বিশেষ নিবন্ধ
 

বর্ষপ্রবেশ, সঙ্গে গণেশ

জয়ন্ত কুশারী: সম্মানের ঝোলটা পুরোটাই গেল গণেশের কোলে। যেন কল্কে পেলেন না অন্য দেবতারা। লক্ষ্মীর কোলে যদি বা জুটল, তা সে না জোটারই মতো। শুধু ঝোলের তলানিটুকুই হয়তো জুটল তাঁর কোলে। এর পরও কি লক্ষ্মী বাণিজ্যে বসবেন আলো করে? মানে ‘বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী’। সম্মানটা অন্তর থেকে হলে, সম্মানটা সম্মানজনক অনুপাতে হলে, ব্যাবসায় থিতু হওয়া যায়। কথা হচ্ছিল বিক্রিবাট্টার প্রথম দিন নিয়ে। মানে পয়লা বৈশাখ নিয়ে। অর্থাৎ লক্ষ্মীর হাল হালখাতার দিনে ঠিক কেমন, তা একবার চোখ মেলে দেখুন—গণেশের সঙ্গে পুজো পাওয়া। মনটাও কেমন মনমরা হয়ে থাকে। দেখলে তো বোঝা যায়। হাজার হোক সঙ্গে আসা, আর সসম্মানে একলা আসা। দুটোর মধ্যে বিস্তর পার্থক্য। সম্মানটা ফিফ্‌঩টি ফিফ্‌঩টি না হোক, সিক্সটি ফরটি তো হতে পারত। তাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু এ তো নাইনটি-টেনও নয়। বিশ্বাস হচ্ছে না। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির শুভ নববর্ষের আমন্ত্রণপত্র দেখুন। দেখবেন গণেশে শুরু। গণেশে শেষ। অর্থাৎ ‘শ্রীশ্রী গণেশায় নমঃ’। শেষটা গণেশের কৃপা-ই পাথেয় হোক এই বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের। ভুলেও লক্ষ্মীর নাম লেখেন ক’জন। কেন বাংলার বাঙালির প্রতিষ্ঠানে (পড়বেন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে) বছর পয়লায় লক্ষ্মী এমন ব্যাকফুটে? ব্যাকফুটে বাঙালি কি এ কারণেই? বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতার বাজারে বাঙালির বাণিজ্য লক্ষ্মী কি অধরা সে কারণেই?
সবই যে হিং-টিং-ছট! ঩হিং-টিং-ছট প্রশ্ন সব মাথার মধ্যে কামড়ায়। ব্যাবসায় বাঙালি কেন ধুঁকছে এই বাংলায়? এখন উত্তর খোঁজার পালা।
শাস্ত্রের বিধান অনুসারে ধর্মীয় কৃত্যগুলি মূলত দু’ভাগে বিভক্ত, একটি তিথিকৃত্য এবং অপরটি সংক্রান্তিকৃত্য নামে অভিহিত। বিশ্বকর্মা পুজো, কার্তিক পুজো—ইতু পুজো, মকর সংক্রান্তি বা পৌষ সংক্রান্তি, চড়কপুজো হল সংক্রান্তিকৃত্য। বাকি সবই প্রায় তিথিকৃত্যের মধ্যে পড়ে। অর্থাৎ তিথি ধরে পুজো হলেই তিথিকৃত্য। পয়লা বৈশাখ গণেশ (লক্ষ্মী) পুজো যেন উল্লেখিত দুটি কৃত্যের কোনওটির আওতায় পড়ে না। এটি আচারাৎ। মানে আচারবশত হয়। শাস্ত্রে এই আচার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—‘আচারোঽপি ধর্মঃ’ অর্থাৎ দেশাচার প্রদেশাচার আর কুলাচারবশত সংযোজিত কৃত্য (Retual)-কে ধর্মীয় কৃত্য বা শাস্ত্রসম্মত কৃত্য ধরা হয়। শাস্ত্রের উদারতা কিন্তু এখানেই থেমে নেই। এ বিষয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে দেওয়া হল এই আচারগুলিকে। পরবর্তী বচনটিতে। ‘আচারো প্রথমো ধর্মঃ।’ এখানে আচারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হল। তাই বলা হল—আচার হল প্রথম ধর্ম। পয়লা বৈশাখের গণেশ পুজো প্রদেশাচার। বাংলার আচার। বাঙালির আচার। সেই আচার শাস্ত্রের স্বীকৃতি পেল। উল্লেখিত (শাস্ত্রের) দুটি বচন বলে। প্রসঙ্গত বলা যেতে পারে গণেশপুজো কিন্তু তিথিকৃত্যের মধ্যে পড়ে। এই তিথি কৃত্য বিহিত পুজো বছরে একবারই হয়। ব্যতিক্রম কেবল মা দুর্গার ক্ষেত্রে। আর গণেশের ক্ষেত্রে। শারদীয়া দুর্গাপুজো, বাসন্তী দুর্গাপুজো। গণেশেরও একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্রবিহিত তিথি আছে। এবং সেটা বছরে দু’বার। প্রথমটি হল ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী। দ্বিতীয়টি মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের চতুর্থী। অর্থাৎ শ্রীপঞ্চমী বা সরস্বতীপুজোর আগের তিথি। ভাদ্র এবং মাঘের এই দুটি চতুর্থী তিথিকে সৌভাগ্য চতুর্থী, বরদা চতুর্থী, গণেশ চতুর্থী, বিনায়ক চতুর্থী বলা হয়। মহারাষ্ট্রে (এখন অবশ্য কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গেও) বিশেষ করে মুম্বইয়ে মহা আড়ম্বরে ভাদ্র মাসের গণেশ চতুর্থীতে গণেশপুজো আর সিদ্ধি বিনায়ক ব্রত পালন করা হয়। এই পুজোর জৌলুস সহস্রগুণ বেড়ে গিয়েছে ঐতিহাসিকতার দিক থেকেও। ব্রিটিশ ভারতবর্ষে বালগঙ্গাধর তিলক (মহারাষ্ট্রে) জাঁকজমক সহকারে গণেশপুজো শুরু করার দরুন।
