বিশেষ নিবন্ধ
 

বর্ষপ্রবেশ, সঙ্গে গণেশ

জয়ন্ত কুশারী: সম্মানের ঝোলটা পুরোটাই গেল গণেশের কোলে। যেন কল্কে পেলেন না অন্য দেবতারা। লক্ষ্মীর কোলে যদি বা জুটল, তা সে না জোটারই মতো। শুধু ঝোলের তলানিটুকুই হয়তো জুটল তাঁর কোলে। এর পরও কি লক্ষ্মী বাণিজ্যে বসবেন আলো করে? মানে ‘বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী’। সম্মানটা অন্তর থেকে হলে, সম্মানটা সম্মানজনক অনুপাতে হলে, ব্যাবসায় থিতু হওয়া যায়। কথা হচ্ছিল বিক্রিবাট্টার প্রথম দিন নিয়ে। মানে পয়লা বৈশাখ নিয়ে। অর্থাৎ লক্ষ্মীর হাল হালখাতার দিনে ঠিক কেমন, তা একবার চোখ মেলে দেখুন—গণেশের সঙ্গে পুজো পাওয়া। মনটাও কেমন মনমরা হয়ে থাকে। দেখলে তো বোঝা যায়। হাজার হোক সঙ্গে আসা, আর সসম্মানে একলা আসা। দুটোর মধ্যে বিস্তর পার্থক্য। সম্মানটা ফিফ্‌঩টি ফিফ্‌঩টি না হোক, সিক্সটি ফরটি তো হতে পারত। তাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু এ তো নাইনটি-টেনও নয়। বিশ্বাস হচ্ছে না। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির শুভ নববর্ষের আমন্ত্রণপত্র দেখুন। দেখবেন গণেশে শুরু। গণেশে শেষ। অর্থাৎ ‘শ্রীশ্রী গণেশায় নমঃ’। শেষটা গণেশের কৃপা-ই পাথেয় হোক এই বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের। ভুলেও লক্ষ্মীর নাম লেখেন ক’জন। কেন বাংলার বাঙালির প্রতিষ্ঠানে (পড়বেন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে) বছর পয়লায় লক্ষ্মী এমন ব্যাকফুটে? ব্যাকফুটে বাঙালি কি এ কারণেই? বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতার বাজারে বাঙালির বাণিজ্য লক্ষ্মী কি অধরা সে কারণেই?
সবই যে হিং-টিং-ছট! ঩হিং-টিং-ছট প্রশ্ন সব মাথার মধ্যে কামড়ায়। ব্যাবসায় বাঙালি কেন ধুঁকছে এই বাংলায়? এখন উত্তর খোঁজার পালা।
শাস্ত্রের বিধান অনুসারে ধর্মীয় কৃত্যগুলি মূলত দু’ভাগে বিভক্ত, একটি তিথিকৃত্য এবং অপরটি সংক্রান্তিকৃত্য নামে অভিহিত। বিশ্বকর্মা পুজো, কার্তিক পুজো—ইতু পুজো, মকর সংক্রান্তি বা পৌষ সংক্রান্তি, চড়কপুজো হল সংক্রান্তিকৃত্য। বাকি সবই প্রায় তিথিকৃত্যের মধ্যে পড়ে। অর্থাৎ তিথি ধরে পুজো হলেই তিথিকৃত্য। পয়লা বৈশাখ গণেশ (লক্ষ্মী) পুজো যেন উল্লেখিত দুটি কৃত্যের কোনওটির আওতায় পড়ে না। এটি আচারাৎ। মানে আচারবশত হয়। শাস্ত্রে এই আচার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—‘আচারোঽপি ধর্মঃ’ অর্থাৎ দেশাচার প্রদেশাচার আর কুলাচারবশত সংযোজিত কৃত্য (Retual)-কে ধর্মীয় কৃত্য বা শাস্ত্রসম্মত কৃত্য ধরা হয়। শাস্ত্রের উদারতা কিন্তু এখানেই থেমে নেই। এ বিষয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে দেওয়া হল এই আচারগুলিকে। পরবর্তী বচনটিতে। ‘আচারো প্রথমো ধর্মঃ।’ এখানে আচারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হল। তাই বলা হল—আচার হল প্রথম ধর্ম। পয়লা বৈশাখের গণেশ পুজো প্রদেশাচার। বাংলার আচার। বাঙালির আচার। সেই আচার শাস্ত্রের স্বীকৃতি পেল। উল্লেখিত (শাস্ত্রের) দুটি বচন বলে। প্রসঙ্গত বলা যেতে পারে গণেশপুজো কিন্তু তিথিকৃত্যের মধ্যে পড়ে। এই তিথি কৃত্য বিহিত পুজো বছরে একবারই হয়। ব্যতিক্রম কেবল মা দুর্গার ক্ষেত্রে। আর গণেশের ক্ষেত্রে। শারদীয়া দুর্গাপুজো, বাসন্তী দুর্গাপুজো। গণেশেরও একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্রবিহিত তিথি আছে। এবং সেটা বছরে দু’বার। প্রথমটি হল ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী। দ্বিতীয়টি মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের চতুর্থী। অর্থাৎ শ্রীপঞ্চমী বা সরস্বতীপুজোর আগের তিথি। ভাদ্র এবং মাঘের এই দুটি চতুর্থী তিথিকে সৌভাগ্য চতুর্থী, বরদা চতুর্থী, গণেশ চতুর্থী, বিনায়ক চতুর্থী বলা হয়। মহারাষ্ট্রে (এখন অবশ্য কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গেও) বিশেষ করে মুম্বইয়ে মহা আড়ম্বরে ভাদ্র মাসের গণেশ চতুর্থীতে গণেশপুজো আর সিদ্ধি বিনায়ক ব্রত পালন করা হয়। এই পুজোর জৌলুস সহস্রগুণ বেড়ে গিয়েছে ঐতিহাসিকতার দিক থেকেও। ব্রিটিশ ভারতবর্ষে বালগঙ্গাধর তিলক (মহারাষ্ট্রে) জাঁকজমক সহকারে গণেশপুজো শুরু করার দরুন।
এখন আসা যাক, বর্ষপ্রবেশে বা বঙ্গাব্দের প্রথম দিনটি গণেশ-বন্দনার মাধ্যমে অতিবাহিত করার যে রেওয়াজ তা কেবল রেওয়াজ বা আচারবশতই হয়, এমনটা কিন্তু নয়। এই প্রসঙ্গে কারণ হিসাবে একটি উদ্ধৃতি স্মরণ করা যায়—
‘বিদ্যারম্ভে বিবাদে চ প্রবেশে নির্গমে তথা...।’ গণেশের এই স্মরণমূলক প্রশস্তিসূচক স্তোত্রের ‘প্রবেশে’র অন্য একটি অর্থ বর্ষপ্রবেশ বা বছরের প্রথম দিন ধরতে হবে। তাই বর্ষপ্রবেশে গণেশের স্মরণ-মনন-চিন্তন-পূজনের এই রেওয়াজ বা আচারটিতে শাস্ত্রের সিলমোহর পড়ল খুবই স্পষ্টভাবে। ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর প্রমুখ মুখ্য দেবতা থাকতে গণেশই মুখ্য হলেন এই দিনে কোন যুক্তিতে? খুব কি মন্দ হত এমন প্রশ্ন করলে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে স্বয়ং বিষ্ণু একেবারে মুখিয়ে ছিলেন। তিনি কী বলছেন একবার শুনুন—
সর্বাদ্যমগ্রপূজ্যঞ্চ সর্বপূজ্যং গুণার্ণবম্‌।
঩স্বেচ্ছয়া সগুণং ব্রহ্ম নির্গুণঞ্চাপি স্বেচ্ছয়া।।
