বিশেষ নিবন্ধ
 

 উত্তর ভারতের বঙ্গ অভিযান

সমৃদ্ধ দত্ত: পরাধীন ভারতে গোটা দেশের মধ্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার কে পেয়েছিলেন? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামে এক বাঙালি। স্বাধীন ভারতেও গোটা দেশের মধ্যে নোবেল পুরস্কার কে পেয়েছেন? অমর্ত্য সেন নামে এক বাঙালি। আধুনিক চিন্তাধারা নিয়ে এসে সতীদাহ প্রথা রদ করার জন্য সবথেকে কার অবদান বেশি? রামমোহন রায় নামে এক বাঙালির। বিধবাবিবাহ আর স্ত্রীশিক্ষার প্রচলন করে দেশে বৈপ্লবিক চেতনার জন্ম দিয়েছেন কে? ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নামে এক বাঙালি। গোটা দেশের মধ্যে কোন গ্রামের ছেলে হিন্দুধর্মের এক মহাপুরুষ হয়েও প্রথম উচ্চারণ করেছিলেন যত মত তত পথ? গদাধর চট্টোপাধ্যায় নামে একজন বাঙালি। ভারতীয় আধ্যাত্মিকতার উদার ঐতিহ্যকে বিদেশে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন কে? নরেন্দ্রনাথ দত্ত নামে এক বাঙালি। আজ যে ইসকন সমগ্র বিশ্বে কৃষ্ণনামকে ধ্রুবপদে পরিণত করে সাহেবদের প্রণত হতে বাধ্য করছে তার প্রতিষ্ঠাতা কে? অভয়চরণ দে নামে এক বাঙালি। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত আর জাতীয় গান দুটিই রচনা করেছেন কারা? দুজনেই বাঙালি। প্রতিবেশি রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীতটি কার রচনা? একজন বাঙালির। ঘর সংসার, সমাজের নিরাপদ ঘেরাটোপে বাস করে স্বাধীনতা সংগ্রামের নামে শখের আন্দোলন আন্দোলন খেলা না করে একমাত্র কে সম্পূর্ণ নিজের একটি সেনাবাহিনী নির্মাণ করে বিদেশ থেকে সমর্থন জোগাড় করে ব্রিটিশকে আক্রমণ পর্যন্ত করতে সমর্থ হয়েছিলেন? এবং একমাত্র কার ভয়ে ব্রিটিশ শাসন সত্যিকারের ত্রস্ত হয়েছিল? সুভাষচন্দ্র বসু নামে এক বাঙালি। ভারতের মধ্যে একমাত্র কারা বছরভর জেলায় মহকুমা ব্লকে গ্রামে বইমেলা, লিটল ম্যাগাজিন আর সাহিত্যচর্চার নেশায় কেরিয়ারকেও পাত্তা দেয় না যুবসমাজ? বাঙালি। ফেসবুকে লক্ষ লক্ষ কবিতা আর সাহিত্যের গ্রুপ একমাত্র কোন জাতির ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেখা যায়? বাঙালির। আন্দামানে সেলুলার জেলে বন্দি থাকা বা প্রাণদান করা বিপ্লবীদের দীর্ঘ তালিকায় সবথেকে বেশি কোন পদবিভুক্ত বিপ্লবীদের নাম লক্ষ্য করা যায়? বাঙালি।
এই তাবৎ ঐতিহ্য আর গৌরব একমাত্র বাঙালির। আর সেই কারণেই অন্য রাজ্যগুলির প্রবল ঈর্ষা এবং ক্রোধ বাঙালি জাতির এই ইন্টেলেকচুয়াল উত্তরণে। মহাত্মা গান্ধী একমাত্র দুটি মানুষকেই মননের দিক থেকে শ্রদ্ধা, সমীহ করতে বাধ্য হতেন । বিভিন্ন ইস্যুতে মহাত্মার বিরোধিতা করার সাহস দেখাতেন শুধু ওই দুজনই। দুজনেই বাঙালি। সুভাষচন্দ্র আর রবীন্দ্রনাথ। ১৯৪৭ সালের পর লাগাতার কয়েক বছর ধরে সংসদের রেকর্ড ঘেঁটে দেখা যাবে দেশভাগের সমস্যা ও পুনর্বাসন নিয়ে বহুবার আলোচনা হয়েছে। কিন্তু প্রায় সব আলোচনার ভরকেন্দ্র পঞ্জাবের সমস্যা। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আগত রিফিউজি নিয়ে মহা চিন্তিত জওহরলাল নেহরু সহ তাবৎ কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ কালেভদ্রে উচ্চারিত হয়েছিল। বাংলা নিয়ে কেউ ভাবিত নয়। কারণ উত্তর ভারত কেন্দ্রিক ভারতীয় রাজনীতি বাঙালিকে পছন্দ করেনি। বরাবর। কারণ বাঙালির সাংস্কৃতিক উচ্চতা তারা না পেরেছে বুঝতে, না পেরেছে পাল্লা দিতে। বাঙালি সংস্কৃতির বহুত্ববাদ, সূক্ষ্মতা হিন্দিভাষী উত্তর ভারতের সংস্কৃতির সঙ্গে সামান্যতম মিলও নেই। একান্তভাবে নিজেদের একটি উচ্চাঙ্গের কৃষ্টি প্লাস একের পর এক মনীষীর আগমন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে। এর কোনও তুলনাই হয় না ভারতের কোনও রাজ্যের সঙ্গে। তাই উত্তর ভারত এতকাল নিছকই অক্ষম রাগে এবং বাঙালিকে হেয় করে, অবজ্ঞা করে আর হাসাহাসি করেই রাগ প্রশমিত করেছে। আসল হতাশা হল এতসব মনীষী, এত স্বাধীনতা সংগ্রামী, শিক্ষাবিদ উত্তর ভারত কোনওদিন পায়নি। তাই ঈর্ষা।
