বিশেষ নিবন্ধ
 

 উত্তর ভারতের বঙ্গ অভিযান

সমৃদ্ধ দত্ত: পরাধীন ভারতে গোটা দেশের মধ্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার কে পেয়েছিলেন? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামে এক বাঙালি। স্বাধীন ভারতেও গোটা দেশের মধ্যে নোবেল পুরস্কার কে পেয়েছেন? অমর্ত্য সেন নামে এক বাঙালি। আধুনিক চিন্তাধারা নিয়ে এসে সতীদাহ প্রথা রদ করার জন্য সবথেকে কার অবদান বেশি? রামমোহন রায় নামে এক বাঙালির। বিধবাবিবাহ আর স্ত্রীশিক্ষার প্রচলন করে দেশে বৈপ্লবিক চেতনার জন্ম দিয়েছেন কে? ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নামে এক বাঙালি। গোটা দেশের মধ্যে কোন গ্রামের ছেলে হিন্দুধর্মের এক মহাপুরুষ হয়েও প্রথম উচ্চারণ করেছিলেন যত মত তত পথ? গদাধর চট্টোপাধ্যায় নামে একজন বাঙালি। ভারতীয় আধ্যাত্মিকতার উদার ঐতিহ্যকে বিদেশে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন কে? নরেন্দ্রনাথ দত্ত নামে এক বাঙালি। আজ যে ইসকন সমগ্র বিশ্বে কৃষ্ণনামকে ধ্রুবপদে পরিণত করে সাহেবদের প্রণত হতে বাধ্য করছে তার প্রতিষ্ঠাতা কে? অভয়চরণ দে নামে এক বাঙালি। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত আর জাতীয় গান দুটিই রচনা করেছেন কারা? দুজনেই বাঙালি। প্রতিবেশি রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীতটি কার রচনা? একজন বাঙালির। ঘর সংসার, সমাজের নিরাপদ ঘেরাটোপে বাস করে স্বাধীনতা সংগ্রামের নামে শখের আন্দোলন আন্দোলন খেলা না করে একমাত্র কে সম্পূর্ণ নিজের একটি সেনাবাহিনী নির্মাণ করে বিদেশ থেকে সমর্থন জোগাড় করে ব্রিটিশকে আক্রমণ পর্যন্ত করতে সমর্থ হয়েছিলেন? এবং একমাত্র কার ভয়ে ব্রিটিশ শাসন সত্যিকারের ত্রস্ত হয়েছিল? সুভাষচন্দ্র বসু নামে এক বাঙালি। ভারতের মধ্যে একমাত্র কারা বছরভর জেলায় মহকুমা ব্লকে গ্রামে বইমেলা, লিটল ম্যাগাজিন আর সাহিত্যচর্চার নেশায় কেরিয়ারকেও পাত্তা দেয় না যুবসমাজ? বাঙালি। ফেসবুকে লক্ষ লক্ষ কবিতা আর সাহিত্যের গ্রুপ একমাত্র কোন জাতির ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেখা যায়? বাঙালির। আন্দামানে সেলুলার জেলে বন্দি থাকা বা প্রাণদান করা বিপ্লবীদের দীর্ঘ তালিকায় সবথেকে বেশি কোন পদবিভুক্ত বিপ্লবীদের নাম লক্ষ্য করা যায়? বাঙালি।
এই তাবৎ ঐতিহ্য আর গৌরব একমাত্র বাঙালির। আর সেই কারণেই অন্য রাজ্যগুলির প্রবল ঈর্ষা এবং ক্রোধ বাঙালি জাতির এই ইন্টেলেকচুয়াল উত্তরণে। মহাত্মা গান্ধী একমাত্র দুটি মানুষকেই মননের দিক থেকে শ্রদ্ধা, সমীহ করতে বাধ্য হতেন । বিভিন্ন ইস্যুতে মহাত্মার বিরোধিতা করার সাহস দেখাতেন শুধু ওই দুজনই। দুজনেই বাঙালি। সুভাষচন্দ্র আর রবীন্দ্রনাথ। ১৯৪৭ সালের পর লাগাতার কয়েক বছর ধরে সংসদের রেকর্ড ঘেঁটে দেখা যাবে দেশভাগের সমস্যা ও পুনর্বাসন নিয়ে বহুবার আলোচনা হয়েছে। কিন্তু প্রায় সব আলোচনার ভরকেন্দ্র পঞ্জাবের সমস্যা। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আগত রিফিউজি নিয়ে মহা চিন্তিত জওহরলাল নেহরু সহ তাবৎ কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ কালেভদ্রে উচ্চারিত হয়েছিল। বাংলা নিয়ে কেউ ভাবিত নয়। কারণ উত্তর ভারত কেন্দ্রিক ভারতীয় রাজনীতি বাঙালিকে পছন্দ করেনি। বরাবর। কারণ বাঙালির সাংস্কৃতিক উচ্চতা তারা না পেরেছে বুঝতে, না পেরেছে পাল্লা দিতে। বাঙালি সংস্কৃতির বহুত্ববাদ, সূক্ষ্মতা হিন্দিভাষী উত্তর ভারতের সংস্কৃতির সঙ্গে সামান্যতম মিলও নেই। একান্তভাবে নিজেদের একটি উচ্চাঙ্গের কৃষ্টি প্লাস একের পর এক মনীষীর আগমন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে। এর কোনও তুলনাই হয় না ভারতের কোনও রাজ্যের সঙ্গে। তাই উত্তর ভারত এতকাল নিছকই অক্ষম রাগে এবং বাঙালিকে হেয় করে, অবজ্ঞা করে আর হাসাহাসি করেই রাগ প্রশমিত করেছে। আসল হতাশা হল এতসব মনীষী, এত স্বাধীনতা সংগ্রামী, শিক্ষাবিদ উত্তর ভারত কোনওদিন পায়নি। তাই ঈর্ষা।
এই প্রথম উত্তর ভারত প্রতিশোধ নিতে পারছে। ধর্মের নামে অস্ত্র হাতে মিছিল করা, বেশ কিছু টিপিক্যাল হিন্দিভাষী সংস্কৃতির বাড়বাড়ন্ত, অত্যন্ত সুকৌশলে বাঙালির নিজেদের মনীষী, উৎসব, পরবগুলিকে পিছনের সারিতে সরিয়ে দিয়ে অনেক বেশি বেশি ভিনরাজ্যের কালচার আগ্রাসীভাবে নিয়ে আসার প্রয়াস। আর আমরা অজান্তে সেসবকে গ্রহণ করছি রাজনৈতিক বিশ্বাসের মোড়কে। এসব অনেক আগে থেকে চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এই প্রথম সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে। কারণ আমাদের বাঙালিদের একটি নব্য অংশ নতুন রাজনীতির মোহে সেইসব ফাঁদে পা দিয়েছে। যে কোনও সমাজকে প্রভাবিত করার জন্য নিছক প্রশাসনিক ক্ষমতা হাতে পেলেও আগ্রাসন সম্পূর্ণ হয় না। সবার আগে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন করতে হয়। এটাই নিয়ম। আমেরিকা যখন সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব নিয়ে গোটা বিশ্বে নিজেদের বিগত ৫০ বছর ধরে সম্প্রসারিত করেছে, তারা কিন্তু প্রথমেই টার্গেট করেছে কালচারাল আগ্রাসনকে। অর্থাৎ জীবনযাপনকে আমেরিকার মতো করিয়ে দাও। সেই আগ্রাসনের হাতিয়ার হল স্যাটেলাইট চ্যানেল, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক বিধি, ইলেকট্রনিকস গ্যাজেটস ইত্যাদি। নতুন প্রজন্মকে যে কোনও রাজ্যেই পোশাক ফ্যাশন, দেখতে শুনতে, আচার আচরণ, কথাবার্তা, কালচার সব দেখবেন অনেকটাই এক। লিভাইস, লি, পেপে জিনস, ম্যাকডোনাল্ড বা পিজা হাট, সিটি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড, ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস অ্যাপ, নাইকে, অ্যাডিডাস ফুটওয়্যার, প্রতিদিনের ব্যবহারের ইউনিলিভার বা প্রোক্টর গ্যাম্বলের কনজিউমার প্রোডাক্ট, ইনফিনিটি