বিশেষ নিবন্ধ
 

শিক্ষা নিয়ে লাগামছাড়া ব্যাবসা

পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়: বেসরকারি হাসপাতালের বেয়াদপির কথা সম্প্রতি মিডিয়ার দৌলতে আমাদের জানা হয়েছে, তা নয়, অনেক দিন ধরেই ওপেন সিক্রেট। কীভাবে ডাকাতি চলে, কৌশলে সব কেড়ে-কুড়ে নেয় জানা থাকা সত্ত্বেও প্রিয়জনকে নিয়ে সরকারি নয়, বেসরকারি হাসপাতালেই আমরা এ যাবৎ দৌড়েছি। টাকা যাক, বাঁচুক প্রিয়জন। বিপুল অর্থের বিনিময়ে কিনতে চেয়েছি চিকিৎসা-পরিষেবা। ঠিক তেমনই বেসরকারি স্কুলেই আমরা প্রিয় সন্তানকে পড়াতে তৎপর হয়েছি। সরকারি হাসপাতালের প্রতি যেমন আমাদের আস্থা নেই, তেমনই অনেকাংশে আস্থা নেই সরকার-পোষিত স্কুলে। ষাট-সত্তর হাজারি মাস্টারমশাইরা মাস-মাইনের বিনিময়ে কতখানি স্কুলকে, ছাত্রদের ফেরত দেন, সে প্রশ্ন তো রয়েই যায়। নিচু ক্লাসে ইংরেজি নেই, এইটতক পাশ-ফেল নেই, সর্বোপরি অনেক মাস্টারমশাইয়েরই পড়ানোর মানসিকতা ধুয়ে-মুছে সাফ হয়েছে! এ পরিপ্রেক্ষিতে অভিভাবককুল গভর্নমেন্ট-স্পনসর্ড স্কুলে কেনই বা ছেলেমেয়েকে পাঠাবেন।
বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলিকে বাঁচাতে ফি-বছর রাজ্য সরকারের কোটি কোটি টাকা খরচ হয়। আসে নানা প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সাহায্যও। জলের মতো অর্থ যায়, কাজের কাজ তেমন কিছুই হয় না। বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলির অবস্থা দিনে দিনে আরও, আ-র-ও খারাপ হয়েই চলেছে। অর্থবান পিতা-মাতারা তো বটেই, সামান্য আয়ে যাঁদের সংসার চলে, তাঁরাও কষ্টেসৃষ্টে ছেলেমেয়েদের ইংলিশ মিডিয়ামেই পড়ান। বাংলা মাধ্যম স্কুলের প্রতি মানুষের আস্থা এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে। এই সুযোগটির সদ্ব্যবহার করতে শহরে শুধু নয়, শহরতলিতে, এমনকী গ্রামেও শিক্ষা ব্যবসায়ীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। দেদার মুনাফা লুটছে তারা। এক সময় পাড়ায় পাড়ায় নিত্যনতুন নার্সারি স্কুল গজিয়ে উঠেছিল। কচি-কাঁচারা আধো-উচ্চারণে ‘ব্যা ব্যা ব্লাকশিপ’ বা ‘জ্যাক অ্যান্ড জিল’ আওড়াত। এখন এ ধরনের ছোট স্কুলের বাজার মন্দা। উঠেও গিয়েছে অনেক। বড় ব্যবসায়ীদের সফিস্টিকেটেড স্কুলে স্কুলে জোয়ার এসেছে ছাত্রছাত্রীর। স্কুল-ব্যবসায়ীদের এমনই হাবভাব, সাহেব-মেম বানানোর মৌরসিপাট্টা যেন তাদেরই হাতে। শুধু সাহেব-মেমই বানায় না, কত রকমের কায়দা-কানুনই না শেখায়। এমনকী ঘোড়ায় চড়াও নাকি আয়ত্ত করায়। চমকের ছড়াছড়ি, সেসব দৈনন্দিন জীবনযাপনে আদৌ কাজে লাগে কি না, তা নিয়ে বাবা-মা’রা অবশ্য ভাবিত নন।
