বিশেষ নিবন্ধ
 

শিক্ষা নিয়ে লাগামছাড়া ব্যাবসা

পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়: বেসরকারি হাসপাতালের বেয়াদপির কথা সম্প্রতি মিডিয়ার দৌলতে আমাদের জানা হয়েছে, তা নয়, অনেক দিন ধরেই ওপেন সিক্রেট। কীভাবে ডাকাতি চলে, কৌশলে সব কেড়ে-কুড়ে নেয় জানা থাকা সত্ত্বেও প্রিয়জনকে নিয়ে সরকারি নয়, বেসরকারি হাসপাতালেই আমরা এ যাবৎ দৌড়েছি। টাকা যাক, বাঁচুক প্রিয়জন। বিপুল অর্থের বিনিময়ে কিনতে চেয়েছি চিকিৎসা-পরিষেবা। ঠিক তেমনই বেসরকারি স্কুলেই আমরা প্রিয় সন্তানকে পড়াতে তৎপর হয়েছি। সরকারি হাসপাতালের প্রতি যেমন আমাদের আস্থা নেই, তেমনই অনেকাংশে আস্থা নেই সরকার-পোষিত স্কুলে। ষাট-সত্তর হাজারি মাস্টারমশাইরা মাস-মাইনের বিনিময়ে কতখানি স্কুলকে, ছাত্রদের ফেরত দেন, সে প্রশ্ন তো রয়েই যায়। নিচু ক্লাসে ইংরেজি নেই, এইটতক পাশ-ফেল নেই, সর্বোপরি অনেক মাস্টারমশাইয়েরই পড়ানোর মানসিকতা ধুয়ে-মুছে সাফ হয়েছে! এ পরিপ্রেক্ষিতে অভিভাবককুল গভর্নমেন্ট-স্পনসর্ড স্কুলে কেনই বা ছেলেমেয়েকে পাঠাবেন।
বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলিকে বাঁচাতে ফি-বছর রাজ্য সরকারের কোটি কোটি টাকা খরচ হয়। আসে নানা প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সাহায্যও। জলের মতো অর্থ যায়, কাজের কাজ তেমন কিছুই হয় না। বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলির অবস্থা দিনে দিনে আরও, আ-র-ও খারাপ হয়েই চলেছে। অর্থবান পিতা-মাতারা তো বটেই, সামান্য আয়ে যাঁদের সংসার চলে, তাঁরাও কষ্টেসৃষ্টে ছেলেমেয়েদের ইংলিশ মিডিয়ামেই পড়ান। বাংলা মাধ্যম স্কুলের প্রতি মানুষের আস্থা এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে। এই সুযোগটির সদ্ব্যবহার করতে শহরে শুধু নয়, শহরতলিতে, এমনকী গ্রামেও শিক্ষা ব্যবসায়ীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। দেদার মুনাফা লুটছে তারা। এক সময় পাড়ায় পাড়ায় নিত্যনতুন নার্সারি স্কুল গজিয়ে উঠেছিল। কচি-কাঁচারা আধো-উচ্চারণে ‘ব্যা ব্যা ব্লাকশিপ’ বা ‘জ্যাক অ্যান্ড জিল’ আওড়াত। এখন এ ধরনের ছোট স্কুলের বাজার মন্দা। উঠেও গিয়েছে অনেক। বড় ব্যবসায়ীদের সফিস্টিকেটেড স্কুলে স্কুলে জোয়ার এসেছে ছাত্রছাত্রীর। স্কুল-ব্যবসায়ীদের এমনই হাবভাব, সাহেব-মেম বানানোর মৌরসিপাট্টা যেন তাদেরই হাতে। শুধু সাহেব-মেমই বানায় না, কত রকমের কায়দা-কানুনই না শেখায়। এমনকী ঘোড়ায় চড়াও নাকি আয়ত্ত করায়। চমকের ছড়াছড়ি, সেসব দৈনন্দিন জীবনযাপনে আদৌ কাজে লাগে কি না, তা নিয়ে বাবা-মা’রা অবশ্য ভাবিত নন।