এই প্রথম উত্তর ভারত প্রতিশোধ নিতে পারছে। ধর্মের নামে অস্ত্র হাতে মিছিল করা, বেশ কিছু টিপিক্যাল হিন্দিভাষী সংস্কৃতির বাড়বাড়ন্ত, অত্যন্ত সুকৌশলে বাঙালির নিজেদের মনীষী, উৎসব, পরবগুলিকে পিছনের সারিতে সরিয়ে দিয়ে অনেক বেশি বেশি ভিনরাজ্যের কালচার আগ্রাসীভাবে নিয়ে আসার প্রয়াস। আর আমরা অজান্তে সেসবকে গ্রহণ করছি রাজনৈতিক বিশ্বাসের মোড়কে। এসব অনেক আগে থেকে চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এই প্রথম সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে। কারণ আমাদের বাঙালিদের একটি নব্য অংশ নতুন রাজনীতির মোহে সেইসব ফাঁদে পা দিয়েছে। যে কোনও সমাজকে প্রভাবিত করার জন্য নিছক প্রশাসনিক ক্ষমতা হাতে পেলেও আগ্রাসন সম্পূর্ণ হয় না। সবার আগে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন করতে হয়। এটাই নিয়ম। আমেরিকা যখন সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব নিয়ে গোটা বিশ্বে নিজেদের বিগত ৫০ বছর ধরে সম্প্রসারিত করেছে, তারা কিন্তু প্রথমেই টার্গেট করেছে কালচারাল আগ্রাসনকে। অর্থাৎ জীবনযাপনকে আমেরিকার মতো করিয়ে দাও। সেই আগ্রাসনের হাতিয়ার হল স্যাটেলাইট চ্যানেল, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক বিধি, ইলেকট্রনিকস গ্যাজেটস ইত্যাদি। নতুন প্রজন্মকে যে কোনও রাজ্যেই পোশাক ফ্যাশন, দেখতে শুনতে, আচার আচরণ, কথাবার্তা, কালচার সব দেখবেন অনেকটাই এক। লিভাইস, লি, পেপে জিনস, ম্যাকডোনাল্ড বা পিজা হাট, সিটি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড, ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস অ্যাপ, নাইকে, অ্যাডিডাস ফুটওয়্যার, প্রতিদিনের ব্যবহারের ইউনিলিভার বা প্রোক্টর গ্যাম্বলের কনজিউমার প্রোডাক্ট, ইনফিনিটি কিংবা স্টার ওয়ার্ল্ড চ্যানেলের সিরিয়াল। দেখবেন গোটা বিশ্বের সর্বত্র এরকমই কালচার হয় নতুন ছেলেমেয়েদের। একে বলে হোমোজিনয়াস কালপপ। অর্থাৎ পপুলার কালচারকে এমন একটি ছাঁচে ফেলে সকলকেই টেনে আনা যেখানে আর কোনও পৃথক জনগোষ্ঠীর পৃথক সংস্কৃতি না থাকে। আটলান্টা আর নয়ডার ছেলেমেয়েরা যেন একইরকম আচার আচরণ করে। আমেরিকার কর্পোরেট কালচারাল আগ্রাসন। ঠিক এরকমই আগ্রাসন উত্তর ভারতীয় সংস্কৃতির মধ্যে অনেক আগে থেকেই রয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকেই স্লোগান ছিল হিন্দি, হিন্দু, হিন্দুস্তানী। বাঙালিকে সংস্কৃতি আর ইন্টেলেকচুয়ালি হারাতে এতদিন ব্যর্থ হওয়ার পর এবার সময় এসেছে নতুন মোড়কে আগ্রাসনের। তাই হিন্দুত্বের অজুহাত দেওয়া হলেও আসলে এই গোটা প্লট হল বাঙালি কালচারকে পিছনে ঠেলে দিয়ে, ধ্বংস করে উত্তর ভারতীয় কালচার ঢুকিয়ে দেওয়া। নতুন এক সংস্কৃতি বাংলায় তৈরি করা। বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে লাভ কী হল? লাভটি অত্যন্ত কুশলী। এই বাচ্চাদের এখনও ভোটাধিকার হয়নি। তাদের মনন এবং ভাবনা বা চিন্তা এখন সবেমাত্র গড়ে উঠতে শুরু করেছে। প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি তাদের মধ্যে এই অস্ত্র দিয়ে আসলে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে তোমাদের চারপাশে কিন্তু একটি শত্রুপক্ষ আছে। তাদের মোকাবিলার জন্য রেডি থাকতে