বিশেষ নিবন্ধ
 

অপরকে নিয়ে ভাববার কথা

অভিজিৎ তরফদার: স্থান: হাওড়া অভিমুখী কোনও লোকাল ট্রেনের কামরা। কাল: আশির দশক। হঠাৎ এক প্রৌঢ় বুক চেপে ধরে কাত হয়ে পড়ে গেলেন। চঞ্চলতা। ছুটোছুটি। হাওয়া-বাতাস। জলের ছিটে। রব উঠল: ডাক্তার ডাক্তার। তখনও ডিগ্রি হাতে আসেনি। তথাপি গম্ভীর মুখে পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। নাড়িতে হাত দিতেই বুঝলাম, পরিস্থিতি সহজ নয়। সত্যি কথাটা বলে ফেললাম, অবিলম্বে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দরকার।
হাওড়া স্টেশন থেকে একটা ট্যাক্সিতে শুইয়ে অসুস্থ মানুষটিকে মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হল। সঙ্গে এলেন তিনজন সহযাত্রী। তখনও মোবাইল ফোনের আমদানি হয়নি। একজন আগেই তাঁর বাড়ির সন্ধান জেনে চলে গিয়েছেন খবর দিতে। সারাদিন যথাসাধ্য চিকিৎসার পর সন্ধ্যাবেলা ইমার্জেন্সির বাইরে বেরিয়ে যখন খবর দিলাম—ভালো আছেন। চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন—অনাত্মীয় সেই তিনজন মানুষের মুখে যে রোশনাই ফুটে উঠতে দেখেছিলাম, কোনওদিন তা ভুলব না। হালকা করে বলেছিলাম, আপনাদের যে অফিস কামাই হয়ে গেল? তিনজনে একসঙ্গে গর্জন করে উঠেছিলেন—একটা মানুষ মরে যাচ্ছে, আমরা সঙ্গে আসব না? হলই বা একদিন কামাই। কথায় কথায় জেনেছিলাম, তিনজনের একজনও অসুস্থ মানুষটির পরিচিত নন।
ঘড়ির কাঁটাকে এগিয়ে নিয়ে আসি। মাস চারেক আগের দৃশ্য। পুরানো টাকা বদল করার লম্বা লাইন। একজন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়লেন। লাইনে দাঁড়ানো শতাধিক মানুষ তা দেখলেন। কেউ এগিয়ে এলেন না। মানুষটি লুটিয়ে পড়লেন। পেছনের মানুষেরা মৃত্যুপথযাত্রী সেই মানুষটিকে ডিঙিয়ে এগিয়ে গেলেন এটিএম-এর কাউন্টারের দিকে। এবং এই দৃশ্য কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
কোনও এক বাইক অরোহী দুর্ঘটনায় পড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় যখন সাহায্য প্রার্থনা করছেন, পথচারী মানুষেরা দাঁড়িয়ে পড়ছেন। কিন্তু মানুষটিকে হাসপাতালে পৌঁছে দেবার জন্য নয়—সেই দুর্লভ মুহূর্তটি মোবাইল ক্যামেরায় ধরে রাখবার জন্য।
প্রশ্ন উঠতে পারে আমরা ঠিক কতখানি স্বার্থপর?
জানবার জন্য এক মাস সময়কে বেছে নিলাম। ওই সময়কালে পরপর চোখের সামনে ঘটে যাওয়া কয়েকটি অভিজ্ঞতা আপনাদের সামনে সাজিয়ে দিচ্ছি।
(১) লিফ্‌টের লাইন। অন্তত জনাদশেক দাঁড়িয়ে। লিফ্‌ট দশতলা থেকে নামল। ভেতর থেকে জনাতিনেক বেরিয়ে এলেন। একদম সামনে দাঁড়ানো মানুষটি লিফ্‌টে ঢুকলেন। লিফ্‌টম্যানহীন লিফ্‌ট, অতএব লিফ্‌টে ঢুকেই তিনি লিফ্‌টের বোতাম টিপে দিলেন। অপেক্ষমাণ অন্যান্য সবাইকে হতবাক করে লিফ্‌঩টের দরজা বন্ধ হয়ে গেল। একমাত্র আরোহীকে নিয়ে লিফ্‌ট উঠে গেল উপরে।