বড় কোম্পানির স্কুল, নামী স্কুলের ফ্র্যানচায়েসি শুধু শহরে নয়, দূর-মফস্‌স঩লেও এখন ছড়িয়েছে। এইসব স্কুলে পড়াতে না পারলে আদরের ‘বাছা’-র জীবন ষোলোআনাই বুঝি মাটি, ... এমন এক অর্থহীন ভাবনা ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের মনের আনাচকানাচে। এই বিপজ্জনক ভাবনার বাড়বাড়ন্তে শিক্ষা ব্যবসায়ীরা যে আহ্লাদিত, তা বোধহয় আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। তাদের স্ফীত ভুঁড়ি আরও স্ফীত হচ্ছে। অর্থ-খিদেও বাড়ছে। ছাত্র-ভরতির নামে এখন চলছে নির্বিচারে ডোনেশন আদায়। লক্ষাধিক টাকা দিলেই স্কুলের ডেস্ক-বেঞ্চের একফালি জায়গা কেনা যায় নিজের সন্তানের জন্য। সব স্কুলেই ভরতির আগে ইন্টারভিউ হয়! বাবা-মা বা ছাত্রের যে ইন্টারভিউ, তা নিতান্তই লোক-দেখানো। অভিভাবকের মেধার জোর থাকুক, না থাকুক, গ্যাঁটের জোর থাকলে (সে টাকা যে ভাবেই উপার্জিত হোক না কেন) অনেক নামজাদা স্কুলেই এখন অনায়াসে ভরতি হওয়া যায়। যাদের ইন্টারভিউয়ের পর ভরতির লিস্টে নাম বেরল, তাদের জন্য একরকম ডোনেশন-রেট, যাদের নাম বের হয়নি, তাদের জন্য অন্য রকম। সে-রেট বেড়ে দ্বিগুণ হলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। অনেক ক্ষেত্রে স্কুলের দারোয়ানের কাছেই গোপন খবর থাকে, তারাই বড়কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয়। এই আর্থিক লেনদেনের সাক্ষী থাকে ভরতি-প্রত্যাশী শিশুটিও। সাক্ষী না থাকলেও গৃহ-আলোচনা প্রায়শই তার কানে আসে। ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র হয়ে ওঠার কাজে ঘাটতি পড়লে, দু-চার বছর পরও বাবা-মা ডোনেশনের নামে কত টাকা জলে গিয়েছে, সে ফিরিস্তি শুনিয়ে গায়ের ঝাল মেটান। সে সব শুনে সবুজ প্রাণটি মনে মনে হয়তো ডুকরে কেঁদে ওঠে।
ভরতি হতে মোটা ডোনেশন, মাসে মাসে তিন-চার হাজার টাকা মাইনে নিয়েই ক্ষান্ত হয় না, লোভে চকচক করে মুখ, বচ্ছরভর চলে নানা ছুতোয় টাকা আদায়। বই কিনতে হবে স্কুল থেকে, খাতা কিনতে হবে স্কুল থেকে। ইউনিফর্ম, তাও চড়া দরে স্কুল থেকে কেনা বাধ্যতামূলক। এক্সকারশান থেকে অ্যানুয়াল ফাংশন, মাথামুণ্ডহীন ‘প্রোজেক্ট-প্রোগ্রাম’—নানা ছলছুতোয় ফন্দিতে চলতেই থাকে যথেচ্ছ অর্থ আদায়।
এসব আজকের ব্যাধি নয়। আগেও ছিল, কিন্তু এভাবে প্রকট হয়ে ওঠেনি। চোরাগোপ্তা সে আদায়ে রাখঢাক ছিল। কখনওই এমন খুল্লামখুল্লা ছিল না। কোটি কোটি টাকার এই শিক্ষা-ব্যাবসা থেকে সরকার কর-টর আদৌ পায় কি, সে প্রশ্ন তো রয়েই যায়।
শিক্ষা অতীব স্পর্শকাতর বিষয়। শিক্ষা ব্যাবসার দিকে এ যাবৎ কেউ সচেতনভাবেই তাকাননি। চোখে ঠুলি গুঁজে বসে থাকার দিন বোধহয় ফুরাতে চলেছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে চেপে ধরার পর এবার শিক্ষা ব্যবসায়ীদের চেপে ধরতে চাইছে সরকার, এর থেকে স্বস্তির কথা আর কী হতে পারে। সিবিএসসি-আইসিএসই বোর্ডের এই রকম কিছু স্কুল যা খুশি করে যাবে, শিক্ষার নামে দিনের পর দিন চূড়ান্ত ব্যাবসা করবে, সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্নে বিভোর অভিভাবককুল তাদের ফাঁদে পা না দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার খেশারত দেবে, এ তো হতে পারে না!