হবে। তোমাদের সুরক্ষার জন্য এই অস্ত্র হাতে রাখা, অস্ত্র ধরা প্র্যাকটিস করতে হবে। এরকম একটি প্রচ্ছন্ন বার্তা মগজে ঢুকে যাচ্ছে। আজ তারা ভোট দেবে না। কিন্তু ১০ বছর পর দেবে। এই ১০ বছরে তাদের মস্তিষ্কের হার্ড ডিস্কে এভাবেই বছর বছর অস্ত্র মিছিল এবং অন্যান্য গোপন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মোটামুটি ডেটা স্টোর করে দেওয়া হবে বিভেদমূলক অ্যাজেন্ডা। সুতরাং এই মনগুলিতে রাজনীতি ঢোকার আগে পাকাপাকি স্থান করে নেবে হিংসার বিষ। তারপর সেই মনটাই তাদের চালিত করবে রাজনৈতিকভাবেও। এভাবে একটি নতুন জেনারেশন তৈরি হয়ে যাবে। যারা রাজনীতিকে ধর্ম দিয়েই বিচার করা স্বাভাবিক মনে করবে। সেটা রাজনীতিগতভাবে নয়, সাংস্কৃতিকভাবেও বিপজ্জনক। কারণ আগামী জেনারেশন ক্রমেই রবীন্দ্রজয়ন্তী অথবা পয়লা বৈশাখের প্রভাত ফেরি অথবা শ্যামা শাপমোচন চিত্রাঙ্গদা কিংবা মহালয়ার বীরন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রে আর আকৃষ্ট হবে না। ওসব প্রাচীন, ন্যাকামো কিংবা যথেষ্ট ম্যাড়ম্যাড়ে বলে ভাবা হবে। তার থেকে রামনবমী, হনুমান জয়ন্তী, দিওয়ালি, দশেরা বেশি বেশি করে পালিত হবে। যেগুলির প্রতিটি পরবের মধ্যেই কমন ফ্যাক্টর হবে একটা করে ভয় দেখানো মিছিল। এই ধর্মীয় উৎসব পালন করা মোটেই দোষের নয়। অবশ্যই সকলেই করতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হল এগুলি যদি নিছক ধর্মীয় উৎসবই হয়, তাহলে সাড়ে ৫ হাজার বছরের পুরানো হিন্দুধর্মের এই উৎসবগুলি হঠাৎ করে ২০১৭ সালে শুরু করতে হল কেন? এতদিন কেন হচ্ছিল না? হিন্দুদের চারটি আকরগ্রন্থ বেদ, গীতা, শ্রীশ্রীচণ্ডী আর উপনিষদের কোথাও অস্ত্রমিছিলের হদিশ পাওয়া যায় না কেন? হিন্দুধর্মের সবথেকে আধুনিক চার প্রচারক শ্রীরামানূজ, শ্রীচৈতন্যদেব, শংকরাচার্য এবং শ্রীরামকৃষ্ণ কেন অস্ত্র মিছিলের কোনও নির্দেশ দিয়ে যাননি? কেন খোদ অযোধ্যাতেই রামনবমীতে অস্ত্র মিছিল হয় না? বাঙালি চোখ বুজে ঝাঁপিয়ে পড়ছে নিজেদের সংস্কৃতির বিপরীত পথে। শুরু হয়েছিল বিয়ে বা অন্য শুভ অনুষ্ঠানের প্রীতিভোজ দিয়ে। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, যে কোনও অনুষ্ঠানে মেনু কিংবা রীতি রেওয়াজে সম্পূর্ণ ভিনরাজ্যের কালচারই এখন শাসন করছে। বাঙালির উত্তর ভারতীয়করণে সবথেকে উৎসাহী হয়েছে বাঙালি নিজেই। আর তা দেখে উত্তর ভারত এই এতদিন পর বিজয়ের হাসি হাসছে। কারণ নিছক রাজনীতি দিয়ে নয়, উত্তর ভারত দেখিয়ে দিতে চাইছে তারা নিজেদের সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমেই বাংলা জয় করতে মরিয়া।
আমরা যারা হিন্দু বাঙালিরা প্রবাসে থাকি তাদের ধর্মীয় কৃষ্টি আর সাংস্কৃতিক জীবনের সবথেকে বড় বেদনা কী? দিল্লি, মুম্বই, আমেদাবাদ, ঩চেন্নাই, লখনউ কোথাও দুর্গাপুজো, সরস্বতী পুজো, কালীপুজো, লক্ষ্মীপুজো, রবীন্দ্রজয়ন্তীর ছুটি পাই না। বাঙালি পরিবারের ছেলেমেয়েদের সপ্তমী অষ্টমীর দিনও পরীক্ষা দিতে যেতে হয় স্কুলে। বাংলার বিজেপির কাছে আমাদের বিনীত নিবেদন, রামনবমী নিয়ে এতটা যত্নশীল প্রচার যখন করছেন, তখন কেন্দ্রীয় সরকারকে বলুন দুর্গাপুজো, সরস্বতী পুজো, কালীপুজো, লক্ষ্মীপুজো, রথযাত্রায় ছুটি দিতে সব কেন্দ্রীয় অফিস আর স্কুলে। কেন্দ্রে তো বিজেপি। বিজেপির যেসব রাজ্যে সরকার চলছে সেসব রাজ্যের সরকারকেও বলা হোক দুর্গাপুজোয় ছুটি দিতে। বাঙালির ছেলেমেয়েদের কী বাংলার বাইরে অধিকার নেই অঞ্জলি দেওয়া বা সন্ধিপুজোয় থাকার? যাঁরা বাঙালির মধ্যে হিন্দুত্ব জাগ্রত করতে এত সাংঘাতিক পরিশ্রম করছেন, তাদের কাছে বিনীত প্রশ্ন বিজেপি শাসিত রাজ্যে দুর্গাপুজোয় চারদিন ছুটি দেয় না কেন? উত্তর ভারতের সংস্কৃতি বাঙালির উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে চোখ রাঙিয়ে। অথচ বাংলার বাইরের রাজ্যগুলিতে বাঙালির নিজেদের ধর্মপালনের পথ সুগম করা হচ্ছে না কেন?
