বিশেষ নিবন্ধ
 

 উত্তর ভারতের বঙ্গ অভিযান

সমৃদ্ধ দত্ত: পরাধীন ভারতে গোটা দেশের মধ্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার কে পেয়েছিলেন? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামে এক বাঙালি। স্বাধীন ভারতেও গোটা দেশের মধ্যে নোবেল পুরস্কার কে পেয়েছেন? অমর্ত্য সেন নামে এক বাঙালি। আধুনিক চিন্তাধারা নিয়ে এসে সতীদাহ প্রথা রদ করার জন্য সবথেকে কার অবদান বেশি? রামমোহন রায় নামে এক বাঙালির। বিধবাবিবাহ আর স্ত্রীশিক্ষার প্রচলন করে দেশে বৈপ্লবিক চেতনার জন্ম দিয়েছেন কে? ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নামে এক বাঙালি। গোটা দেশের মধ্যে কোন গ্রামের ছেলে হিন্দুধর্মের এক মহাপুরুষ হয়েও প্রথম উচ্চারণ করেছিলেন যত মত তত পথ? গদাধর চট্টোপাধ্যায় নামে একজন বাঙালি। ভারতীয় আধ্যাত্মিকতার উদার ঐতিহ্যকে বিদেশে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন কে? নরেন্দ্রনাথ দত্ত নামে এক বাঙালি। আজ যে ইসকন সমগ্র বিশ্বে কৃষ্ণনামকে ধ্রুবপদে পরিণত করে সাহেবদের প্রণত হতে বাধ্য করছে তার প্রতিষ্ঠাতা কে? অভয়চরণ দে নামে এক বাঙালি। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত আর জাতীয় গান দুটিই রচনা করেছেন কারা? দুজনেই বাঙালি। প্রতিবেশি রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীতটি কার রচনা? একজন বাঙালির। ঘর সংসার, সমাজের নিরাপদ ঘেরাটোপে বাস করে স্বাধীনতা সংগ্রামের নামে শখের আন্দোলন আন্দোলন খেলা না করে একমাত্র কে সম্পূর্ণ নিজের একটি সেনাবাহিনী নির্মাণ করে বিদেশ থেকে সমর্থন জোগাড় করে ব্রিটিশকে আক্রমণ পর্যন্ত করতে সমর্থ হয়েছিলেন? এবং একমাত্র কার ভয়ে ব্রিটিশ শাসন সত্যিকারের ত্রস্ত হয়েছিল? সুভাষচন্দ্র বসু নামে এক বাঙালি। ভারতের মধ্যে একমাত্র কারা বছরভর জেলায় মহকুমা ব্লকে গ্রামে বইমেলা, লিটল ম্যাগাজিন আর সাহিত্যচর্চার নেশায় কেরিয়ারকেও পাত্তা দেয় না যুবসমাজ? বাঙালি। ফেসবুকে লক্ষ লক্ষ কবিতা আর সাহিত্যের গ্রুপ একমাত্র কোন জাতির ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেখা যায়? বাঙালির। আন্দামানে সেলুলার জেলে বন্দি থাকা বা প্রাণদান করা বিপ্লবীদের দীর্ঘ তালিকায় সবথেকে বেশি কোন পদবিভুক্ত বিপ্লবীদের নাম লক্ষ্য করা যায়? বাঙালি।
এই তাবৎ ঐতিহ্য আর গৌরব একমাত্র বাঙালির। আর সেই কারণেই অন্য রাজ্যগুলির প্রবল ঈর্ষা এবং ক্রোধ বাঙালি জাতির এই ইন্টেলেকচুয়াল উত্তরণে। মহাত্মা গান্ধী একমাত্র দুটি মানুষকেই মননের দিক থেকে শ্রদ্ধা, সমীহ করতে বাধ্য হতেন । বিভিন্ন ইস্যুতে মহাত্মার বিরোধিতা করার সাহস দেখাতেন শুধু ওই দুজনই। দুজনেই বাঙালি। সুভাষচন্দ্র আর রবীন্দ্রনাথ। ১৯৪৭ সালের পর লাগাতার কয়েক বছর ধরে সংসদের রেকর্ড ঘেঁটে দেখা যাবে দেশভাগের সমস্যা ও পুনর্বাসন নিয়ে বহুবার আলোচনা হয়েছে। কিন্তু প্রায় সব আলোচনার ভরকেন্দ্র পঞ্জাবের সমস্যা। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আগত রিফিউজি নিয়ে মহা চিন্তিত জওহরলাল নেহরু সহ তাবৎ কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ কালেভদ্রে উচ্চারিত হয়েছিল। বাংলা নিয়ে কেউ ভাবিত নয়। কারণ উত্তর ভারত কেন্দ্রিক ভারতীয় রাজনীতি বাঙালিকে পছন্দ করেনি। বরাবর। কারণ বাঙালির সাংস্কৃতিক উচ্চতা তারা না পেরেছে বুঝতে, না পেরেছে পাল্লা দিতে। বাঙালি সংস্কৃতির বহুত্ববাদ, সূক্ষ্মতা হিন্দিভাষী উত্তর ভারতের সংস্কৃতির সঙ্গে সামান্যতম মিলও নেই। একান্তভাবে নিজেদের একটি উচ্চাঙ্গের কৃষ্টি প্লাস একের পর এক মনীষীর আগমন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে। এর কোনও তুলনাই হয় না ভারতের কোনও রাজ্যের সঙ্গে। তাই উত্তর ভারত এতকাল নিছকই অক্ষম রাগে এবং বাঙালিকে হেয় করে, অবজ্ঞা করে আর হাসাহাসি করেই রাগ প্রশমিত করেছে। আসল হতাশা হল এতসব মনীষী, এত স্বাধীনতা সংগ্রামী, শিক্ষাবিদ উত্তর ভারত কোনওদিন পায়নি। তাই ঈর্ষা।
এই প্রথম উত্তর ভারত প্রতিশোধ নিতে পারছে। ধর্মের নামে অস্ত্র হাতে মিছিল করা, বেশ কিছু টিপিক্যাল হিন্দিভাষী সংস্কৃতির বাড়বাড়ন্ত, অত্যন্ত সুকৌশলে বাঙালির নিজেদের মনীষী, উৎসব, পরবগুলিকে পিছনের সারিতে সরিয়ে দিয়ে অনেক বেশি বেশি ভিনরাজ্যের কালচার আগ্রাসীভাবে নিয়ে আসার প্রয়াস। আর আমরা অজান্তে সেসবকে গ্রহণ করছি রাজনৈতিক বিশ্বাসের মোড়কে। এসব অনেক আগে থেকে চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এই প্রথম সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে। কারণ আমাদের বাঙালিদের একটি নব্য অংশ নতুন রাজনীতির মোহে সেইসব ফাঁদে পা দিয়েছে। যে কোনও সমাজকে প্রভাবিত করার জন্য নিছক প্রশাসনিক ক্ষমতা হাতে পেলেও আগ্রাসন সম্পূর্ণ হয় না। সবার আগে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন করতে হয়। এটাই নিয়ম। আমেরিকা যখন সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব নিয়ে গোটা বিশ্বে নিজেদের বিগত ৫০ বছর ধরে সম্প্রসারিত করেছে, তারা কিন্তু প্রথমেই টার্গেট করেছে কালচারাল আগ্রাসনকে। অর্থাৎ জীবনযাপনকে আমেরিকার মতো করিয়ে দাও। সেই আগ্রাসনের হাতিয়ার হল স্যাটেলাইট চ্যানেল, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক বিধি, ইলেকট্রনিকস গ্যাজেটস ইত্যাদি। নতুন প্রজন্মকে যে কোনও রাজ্যেই পোশাক ফ্যাশন, দেখতে শুনতে, আচার আচরণ, কথাবার্তা, কালচার সব দেখবেন অনেকটাই এক। লিভাইস, লি, পেপে জিনস, ম্যাকডোনাল্ড বা পিজা হাট, সিটি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড, ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস অ্যাপ, নাইকে, অ্যাডিডাস ফুটওয়্যার, প্রতিদিনের ব্যবহারের ইউনিলিভার বা প্রোক্টর গ্যাম্বলের কনজিউমার প্রোডাক্ট, ইনফিনিটি কিংবা স্টার ওয়ার্ল্ড