এখন আসা যাক, বর্ষপ্রবেশে বা বঙ্গাব্দের প্রথম দিনটি গণেশ-বন্দনার মাধ্যমে অতিবাহিত করার যে রেওয়াজ তা কেবল রেওয়াজ বা আচারবশতই হয়, এমনটা কিন্তু নয়। এই প্রসঙ্গে কারণ হিসাবে একটি উদ্ধৃতি স্মরণ করা যায়—
‘বিদ্যারম্ভে বিবাদে চ প্রবেশে নির্গমে তথা...।’ গণেশের এই স্মরণমূলক প্রশস্তিসূচক স্তোত্রের ‘প্রবেশে’র অন্য একটি অর্থ বর্ষপ্রবেশ বা বছরের প্রথম দিন ধরতে হবে। তাই বর্ষপ্রবেশে গণেশের স্মরণ-মনন-চিন্তন-পূজনের এই রেওয়াজ বা আচারটিতে শাস্ত্রের সিলমোহর পড়ল খুবই স্পষ্টভাবে। ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর প্রমুখ মুখ্য দেবতা থাকতে গণেশই মুখ্য হলেন এই দিনে কোন যুক্তিতে? খুব কি মন্দ হত এমন প্রশ্ন করলে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে স্বয়ং বিষ্ণু একেবারে মুখিয়ে ছিলেন। তিনি কী বলছেন একবার শুনুন—
সর্বাদ্যমগ্রপূজ্যঞ্চ সর্বপূজ্যং গুণার্ণবম্‌।
঩স্বেচ্ছয়া সগুণং ব্রহ্ম নির্গুণঞ্চাপি স্বেচ্ছয়া।।
সমং প্রকৃতিরূপঞ্চ প্রকৃতং প্রকৃতে পরম।
ত্বাং স্তোতুমক্ষমোঽনন্তঃ সহস্রবদনেন চ।।
ন ক্ষমঃ পঞ্চবক্ত্রশ্চ ন ক্ষমশ্চতুরাননঃ।
সরস্বতী ন শক্তা চ ন শক্তোঽহং তবস্তুতৌ
ন চ শক্তা চতুর্বেদাঃ কে বা তে বেদবাদিনঃ।
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের গণেশ খণ্ডে গণেশ প্রসঙ্গে স্বয়ং বিষ্ণুর এই উক্তি বাংলায় তর্জমা করলে অর্থ হবে এই রকম—হে গুণার্ণব (গণেশ)! সব কিছুর আদিতে (তুমি) অগ্রপূজ্য ও সর্বপূজ্য। স্বেচ্ছায় তুমি সগুণ ব্রহ্ম ও স্বেচ্ছায় তুমি নির্গুণ-ব্রহ্ম। অনন্ত (বিষ্ণু) সহস্র বদনে তোমার স্তুতি করতে অক্ষম। পঞ্চানন (শিব) পাঁচ মুখে আর চতুরানন (ব্রহ্মা) চার মুখে তোমার স্তুতি করতে অসমর্থ। সরস্বতী এবং আমিও তোমার স্তুতিতে অশক্ত। চতুর্বেদ ও বেদবাদিরাও উক্ত কাজে অসমর্থ। গণেশকে দেওয়া বিষ্ণুর এহেন দরাজ শংসাপত্র দেখে ভৃগু প্রমুখ ঋষি একদন্তের (গণেশের) স্তোত্রে বললেন-
যদাজ্ঞয়া সৃষ্টি করো বিধাতা,
যদাজ্ঞয়া পালক এবং বিষ্ণুঃ।
যদাজ্ঞয়া সংহারকো হরোঽপি,
তমেকদন্তং শরণং ব্রজামঃ।।
হে গণেশ! তোমার আজ্ঞায় ব্রহ্মা সৃষ্টিকারক। বিষ্ণু জগৎপালক এবং শিব জগৎ সংহারকর্তা। আমরা এহেন একদন্তের শরণাগত হলাম।
বছর শুরুর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বর্ষ আরম্ভ গড্ডলিকাপ্রবাহে গা ভাসায়নি। অর্থাৎ বিবর্তনের মধ্যে দিয়েই চলেছে নববর্ষ গণনা। ঠিক একইভাবে গণেশ ঠাকুরও বিবর্তনের ধারায় অবগাহন করেছেন। কি, মানতে পারছেন না! চোখ-কানের বিবাদ ঘোচাতে খুলুন গণেশ পুরাণের উত্তরখণ্ড। দেখুন বালক্রীড়ার ছিয়াশি অধ্যায়—
ধ্যায়েৎ সিংহগতংবিনায়কমমুং দিগ্‌বাহুমাদ্যে যুগে।
ত্রেতায়ান্তু ময়ূরবাহনমমুং ষড়বাহুকং সিদ্ধিদম।।
দ্বাপরে তু গজাননং যুগভুজং রক্তাঙ্গরাগং বিভূম্‌।
তুর্য্যে তু দ্বিভুজং সিতাঙ্গরুচিরং সর্বার্থদং সর্বদা।।
সত্যযুগে তিনি বিনায়ক নামে দশ হাত বিশিষ্ট সিংহবাহনযুক্ত ছিলেন। ত্রেতাযুগে তিনি সিদ্ধিক নামে ষড়ভুজ এবং ময়ূর বাহন বিশিষ্ট ছিলেন। দ্বাপরযুগে তিনি গজানন নামে চতুর্বাহু সমন্বিত রক্তবর্ণযুক্ত ছিলেন। কলিযুগে তিনিই আবার সর্বার্থদ নামে সর্বদা দ্বিভুজ ও শ্বেতকায় হয়ে বিরাজ করছেন।
দুর্গা মন্ত্রিসভার শিল্প-বাণিজ্যমন্ত্রী মহামহিম গণেশ কিন্তু সম্মানের ঝোলটা নিজের কোলেই কেবল টানেননি। অর্থমন্ত্রী মহামান্যা লক্ষ্মীকে তিনি মাথায় করে রেখেছেন। এক চালচিত্রের শারদীয়া দুর্গাপ্রতিমা দ্রষ্টব্য। এর থেকে কি এটা প্রমাণ হয় না শিল্পবাণিজ্য চাঙা হলে বাণিজ্যের লেখচিত্রে অর্থ ঊর্দ্ধগামী হয়। তাই বর্ষপ্রবেশ গণেশ ছাড়া! নৈব নৈব চ।

