বিশেষ নিবন্ধ
 

শিক্ষা নিয়ে লাগামছাড়া ব্যাবসা

পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়: বেসরকারি হাসপাতালের বেয়াদপির কথা সম্প্রতি মিডিয়ার দৌলতে আমাদের জানা হয়েছে, তা নয়, অনেক দিন ধরেই ওপেন সিক্রেট। কীভাবে ডাকাতি চলে, কৌশলে সব কেড়ে-কুড়ে নেয় জানা থাকা সত্ত্বেও প্রিয়জনকে নিয়ে সরকারি নয়, বেসরকারি হাসপাতালেই আমরা এ যাবৎ দৌড়েছি। টাকা যাক, বাঁচুক প্রিয়জন। বিপুল অর্থের বিনিময়ে কিনতে চেয়েছি চিকিৎসা-পরিষেবা। ঠিক তেমনই বেসরকারি স্কুলেই আমরা প্রিয় সন্তানকে পড়াতে তৎপর হয়েছি। সরকারি হাসপাতালের প্রতি যেমন আমাদের আস্থা নেই, তেমনই অনেকাংশে আস্থা নেই সরকার-পোষিত স্কুলে। ষাট-সত্তর হাজারি মাস্টারমশাইরা মাস-মাইনের বিনিময়ে কতখানি স্কুলকে, ছাত্রদের ফেরত দেন, সে প্রশ্ন তো রয়েই যায়। নিচু ক্লাসে ইংরেজি নেই, এইটতক পাশ-ফেল নেই, সর্বোপরি অনেক মাস্টারমশাইয়েরই পড়ানোর মানসিকতা ধুয়ে-মুছে সাফ হয়েছে! এ পরিপ্রেক্ষিতে অভিভাবককুল গভর্নমেন্ট-স্পনসর্ড স্কুলে কেনই বা ছেলেমেয়েকে পাঠাবেন।
বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলিকে বাঁচাতে ফি-বছর রাজ্য সরকারের কোটি কোটি টাকা খরচ হয়। আসে নানা প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সাহায্যও। জলের মতো অর্থ যায়, কাজের কাজ তেমন কিছুই হয় না। বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলির অবস্থা দিনে দিনে আরও, আ-র-ও খারাপ হয়েই চলেছে। অর্থবান পিতা-মাতারা তো বটেই, সামান্য আয়ে যাঁদের সংসার চলে, তাঁরাও কষ্টেসৃষ্টে ছেলেমেয়েদের ইংলিশ মিডিয়ামেই পড়ান। বাংলা মাধ্যম স্কুলের প্রতি মানুষের আস্থা এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে। এই সুযোগটির সদ্ব্যবহার করতে শহরে শুধু নয়, শহরতলিতে, এমনকী গ্রামেও শিক্ষা ব্যবসায়ীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। দেদার মুনাফা লুটছে তারা। এক সময় পাড়ায় পাড়ায় নিত্যনতুন নার্সারি স্কুল গজিয়ে উঠেছিল। কচি-কাঁচারা আধো-উচ্চারণে ‘ব্যা ব্যা ব্লাকশিপ’ বা ‘জ্যাক অ্যান্ড জিল’ আওড়াত। এখন এ ধরনের ছোট স্কুলের বাজার মন্দা। উঠেও গিয়েছে অনেক। বড় ব্যবসায়ীদের সফিস্টিকেটেড স্কুলে স্কুলে জোয়ার এসেছে ছাত্রছাত্রীর। স্কুল-ব্যবসায়ীদের এমনই হাবভাব, সাহেব-মেম বানানোর মৌরসিপাট্টা যেন তাদেরই হাতে। শুধু সাহেব-মেমই বানায় না, কত রকমের কায়দা-কানুনই না শেখায়। এমনকী ঘোড়ায় চড়াও নাকি আয়ত্ত করায়। চমকের ছড়াছড়ি, সেসব দৈনন্দিন জীবনযাপনে আদৌ কাজে লাগে কি না, তা নিয়ে বাবা-মা’রা অবশ্য ভাবিত নন।
