বিশেষ নিবন্ধ
 

অপরকে নিয়ে ভাববার কথা

অভিজিৎ তরফদার: স্থান: হাওড়া অভিমুখী কোনও লোকাল ট্রেনের কামরা। কাল: আশির দশক। হঠাৎ এক প্রৌঢ় বুক চেপে ধরে কাত হয়ে পড়ে গেলেন। চঞ্চলতা। ছুটোছুটি। হাওয়া-বাতাস। জলের ছিটে। রব উঠল: ডাক্তার ডাক্তার। তখনও ডিগ্রি হাতে আসেনি। তথাপি গম্ভীর মুখে পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। নাড়িতে হাত দিতেই বুঝলাম, পরিস্থিতি সহজ নয়। সত্যি কথাটা বলে ফেললাম, অবিলম্বে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দরকার।
হাওড়া স্টেশন থেকে একটা ট্যাক্সিতে শুইয়ে অসুস্থ মানুষটিকে মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হল। সঙ্গে এলেন তিনজন সহযাত্রী। তখনও মোবাইল ফোনের আমদানি হয়নি। একজন আগেই তাঁর বাড়ির সন্ধান জেনে চলে গিয়েছেন খবর দিতে। সারাদিন যথাসাধ্য চিকিৎসার পর সন্ধ্যাবেলা ইমার্জেন্সির বাইরে বেরিয়ে যখন খবর দিলাম—ভালো আছেন। চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন—অনাত্মীয় সেই তিনজন মানুষের মুখে যে রোশনাই ফুটে উঠতে দেখেছিলাম, কোনওদিন তা ভুলব না। হালকা করে বলেছিলাম, আপনাদের যে অফিস কামাই হয়ে গেল? তিনজনে একসঙ্গে গর্জন করে উঠেছিলেন—একটা মানুষ মরে যাচ্ছে, আমরা সঙ্গে আসব না? হলই বা একদিন কামাই। কথায় কথায় জেনেছিলাম, তিনজনের একজনও অসুস্থ মানুষটির পরিচিত নন।
ঘড়ির কাঁটাকে এগিয়ে নিয়ে আসি। মাস চারেক আগের দৃশ্য। পুরানো টাকা বদল করার লম্বা লাইন। একজন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়লেন। লাইনে দাঁড়ানো শতাধিক মানুষ তা দেখলেন। কেউ এগিয়ে এলেন না। মানুষটি লুটিয়ে পড়লেন। পেছনের মানুষেরা মৃত্যুপথযাত্রী সেই মানুষটিকে ডিঙিয়ে এগিয়ে গেলেন এটিএম-এর কাউন্টারের দিকে। এবং এই দৃশ্য কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
কোনও এক বাইক অরোহী দুর্ঘটনায় পড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় যখন সাহায্য প্রার্থনা করছেন, পথচারী মানুষেরা দাঁড়িয়ে পড়ছেন। কিন্তু মানুষটিকে হাসপাতালে পৌঁছে দেবার জন্য নয়—সেই দুর্লভ মুহূর্তটি মোবাইল ক্যামেরায় ধরে রাখবার জন্য।
প্রশ্ন উঠতে পারে আমরা ঠিক কতখানি স্বার্থপর?
জানবার জন্য এক মাস সময়কে বেছে নিলাম। ওই সময়কালে পরপর চোখের সামনে ঘটে যাওয়া কয়েকটি অভিজ্ঞতা আপনাদের সামনে সাজিয়ে দিচ্ছি।
(১) লিফ্‌টের লাইন। অন্তত জনাদশেক দাঁড়িয়ে। লিফ্‌ট দশতলা থেকে নামল। ভেতর থেকে জনাতিনেক বেরিয়ে এলেন। একদম সামনে দাঁড়ানো মানুষটি লিফ্‌টে ঢুকলেন। লিফ্‌টম্যানহীন লিফ্‌ট, অতএব লিফ্‌টে ঢুকেই তিনি লিফ্‌টের বোতাম টিপে দিলেন। অপেক্ষমাণ অন্যান্য সবাইকে হতবাক করে লিফ্‌঩টের দরজা বন্ধ হয়ে গেল। একমাত্র আরোহীকে নিয়ে লিফ্‌ট উঠে গেল উপরে।
