বিশেষ নিবন্ধ
 

শিক্ষা নিয়ে লাগামছাড়া ব্যাবসা

পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়: বেসরকারি হাসপাতালের বেয়াদপির কথা সম্প্রতি মিডিয়ার দৌলতে আমাদের জানা হয়েছে, তা নয়, অনেক দিন ধরেই ওপেন সিক্রেট। কীভাবে ডাকাতি চলে, কৌশলে সব কেড়ে-কুড়ে নেয় জানা থাকা সত্ত্বেও প্রিয়জনকে নিয়ে সরকারি নয়, বেসরকারি হাসপাতালেই আমরা এ যাবৎ দৌড়েছি। টাকা যাক, বাঁচুক প্রিয়জন। বিপুল অর্থের বিনিময়ে কিনতে চেয়েছি চিকিৎসা-পরিষেবা। ঠিক তেমনই বেসরকারি স্কুলেই আমরা প্রিয় সন্তানকে পড়াতে তৎপর হয়েছি। সরকারি হাসপাতালের প্রতি যেমন আমাদের আস্থা নেই, তেমনই অনেকাংশে আস্থা নেই সরকার-পোষিত স্কুলে। ষাট-সত্তর হাজারি মাস্টারমশাইরা মাস-মাইনের বিনিময়ে কতখানি স্কুলকে, ছাত্রদের ফেরত দেন, সে প্রশ্ন তো রয়েই যায়। নিচু ক্লাসে ইংরেজি নেই, এইটতক পাশ-ফেল নেই, সর্বোপরি অনেক মাস্টারমশাইয়েরই পড়ানোর মানসিকতা ধুয়ে-মুছে সাফ হয়েছে! এ পরিপ্রেক্ষিতে অভিভাবককুল গভর্নমেন্ট-স্পনসর্ড স্কুলে কেনই বা ছেলেমেয়েকে পাঠাবেন।
বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলিকে বাঁচাতে ফি-বছর রাজ্য সরকারের কোটি কোটি টাকা খরচ হয়। আসে নানা প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সাহায্যও। জলের মতো অর্থ যায়, কাজের কাজ তেমন কিছুই হয় না। বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলির অবস্থা দিনে দিনে আরও, আ-র-ও খারাপ হয়েই চলেছে। অর্থবান পিতা-মাতারা তো বটেই, সামান্য আয়ে যাঁদের সংসার চলে, তাঁরাও কষ্টেসৃষ্টে ছেলেমেয়েদের ইংলিশ মিডিয়ামেই পড়ান। বাংলা মাধ্যম স্কুলের প্রতি মানুষের আস্থা এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে। এই সুযোগটির সদ্ব্যবহার করতে শহরে শুধু নয়, শহরতলিতে, এমনকী গ্রামেও শিক্ষা ব্যবসায়ীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। দেদার মুনাফা লুটছে তারা। এক সময় পাড়ায় পাড়ায় নিত্যনতুন নার্সারি স্কুল গজিয়ে উঠেছিল। কচি-কাঁচারা আধো-উচ্চারণে ‘ব্যা ব্যা ব্লাকশিপ’ বা ‘জ্যাক অ্যান্ড জিল’ আওড়াত। এখন এ ধরনের ছোট স্কুলের বাজার মন্দা। উঠেও গিয়েছে অনেক। বড় ব্যবসায়ীদের সফিস্টিকেটেড স্কুলে স্কুলে জোয়ার এসেছে ছাত্রছাত্রীর। স্কুল-ব্যবসায়ীদের এমনই হাবভাব, সাহেব-মেম বানানোর মৌরসিপাট্টা যেন তাদেরই হাতে। শুধু সাহেব-মেমই বানায় না, কত রকমের কায়দা-কানুনই না শেখায়। এমনকী ঘোড়ায় চড়াও নাকি আয়ত্ত করায়। চমকের ছড়াছড়ি, সেসব দৈনন্দিন জীবনযাপনে আদৌ কাজে লাগে কি না, তা নিয়ে বাবা-মা’রা অবশ্য ভাবিত নন।