এই প্রতিবেদন শেষ করবো দুটি প্রশ্ন নিয়ে। ১) রামনবমী কিংবা অন্যান্য অস্ত্র মিছিলের যাঁরা সমর্থন করছেন বা প্রমোট করছেন, সেই বিজেপির প্রথম সারির নেতা,নেত্রী, এমপি, মন্ত্রীদের কারও পুত্রকন্যা, নাতি, নাতনিকে অস্ত্র হাতে মিছিলে দেখা গেল না কেন? কেন নিজেদের পরিবারের ছেলেমেয়েদের ইংলিশ মিডিয়ামে পড়িয়ে দেশের সর্বোচ্চ মানের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে চলেছেন তাঁরা? নিজেদের ঘরের সন্তানসন্ততি নিরাপদে স্মার্ট আর আধুনিক জীবন কাটাবে! আর অন্য ঘরের বাচ্চা ছেলেমেয়েরা অস্ত্র নিয়ে মিছিল করবে? আর ২) সবথেকে বেশি শোনা যাচ্ছে একটাই যুক্তি। মহরমের সময় অস্ত্র হাতে মিছিল করলে দোষ নেই? রামনবমীতেই দোষ? একদম সঠিক যুক্তি। অন্যায় হলে দুটিই অন্যায়। ব্যবস্থা নিতে হলে দুটি ক্ষেত্রেই নেওয়া হোক। নয়তো দুটিকেই ছাড় দেওয়া হোক। বৈষম্য চলবে না। তবে ছোট্ট প্রশ্ন হল, সাড়ে ৫ হাজার বছরের পুরানো হিন্দুধর্মকে অন্য একটি ধর্মের নকল করতে হচ্ছে কেন? মহরমে মুসলিমদের একটি অংশ অস্ত্র হাতে মিছিল করে বলে পালটা শক্তি প্রদর্শন হিসাবে হিন্দুরা কী সেই পদ্ধতিটাকেই নকল করবে? মহান সনাতন হিন্দুত্বের ক্ষেত্রে এটা কী আদৌ গৌরবের ব্যাপার? পৃথক বৈশিষ্ট্য থাকবে না? ধর্মীয় জাগরণকে কীভাবে অস্ত্র ছাড়াই একটি সামাজিক বিপ্লবে পরিণত করা যায় তা ৫০০ বছর আগে নবদ্বীপবাসী এক ধর্মবিপ্লবী দেখিয়ে দিয়েছিলেন। হুসেন শাহের দৌহিত্র চাঁদ গাজির নির্দেশে নবদ্বীপে কীর্তনে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। উচ্চবর্ণের হিন্দু আর মুসলিম দুপক্ষই একজোট হয়ে নালিশ করে করে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করতে প্ররোচনা দিয়েছিল চৈতন্যদেবের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে। কিন্তু সামান্য উত্তেজিত না হয়ে শ্রীচৈতন্য সোজা কাজির কাছে যান। সঙ্গে কিন্তু বিরাট মিছিল। শান্তিপূর্ণ। হরিদাস, অদ্বৈত আর স্বয়ং মহাপ্রভূ কাজিকে মধুর যুক্তিতে বোঝাতে সক্ষম হলেন। অভিভূত কাজি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে তৎক্ষণাৎ বললেন, আগামীকালই নগর সংকীর্তন হোক। তিনি শ্রীচৈতন্যকে ভাগ্নে সম্বোধন করেন। আর কাজিকে ‘মামা’ সম্বোধনে আলিঙ্গন করে শ্রীচৈতন্য সেই ‘মামা ভাগ্নের’ সম্পর্ককে চিরস্থায়ী করলেন। জায়গাটা নবদ্বীপ। আমাদের বাংলা। অন্য ধর্মের একটি অংশকে নকল করে অস্ত্র হাতে নিতে হবে কেন? আমাদের ঐতিহ্যেই তো বিকল্প পথ দেখানো রয়েছে। শুধু একটু ইতিহাস,পরম্পরা, ঐতিহ্যটা জানতে হবে, পড়বে হবে। এই যা! যেমন জানা দরকার ধর্মগ্রন্থ বা পঞ্জিকা সর্বত্রই রামনবমীতে ব্রত এবং উপবাসের কথা বলা হয়েছে। অস্ত্রমিছিলের কোনও রেফারেন্সই নেই। অবশ্য জানা আর পড়ার চেষ্টা একটু কষ্টকর। কারণ ওটা একা করতে হয়। তার থেকে হুংকার-মিছিল করা সোজা। দলে মিশে চোখ রাঙানো যায়। একটা কথা বলতে ভুলে গেলাম। ১২ এপ্রিল বিভিন্ন সংবাদপত্রে (বর্তমানেও) প্রথম পাতায় হনুমান জয়ন্তীর একটি মিছিলের ছবি ছাপা হয়েছে। অনেকগুলি উৎসাহী মুখ। কপালে গেরুয়া ফেট্টি বাঁধা। কলকাতার রানি রাসমণি রোডে তোলা ছবি। সকলের মাথার গেরুয়া ফেট্টিতে জয় শ্রীরাম লেখা। কিন্তু হিন্দিতে! বাংলায় নয়। কেন?
21st  April, 2017
নিরপেক্ষতাই হল আইনসভার প্রাণ, কিন্তু তা রক্ষিত হচ্ছে কই?
বরুণ গান্ধী