চ্যানেলের সিরিয়াল। দেখবেন গোটা বিশ্বের সর্বত্র এরকমই কালচার হয় নতুন ছেলেমেয়েদের। একে বলে হোমোজিনয়াস কালপপ। অর্থাৎ পপুলার কালচারকে এমন একটি ছাঁচে ফেলে সকলকেই টেনে আনা যেখানে আর কোনও পৃথক জনগোষ্ঠীর পৃথক সংস্কৃতি না থাকে। আটলান্টা আর নয়ডার ছেলেমেয়েরা যেন একইরকম আচার আচরণ করে। আমেরিকার কর্পোরেট কালচারাল আগ্রাসন। ঠিক এরকমই আগ্রাসন উত্তর ভারতীয় সংস্কৃতির মধ্যে অনেক আগে থেকেই রয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকেই স্লোগান ছিল হিন্দি, হিন্দু, হিন্দুস্তানী। বাঙালিকে সংস্কৃতি আর ইন্টেলেকচুয়ালি হারাতে এতদিন ব্যর্থ হওয়ার পর এবার সময় এসেছে নতুন মোড়কে আগ্রাসনের। তাই হিন্দুত্বের অজুহাত দেওয়া হলেও আসলে এই গোটা প্লট হল বাঙালি কালচারকে পিছনে ঠেলে দিয়ে, ধ্বংস করে উত্তর ভারতীয় কালচার ঢুকিয়ে দেওয়া। নতুন এক সংস্কৃতি বাংলায় তৈরি করা। বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে লাভ কী হল? লাভটি অত্যন্ত কুশলী। এই বাচ্চাদের এখনও ভোটাধিকার হয়নি। তাদের মনন এবং ভাবনা বা চিন্তা এখন সবেমাত্র গড়ে উঠতে শুরু করেছে। প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি তাদের মধ্যে এই অস্ত্র দিয়ে আসলে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে তোমাদের চারপাশে কিন্তু একটি শত্রুপক্ষ আছে। তাদের মোকাবিলার জন্য রেডি থাকতে হবে। তোমাদের সুরক্ষার জন্য এই অস্ত্র হাতে রাখা, অস্ত্র ধরা প্র্যাকটিস করতে হবে। এরকম একটি প্রচ্ছন্ন বার্তা মগজে ঢুকে যাচ্ছে। আজ তারা ভোট দেবে না। কিন্তু ১০ বছর পর দেবে। এই ১০ বছরে তাদের মস্তিষ্কের হার্ড ডিস্কে এভাবেই বছর বছর অস্ত্র মিছিল এবং অন্যান্য গোপন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মোটামুটি ডেটা স্টোর করে দেওয়া হবে বিভেদমূলক অ্যাজেন্ডা। সুতরাং এই মনগুলিতে রাজনীতি ঢোকার আগে পাকাপাকি স্থান করে নেবে হিংসার বিষ। তারপর সেই মনটাই তাদের চালিত করবে রাজনৈতিকভাবেও। এভাবে একটি নতুন জেনারেশন তৈরি হয়ে যাবে। যারা রাজনীতিকে ধর্ম দিয়েই বিচার করা স্বাভাবিক মনে করবে। সেটা রাজনীতিগতভাবে নয়, সাংস্কৃতিকভাবেও বিপজ্জনক। কারণ আগামী জেনারেশন ক্রমেই রবীন্দ্রজয়ন্তী অথবা পয়লা বৈশাখের প্রভাত ফেরি অথবা শ্যামা শাপমোচন চিত্রাঙ্গদা কিংবা মহালয়ার বীরন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রে আর আকৃষ্ট হবে না। ওসব প্রাচীন, ন্যাকামো কিংবা যথেষ্ট ম্যাড়ম্যাড়ে বলে ভাবা হবে। তার থেকে রামনবমী, হনুমান জয়ন্তী, দিওয়ালি, দশেরা বেশি বেশি করে পালিত হবে। যেগুলির প্রতিটি পরবের মধ্যেই কমন ফ্যাক্টর হবে একটা করে ভয় দেখানো মিছিল। এই ধর্মীয় উৎসব পালন করা মোটেই দোষের নয়। অবশ্যই সকলেই করতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হল এগুলি যদি নিছক ধর্মীয় উৎসবই হয়, তাহলে সাড়ে ৫ হাজার