বড় কোম্পানির স্কুল, নামী স্কুলের ফ্র্যানচায়েসি শুধু শহরে নয়, দূর-মফস্‌স঩লেও এখন ছড়িয়েছে। এইসব স্কুলে পড়াতে না পারলে আদরের ‘বাছা’-র জীবন ষোলোআনাই বুঝি মাটি, ... এমন এক অর্থহীন ভাবনা ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের মনের আনাচকানাচে। এই বিপজ্জনক ভাবনার বাড়বাড়ন্তে শিক্ষা ব্যবসায়ীরা যে আহ্লাদিত, তা বোধহয় আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। তাদের স্ফীত ভুঁড়ি আরও স্ফীত হচ্ছে। অর্থ-খিদেও বাড়ছে। ছাত্র-ভরতির নামে এখন চলছে নির্বিচারে ডোনেশন আদায়। লক্ষাধিক টাকা দিলেই স্কুলের ডেস্ক-বেঞ্চের একফালি জায়গা কেনা যায় নিজের সন্তানের জন্য। সব স্কুলেই ভরতির আগে ইন্টারভিউ হয়! বাবা-মা বা ছাত্রের যে ইন্টারভিউ, তা নিতান্তই লোক-দেখানো। অভিভাবকের মেধার জোর থাকুক, না থাকুক, গ্যাঁটের জোর থাকলে (সে টাকা যে ভাবেই উপার্জিত হোক না কেন) অনেক নামজাদা স্কুলেই এখন অনায়াসে ভরতি হওয়া যায়। যাদের ইন্টারভিউয়ের পর ভরতির লিস্টে নাম বেরল, তাদের জন্য একরকম ডোনেশন-রেট, যাদের নাম বের হয়নি, তাদের জন্য অন্য রকম। সে-রেট বেড়ে দ্বিগুণ হলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। অনেক ক্ষেত্রে স্কুলের দারোয়ানের কাছেই গোপন খবর থাকে, তারাই বড়কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয়। এই আর্থিক লেনদেনের সাক্ষী থাকে ভরতি-প্রত্যাশী শিশুটিও। সাক্ষী না থাকলেও গৃহ-আলোচনা প্রায়শই তার কানে আসে। ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র হয়ে ওঠার কাজে ঘাটতি পড়লে, দু-চার বছর পরও বাবা-মা ডোনেশনের নামে কত টাকা জলে গিয়েছে, সে ফিরিস্তি শুনিয়ে গায়ের ঝাল মেটান। সে সব শুনে সবুজ প্রাণটি মনে মনে হয়তো ডুকরে কেঁদে ওঠে।
ভরতি হতে মোটা ডোনেশন, মাসে মাসে তিন-চার হাজার টাকা মাইনে নিয়েই ক্ষান্ত হয় না, লোভে চকচক করে মুখ, বচ্ছরভর চলে নানা ছুতোয় টাকা আদায়। বই কিনতে হবে স্কুল থেকে, খাতা কিনতে হবে স্কুল থেকে। ইউনিফর্ম, তাও চড়া দরে স্কুল থেকে কেনা বাধ্যতামূলক। এক্সকারশান থেকে অ্যানুয়াল ফাংশন, মাথামুণ্ডহীন ‘প্রোজেক্ট-প্রোগ্রাম’—নানা ছলছুতোয় ফন্দিতে চলতেই থাকে যথেচ্ছ অর্থ আদায়।
এসব আজকের ব্যাধি নয়। আগেও ছিল, কিন্তু এভাবে প্রকট হয়ে ওঠেনি। চোরাগোপ্তা সে আদায়ে রাখঢাক ছিল। কখনওই এমন খুল্লামখুল্লা ছিল না। কোটি কোটি টাকার এই শিক্ষা-ব্যাবসা থেকে সরকার কর-টর আদৌ পায় কি, সে প্রশ্ন তো রয়েই যায়।
শিক্ষা অতীব স্পর্শকাতর বিষয়। শিক্ষা ব্যাবসার দিকে এ যাবৎ কেউ সচেতনভাবেই তাকাননি। চোখে ঠুলি গুঁজে বসে থাকার দিন বোধহয় ফুরাতে চলেছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে চেপে ধরার পর এবার শিক্ষা ব্যবসায়ীদের চেপে ধরতে চাইছে সরকার, এর থেকে স্বস্তির কথা আর কী হতে পারে। সিবিএসসি-আইসিএসই বোর্ডের এই রকম কিছু স্কুল যা খুশি করে যাবে, শিক্ষার নামে দিনের পর দিন চূড়ান্ত ব্যাবসা করবে, সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্নে বিভোর অভিভাবককুল তাদের ফাঁদে পা না দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার খেশারত দেবে, এ তো হতে পারে না!
