বিশেষ নিবন্ধ
 

 বাংলার নতুন বছরে মানুষ কি একটু শান্তি পাবে?

শুভা দত্ত: বাংলার আরও একটা নতুন বছর শুরু হয়ে গেল। ১৪২৪। এখন অবশ্য পয়লা আর পঁচিশে বৈশাখের মতো হাতে গোনা কয়েকটা দিন ছাড়া বাংলা বছরকে বিশেষ কেউ মনে রাখেন না। রাখবেন কেন? আমাদের আজকের জীবনে বাংলা বছর আর কোথায় লাগে? পুজোআচ্চা বিয়ে পৈতে অন্নপ্রাশনের মতো পারিবারিক সামাজিক কিছু অনুষ্ঠান ছাড়া বাঙালির আর কী-ই বা বাংলা সাল তারিখ মেনে হয়? ছেলেমেয়েদের জন্মদিন তো সেই কোনকাল থেকেই ইংরেজি সাল তারিখের জিম্মায় চলে গিয়েছে। তবে হ্যাঁ, তা সত্ত্বেও পয়লা বৈশাখের এখনও একটা আলাদা কদর আছে বাঙালি জীবনে। বাংলা বছর শুরুর ওই দিনটাতে বাঙালি একবারের জন্য হলেও তাদের হারিয়ে যাওয়া সাজগোজ আচারবিচার খানাপিনার দিকে ফিরে তাকায়। আর তাই রাস্তাঘাটে কি শপিংমলে রেস্তরাঁয় পয়লা বৈশাখের দিন বাঙালির স্বাভাবিক সাজে বহু মানুষকে শামিল হতে দেখা যায়। বাঙালির আড্ডায় বাংলা গান বাংলার ভাষা শোনা যায়। শাড়ি, পাজামা কুর্তা কি ধুতি-পাঞ্জাবি পরে বাঙালি-খানার স্পেশাল মেনুর স্বাদ নিতে ঩ভিড় জমে শহর মহানগর শহরতলির রেস্তরাঁয়। বইপাড়াতে সেই জৌলুস না থাকলেও নববর্ষের এই দিনটাতে নামজাদা প্রকাশকের ঘরে কবি সাহিত্যিকদের ভিড় এখনও কমবেশি জমে। হালখাতা মিষ্টিমুখ হয় দোকানে দোকানে। হিন্দি ইংরেজির দাপটে কোণঠাসা বাংলার ভাষা রুচি সংস্কৃতির চলতি দুর্দিনে এটা কি কম বড় কথা!
এবং, অনেকের কাছেই শুনেছি— পয়লা বৈশাখ পালনের এই চিরাচরিত প্রথায় এবারও উৎসাহের অভাব ছিল না। গত শনিবার মোটামুটি সাড়ম্বরেই বাংলা বছর শুরুর দিনটা উদ্‌যাপন করেছে বাঙালি। সেদিন গানবাজনা খানাপিনায় কলকাতা শহর ও শহরতলিতে উৎসবের চেনা মেজাজও মোটামুটি ছিল অটুট। গরমে হাঁসফাঁস শহরে বৈশাখের প্রথম দিনটা কেটেছে একরকম নির্বিঘ্নেই। কিন্তু, পয়লা একটা দিন বই তো নয়। বছরের বাকি দিনগুলোর কী হবে? পয়লা না হয় কাটল আনন্দে-স্ফূর্তিতে উৎসবের আমেজে। কিন্তু, তারপর? অশান্তির বাড়বাড়ন্তে অস্থির এই বিশ্বে স্বস্তি সম্প্রীতি ফিরবে? নতুন বাংলা বছরে রাজ্যবাসী মানুষ কি একটু শান্তি পাবে? একটু চাপমুক্ত হয়ে কাটাতে পারবে তাদের নিত্যদিনের জীবন? সত্যি বলতে কী, আজ এগুলোই সব থেকে বড় প্রশ্ন। আমেরিকা ইংল্যান্ড ফ্রান্স বেলজিয়াম সিরিয়া থেকে প্রতিবেশী বাংলাদেশ— সর্বত্র যেভাবে জঙ্গি হিংসা বাড়ছে, নিরীহ মানুষের প্রাণ যাচ্ছে— তাতে এই প্রশ্নগুলো ওঠাই তো স্বাভাবিক। আমাদের দেশেও তো