বছরের পুরানো হিন্দুধর্মের এই উৎসবগুলি হঠাৎ করে ২০১৭ সালে শুরু করতে হল কেন? এতদিন কেন হচ্ছিল না? হিন্দুদের চারটি আকরগ্রন্থ বেদ, গীতা, শ্রীশ্রীচণ্ডী আর উপনিষদের কোথাও অস্ত্রমিছিলের হদিশ পাওয়া যায় না কেন? হিন্দুধর্মের সবথেকে আধুনিক চার প্রচারক শ্রীরামানূজ, শ্রীচৈতন্যদেব, শংকরাচার্য এবং শ্রীরামকৃষ্ণ কেন অস্ত্র মিছিলের কোনও নির্দেশ দিয়ে যাননি? কেন খোদ অযোধ্যাতেই রামনবমীতে অস্ত্র মিছিল হয় না? বাঙালি চোখ বুজে ঝাঁপিয়ে পড়ছে নিজেদের সংস্কৃতির বিপরীত পথে। শুরু হয়েছিল বিয়ে বা অন্য শুভ অনুষ্ঠানের প্রীতিভোজ দিয়ে। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, যে কোনও অনুষ্ঠানে মেনু কিংবা রীতি রেওয়াজে সম্পূর্ণ ভিনরাজ্যের কালচারই এখন শাসন করছে। বাঙালির উত্তর ভারতীয়করণে সবথেকে উৎসাহী হয়েছে বাঙালি নিজেই। আর তা দেখে উত্তর ভারত এই এতদিন পর বিজয়ের হাসি হাসছে। কারণ নিছক রাজনীতি দিয়ে নয়, উত্তর ভারত দেখিয়ে দিতে চাইছে তারা নিজেদের সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমেই বাংলা জয় করতে মরিয়া।
আমরা যারা হিন্দু বাঙালিরা প্রবাসে থাকি তাদের ধর্মীয় কৃষ্টি আর সাংস্কৃতিক জীবনের সবথেকে বড় বেদনা কী? দিল্লি, মুম্বই, আমেদাবাদ, ঩চেন্নাই, লখনউ কোথাও দুর্গাপুজো, সরস্বতী পুজো, কালীপুজো, লক্ষ্মীপুজো, রবীন্দ্রজয়ন্তীর ছুটি পাই না। বাঙালি পরিবারের ছেলেমেয়েদের সপ্তমী অষ্টমীর দিনও পরীক্ষা দিতে যেতে হয় স্কুলে। বাংলার বিজেপির কাছে আমাদের বিনীত নিবেদন, রামনবমী নিয়ে এতটা যত্নশীল প্রচার যখন করছেন, তখন কেন্দ্রীয় সরকারকে বলুন দুর্গাপুজো, সরস্বতী পুজো, কালীপুজো, লক্ষ্মীপুজো, রথযাত্রায় ছুটি দিতে সব কেন্দ্রীয় অফিস আর স্কুলে। কেন্দ্রে তো বিজেপি। বিজেপির যেসব রাজ্যে সরকার চলছে সেসব রাজ্যের সরকারকেও বলা হোক দুর্গাপুজোয় ছুটি দিতে। বাঙালির ছেলেমেয়েদের কী বাংলার বাইরে অধিকার নেই অঞ্জলি দেওয়া বা সন্ধিপুজোয় থাকার? যাঁরা বাঙালির মধ্যে হিন্দুত্ব জাগ্রত করতে এত সাংঘাতিক পরিশ্রম করছেন, তাদের কাছে বিনীত প্রশ্ন বিজেপি শাসিত রাজ্যে দুর্গাপুজোয় চারদিন ছুটি দেয় না কেন? উত্তর ভারতের সংস্কৃতি বাঙালির উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে চোখ রাঙিয়ে। অথচ বাংলার বাইরের রাজ্যগুলিতে বাঙালির নিজেদের ধর্মপালনের পথ সুগম করা হচ্ছে না কেন?
এই প্রতিবেদন শেষ করবো দুটি প্রশ্ন নিয়ে। ১) রামনবমী কিংবা অন্যান্য অস্ত্র মিছিলের যাঁরা সমর্থন করছেন বা প্রমোট করছেন, সেই বিজেপির প্রথম সারির নেতা,নেত্রী, এমপি, মন্ত্রীদের কারও পুত্রকন্যা, নাতি, নাতনিকে অস্ত্র হাতে মিছিলে দেখা গেল না কেন? কেন নিজেদের পরিবারের ছেলেমেয়েদের ইংলিশ মিডিয়ামে পড়িয়ে দেশের সর্বোচ্চ মানের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে চলেছেন তাঁরা? নিজেদের ঘরের সন্তানসন্ততি