সমং প্রকৃতিরূপঞ্চ প্রকৃতং প্রকৃতে পরম।
ত্বাং স্তোতুমক্ষমোঽনন্তঃ সহস্রবদনেন চ।।
ন ক্ষমঃ পঞ্চবক্ত্রশ্চ ন ক্ষমশ্চতুরাননঃ।
সরস্বতী ন শক্তা চ ন শক্তোঽহং তবস্তুতৌ
ন চ শক্তা চতুর্বেদাঃ কে বা তে বেদবাদিনঃ।
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের গণেশ খণ্ডে গণেশ প্রসঙ্গে স্বয়ং বিষ্ণুর এই উক্তি বাংলায় তর্জমা করলে অর্থ হবে এই রকম—হে গুণার্ণব (গণেশ)! সব কিছুর আদিতে (তুমি) অগ্রপূজ্য ও সর্বপূজ্য। স্বেচ্ছায় তুমি সগুণ ব্রহ্ম ও স্বেচ্ছায় তুমি নির্গুণ-ব্রহ্ম। অনন্ত (বিষ্ণু) সহস্র বদনে তোমার স্তুতি করতে অক্ষম। পঞ্চানন (শিব) পাঁচ মুখে আর চতুরানন (ব্রহ্মা) চার মুখে তোমার স্তুতি করতে অসমর্থ। সরস্বতী এবং আমিও তোমার স্তুতিতে অশক্ত। চতুর্বেদ ও বেদবাদিরাও উক্ত কাজে অসমর্থ। গণেশকে দেওয়া বিষ্ণুর এহেন দরাজ শংসাপত্র দেখে ভৃগু প্রমুখ ঋষি একদন্তের (গণেশের) স্তোত্রে বললেন-
যদাজ্ঞয়া সৃষ্টি করো বিধাতা,
যদাজ্ঞয়া পালক এবং বিষ্ণুঃ।
যদাজ্ঞয়া সংহারকো হরোঽপি,
তমেকদন্তং শরণং ব্রজামঃ।।
হে গণেশ! তোমার আজ্ঞায় ব্রহ্মা সৃষ্টিকারক। বিষ্ণু জগৎপালক এবং শিব জগৎ সংহারকর্তা। আমরা এহেন একদন্তের শরণাগত হলাম।
বছর শুরুর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বর্ষ আরম্ভ গড্ডলিকাপ্রবাহে গা ভাসায়নি। অর্থাৎ বিবর্তনের মধ্যে দিয়েই চলেছে নববর্ষ গণনা। ঠিক একইভাবে গণেশ ঠাকুরও বিবর্তনের ধারায় অবগাহন করেছেন। কি, মানতে পারছেন না! চোখ-কানের বিবাদ ঘোচাতে খুলুন গণেশ পুরাণের উত্তরখণ্ড। দেখুন বালক্রীড়ার ছিয়াশি অধ্যায়—
ধ্যায়েৎ সিংহগতংবিনায়কমমুং দিগ্‌বাহুমাদ্যে যুগে।
ত্রেতায়ান্তু ময়ূরবাহনমমুং ষড়বাহুকং সিদ্ধিদম।।
দ্বাপরে তু গজাননং যুগভুজং রক্তাঙ্গরাগং বিভূম্‌।
তুর্য্যে তু দ্বিভুজং সিতাঙ্গরুচিরং সর্বার্থদং সর্বদা।।
সত্যযুগে তিনি বিনায়ক নামে দশ হাত বিশিষ্ট সিংহবাহনযুক্ত ছিলেন। ত্রেতাযুগে তিনি সিদ্ধিক নামে ষড়ভুজ এবং ময়ূর বাহন বিশিষ্ট ছিলেন। দ্বাপরযুগে তিনি গজানন নামে চতুর্বাহু সমন্বিত রক্তবর্ণযুক্ত ছিলেন। কলিযুগে তিনিই আবার সর্বার্থদ নামে সর্বদা দ্বিভুজ ও শ্বেতকায় হয়ে বিরাজ করছেন।
দুর্গা মন্ত্রিসভার শিল্প-বাণিজ্যমন্ত্রী মহামহিম গণেশ কিন্তু সম্মানের ঝোলটা নিজের কোলেই কেবল টানেননি। অর্থমন্ত্রী মহামান্যা লক্ষ্মীকে তিনি মাথায় করে রেখেছেন। এক চালচিত্রের শারদীয়া দুর্গাপ্রতিমা দ্রষ্টব্য। এর থেকে কি এটা প্রমাণ হয় না শিল্পবাণিজ্য চাঙা হলে বাণিজ্যের লেখচিত্রে অর্থ ঊর্দ্ধগামী হয়। তাই বর্ষপ্রবেশ গণেশ ছাড়া! নৈব নৈব চ।