(২) সুইং দরজা। ঠেললে সামনের দিকে খোলে। ছেড়ে দিলে নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। দ্বিতীয় জনের দু’হাত আটকা। প্রথমজন সুইং দরজা ঠেলে এগিয়ে গেলেন। ভেতরে ঢুকেই পাল্লাটি ছেড়ে দিলেন। তাকিয়েও দেখলেন না পেছনে কে আছে। দরজার পাল্লা দড়াম করে পেছনের মানুষটির মুখের ওপর আছড়ে পড়ল। রক্তাপ্লুত অবস্থায় মানুষটি মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। মজার ব্যাপার আওয়াজ শুনেও সামনের ব্যক্তি কিন্তু পেছনে ফিরে তাকালেন না।
(৩) ঘটনাস্থল হাসপাতাল। নাম লিখিয়ে নম্বর নিয়ে পরপর রোগীরা অপেক্ষা করছেন। হঠাৎ, একটু পেছনের দিকে সিরিয়াল, বৃদ্ধ মানুষ, বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লেন। একদম সামনে ছিলেন বছর পঁয়তাল্লিশের মহিলা। স্বামীকে দেখতে এসেছেন। তাঁর কাছে বৃদ্ধ রোগীর ছেলের অনুরোধ : যদি বাবাকে আগে ছেড়ে দেওয়া হয়। ছিটকে উঠলেন ভদ্রমহিলা: ‘পাগল হয়েছেন? ডাক্তারের চেম্বার থেকে আমাকে ছুটতে হবে মেয়ের স্কুলে। ঠিক সময়ে পিক আপ না করতে পারলে অনর্থ হবে। মাফ করবেন। আমার পক্ষে আপনার বাবাকে আগে ছেড়ে দেওয়া সম্ভব নয়।’
তিনটে অভিজ্ঞতার কথা বললাম। আপনারা মিলিয়ে নেবেন—এক অন্তহীন স্বার্থপরতা যেন মেঘের মতো তার কালো ছায়া বিস্তার করে সর্বত্র পরিব্যাপ্ত। মিনিবাসের ড্রাইভার সেখানেই গাড়িটা দাঁড় করাবে যেখানে প্যাসেঞ্জার অপেক্ষা করছে। তার জন্য আপনার স্টপ ছাড়িয়ে এক মাইল এগিয়ে যেতেও তার বাধবে না। ট্যাক্সি ড্রাইভার সেখানেই নিয়ে যাবে যেখান থেকে সে ফেরার প্যাসেঞ্জার পাবে। সামনের গাড়ি রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে সওয়ারি নামাবে অথবা তুলবে। পেছনের একশো গাড়ি দাঁড়িয়ে রইল কি না তাতে তার কিছুই যায় আসে না।
এর ঠিক উলটোদিকে বিরাজ করছে, যে ঘটনা দিয়ে শুরু করেছিলাম, যাকে আমরা বলতে পারি পরার্থপরতা। পরার্থপরতায় অন্যের জন্য এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের স্বার্থহানির সম্ভাবনাও জড়িয়ে থাকে। যা ঘটেছিল তিনজন সহযাত্রীর ক্ষেত্রে। তাঁদের একদিন অফিস কামাই হয়েছিল। হয়তো মাইনেও কাটা গিয়েছিল।
পরার্থপরতা সবাই যে পারবেনই তা নয়। কেউ চ্যারিটিতে লক্ষ টাকা দান করছেন। খোঁজ নিয়ে দেখুন, ওই টাকা দান না করলে আয়কর দপ্তর কেড়ে নিয়ে যেত। অতএব দানও হল, আয়কর দপ্তরকে বুড়ো আঙুল দেখানোও হল। এই দান কিন্তু পরার্থ পরতা নয়। এখানে কোনও স্বার্থত্যাগ নেই। স্বার্থহানির তো প্রশ্নই ওঠে না।
