বিশেষ নিবন্ধ
 

 বাংলার নতুন বছরে মানুষ কি একটু শান্তি পাবে?

শুভা দত্ত: বাংলার আরও একটা নতুন বছর শুরু হয়ে গেল। ১৪২৪। এখন অবশ্য পয়লা আর পঁচিশে বৈশাখের মতো হাতে গোনা কয়েকটা দিন ছাড়া বাংলা বছরকে বিশেষ কেউ মনে রাখেন না। রাখবেন কেন? আমাদের আজকের জীবনে বাংলা বছর আর কোথায় লাগে? পুজোআচ্চা বিয়ে পৈতে অন্নপ্রাশনের মতো পারিবারিক সামাজিক কিছু অনুষ্ঠান ছাড়া বাঙালির আর কী-ই বা বাংলা সাল তারিখ মেনে হয়? ছেলেমেয়েদের জন্মদিন তো সেই কোনকাল থেকেই ইংরেজি সাল তারিখের জিম্মায় চলে গিয়েছে। তবে হ্যাঁ, তা সত্ত্বেও পয়লা বৈশাখের এখনও একটা আলাদা কদর আছে বাঙালি জীবনে। বাংলা বছর শুরুর ওই দিনটাতে বাঙালি একবারের জন্য হলেও তাদের হারিয়ে যাওয়া সাজগোজ আচারবিচার খানাপিনার দিকে ফিরে তাকায়। আর তাই রাস্তাঘাটে কি শপিংমলে রেস্তরাঁয় পয়লা বৈশাখের দিন বাঙালির স্বাভাবিক সাজে বহু মানুষকে শামিল হতে দেখা যায়। বাঙালির আড্ডায় বাংলা গান বাংলার ভাষা শোনা যায়। শাড়ি, পাজামা কুর্তা কি ধুতি-পাঞ্জাবি পরে বাঙালি-খানার স্পেশাল মেনুর স্বাদ নিতে ঩ভিড় জমে শহর মহানগর শহরতলির রেস্তরাঁয়। বইপাড়াতে সেই জৌলুস না থাকলেও নববর্ষের এই দিনটাতে নামজাদা প্রকাশকের ঘরে কবি সাহিত্যিকদের ভিড় এখনও কমবেশি জমে। হালখাতা মিষ্টিমুখ হয় দোকানে দোকানে। হিন্দি ইংরেজির দাপটে কোণঠাসা বাংলার ভাষা রুচি সংস্কৃতির চলতি দুর্দিনে এটা কি কম বড় কথা!
এবং, অনেকের কাছেই শুনেছি— পয়লা বৈশাখ পালনের এই চিরাচরিত প্রথায় এবারও উৎসাহের অভাব ছিল না। গত শনিবার মোটামুটি সাড়ম্বরেই বাংলা বছর শুরুর দিনটা উদ্‌যাপন করেছে বাঙালি। সেদিন গানবাজনা খানাপিনায় কলকাতা শহর ও শহরতলিতে উৎসবের চেনা মেজাজও মোটামুটি ছিল অটুট। গরমে হাঁসফাঁস শহরে বৈশাখের প্রথম দিনটা কেটেছে একরকম নির্বিঘ্নেই। কিন্তু, পয়লা একটা দিন বই তো নয়। বছরের বাকি দিনগুলোর কী হবে? পয়লা না হয় কাটল আনন্দে-স্ফূর্তিতে উৎসবের আমেজে। কিন্তু, তারপর? অশান্তির বাড়বাড়ন্তে অস্থির এই বিশ্বে স্বস্তি সম্প্রীতি ফিরবে? নতুন বাংলা বছরে রাজ্যবাসী মানুষ কি একটু শান্তি পাবে? একটু চাপমুক্ত হয়ে কাটাতে পারবে তাদের নিত্যদিনের জীবন? সত্যি বলতে কী, আজ এগুলোই সব থেকে বড় প্রশ্ন। আমেরিকা ইংল্যান্ড ফ্রান্স বেলজিয়াম সিরিয়া থেকে প্রতিবেশী বাংলাদেশ— সর্বত্র যেভাবে জঙ্গি হিংসা বাড়ছে, নিরীহ মানুষের প্রাণ যাচ্ছে— তাতে এই প্রশ্নগুলো ওঠাই তো স্বাভাবিক। আমাদের