সাম্প্রতিকে জঙ্গিদের ক্রিয়াকলাপ বেশ ভালোই নজরে পড়ছে। কিছুদিন আগে ভোটের ঠিক মুখে উত্তরপ্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হল এক জঙ্গি, উদ্ধার হল মারাত্মক সব অস্ত্রশস্ত্র। আমাদের রাজ্যে খাগড়াগড় তো কবেই ঘটে গিয়েছে। এছাড়া কাশ্মীরে লাগাতার সীমান্ত সন্ত্রাস গোলাগুলি খুনোখুনি— সেসবও চলছে। কবে যে থামবে, আদৌ কোনওদিন থামবে কি না— কে জানে?
এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বিপদে কারা? সাধারণ মানুষ, দেশের আমজনতা। কিছু একটা ঘটলে সবার আগে বলি হন তাঁরাই। তাঁদের পরিবার প্রিয়জনেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হন সবচেয়ে বেশি। কেবল জঙ্গি সন্ত্রাস কেন কোথাও কোনও গণ্ডগোল কি সমাজবিরোধী ক্রিয়াকলাপেরও প্রথম বলি তো তাঁরাই! এই যে কদিন আগে সোনারপুর আর খড়দহে সোনার দোকান গোল্ড লোনের অফিসে ডাকাতির ঘটনা ঘটল, ডাকাতদের গুলি বোমা ছুরিতে হতাহত হলেন কারা? সেই সাধারণ মানুষ— দোকানের মালিক গ্রাহক মহিলা এঁরাই! ঘটনার পর ক’দিন হইচই হল, লেখালেখি চলল, ডাকাতের আক্রমণে হত বা গুরুতর জখম হওয়ার সুবাদে আমরা আম পাবলিকের কয়েকজনের নামঠিকানা জানলাম, ছবি দেখলাম, তারপর একসময় অন্য খবরের তোড়ে সব কোথায় হারিয়ে গেল। কেউ আর তাঁদের শারীরিক অবস্থা বা ঘরসংসারের খোঁজ রাখছেন? রাখা কি সম্ভব? কিন্তু, তাঁদের দুর্ভোগ? সে চলছে নিশ্চয়ই। ডাকাতের গুলি যাঁদের পরিবার থেকে প্রিয়জন কেড়ে নিল বা যাঁদের স্বজন গুরুতর আহত হয়ে এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন— তাঁদের কষ্ট দুঃখ সমস্যা তো চট করে মিটবার নয়। পুলিশ ডাকাতদের কয়েকজনকে ধরেছে। হয়তো আরও ক’জনকে ধরবে। হয়তো আদালতে তাদের শাস্তির ব্যবস্থাও হবে। কিন্তু, তাতে কি ওই নিরীহ মানুষগুলোর কষ্টের সুরাহা হবে? প্রিয়জন হারানো হতভাগ্য পরিবার একটু শান্তি পাবে?
এর ওপর আর এক কাণ্ড শুরু হয়েছে রাজ্যে। সে কথা আগের কলমেই বিস্তৃতভাবে লিখেছি। তা নিয়ে ফের বিস্তৃতভাবে বলতে চাই না। শুধু এটুকুই বলব, রামচন্দ্র নিয়ে মাতামাতি হোক। ধর্ম পালনের অধিকার সকলের আছে, হিন্দু-মুসলমান খ্রিস্টান বৌদ্ধ জৈন— সকলের। আর আমাদের রাজ্যে সে ধর্ম পালনে কোনওদিন কেউ বাধা দিয়েছে বলে শুনিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যে সর্বধর্ম সমন্বয় সর্বধর্ম পালনের নীতিতে বিশ্বাসী তা প্রথম থেকেই বুঝিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং, ধর্ম পালন নিয়ে বিবাদ এই রাজ্যে স্বাভাবিক নয়। হিন্দু হিন্দুর ধর্ম পালন করবেন মুসলমান মুসলমানের ধর্ম পালন করবেন খ্রিস্টান যিশুর ভজনা করবেন— আপত্তির কোনও জায়গাই নেই।