বেসরকারি হাসপাতালের খপ্পর থেকে মানুষকে বাঁচাতে গেলে সরকারি-ব্যবস্থা আরও বিস্তৃত করতে হবে। সরকারি পরিষেবা পর্যাপ্ত থাকলে, মন্ত্রী-এমপি-এমএলএ-দের চিঠি ছাড়াই সাধারণ মানুষ পর্যাপ্ত পরিষেবা পেলে কে আর সাধ করে ঘটি-বাটি হারাতে চায়! আইন করে বা শিক্ষা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মানুষের দুর্বলতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে যারা নির্লজ্জ ব্যাবসা ফেঁদেছে, তাদের কি রোখা যাবে? বোধহয় কাজটি এত সহজ নয়। বিকল্প ব্যবস্থা আগে করতে হবে, তা সরকারকেই ভাবতে হবে।
‘আমরি বাংলা ভাষা’-র গুরুত্ব আমাদের জীবনে অনস্বীকার্য। বাংলা-ইংরেজির খিচুড়ি না করে দৈনন্দিন জীবনে একালের ছেলেমেয়েরা আরও বেশি করে নির্ভুল বাংলা বলুক। মাতৃভাষাকে ভালোবেসে ইংরেজির প্রতি যদি তারা আগ্রহ-আনুগত্য দেখায়, তা দোষের নয় কিছু। বরং ইংরেজিতে পাকাপোক্ত হলে বৃহত্তর পড়াশোনার ক্ষেত্রে সুবিধাই হয়। তাই বাংলা ভাষার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেও কেউ যদি ইংরেজি মাধ্যমে সন্তান-সন্ততিদের পড়ান, তা পড়াতেই পারেন। শিক্ষা ব্যবসায়ীদের ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে কোথাও কোথাও বাংলা পড়ানোই হয় না। বরং বাংলা ভাষার প্রতি ঘৃণা তৈরির কুৎসিত অপচেষ্টা চলে। ছোটরা ক্লাসে বাংলায় কথা বলে ফেললে মারধরও খেতে হয়।
এ রাজ্যের বোর্ডের অধীনে থাকা স্কুলে প্রথম ভাষা হিসাবে ইংরেজি পড়ানোর ব্যবস্থা হলে, আর যা-ই হোক, বাংলা ভাষার প্রতি বিদ্বেষ জাগানো যাবে না। কারণ, মধ্যশিক্ষা পর্ষদে ইংরেজি যাদের প্রথম ভাষা, তাদের বাংলাও পড়ানো হয় সমমর্যাদায়। নামজাদা সরকারি, সরকার-পোষিত স্কুলগুলিতে বাংলা মাধ্যমের পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর ব্যবস্থাও করা কি দুরূহ? কলকাতা শহরে, শহরতলিতে বাংলা মাধ্যমের এমন স্কুল বেশ কিছু আছে, যে সব স্কুলে আদৌ কোনও ছাত্র নেই। মাস্টারমশাই-দিদিমণিরা কোনও কাজ না করে, বসে বসে মাইনে পেয়ে যান। এই সব স্কুলে প্রয়োজনমাফিক দু-চারজন নতুন শিক্ষক নিয়োগ করে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে রূপান্তরিত করা যায় না কি? এ সব যেমন করতে হবে, তেমনই বাংলা মাধ্যম সরকার-পোষিত স্কুলে পড়াশোনার আবহ তৈরি করতে হবে। মিটিং করে ডাকাতি বন্ধ করা যাবে না, তা হাসপাতালেই হোক বা স্কুলে! করতে হবে পালটা ব্যবস্থা, সে ব্যবস্থায় যদি ফাঁক ও ফাঁকি রয়ে যায়, তাহলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের এভাবেই চড়া মাশুল দিয়ে যেতে হবে, বিপন্নতা বাড়তেই থাকবে।