লেখক সর্বভারতীয় প্রাচ্যবিদ্যা আকাদেমির অধ্যক্ষ
15th  April, 2017
শিবাজি রাও গায়কোয়াড়ের দোলাচল
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 সাতষট্টি বছরের একজন মানুষ শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেবেন অথবা নেওয়া উচিত তা নিয়ে আমি বেশ ধন্দে পড়েছি। তবে আমার এই দোলাচল মোটেই আহামরি কিছু নয়, বড় যা তা হল একটা গোটা রাজ্যের মানুষের তাঁর দিকে ড্যাব ড্যাব করে চেয়ে থাকা। বিপুল দোলাচলে রাজ্যের সবার মনে। বিশদ

25th  June, 2017
রথযাত্রায় শ্রীচৈতন্য ও শ্রীরামকৃষ্ণ
চৈতন্যময় নন্দ

 নীলাচলে দারুব্রহ্ম জগদীশ জগন্নাথদেবের সবচেয়ে বড় বিজয়োৎসব রথযাত্রা। আদিকাল থেকে এই সমারোহ চলে এসেছে এবং একে কেন্দ্র করে বহু ইতিবৃত্তের সৃষ্টি হয়েছে। আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে পুরীতে শ্রীমন্‌ জগন্নাথ রথে আরোহণ করেন।
বিশদ