কিন্তু ধর্ম পালনের মধ্যে হঠাৎ অস্ত্রের মারাত্মক ঝনঝনা কেন? অন্য ধর্মে কোথায় কী হয়— সে কথা থাক। আমাদের হিন্দুধর্মে কবে কোথায় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মিছিল হয়েছে? বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েদের হাতে অস্ত্র ধরিয়ে দিয়ে শক্তির বাহাদুরি দেখানোর চেষ্টা হয়েছে— বলুন? রামচন্দ্র আমাদের সকলের প্রিয় এবং শ্রদ্ধেয়। তাঁর যে রূপ আমাদের পরিচিত তাতেই বা কোথায় অস্ত্র হাতে এমন উগ্রতা— দেখাতে পারবেন? রামচন্দ্রের মতো একজন আদর্শ রাজা, আদর্শ পুত্র, আদর্শ ভাই, আদর্শ স্বামীর পক্ষে তেমন কি নিতান্তই বেমানান নয়! তার ওপর সেই সশস্ত্র মিছিল হল কোথায়? না বাংলার মাটিতে— পরধর্ম সহিষ্ণুতা যার রন্ধ্রে রন্ধ্রে! ভাবতে হবে না এইসব? রাজনীতির যুদ্ধ চালাবার জন্য সমস্যার, মানে ‘ইস্যু’র কি অভাব আছে! নিজ ধর্মের মানুষকে কাছে টানতে ধর্ম কথাও আসে আমাদের দেশে— আসুক। কিন্তু, তাই বলে— ধর্মের নামে এভাবে অস্ত্র নিয়ে পথে নেমে শক্তি দেখানো কি ঠিক? শত হলেও অস্ত্র তো ভয়ের প্রতীক অশান্তির অন্যতম হোতা— তাই না? আর রাজ্যে অশান্তির সৃষ্টি হলে তার কোপ বেশি করে কার ঘাড়ে পড়ে? সেই সাধারণ মানুষের। ছোটখাট ব্যাবসাপত্তর বা চাকরিবাকরি করে বা গায়ে গতরে খেটে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যাঁদের ঘর-সংসার প্রতিপালন করতে হয়— গোলমাল ঝামেলা হলে বিপদ তো তাঁদেরই বাড়ে। কারণ, রাস্তাঘাটে ঝামেলার ভয়ে কাজকাম ফেলে দিনের পর দিন তাঁরা যে ঘরে বসে থাকতে পারেন না। রুটি-রুজির তাগিদে তাঁদের পথে বেরতেই হবে। শুধু কি তাই? এইসব এলোমেলো ঝঞ্ঝাটে প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নয়ন না হলে এই রাজ্যের মানুষের ভবিষ্যৎই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতার প্রশাসন সেদিন রামনবমীর সশস্ত্র মিছিলে হস্তক্ষেপ করেনি। তার গতিরোধও করেনি। তাতে সিপিএম-কংগ্রেসের মতো বিরোধীরা নানা কথা কটুকাটব্য করেছে। করতেই পারে। এ রাজ্যের বিরোধী কালচারটা এখন এমনই। কিন্তু সাধারণ মানুষ কী বলছেন জানেন? বলছেন, সেদিন মমতা প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত ছিল অত্যন্ত দূরদর্শী। সেদিন মিছিল আটকালে ধর্ম পালনে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে জিগির তোলার অবকাশ পেত কিছু মহল এবং অস্ত্র নিয়ে ধর্মীয় মিছিলে শক্তিপ্রদর্শনের ব্যাপারটাও এমন স্পষ্ট করে লোকের চোখে পড়ত না! বরং মিছিল আটকানো নিয়ে রাজনীতির সুযোগ পেয়ে যেতেন মমতা বিরোধীরা! মমতার এই বাংলায় অরাজক পরিস্থিতি তৈরির যে চেষ্টা চক্রান্ত চলছে তাও বাড়তি ইন্ধন পেত। সমাজবিরোধীরাও যে যার মতো করে পরিস্থিতির সুযোগ নিত। এবং সব মিলিয়ে তাতে শেষ পর্যন্ত রাজ্যবাসী সাধারণের বিপদ বাড়ত বই কমত না। সুতরাং, মিছিলে হস্তক্ষেপ না করাটাকে মমতার একটি অত্যন্ত ‘ওয়াইজ ডিসিশন’ বলেই মনে করছেন মানুষজন। এখন অবশ্য রামনবমীর মিছিলের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলাটামলা হচ্ছে এদিক সেদিক। সে হোক। তবে, স্বস্তির মূল কথা হল— রামনবমীর সশস্ত্র মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজ্যে কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সাম্প্রদায়িক প্রীতিতে কোথাও কোনও আঁচড় লাগেনি।
মানুষ এমনটাই চান। যে যাঁর ধর্ম যেমন খুশি পালন করুন কিন্তু সম্প্রীতির পরিবেশটি অটুট থাক। তবেই না আমাদের রাজ্যের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে, উন্নয়নে গতি বাড়বে, আমাদের জীবনে শান্তি-সুস্থিতি আসবে। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ইস্তক মমতা তো তার জন্যই প্রাণপাত করছেন। পাহাড় থেকে সমুদ্র, জঙ্গলমহল থেকে ডুয়ার্স— সব জায়গায় ছুটে চলেছেন শান্তি সম্প্রীতি আর উন্নয়নের বার্তা নিয়ে। সেই বার্তা কতটা সার্থক হয়েছে আজকের দার্জিলিং, ঝাড়গ্রাম, জলপাইগুড়ি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার মতো জেলাগুলোই তার প্রমাণ। সেই উন্নয়নের ধারা, শান্তি চেষ্টার সাফল্য যাতে অব্যাহত থাকে তার জন্য আমাদেরও কি দায় নেই? সব দায় মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ফেলে দিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকলেই হবে! ধর্মের নামে অস্ত্রশক্তি দেখালেই চলবে? ধর্ম পালন নিশ্চয় করব। কিন্তু ধর্মকে হাতিয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীর শান্তি সম্প্রীতি উন্নয়নের বার্তা ব্যর্থ করার চেষ্টা হলে? ভাবতে হবে না। বাংলার নতুন বছরে এই ভাবনাটাকেই কি পরিস্থিতির বিচারে মনে হচ্ছে না সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
16th  April, 2017
 কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে।
বিশদ

স্বাধীনতার ৭০ বছর, নেতাতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র?
হিমাংশু সিংহ

বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলন আমি দেখিনি। ৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের মুহূর্তে মধ্যরাতের জওহরলাল নেহরুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ চাক্ষুষ করার সুযোগও হয়নি। হওয়ার কথাও নয়, কারণ ওই ঘটনার প্রায় দু’দশক পর আমার জন্ম। সেদিনের কথা বইয়ে, ইতিহাসের পাতায় পড়েছি মাত্র।
বিশদ

15th  August, 2017
গভীর রাতের নাটক শেষে স্যালুট
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জেতা ম্যাচ কী করে হারতে হয়, এই নির্বাচন তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে। হারতে হারতে জিতে গিয়েছেন আহমেদ প্যাটেল। এই দুর্দিনে তাঁর জয় কংগ্রেসের মরা গাঙে বান হয়তো ডেকে আনবে না, তবে মনোবল সামান্য হলেও বাড়াবে। সোনিয়া গান্ধীর দলের এই দুর্দিনে এটাই বা কম কী? তবে আহমেদ প্যাটেল নন, অমিত শাহও নন, শেষ বিচারে আসল জয়ী নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এটাই। ওই গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনকেই তাই স্যালুট জানিয়েছি।
বিশদ

13th  August, 2017
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে: কিছু প্রশ্ন
শুভা দত্ত

শুধু ভারত ছাড়ো কেন? রামনবমী রাখিবন্ধন পুজোপাঠ স্বাধীনতা দিবস প্রজাতন্ত্র—সবকিছুতেই এখন এত বেশি বেশি রাজনৈতিক দখলদারি শুরু হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে উৎসবের মেজাজ ধরে রাখাই মুশকিল হচ্ছে। রাজনীতি ছাড়া যেন কিছু হতেই পারে না!
বিশদ

13th  August, 2017
বাৎসল্য রসের পরাকাষ্ঠা মা যশোদার আত্মাভিমান চূর্ণ করলেন শ্রীকৃষ্ণ
চিদানন্দ গোস্বামী

 ভারতবর্ষের পৌরাণিক সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক সূর্য-করোজ্জ্বল ঘটনা। তত্ত্বে গভীর, দার্শনিকতায় গভীর, নৈতিকতাতেও। তাই বিশ্ব-জাগতিক জীবনে আকর্ষণে চিরন্তন মূল্যবান রত্ন সম্পদ।
বিশদ

12th  August, 2017
কঠিন বর্জ্যের কানুন
বিনয়কান্তি দত্ত

কেন্দ্রীয় ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদগুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হল বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির বিচার ও মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্ট স্থানগুলির ভূগর্ভস্থ জল, বায়ু, মৃত্তিকা ও শব্দের গুণমানের মাপকাঠি নির্ধারণ, বিভিন্ন দপ্তরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া, ইত্যাদি কাজের। একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে এই নতুন কানুনে কঠিন বর্জ্য সমস্যার সব দিক বিচার করে, সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। মনে আসছে অসুরবধের জন্য দুর্গা দুর্গতিনাশিনীকে দশপ্রহরণে সজ্জিত করার কথা। এখন দেখতে হবে এই কানুন-রূপী দুর্গা বর্জ্যাসুরকে কতদিনে বধ করতে পারে। বিশদ

12th  August, 2017
গ্যাসে ভরতুকি ছাড়ার অনুরোধ আসলে ধান্ধা
মৃন্ময় চন্দ

 সরকারি অর্থনীতির চলন বোঝাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগন একবার বলেছিলেন—‘‘If it moves, tax it. If it keeps moving, regulate it. And if it stops moving, subsidize it.’’ ৫৭.৫ লাখ এলপিজি গ্রাহক ভরতুকি ছেড়ে দিয়েছেন। দেশে এলপিজি গ্রাহকের সংখ্যা এই মুহূর্তে ১৪.৭০ কোটি। বিশদ

11th  August, 2017
রেশনে আধার: এত তাড়াহুড়োর কি কোনও প্রয়োজন আছে?
নিমাই দে

 চাল দু’টাকা কেজি দরে। কিন্তু রেশন দোকানে গিয়ে তা পেতে হলে পকেট থেকে তখনই খরচ করতে হবে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। দু’টাকা কেজির গম। সেটাও পেতে গেলে বার করতে হবে নয় নয় করে ১৮ থেকে ২০ টাকা। এটাই নাকি কেন্দ্রের ক্যাশলেস ব্যবস্থা!
বিশদ

11th  August, 2017
আমাদের ‘মন কি বাত’ আপনি কবে শুনবেন মোদিজি?
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 দেশের মানুষের ন্যূনতম ভরণপোষণের ব্যবস্থা বহাল রাখতে কেন্দ্র কি সত্যিই আন্তরিক? সত্যিই কি—গরিব মধ্যবিত্তের কথা ভেবেই নোটবন্দি জিএসটি স্বচ্ছ ভারত—এইসব! তাই যদি, তবে দেশে কেন এখনও পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুদ রাখার ব্যবস্থা নেই? ... ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা ভেবে ফসল সংরক্ষণের কি যথেষ্ট ব্যবস্থা হয়েছে? হয়ে থাকলে কথায় কথায় এমন অনটন দেখা দেয় কী করে? ফড়ে দালালরা বাজার চড়িয়ে গরিব মধ্যবিত্তের পকেট কেটে মুনাফাবাজি করে যায় কীভাবে? উন্নত সেচের ব্যবস্থাই যদি থাকে তবে কেন খরা হলে ফসলের এমন দুর্গতি হয়? সাধারণের জমায় সুদ কমাতে যাঁরা এমন তৎপর তাঁরা ঋণখেলাপিদের শত শত কোটি টাকা মকুব করে দিচ্ছেন কীভাবে? মধ্যবিত্ত সংহার ছাড়া কি স্বচ্ছ ভারত গড়া যায় না? স্বচ্ছ ভারতে কি মধ্যবিত্তের ঠাঁই হবে না?
বিশদ

10th  August, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত পাঁচ বছরে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ৮৫ পয়সা বেড়েছে বলে বিধানসভায় বিবৃতি দিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বুধবার বিধানসভায় প্রথমে বিদ্যুতের দাম ...

 বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বিষ্ণুপুরের সারদা গার্ডেনে সুদীপ্ত সেনের কয়েকশো বিঘা বেনামি সম্পত্তি হাতানোর সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জেরে আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক অফিসার। কলেজ পড়ুয়া তাঁর ছেলেকেও মারধর করা হয়েছে। ...

 ওয়াশিংটন, ১৬ এপ্রিল: চলতি বছরসহ আগামী ২০১৮ সালে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সময়ে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৩ শতাংশের আশপাশে থাকবে বলে ধারণা ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্প্রতি দুর্গাপুর পুরসভা নির্বাচনে নিরাপত্তার প্রশাসনিক আশ্বাস সত্ত্বেও ব্যাপক হাঙ্গামা হয়েছে। ভোট লুট হয়েছে। পুলিশ মার খেয়েছে। নির্বাচন কমিশন ভোট চলাকালীন অভিযোগ জানানোর রাস্তা বন্ধ রেখেছিল। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক। কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: ব্রিটিশ সাহিত্যিক ভি এস নাইপলের জন্ম
১৯৮৮: দুর্ঘটনায় মৃত পাক প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জিয়া-উল-হক
২০০৮: ওলিম্পিকসে আটটি সোনা জিতে রেকর্ড মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেল্পসের


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪৫ টাকা ৬৫.১৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৭ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭৪.০৮ টাকা ৭৬.৬৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৬৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩২ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী দিবা ১২/৪৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/৫৯, সূ উ ৫/১৭/৫১, অ ৬/৩/৩৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-৩/৩, বারবেলা ২/৫২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪১-১/৫।
 ৩১ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী ১০/৫৫/৫২, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/২৩/৫৭, সূ উ ৫/১৫/৩৩, অ ৬/৫/২৫, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩০-৩/১/৩১, বারবেলা ৪/২৯/১১-৬/৫/২৫, কালবেলা ২/৫২/৫৭-৪/২৯/১১, কালরাত্রি ১১/৪০/২৯-১/৪/১৫।
২৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতে পাকিস্তানের নতুন হাই কমিশনার সোহেল

 আবদুল বাসিতের বদলে ভারতে নিযুক্ত পাকিস্তান দূতাবাসের হাই কমিশনার হলেন সোহেল মাহমুদ

16-08-2017 - 10:10:11 PM

বন্যা পরিস্থিতি: মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রাজ্যের
এই বন্যা পরিস্থিতিতে যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। আজ একথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ নবান্ন থেকে বের হওয়ার সময় তিনি জানান, ডালখোলা বারসোই এলাকায় রেলব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। আমি রেলের সাথে কথা বলেছি, যাতে তারাতারি ব্রিজ মেরামতির কাজ শুরু হয়। তিনি জানান, পরিবহন দপ্তরকে বলেছি যতক্ষণ না ট্রেন পরিষেবা শুরু হয়, বেশি করে বাস চালাতে। আমি একসময় রেলমন্ত্রী ছিলাম, জানি কিভাবে কাজ করা যায়। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কিরণ রিজজুর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মমতা জানান, আমাদের কাছে কোনটা বেশি জরুরি? হিসাব দেওয়া না মানুষকে ত্রাণ দেওয়া ? আমি তো প্রধানমন্ত্রী, স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। জল নামলে তবে তো বোঝা যাবে কত কী ক্ষতি হয়েছে। কত কৃষি জমি নষ্ট হয়েছে, কত রাস্তা ভেঙেছে, কত বাড়ি ভেঙেছে।

16-08-2017 - 09:16:20 PM

 বিকেল 5 টা পর্যন্ত ধূপগুড়ির দুটি ওয়ার্ডেভোট পড়েছে ৮৯.৯৮ %

16-08-2017 - 07:42:00 PM

শিয়ালদহ-মালদা টাউন ৪ জোড়া স্পেশাল ট্রেন,  জেনে নিন দিনক্ষণ

০৩১৪৯ / ০৩১৫০ শিয়ালদহ-মালদা টাউন-শিয়ালদহ স্পেশাল (ভায়া ডানকুনি) শিয়ালদহ থেকে ১৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) – ২০ আগস্ট (রবিবার) ২০১৭ পর্যন্ত রাত ১১টা ২৫মিনিটে ছাড়বে। ট্রেনটি মালদা টাউন পৌঁছাবে পরদিন ভোর ৫টা ৫০মিনিটে। গাড়িটি ফের মালদা টাউন থেকে রওনা দেবে ১৮ আগস্ট- ২৩ আগস্ট ২০১৭ পর্যন্ত রাত ১১ টায় ছাড়বে। ট্রেনটি শিয়ালদহ পৌঁছাবে পরদিন ভোর ৬টায়। ট্রেনগুলিতে জেনারেল সেকেন্ড ক্লাস কামরা, স্লিপার কামরা, এসি ২ এবং এসি ৩ টিয়ার কামরা থাকবে।

16-08-2017 - 06:52:00 PM

হকারকে মারধর! পুরুলিয়ার কাশীপুরের তৃণমূল বিধায়কের ভিডিও ভাইরাল 
পুরুলিয়ার কাশীপুরের তৃণমূল বিধায়ক স্বপন বেলথোরিয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে কাশীপুরের বিধায়ক এবং তাঁর অনুগামীরা এক ব্যক্তিকে মারধর করছেন। এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত কাশীপুর থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ হয়নি। এমনকী কাশীপুরের বিধায়ক মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে জানান, ওই ভিডিওটি জাল এবং বিজেপির কিছু নেতা চক্রান্ত করে ওই ভিডিওটি হোয়াটস অ্যাপে ছড়িয়েছে। 

16-08-2017 - 05:49:20 PM

বাঁকুড়ার বড়জোড়ায় রাজ্য সড়কে স্কুল বাস ও ডাম্পারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, জখম ৮ পড়ুয়া 

16-08-2017 - 04:28:00 PM