বড় কোম্পানির স্কুল, নামী স্কুলের ফ্র্যানচায়েসি শুধু শহরে নয়, দূর-মফস্‌স঩লেও এখন ছড়িয়েছে। এইসব স্কুলে পড়াতে না পারলে আদরের ‘বাছা’-র জীবন ষোলোআনাই বুঝি মাটি, ... এমন এক অর্থহীন ভাবনা ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের মনের আনাচকানাচে। এই বিপজ্জনক ভাবনার বাড়বাড়ন্তে শিক্ষা ব্যবসায়ীরা যে আহ্লাদিত, তা বোধহয় আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। তাদের স্ফীত ভুঁড়ি আরও স্ফীত হচ্ছে। অর্থ-খিদেও বাড়ছে। ছাত্র-ভরতির নামে এখন চলছে নির্বিচারে ডোনেশন আদায়। লক্ষাধিক টাকা দিলেই স্কুলের ডেস্ক-বেঞ্চের একফালি জায়গা কেনা যায় নিজের সন্তানের জন্য। সব স্কুলেই ভরতির আগে ইন্টারভিউ হয়! বাবা-মা বা ছাত্রের যে ইন্টারভিউ, তা নিতান্তই লোক-দেখানো। অভিভাবকের মেধার জোর থাকুক, না থাকুক, গ্যাঁটের জোর থাকলে (সে টাকা যে ভাবেই উপার্জিত হোক না কেন) অনেক নামজাদা স্কুলেই এখন অনায়াসে ভরতি হওয়া যায়। যাদের ইন্টারভিউয়ের পর ভরতির লিস্টে নাম বেরল, তাদের জন্য একরকম ডোনেশন-রেট, যাদের নাম বের হয়নি, তাদের জন্য অন্য রকম। সে-রেট বেড়ে দ্বিগুণ হলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। অনেক ক্ষেত্রে স্কুলের দারোয়ানের কাছেই গোপন খবর থাকে, তারাই বড়কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয়। এই আর্থিক লেনদেনের সাক্ষী থাকে ভরতি-প্রত্যাশী শিশুটিও। সাক্ষী না থাকলেও গৃহ-আলোচনা প্রায়শই তার কানে আসে। ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র হয়ে ওঠার কাজে ঘাটতি পড়লে, দু-চার বছর পরও বাবা-মা ডোনেশনের নামে কত টাকা জলে গিয়েছে, সে ফিরিস্তি শুনিয়ে গায়ের ঝাল মেটান। সে সব শুনে সবুজ প্রাণটি মনে মনে হয়তো ডুকরে কেঁদে ওঠে।
ভরতি হতে মোটা ডোনেশন, মাসে মাসে তিন-চার হাজার টাকা মাইনে নিয়েই ক্ষান্ত হয় না, লোভে চকচক করে মুখ, বচ্ছরভর চলে নানা ছুতোয় টাকা আদায়। বই কিনতে হবে স্কুল থেকে, খাতা কিনতে হবে স্কুল থেকে। ইউনিফর্ম, তাও চড়া দরে স্কুল থেকে কেনা বাধ্যতামূলক। এক্সকারশান থেকে অ্যানুয়াল ফাংশন, মাথামুণ্ডহীন ‘প্রোজেক্ট-প্রোগ্রাম’—নানা ছলছুতোয় ফন্দিতে চলতেই থাকে যথেচ্ছ অর্থ আদায়।
এসব আজকের ব্যাধি নয়। আগেও ছিল, কিন্তু এভাবে প্রকট হয়ে ওঠেনি। চোরাগোপ্তা সে আদায়ে রাখঢাক ছিল। কখনওই এমন খুল্লামখুল্লা ছিল না। কোটি কোটি টাকার এই শিক্ষা-ব্যাবসা থেকে সরকার কর-টর আদৌ পায় কি, সে প্রশ্ন তো রয়েই যায়।
শিক্ষা অতীব স্পর্শকাতর বিষয়। শিক্ষা ব্যাবসার দিকে এ যাবৎ কেউ সচেতনভাবেই তাকাননি। চোখে ঠুলি গুঁজে বসে থাকার দিন বোধহয় ফুরাতে চলেছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে চেপে ধরার পর এবার শিক্ষা ব্যবসায়ীদের চেপে ধরতে চাইছে সরকার, এর থেকে স্বস্তির কথা আর কী হতে পারে। সিবিএসসি-আইসিএসই বোর্ডের এই রকম কিছু স্কুল যা খুশি করে যাবে, শিক্ষার নামে দিনের পর দিন চূড়ান্ত ব্যাবসা করবে, সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্নে বিভোর অভিভাবককুল তাদের ফাঁদে পা না দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার খেশারত দেবে, এ তো হতে পারে না!
