার।
বিশদ

 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!

শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। সেই মতো অভিযানের অনেক আগে থেকে তোড়জোড় প্রস্তুতিও চলেছিল জোরকদমে। রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দিল্লি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় থেকে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই অভিযানের প্রচারে গত কয়েকদিন ধরে যে মনোভাব ব্যক্ত করেছিলেন তার মোদ্দা কথা ছিল, লড়কে লেঙ্গে ধাঁচের। বিশদ

28th  May, 2017
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ

 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, হাঁপানি বা এই ধরনের নানান ব্যামোই শুধু অসুখ বা রোগ নয়। অপ্রয়োজনে মিথ্যে কথা বলা কিংবা আমরা যাকে চলতি ভাষায় ‘গুল’ মারা বলি সেগুলোও নাকি অসুখ। এবং এই সব ধরনের অসুখেরও নাকি ওষুধ আছে।
বিশদ

28th  May, 2017
নদী তুমি কার

বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত করে দেয়। অবশ্য দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা পাবার আগে ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে ভারতবর্ষের নেতৃত্ব যখন আলোচনা আরম্ভ করেন তখনই ভারতবর্ষ দ্বিখণ্ডিত হলে প্রাকৃতিক সম্পদ বিশেষ করে জলবণ্টনের নীতি কীভাবে স্থিরীকৃত হবে সে ব্যাপারে কয়েকজন আলোচনাকারী উত্থাপন করলেও, দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা লাভ করার দুরন্ত আশা তদানীন্তন রাজনৈতিক নেতাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছিল।
বিশদ

27th  May, 2017
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে

কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে হেরে প্রমাণ করল ক্রিকেট বিশ্বে ভারত কতটা বন্ধুহীন। যেসব দেশকে ভারত হাতে করে জাতে তুলেছে তারাও ভারতের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
বিশদ

27th  May, 2017
ভুলে যাওয়ার রাজনীতি

 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব সুবিধা হয় আমাদের বোকা বানাতে। এই তো মার্চ মাসে সংগীতশিল্পী কালিকাপ্রসাদের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বাংলা সংগীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতির জন্য যথার্থ শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল।
বিশদ

26th  May, 2017
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি

অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। কয়েকটা রেললাইনের পরে সারি সারি ওয়াগনের পাশে শান্টিং করছে একটা ডিজেল ইঞ্জিন। এই স্টেশনটা আমি বা আমার মতো অনেকেই হয়তো আগে চোখে দেখিনি।
বিশদ

25th  May, 2017
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়

অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া যাবে। এই ভাবনা এখন সবথেকে বেশি চর্চিত। কিন্তু এটা মাথায় রাখতে হবে যুদ্ধ কখনওই কাম্য নয়। যুদ্ধ কোনও দেশই চায় না। সবচেয়ে বড় কথা, আমার মনে হয় যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান বা আমরা কেউই তেমন তৈরি নয়।
বিশদ

25th  May, 2017



একনজরে
সিওল, ২৯ মে: তিন সপ্তাহের মধ্যে ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া। জাপানের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি তাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলে আছড়ে পড়েছে। স্কাড মিসাইলটি ৪৫০ কিলোমিটার আকাশপথ ...

 মুম্বই, ২৯ মে (পিটিআই): শেয়ার বাজারের ঊর্ধ্বগতি চলছেই। এদিন মুম্বই শেয়ার বাজারের সূচক সেনসেক্স ৩১ হাজার ১০৯ পয়েন্টে শেষ হয়েছে। গত তিন দিন ধরেই সেনসেক্স ঊর্ধ্বমুখী। তিনদিনে ৮০০ পয়েন্টেরও বেশি উঠেছে সূচক। ...

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়িতে এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৭৫ শতাংশের বেশি নম্বর পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা অন্য বছরগুলির তুলনায় অনেকটাই বেশি বলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক কার্যলয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির শ্লথতা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে বিস্তর। আর সেকারণেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির জন্য এক বছর আগে পুলিশকে দেওয়া হয়েছিল চারটি গাড়ি। এই গাড়িগুলি ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির উপযোগী যাবতীয় পরিকাঠামোয় সজ্জিত। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭০ টাকা ৬৫.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৮ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭০.৮৭ টাকা ৭৩.২৩ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,২৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৪০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

 ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী দিবা ৮/৪৭, পুষ্যানক্ষত্র দিবা ১১/৫৭, সূ উ ৪/৫৫/৪৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ পুনঃ ৯/২১-১২/০ পুনঃ ৩/৩১-৪/২৫, বারবেলা ৬/৩৬-৮/১৫ পুনঃ ১/১৩-২/৫৩, কালরাত্রি ৭/৩২-৮/৫৩।
১৫ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী ২/১৯/৫, পুষ্যানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৫/২৮/৪৩, সূ উ ৪/৫৪/৪৫, অ ৬/১২/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪/১৯, ৯/২০/৪২-১২/০/১৬, ৩/৩৩/২-৪/২৬/১৩ রাত্রি ৬/৫৫/২৫, ১১/৫৫/৫-২/৩/৩১, বারবেলা ৬/৩৪/২৯-৮/১৪/১৩, কালবেলা ১/১৩/২৪-২/৫৩/৮, কালরাত্রি ৭/৩২/৫২-৮/৫৩/৮।
৩ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণার ইচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মান পাণিগ্রাহীর 
চিকিৎসক বা ইঞ্জিনিয়ার নয়। গবেষক হতে চায় এবছর উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থান অধিকারি হুগলি কলেজিয়েট স্কুলের অর্চিষ্মান পাণিগ্রাহী। পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। ২০১৫ সালে মাধ্যমিকে দ্বিতীয় হয়েছিল অর্চিষ্মান। উচ্চ মাধ্যমিকে তার থেকেও ভালো ফল করায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি সে। 

11:04:50 AM

চিকিৎসক হতে চায় উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বাঁকুড়া জেলা স্কুলের সুরজিৎ লোহার 

10:54:51 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় (৯৭.৮%) শুভম সিংহ ও সুরজিৎ লোহার (বাঁকুড়া জেলা স্কুল) 

10:49:32 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মাণ পানিগ্রাহি ( হুগলি কলেজিয়েট স্কুল) 

10:45:00 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় (৯৮.৪%) ময়াঙ্ক চট্টোপাধ্যায় (মাহেশ শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যাভবন), উপমন্যু চক্রবর্তী (নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন) 

10:39:06 AM

সাফল্যের নিরিখে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর 

10:15:00 AM






বিশেষ নিবন্ধ
এবারই প্রথম নয়, ’৯৯-এ কারগিল যুদ্ধেও পাক সেনারা নৃশংসতার নজির রেখেছিল
সীমান্তরক্ষায় অনেকদিন কাটানো পোড়খাওয়া এক ক্যাপ্টেন একদিন দার্শনিকের ঢঙে বললেন, আমরা এটুকুই বুঝি—যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন মানে ...
 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!
শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ...
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ
 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, ...
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...