স্বার্থপরতার যে উদাহরণগুলি দিলাম, তা কখনও কখনও আরও এগিয়ে গিয়ে আত্মসর্বস্বতায় পর্যবসিত হয়। যেখানে পৃথিবীতে ‘আমি’ এই ব্যক্তিটি বাদ দিলে সবাই গৌণ। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এই আত্মমগ্নতা এবং আত্মসর্বস্বতারই চাষ হচ্ছে। ফলে দেশ বলতে আমরা একটি মানচিত্রের বেশি কিছু বুঝতে শিখি না। কাশতে গেলে মুখে হাত চাপা দিই না। কলের মুখ থেকে জল পড়তে দেখলেও কলটা বন্ধ করবার চেষ্টা করি না। একটি চার ইঞ্চি বাই দুই ইঞ্চি স্ক্রিন-এ জগৎ যেখানে সীমাবদ্ধ, সেখানে নিজের বাইরে অবশিষ্ট মনুষপ্রজাতি সম্বন্ধে সহানুভূতির স্রোত ধাবিত হবে এমন প্রত্যাশা করাই বাতুলতা।
এই দুই চূড়ান্ত বিপরীত মেরু, স্বার্থপরতা এবং পরার্থপরতা, এর মাঝামাঝিও একটি অবস্থান আছে, যাকে বলা যায় নিঃস্বার্থপরতা। নিঃস্বার্থপরতা প্রয়োগ করতে গেলে নিজের স্বার্থহানির সম্ভাবনা থাকে না। তা সত্ত্বেও আমরা সাহায্যের হাতটুকু বাড়িয়ে দিতেই পারি। কোনও অন্ধ পথচারীকে রাস্তা পার হতে সাহায্য করতে পারি। কিছু না হোক, রাস্তা খুঁজে পাচ্ছেন না এমন মানুষকে পথের সন্ধান দিতে পারি। এমন সহস্র উদাহরণ আমাদের দৈনন্দিনতায় ছড়িয়ে আছে। যা প্রয়োগ করতে পরিশ্রম করতে হয় না। স্বার্থহানির তো সম্ভাবনাই নেই।
ধর্মস্থানের বাইরে জুতো খুলে রেখে যেতে হয়। দেখবেন মানুষ জুতোজোড়া রাস্তার মধ্যিখানে খুলে ভেতরে ঢোকে। পেছনের মানুষটি হোঁচট খেতে খেতে সামনের মানুষের পিতৃ-উদ্ধার করে। অভ্যেস বদলায় না। আমরা নিজেরাই দেখতে চেয়েছিলাম। মানুষ কতখানি আত্মসর্বস্ব। আমার চেম্বারে মানুষ আসেন, রোগী দেখার শয্যায় গিয়ে শুয়ে পড়েন। তার আগে জুতো জোড়া খুলতে হয়। আমরা দেখবার চেষ্টা করলাম, কতজন মানুষ জুতো জোড়া ঘরের মধ্যিখানে খুলে রাখছেন, কতজনই বা জুতো খুলছেন দেওয়ালের ধার ঘেঁষে। পরপর চারশোজন মানুষকে দেখা হল। খুব বৃদ্ধ, অশক্ত এবং মায়ের কোলে আসা শিশুকে বাদ দেওয়া হল। একজন, যেন দেবস্থানে প্রবেশ করছেন। এই বিবেচনায়, ঘরের বাইরেই জুতো খুলে এসেছিলেন। তাঁকে প্রথমে ধরা হয়। পরে বাদ দেওয়া হল। অতএব পড়ে রইলেন তিনশো নিরানব্বই জন।
দেখা গেল, এর মধ্যে কেবল তিনজন জুতোজোড়া ঘরের মধ্যিখানে খোলেননি। দুজন গ্রামের শিক্ষক। একজন দরিদ্র কাঠের মিস্ত্রি, সংলগ্ন রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকে এসেছেন। এই তিনজনের একজনেরও বয়েস চল্লিসের নীচে নয়। প্রত্যেকেই পুরুষ।
এই পর্যবেক্ষণের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনেকই তোলা যায়। এইসব মানুষ প্রত্যেকেই অসুস্থ, রোগী। কাজেই ডাক্তারবাবুর চেম্বারে এসে তাঁদের স্বাভাবিক বিচারবুদ্ধি প্রয়োগের ক্ষমতা কর্মে যেতে পারে। তাছাড়া কে কোথায় জুতো খুলে রাখছে তা দিয়ে তার স্বার্থপরতা বিচার করা যায় না।
অভিযোগগুলি অমূলক নয়। কিন্তু পর্যবেক্ষণটির মাত্রা অসামান্য। এক শতাংশেরও কম মানুষ পরবর্তী মানুষটির কথা ভাবছেন। এই পর্যবেক্ষণটি বৃহত্তর কোনও গবেষণার প্রথম ধাপ হিসেবে ভেবে দেখা যেতে পারে। অবশ্য সে দায়িত্ব সমাজবিজ্ঞানীদের।
13th  May, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