বেসরকারি হাসপাতালের খপ্পর থেকে মানুষকে বাঁচাতে গেলে সরকারি-ব্যবস্থা আরও বিস্তৃত করতে হবে। সরকারি পরিষেবা পর্যাপ্ত থাকলে, মন্ত্রী-এমপি-এমএলএ-দের চিঠি ছাড়াই সাধারণ মানুষ পর্যাপ্ত পরিষেবা পেলে কে আর সাধ করে ঘটি-বাটি হারাতে চায়! আইন করে বা শিক্ষা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মানুষের দুর্বলতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে যারা নির্লজ্জ ব্যাবসা ফেঁদেছে, তাদের কি রোখা যাবে? বোধহয় কাজটি এত সহজ নয়। বিকল্প ব্যবস্থা আগে করতে হবে, তা সরকারকেই ভাবতে হবে।
‘আমরি বাংলা ভাষা’-র গুরুত্ব আমাদের জীবনে অনস্বীকার্য। বাংলা-ইংরেজির খিচুড়ি না করে দৈনন্দিন জীবনে একালের ছেলেমেয়েরা আরও বেশি করে নির্ভুল বাংলা বলুক। মাতৃভাষাকে ভালোবেসে ইংরেজির প্রতি যদি তারা আগ্রহ-আনুগত্য দেখায়, তা দোষের নয় কিছু। বরং ইংরেজিতে পাকাপোক্ত হলে বৃহত্তর পড়াশোনার ক্ষেত্রে সুবিধাই হয়। তাই বাংলা ভাষার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেও কেউ যদি ইংরেজি মাধ্যমে সন্তান-সন্ততিদের পড়ান, তা পড়াতেই পারেন। শিক্ষা ব্যবসায়ীদের ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে কোথাও কোথাও বাংলা পড়ানোই হয় না। বরং বাংলা ভাষার প্রতি ঘৃণা তৈরির কুৎসিত অপচেষ্টা চলে। ছোটরা ক্লাসে বাংলায় কথা বলে ফেললে মারধরও খেতে হয়।
এ রাজ্যের বোর্ডের অধীনে থাকা স্কুলে প্রথম ভাষা হিসাবে ইংরেজি পড়ানোর ব্যবস্থা হলে, আর যা-ই হোক, বাংলা ভাষার প্রতি বিদ্বেষ জাগানো যাবে না। কারণ, মধ্যশিক্ষা পর্ষদে ইংরেজি যাদের প্রথম ভাষা, তাদের বাংলাও পড়ানো হয় সমমর্যাদায়। নামজাদা সরকারি, সরকার-পোষিত স্কুলগুলিতে বাংলা মাধ্যমের পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর ব্যবস্থাও করা কি দুরূহ? কলকাতা শহরে, শহরতলিতে বাংলা মাধ্যমের এমন স্কুল বেশ কিছু আছে, যে সব স্কুলে আদৌ কোনও ছাত্র নেই। মাস্টারমশাই-দিদিমণিরা কোনও কাজ না করে, বসে বসে মাইনে পেয়ে যান। এই সব স্কুলে প্রয়োজনমাফিক দু-চারজন নতুন শিক্ষক নিয়োগ করে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে রূপান্তরিত করা যায় না কি? এ সব যেমন করতে হবে, তেমনই বাংলা মাধ্যম সরকার-পোষিত স্কুলে পড়াশোনার আবহ তৈরি করতে হবে। মিটিং করে ডাকাতি বন্ধ করা যাবে না, তা হাসপাতালেই হোক বা স্কুলে! করতে হবে পালটা ব্যবস্থা, সে ব্যবস্থায় যদি ফাঁক ও ফাঁকি রয়ে যায়, তাহলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের এভাবেই চড়া মাশুল দিয়ে যেতে হবে, বিপন্নতা বাড়তেই থাকবে।