বড় কোম্পানির স্কুল, নামী স্কুলের ফ্র্যানচায়েসি শুধু শহরে নয়, দূর-মফস্‌স঩লেও এখন ছড়িয়েছে। এইসব স্কুলে পড়াতে না পারলে আদরের ‘বাছা’-র জীবন ষোলোআনাই বুঝি মাটি, ... এমন এক অর্থহীন ভাবনা ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের মনের আনাচকানাচে। এই বিপজ্জনক ভাবনার বাড়বাড়ন্তে শিক্ষা ব্যবসায়ীরা যে আহ্লাদিত, তা বোধহয় আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। তাদের স্ফীত ভুঁড়ি আরও স্ফীত হচ্ছে। অর্থ-খিদেও বাড়ছে। ছাত্র-ভরতির নামে এখন চলছে নির্বিচারে ডোনেশন আদায়। লক্ষাধিক টাকা দিলেই স্কুলের ডেস্ক-বেঞ্চের একফালি জায়গা কেনা যায় নিজের সন্তানের জন্য। সব স্কুলেই ভরতির আগে ইন্টারভিউ হয়! বাবা-মা বা ছাত্রের যে ইন্টারভিউ, তা নিতান্তই লোক-দেখানো। অভিভাবকের মেধার জোর থাকুক, না থাকুক, গ্যাঁটের জোর থাকলে (সে টাকা যে ভাবেই উপার্জিত হোক না কেন) অনেক নামজাদা স্কুলেই এখন অনায়াসে ভরতি হওয়া যায়। যাদের ইন্টারভিউয়ের পর ভরতির লিস্টে নাম বেরল, তাদের জন্য একরকম ডোনেশন-রেট, যাদের নাম বের হয়নি, তাদের জন্য অন্য রকম। সে-রেট বেড়ে দ্বিগুণ হলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। অনেক ক্ষেত্রে স্কুলের দারোয়ানের কাছেই গোপন খবর থাকে, তারাই বড়কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয়। এই আর্থিক লেনদেনের সাক্ষী থাকে ভরতি-প্রত্যাশী শিশুটিও। সাক্ষী না থাকলেও গৃহ-আলোচনা প্রায়শই তার কানে আসে। ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র হয়ে ওঠার কাজে ঘাটতি পড়লে, দু-চার বছর পরও বাবা-মা ডোনেশনের নামে কত টাকা জলে গিয়েছে, সে ফিরিস্তি শুনিয়ে গায়ের ঝাল মেটান। সে সব শুনে সবুজ প্রাণটি মনে মনে হয়তো ডুকরে কেঁদে ওঠে।
ভরতি হতে মোটা ডোনেশন, মাসে মাসে তিন-চার হাজার টাকা মাইনে নিয়েই ক্ষান্ত হয় না, লোভে চকচক করে মুখ, বচ্ছরভর চলে নানা ছুতোয় টাকা আদায়। বই কিনতে হবে স্কুল থেকে, খাতা কিনতে হবে স্কুল থেকে। ইউনিফর্ম, তাও চড়া দরে স্কুল থেকে কেনা বাধ্যতামূলক। এক্সকারশান থেকে অ্যানুয়াল ফাংশন, মাথামুণ্ডহীন ‘প্রোজেক্ট-প্রোগ্রাম’—নানা ছলছুতোয় ফন্দিতে চলতেই থাকে যথেচ্ছ অর্থ আদায়।
এসব আজকের ব্যাধি নয়। আগেও ছিল, কিন্তু এভাবে প্রকট হয়ে ওঠেনি। চোরাগোপ্তা সে আদায়ে রাখঢাক ছিল। কখনওই এমন খুল্লামখুল্লা ছিল না। কোটি কোটি টাকার এই শিক্ষা-ব্যাবসা থেকে সরকার কর-টর আদৌ পায় কি, সে প্রশ্ন তো রয়েই যায়।
শিক্ষা অতীব স্পর্শকাতর বিষয়। শিক্ষা ব্যাবসার দিকে এ যাবৎ কেউ সচেতনভাবেই তাকাননি। চোখে ঠুলি গুঁজে বসে থাকার দিন বোধহয় ফুরাতে চলেছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে চেপে ধরার পর এবার শিক্ষা ব্যবসায়ীদের চেপে ধরতে চাইছে সরকার, এর থেকে স্বস্তির কথা আর কী হতে পারে। সিবিএসসি-আইসিএসই বোর্ডের এই রকম কিছু স্কুল যা খুশি করে যাবে, শিক্ষার নামে দিনের পর দিন চূড়ান্ত ব্যাবসা করবে, সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্নে বিভোর অভিভাবককুল তাদের ফাঁদে পা না দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার খেশারত দেবে, এ তো হতে পারে না!