বেসরকারি হাসপাতালের খপ্পর থেকে মানুষকে বাঁচাতে গেলে সরকারি-ব্যবস্থা আরও বিস্তৃত করতে হবে। সরকারি পরিষেবা পর্যাপ্ত থাকলে, মন্ত্রী-এমপি-এমএলএ-দের চিঠি ছাড়াই সাধারণ মানুষ পর্যাপ্ত পরিষেবা পেলে কে আর সাধ করে ঘটি-বাটি হারাতে চায়! আইন করে বা শিক্ষা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মানুষের দুর্বলতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে যারা নির্লজ্জ ব্যাবসা ফেঁদেছে, তাদের কি রোখা যাবে? বোধহয় কাজটি এত সহজ নয়। বিকল্প ব্যবস্থা আগে করতে হবে, তা সরকারকেই ভাবতে হবে।
‘আমরি বাংলা ভাষা’-র গুরুত্ব আমাদের জীবনে অনস্বীকার্য। বাংলা-ইংরেজির খিচুড়ি না করে দৈনন্দিন জীবনে একালের ছেলেমেয়েরা আরও বেশি করে নির্ভুল বাংলা বলুক। মাতৃভাষাকে ভালোবেসে ইংরেজির প্রতি যদি তারা আগ্রহ-আনুগত্য দেখায়, তা দোষের নয় কিছু। বরং ইংরেজিতে পাকাপোক্ত হলে বৃহত্তর পড়াশোনার ক্ষেত্রে সুবিধাই হয়। তাই বাংলা ভাষার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেও কেউ যদি ইংরেজি মাধ্যমে সন্তান-সন্ততিদের পড়ান, তা পড়াতেই পারেন। শিক্ষা ব্যবসায়ীদের ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে কোথাও কোথাও বাংলা পড়ানোই হয় না। বরং বাংলা ভাষার প্রতি ঘৃণা তৈরির কুৎসিত অপচেষ্টা চলে। ছোটরা ক্লাসে বাংলায় কথা বলে ফেললে মারধরও খেতে হয়।
এ রাজ্যের বোর্ডের অধীনে থাকা স্কুলে প্রথম ভাষা হিসাবে ইংরেজি পড়ানোর ব্যবস্থা হলে, আর যা-ই হোক, বাংলা ভাষার প্রতি বিদ্বেষ জাগানো যাবে না। কারণ, মধ্যশিক্ষা পর্ষদে ইংরেজি যাদের প্রথম ভাষা, তাদের বাংলাও পড়ানো হয় সমমর্যাদায়। নামজাদা সরকারি, সরকার-পোষিত স্কুলগুলিতে বাংলা মাধ্যমের পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর ব্যবস্থাও করা কি দুরূহ? কলকাতা শহরে, শহরতলিতে বাংলা মাধ্যমের এমন স্কুল বেশ কিছু আছে, যে সব স্কুলে আদৌ কোনও ছাত্র নেই। মাস্টারমশাই-দিদিমণিরা কোনও কাজ না করে, বসে বসে মাইনে পেয়ে যান। এই সব স্কুলে প্রয়োজনমাফিক দু-চারজন নতুন শিক্ষক নিয়োগ করে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে রূপান্তরিত করা যায় না কি? এ সব যেমন করতে হবে, তেমনই বাংলা মাধ্যম সরকার-পোষিত স্কুলে পড়াশোনার আবহ তৈরি করতে হবে। মিটিং করে ডাকাতি বন্ধ করা যাবে না, তা হাসপাতালেই হোক বা স্কুলে! করতে হবে পালটা ব্যবস্থা, সে ব্যবস্থায় যদি ফাঁক ও ফাঁকি রয়ে যায়, তাহলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের এভাবেই চড়া মাশুল দিয়ে যেতে হবে, বিপন্নতা বাড়তেই থাকবে।