লেখক শিশু সাহিত্যিক ও গবেষক
15th  April, 2017
জলযাত্রার সাতকাহন ও নতুন রূপকথা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

বেশ মনে পড়ছে, সোয়া বছর আগে ‘আরশিনগরের পড়শি’ যখন লেখা শুরু করি তখন একেবারে প্রথম দিকে উত্তর চব্বিশ পরগনায় আমাদের চারঘাট গ্রামের যমুনা নদীর চুরি হয়ে যাওয়ার গল্প লিখেছিলাম। বর্ষার সময় টলটলে ও ছলছলাৎ​ যমুনায় লঞ্চে চেপে আমরা আমাদের গ্রামের বাড়ি যাওয়া-আসা করতাম। কারণ, তখনও গোবরডাঙ্গা বা মছলন্দপুর স্টেশন থেকে গ্রামে যাওয়ার পাকা রাস্তা তৈরি হয়নি। ফলে ভরা বর্ষায় নৌকো বা লঞ্চই ছিল ভরসা।
বিশদ

দার্জিলিঙে পুলিশ খুন: গুরুং-বাহিনী কোথা থেকে এত সাহস পাচ্ছে!
শুভা দত্ত

বিষয়টা ক্রমশ মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে না কি? মনে তো হচ্ছে তাই। লোকেও তো বলছে তেমনই! হচ্ছেটা কী? পাহাড়ে! দাঙ্গাহাঙ্গামা, জোরজুলুম, খুন, লুঠতরাজ, আগুন, বোমা দিনের পর দিন বন্‌ধ শঙ্কা-আশঙ্কার দোলায় জেরবার সারাদিন সারারাত, পড়াশোনা কাজকর্ম পর্যটন সব লাটে ওঠার জোগাড়। আর এসবের জেরে অতিষ্ঠ সাধারণ পাহাড়িয়া মানুষ!
বিশদ

দূষণ নিয়ন্ত্রণে পিপিপি মডেল ভাবনা 

কল্যাণ বসু: পিপিপি বললে এক লহমায় মনে আসে পাবলিক, প্রাইভেট, পার্টনারশিপের কথা—যা এখনকার দুনিয়ায় বহুচর্চিত একটি বিষয়। আবার বিশ্বের প্রধান তিন সমস্যা বা প্রবলেম (এর আদ্যক্ষরটিও ‘পি’) বোঝাতেও সেই পিপিপি—পপুলেশন, পভার্টি, পলিউশন। বিশ্বজুড়ে প্রতিবছরই একটা করে ‘পরিবেশ দিবস’ সমারোহে ‘উদ্‌যা঩পিত’ হয়। এবছরও হয়েছে যথাসময়ে, যথারীতি।  বিশদ

21st  October, 2017
অন্য এক মীরা: স্বাধীনতার ইতিহাসের এক নীরব অধ্যায় 

সর্বাণী বসু: ব্রিটিশ নৌবাহিনীর অ্যাডমিরাল স্যার এডমন্ড স্লেড তাঁর ড্রিঙ্করুমের সোফা সেটে বসে আছেন, এক হাতে পানীয়ের গ্লাস অন্য হাতে ধরা একটি চিঠি। মনোযোগ দিয়ে তিনি চিঠিটি পড়ছেন। মুখে খেলে যাচ্ছে অপ্রসন্ন অসহায়তার মেঘ। সামনের সোফায় বসে মিসেস স্লেড উৎকণ্ঠিত মুখে তাকিয়ে।
বিশদ