বেসরকারি হাসপাতালের খপ্পর থেকে মানুষকে বাঁচাতে গেলে সরকারি-ব্যবস্থা আরও বিস্তৃত করতে হবে। সরকারি পরিষেবা পর্যাপ্ত থাকলে, মন্ত্রী-এমপি-এমএলএ-দের চিঠি ছাড়াই সাধারণ মানুষ পর্যাপ্ত পরিষেবা পেলে কে আর সাধ করে ঘটি-বাটি হারাতে চায়! আইন করে বা শিক্ষা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মানুষের দুর্বলতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে যারা নির্লজ্জ ব্যাবসা ফেঁদেছে, তাদের কি রোখা যাবে? বোধহয় কাজটি এত সহজ নয়। বিকল্প ব্যবস্থা আগে করতে হবে, তা সরকারকেই ভাবতে হবে।
‘আমরি বাংলা ভাষা’-র গুরুত্ব আমাদের জীবনে অনস্বীকার্য। বাংলা-ইংরেজির খিচুড়ি না করে দৈনন্দিন জীবনে একালের ছেলেমেয়েরা আরও বেশি করে নির্ভুল বাংলা বলুক। মাতৃভাষাকে ভালোবেসে ইংরেজির প্রতি যদি তারা আগ্রহ-আনুগত্য দেখায়, তা দোষের নয় কিছু। বরং ইংরেজিতে পাকাপোক্ত হলে বৃহত্তর পড়াশোনার ক্ষেত্রে সুবিধাই হয়। তাই বাংলা ভাষার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেও কেউ যদি ইংরেজি মাধ্যমে সন্তান-সন্ততিদের পড়ান, তা পড়াতেই পারেন। শিক্ষা ব্যবসায়ীদের ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে কোথাও কোথাও বাংলা পড়ানোই হয় না। বরং বাংলা ভাষার প্রতি ঘৃণা তৈরির কুৎসিত অপচেষ্টা চলে। ছোটরা ক্লাসে বাংলায় কথা বলে ফেললে মারধরও খেতে হয়।
এ রাজ্যের বোর্ডের অধীনে থাকা স্কুলে প্রথম ভাষা হিসাবে ইংরেজি পড়ানোর ব্যবস্থা হলে, আর যা-ই হোক, বাংলা ভাষার প্রতি বিদ্বেষ জাগানো যাবে না। কারণ, মধ্যশিক্ষা পর্ষদে ইংরেজি যাদের প্রথম ভাষা, তাদের বাংলাও পড়ানো হয় সমমর্যাদায়। নামজাদা সরকারি, সরকার-পোষিত স্কুলগুলিতে বাংলা মাধ্যমের পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর ব্যবস্থাও করা কি দুরূহ? কলকাতা শহরে, শহরতলিতে বাংলা মাধ্যমের এমন স্কুল বেশ কিছু আছে, যে সব স্কুলে আদৌ কোনও ছাত্র নেই। মাস্টারমশাই-দিদিমণিরা কোনও কাজ না করে, বসে বসে মাইনে পেয়ে যান। এই সব স্কুলে প্রয়োজনমাফিক দু-চারজন নতুন শিক্ষক নিয়োগ করে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে রূপান্তরিত করা যায় না কি? এ সব যেমন করতে হবে, তেমনই বাংলা মাধ্যম সরকার-পোষিত স্কুলে পড়াশোনার আবহ তৈরি করতে হবে। মিটিং করে ডাকাতি বন্ধ করা যাবে না, তা হাসপাতালেই হোক বা স্কুলে! করতে হবে পালটা ব্যবস্থা, সে ব্যবস্থায় যদি ফাঁক ও ফাঁকি রয়ে যায়, তাহলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের এভাবেই চড়া মাশুল দিয়ে যেতে হবে, বিপন্নতা বাড়তেই থাকবে।