 ১৯৭৫ সালের ঘটনা। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পঞ্চম লোকসভার স্পিকার ড. জি এস ধীলনকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দেন। অতঃপর ড. ধীলনকে কেন্দ্রের জাহাজ মন্ত্রী করা হল। এটি নজিরই সৃষ্টি করলেন ইন্দিরা গান্ধী। আর এই নজিরটি আ‌ইনসভার পরবর্তী উচ্চ পদাধিকারীদেরও রাজনৈতিক উচ্চাশাপূরণের কথা ভাববার অবকাশ এনে দিয়েছিল।
বিশদ

পদ্মাবতীর মুণ্ডচ্ছেদ ফতোয়া: অন্ধকারের শক্তিসাধনা আর কতদিন
মেরুনীল দাশগুপ্ত

সত্যের জন্য ইতিহাস পড়ো, আনন্দের জন্য আইভ্যানহো পড়ো। একটি প্রবন্ধে এমনই পরামর্শ দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। অনেক বছর আগে, এক শতাব্দীরও বেশি আগে। ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস ও ইতিহাসের তফাৎ বোঝাতেই ছিল তাঁর এই পরামর্শ। তাতে উদাহরণ হিসেবে তিনি বিশ্ববিশ্রুত ঔপন্যাসিক স্যার ওয়াল্টার স্কটের ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস ‘আইভ্যানহো’র উল্লেখ করেছিলেন।
বিশদ