21st  October, 2017
পাহাড়জুড়ে রাজ্যের শান্তি প্রক্রিয়া এবং
উন্নয়নের মাঝেও কেন এই রাজনীতি?
নিমাই দে

রাজ্যে এক সময় ৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। এখন তা কমে এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৮ কোম্পানিতে। অথচ বিজেপি শাসিত অন্য কয়েকটি রাজ্যের দিকে তাকালে চিত্রটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। ছত্তিশগড়ে ২৫২ কোম্পানি, ঝাড়খণ্ডে ১৪৪ কোম্পানি, দিল্লি ৪০ কোম্পানি ইত্যাদি। তারপরেও গত ১৫ অক্টোবর সাতসকালে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে ফ্যাক্সবার্তায় জানিয়ে দেওয়া হল, পাহাড়ে থাকা মাত্র ১৫ কোম্পানির মধ্যে ১০ কোম্পনিই প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।
বিশদ

20th  October, 2017
নিজেদের মহানুভবতা সম্পর্কে উদাস বলেই
এদেশে কৃষকরা এত উপেক্ষার শিকার
রঞ্জন সেন

মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন, ‘‘কৃষকরা বিশ্বের পিতা, কিন্তু তাঁদের মহানুভবতা এই যে তাঁরা তা নিজেরাই জানেন না। তাঁরা নিজেরাই জানেন না তাঁদের কতটা মূল্য। তাঁরা তার ধারও ধারেন না।’’ কিন্তু স্বাধীনতার প্রায় ৭০ বছর পরেও দেশও কি তাদের মূল্য বুঝল?
বিশদ

20th  October, 2017
২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপক থেলারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের শিক্ষা নিক মোদি সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

 যুক্তিবাদী অর্থনীতি থেকে জীবনমুখী অর্থনীতিতে উত্তরণের অন্যতম মুখ্য পথপ্রদর্শক হলেন ২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থেলার। থেলার তাঁর বিখ্যাত ‘‘Misbehaving: The making of behavioural economics’’ (‘অশোভন আচরণ: আচরণগত অর্থনীতির উদ্ভাবন’) গ্রন্থে বলেছিলেন, ‘অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে গেলে দুটি উপাদান আবশ্যকীয়: বারবার অভ্যাস বা চর্চা করা এবং অবিলম্বে তাদের প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করা’ বিশদ

19th  October, 2017
খিদে কি শুধুই পরিসংখ্যান?
শুভময় মৈত্র

 খবর এসে গিয়েছে যে খিদের সূচকে ভারত নাকি বিশ্বের মধ্যে বেশ খারাপ জায়গায়। আমাদের স্থান কাঁটায় কাঁটায় একশো, গত বছর যেটা ৯৭ ছিল। আশেপাশের দেশগুলোর মধ্যে ভারতের থেকে খিদে যাদের বেশি পাচ্ছে তারা হল পাকিস্তান (১০৬) আর আফগানিস্তান (১০৭)। ভারতের আগে আছে নেপাল (৭২), মায়নামার (৭৭), শ্রীলঙ্কা (৮৪) এবং বাংলাদেশ (৮৮)। যুদ্ধবিদ্ধস্ত ইরাক ৭৮-এ আর পরমাণু বোমা নিয়ে পেশিসঞ্চালনে পটুত্ব দেখানো উত্তর কোরিয়া ৯৩।
বিশদ

19th  October, 2017
একনায়ক কি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন?
হিমাংশু সিংহ

 পুজোয় কয়েকদিন বারাণসীতে ছিলাম। পুরীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যুগ যুগ ধরে বাঙালির দ্বিতীয় হোমটাউন বলে কথা। তার ওপর দেশের ইতিহাসে হালফিল সবচেয়ে ক্ষমতাশালী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় কেন্দ্র।
বিশদ