(২) সুইং দরজা। ঠেললে সামনের দিকে খোলে। ছেড়ে দিলে নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। দ্বিতীয় জনের দু’হাত আটকা। প্রথমজন সুইং দরজা ঠেলে এগিয়ে গেলেন। ভেতরে ঢুকেই পাল্লাটি ছেড়ে দিলেন। তাকিয়েও দেখলেন না পেছনে কে আছে। দরজার পাল্লা দড়াম করে পেছনের মানুষটির মুখের ওপর আছড়ে পড়ল। রক্তাপ্লুত অবস্থায় মানুষটি মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। মজার ব্যাপার আওয়াজ শুনেও সামনের ব্যক্তি কিন্তু পেছনে ফিরে তাকালেন না।
(৩) ঘটনাস্থল হাসপাতাল। নাম লিখিয়ে নম্বর নিয়ে পরপর রোগীরা অপেক্ষা করছেন। হঠাৎ, একটু পেছনের দিকে সিরিয়াল, বৃদ্ধ মানুষ, বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লেন। একদম সামনে ছিলেন বছর পঁয়তাল্লিশের মহিলা। স্বামীকে দেখতে এসেছেন। তাঁর কাছে বৃদ্ধ রোগীর ছেলের অনুরোধ : যদি বাবাকে আগে ছেড়ে দেওয়া হয়। ছিটকে উঠলেন ভদ্রমহিলা: ‘পাগল হয়েছেন? ডাক্তারের চেম্বার থেকে আমাকে ছুটতে হবে মেয়ের স্কুলে। ঠিক সময়ে পিক আপ না করতে পারলে অনর্থ হবে। মাফ করবেন। আমার পক্ষে আপনার বাবাকে আগে ছেড়ে দেওয়া সম্ভব নয়।’
তিনটে অভিজ্ঞতার কথা বললাম। আপনারা মিলিয়ে নেবেন—এক অন্তহীন স্বার্থপরতা যেন মেঘের মতো তার কালো ছায়া বিস্তার করে সর্বত্র পরিব্যাপ্ত। মিনিবাসের ড্রাইভার সেখানেই গাড়িটা দাঁড় করাবে যেখানে প্যাসেঞ্জার অপেক্ষা করছে। তার জন্য আপনার স্টপ ছাড়িয়ে এক মাইল এগিয়ে যেতেও তার বাধবে না। ট্যাক্সি ড্রাইভার সেখানেই নিয়ে যাবে যেখান থেকে সে ফেরার প্যাসেঞ্জার পাবে। সামনের গাড়ি রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে সওয়ারি নামাবে অথবা তুলবে। পেছনের একশো গাড়ি দাঁড়িয়ে রইল কি না তাতে তার কিছুই যায় আসে না।
এর ঠিক উলটোদিকে বিরাজ করছে, যে ঘটনা দিয়ে শুরু করেছিলাম, যাকে আমরা বলতে পারি পরার্থপরতা। পরার্থপরতায় অন্যের জন্য এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের স্বার্থহানির সম্ভাবনাও জড়িয়ে থাকে। যা ঘটেছিল তিনজন সহযাত্রীর ক্ষেত্রে। তাঁদের একদিন অফিস কামাই হয়েছিল। হয়তো মাইনেও কাটা গিয়েছিল।
পরার্থপরতা সবাই যে পারবেনই তা নয়। কেউ চ্যারিটিতে লক্ষ টাকা দান করছেন। খোঁজ নিয়ে দেখুন, ওই টাকা দান না করলে আয়কর দপ্তর কেড়ে নিয়ে যেত। অতএব দানও হল, আয়কর দপ্তরকে বুড়ো আঙুল দেখানোও হল। এই দান কিন্তু পরার্থ পরতা নয়। এখানে কোনও স্বার্থত্যাগ নেই। স্বার্থহানির তো প্রশ্নই ওঠে না।