কিংবা স্টার ওয়ার্ল্ড চ্যানেলের সিরিয়াল। দেখবেন গোটা বিশ্বের সর্বত্র এরকমই কালচার হয় নতুন ছেলেমেয়েদের। একে বলে হোমোজিনয়াস কালপপ। অর্থাৎ পপুলার কালচারকে এমন একটি ছাঁচে ফেলে সকলকেই টেনে আনা যেখানে আর কোনও পৃথক জনগোষ্ঠীর পৃথক সংস্কৃতি না থাকে। আটলান্টা আর নয়ডার ছেলেমেয়েরা যেন একইরকম আচার আচরণ করে। আমেরিকার কর্পোরেট কালচারাল আগ্রাসন। ঠিক এরকমই আগ্রাসন উত্তর ভারতীয় সংস্কৃতির মধ্যে অনেক আগে থেকেই রয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকেই স্লোগান ছিল হিন্দি, হিন্দু, হিন্দুস্তানী। বাঙালিকে সংস্কৃতি আর ইন্টেলেকচুয়ালি হারাতে এতদিন ব্যর্থ হওয়ার পর এবার সময় এসেছে নতুন মোড়কে আগ্রাসনের। তাই হিন্দুত্বের অজুহাত দেওয়া হলেও আসলে এই গোটা প্লট হল বাঙালি কালচারকে পিছনে ঠেলে দিয়ে, ধ্বংস করে উত্তর ভারতীয় কালচার ঢুকিয়ে দেওয়া। নতুন এক সংস্কৃতি বাংলায় তৈরি করা। বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে লাভ কী হল? লাভটি অত্যন্ত কুশলী। এই বাচ্চাদের এখনও ভোটাধিকার হয়নি। তাদের মনন এবং ভাবনা বা চিন্তা এখন সবেমাত্র গড়ে উঠতে শুরু করেছে। প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি তাদের মধ্যে এই অস্ত্র দিয়ে আসলে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে তোমাদের চারপাশে কিন্তু একটি শত্রুপক্ষ আছে। তাদের মোকাবিলার জন্য রেডি থাকতে হবে। তোমাদের সুরক্ষার জন্য এই অস্ত্র হাতে রাখা, অস্ত্র ধরা প্র্যাকটিস করতে হবে। এরকম একটি প্রচ্ছন্ন বার্তা মগজে ঢুকে যাচ্ছে। আজ তারা ভোট দেবে না। কিন্তু ১০ বছর পর দেবে। এই ১০ বছরে তাদের মস্তিষ্কের হার্ড ডিস্কে এভাবেই বছর বছর অস্ত্র মিছিল এবং অন্যান্য গোপন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মোটামুটি ডেটা স্টোর করে দেওয়া হবে বিভেদমূলক অ্যাজেন্ডা। সুতরাং এই মনগুলিতে রাজনীতি ঢোকার আগে পাকাপাকি স্থান করে নেবে হিংসার বিষ। তারপর সেই মনটাই তাদের চালিত করবে রাজনৈতিকভাবেও। এভাবে একটি নতুন জেনারেশন তৈরি হয়ে যাবে। যারা রাজনীতিকে ধর্ম দিয়েই বিচার করা স্বাভাবিক মনে করবে। সেটা রাজনীতিগতভাবে নয়, সাংস্কৃতিকভাবেও বিপজ্জনক। কারণ আগামী জেনারেশন ক্রমেই রবীন্দ্রজয়ন্তী অথবা পয়লা বৈশাখের প্রভাত ফেরি অথবা শ্যামা শাপমোচন চিত্রাঙ্গদা কিংবা মহালয়ার বীরন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রে আর আকৃষ্ট হবে না। ওসব প্রাচীন, ন্যাকামো কিংবা যথেষ্ট ম্যাড়ম্যাড়ে বলে ভাবা হবে। তার থেকে রামনবমী, হনুমান জয়ন্তী, দিওয়ালি, দশেরা বেশি বেশি করে পালিত হবে। যেগুলির প্রতিটি পরবের মধ্যেই কমন ফ্যাক্টর হবে একটা করে ভয় দেখানো মিছিল। এই ধর্মীয় উৎসব পালন করা মোটেই দোষের নয়। অবশ্যই সকলেই করতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হল এগুলি যদি নিছক