লেখক শিশু সাহিত্যিক ও গবেষক
15th  April, 2017
ধ্রুবতারা ফুটবল, স্বপ্ন সরণিতে মিজোরাম

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: এই লেখাটা যেদিন আপনি পড়ছেন, অর্থাৎ রোববার সেই দিনটা যখন শেষ হব হব করবে, তখন আমার মন কতটা ফুরফুরে থাকবে অথবা কতটা মুহ্যমান থাকব তা বলতে পারব না। কারণ, আমি জ্যোতিষী নই।
বিশদ

এত তাড়াতাড়ি ভোটের বাদ্যি বাজিয়ে দেওয়ার চেষ্টা কেন

শুভা দত্ত: সামনের বছর পঞ্চায়েত ভোট। সে ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। এবং তার আগে তেমন বড় কোনও ভোটও নেই রাজ্যে। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গের পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ভোট একেবারে দোরগোড়ায় এসে পড়েছে। আর তাই রাজ্যজুড়ে ভোটের গরম হাওয়া বইতে শুরু করে দিয়েছে! রাজনৈতিক তরজা হানাহানি কাটাকাটিও শুরু হয়ে গিয়েছে।
বিশদ

  স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে চরম দুরবস্থার জন্য দায়ী কিছু কর্পোরেট সংস্থার বিপুল অনাদায়ী ঋণ

 দেবনারায়ণ সরকার: ২০১৭-র ১ এপ্রিল থেকে প্রবীণদের জন্য ৫ বছরের সঞ্চয় প্রকল্পে থেকে শুরু করে পিপিএফ, কিষাণ বিকাশপত্র, সুকন্যা সমৃদ্ধি—সমস্ত স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে ফের ১০ বেসিক পয়েন্ট সুদ কমাল কেন্দ্র। এর আগে এই হার ১০ শতাংশ কমানো হয়েছিল গত অক্টোবরে। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের আমলে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতো ডাকঘর সঞ্চয় প্রকল্পগুলির সুদের হারও বাজার সুদের হারের পরিবর্তনের সঙ্গে সংগতি রেখে প্রতি ত্রৈমাসিকে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
বিশদ

29th  April, 2017
এই পুর নির্বাচনে পাহাড় থেকে সমতলে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের খোঁজ মিলবে

বিশ্বনাথ চক্রবর্তী: আগামী ১৪ মে রাজ্যের ৭টি পুরসভার ১৪৮টি ওয়ার্ডে ৩৮৫টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এই ৭টি পুরসভার মধ্যে পাহাড়ের ৪টি পুরসভায় গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে কংগ্রেস এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার পূজালি পুরসভা ছিল তৃণমূলের দখলে। মুর্শিদাবাদের ডোমকল পুরসভাটি ২০১৫ সালে গঠিত হওয়ার পর এই প্রথম সেখানে ভোট হতে চলেছে। বিশদ

29th  April, 2017
 বাজেট হাসপাতাল তৈরি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, আগামীদিনে অগ্রাধিকার পাক জেলাও

নিমাই দে: এমন একটা প্রতিযোগিতার বাজারে, যেখানে সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মৌচাকে ঢিল মারতে নামছে, সেখানে সরকারি হাসপাতাল চত্বরে বাজেট হাসপাতালই হোক, হোক পলিক্লিনিক বা পে ক্লিনিক, একটা জিনিস অবশ্যই নজর রাখতে হবে, তা যেন বেসরকারি ক্ষেত্রের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করার মতো জায়গায় থাকে। কারণ, বিগত দিনের অভিজ্ঞতাই বলছে, পে ক্লিনিকগুলি কিন্তু সাফল্যের মুখ দেখেনি। যদিও হাসপাতালে কান পাতলে শোনা যায়, এর পিছনে রয়েছে বাম আমলের লাগামছাড়া দুর্নীতি। ...বহু টাকা নাকি কর্মীরা নয়ছয় করেছেন স্রেফ ইউনিয়ন নামক দাদাগিরি করে। তার ফলে মাসের পর মাস রোগী দেখেও টাকা না পেয়ে ডাক্তাররা নিরাশ হয়ে কেউ হাসপাতাল ছেড়েছেন, কেউবা পলিক্লিনিকের ধার মাড়াননি।
বিশদ