স্বার্থপরতার যে উদাহরণগুলি দিলাম, তা কখনও কখনও আরও এগিয়ে গিয়ে আত্মসর্বস্বতায় পর্যবসিত হয়। যেখানে পৃথিবীতে ‘আমি’ এই ব্যক্তিটি বাদ দিলে সবাই গৌণ। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এই আত্মমগ্নতা এবং আত্মসর্বস্বতারই চাষ হচ্ছে। ফলে দেশ বলতে আমরা একটি মানচিত্রের বেশি কিছু বুঝতে শিখি না। কাশতে গেলে মুখে হাত চাপা দিই না। কলের মুখ থেকে জল পড়তে দেখলেও কলটা বন্ধ করবার চেষ্টা করি না। একটি চার ইঞ্চি বাই দুই ইঞ্চি স্ক্রিন-এ জগৎ যেখানে সীমাবদ্ধ, সেখানে নিজের বাইরে অবশিষ্ট মনুষপ্রজাতি সম্বন্ধে সহানুভূতির স্রোত ধাবিত হবে এমন প্রত্যাশা করাই বাতুলতা।
এই দুই চূড়ান্ত বিপরীত মেরু, স্বার্থপরতা এবং পরার্থপরতা, এর মাঝামাঝিও একটি অবস্থান আছে, যাকে বলা যায় নিঃস্বার্থপরতা। নিঃস্বার্থপরতা প্রয়োগ করতে গেলে নিজের স্বার্থহানির সম্ভাবনা থাকে না। তা সত্ত্বেও আমরা সাহায্যের হাতটুকু বাড়িয়ে দিতেই পারি। কোনও অন্ধ পথচারীকে রাস্তা পার হতে সাহায্য করতে পারি। কিছু না হোক, রাস্তা খুঁজে পাচ্ছেন না এমন মানুষকে পথের সন্ধান দিতে পারি। এমন সহস্র উদাহরণ আমাদের দৈনন্দিনতায় ছড়িয়ে আছে। যা প্রয়োগ করতে পরিশ্রম করতে হয় না। স্বার্থহানির তো সম্ভাবনাই নেই।
ধর্মস্থানের বাইরে জুতো খুলে রেখে যেতে হয়। দেখবেন মানুষ জুতোজোড়া রাস্তার মধ্যিখানে খুলে ভেতরে ঢোকে। পেছনের মানুষটি হোঁচট খেতে খেতে সামনের মানুষের পিতৃ-উদ্ধার করে। অভ্যেস বদলায় না। আমরা নিজেরাই দেখতে চেয়েছিলাম। মানুষ কতখানি আত্মসর্বস্ব। আমার চেম্বারে মানুষ আসেন, রোগী দেখার শয্যায় গিয়ে শুয়ে পড়েন। তার আগে জুতো জোড়া খুলতে হয়। আমরা দেখবার চেষ্টা করলাম, কতজন মানুষ জুতো জোড়া ঘরের মধ্যিখানে খুলে রাখছেন, কতজনই বা জুতো খুলছেন দেওয়ালের ধার ঘেঁষে। পরপর চারশোজন মানুষকে দেখা হল। খুব বৃদ্ধ, অশক্ত এবং মায়ের কোলে আসা শিশুকে বাদ দেওয়া হল। একজন, যেন দেবস্থানে প্রবেশ করছেন। এই বিবেচনায়, ঘরের বাইরেই জুতো খুলে এসেছিলেন। তাঁকে প্রথমে ধরা হয়। পরে বাদ দেওয়া হল। অতএব পড়ে রইলেন তিনশো নিরানব্বই জন।
দেখা গেল, এর মধ্যে কেবল তিনজন জুতোজোড়া ঘরের মধ্যিখানে খোলেননি। দুজন গ্রামের শিক্ষক। একজন দরিদ্র কাঠের মিস্ত্রি, সংলগ্ন রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকে এসেছেন। এই তিনজনের একজনেরও বয়েস চল্লিসের নীচে নয়। প্রত্যেকেই পুরুষ।
এই পর্যবেক্ষণের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনেকই তোলা যায়। এইসব মানুষ প্রত্যেকেই অসুস্থ, রোগী। কাজেই ডাক্তারবাবুর চেম্বারে এসে তাঁদের স্বাভাবিক বিচারবুদ্ধি প্রয়োগের ক্ষমতা কর্মে যেতে পারে। তাছাড়া কে কোথায় জুতো খুলে রাখছে তা দিয়ে তার স্বার্থপরতা বিচার করা যায় না।
অভিযোগগুলি অমূলক নয়। কিন্তু পর্যবেক্ষণটির মাত্রা অসামান্য। এক শতাংশেরও কম মানুষ পরবর্তী মানুষটির কথা ভাবছেন। এই পর্যবেক্ষণটি বৃহত্তর কোনও গবেষণার প্রথম ধাপ হিসেবে ভেবে দেখা যেতে পারে। অবশ্য সে দায়িত্ব সমাজবিজ্ঞানীদের।
13th  May, 2017
বিশ্বচরাচরের আনন্দ
অমর মিত্র