23rd  November, 2017
মুডিজের মুড—ভারতের ক্রেডিট রেটিংয়ের উত্তরণ
অতনু বিশ্বাস

২০১৫-র একদম শেষের হলিউড ম্যুভি ‘দ্য বিগ শর্ট’। অভিনয়ে রায়ান গোসলিং, ব্র্যাড পিট, ক্রিশ্চিয়ান বালে, স্টিভ ক্যারেল। অ্যাডাপ্টেড স্ক্রিন প্লে-র জন্যে অস্কারও পেয়েছিল ম্যুভিটি। নিউ ইয়র্ক টাইমস এই ম্যুভিটিকে বলেছে বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকটের সব চাইতে জোরদার ফিল্মি ব্যাখ্যা। তিনটি সহগামী গল্পকে এক সুতোয় বেঁধে ২০০৭-০৯-এর গৃহঋণ আর বন্ধক নিয়ে মার্কিন অর্থনীতিতে ধ্বস আর তার কার্য-কারণের বিশ্লেষণই এই ছবিটির প্রতিপাদ্য। আর সেই সঙ্গে মুডিজ, এস অ্যান্ড পি বা ফিচ-এর মতো ক্রেডিট রেটিং সংস্থাগুলি সম্পর্কে আমাদেরও হয়ে যায় এক সহজ পাঠ।
বিশদ

23rd  November, 2017
লুক ইস্ট থেকে অ্যাক্ট ইস্ট: কী পেলাম
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে ওই বছরই ১২ নভেম্বর আসিয়ান-ভারত যৌথ সম্মেলনের বক্তৃতায় নরেন্দ্র মোদি উল্লেখ করেছিলেন দেশের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক বিকাশ, শিল্পায়ন এবং বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যেমন নতুন জোয়ার এসেছে তেমনি ভারতের বিদেশনীতিতে ‘লুক ইস্ট’ পলিসি ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ পলিসিতে রূপান্তরিত হয়েছে।
বিশদ

21st  November, 2017
বাংলার রসগোল্লা—মেড ইন চায়না
হারাধন চৌধুরী

আলী সাহেব বাঙালিকে শুনিয়েছিলেন তাঁর ঝান্ডুদার গল্প। পাঠক জানেন, ঝান্ডুদা মস্ত ব্যবসায়ী। যাচ্ছিলেন লন্ডন। বিলেতবাসী এক বন্ধুকন্যার জন্য সঙ্গে এনেছিলেন বাংলার টিনজাত কিছু রসগোল্লা। পথে ইতালির ভেনিস বন্দরে নামতে হয়। এরপর সেখানকার কাস্টমস অফিসে চেকিংয়ের সময় সেই কয়েক পাউন্ড রসগোল্লার জন্য যে আক্কেলগুড়ুম হবে তা তাঁর কল্পনায় ছিল না।
বিশদ

21st  November, 2017
গুম-নিখোঁজ ও পরমানন্দ মন্ত্রণালয়
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

বাংলাদেশে ‘লিট ফেস্ট’ শুরু ও শেষ হল। সেই কারণে কি না জানি না, অরুন্ধতী রায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস ‘দ্য মিনিস্ট্রি অব আটমোস্ট হ্যাপিনেস’ হুট করে সংবাদপত্রে চর্চার কেন্দ্রে উঠে এল। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় সাহিত্যিক ও সাংবাদিক, আমার অতি ঘনিষ্ঠ ও প্রিয় আনিসুল হক এই উপন্যাসের বাংলা নাম দিয়েছেন ‘পরমানন্দ মন্ত্রণালয়’।
বিশদ

19th  November, 2017
লন্ডন, এডিনবরা এবং মমতা
শুভা দত্ত

দুর্গাপুজোর দিন যত এগিয়ে আসে, আনন্দটা তার সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বাড়ে। এ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির চিরন্তন সত্য। আর মা দুর্গাকে ঘিরে সেই উৎসবের রামধনু রং ফিকে হতে শুরু করে নবমীর সন্ধ্যা থেকেই। আজ বাদে কাল দশমী। মায়ের ফিরে যাওয়ার পালা।
বিশদ

19th  November, 2017
চীনের প্রেসিডেন্ট বনাম ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ
প্রশান্ত দাস