17th  October, 2017
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যাত্রী পরিবহণে আয় বাড়ল পূর্ব রেলের। তারা জানিয়েছে, গত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসে যাত্রী পরিবহণে তাদের আয় ৪.১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: শনিবার সকালে মগরা থানার ময়ূরমহলের কাছে সোয়াখালে স্নান করতে নেমে তলিয়ে যায় দুই কিশোরী। তাদের মধ্যে একজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা গেলেও, অপর কিশোরীর সন্ধান এখনও মেলেনি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সেখানে স্নান করতে নেমেছিল দুর্গা ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: শনিবার ডিমডিমায় বিরবিটি নদীর কাছে ৩১ সি জাতীয় সড়কে টাটা সুমোর দুর্ঘটনায় একটি একবছরের শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় শিশুটির বাবা ও মাসহ আরও ১০ জন জখম হয়েছেন। মৃত শিশুটির নাম প্রবীণ সুবেদি(১)। তার বাড়ি ভুটানের কালীখোলায়। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে উচ্চ আয়ের বিদেশে চাকরি, বা বিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা ও গবেষণার প্রতি আগ্রহ অনেকদিন ধরে কমতে শুরু করেছে। এই অবস্থায় খুদে পড়ুয়াদের বিজ্ঞানের প্রতি আরও আকৃষ্ট করতে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় বাধা কাটবে। বড়দের কথার মান্যতা দেওয়া দরকার। ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৫৪: কবি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যু
১৯৮৮: অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার জন্ম
২০০৮: চিত্রশিল্পী পরিতোষ সেনের মৃত্যু
২০০৮: চন্দ্রায়ন-১-এর সূচনা

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.২০ টাকা ৬৫.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৭৮ টাকা ৮৬.৬৩ টাকা
ইউরো ৭৫.৬০ টাকা ৭৮.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  October, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,০৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৫০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৯৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ কার্তিক, ২২ অক্টোবর, রবিবার, তৃতীয়া রাত্রি ৪/৫২, নক্ষত্র-বিশাখা, সূ উ ৫/৩৯/৪৪, অ ৫/২/৪২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৩৫ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩১ মধ্যে।
৪ কার্তিক, ২২ অক্টোবর, রবিবার, তৃতীয়া রাত্রি ৩/৫/৪৮, বিশাখানক্ষত্র, সূ উ ৫/৩৯/৩৬, অ ৫/২/২৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫/৭-৮/৪১/৪১, ১১/৪৩/৪৬-২/৪৫/৫০, রাত্রি ৭/৩৩/৫০-৯/১৪/৪৮, ১১/৪৬/১৪-১/২৭/১২, ২/১৭/৪১-৫/৪০/৮, বারবেলা ৯/৫৫/৩৯-১১/২১/০, কালবেলা ১১/২১/০-১২/৪৬/২১, কালরাত্রি ১২/৫৫/৩৯-২/৩০/১৮। 
১ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিল্লিতে অর্জুনগড় মেট্রো স্টেশনের কাছে ওলা গাড়িতে উদ্ধার এক ব্যক্তির দেহ

21-10-2017 - 10:11:00 PM

দিল্লিতে রাজৌরি গার্ডেনের কাছে একটি হোটেলে দম্পতির দেহ উদ্ধার

21-10-2017 - 10:07:00 PM

অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: আমেরিকাকে ৪-১ গোলে হারাল ইংল্যান্ড

21-10-2017 - 10:05:14 PM

অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: আমেরিকা ১ - ইংল্যান্ড ৩ (৭৩ মিনিট)

21-10-2017 - 09:36:09 PM

অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: আমেরিকা ০ - ইংল্যান্ড ৩ (৬৪ মিনিট)

21-10-2017 - 09:28:04 PM

অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: আমেরিকা ০ - ইংল্যান্ড ২ (৫০ মিনিট)
অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ মারগাঁওয়ে আমেরিকা বনাম ইংল্যান্ডের ম্যাচে ...বিশদ

21-10-2017 - 09:00:00 PM

অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ঘানাকে ২-১ গোলে হারাল মালি
অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ গুয়াহাটিতে মালি বনাম ঘানার ...বিশদ

21-10-2017 - 07:00:00 PM