 সারা বছর কায়ক্লেশে বেঁচে থাকি, উৎসব নিয়ে আসে তা থেকে মুক্তি। বাঙালির জীবনে বারো মাসে তেরো পার্বণ। এর ভিতরেই বড় উৎসব হিন্দুর দুর্গোৎসব আর মুসলমানের ইদুল ফিতর, খুশির ইদ, আর খ্রিস্টানের বড় দিন। তিন মহা উৎসব বাদ দিয়ে ধর্মীয় এবং লোকপুরাণের সঙ্গে যুক্ত আরো কত যে উৎসব, টুসু, ভাদু, নবান্ন, থেকে নানা ব্রত শবে বরাত, পীর ফকিরের উরস—সব। সমস্ত উৎসবই আনন্দের, সমস্ত উৎসবই আত্মীয় বান্ধব, অবান্ধবে মিলনের।
বিশদ

কোনও বিঘ্নই বাঙালির পুজোর আনন্দ পণ্ড করতে পারবে না
শুভা দত্ত

পুজো এসে গেল। মহাপূজা। ঝড়বৃষ্টি, বানবন্যার ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে শেষপর্যন্ত আমাদের সংবৎসরের আনন্দের দিনগুলো এসে পড়ল দোরগোড়ায়। গত মঙ্গলবার মহালয়ায় দেবীপক্ষের সূচনা হতেই মহামায়া বন্দনার শেষমুহূর্তের তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছিল আসমুদ্রহিমাচল বাংলায়। বিশদ

24th  September, 2017
ডায়নেস্টি চালচিত্র ও মাছরাঙা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

রাহুল গান্ধী খুব সত্যি দুটো কথা বলেছেন। কিছুদিন ধরে উনি প্রবাসী। আমেরিকায় রয়েছেন। বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলছেন। ভাব বিনিময় করছেন। সেলফি তুলছেন। এইসব অনুষ্ঠানে প্রায় প্রতিদিনই তিনি ওই কথা দুটি বলেছেন। এ নিয়ে ভারতের রাজনীতিও বেশ সরগরম।
বিশদ

24th  September, 2017
আমেরিকায় শারদোৎসব
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 প্রবাসে দীর্ঘকাল এক সমান্তরাল জীবনযাপনে অভ্যস্ত বাঙালির দুর্গাপুজোর ছুটি বলে কিছু নেই। দেশে যখন পুজোর ছুটি, এখানে তখন গ্রীষ্ম অবকাশের শেষে স্কুল, কলেজ ইউনিভার্সিটি খুলে গিয়েছে। তবু পুজোর সময় আসে কাছে। মহালয়ার পরে দেবীপক্ষে নির্ধারিত দিনে পুজো হয় রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ, আদ্যাপীঠ আর আমেরিকার কয়েকটি শহরে বাঙালি প্রতিষ্ঠিত মন্দিরে।
বিশদ

23rd  September, 2017
রীতিনীতি-আচরণে দুর্গাপূজার সেকাল ও একাল
গৌরী দে

 পুরাণ-উপপুরাণ অনুসারে শরৎকালে রামচন্দ্র রাবণ বধের আশায় যে পূজা করেছিলেন সেটাই অকাল বোধন। দক্ষিণায়নে দেবতারা ঘুমিয়ে থাকেন। শরৎকালে শ্রাবণ থেকে পৌষ পর্যন্ত এই কাল। তাই দেবীকে জাগ্রত করতে রামচন্দ্রকে অকাল বোধন করতে হয়। জয়লাভের জন্য তিনি দেবী দুর্গার শরণাপন্ন হন।
বিশদ

23rd  September, 2017
ছেলেবেলার দুর্গাপূজা—কিছু স্মৃতি কিছু বেদনা
ভগীরথ মিশ্র

 ছেলেবেলায় আমাদের গাঁয়ে কোনও বারোয়ারি দুর্গাপুজো হ’ত না। গোটা এলাকা জুড়ে কেবল আমাদের গাঁয়ের জমিদারবাড়িতেই হ’ত পারিবারিক দুর্গাপুজো। সত্যি কথা বলতে কী, দুর্গাপূজাটা গাঁয়ের অধিকাংশ মানুষের কাছেই কোনও সুখকর অভিজ্ঞতা ছিল না।
বিশদ

22nd  September, 2017
বদলে যাচ্ছি আমরা?
সমৃদ্ধ দত্ত

 থিমের পুজো করলেই তো পুরস্কার পাওয়া যায়। স্পনসর পাওয়া যায়। মিডিয়ায় ছবি বেরোয়। কিন্তু কই! তা তো সকলে করে না? কেন করে না? তাহলে সেই লোকগুলোর কী হবে? যাঁরা থিমের পুজো দেখতে মোটেই আগ্রহী নয়।
বিশদ

22nd  September, 2017
অভিযুক্তের গায়ে নারীঘটিত অপবাদের কাদা না ছেটালে কি শাস্তি অসম্পূর্ণ থাকত!
মেরুনীল দাশগুপ্ত

সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়, ব্রতীন সেনগুপ্ত, লক্ষ্মণ শেঠ, রেজ্জাক মোল্লা, সইফুদ্দিন চৌধুরির মতো অনেক তাবড় নেতাকেই নানা সময় দল ছাড়তে হয়েছে। বহিষ্কারের অপমান বইতে হয়েছে। কিন্তু, কারও গায়ে এত কালি লাগাবার দরকার কি পড়েছিল? পড়েনি। বাদবাকি সকলের ক্ষেত্রেই শাস্তির ব্যাপারটা দলীয় নীতি-নৈতিকতার দ্বান্দ্বিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ ছিল।
বিশদ

21st  September, 2017
একনজরে
 চেন্নাই, ২৫ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): জয়ললিতার মৃত্যুর কারণ নিয়ে শশীকলা শিবিরের উপর চাপ আরও বাড়াতে সোমবার তদন্ত কমিশন গঠন করল তামিলনাড়ু সরকার। তদন্তে কমিশনের নেতৃত্ব দেবেন হাইকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। ...

 হরিহর ঘোষাল, বারাকপুর, বিএনএ: কামারহাটি পুরসভায় রেশন কার্ড নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের কার্ড প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিলি করা না হলেও একজন রেশন ডিলারের কাছে ভূরি ভূরি কার্ড জমা পড়েছে। ...

বিএনএ, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা দার্জিলিং: সোমবার দার্জিলিংয়ের লালকুঠিতে জিটিএ’র প্রশাসক পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসাবে কাজে যোগ দিলেন মোর্চা নেতা বিনয় তামাং। সোমবার আধিকারিকদের নিয়ে প্রথম বৈঠকেই ...

বার্লিন, ২৫ সেপ্টেম্বর: বুথ ফেরত সমীক্ষায় পাওয়া আভাসই শেষমেশ সত্য হল। চতুর্থবার জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হলেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেলই। ৩২.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে মার্কেলের দল। আর ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুপ্ত শত্রুতা বৃদ্ধি। কর্মে উন্নতি। ব্যবসায় অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় সাফল্য। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো যাবে।প্রতিকার: বট ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২০: মনীষী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম
১৯২৩: অভিনেতা দেব আনন্দের জন্ম
১৯৩২: ভারতের চতুর্দশ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের জন্ম
১৯৭৭: নৃত্যশিল্পী উদয়শংকরের মৃত্যু
১৯৮৯: সঙ্গীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০১ টাকা ৬৫.৬৯ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৫ টাকা ৮৯.১৭ টাকা
ইউরো ৭৬.০১ টাকা ৭৮.৬৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,২৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,১৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, নক্ষত্র-অনুরাধা দং ৩/৫১ দিবা ঘ ৭/৩, সূ উ ৫/৩০/২, অ ৫/২৬/১২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/১৭ মধ্যে পুনঃ ৭/৫ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৪৯ গতে ৮/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১১/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/২৯ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৪/৪১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/২৮ মধ্যে।
৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, অনুরাধানক্ষত্র ৭/৯/৪, সূ উ ৫/২৮/৩৬, অ ৫/২৭/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬/৩০, ৭/৪/২৫-১১/৩/৫৭, রাত্রি ৭/৫১/৩০-৮/৩৯/৩৫, ৯/২৭/৪১-১১/৫১/৫৭, ১/২৮/৮-৩/৪/১৯, ৪/৪০/৩০-৫/২৮/৫৬, বারবেলা ৬/৫৭/২৬-৮/২৮/১৫, কালবেলা ১২/৫৭/৪৪-২/২৭/৩৪, কালরাত্রি ৬/৫৭/২৩-৮/২৭/৩৪।
 ৫ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভিড়ের জেরে আজও বাড়ানো হল রাতের শেষ মেট্রোর সময় 
ষষ্ঠীর রাতে কলকাতা শহরে জনজোয়ারের জেরে এদিনও রাতের ...বিশদ

09:42:56 PM

সল্টলেকের ইসি ব্লকের কাছে অটো উলটে চালক-সহ জখম ৪

02:37:00 PM

বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা, একই লাইনে চলে এল ৩টি ট্রেন
বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা। এলাহাবাদের কাছে ...বিশদ

01:44:46 PM

গাজিয়াবাদে ব্যবসায়ীকে খুন, মৃতের নাম রাজেন্দ্র আগরওয়াল (৭৫)

01:24:00 PM

আজ দিল্লি আদালতে দুপুর ২টো নাগাদ হানিপ্রীতের আগাম জামিনের শুনানি

01:19:00 PM

দার্জিলিংয়ে খুলল অধিকাংশ দোকানপাট

01:08:00 PM

ঝাড়গ্রামে ২টি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি
সোমবার রাতে ঝাড়গ্রাম শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বামদা এলাকায় চুরির ...বিশদ

01:01:00 PM