24th  June, 2017
অনুপ্রবেশকারীদের মন্দিরে আশ্রয় প্রসঙ্গে
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 নিউইয়র্ক শহরের কুইনস এলাকায় সমুদ্রের ধার ঘেঁষে রক অ্যাওয়ে বিচ। একদিন দেখা গেল মহাসাগরের ঢেউয়ের মাথায় নাচতে নাচতে ভাঙা নারকোল ভেসে আসছে। নারকোলের পিছু পিছু ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গাঁদাফুলের মালা। সাহেব মেমরা সাঁতার কাটতে নেমে নারকোলের আধভাঙা মালা, পচা গাঁদার মালা দেখে জলপুলিশকে নালিশ করল। বিশদ

24th  June, 2017
সাঁওতাল বিদ্রোহ এবং সমাজের পরিবর্তন
বিষ্ণুপদ হেমরম

 ভারতের আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলির মধ্যে সাঁওতালরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ব্রিটিশ ভারতে জল-জঙ্গল-জমিনের উপর অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং শোষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদে তারা সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল। সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন, বর্তমান সাঁওতাল পরগনার ভাগ্‌না঩ডিহির মাঠে। বিশদ

23rd  June, 2017
পাহাড় ও বাঙালি
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিজেপি রাজ্য শাখা তথা তাদের কর্মী সমর্থকরা এখনও স্পষ্ট করে বলছেন না সামান্য একটা সিদ্ধান্ত। সেটি হল তাঁরা কি গোর্খাল্যান্ড সমর্থন করেন, নাকি করেন না? সহজ প্রশ্ন। সহজ উত্তর। অথচ সোজা উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। ভাসা ভাসা কথা। কারণ বিজেপি রাজ্য শাখা ও কর্মী সমর্থকরা অপেক্ষা করছেন তাঁদের হাইকমান্ড কী ঠিক করবেন তার উপর। একবার চিন্তা করে দেখুন, আমরা বাঙালি, আমাদের রাজ্য থেকে আমাদের প্রিয় দার্জিলিংকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে কি না তা ঠিক করতেও বিজেপির বাংলা শাখা দুজন গুজরাতের নেতার দিকে তাকিয়ে আছে। বিশদ

23rd  June, 2017
দুর্নীতির পরিবেশ, পরিবেশে দুর্নীতি
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়

 ১৯৭০ দশকের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ Gunnar Mydral-এর ‘এশিয়ান ড্রামা’ বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, এশিয়ার বুকে বিভিন্ন দেশে পরিকল্পনাগুলি ব্যর্থ হবার একটি অন্যতম কারণ দুর্নীতি। বিশদ

21st  June, 2017
এ যুগের নীলকণ্ঠদের মুক্তির উপায় কী?
স্বপন মণ্ডল

 পুরাণ মতে সমুদ্র মন্থনের মতো কষ্টসাধ্য কাজে সুরাসুর উভয়েই হাত লাগিয়েছিল। সমুদ্র মন্থনে অমৃতের সন্ধান যেমন পাওয়া গেল গরলও উঠে এল। অমৃতের ভাগীদার অনেকে কিন্তু গরলের ভাগীদার কেউ হতে চাইল না। কিন্তু এ গরল এমন গরল যে ধরিত্রীর যেখানে পড়বে সেখানেই বিষাক্ত হয়ে যাবে। বিশদ

21st  June, 2017
যোগদিবস: ভারতের লক্ষ্মীলাভের মস্ত সুযোগ
হরলাল চক্রবর্তী

 ২০১৫ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ২১ জুন মহা ধুমধামে ‘বিশ্ব-যোগদিবস’ পালিত হচ্ছে। সারা বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ যোগদিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে, ১৮০টি দেশ যোগে অংশগ্রহণ করেছে, এর মধ্যে কিছু ইসলামিক দেশও আছে। আশা করা যায়, এ বছর তা আরও বেশি সাফল্য পাবে।
বিশদ

20th  June, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, কাঁথি: কাঁথির কাঁচলাগেড়িয়া গ্রামের অপহৃতা এক নাবালিকাকে উদ্ধার করেছে কাঁথি মহিলা থানার পুলিশ। উদ্ধার হওয়া নাবালিকাকে রবিবার কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তার গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করেন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: অমাবস্যার কোটালে সাগর অশান্ত হয়ে যাওয়াতে অধিকাংশ ইলিশ মাছ ধরার ট্রলার ফিরে এসেছে। ফলে গত তিনদিন ধরে বাজারে ইলিশের জোগান কমে গিয়েছে। মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইলিশ মাছ ধরার অনুকূল আবহাওয়া এখন সাগরে। পুবালি ...