যুদ্ধ নয়, স্থিতাবস্থা চাই ডোকালায়
প্রশান্ত দাস

 চীনের কথা উঠলেই সুবেদার মেজর হামিদ সাহেব বলতেন—বাঁদরের যত বাঁদরামি গাছের ডালে। ডাঙায় এলেই লেজ তোলে। লেজ তোলার অর্থ, লেজ তুলে পালায়। চীনের অবস্থা ওই বাঁদরের মতন। দাদাগিরি দেখাবে পাহাড়ের মাথায়। সমতলে নয়। সমতলের যুদ্ধে ভারতীয় সেনারা এখনও আনপ্যারালেলড। বিশদ

22nd  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

21st  July, 2017
দলিত, কৃষক ক্ষোভ এত বাড়ছে কেন?
সমৃদ্ধ দত্ত

 একটা বাড়ি করার পর খুব স্বাভাবিকভাবেই মনে ইচ্ছা থাকে সেই বাড়ির গেটের পাশে অথবা বোগেনভিলিয়া ঢাকা আর্চ প্যাটার্নের বারান্দার উপরের দেওয়ালে লেখা হবে একটা নাম। নিজের বাড়ির নাম।
বিশদ

21st  July, 2017
 সব বিরোধ মেটাতেই চান নরেন্দ্র মোদি, তবে মোটেই চীনের আগ্রাসন মেনে নয়
গৌরীশঙ্কর নাগ

 অমরনাথের সাম্প্রতিক হামলার যে বিভীষিকা, তার আগে থেকেই ভুটানের ডোকলা মালভূমি ও ভারতের সিকিম সীমান্তে চীনা-ড্রাগনের শ্যেনদৃষ্টিকে কেন্দ্র করে ভারত-চীন সামরিক দামামা নতুন করে দক্ষিণ এশিয়ার আবহাওয়াকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। বিশদ

20th  July, 2017
সেচ ও জলপথ দপ্তরের কাজে বামেদের কার্যত দশ গোল দিয়েছে মমতার সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

উচ্চতর সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন বলতে বোঝায় ব্যারেজ, চেক ড্যাম পদ্ধতি থেকে শুরু করে নদীপাড় ও নদীবাঁধ নির্মাণ ইত্যাদি পদ্ধতিতে অতিরিক্ত সেচের জমি চাষের আওতায় আনা। পশ্চিমবঙ্গে সেচ ও জলপথ দপ্তরের অধীনেই রাজ্যে উচ্চতর সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের সামগ্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়ে থাকে।
বিশদ

20th  July, 2017
২১ জুলাই: গণতন্ত্র ফেরানোর মস্ত সুযোগ
হারাধন চৌধুরী

 রাজ্যে গণতন্ত্র ফেরানোর প্রশ্নে তৃণমূল ও তার প্রশাসন কতটা আন্তরিক ১৩ আগস্ট‌ই হতে পারে তার প্রথম পরীক্ষা। এই ভোটপর্বটিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। ওইদিন যে রেকর্ড সৃষ্টি হবে সেটাই কিন্তু বাজবে রাজ্যজুড়ে পরবর্তী পঞ্চায়েত ভোটে। এই অনুমান অসংগত নয় যে, গত সাত বছরে বিভিন্ন দফায় নানা কৌশলে বাংলায় কংগ্রেস, কমিউনিস্ট প্রভৃতিকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলার কারণেই বিজেপি ও তাদের দোসরদের অভাবনীয় উত্থান ঘটেছে। এখন সেই ম্যাও সামলানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এবার সম্মানের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চ হয়ে উঠুক একুশে জুলাই। এ স্বার্থ শুধু তৃণমূলের নয়—সব দলের, সার্বিকভাবে সারা বাংলার ও গণতন্ত্রের।
বিশদ

18th  July, 2017
মোদির দৃঢ় সংকল্পের অঙ্গীকার জিএসটি
অনিল বালুনি

  ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে আমরা পেয়েছিলাম এক অপরিমেয় উদ্যম। মধ্যরাতের সেই ঐতিহাসিক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, জিএসটি চালু করা ছাড়া অন্য কোনও পথ ছিল না।
বিশদ

18th  July, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহরমপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা বিচারাধীন বন্দি উধাও হল হাসপাতাল থেকে। পলাতক ওই বন্দির নাম সোহেল রানা (২৫)। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের শহরে তোলাবাজির অভিযোগ। পাঁচ লক্ষ টাকা তোলা চেয়ে হুমকি দেওয়ায় কলকাতার বেনিয়াপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক প্রোমোটার। মহম্মদ ওমর ফারুখ নামে ওই প্রোমোটারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। লালবাজার সূত্রে এই ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ পুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে গত ৯ জুলাই আদিবাসী নাবালিকাদের ধর্ষণ এবং ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ জুলাই শহরে আদিবাসীদের তাণ্ডবের পর শনিবার রায়গঞ্জে এসে বৈঠক করলেন আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী জেমস কুজুর। এদিন কর্ণজোড়ায় সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইষ্টার্ন কোলফিল্ডের সালানপুর এলাকায় থাকা কর্মী আবাসন থেকে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে অন্তত ১০০ বেআইনি দখলদারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বস্তুত, এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বহু আবাসনেই তারপরেও প্রচুর বেআইনি দখলদার রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM

ভারত ৩১/১ (৮ ওভারে)

07:26:26 PM