ধর্মীয় উৎসবই হয়, তাহলে সাড়ে ৫ হাজার বছরের পুরানো হিন্দুধর্মের এই উৎসবগুলি হঠাৎ করে ২০১৭ সালে শুরু করতে হল কেন? এতদিন কেন হচ্ছিল না? হিন্দুদের চারটি আকরগ্রন্থ বেদ, গীতা, শ্রীশ্রীচণ্ডী আর উপনিষদের কোথাও অস্ত্রমিছিলের হদিশ পাওয়া যায় না কেন? হিন্দুধর্মের সবথেকে আধুনিক চার প্রচারক শ্রীরামানূজ, শ্রীচৈতন্যদেব, শংকরাচার্য এবং শ্রীরামকৃষ্ণ কেন অস্ত্র মিছিলের কোনও নির্দেশ দিয়ে যাননি? কেন খোদ অযোধ্যাতেই রামনবমীতে অস্ত্র মিছিল হয় না? বাঙালি চোখ বুজে ঝাঁপিয়ে পড়ছে নিজেদের সংস্কৃতির বিপরীত পথে। শুরু হয়েছিল বিয়ে বা অন্য শুভ অনুষ্ঠানের প্রীতিভোজ দিয়ে। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, যে কোনও অনুষ্ঠানে মেনু কিংবা রীতি রেওয়াজে সম্পূর্ণ ভিনরাজ্যের কালচারই এখন শাসন করছে। বাঙালির উত্তর ভারতীয়করণে সবথেকে উৎসাহী হয়েছে বাঙালি নিজেই। আর তা দেখে উত্তর ভারত এই এতদিন পর বিজয়ের হাসি হাসছে। কারণ নিছক রাজনীতি দিয়ে নয়, উত্তর ভারত দেখিয়ে দিতে চাইছে তারা নিজেদের সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমেই বাংলা জয় করতে মরিয়া।
আমরা যারা হিন্দু বাঙালিরা প্রবাসে থাকি তাদের ধর্মীয় কৃষ্টি আর সাংস্কৃতিক জীবনের সবথেকে বড় বেদনা কী? দিল্লি, মুম্বই, আমেদাবাদ, ঩চেন্নাই, লখনউ কোথাও দুর্গাপুজো, সরস্বতী পুজো, কালীপুজো, লক্ষ্মীপুজো, রবীন্দ্রজয়ন্তীর ছুটি পাই না। বাঙালি পরিবারের ছেলেমেয়েদের সপ্তমী অষ্টমীর দিনও পরীক্ষা দিতে যেতে হয় স্কুলে। বাংলার বিজেপির কাছে আমাদের বিনীত নিবেদন, রামনবমী নিয়ে এতটা যত্নশীল প্রচার যখন করছেন, তখন কেন্দ্রীয় সরকারকে বলুন দুর্গাপুজো, সরস্বতী পুজো, কালীপুজো, লক্ষ্মীপুজো, রথযাত্রায় ছুটি দিতে সব কেন্দ্রীয় অফিস আর স্কুলে। কেন্দ্রে তো বিজেপি। বিজেপির যেসব রাজ্যে সরকার চলছে সেসব রাজ্যের সরকারকেও বলা হোক দুর্গাপুজোয় ছুটি দিতে। বাঙালির ছেলেমেয়েদের কী বাংলার বাইরে অধিকার নেই অঞ্জলি দেওয়া বা সন্ধিপুজোয় থাকার? যাঁরা বাঙালির মধ্যে হিন্দুত্ব জাগ্রত করতে এত সাংঘাতিক পরিশ্রম করছেন, তাদের কাছে বিনীত প্রশ্ন বিজেপি শাসিত রাজ্যে দুর্গাপুজোয় চারদিন ছুটি দেয় না কেন? উত্তর ভারতের সংস্কৃতি বাঙালির উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে চোখ রাঙিয়ে। অথচ বাংলার বাইরের রাজ্যগুলিতে বাঙালির নিজেদের ধর্মপালনের পথ সুগম করা হচ্ছে না কেন?
এই প্রতিবেদন শেষ করবো দুটি প্রশ্ন নিয়ে। ১) রামনবমী কিংবা অন্যান্য অস্ত্র মিছিলের যাঁরা সমর্থন করছেন বা প্রমোট করছেন, সেই বিজেপির প্রথম সারির নেতা,নেত্রী, এমপি, মন্ত্রীদের কারও পুত্রকন্যা, নাতি, নাতনিকে অস্ত্র হাতে মিছিলে দেখা গেল না কেন? কেন নিজেদের পরিবারের ছেলেমেয়েদের ইংলিশ মিডিয়ামে পড়িয়ে দেশের সর্বোচ্চ মানের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে চলেছেন তাঁরা? নিজেদের ঘরের সন্তানসন্ততি নিরাপদে স্মার্ট আর আধুনিক জীবন কাটাবে! আর অন্য ঘরের বাচ্চা ছেলেমেয়েরা অস্ত্র নিয়ে মিছিল করবে? আর ২) সবথেকে বেশি শোনা যাচ্ছে একটাই যুক্তি। মহরমের সময় অস্ত্র হাতে মিছিল করলে দোষ নেই? রামনবমীতেই দোষ? একদম সঠিক যুক্তি। অন্যায় হলে দুটিই অন্যায়। ব্যবস্থা নিতে হলে দুটি ক্ষেত্রেই নেওয়া হোক। নয়তো দুটিকেই ছাড় দেওয়া হোক। বৈষম্য চলবে না। তবে ছোট্ট প্রশ্ন হল, সাড়ে ৫ হাজার বছরের পুরানো হিন্দুধর্মকে অন্য একটি ধর্মের নকল করতে হচ্ছে কেন? মহরমে মুসলিমদের একটি অংশ অস্ত্র হাতে মিছিল করে বলে পালটা শক্তি প্রদর্শন হিসাবে হিন্দুরা কী সেই পদ্ধতিটাকেই নকল করবে? মহান সনাতন হিন্দুত্বের ক্ষেত্রে এটা কী আদৌ গৌরবের ব্যাপার? পৃথক বৈশিষ্ট্য থাকবে না? ধর্মীয় জাগরণকে কীভাবে অস্ত্র ছাড়াই একটি সামাজিক বিপ্লবে পরিণত করা যায় তা ৫০০ বছর আগে নবদ্বীপবাসী এক ধর্মবিপ্লবী দেখিয়ে দিয়েছিলেন। হুসেন শাহের দৌহিত্র চাঁদ গাজির নির্দেশে নবদ্বীপে কীর্তনে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। উচ্চবর্ণের হিন্দু আর মুসলিম দুপক্ষই একজোট হয়ে নালিশ করে করে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করতে প্ররোচনা দিয়েছিল চৈতন্যদেবের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে। কিন্তু সামান্য উত্তেজিত না হয়ে শ্রীচৈতন্য সোজা কাজির কাছে যান। সঙ্গে কিন্তু বিরাট মিছিল। শান্তিপূর্ণ। হরিদাস, অদ্বৈত আর স্বয়ং মহাপ্রভূ কাজিকে মধুর যুক্তিতে বোঝাতে সক্ষম হলেন। অভিভূত কাজি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে তৎক্ষণাৎ বললেন, আগামীকালই নগর সংকীর্তন হোক। তিনি শ্রীচৈতন্যকে ভাগ্নে সম্বোধন করেন। আর কাজিকে ‘মামা’ সম্বোধনে আলিঙ্গন করে শ্রীচৈতন্য সেই ‘মামা ভাগ্নের’ সম্পর্ককে চিরস্থায়ী করলেন। জায়গাটা নবদ্বীপ। আমাদের বাংলা। অন্য ধর্মের একটি অংশকে নকল করে অস্ত্র হাতে নিতে হবে কেন? আমাদের ঐতিহ্যেই তো বিকল্প পথ দেখানো রয়েছে। শুধু একটু ইতিহাস,পরম্পরা, ঐতিহ্যটা জানতে হবে, পড়বে হবে। এই যা! যেমন জানা দরকার ধর্মগ্রন্থ বা পঞ্জিকা সর্বত্রই রামনবমীতে ব্রত এবং উপবাসের কথা বলা হয়েছে। অস্ত্রমিছিলের কোনও রেফারেন্সই নেই। অবশ্য জানা আর পড়ার চেষ্টা একটু কষ্টকর। কারণ ওটা একা করতে হয়। তার থেকে হুংকার-মিছিল করা সোজা। দলে মিশে চোখ রাঙানো যায়। একটা কথা বলতে ভুলে গেলাম। ১২ এপ্রিল বিভিন্ন সংবাদপত্রে (বর্তমানেও) প্রথম পাতায় হনুমান জয়ন্তীর একটি মিছিলের ছবি ছাপা হয়েছে। অনেকগুলি উৎসাহী মুখ। কপালে গেরুয়া ফেট্টি বাঁধা। কলকাতার রানি রাসমণি রোডে তোলা ছবি। সকলের মাথার গেরুয়া ফেট্টিতে জয় শ্রীরাম লেখা। কিন্তু হিন্দিতে! বাংলায় নয়। কেন?
21st  April, 2017
 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!

শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। সেই মতো অভিযানের অনেক আগে থেকে তোড়জোড় প্রস্তুতিও চলেছিল জোরকদমে। রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দিল্লি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় থেকে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই অভিযানের প্রচারে গত কয়েকদিন ধরে যে মনোভাব ব্যক্ত করেছিলেন তার মোদ্দা কথা ছিল, লড়কে লেঙ্গে ধাঁচের। বিশদ

 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ

 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, হাঁপানি বা এই ধরনের নানান ব্যামোই শুধু অসুখ বা রোগ নয়। অপ্রয়োজনে মিথ্যে কথা বলা কিংবা আমরা যাকে চলতি ভাষায় ‘গুল’ মারা বলি সেগুলোও নাকি অসুখ। এবং এই সব ধরনের অসুখেরও নাকি ওষুধ আছে।
বিশদ

নদী তুমি কার

বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত করে দেয়। অবশ্য দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা পাবার আগে ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে ভারতবর্ষের নেতৃত্ব যখন আলোচনা আরম্ভ করেন তখনই ভারতবর্ষ দ্বিখণ্ডিত হলে প্রাকৃতিক সম্পদ বিশেষ করে জলবণ্টনের নীতি কীভাবে স্থিরীকৃত হবে সে ব্যাপারে কয়েকজন আলোচনাকারী উত্থাপন করলেও, দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা লাভ করার দুরন্ত আশা তদানীন্তন রাজনৈতিক নেতাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছিল।
বিশদ

27th  May, 2017
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে

কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে হেরে প্রমাণ করল ক্রিকেট বিশ্বে ভারত কতটা বন্ধুহীন। যেসব দেশকে ভারত হাতে করে জাতে তুলেছে তারাও ভারতের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
বিশদ