 লন্ডন, ২৫ জুন: গ্রেনফেল টাওয়ারের আতঙ্কের রেশ কাটতে না কাটতেই পূর্ব লন্ডনে শনিবার রাত ১০টা নাগাদ বেথনালগ্রিনের একটি বহুতল ভবনে ফের আগুন লাগে। তবে এখনও কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ভবনের আগুন খানিকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় সবচেয়ে ...

বিএনএ, বারাকপুর: রবিবার সকালে চাকদহ থানার পালপাড়ায় একটি কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, শ্যামল দাস নামে এক ব্যক্তি বাড়ি ভাড়া নিয়ে চুড়িদার, নাইটি তৈরির কারখানা করেন। সেই কারখানায় এদিন সকালে আগুন ধরে যায়। খবর দেওয়া হয় দমকল দপ্তরে।  ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের মানসিক স্থিরতা রাখা দরকার। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। তবে নতুন বন্ধু লাভ হবে। সাবধানে পদক্ষেপ ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯০৩- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের জন্ম
১৯৬০- কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের মৃত্যু
১৯৭৪- অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের জন্ম
১৯৭৫- প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে জরুরি অবস্থা জারি করলেন
২০০৯- মার্কিন পপ সংগীত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু

25th  June, 2017



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৫ টাকা ৬৫.৪৩ টাকা
পাউন্ড ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৪২ টাকা
ইউরো ৭০.৭৬ টাকা ৭৩.২৮ টাকা
24th  June, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,২০০ টাকা
25th  June, 2017

দিন পঞ্জিকা

১১ আষাঢ়, ২৬ জুন, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১০/১২, পুষ্যানক্ষত্র রাত্রি ৯/২৩, সূ উ ৪/৫৭/৫২, অ ৬/২০/৪২, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩১-১০/১৮ রাত্রি ৯/১০-১২/০ পুনঃ ১/২৫-২/৫০, বারবেলা ৬/৩৮-৮/১৯ পুনঃ ৩/০-৪/৪০, কালরাত্রি ১০/২০-১১/৪০। ইদুল ফিতর
১১ আষাঢ়, ২৬ জুন, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ২/০/৩১, পুষ্যানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৯/৪, সূ উ ৪/৫৫/২৪, অ ৬/২২/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০/৩৪-১০/১৮/৯ রাত্রি ৯/১১/৬-১১/৫৯/৫৬, ১/২৪/২১-২/৪৮/৪৬, বারবেলা ৩/১/৩৪-৪/৪১/২৬, কালবেলা ৬/৩৬/১৬-৮/১৭/৭, কালরাত্রি ১০/১৯/৪২-১১/৩৮/৫০। ইদুল ফিতর
১ শওয়াল

ছবি সংবাদ


এই মুহূর্তে
শিলিগুড়িতে গৃহবধূ খুন, স্বামীসহ আটক ৩
শিলিগুড়ির সূর্য সেন কলোনিতে গৃহবধূকে খুনের অভিযোগে স্বামীসহ তিনজনকে আটক করা হল। রবিবার রাতে শৌচাগার থেকে শিখা চক্রবর্তী নামে মহিলার রক্তমাখা দেহ উদ্ধার হয়। মহিলার ভাই মৃদুলকান্তি দাস জানান, এদিন রাতে জামাইবাবু শান্তনু চক্রবর্তী তাঁকে ফোন করে বাড়িতে ডাকেন। তিনি বাড়িতে গিয়ে তাঁর দিদির দেহ উদ্ধার করেন। কীভাবে তাঁর দিদির মৃত্যু হল তাঁর সদুত্তর দিতে পারেনি অভিযুক্ত। তাঁর আরও অভিযোগ, শান্তনু চক্রবর্তীর আগেও একবার বিয়ে হয়েছিল। প্রথম পক্ষের স্ত্রীকেও হত্যা করেছিল সে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আটক করা হয়েছে মৃতার স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে।

12:20:00 AM

ভারত ৩১০/৫ (৪৩ ওভার)  

25-06-2017 - 11:47:24 PM

ভারত ১৯২/১ (৩০ ওভার) 

25-06-2017 - 10:34:21 PM

ভারত ৯৫/০ (১৫ ওভার) 

25-06-2017 - 09:38:36 PM

ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ফের বৃষ্টির জেরে ওভার সংখ্যা ৪৫ থেকে কমে দাঁড়াল ৪৩

25-06-2017 - 08:27:40 PM

নেদারল্যান্ডস সফর সেরে কলকাতায় ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

25-06-2017 - 08:21:00 PM