লেখক সর্বভারতীয় প্রাচ্যবিদ্যা আকাদেমির অধ্যক্ষ
15th  April, 2017
জলযাত্রার সাতকাহন ও নতুন রূপকথা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

বেশ মনে পড়ছে, সোয়া বছর আগে ‘আরশিনগরের পড়শি’ যখন লেখা শুরু করি তখন একেবারে প্রথম দিকে উত্তর চব্বিশ পরগনায় আমাদের চারঘাট গ্রামের যমুনা নদীর চুরি হয়ে যাওয়ার গল্প লিখেছিলাম। বর্ষার সময় টলটলে ও ছলছলাৎ​ যমুনায় লঞ্চে চেপে আমরা আমাদের গ্রামের বাড়ি যাওয়া-আসা করতাম। কারণ, তখনও গোবরডাঙ্গা বা মছলন্দপুর স্টেশন থেকে গ্রামে যাওয়ার পাকা রাস্তা তৈরি হয়নি। ফলে ভরা বর্ষায় নৌকো বা লঞ্চই ছিল ভরসা।
বিশদ

দার্জিলিঙে পুলিশ খুন: গুরুং-বাহিনী কোথা থেকে এত সাহস পাচ্ছে!
শুভা দত্ত

বিষয়টা ক্রমশ মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে না কি? মনে তো হচ্ছে তাই। লোকেও তো বলছে তেমনই! হচ্ছেটা কী? পাহাড়ে! দাঙ্গাহাঙ্গামা, জোরজুলুম, খুন, লুঠতরাজ, আগুন, বোমা দিনের পর দিন বন্‌ধ শঙ্কা-আশঙ্কার দোলায় জেরবার সারাদিন সারারাত, পড়াশোনা কাজকর্ম পর্যটন সব লাটে ওঠার জোগাড়। আর এসবের জেরে অতিষ্ঠ সাধারণ পাহাড়িয়া মানুষ!
বিশদ

দূষণ নিয়ন্ত্রণে পিপিপি মডেল ভাবনা 

কল্যাণ বসু: পিপিপি বললে এক লহমায় মনে আসে পাবলিক, প্রাইভেট, পার্টনারশিপের কথা—যা এখনকার দুনিয়ায় বহুচর্চিত একটি বিষয়। আবার বিশ্বের প্রধান তিন সমস্যা বা প্রবলেম (এর আদ্যক্ষরটিও ‘পি’) বোঝাতেও সেই পিপিপি—পপুলেশন, পভার্টি, পলিউশন। বিশ্বজুড়ে প্রতিবছরই একটা করে ‘পরিবেশ দিবস’ সমারোহে ‘উদ্‌যা঩পিত’ হয়। এবছরও হয়েছে যথাসময়ে, যথারীতি।  বিশদ

21st  October, 2017
অন্য এক মীরা: স্বাধীনতার ইতিহাসের এক নীরব অধ্যায় 

সর্বাণী বসু: ব্রিটিশ নৌবাহিনীর অ্যাডমিরাল স্যার এডমন্ড স্লেড তাঁর ড্রিঙ্করুমের সোফা সেটে বসে আছেন, এক হাতে পানীয়ের গ্লাস অন্য হাতে ধরা একটি চিঠি। মনোযোগ দিয়ে তিনি চিঠিটি পড়ছেন। মুখে খেলে যাচ্ছে অপ্রসন্ন অসহায়তার মেঘ। সামনের সোফায় বসে মিসেস স্লেড উৎকণ্ঠিত মুখে তাকিয়ে।
বিশদ