28th  April, 2017
 অরুণাচলে চীনকে ঠেকাতে তৎপর সতর্ক ভারত

গৌরীশঙ্কর নাগ: আমরা ধরে নিয়েছিলাম তিব্বতের ওপর চীনের অধিকার যদি আমরা স্বীকার করে নিই, তাহলে হয়তো সমস্যার আশু সমাধান হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় এই যে, চীনের তরফ থেকে অনুরূপ আন্তরিকতা আমরা পাইনি। বরং সম্প্রতি হংকং ও ম্যাকাওকে সংযুক্তিকরণে সফল হওয়ায়, অরুণাচল নিয়ে চীন যে অত্যুৎসাহী হয়ে পড়েছে। সুতরাং ভারতের অত্যন্ত সাবধানী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। ইতিমধ্যে চীনের শান্তিপূর্ণ উত্থানের তত্ত্ব অনেকে খারিজ করে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে চীনের সঙ্গে দরকষাকষির ক্ষেত্রে ভারতের অভ্যন্তরে মোদি সরকারের প্রতি রাজনৈতিক সমর্থনের পাল্লা কতটা ভারী—তাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশদ

28th  April, 2017
তোর্সা নদীই কি জলবণ্টনের স্থায়ী সমাধান?

গিরিজাশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়: তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নানাবিধ কূটনৈতিক আলোচনা হয়ে গেল কিছুদিন আগেই। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।
বিশদ

27th  April, 2017
ভারত-বাংলাদেশ অভিন্ন নদীগুলির জলপ্রবাহ সমস্যা ও সমাধান

মোঃ তারিকুজ্জামান রেজা: বাংলাদেশ ও ভারত দুটি বন্ধু প্রতিবেশী রাষ্ট্র। এ দুই রাষ্ট্রের সম্পর্ক রক্তের বাঁধনে বাঁধা। ১৯৪৭ সালে দুটি ধর্মের ভিত্তিতে ভারত ভেঙে অপরিকল্পিতভাবে হয় পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান। কিন্তু, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানদের সেই পাকিস্তানের ঘোর কাটতে সময় লাগেনি। বিশদ

27th  April, 2017


একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল হিসাবে তাদের ডব্লুআর-ভি গাড়িটি দেশের বাজারে আসা মাত্র দারুণ সাড়া তৈরি করেছে। গাড়িটির নির্মাতা সংস্থা হন্ডা’র দাবি অন্তত তেমনই। ...

 সংবাদদাতা, আরামবাগ: নাবালিকা অপহরণে মদত দেওয়ার অভিযোগে শনিবার ভোরে আরামবাগের ফাঁসিবাগান এলাকা থেকে মূল অভিযুক্তের বাবাকে গ্রেপ্তার করল আরামবাগ থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম রাজেশ প্রসাদ। বাড়ি ওই এলাকাতেই। ...