লেখক শিশু সাহিত্যিক ও গবেষক
15th  April, 2017
 কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে।
বিশদ

স্বাধীনতার ৭০ বছর, নেতাতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র?
হিমাংশু সিংহ

বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলন আমি দেখিনি। ৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের মুহূর্তে মধ্যরাতের জওহরলাল নেহরুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ চাক্ষুষ করার সুযোগও হয়নি। হওয়ার কথাও নয়, কারণ ওই ঘটনার প্রায় দু’দশক পর আমার জন্ম। সেদিনের কথা বইয়ে, ইতিহাসের পাতায় পড়েছি মাত্র।
বিশদ

15th  August, 2017
গভীর রাতের নাটক শেষে স্যালুট
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জেতা ম্যাচ কী করে হারতে হয়, এই নির্বাচন তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে। হারতে হারতে জিতে গিয়েছেন আহমেদ প্যাটেল। এই দুর্দিনে তাঁর জয় কংগ্রেসের মরা গাঙে বান হয়তো ডেকে আনবে না, তবে মনোবল সামান্য হলেও বাড়াবে। সোনিয়া গান্ধীর দলের এই দুর্দিনে এটাই বা কম কী? তবে আহমেদ প্যাটেল নন, অমিত শাহও নন, শেষ বিচারে আসল জয়ী নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এটাই। ওই গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনকেই তাই স্যালুট জানিয়েছি।
বিশদ

13th  August, 2017
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে: কিছু প্রশ্ন
শুভা দত্ত

শুধু ভারত ছাড়ো কেন? রামনবমী রাখিবন্ধন পুজোপাঠ স্বাধীনতা দিবস প্রজাতন্ত্র—সবকিছুতেই এখন এত বেশি বেশি রাজনৈতিক দখলদারি শুরু হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে উৎসবের মেজাজ ধরে রাখাই মুশকিল হচ্ছে। রাজনীতি ছাড়া যেন কিছু হতেই পারে না!
বিশদ

13th  August, 2017
বাৎসল্য রসের পরাকাষ্ঠা মা যশোদার আত্মাভিমান চূর্ণ করলেন শ্রীকৃষ্ণ
চিদানন্দ গোস্বামী

 ভারতবর্ষের পৌরাণিক সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক সূর্য-করোজ্জ্বল ঘটনা। তত্ত্বে গভীর, দার্শনিকতায় গভীর, নৈতিকতাতেও। তাই বিশ্ব-জাগতিক জীবনে আকর্ষণে চিরন্তন মূল্যবান রত্ন সম্পদ।
বিশদ

12th  August, 2017
কঠিন বর্জ্যের কানুন
বিনয়কান্তি দত্ত

কেন্দ্রীয় ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদগুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হল বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির বিচার ও মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্ট স্থানগুলির ভূগর্ভস্থ জল, বায়ু, মৃত্তিকা ও শব্দের গুণমানের মাপকাঠি নির্ধারণ, বিভিন্ন দপ্তরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া, ইত্যাদি কাজের। একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে এই নতুন কানুনে কঠিন বর্জ্য সমস্যার সব দিক বিচার করে, সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। মনে আসছে অসুরবধের জন্য দুর্গা দুর্গতিনাশিনীকে দশপ্রহরণে সজ্জিত করার কথা। এখন দেখতে হবে এই কানুন-রূপী দুর্গা বর্জ্যাসুরকে কতদিনে বধ করতে পারে। বিশদ

12th  August, 2017
গ্যাসে ভরতুকি ছাড়ার অনুরোধ আসলে ধান্ধা
মৃন্ময় চন্দ

 সরকারি অর্থনীতির চলন বোঝাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগন একবার বলেছিলেন—‘‘If it moves, tax it. If it keeps moving, regulate it. And if it stops moving, subsidize it.’’ ৫৭.৫ লাখ এলপিজি গ্রাহক ভরতুকি ছেড়ে দিয়েছেন। দেশে এলপিজি গ্রাহকের সংখ্যা এই মুহূর্তে ১৪.৭০ কোটি। বিশদ

11th  August, 2017
রেশনে আধার: এত তাড়াহুড়োর কি কোনও প্রয়োজন আছে?
নিমাই দে

 চাল দু’টাকা কেজি দরে। কিন্তু রেশন দোকানে গিয়ে তা পেতে হলে পকেট থেকে তখনই খরচ করতে হবে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। দু’টাকা কেজির গম। সেটাও পেতে গেলে বার করতে হবে নয় নয় করে ১৮ থেকে ২০ টাকা। এটাই নাকি কেন্দ্রের ক্যাশলেস ব্যবস্থা!
বিশদ

11th  August, 2017
আমাদের ‘মন কি বাত’ আপনি কবে শুনবেন মোদিজি?
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 দেশের মানুষের ন্যূনতম ভরণপোষণের ব্যবস্থা বহাল রাখতে কেন্দ্র কি সত্যিই আন্তরিক? সত্যিই কি—গরিব মধ্যবিত্তের কথা ভেবেই নোটবন্দি জিএসটি স্বচ্ছ ভারত—এইসব! তাই যদি, তবে দেশে কেন এখনও পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুদ রাখার ব্যবস্থা নেই? ... ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা ভেবে ফসল সংরক্ষণের কি যথেষ্ট ব্যবস্থা হয়েছে? হয়ে থাকলে কথায় কথায় এমন অনটন দেখা দেয় কী করে? ফড়ে দালালরা বাজার চড়িয়ে গরিব মধ্যবিত্তের পকেট কেটে মুনাফাবাজি করে যায় কীভাবে? উন্নত সেচের ব্যবস্থাই যদি থাকে তবে কেন খরা হলে ফসলের এমন দুর্গতি হয়? সাধারণের জমায় সুদ কমাতে যাঁরা এমন তৎপর তাঁরা ঋণখেলাপিদের শত শত কোটি টাকা মকুব করে দিচ্ছেন কীভাবে? মধ্যবিত্ত সংহার ছাড়া কি স্বচ্ছ ভারত গড়া যায় না? স্বচ্ছ ভারতে কি মধ্যবিত্তের ঠাঁই হবে না?
বিশদ

10th  August, 2017



একনজরে
 বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বিষ্ণুপুরের সারদা গার্ডেনে সুদীপ্ত সেনের কয়েকশো বিঘা বেনামি সম্পত্তি হাতানোর সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জেরে আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক অফিসার। কলেজ পড়ুয়া তাঁর ছেলেকেও মারধর করা হয়েছে। ...

 ওয়াশিংটন, ১৬ এপ্রিল: চলতি বছরসহ আগামী ২০১৮ সালে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সময়ে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৩ শতাংশের আশপাশে থাকবে বলে ধারণা ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্প্রতি দুর্গাপুর পুরসভা নির্বাচনে নিরাপত্তার প্রশাসনিক আশ্বাস সত্ত্বেও ব্যাপক হাঙ্গামা হয়েছে। ভোট লুট হয়েছে। পুলিশ মার খেয়েছে। নির্বাচন কমিশন ভোট চলাকালীন অভিযোগ জানানোর রাস্তা বন্ধ রেখেছিল। ...

 বেঙ্গালুরু, ১৬ আগস্ট (পিটিআই): তামিলনাড়ুতে ‘আম্মা ক্যান্টিন’ ব্যাপক জনপ্রিয় পাওয়ার পরে এবার কর্ণাটক সরকার চালু করল ‘ইন্দিরা ক্যান্টিন’। বুধবার বেঙ্গালুরুতে কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী এই ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক। কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: ব্রিটিশ সাহিত্যিক ভি এস নাইপলের জন্ম
১৯৮৮: দুর্ঘটনায় মৃত পাক প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জিয়া-উল-হক
২০০৮: ওলিম্পিকসে আটটি সোনা জিতে রেকর্ড মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেল্পসের


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪৫ টাকা ৬৫.১৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৭ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭৪.০৮ টাকা ৭৬.৬৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৬৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩২ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী দিবা ১২/৪৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/৫৯, সূ উ ৫/১৭/৫১, অ ৬/৩/৩৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-৩/৩, বারবেলা ২/৫২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪১-১/৫।
 ৩১ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী ১০/৫৫/৫২, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/২৩/৫৭, সূ উ ৫/১৫/৩৩, অ ৬/৫/২৫, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩০-৩/১/৩১, বারবেলা ৪/২৯/১১-৬/৫/২৫, কালবেলা ২/৫২/৫৭-৪/২৯/১১, কালরাত্রি ১১/৪০/২৯-১/৪/১৫।
২৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতে পাকিস্তানের নতুন হাই কমিশনার সোহেল

 আবদুল বাসিতের বদলে ভারতে নিযুক্ত পাকিস্তান দূতাবাসের হাই কমিশনার হলেন সোহেল মাহমুদ

16-08-2017 - 10:10:11 PM

বন্যা পরিস্থিতি: মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রাজ্যের
এই বন্যা পরিস্থিতিতে যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। আজ একথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ নবান্ন থেকে বের হওয়ার সময় তিনি জানান, ডালখোলা বারসোই এলাকায় রেলব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। আমি রেলের সাথে কথা বলেছি, যাতে তারাতারি ব্রিজ মেরামতির কাজ শুরু হয়। তিনি জানান, পরিবহন দপ্তরকে বলেছি যতক্ষণ না ট্রেন পরিষেবা শুরু হয়, বেশি করে বাস চালাতে। আমি একসময় রেলমন্ত্রী ছিলাম, জানি কিভাবে কাজ করা যায়। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কিরণ রিজজুর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মমতা জানান, আমাদের কাছে কোনটা বেশি জরুরি? হিসাব দেওয়া না মানুষকে ত্রাণ দেওয়া ? আমি তো প্রধানমন্ত্রী, স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। জল নামলে তবে তো বোঝা যাবে কত কী ক্ষতি হয়েছে। কত কৃষি জমি নষ্ট হয়েছে, কত রাস্তা ভেঙেছে, কত বাড়ি ভেঙেছে।

16-08-2017 - 09:16:20 PM

 বিকেল 5 টা পর্যন্ত ধূপগুড়ির দুটি ওয়ার্ডেভোট পড়েছে ৮৯.৯৮ %

16-08-2017 - 07:42:00 PM

শিয়ালদহ-মালদা টাউন ৪ জোড়া স্পেশাল ট্রেন,  জেনে নিন দিনক্ষণ

০৩১৪৯ / ০৩১৫০ শিয়ালদহ-মালদা টাউন-শিয়ালদহ স্পেশাল (ভায়া ডানকুনি) শিয়ালদহ থেকে ১৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) – ২০ আগস্ট (রবিবার) ২০১৭ পর্যন্ত রাত ১১টা ২৫মিনিটে ছাড়বে। ট্রেনটি মালদা টাউন পৌঁছাবে পরদিন ভোর ৫টা ৫০মিনিটে। গাড়িটি ফের মালদা টাউন থেকে রওনা দেবে ১৮ আগস্ট- ২৩ আগস্ট ২০১৭ পর্যন্ত রাত ১১ টায় ছাড়বে। ট্রেনটি শিয়ালদহ পৌঁছাবে পরদিন ভোর ৬টায়। ট্রেনগুলিতে জেনারেল সেকেন্ড ক্লাস কামরা, স্লিপার কামরা, এসি ২ এবং এসি ৩ টিয়ার কামরা থাকবে।

16-08-2017 - 06:52:00 PM

হকারকে মারধর! পুরুলিয়ার কাশীপুরের তৃণমূল বিধায়কের ভিডিও ভাইরাল 
পুরুলিয়ার কাশীপুরের তৃণমূল বিধায়ক স্বপন বেলথোরিয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে কাশীপুরের বিধায়ক এবং তাঁর অনুগামীরা এক ব্যক্তিকে মারধর করছেন। এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত কাশীপুর থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ হয়নি। এমনকী কাশীপুরের বিধায়ক মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে জানান, ওই ভিডিওটি জাল এবং বিজেপির কিছু নেতা চক্রান্ত করে ওই ভিডিওটি হোয়াটস অ্যাপে ছড়িয়েছে। 

16-08-2017 - 05:49:20 PM

বাঁকুড়ার বড়জোড়ায় রাজ্য সড়কে স্কুল বাস ও ডাম্পারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, জখম ৮ পড়ুয়া 

16-08-2017 - 04:28:00 PM