21st  October, 2017
পাহাড়জুড়ে রাজ্যের শান্তি প্রক্রিয়া এবং
উন্নয়নের মাঝেও কেন এই রাজনীতি?
নিমাই দে

রাজ্যে এক সময় ৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। এখন তা কমে এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৮ কোম্পানিতে। অথচ বিজেপি শাসিত অন্য কয়েকটি রাজ্যের দিকে তাকালে চিত্রটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। ছত্তিশগড়ে ২৫২ কোম্পানি, ঝাড়খণ্ডে ১৪৪ কোম্পানি, দিল্লি ৪০ কোম্পানি ইত্যাদি। তারপরেও গত ১৫ অক্টোবর সাতসকালে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে ফ্যাক্সবার্তায় জানিয়ে দেওয়া হল, পাহাড়ে থাকা মাত্র ১৫ কোম্পানির মধ্যে ১০ কোম্পনিই প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।
বিশদ

20th  October, 2017
নিজেদের মহানুভবতা সম্পর্কে উদাস বলেই
এদেশে কৃষকরা এত উপেক্ষার শিকার
রঞ্জন সেন

মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন, ‘‘কৃষকরা বিশ্বের পিতা, কিন্তু তাঁদের মহানুভবতা এই যে তাঁরা তা নিজেরাই জানেন না। তাঁরা নিজেরাই জানেন না তাঁদের কতটা মূল্য। তাঁরা তার ধারও ধারেন না।’’ কিন্তু স্বাধীনতার প্রায় ৭০ বছর পরেও দেশও কি তাদের মূল্য বুঝল?
বিশদ

20th  October, 2017
২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপক থেলারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের শিক্ষা নিক মোদি সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

 যুক্তিবাদী অর্থনীতি থেকে জীবনমুখী অর্থনীতিতে উত্তরণের অন্যতম মুখ্য পথপ্রদর্শক হলেন ২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থেলার। থেলার তাঁর বিখ্যাত ‘‘Misbehaving: The making of behavioural economics’’ (‘অশোভন আচরণ: আচরণগত অর্থনীতির উদ্ভাবন’) গ্রন্থে বলেছিলেন, ‘অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে গেলে দুটি উপাদান আবশ্যকীয়: বারবার অভ্যাস বা চর্চা করা এবং অবিলম্বে তাদের প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করা’ বিশদ

19th  October, 2017
খিদে কি শুধুই পরিসংখ্যান?
শুভময় মৈত্র

 খবর এসে গিয়েছে যে খিদের সূচকে ভারত নাকি বিশ্বের মধ্যে বেশ খারাপ জায়গায়। আমাদের স্থান কাঁটায় কাঁটায় একশো, গত বছর যেটা ৯৭ ছিল। আশেপাশের দেশগুলোর মধ্যে ভারতের থেকে খিদে যাদের বেশি পাচ্ছে তারা হল পাকিস্তান (১০৬) আর আফগানিস্তান (১০৭)। ভারতের আগে আছে নেপাল (৭২), মায়নামার (৭৭), শ্রীলঙ্কা (৮৪) এবং বাংলাদেশ (৮৮)। যুদ্ধবিদ্ধস্ত ইরাক ৭৮-এ আর পরমাণু বোমা নিয়ে পেশিসঞ্চালনে পটুত্ব দেখানো উত্তর কোরিয়া ৯৩।
বিশদ

19th  October, 2017
একনায়ক কি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন?
হিমাংশু সিংহ

 পুজোয় কয়েকদিন বারাণসীতে ছিলাম। পুরীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যুগ যুগ ধরে বাঙালির দ্বিতীয় হোমটাউন বলে কথা। তার ওপর দেশের ইতিহাসে হালফিল সবচেয়ে ক্ষমতাশালী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় কেন্দ্র।
বিশদ

17th  October, 2017
একনজরে
সংবাদদাতা, আরামবাগ: গাড়ি থেকে চাল চুরি করে হোটেলে বিক্রি করার অভিযোগে শনিবার তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে আরামবাগ থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম ইমাম শেখ, সুরজ শেখ ও বিবেক দাস। ...