লেখক শিশু সাহিত্যিক ও গবেষক
15th  April, 2017
শিবাজি রাও গায়কোয়াড়ের দোলাচল
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 সাতষট্টি বছরের একজন মানুষ শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেবেন অথবা নেওয়া উচিত তা নিয়ে আমি বেশ ধন্দে পড়েছি। তবে আমার এই দোলাচল মোটেই আহামরি কিছু নয়, বড় যা তা হল একটা গোটা রাজ্যের মানুষের তাঁর দিকে ড্যাব ড্যাব করে চেয়ে থাকা। বিপুল দোলাচলে রাজ্যের সবার মনে। বিশদ

25th  June, 2017
রথযাত্রায় শ্রীচৈতন্য ও শ্রীরামকৃষ্ণ
চৈতন্যময় নন্দ

 নীলাচলে দারুব্রহ্ম জগদীশ জগন্নাথদেবের সবচেয়ে বড় বিজয়োৎসব রথযাত্রা। আদিকাল থেকে এই সমারোহ চলে এসেছে এবং একে কেন্দ্র করে বহু ইতিবৃত্তের সৃষ্টি হয়েছে। আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে পুরীতে শ্রীমন্‌ জগন্নাথ রথে আরোহণ করেন।
বিশদ

24th  June, 2017
অনুপ্রবেশকারীদের মন্দিরে আশ্রয় প্রসঙ্গে
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 নিউইয়র্ক শহরের কুইনস এলাকায় সমুদ্রের ধার ঘেঁষে রক অ্যাওয়ে বিচ। একদিন দেখা গেল মহাসাগরের ঢেউয়ের মাথায় নাচতে নাচতে ভাঙা নারকোল ভেসে আসছে। নারকোলের পিছু পিছু ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গাঁদাফুলের মালা। সাহেব মেমরা সাঁতার কাটতে নেমে নারকোলের আধভাঙা মালা, পচা গাঁদার মালা দেখে জলপুলিশকে নালিশ করল। বিশদ

24th  June, 2017
সাঁওতাল বিদ্রোহ এবং সমাজের পরিবর্তন
বিষ্ণুপদ হেমরম

 ভারতের আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলির মধ্যে সাঁওতালরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ব্রিটিশ ভারতে জল-জঙ্গল-জমিনের উপর অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং শোষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদে তারা সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল। সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন, বর্তমান সাঁওতাল পরগনার ভাগ্‌না঩ডিহির মাঠে। বিশদ

23rd  June, 2017
পাহাড় ও বাঙালি
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিজেপি রাজ্য শাখা তথা তাদের কর্মী সমর্থকরা এখনও স্পষ্ট করে বলছেন না সামান্য একটা সিদ্ধান্ত। সেটি হল তাঁরা কি গোর্খাল্যান্ড সমর্থন করেন, নাকি করেন না? সহজ প্রশ্ন। সহজ উত্তর। অথচ সোজা উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। ভাসা ভাসা কথা। কারণ বিজেপি রাজ্য শাখা ও কর্মী সমর্থকরা অপেক্ষা করছেন তাঁদের হাইকমান্ড কী ঠিক করবেন তার উপর। একবার চিন্তা করে দেখুন, আমরা বাঙালি, আমাদের রাজ্য থেকে আমাদের প্রিয় দার্জিলিংকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে কি না তা ঠিক করতেও বিজেপির বাংলা শাখা দুজন গুজরাতের নেতার দিকে তাকিয়ে আছে। বিশদ

23rd  June, 2017
দুর্নীতির পরিবেশ, পরিবেশে দুর্নীতি
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়

 ১৯৭০ দশকের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ Gunnar Mydral-এর ‘এশিয়ান ড্রামা’ বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, এশিয়ার বুকে বিভিন্ন দেশে পরিকল্পনাগুলি ব্যর্থ হবার একটি অন্যতম কারণ দুর্নীতি। বিশদ

21st  June, 2017
এ যুগের নীলকণ্ঠদের মুক্তির উপায় কী?
স্বপন মণ্ডল

 পুরাণ মতে সমুদ্র মন্থনের মতো কষ্টসাধ্য কাজে সুরাসুর উভয়েই হাত লাগিয়েছিল। সমুদ্র মন্থনে অমৃতের সন্ধান যেমন পাওয়া গেল গরলও উঠে এল। অমৃতের ভাগীদার অনেকে কিন্তু গরলের ভাগীদার কেউ হতে চাইল না। কিন্তু এ গরল এমন গরল যে ধরিত্রীর যেখানে পড়বে সেখানেই বিষাক্ত হয়ে যাবে। বিশদ

21st  June, 2017
যোগদিবস: ভারতের লক্ষ্মীলাভের মস্ত সুযোগ
হরলাল চক্রবর্তী

 ২০১৫ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ২১ জুন মহা ধুমধামে ‘বিশ্ব-যোগদিবস’ পালিত হচ্ছে। সারা বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ যোগদিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে, ১৮০টি দেশ যোগে অংশগ্রহণ করেছে, এর মধ্যে কিছু ইসলামিক দেশও আছে। আশা করা যায়, এ বছর তা আরও বেশি সাফল্য পাবে।
বিশদ

20th  June, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কোনও ব্যক্তির আধার নম্বর কোনওভাবেই সর্বসমক্ষে আনা যাবে না। সম্প্রতি এই নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে তারা বলছে, কোনও ব্যক্তিগত তথ্যও আনা যাবে না সবার সামনে। ২০১৬ সালের আধার অ্যাক্ট এবং ২০০০ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইন ...

সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: উচ্চ মাধ্যমিকের খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের ফাঁকি ধরতে কড়া পদক্ষেপ করছে সংসদ। এ জন্য পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নে (পিপিএস এবং পিপিআর) নয়া নির্দেশিকা জারি করল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। যদি দেখা যায়, কোনও খাতায় ৯ নম্বরের বেশি বাড়ছে বা ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মোহন বাগান কোচ হিসাবে মৌখিকভাবে সঞ্জয় সেন রাজি হওয়ার পর টিমের তালিকাও কর্তাদের দিয়েছেন তিনি।রবিবার সঞ্জয় সেন জানান,‘নতুন মরশুমে আমিই ফিজিক্যাল ট্রেনারের বাড়তি দায়িত্ব পালন করব। প্রি- সিজন কন্ডিশনিংও হবে আমার দায়িত্বে। অতীতে তো মোহন বাগান- ইস্ট ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: কাঁথির কাঁচলাগেড়িয়া গ্রামের অপহৃতা এক নাবালিকাকে উদ্ধার করেছে কাঁথি মহিলা থানার পুলিশ। উদ্ধার হওয়া নাবালিকাকে রবিবার কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তার গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করেন। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের মানসিক স্থিরতা রাখা দরকার। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। তবে নতুন বন্ধু লাভ হবে। সাবধানে পদক্ষেপ ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯০৩- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের জন্ম
১৯৬০- কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের মৃত্যু
১৯৭৪- অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের জন্ম
১৯৭৫- প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে জরুরি অবস্থা জারি করলেন
২০০৯- মার্কিন পপ সংগীত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু

25th  June, 2017



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৫ টাকা ৬৫.৪৩ টাকা
পাউন্ড ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৪২ টাকা
ইউরো ৭০.৭৬ টাকা ৭৩.২৮ টাকা
24th  June, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,২০০ টাকা
25th  June, 2017

দিন পঞ্জিকা

১১ আষাঢ়, ২৬ জুন, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১০/১২, পুষ্যানক্ষত্র রাত্রি ৯/২৩, সূ উ ৪/৫৭/৫২, অ ৬/২০/৪২, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩১-১০/১৮ রাত্রি ৯/১০-১২/০ পুনঃ ১/২৫-২/৫০, বারবেলা ৬/৩৮-৮/১৯ পুনঃ ৩/০-৪/৪০, কালরাত্রি ১০/২০-১১/৪০। ইদুল ফিতর
১১ আষাঢ়, ২৬ জুন, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ২/০/৩১, পুষ্যানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৯/৪, সূ উ ৪/৫৫/২৪, অ ৬/২২/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০/৩৪-১০/১৮/৯ রাত্রি ৯/১১/৬-১১/৫৯/৫৬, ১/২৪/২১-২/৪৮/৪৬, বারবেলা ৩/১/৩৪-৪/৪১/২৬, কালবেলা ৬/৩৬/১৬-৮/১৭/৭, কালরাত্রি ১০/১৯/৪২-১১/৩৮/৫০। ইদুল ফিতর
১ শওয়াল

ছবি সংবাদ


এই মুহূর্তে
শিলিগুড়িতে গৃহবধূ খুন, স্বামীসহ আটক ৩
শিলিগুড়ির সূর্য সেন কলোনিতে গৃহবধূকে খুনের অভিযোগে স্বামীসহ তিনজনকে আটক করা হল। রবিবার রাতে শৌচাগার থেকে শিখা চক্রবর্তী নামে মহিলার রক্তমাখা দেহ উদ্ধার হয়। মহিলার ভাই মৃদুলকান্তি দাস জানান, এদিন রাতে জামাইবাবু শান্তনু চক্রবর্তী তাঁকে ফোন করে বাড়িতে ডাকেন। তিনি বাড়িতে গিয়ে তাঁর দিদির দেহ উদ্ধার করেন। কীভাবে তাঁর দিদির মৃত্যু হল তাঁর সদুত্তর দিতে পারেনি অভিযুক্ত। তাঁর আরও অভিযোগ, শান্তনু চক্রবর্তীর আগেও একবার বিয়ে হয়েছিল। প্রথম পক্ষের স্ত্রীকেও হত্যা করেছিল সে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আটক করা হয়েছে মৃতার স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে।

12:20:00 AM

ভারত ৩১০/৫ (৪৩ ওভার)  

25-06-2017 - 11:47:24 PM

ভারত ১৯২/১ (৩০ ওভার) 

25-06-2017 - 10:34:21 PM

ভারত ৯৫/০ (১৫ ওভার) 

25-06-2017 - 09:38:36 PM

ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ফের বৃষ্টির জেরে ওভার সংখ্যা ৪৫ থেকে কমে দাঁড়াল ৪৩

25-06-2017 - 08:27:40 PM

নেদারল্যান্ডস সফর সেরে কলকাতায় ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

25-06-2017 - 08:21:00 PM