জিনপিং দেশের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের বললেন—আমাদের সমাজতন্ত্র দেশকে তরতর করে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। এগিয়ে চলেছে আমাদের অর্থনীতি। কিন্তু গত পাঁচ বছরে আপনারা ক’টি অবিশ্বাস্য অস্ত্র দিতে পেরেছেন সেনাদের? ভারতের ডিআরডিও কী করে পৃথিবীতে দু’নম্বর রিসার্চ সেন্টার হল? কী নেই আপনাদের? যা যা চাই, তালিকা পাঠান। যতদিন না আমরা ডিআরডিও-কে ছাপিয়ে যেতে পারছি, ততদিন আমরা নিজেদের এশিয়ার মধ্যে এক নং বলতে পারব না।
বিশদ

18th  November, 2017
রাজ্যের লাইব্রেরিগুলিকে বাঁচাতেই হবে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

মনে পড়ছে গত ডিসেম্বরের কথা। বীরভূম জেলার সরকারি বইমেলার আয়োজন হয়েছিল সিউড়িতে, ইরিগেশন কলোনির মাঠে। আমি উদ্বোধক, মঞ্চে জেলার মন্ত্রীরা, সঙ্গত কারণেই উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থাগারমন্ত্রীও। মঞ্চে বসেই সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয়, আলাপচারিতা।
বিশদ

18th  November, 2017
মোদির আমলে শিশুদের খিদের যন্ত্রণা তীব্র, কারণ শিশু ও মহিলা উন্নয়নে গুরুত্ব কম
দেবনারায়ণ সরকার

কেন্দ্রীয় সরকারের গত ৩ বছরের বাজেটের তথ্য সার্বিকভাবে বিচার করলে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় বাজেটে মোট ব্যয় যেখানে ২১ শতাংশের বেশি বেড়েছে (টাকার অঙ্কে অতিরিক্ত প্রায় ৩ লক্ষ ৫১ হাজার কোটি টাকা), সেখানে মহিলা ও শিশু উন্নয়নে ব্যয় কপর্দকও বাড়েনি, বরং প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। একইভাবে মহিলা ও শিশু উন্নয়ন ব্যয় বাজেটের মোট ব্যয়ের ১ শতাংশের অনেক নীচে নেমেছে। মোদ্দা কথা হল, যে দেশের কেন্দ্রীয় বাজেটে মহিলা ও শিশু উন্নয়নের ব্যয় বাজেটে মোট ব্যয়ের ১ শতাংশেরও কম এবং এই ব্যয় মোদির জমানায় যেহেতু আরও কমছে, সেই দেশে রোজ রাতে খালি পেটে শুতে যাওয়া শিশুদের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধিটাই স্বাভাবিক। তাই ভারতে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অপুষ্টিও।
বিশদ

17th  November, 2017
ডেঙ্গু: রাজনীতি ছেড়ে হাত মিলিয়ে কাজের সময়
অনিরুদ্ধ কর

অবিলম্বে একটা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা নিয়মাবলী প্রকাশ করতে হবে সরকারের তরফে। সরকারি নির্দেশ মানতে বাধ্য সকল সরকারি বেসরকারি ও প্রাইভেট চিকিৎসা কেন্দ্র। অতীতের দিকে নজর দিলে দেখা যাবে বার্ড ফ্লু বা সোয়াইন ফ্লু-র সময় সরকারের তরফে এমন নিয়মাবলী প্রকাশ করা হয়েছিল। চিকিৎসাব্যবস্থায় কী কী থাকতে হবে এবং কোথায় থাকবে তাও বলে দেওয়া হয়েছিল। ফ্লু-র ওষুধ একমাত্র সরকার দিত। খোলাবাজারে মিলত না সেই ওষুধ। কারণ সেক্ষেত্রে ওষুধ নিয়ে কালোবাজারি এবং চড়া দামে ওষুধ বিক্রি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যেত। এছাড়া একটি রাজ্যস্তরের কমিটি ছিল পর্যালোচনার জন্য।
বিশদ

17th  November, 2017
প্যারিস, পরিবেশ এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পরিবেশ মানে হল যেখানে সেখানে থুতু না ফেলা। মন্তব্যটি আমারই এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর। এবং কী ভয়ঙ্কর সাবলীল স্বীকারোক্তি। যে দেশে ৩০ কোটি মানুষ এখনও দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করেন, যেখানে সাক্ষরতা বলতে বোঝানো হয় নিজের নাম সই করতে পারা, সেখানে সচেতনতার প্রাথমিক পাঠটা এমন একটা মন্তব্য দিয়ে শুরু করলে মন্দ কী!
বিশদ