আবিদজান, ২১ অক্টোবর (এএফপি): নাইজারে ফের হামলা। শনিবার মালি সীমান্ত লাগোয়া দক্ষিণ-পশ্চিম নাইজারে এই হামলার জেরে ১২ জন আধাসেনার মৃত্যু হল। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহম্মদ বাজৌম বলেন, নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যাত্রী পরিবহণে আয় বাড়ল পূর্ব রেলের। তারা জানিয়েছে, গত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসে যাত্রী পরিবহণে তাদের আয় ৪.১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ...

জয় চৌধুরি: সেই মুহূর্তে ব্রাজিলের কোচ কার্লোস অ্যামেডিউকে হঠাৎ অঙ্কের প্রফেসর হিসাবে মনে হচ্ছিল। স্টেডিয়ামের দুই নম্বর ট্রেনিং গ্রাউন্ডে দেখা গেল এক সাপোর্ট স্টাফকে কার্লোস ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় বাধা কাটবে। বড়দের কথার মান্যতা দেওয়া দরকার। ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৫৪: কবি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যু
১৯৮৮: অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার জন্ম
২০০৮: চিত্রশিল্পী পরিতোষ সেনের মৃত্যু
২০০৮: চন্দ্রায়ন-১-এর সূচনা

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.২০ টাকা ৬৫.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৭৮ টাকা ৮৬.৬৩ টাকা
ইউরো ৭৫.৬০ টাকা ৭৮.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  October, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,০৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৫০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৯৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ কার্তিক, ২২ অক্টোবর, রবিবার, তৃতীয়া রাত্রি ৪/৫২, নক্ষত্র-বিশাখা, সূ উ ৫/৩৯/৪৪, অ ৫/২/৪২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৩৫ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩১ মধ্যে।
৪ কার্তিক, ২২ অক্টোবর, রবিবার, তৃতীয়া রাত্রি ৩/৫/৪৮, বিশাখানক্ষত্র, সূ উ ৫/৩৯/৩৬, অ ৫/২/২৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫/৭-৮/৪১/৪১, ১১/৪৩/৪৬-২/৪৫/৫০, রাত্রি ৭/৩৩/৫০-৯/১৪/৪৮, ১১/৪৬/১৪-১/২৭/১২, ২/১৭/৪১-৫/৪০/৮, বারবেলা ৯/৫৫/৩৯-১১/২১/০, কালবেলা ১১/২১/০-১২/৪৬/২১, কালরাত্রি ১২/৫৫/৩৯-২/৩০/১৮। 
১ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিল্লিতে অর্জুনগড় মেট্রো স্টেশনের কাছে ওলা গাড়িতে উদ্ধার এক ব্যক্তির দেহ

21-10-2017 - 10:11:00 PM

দিল্লিতে রাজৌরি গার্ডেনের কাছে একটি হোটেলে দম্পতির দেহ উদ্ধার

21-10-2017 - 10:07:00 PM

অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: আমেরিকাকে ৪-১ গোলে হারাল ইংল্যান্ড

21-10-2017 - 10:05:14 PM

অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: আমেরিকা ১ - ইংল্যান্ড ৩ (৭৩ মিনিট)

21-10-2017 - 09:36:09 PM

অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: আমেরিকা ০ - ইংল্যান্ড ৩ (৬৪ মিনিট)

21-10-2017 - 09:28:04 PM

অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: আমেরিকা ০ - ইংল্যান্ড ২ (৫০ মিনিট)
অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ মারগাঁওয়ে আমেরিকা বনাম ইংল্যান্ডের ম্যাচে ...বিশদ

21-10-2017 - 09:00:00 PM

অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ঘানাকে ২-১ গোলে হারাল মালি
অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ গুয়াহাটিতে মালি বনাম ঘানার ...বিশদ

21-10-2017 - 07:00:00 PM