নিরাপদে স্মার্ট আর আধুনিক জীবন কাটাবে! আর অন্য ঘরের বাচ্চা ছেলেমেয়েরা অস্ত্র নিয়ে মিছিল করবে? আর ২) সবথেকে বেশি শোনা যাচ্ছে একটাই যুক্তি। মহরমের সময় অস্ত্র হাতে মিছিল করলে দোষ নেই? রামনবমীতেই দোষ? একদম সঠিক যুক্তি। অন্যায় হলে দুটিই অন্যায়। ব্যবস্থা নিতে হলে দুটি ক্ষেত্রেই নেওয়া হোক। নয়তো দুটিকেই ছাড় দেওয়া হোক। বৈষম্য চলবে না। তবে ছোট্ট প্রশ্ন হল, সাড়ে ৫ হাজার বছরের পুরানো হিন্দুধর্মকে অন্য একটি ধর্মের নকল করতে হচ্ছে কেন? মহরমে মুসলিমদের একটি অংশ অস্ত্র হাতে মিছিল করে বলে পালটা শক্তি প্রদর্শন হিসাবে হিন্দুরা কী সেই পদ্ধতিটাকেই নকল করবে? মহান সনাতন হিন্দুত্বের ক্ষেত্রে এটা কী আদৌ গৌরবের ব্যাপার? পৃথক বৈশিষ্ট্য থাকবে না? ধর্মীয় জাগরণকে কীভাবে অস্ত্র ছাড়াই একটি সামাজিক বিপ্লবে পরিণত করা যায় তা ৫০০ বছর আগে নবদ্বীপবাসী এক ধর্মবিপ্লবী দেখিয়ে দিয়েছিলেন। হুসেন শাহের দৌহিত্র চাঁদ গাজির নির্দেশে নবদ্বীপে কীর্তনে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। উচ্চবর্ণের হিন্দু আর মুসলিম দুপক্ষই একজোট হয়ে নালিশ করে করে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করতে প্ররোচনা দিয়েছিল চৈতন্যদেবের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে। কিন্তু সামান্য উত্তেজিত না হয়ে শ্রীচৈতন্য সোজা কাজির কাছে যান। সঙ্গে কিন্তু বিরাট মিছিল। শান্তিপূর্ণ। হরিদাস, অদ্বৈত আর স্বয়ং মহাপ্রভূ কাজিকে মধুর যুক্তিতে বোঝাতে সক্ষম হলেন। অভিভূত কাজি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে তৎক্ষণাৎ বললেন, আগামীকালই নগর সংকীর্তন হোক। তিনি শ্রীচৈতন্যকে ভাগ্নে সম্বোধন করেন। আর কাজিকে ‘মামা’ সম্বোধনে আলিঙ্গন করে শ্রীচৈতন্য সেই ‘মামা ভাগ্নের’ সম্পর্ককে চিরস্থায়ী করলেন। জায়গাটা নবদ্বীপ। আমাদের বাংলা। অন্য ধর্মের একটি অংশকে নকল করে অস্ত্র হাতে নিতে হবে কেন? আমাদের ঐতিহ্যেই তো বিকল্প পথ দেখানো রয়েছে। শুধু একটু ইতিহাস,পরম্পরা, ঐতিহ্যটা জানতে হবে, পড়বে হবে। এই যা! যেমন জানা দরকার ধর্মগ্রন্থ বা পঞ্জিকা সর্বত্রই রামনবমীতে ব্রত এবং উপবাসের কথা বলা হয়েছে। অস্ত্রমিছিলের কোনও রেফারেন্সই নেই। অবশ্য জানা আর পড়ার চেষ্টা একটু কষ্টকর। কারণ ওটা একা করতে হয়। তার থেকে হুংকার-মিছিল করা সোজা। দলে মিশে চোখ রাঙানো যায়। একটা কথা বলতে ভুলে গেলাম। ১২ এপ্রিল বিভিন্ন সংবাদপত্রে (বর্তমানেও) প্রথম পাতায় হনুমান জয়ন্তীর একটি মিছিলের ছবি ছাপা হয়েছে। অনেকগুলি উৎসাহী মুখ। কপালে গেরুয়া ফেট্টি বাঁধা। কলকাতার রানি রাসমণি রোডে তোলা ছবি। সকলের মাথার গেরুয়া ফেট্টিতে জয় শ্রীরাম লেখা। কিন্তু হিন্দিতে! বাংলায় নয়। কেন?
21st  April, 2017
কেন্দ্রীয় নীতিতে পাট শিল্প ধুঁকছে, মরছে চাষি-শ্রমিক, ভরসা মমতা
নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়