দেশেও তো সাম্প্রতিকে জঙ্গিদের ক্রিয়াকলাপ বেশ ভালোই নজরে পড়ছে। কিছুদিন আগে ভোটের ঠিক মুখে উত্তরপ্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হল এক জঙ্গি, উদ্ধার হল মারাত্মক সব অস্ত্রশস্ত্র। আমাদের রাজ্যে খাগড়াগড় তো কবেই ঘটে গিয়েছে। এছাড়া কাশ্মীরে লাগাতার সীমান্ত সন্ত্রাস গোলাগুলি খুনোখুনি— সেসবও চলছে। কবে যে থামবে, আদৌ কোনওদিন থামবে কি না— কে জানে?
এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বিপদে কারা? সাধারণ মানুষ, দেশের আমজনতা। কিছু একটা ঘটলে সবার আগে বলি হন তাঁরাই। তাঁদের পরিবার প্রিয়জনেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হন সবচেয়ে বেশি। কেবল জঙ্গি সন্ত্রাস কেন কোথাও কোনও গণ্ডগোল কি সমাজবিরোধী ক্রিয়াকলাপেরও প্রথম বলি তো তাঁরাই! এই যে কদিন আগে সোনারপুর আর খড়দহে সোনার দোকান গোল্ড লোনের অফিসে ডাকাতির ঘটনা ঘটল, ডাকাতদের গুলি বোমা ছুরিতে হতাহত হলেন কারা? সেই সাধারণ মানুষ— দোকানের মালিক গ্রাহক মহিলা এঁরাই! ঘটনার পর ক’দিন হইচই হল, লেখালেখি চলল, ডাকাতের আক্রমণে হত বা গুরুতর জখম হওয়ার সুবাদে আমরা আম পাবলিকের কয়েকজনের নামঠিকানা জানলাম, ছবি দেখলাম, তারপর একসময় অন্য খবরের তোড়ে সব কোথায় হারিয়ে গেল। কেউ আর তাঁদের শারীরিক অবস্থা বা ঘরসংসারের খোঁজ রাখছেন? রাখা কি সম্ভব? কিন্তু, তাঁদের দুর্ভোগ? সে চলছে নিশ্চয়ই। ডাকাতের গুলি যাঁদের পরিবার থেকে প্রিয়জন কেড়ে নিল বা যাঁদের স্বজন গুরুতর আহত হয়ে এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন— তাঁদের কষ্ট দুঃখ সমস্যা তো চট করে মিটবার নয়। পুলিশ ডাকাতদের কয়েকজনকে ধরেছে। হয়তো আরও ক’জনকে ধরবে। হয়তো আদালতে তাদের শাস্তির ব্যবস্থাও হবে। কিন্তু, তাতে কি ওই নিরীহ মানুষগুলোর কষ্টের সুরাহা হবে? প্রিয়জন হারানো হতভাগ্য পরিবার একটু শান্তি পাবে?
এর ওপর আর এক কাণ্ড শুরু হয়েছে রাজ্যে। সে কথা আগের কলমেই বিস্তৃতভাবে লিখেছি। তা নিয়ে ফের বিস্তৃতভাবে বলতে চাই না। শুধু এটুকুই বলব, রামচন্দ্র নিয়ে মাতামাতি হোক। ধর্ম পালনের অধিকার সকলের আছে, হিন্দু-মুসলমান খ্রিস্টান বৌদ্ধ জৈন— সকলের। আর আমাদের রাজ্যে সে ধর্ম পালনে কোনওদিন কেউ বাধা দিয়েছে বলে শুনিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যে সর্বধর্ম সমন্বয় সর্বধর্ম পালনের নীতিতে বিশ্বাসী তা প্রথম থেকেই বুঝিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং, ধর্ম পালন নিয়ে বিবাদ এই রাজ্যে স্বাভাবিক নয়। হিন্দু হিন্দুর ধর্ম পালন করবেন মুসলমান মুসলমানের ধর্ম পালন করবেন খ্রিস্টান যিশুর ভজনা করবেন— আপত্তির কোনও জায়গাই নেই।
কিন্তু ধর্ম পালনের মধ্যে হঠাৎ অস্ত্রের মারাত্মক ঝনঝনা কেন? অন্য ধর্মে কোথায় কী হয়— সে কথা থাক। আমাদের হিন্দুধর্মে কবে কোথায় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মিছিল হয়েছে? বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েদের হাতে অস্ত্র ধরিয়ে দিয়ে শক্তির বাহাদুরি দেখানোর চেষ্টা হয়েছে— বলুন? রামচন্দ্র আমাদের সকলের প্রিয় এবং শ্রদ্ধেয়। তাঁর যে রূপ আমাদের পরিচিত তাতেই বা কোথায় অস্ত্র হাতে এমন উগ্রতা— দেখাতে পারবেন? রামচন্দ্রের মতো একজন আদর্শ রাজা, আদর্শ পুত্র, আদর্শ ভাই, আদর্শ স্বামীর পক্ষে তেমন কি নিতান্তই বেমানান নয়! তার ওপর সেই সশস্ত্র মিছিল হল কোথায়? না বাংলার মাটিতে— পরধর্ম সহিষ্ণুতা যার রন্ধ্রে রন্ধ্রে! ভাবতে হবে না এইসব? রাজনীতির যুদ্ধ চালাবার জন্য সমস্যার, মানে ‘ইস্যু’র কি অভাব আছে! নিজ ধর্মের মানুষকে কাছে টানতে ধর্ম কথাও আসে আমাদের দেশে— আসুক। কিন্তু, তাই বলে— ধর্মের নামে এভাবে অস্ত্র নিয়ে পথে নেমে শক্তি দেখানো কি ঠিক? শত হলেও অস্ত্র তো ভয়ের প্রতীক অশান্তির অন্যতম হোতা— তাই না? আর রাজ্যে অশান্তির সৃষ্টি হলে তার কোপ বেশি করে কার ঘাড়ে পড়ে? সেই সাধারণ মানুষের। ছোটখাট ব্যাবসাপত্তর বা চাকরিবাকরি করে বা গায়ে গতরে খেটে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যাঁদের ঘর-সংসার প্রতিপালন করতে হয়— গোলমাল ঝামেলা হলে বিপদ তো তাঁদেরই বাড়ে। কারণ, রাস্তাঘাটে ঝামেলার ভয়ে কাজকাম ফেলে দিনের পর দিন তাঁরা যে ঘরে বসে থাকতে পারেন না। রুটি-রুজির তাগিদে তাঁদের পথে বেরতেই হবে। শুধু কি তাই? এইসব এলোমেলো ঝঞ্ঝাটে প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নয়ন না হলে এই রাজ্যের মানুষের ভবিষ্যৎই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতার প্রশাসন সেদিন রামনবমীর সশস্ত্র মিছিলে হস্তক্ষেপ করেনি। তার গতিরোধও করেনি। তাতে সিপিএম-কংগ্রেসের মতো বিরোধীরা নানা কথা কটুকাটব্য করেছে। করতেই পারে। এ রাজ্যের বিরোধী কালচারটা এখন এমনই। কিন্তু সাধারণ মানুষ কী বলছেন জানেন? বলছেন, সেদিন মমতা প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত ছিল অত্যন্ত দূরদর্শী। সেদিন মিছিল আটকালে ধর্ম পালনে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে জিগির তোলার অবকাশ পেত কিছু মহল এবং অস্ত্র নিয়ে ধর্মীয় মিছিলে শক্তিপ্রদর্শনের ব্যাপারটাও এমন স্পষ্ট করে লোকের চোখে পড়ত না! বরং মিছিল আটকানো নিয়ে রাজনীতির সুযোগ পেয়ে যেতেন মমতা বিরোধীরা! মমতার এই বাংলায় অরাজক পরিস্থিতি তৈরির যে চেষ্টা চক্রান্ত চলছে তাও বাড়তি ইন্ধন পেত। সমাজবিরোধীরাও যে যার মতো করে পরিস্থিতির সুযোগ নিত। এবং সব মিলিয়ে তাতে শেষ পর্যন্ত রাজ্যবাসী সাধারণের বিপদ বাড়ত বই কমত না। সুতরাং, মিছিলে হস্তক্ষেপ না করাটাকে মমতার একটি অত্যন্ত ‘ওয়াইজ ডিসিশন’ বলেই মনে করছেন মানুষজন। এখন অবশ্য রামনবমীর মিছিলের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলাটামলা হচ্ছে এদিক সেদিক। সে হোক। তবে, স্বস্তির মূল কথা হল— রামনবমীর সশস্ত্র মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজ্যে কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সাম্প্রদায়িক প্রীতিতে কোথাও কোনও আঁচড় লাগেনি।
মানুষ এমনটাই চান। যে যাঁর ধর্ম যেমন খুশি পালন করুন কিন্তু সম্প্রীতির পরিবেশটি অটুট থাক। তবেই না আমাদের রাজ্যের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে, উন্নয়নে গতি বাড়বে, আমাদের জীবনে শান্তি-সুস্থিতি আসবে। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ইস্তক মমতা তো তার জন্যই প্রাণপাত করছেন। পাহাড় থেকে সমুদ্র, জঙ্গলমহল থেকে ডুয়ার্স— সব জায়গায় ছুটে চলেছেন শান্তি সম্প্রীতি আর উন্নয়নের বার্তা নিয়ে। সেই বার্তা কতটা সার্থক হয়েছে আজকের দার্জিলিং, ঝাড়গ্রাম, জলপাইগুড়ি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার মতো জেলাগুলোই তার প্রমাণ। সেই উন্নয়নের ধারা, শান্তি চেষ্টার সাফল্য যাতে অব্যাহত থাকে তার জন্য আমাদেরও কি দায় নেই? সব দায় মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ফেলে দিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকলেই হবে! ধর্মের নামে অস্ত্রশক্তি দেখালেই চলবে? ধর্ম পালন নিশ্চয় করব। কিন্তু ধর্মকে হাতিয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীর শান্তি সম্প্রীতি উন্নয়নের বার্তা ব্যর্থ করার চেষ্টা হলে? ভাবতে হবে না। বাংলার নতুন বছরে এই ভাবনাটাকেই কি পরিস্থিতির বিচারে মনে হচ্ছে না সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
16th  April, 2017
ধ্রুবতারা ফুটবল, স্বপ্ন সরণিতে মিজোরাম

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: এই লেখাটা যেদিন আপনি পড়ছেন, অর্থাৎ রোববার সেই দিনটা যখন শেষ হব হব করবে, তখন আমার মন কতটা ফুরফুরে থাকবে অথবা কতটা মুহ্যমান থাকব তা বলতে পারব না। কারণ, আমি জ্যোতিষী নই।
বিশদ

এত তাড়াতাড়ি ভোটের বাদ্যি বাজিয়ে দেওয়ার চেষ্টা কেন

শুভা দত্ত: সামনের বছর পঞ্চায়েত ভোট। সে ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। এবং তার আগে তেমন বড় কোনও ভোটও নেই রাজ্যে। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গের পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ভোট একেবারে দোরগোড়ায় এসে পড়েছে। আর তাই রাজ্যজুড়ে ভোটের গরম হাওয়া বইতে শুরু করে দিয়েছে! রাজনৈতিক তরজা হানাহানি কাটাকাটিও শুরু হয়ে গিয়েছে।
বিশদ

  স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে চরম দুরবস্থার জন্য দায়ী কিছু কর্পোরেট সংস্থার বিপুল অনাদায়ী ঋণ

 দেবনারায়ণ সরকার: ২০১৭-র ১ এপ্রিল থেকে প্রবীণদের জন্য ৫ বছরের সঞ্চয় প্রকল্পে থেকে শুরু করে পিপিএফ, কিষাণ বিকাশপত্র, সুকন্যা সমৃদ্ধি—সমস্ত স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে ফের ১০ বেসিক পয়েন্ট সুদ কমাল কেন্দ্র। এর আগে এই হার ১০ শতাংশ কমানো হয়েছিল গত অক্টোবরে। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের আমলে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতো ডাকঘর সঞ্চয় প্রকল্পগুলির সুদের হারও বাজার সুদের হারের পরিবর্তনের সঙ্গে সংগতি রেখে প্রতি ত্রৈমাসিকে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
বিশদ

29th  April, 2017
এই পুর নির্বাচনে পাহাড় থেকে সমতলে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের খোঁজ মিলবে

বিশ্বনাথ চক্রবর্তী: আগামী ১৪ মে রাজ্যের ৭টি পুরসভার ১৪৮টি ওয়ার্ডে ৩৮৫টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এই ৭টি পুরসভার মধ্যে পাহাড়ের ৪টি পুরসভায় গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে কংগ্রেস এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার পূজালি পুরসভা ছিল তৃণমূলের দখলে। মুর্শিদাবাদের ডোমকল পুরসভাটি ২০১৫ সালে গঠিত হওয়ার পর এই প্রথম সেখানে ভোট হতে চলেছে। বিশদ

29th  April, 2017
 বাজেট হাসপাতাল তৈরি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, আগামীদিনে অগ্রাধিকার পাক জেলাও

নিমাই দে: এমন একটা প্রতিযোগিতার বাজারে, যেখানে সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মৌচাকে ঢিল মারতে নামছে, সেখানে সরকারি হাসপাতাল চত্বরে বাজেট হাসপাতালই হোক, হোক পলিক্লিনিক বা পে ক্লিনিক, একটা জিনিস অবশ্যই নজর রাখতে হবে, তা যেন বেসরকারি ক্ষেত্রের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করার মতো জায়গায় থাকে। কারণ, বিগত দিনের অভিজ্ঞতাই বলছে, পে ক্লিনিকগুলি কিন্তু সাফল্যের মুখ দেখেনি। যদিও হাসপাতালে কান পাতলে শোনা যায়, এর পিছনে রয়েছে বাম আমলের লাগামছাড়া দুর্নীতি। ...বহু টাকা নাকি কর্মীরা নয়ছয় করেছেন স্রেফ ইউনিয়ন নামক দাদাগিরি করে। তার ফলে মাসের পর মাস রোগী দেখেও টাকা না পেয়ে ডাক্তাররা নিরাশ হয়ে কেউ হাসপাতাল ছেড়েছেন, কেউবা পলিক্লিনিকের ধার মাড়াননি।
বিশদ

28th  April, 2017
 অরুণাচলে চীনকে ঠেকাতে তৎপর সতর্ক ভারত

গৌরীশঙ্কর নাগ: আমরা ধরে নিয়েছিলাম তিব্বতের ওপর চীনের অধিকার যদি আমরা স্বীকার করে নিই, তাহলে হয়তো সমস্যার আশু সমাধান হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় এই যে, চীনের তরফ থেকে অনুরূপ আন্তরিকতা আমরা পাইনি। বরং সম্প্রতি হংকং ও ম্যাকাওকে সংযুক্তিকরণে সফল হওয়ায়, অরুণাচল নিয়ে চীন যে অত্যুৎসাহী হয়ে পড়েছে। সুতরাং ভারতের অত্যন্ত সাবধানী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। ইতিমধ্যে চীনের শান্তিপূর্ণ উত্থানের তত্ত্ব অনেকে খারিজ করে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে চীনের সঙ্গে দরকষাকষির ক্ষেত্রে ভারতের অভ্যন্তরে মোদি সরকারের প্রতি রাজনৈতিক সমর্থনের পাল্লা কতটা ভারী—তাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশদ

28th  April, 2017
তোর্সা নদীই কি জলবণ্টনের স্থায়ী সমাধান?

গিরিজাশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়: তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নানাবিধ কূটনৈতিক আলোচনা হয়ে গেল কিছুদিন আগেই। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।
বিশদ

27th  April, 2017
ভারত-বাংলাদেশ অভিন্ন নদীগুলির জলপ্রবাহ সমস্যা ও সমাধান

মোঃ তারিকুজ্জামান রেজা: বাংলাদেশ ও ভারত দুটি বন্ধু প্রতিবেশী রাষ্ট্র। এ দুই রাষ্ট্রের সম্পর্ক রক্তের বাঁধনে বাঁধা। ১৯৪৭ সালে দুটি ধর্মের ভিত্তিতে ভারত ভেঙে অপরিকল্পিতভাবে হয় পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান। কিন্তু, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানদের সেই পাকিস্তানের ঘোর কাটতে সময় লাগেনি। বিশদ

27th  April, 2017


একনজরে
 সংবাদদাতা, আরামবাগ: নাবালিকা অপহরণে মদত দেওয়ার অভিযোগে শনিবার ভোরে আরামবাগের ফাঁসিবাগান এলাকা থেকে মূল অভিযুক্তের বাবাকে গ্রেপ্তার করল আরামবাগ থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম রাজেশ প্রসাদ। বাড়ি ওই এলাকাতেই। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল হিসাবে তাদের ডব্লুআর-ভি গাড়িটি দেশের বাজারে আসা মাত্র দারুণ সাড়া তৈরি করেছে। গাড়িটির নির্মাতা সংস্থা হন্ডা’র দাবি অন্তত তেমনই। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ব্যাংকের ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য জেনে ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ জানানোর দু’বছর বাদে একজনকে গ্রেপ্তার করল বিধাননগর সাইবার থানার পুলিশ। ...

অয়নকুমার দত্ত, আমেদাবাদ থেকে ফিরে: চপ-তেলে ভাজা ভেজেও মানুষ অন্নসংস্থান করতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গে ‘চপ শিল্প’ নিয়ে যত তর্যাই চলুক না কেন, এদেশেরই অন্য এক রাজ্যে এই চপ-সিঙ্গারাই পালটে দিয়েছে বেশ কিছু জেল বন্দি মানুষের জীবন। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আপনার মনে ধর্মভাব জাগ্রত হবে। কর্মপ্রার্থীরা কর্মের সুযোগ পাবেন। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সূচনা হবে। অর্থ নিয়ে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭০-ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনক হিসাবে পরিচিত দাদাসাহেব ফালকের জন্ম।
১৯৪৫- জার্মানির চ্যান্সেলর এডলফ হিটলারের আত্মহত্যা।
১৯৮৭-ক্রিকেটার রোহিত শর্মার জন্ম।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪০ টাকা ৬৫.০৮ টাকা
পাউন্ড ৮১.৬৩ টাকা ৮৪.৪৪ টাকা
ইউরো ৬৮.৬৩ টাকা ৭১.১০ টাকা
29th  April, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৩১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৮০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৬ বৈশাখ, ৩০ এপ্রিল, রবিবার, পঞ্চমী রাত্রি ১২/৫০, মৃগশিরানক্ষত্র দিবা ৮/৩৩, সূ উ ৫/৮/৪৯, অ ৫/৫৮/৫৭, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/২৬ রাত্রি ৭/২৮-৮/৫৭, বারবেলা ৯/৫৮-১/১০, কালরাত্রি ১২/৫৮-২/২২।
১৬ বৈশাখ, ৩০ এপ্রিল, রবিবার, চতুর্থী ৮/২৭/০, মৃগশিরানক্ষত্র ১/১৯/৪২, সূ উ ৫/৮/৮, অ ৫/৫৯/৪, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৯/৩২-৯/২৫/৭, রাত্রি ৭/২৮/১৭-৮/৫৭/২৯, বারবেলা ৯/৫৭/১৪-১১/৩৩/৩৬, কালবেলা ১১/৩৩/৩৬-১/৯/৫৮, কালরাত্রি ১২/৫৭/১৪-২/২০/৫২। 
 ৩ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজ শহরের তাপমাত্রা থাকবে ৩৭ ডিগ্রির কাছাকাছি

08:48:00 AM

সুপার ওভারে গুজরাত লায়ন্সকে হারাল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স 

12:03:36 AM

আজ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা 
আজ, রবিবার শহরে কালবৈশাখীর ক্ষীণ আশা জুগিয়ে রাখল আবহাওয়া দপ্তর। তবে ঝড়বৃষ্টি হওয়ার ভালো সম্ভাবনা আছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে এবং দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি এলাকায়। পূর্ব বিহারের উপর থাকা একটি ঘূর্ণাবর্ত রাজ্যে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকিয়েছে। তার প্রভাবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের কর্তারা। তাঁরা বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমা বায়ু উপর দিকে উঠে আসছে। এদিকে, বিহারের ঘূর্ণাবর্ত থেকে ছত্তিশগড় পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে, যার অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯০০ মিটার উপরে।  

08:15:00 AM

সুপার ওভারে গুজরাত লায়ন্সকে জয়ের জন্য ১২ রানের টার্গেট দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স 

29-04-2017 - 11:51:00 PM

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স-গুজরাত লায়ন্স ম্যাচ সুপার ওভারে 

29-04-2017 - 11:38:42 PM

গুজরাত লায়ন্স ২০ ওভারে ১৫৩/৯ 

29-04-2017 - 09:40:01 PM






বিশেষ নিবন্ধ
ধ্রুবতারা ফুটবল, স্বপ্ন সরণিতে মিজোরাম
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: এই লেখাটা যেদিন আপনি পড়ছেন, অর্থাৎ রোববার সেই দিনটা যখন শেষ হব হব ...
এত তাড়াতাড়ি ভোটের বাদ্যি বাজিয়ে দেওয়ার চেষ্টা কেন
শুভা দত্ত: সামনের বছর পঞ্চায়েত ভোট। সে ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। এবং তার আগে ...
  স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে চরম দুরবস্থার জন্য দায়ী কিছু কর্পোরেট সংস্থার বিপুল অনাদায়ী ঋণ
 দেবনারায়ণ সরকার: ২০১৭-র ১ এপ্রিল থেকে প্রবীণদের জন্য ৫ বছরের সঞ্চয় প্রকল্পে থেকে শুরু করে ...
এই পুর নির্বাচনে পাহাড় থেকে সমতলে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের খোঁজ মিলবে
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী: আগামী ১৪ মে রাজ্যের ৭টি পুরসভার ১৪৮টি ওয়ার্ডে ৩৮৫টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এই ...
 বাজেট হাসপাতাল তৈরি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, আগামীদিনে অগ্রাধিকার পাক জেলাও
নিমাই দে: এমন একটা প্রতিযোগিতার বাজারে, যেখানে সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মৌচাকে ঢিল মারতে নামছে, সেখানে ...