বাংলা নিউজ এজেন্সি: শুক্রবার রাতের ঝড়বৃষ্টিতে কোচবিহারের মাথাভাঙা, সিতাই, দিনহাটা সহ বিভিন্ন জায়গা লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে। এদিকে শনিবার সকালে মাদারিহাটের বন্ধ জয় বীরপাড়া চা বাগানে বাজ পড়ে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ব্যাংকের ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য জেনে ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ জানানোর দু’বছর বাদে একজনকে গ্রেপ্তার করল বিধাননগর সাইবার থানার পুলিশ। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আপনার মনে ধর্মভাব জাগ্রত হবে। কর্মপ্রার্থীরা কর্মের সুযোগ পাবেন। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সূচনা হবে। অর্থ নিয়ে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭০-ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনক হিসাবে পরিচিত দাদাসাহেব ফালকের জন্ম।
১৯৪৫- জার্মানির চ্যান্সেলর এডলফ হিটলারের আত্মহত্যা।
১৯৮৭-ক্রিকেটার রোহিত শর্মার জন্ম।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪০ টাকা ৬৫.০৮ টাকা
পাউন্ড ৮১.৬৩ টাকা ৮৪.৪৪ টাকা
ইউরো ৬৮.৬৩ টাকা ৭১.১০ টাকা
29th  April, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৩১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৮০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৬ বৈশাখ, ৩০ এপ্রিল, রবিবার, পঞ্চমী রাত্রি ১২/৫০, মৃগশিরানক্ষত্র দিবা ৮/৩৩, সূ উ ৫/৮/৪৯, অ ৫/৫৮/৫৭, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/২৬ রাত্রি ৭/২৮-৮/৫৭, বারবেলা ৯/৫৮-১/১০, কালরাত্রি ১২/৫৮-২/২২।
১৬ বৈশাখ, ৩০ এপ্রিল, রবিবার, চতুর্থী ৮/২৭/০, মৃগশিরানক্ষত্র ১/১৯/৪২, সূ উ ৫/৮/৮, অ ৫/৫৯/৪, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৯/৩২-৯/২৫/৭, রাত্রি ৭/২৮/১৭-৮/৫৭/২৯, বারবেলা ৯/৫৭/১৪-১১/৩৩/৩৬, কালবেলা ১১/৩৩/৩৬-১/৯/৫৮, কালরাত্রি ১২/৫৭/১৪-২/২০/৫২। 
 ৩ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজ শহরের তাপমাত্রা থাকবে ৩৭ ডিগ্রির কাছাকাছি

08:48:00 AM

সুপার ওভারে গুজরাত লায়ন্সকে হারাল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স 

12:03:36 AM

আজ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা 
আজ, রবিবার শহরে কালবৈশাখীর ক্ষীণ আশা জুগিয়ে রাখল আবহাওয়া দপ্তর। তবে ঝড়বৃষ্টি হওয়ার ভালো সম্ভাবনা আছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে এবং দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি এলাকায়। পূর্ব বিহারের উপর থাকা একটি ঘূর্ণাবর্ত রাজ্যে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকিয়েছে। তার প্রভাবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের কর্তারা। তাঁরা বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমা বায়ু উপর দিকে উঠে আসছে। এদিকে, বিহারের ঘূর্ণাবর্ত থেকে ছত্তিশগড় পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে, যার অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯০০ মিটার উপরে।  

08:15:00 AM

সুপার ওভারে গুজরাত লায়ন্সকে জয়ের জন্য ১২ রানের টার্গেট দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স 

29-04-2017 - 11:51:00 PM

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স-গুজরাত লায়ন্স ম্যাচ সুপার ওভারে 

29-04-2017 - 11:38:42 PM

গুজরাত লায়ন্স ২০ ওভারে ১৫৩/৯ 

29-04-2017 - 09:40:01 PM






বিশেষ নিবন্ধ
ধ্রুবতারা ফুটবল, স্বপ্ন সরণিতে মিজোরাম
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: এই লেখাটা যেদিন আপনি পড়ছেন, অর্থাৎ রোববার সেই দিনটা যখন শেষ হব হব ...
এত তাড়াতাড়ি ভোটের বাদ্যি বাজিয়ে দেওয়ার চেষ্টা কেন
শুভা দত্ত: সামনের বছর পঞ্চায়েত ভোট। সে ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। এবং তার আগে ...
  স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে চরম দুরবস্থার জন্য দায়ী কিছু কর্পোরেট সংস্থার বিপুল অনাদায়ী ঋণ
 দেবনারায়ণ সরকার: ২০১৭-র ১ এপ্রিল থেকে প্রবীণদের জন্য ৫ বছরের সঞ্চয় প্রকল্পে থেকে শুরু করে ...
এই পুর নির্বাচনে পাহাড় থেকে সমতলে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের খোঁজ মিলবে
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী: আগামী ১৪ মে রাজ্যের ৭টি পুরসভার ১৪৮টি ওয়ার্ডে ৩৮৫টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এই ...
 বাজেট হাসপাতাল তৈরি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, আগামীদিনে অগ্রাধিকার পাক জেলাও
নিমাই দে: এমন একটা প্রতিযোগিতার বাজারে, যেখানে সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মৌচাকে ঢিল মারতে নামছে, সেখানে ...