16th  November, 2017
একনজরে
বাগদাদ, ২৩ নভেম্বর (এএফপি): সিরিয়া সীমান্তে ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিদের শেষ ঘাঁটি উৎখাতে নামল ইরাকি সেনা। ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে জঙ্গিদের অস্তিত্ব টের পেয়ে অভিযানের কথা ঘোষণা করে দেয় সেনা। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রতারণার ঘটনায় ধৃত বিএসএনএলের মহিলা ইঞ্জিনিয়ার। কলকাতার একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভরতি করিয়ে দেওয়ার নাম করে ২০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে বুধবার যাদবপুর থানার পুলিশ অভিযুক্ত মহুয়া চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করেছে। ...

সংবাদদাতা, বর্ধমান: রাজ কলেজের টাকা নয়ছয় এবং লেনদেন সংক্রান্ত হিসেবের তদন্ত করতে বিবিএ, বিসিএ বিভাগে ঢুকতে অসুবিধা হচ্ছে তদন্তকারী দলের। ...

নাগপুর, ২৩ নভেম্বর: দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় না পেয়ে বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তিনি বলেছেন, ‘শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুপ্ত শত্রুতা বৃদ্ধি। কর্মে উন্নতি। ব্যবসায় অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় সাফল্য। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো যাবে। প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৫৯: চার্লস ডারউইনের লেখা ‘অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিস’ প্রকাশিত হল।
১৮৮৮: মার্কিন সাহিত্যিক ডেল কার্নেগির জন্ম
১৯৫৫: ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার ‌ইয়ান বথামের জন্ম
১৯৬১: লেখিকা এবং সমাজকর্মী অরুন্ধতী রায়ের জন্ম।

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০০ টাকা ৬৫.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৯৬ টাকা ৮৭.৮৫ টাকা
ইউরো ৭৫.৩৬ টাকা ৭৮.০০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৪২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৮ অগ্রহায়ণ, ২৪ নভেম্বর, শুক্রবার, ষষ্ঠী অহোরাত্র, নক্ষত্র-উত্তরষা‌ঢ়া দিবা ১০/৩, সূ উ ৫/৫৯/৫, অ ৪/৪৭/২৭, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৭/২৪ গতে ৯/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে অস্তাবধি, রাত্রি ঘ ৫/৪০ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ৩/২০ মধ্যে পুনঃ ৪/১৪ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪১ গতে ১১/২৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৪ মধ্যে।
৭ অগ্রহায়ণ, ২৪ নভেম্বর, শুক্রবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৩/৩৭/৪১, উত্তরষা‌ঢ়ানক্ষত্র ৭/৩১/৩৪, সূ উ ৬/০/১৩, অ ৪/৪৫/৪৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৪৩/১৫ মধ্যে, ৭/২৬/১৭-৯/৩৫/২৫, ১১/৪৫/৩২-২/৩৭/৪২, ৩/২০/৪৫-৪/৪৫/৪৯, রাত্রি ৫/৩৮/৪৭-৯/১০/৩৭, ১১/৪৯/৩০-৩/২১/২০, ৪/১৪/১৮-৬/০/৪৫, বারবেলা ৮/৪১/৩৭-১০/২/১৯, কালবেলা ১০/২/১৯-১১/২৩/১, কালরাত্রি ৮/৪/২৫-৯/৪৩/৪৩।
 ৪ রবিঃ আউঃ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  আইএসএলে আজ চেন্নাইয়ান এফসি ৩ : ০ গোলে হারাল নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে

23-11-2017 - 10:01:16 PM

  আইএসএল: চেন্নাইয়ান এফসি:৩ নর্থইস্ট ইউনাইটেড: ০ (৮৪ মিনিট)

23-11-2017 - 09:50:28 PM

 আইএসএল: চেন্নাইয়ান এফসি:২ নর্থইস্ট ইউনাইটেড: ০ ( ৩৫ মিনিট)

23-11-2017 - 08:42:04 PM

সৌরভের বাড়িতে মশার আঁতুড়ঘর, আজ নোটিস দেবে পুরসভা

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতেই সন্ধান মিলল ডেঙ্গু বাহক মশার আঁতুড়ঘরের। আগামীকাল ...বিশদ

23-11-2017 - 07:09:00 PM

ভদ্রেশ্বর পুরপ্রধান খুন: এবার নাম জড়াল নির্দল কাউন্সিলার রাজু সাউয়ের 

ভদ্রেশ্বরে পুরপ্রধান মনোজ উপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় এবার নাম জড়াল নির্দল ...বিশদ

23-11-2017 - 05:42:00 PM