 প্রণব মুখোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে নেই। তাই ২০১৩ সাল থেকে অনাথ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের পাট চাষ আর শিল্প। ওই বছর থেকেই পুরোদমে পাট শিল্পের ওপর শুরু হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-নীতির আরোপ যা অনেকটা পুলিশি নজরদারির মতো বলা চলে। মমতা আর প্রণববাবু রাজ্যের পাট শিল্পের ৩ কোটি চাষি ও শ্রমিককে সবসময় আগলে রাখতেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তাঁরা না থাকায় পাট শিল্পে আজ বাজছে বেদনার সুর।
বিশদ

রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য: রবার যেটা সেটা রবেই
মেরুনীল দাশগুপ্ত

রবীন্দ্র-অমর্ত্য নিয়ে সংঘচালকদের প্রসঙ্গ উঠতেই কেন যে তিনি ওই অনুবাদ প্রসঙ্গ তুললেন—বলা বিপজ্জনক! কেবল কবির কথায় বলা চলে—রইলো বলে রাখলে কারে, হুকুম তোমার ফলবে কবে?/ তোমার টানাটানি টিকবে না ভাই, রবার যেটা সেটাই রবে। বলতে কী, যেভাবে করার চেষ্টা হচ্ছে, সেভাবে কিছুই হবে না। বড়জোর ওই—গ্রাউন ভালোবাসে ফিগুরিসকে! তাতে স্বচ্ছ ভারতের মুখে ছায়াকালিমাই শুধু বাড়বে। আমরা নিশ্চিত, রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য, রামায়ণ থেকে রাজনীতি—শেষ পর্যন্ত রবার যেটা সেটা রবেই। জাভড়েকর সেটা খানিক বুঝেছেন বলেই হয়তো সামলে নিয়েছেন। পহেলাজরা বুঝবেন কবে!
বিশদ

দার্জিলিং জেলাকে পৃথক একটি রাজ্য করার দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব
শমিত কর

বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পৃথক রাজ্য হিসাবে দার্জিলিংকে গড়ার দাবিতে পাহাড়বাসী রণং দেহি ভূমিকা নিচ্ছে। উত্তরে কাশ্মীর পরিস্থিতির মতো আমাদের রাজ্যের এই পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থা এক মারাত্মক আকার নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে যে জঙ্গি নাশকতা ধারাবাহিকভাবে চলেছে তার পিছনে পাকিস্তানের মদত কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

25th  July, 2017
আপনিই সর্বশক্তিমান, তবু দেশজুড়ে এত অস্থিরতা কেন মোদিসাহেব?
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় থাকলে বুদ্ধিমান চতুর শাসকেরও বুদ্ধিবৃত্তি লোপ পায়। দম্ভে, অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না। বিরোধিতা দেখলেই নেমে আসে দমন, পীড়ন। পুলিশ লেলিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে বন্দি করে রাখা... আরও কত কী! আজকের পশ্চিমবঙ্গে গত বেশ কিছুদিন ধরেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের বদান্যতায় যা দস্তুর।
বিশদ

25th  July, 2017
বইই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মুক্তির জগৎ

পঙ্কজ সাহা : রাষ্ট্রপতি ভবন বলতে মনের মধ্যে যে ধারণা ছিল সেটা একেবারে বদলে গেল দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছানোর পরে। কলকাতা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলে যাওয়ার পরে ব্রিটিশ আমলে যে বিরাট প্যালেসটি দিল্লির রাইসিনা হিলসে নির্মিত হয়েছিল ভাইসরয় প্যালেস হিসেবে এবং ভারতের স্বাধীনতার পরে যেটি রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে চিহ্নিত হয়, সেই বিরাট প্যালেসটির ছবিই মনের মধ্যে মুদ্রিত ছিল রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে।
বিশদ

24th  July, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

23rd  July, 2017
শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

23rd  July, 2017
যুদ্ধ নয়, স্থিতাবস্থা চাই ডোকালায়
প্রশান্ত দাস

 চীনের কথা উঠলেই সুবেদার মেজর হামিদ সাহেব বলতেন—বাঁদরের যত বাঁদরামি গাছের ডালে। ডাঙায় এলেই লেজ তোলে। লেজ তোলার অর্থ, লেজ তুলে পালায়। চীনের অবস্থা ওই বাঁদরের মতন। দাদাগিরি দেখাবে পাহাড়ের মাথায়। সমতলে নয়। সমতলের যুদ্ধে ভারতীয় সেনারা এখনও আনপ্যারালেলড। বিশদ