27th  May, 2017
ভুলে যাওয়ার রাজনীতি

 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব সুবিধা হয় আমাদের বোকা বানাতে। এই তো মার্চ মাসে সংগীতশিল্পী কালিকাপ্রসাদের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বাংলা সংগীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতির জন্য যথার্থ শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল।
বিশদ

26th  May, 2017
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি

অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। কয়েকটা রেললাইনের পরে সারি সারি ওয়াগনের পাশে শান্টিং করছে একটা ডিজেল ইঞ্জিন। এই স্টেশনটা আমি বা আমার মতো অনেকেই হয়তো আগে চোখে দেখিনি।
বিশদ

25th  May, 2017
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়

অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া যাবে। এই ভাবনা এখন সবথেকে বেশি চর্চিত। কিন্তু এটা মাথায় রাখতে হবে যুদ্ধ কখনওই কাম্য নয়। যুদ্ধ কোনও দেশই চায় না। সবচেয়ে বড় কথা, আমার মনে হয় যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান বা আমরা কেউই তেমন তৈরি নয়।
বিশদ

25th  May, 2017
লোকসভার ভোট যখনই হোক এবার
মমতাই হবেন মোদির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী

হিমাংশু সিংহ : অধীরবাবুরা এতদিন রাজনীতি করছেন, এত দীর্ঘ সময় সংসদীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এখনও কংগ্রেস নেতৃত্বের মেজাজটাই বুঝতে পারেন না। গত বিধানসভা ভোটে এ রাজ্যে সিপিএমের সঙ্গে জোট করে, খুলে আম বুদ্ধদেববাবুর সঙ্গে মালাবদল করে কংগ্রেসের কোন লাভটা হয়েছে? 
বিশদ

24th  May, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের কলকাতাকে পিছনে ফেলে দিল জেলার সরকারি স্কুলগুলি। জেলার সরকারি স্কুল থেকেই ১৪ জন পড়ুয়া প্রথম ১০টি স্থানের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। কলকাতার ভাগ্যে জোটেনি একজনও। তবে সরকারি স্কুলের গৌরব এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বাঁকুড়া জেলা স্কুল। ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহারের দিনহাটা গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী ঈশিকা সাহা এবারের মাধ্যমিকে ৬৮৫ নম্বর পেয়ে রাজ্যে সম্ভাব্য ষষ্ঠ স্থান অর্জন করেছে। তার বাবা সজল কুমার ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে রাতে ম্যাচ করা নিয়ে জট আরও বাড়ল। কয়েক মাস আগে গ্রিন ট্রাইব্যুনাল রবীন্দ্র সরোবরের বিপন্ন পরিবেশ ও ইকো সিস্টেম বজায় রাখতে একটি কমিটি গঠন করে। সেই ঘোষাল কমিটি সুপারিশ করেছে সন্ধ্যা সাতটার পর ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে কারখানা খুলতে ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে আমূল। হাওড়ার সাঁকরাইলের ফুডপার্কে ওই বিনিয়োগ হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সরকারের থেকে তারা জমি কিনেছে বলে জানিয়েছে আমূল। তাদের বক্তব্য, নতুন প্রসেসিং কারখানায় দিনে ১০ লক্ষ লিটার দুধ প্রসেস করার ক্ষমতা ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যাবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৪ টাকা ৬৫.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮১.৭৫ টাকা ৮৪.৭২ টাকা
ইউরো ৭১.০৭ টাকা ৭৩.৬০ টাকা
27th  May, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,২৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৫০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ, ২৮ মে, রবিবার, তৃতীয়া দিবা ২/৫, আর্দ্রানক্ষত্র দিবা ৩/৩১, সূ উ ৪/৫৬/১২, অ ৬/১১/২০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২-৯/২১ পুনঃ ১২/০-২/৩৮ রাত্রি ৭/৩৬ পুনঃ ১০/২৮-১২/৩৮, বারবেলা ৯/৫৪-১/১৩, কালরাত্রি ১২/৫৪-২/১৫।
১৩ জ্যৈষ্ঠ, ২৮ মে, রবিবার, তৃতীয়া সন্ধ্যা ৬/২৭/২৫, আর্দ্রানক্ষত্র রাত্রি ৭/৫৮/৯, সূ উ ৪/৫৪/৫৬, অ ৬/১১/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১/১২-৯/২০/৩৬, ১২/০/০-২/৩৯/২৩ রাত্রি ৭/৩৭/৩৯, ১০/২৯/৭-১২/৩৭/৪৩, বারবেলা ৯/৫৩/৪৮-১১/৩৩/২৬, কালবেলা ১১/৩৩/২৬-১/১৩/৩, কালরাত্রি ১২/৫৩/৪৮-২/১৪/১১।
১ রমজান
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মাসব্যাপী রোজা আরম্ভ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শ্রীলঙ্কায় বন্যা: ত্রাণসামগ্রী নিয়ে কলম্বো পৌঁছাল ভারতীয় নৌসেনা জাহাজ আইএনএস শার্দূল

