বিশেষ নিবন্ধ
 

 বাংলার নতুন বছরে মানুষ কি একটু শান্তি পাবে?

শুভা দত্ত: বাংলার আরও একটা নতুন বছর শুরু হয়ে গেল। ১৪২৪। এখন অবশ্য পয়লা আর পঁচিশে বৈশাখের মতো হাতে গোনা কয়েকটা দিন ছাড়া বাংলা বছরকে বিশেষ কেউ মনে রাখেন না। রাখবেন কেন? আমাদের আজকের জীবনে বাংলা বছর আর কোথায় লাগে? পুজোআচ্চা বিয়ে পৈতে অন্নপ্রাশনের মতো পারিবারিক সামাজিক কিছু অনুষ্ঠান ছাড়া বাঙালির আর কী-ই বা বাংলা সাল তারিখ মেনে হয়? ছেলেমেয়েদের জন্মদিন তো সেই কোনকাল থেকেই ইংরেজি সাল তারিখের জিম্মায় চলে গিয়েছে। তবে হ্যাঁ, তা সত্ত্বেও পয়লা বৈশাখের এখনও একটা আলাদা কদর আছে বাঙালি জীবনে। বাংলা বছর শুরুর ওই দিনটাতে বাঙালি একবারের জন্য হলেও তাদের হারিয়ে যাওয়া সাজগোজ আচারবিচার খানাপিনার দিকে ফিরে তাকায়। আর তাই রাস্তাঘাটে কি শপিংমলে রেস্তরাঁয় পয়লা বৈশাখের দিন বাঙালির স্বাভাবিক সাজে বহু মানুষকে শামিল হতে দেখা যায়। বাঙালির আড্ডায় বাংলা গান বাংলার ভাষা শোনা যায়। শাড়ি, পাজামা কুর্তা কি ধুতি-পাঞ্জাবি পরে বাঙালি-খানার স্পেশাল মেনুর স্বাদ নিতে ঩ভিড় জমে শহর মহানগর শহরতলির রেস্তরাঁয়। বইপাড়াতে সেই জৌলুস না থাকলেও নববর্ষের এই দিনটাতে নামজাদা প্রকাশকের ঘরে কবি সাহিত্যিকদের ভিড় এখনও কমবেশি জমে। হালখাতা মিষ্টিমুখ হয় দোকানে দোকানে। হিন্দি ইংরেজির দাপটে কোণঠাসা বাংলার ভাষা রুচি সংস্কৃতির চলতি দুর্দিনে এটা কি কম বড় কথা!
এবং, অনেকের কাছেই শুনেছি— পয়লা বৈশাখ পালনের এই চিরাচরিত প্রথায় এবারও উৎসাহের অভাব ছিল না। গত শনিবার মোটামুটি সাড়ম্বরেই বাংলা বছর শুরুর দিনটা উদ্‌যাপন করেছে বাঙালি। সেদিন গানবাজনা খানাপিনায় কলকাতা শহর ও শহরতলিতে উৎসবের চেনা মেজাজও মোটামুটি ছিল অটুট। গরমে হাঁসফাঁস শহরে বৈশাখের প্রথম দিনটা কেটেছে একরকম নির্বিঘ্নেই। কিন্তু, পয়লা একটা দিন বই তো নয়। বছরের বাকি দিনগুলোর কী হবে? পয়লা না হয় কাটল আনন্দে-স্ফূর্তিতে উৎসবের আমেজে। কিন্তু, তারপর? অশান্তির বাড়বাড়ন্তে অস্থির এই বিশ্বে স্বস্তি সম্প্রীতি ফিরবে? নতুন বাংলা বছরে রাজ্যবাসী মানুষ কি একটু শান্তি পাবে? একটু চাপমুক্ত হয়ে কাটাতে পারবে তাদের নিত্যদিনের জীবন? সত্যি বলতে কী, আজ এগুলোই সব থেকে বড় প্রশ্ন। আমেরিকা ইংল্যান্ড ফ্রান্স বেলজিয়াম সিরিয়া থেকে প্রতিবেশী বাংলাদেশ— সর্বত্র যেভাবে জঙ্গি হিংসা বাড়ছে, নিরীহ মানুষের প্রাণ যাচ্ছে— তাতে এই প্রশ্নগুলো ওঠাই তো স্বাভাবিক। আমাদের দেশেও তো সাম্প্রতিকে জঙ্গিদের ক্রিয়াকলাপ বেশ ভালোই নজরে পড়ছে। কিছুদিন আগে ভোটের ঠিক মুখে উত্তরপ্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হল এক জঙ্গি, উদ্ধার হল মারাত্মক সব অস্ত্রশস্ত্র। আমাদের রাজ্যে খাগড়াগড় তো কবেই ঘটে গিয়েছে। এছাড়া কাশ্মীরে লাগাতার সীমান্ত সন্ত্রাস গোলাগুলি খুনোখুনি— সেসবও চলছে। কবে যে থামবে, আদৌ কোনওদিন থামবে কি না— কে জানে?
এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বিপদে কারা? সাধারণ মানুষ, দেশের আমজনতা। কিছু একটা ঘটলে সবার আগে বলি হন তাঁরাই। তাঁদের পরিবার প্রিয়জনেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হন সবচেয়ে বেশি। কেবল জঙ্গি সন্ত্রাস কেন কোথাও কোনও গণ্ডগোল কি সমাজবিরোধী ক্রিয়াকলাপেরও প্রথম বলি তো তাঁরাই! এই যে কদিন আগে সোনারপুর আর খড়দহে সোনার দোকান গোল্ড লোনের অফিসে ডাকাতির ঘটনা ঘটল, ডাকাতদের গুলি বোমা ছুরিতে হতাহত হলেন কারা? সেই সাধারণ মানুষ— দোকানের মালিক গ্রাহক মহিলা এঁরাই! ঘটনার পর ক’দিন হইচই হল, লেখালেখি চলল, ডাকাতের আক্রমণে হত বা গুরুতর জখম হওয়ার সুবাদে আমরা আম পাবলিকের কয়েকজনের নামঠিকানা জানলাম, ছবি দেখলাম, তারপর একসময় অন্য খবরের তোড়ে সব কোথায় হারিয়ে গেল। কেউ আর তাঁদের শারীরিক অবস্থা বা ঘরসংসারের খোঁজ রাখছেন? রাখা কি সম্ভব? কিন্তু, তাঁদের দুর্ভোগ? সে চলছে নিশ্চয়ই। ডাকাতের গুলি যাঁদের পরিবার থেকে প্রিয়জন কেড়ে নিল বা যাঁদের স্বজন গুরুতর আহত হয়ে এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন— তাঁদের কষ্ট দুঃখ সমস্যা তো চট করে মিটবার নয়। পুলিশ ডাকাতদের কয়েকজনকে ধরেছে। হয়তো আরও ক’জনকে ধরবে। হয়তো আদালতে তাদের শাস্তির ব্যবস্থাও হবে। কিন্তু, তাতে কি ওই নিরীহ মানুষগুলোর কষ্টের সুরাহা হবে? প্রিয়জন হারানো হতভাগ্য পরিবার একটু শান্তি পাবে?
এর ওপর আর এক কাণ্ড শুরু হয়েছে রাজ্যে। সে কথা আগের কলমেই বিস্তৃতভাবে লিখেছি। তা নিয়ে ফের বিস্তৃতভাবে বলতে চাই না। শুধু এটুকুই বলব, রামচন্দ্র নিয়ে মাতামাতি হোক। ধর্ম পালনের অধিকার সকলের আছে, হিন্দু-মুসলমান খ্রিস্টান বৌদ্ধ জৈন— সকলের। আর আমাদের রাজ্যে সে ধর্ম পালনে কোনওদিন কেউ বাধা দিয়েছে বলে শুনিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যে সর্বধর্ম সমন্বয় সর্বধর্ম পালনের নীতিতে বিশ্বাসী তা প্রথম থেকেই বুঝিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং, ধর্ম পালন নিয়ে বিবাদ এই রাজ্যে স্বাভাবিক নয়। হিন্দু হিন্দুর ধর্ম পালন করবেন মুসলমান মুসলমানের ধর্ম পালন করবেন খ্রিস্টান যিশুর ভজনা করবেন— আপত্তির কোনও জায়গাই নেই।
কিন্তু ধর্ম পালনের মধ্যে হঠাৎ অস্ত্রের মারাত্মক ঝনঝনা কেন? অন্য ধর্মে কোথায় কী হয়— সে কথা থাক। আমাদের হিন্দুধর্মে কবে কোথায় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মিছিল হয়েছে? বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েদের হাতে অস্ত্র ধরিয়ে দিয়ে শক্তির বাহাদুরি দেখানোর চেষ্টা হয়েছে— বলুন? রামচন্দ্র আমাদের সকলের প্রিয় এবং শ্রদ্ধেয়। তাঁর যে রূপ আমাদের পরিচিত তাতেই বা কোথায় অস্ত্র হাতে এমন উগ্রতা— দেখাতে পারবেন? রামচন্দ্রের মতো একজন আদর্শ রাজা, আদর্শ পুত্র, আদর্শ ভাই, আদর্শ স্বামীর পক্ষে তেমন কি নিতান্তই বেমানান নয়! তার ওপর সেই সশস্ত্র মিছিল হল কোথায়? না বাংলার মাটিতে— পরধর্ম সহিষ্ণুতা যার রন্ধ্রে রন্ধ্রে! ভাবতে হবে না এইসব? রাজনীতির যুদ্ধ চালাবার জন্য সমস্যার, মানে ‘ইস্যু’র কি অভাব আছে! নিজ ধর্মের মানুষকে কাছে টানতে ধর্ম কথাও আসে আমাদের দেশে— আসুক। কিন্তু, তাই বলে— ধর্মের নামে এভাবে অস্ত্র নিয়ে পথে নেমে শক্তি দেখানো কি ঠিক? শত হলেও অস্ত্র তো ভয়ের প্রতীক অশান্তির অন্যতম হোতা— তাই না? আর রাজ্যে অশান্তির সৃষ্টি হলে তার কোপ বেশি করে কার ঘাড়ে পড়ে? সেই সাধারণ মানুষের। ছোটখাট ব্যাবসাপত্তর বা চাকরিবাকরি করে বা গায়ে গতরে খেটে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যাঁদের ঘর-সংসার প্রতিপালন করতে হয়— গোলমাল ঝামেলা হলে বিপদ তো তাঁদেরই বাড়ে। কারণ, রাস্তাঘাটে ঝামেলার ভয়ে কাজকাম ফেলে দিনের পর দিন তাঁরা যে ঘরে বসে থাকতে পারেন না। রুটি-রুজির তাগিদে তাঁদের পথে বেরতেই হবে। শুধু কি তাই? এইসব এলোমেলো ঝঞ্ঝাটে প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নয়ন না হলে এই রাজ্যের মানুষের ভবিষ্যৎই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতার প্রশাসন সেদিন রামনবমীর সশস্ত্র মিছিলে হস্তক্ষেপ করেনি। তার গতিরোধও করেনি। তাতে সিপিএম-কংগ্রেসের মতো বিরোধীরা নানা কথা কটুকাটব্য করেছে। করতেই পারে। এ রাজ্যের বিরোধী কালচারটা এখন এমনই। কিন্তু সাধারণ মানুষ কী বলছেন জানেন? বলছেন, সেদিন মমতা প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত ছিল অত্যন্ত দূরদর্শী। সেদিন মিছিল আটকালে ধর্ম পালনে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে জিগির তোলার অবকাশ পেত কিছু মহল এবং অস্ত্র নিয়ে ধর্মীয় মিছিলে শক্তিপ্রদর্শনের ব্যাপারটাও এমন স্পষ্ট করে লোকের চোখে পড়ত না! বরং মিছিল আটকানো নিয়ে রাজনীতির সুযোগ পেয়ে যেতেন মমতা বিরোধীরা! মমতার এই বাংলায় অরাজক পরিস্থিতি তৈরির যে চেষ্টা চক্রান্ত চলছে তাও বাড়তি ইন্ধন পেত। সমাজবিরোধীরাও যে যার মতো করে পরিস্থিতির সুযোগ নিত। এবং সব মিলিয়ে তাতে শেষ পর্যন্ত রাজ্যবাসী সাধারণের বিপদ বাড়ত বই কমত না। সুতরাং, মিছিলে হস্তক্ষেপ না করাটাকে মমতার একটি অত্যন্ত ‘ওয়াইজ ডিসিশন’ বলেই মনে করছেন মানুষজন। এখন অবশ্য রামনবমীর মিছিলের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলাটামলা হচ্ছে এদিক সেদিক। সে হোক। তবে, স্বস্তির মূল কথা হল— রামনবমীর সশস্ত্র মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজ্যে কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সাম্প্রদায়িক প্রীতিতে কোথাও কোনও আঁচড় লাগেনি।
মানুষ এমনটাই চান। যে যাঁর ধর্ম যেমন খুশি পালন করুন কিন্তু সম্প্রীতির পরিবেশটি অটুট থাক। তবেই না আমাদের রাজ্যের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে, উন্নয়নে গতি বাড়বে, আমাদের জীবনে শান্তি-সুস্থিতি আসবে। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ইস্তক মমতা তো তার জন্যই প্রাণপাত করছেন। পাহাড় থেকে সমুদ্র, জঙ্গলমহল থেকে ডুয়ার্স— সব জায়গায় ছুটে চলেছেন শান্তি সম্প্রীতি আর উন্নয়নের বার্তা নিয়ে। সেই বার্তা কতটা সার্থক হয়েছে আজকের দার্জিলিং, ঝাড়গ্রাম, জলপাইগুড়ি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার মতো জেলাগুলোই তার প্রমাণ। সেই উন্নয়নের ধারা, শান্তি চেষ্টার সাফল্য যাতে অব্যাহত থাকে তার জন্য আমাদেরও কি দায় নেই? সব দায় মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ফেলে দিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকলেই হবে! ধর্মের নামে অস্ত্রশক্তি দেখালেই চলবে? ধর্ম পালন নিশ্চয় করব। কিন্তু ধর্মকে হাতিয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীর শান্তি সম্প্রীতি উন্নয়নের বার্তা ব্যর্থ করার চেষ্টা হলে? ভাবতে হবে না। বাংলার নতুন বছরে এই ভাবনাটাকেই কি পরিস্থিতির বিচারে মনে হচ্ছে না সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
16th  April, 2017
শিবাজি রাও গায়কোয়াড়ের দোলাচল
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 সাতষট্টি বছরের একজন মানুষ শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেবেন অথবা নেওয়া উচিত তা নিয়ে আমি বেশ ধন্দে পড়েছি। তবে আমার এই দোলাচল মোটেই আহামরি কিছু নয়, বড় যা তা হল একটা গোটা রাজ্যের মানুষের তাঁর দিকে ড্যাব ড্যাব করে চেয়ে থাকা। বিপুল দোলাচলে রাজ্যের সবার মনে। বিশদ

25th  June, 2017
রথযাত্রায় শ্রীচৈতন্য ও শ্রীরামকৃষ্ণ
চৈতন্যময় নন্দ

 নীলাচলে দারুব্রহ্ম জগদীশ জগন্নাথদেবের সবচেয়ে বড় বিজয়োৎসব রথযাত্রা। আদিকাল থেকে এই সমারোহ চলে এসেছে এবং একে কেন্দ্র করে বহু ইতিবৃত্তের সৃষ্টি হয়েছে। আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে পুরীতে শ্রীমন্‌ জগন্নাথ রথে আরোহণ করেন।
বিশদ

24th  June, 2017
অনুপ্রবেশকারীদের মন্দিরে আশ্রয় প্রসঙ্গে
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 নিউইয়র্ক শহরের কুইনস এলাকায় সমুদ্রের ধার ঘেঁষে রক অ্যাওয়ে বিচ। একদিন দেখা গেল মহাসাগরের ঢেউয়ের মাথায় নাচতে নাচতে ভাঙা নারকোল ভেসে আসছে। নারকোলের পিছু পিছু ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গাঁদাফুলের মালা। সাহেব মেমরা সাঁতার কাটতে নেমে নারকোলের আধভাঙা মালা, পচা গাঁদার মালা দেখে জলপুলিশকে নালিশ করল। বিশদ

24th  June, 2017
সাঁওতাল বিদ্রোহ এবং সমাজের পরিবর্তন
বিষ্ণুপদ হেমরম

 ভারতের আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলির মধ্যে সাঁওতালরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ব্রিটিশ ভারতে জল-জঙ্গল-জমিনের উপর অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং শোষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদে তারা সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল। সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন, বর্তমান সাঁওতাল পরগনার ভাগ্‌না঩ডিহির মাঠে। বিশদ

23rd  June, 2017
পাহাড় ও বাঙালি
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিজেপি রাজ্য শাখা তথা তাদের কর্মী সমর্থকরা এখনও স্পষ্ট করে বলছেন না সামান্য একটা সিদ্ধান্ত। সেটি হল তাঁরা কি গোর্খাল্যান্ড সমর্থন করেন, নাকি করেন না? সহজ প্রশ্ন। সহজ উত্তর। অথচ সোজা উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। ভাসা ভাসা কথা। কারণ বিজেপি রাজ্য শাখা ও কর্মী সমর্থকরা অপেক্ষা করছেন তাঁদের হাইকমান্ড কী ঠিক করবেন তার উপর। একবার চিন্তা করে দেখুন, আমরা বাঙালি, আমাদের রাজ্য থেকে আমাদের প্রিয় দার্জিলিংকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে কি না তা ঠিক করতেও বিজেপির বাংলা শাখা দুজন গুজরাতের নেতার দিকে তাকিয়ে আছে। বিশদ

23rd  June, 2017
দুর্নীতির পরিবেশ, পরিবেশে দুর্নীতি
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়

 ১৯৭০ দশকের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ Gunnar Mydral-এর ‘এশিয়ান ড্রামা’ বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, এশিয়ার বুকে বিভিন্ন দেশে পরিকল্পনাগুলি ব্যর্থ হবার একটি অন্যতম কারণ দুর্নীতি। বিশদ

21st  June, 2017
এ যুগের নীলকণ্ঠদের মুক্তির উপায় কী?
স্বপন মণ্ডল

 পুরাণ মতে সমুদ্র মন্থনের মতো কষ্টসাধ্য কাজে সুরাসুর উভয়েই হাত লাগিয়েছিল। সমুদ্র মন্থনে অমৃতের সন্ধান যেমন পাওয়া গেল গরলও উঠে এল। অমৃতের ভাগীদার অনেকে কিন্তু গরলের ভাগীদার কেউ হতে চাইল না। কিন্তু এ গরল এমন গরল যে ধরিত্রীর যেখানে পড়বে সেখানেই বিষাক্ত হয়ে যাবে। বিশদ

21st  June, 2017
যোগদিবস: ভারতের লক্ষ্মীলাভের মস্ত সুযোগ
হরলাল চক্রবর্তী

 ২০১৫ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ২১ জুন মহা ধুমধামে ‘বিশ্ব-যোগদিবস’ পালিত হচ্ছে। সারা বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ যোগদিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে, ১৮০টি দেশ যোগে অংশগ্রহণ করেছে, এর মধ্যে কিছু ইসলামিক দেশও আছে। আশা করা যায়, এ বছর তা আরও বেশি সাফল্য পাবে।
বিশদ

20th  June, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, কাঁথি: কাঁথির কাঁচলাগেড়িয়া গ্রামের অপহৃতা এক নাবালিকাকে উদ্ধার করেছে কাঁথি মহিলা থানার পুলিশ। উদ্ধার হওয়া নাবালিকাকে রবিবার কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তার গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করেন। ...

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ইসলামপুর মহকুমা জুড়ে চোর ও ছিনতাইবাজদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। অভিযোগ, অধিকাংশ চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনাই পুলিশ কিনারা করতে পারছে না। পুলিশি টহলদারি নিয়েও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মোহন বাগান কোচ হিসাবে মৌখিকভাবে সঞ্জয় সেন রাজি হওয়ার পর টিমের তালিকাও কর্তাদের দিয়েছেন তিনি।রবিবার সঞ্জয় সেন জানান,‘নতুন মরশুমে আমিই ফিজিক্যাল ট্রেনারের বাড়তি দায়িত্ব পালন করব। প্রি- সিজন কন্ডিশনিংও হবে আমার দায়িত্বে। অতীতে তো মোহন বাগান- ইস্ট ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: অমাবস্যার কোটালে সাগর অশান্ত হয়ে যাওয়াতে অধিকাংশ ইলিশ মাছ ধরার ট্রলার ফিরে এসেছে। ফলে গত তিনদিন ধরে বাজারে ইলিশের জোগান কমে গিয়েছে। মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইলিশ মাছ ধরার অনুকূল আবহাওয়া এখন সাগরে। পুবালি ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের মানসিক স্থিরতা রাখা দরকার। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। তবে নতুন বন্ধু লাভ হবে। সাবধানে পদক্ষেপ ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯০৩- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের জন্ম
১৯৬০- কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের মৃত্যু
১৯৭৪- অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের জন্ম
১৯৭৫- প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে জরুরি অবস্থা জারি করলেন
২০০৯- মার্কিন পপ সংগীত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু

25th  June, 2017



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৫ টাকা ৬৫.৪৩ টাকা
পাউন্ড ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৪২ টাকা
ইউরো ৭০.৭৬ টাকা ৭৩.২৮ টাকা
24th  June, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,২০০ টাকা
25th  June, 2017

দিন পঞ্জিকা

১১ আষাঢ়, ২৬ জুন, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১০/১২, পুষ্যানক্ষত্র রাত্রি ৯/২৩, সূ উ ৪/৫৭/৫২, অ ৬/২০/৪২, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩১-১০/১৮ রাত্রি ৯/১০-১২/০ পুনঃ ১/২৫-২/৫০, বারবেলা ৬/৩৮-৮/১৯ পুনঃ ৩/০-৪/৪০, কালরাত্রি ১০/২০-১১/৪০। ইদুল ফিতর
১১ আষাঢ়, ২৬ জুন, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ২/০/৩১, পুষ্যানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৯/৪, সূ উ ৪/৫৫/২৪, অ ৬/২২/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০/৩৪-১০/১৮/৯ রাত্রি ৯/১১/৬-১১/৫৯/৫৬, ১/২৪/২১-২/৪৮/৪৬, বারবেলা ৩/১/৩৪-৪/৪১/২৬, কালবেলা ৬/৩৬/১৬-৮/১৭/৭, কালরাত্রি ১০/১৯/৪২-১১/৩৮/৫০। ইদুল ফিতর
১ শওয়াল

ছবি সংবাদ


এই মুহূর্তে
শিলিগুড়িতে গৃহবধূ খুন, স্বামীসহ আটক ৩
শিলিগুড়ির সূর্য সেন কলোনিতে গৃহবধূকে খুনের অভিযোগে স্বামীসহ তিনজনকে আটক করা হল। রবিবার রাতে শৌচাগার থেকে শিখা চক্রবর্তী নামে মহিলার রক্তমাখা দেহ উদ্ধার হয়। মহিলার ভাই মৃদুলকান্তি দাস জানান, এদিন রাতে জামাইবাবু শান্তনু চক্রবর্তী তাঁকে ফোন করে বাড়িতে ডাকেন। তিনি বাড়িতে গিয়ে তাঁর দিদির দেহ উদ্ধার করেন। কীভাবে তাঁর দিদির মৃত্যু হল তাঁর সদুত্তর দিতে পারেনি অভিযুক্ত। তাঁর আরও অভিযোগ, শান্তনু চক্রবর্তীর আগেও একবার বিয়ে হয়েছিল। প্রথম পক্ষের স্ত্রীকেও হত্যা করেছিল সে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আটক করা হয়েছে মৃতার স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে।

12:20:00 AM

ভারত ৩১০/৫ (৪৩ ওভার)  

25-06-2017 - 11:47:24 PM

ভারত ১৯২/১ (৩০ ওভার) 

25-06-2017 - 10:34:21 PM

ভারত ৯৫/০ (১৫ ওভার) 

25-06-2017 - 09:38:36 PM

ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ফের বৃষ্টির জেরে ওভার সংখ্যা ৪৫ থেকে কমে দাঁড়াল ৪৩

25-06-2017 - 08:27:40 PM

নেদারল্যান্ডস সফর সেরে কলকাতায় ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

25-06-2017 - 08:21:00 PM