22nd  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

21st  July, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কৈখালি এলাকায় তৃণমূল আশ্রিত সিন্ডিকেটের ‘দাদাদের’ দাপটে নাজেহাল এলাকার বাসিন্দারা। এমনই অভিযোগ তুলে নবান্নে ও বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার জ্ঞানবন্ত সিংকে চিঠি দিয়েছেন বিধাননগর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলার সুভাষ বসু। তাঁর অভিযোগ, এই এলাকার বাসিন্দারা সিন্ডিকেটের লোকজনের দাপটে অতিষ্ঠ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের বহু স্কুলে কম্পিউটার নেই। আবার কোথাও কম্পিউটার থাকলেও নেই ইন্টারনেট সংযোগ। এই অবস্থায় মাধ্যমিক স্তরের ছাত্রীদের কেন্দ্রীয় স্কলারশিপের টাকা পেতে অনলাইনে আবেদন করার নির্দেশকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক স্কলারশিপের আবেদন সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তন ...

মুম্বই, ২৬ জুলাই (পিটিআই): প্রতিদিনই নতুন রেকর্ড গড়ছে শেয়ার বাজারের সূচক। এদিন বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সেনসেক্স ১৫৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৩২ হাজার ৩৮২.৪৬ পয়েন্টে পৌঁছেছে। এত পয়েন্টে এর আগে কখনও সেনসেক্স পৌঁছায়নি। ...

কাবুল, ২৬ জুলাই: আফগানিস্তানে তালিবান জঙ্গিদের অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ উঠল রাশিয়ার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালিবানের হাতে যেসব ‘উন্নত অস্ত্র’ দেখা গিয়েছে, যেগুলি রাশিয়ায় তৈরি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ ভিডিও রেকর্ড হাতে আসার দাবি করে আফগান ও আমেরিকার কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরানো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দ লাভ হবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৪৪- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৬০- শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৯২- অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
২০১৫- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৬০ টাকা ৬৫.২৮ টাকা
পাউন্ড ৮২.৫২ টাকা ৮৫.৩৫ টাকা
ইউরো ৭৩.৭৮ টাকা ৭৬.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৩৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৭৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ১১ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী দিবা ৭/১, উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ৪/৪০, সূ উ ৫/৯/৩৯, অ ৬/১৬/৩১, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-২/৫৮, বারবেলা ৩/০-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪৩-১/৪।
১০ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী ১০/০/৭, পূর্বফাল্গুনীনক্ষত্র ৮/৬/৪৫, সূ উ ৫/৬/৩৭, অ ৬/১৮/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩১-২/৪৭/৪, বারবেলা ৪/৩৯/৫১-৬/১৮/৫৩, কালবেলা ৩/০/৪৯-৪/৩৯/৫১, কালরাত্রি ১১/৪২/৪৫-১/৩/৪৩।
 ৩ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসের স্কোর: ১৫৪/৫

05:35:19 PM

  মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বন্যা কবলিত অঞ্চল পরিদর্শনে আগামী শনিবার ঘাটাল যাবেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়

05:02:00 PM

  বাজ পড়ে ক্ষতিগ্রস্থ দমকলের সদর দপ্তর
বাজ পড়ে দমকলের সদর দপ্তরের কন্ট্রোলরুম ক্ষতিগ্রস্থ। ক্ষতি হয়েছে মন্ত্রীর ঘরও 

05:00:00 PM

 মেদিনীপুরে সুবর্ণরেখার ভাঙনে আতঙ্ক

 মেদিনীপুরের দাঁতন ১ ব্লকের বড়া মহেশপুর গ্রামের কাছে সুবর্ণরেখা নদী পাড়ে ভাঙন। চাষযোগ্য জমি, খেলার মাঠ নদী গর্ভে। নদী ক্রমশ গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।

04:51:25 PM

 গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দুর্গত হয়েছেন ৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৭৫ জন। রাজ্যে ত্রাণ শিবির চলছে ১৬২ টি : নবান্ন সূত্রের খবর

04:41:00 PM

এই মরশুমে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে বন্যায় মৃত ১৬

 এই মরশুমে গত ২১ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১৬। আজ নবান্ন সূত্রে এই খবর পাওয়া গিয়েছে।

04:36:00 PM