03:21:58 PM

পার্কস্ট্রিটে কর্পোরেশন ব্যাংকে আগুন, ঘটনাস্থলে ৪টি দমকলের ইঞ্জিন
রবিবার দুপুরে পার্কস্ট্রিটে কর্পোরেশন ব্যাংকে আগুন। ঘটনাস্থলে ৪টি দমকলের ইঞ্জিন। এখনও আগুন জ্বলছে ব্যাংকে ভিতরে। এলাকায় ব্যাপক ধোঁয়া। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে আগুন জ্বলছে। দমকল ও পুলিশ কর্মীরা ব্যাংকের শাটার খোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমের আধিকারিকরা। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে দমকলের পক্ষ থেকে। দমকল কর্মীদের অনুমান কর্পোরেশন ব্যাংকের সার্ভার রুম থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে।

03:20:24 PM

শ্রীলঙ্কায় বন্যা: মৃতের সংখ্যা ১২৬

03:17:49 PM

বাঁকুড়ার ধলডাঙ্গার কাছে উলটে গেল যাত্রীবাহী বাস, জখম ৮
বাইক আরোহীকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উলটে গেল বাঁকুড়া-বিষ্ণুপুর রুটের একটি যাত্রীবাহী বাস। বাঁকুড়ায় ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন ধলডাঙ্গার কাছে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে খবর, এক অন্তঃসত্বা মহিলা-সহ জখম আট বাসযাত্রীকে বাঁকুড়া মেডিকেলে ভরতি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দু'জনের চোট গুরুতর।

01:17:00 PM

মুর্শিদাবাদে ট্রাক্টর ও বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ১
ট্রাক্টর ও বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর। রবিবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানার সিজগ্রাম এলাকার দরগাতলার কাছে। পুলিশ সূত্রে খবর মৃতের নাম আশারুল শেখ(২৬)। তাঁর বাড়ি ভরতপুর থানার ভালুইপাড়া গ্রামে।

01:07:00 PM

লালবাজার অভিযানে হাঙ্গামা: পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করবে বিজেপি, মুর্শিদাবাদের সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন রাহুল সিনহা
লালবাজার অভিযানের হাঙ্গামা নিয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে পালটা মামলা ঠুকবে বিজেপি। রবিবার মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, বিজেপির লালবাজার অভিযানে তৃণমূল গুন্ডাদের নিয়ে পুলিশ লাঠি চার্জ করেছে। বেমো ফাটিয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করব। বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শও করা হচ্ছে। পাশাপাশি ওই ঘটনা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারকের নেতৃত্ত্বে বিচারবিভাগীয় তদন্ত চান বলেও দাবি করেন তিনি।

01:02:00 PM






বিশেষ নিবন্ধ
 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!
শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ...
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ
 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, ...
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...
ভুলে যাওয়ার রাজনীতি
 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব ...