বিশেষ নিবন্ধ
 

বর্ষপ্রবেশ, সঙ্গে গণেশ

জয়ন্ত কুশারী: সম্মানের ঝোলটা পুরোটাই গেল গণেশের কোলে। যেন কল্কে পেলেন না অন্য দেবতারা। লক্ষ্মীর কোলে যদি বা জুটল, তা সে না জোটারই মতো। শুধু ঝোলের তলানিটুকুই হয়তো জুটল তাঁর কোলে। এর পরও কি লক্ষ্মী বাণিজ্যে বসবেন আলো করে? মানে ‘বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী’। সম্মানটা অন্তর থেকে হলে, সম্মানটা সম্মানজনক অনুপাতে হলে, ব্যাবসায় থিতু হওয়া যায়। কথা হচ্ছিল বিক্রিবাট্টার প্রথম দিন নিয়ে। মানে পয়লা বৈশাখ নিয়ে। অর্থাৎ লক্ষ্মীর হাল হালখাতার দিনে ঠিক কেমন, তা একবার চোখ মেলে দেখুন—গণেশের সঙ্গে পুজো পাওয়া। মনটাও কেমন মনমরা হয়ে থাকে। দেখলে তো বোঝা যায়। হাজার হোক সঙ্গে আসা, আর সসম্মানে একলা আসা। দুটোর মধ্যে বিস্তর পার্থক্য। সম্মানটা ফিফ্‌঩টি ফিফ্‌঩টি না হোক, সিক্সটি ফরটি তো হতে পারত। তাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু এ তো নাইনটি-টেনও নয়। বিশ্বাস হচ্ছে না। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির শুভ নববর্ষের আমন্ত্রণপত্র দেখুন। দেখবেন গণেশে শুরু। গণেশে শেষ। অর্থাৎ ‘শ্রীশ্রী গণেশায় নমঃ’। শেষটা গণেশের কৃপা-ই পাথেয় হোক এই বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের। ভুলেও লক্ষ্মীর নাম লেখেন ক’জন। কেন বাংলার বাঙালির প্রতিষ্ঠানে (পড়বেন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে) বছর পয়লায় লক্ষ্মী এমন ব্যাকফুটে? ব্যাকফুটে বাঙালি কি এ কারণেই? বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতার বাজারে বাঙালির বাণিজ্য লক্ষ্মী কি অধরা সে কারণেই?
সবই যে হিং-টিং-ছট! ঩হিং-টিং-ছট প্রশ্ন সব মাথার মধ্যে কামড়ায়। ব্যাবসায় বাঙালি কেন ধুঁকছে এই বাংলায়? এখন উত্তর খোঁজার পালা।
শাস্ত্রের বিধান অনুসারে ধর্মীয় কৃত্যগুলি মূলত দু’ভাগে বিভক্ত, একটি তিথিকৃত্য এবং অপরটি সংক্রান্তিকৃত্য নামে অভিহিত। বিশ্বকর্মা পুজো, কার্তিক পুজো—ইতু পুজো, মকর সংক্রান্তি বা পৌষ সংক্রান্তি, চড়কপুজো হল সংক্রান্তিকৃত্য। বাকি সবই প্রায় তিথিকৃত্যের মধ্যে পড়ে। অর্থাৎ তিথি ধরে পুজো হলেই তিথিকৃত্য। পয়লা বৈশাখ গণেশ (লক্ষ্মী) পুজো যেন উল্লেখিত দুটি কৃত্যের কোনওটির আওতায় পড়ে না। এটি আচারাৎ। মানে আচারবশত হয়। শাস্ত্রে এই আচার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—‘আচারোঽপি ধর্মঃ’ অর্থাৎ দেশাচার প্রদেশাচার আর কুলাচারবশত সংযোজিত কৃত্য (Retual)-কে ধর্মীয় কৃত্য বা শাস্ত্রসম্মত কৃত্য ধরা হয়। শাস্ত্রের উদারতা কিন্তু এখানেই থেমে নেই। এ বিষয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে দেওয়া হল এই আচারগুলিকে। পরবর্তী বচনটিতে। ‘আচারো প্রথমো ধর্মঃ।’ এখানে আচারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হল। তাই বলা হল—আচার হল প্রথম ধর্ম। পয়লা বৈশাখের গণেশ পুজো প্রদেশাচার। বাংলার আচার। বাঙালির আচার। সেই আচার শাস্ত্রের স্বীকৃতি পেল। উল্লেখিত (শাস্ত্রের) দুটি বচন বলে। প্রসঙ্গত বলা যেতে পারে গণেশপুজো কিন্তু তিথিকৃত্যের মধ্যে পড়ে। এই তিথি কৃত্য বিহিত পুজো বছরে একবারই হয়। ব্যতিক্রম কেবল মা দুর্গার ক্ষেত্রে। আর গণেশের ক্ষেত্রে। শারদীয়া দুর্গাপুজো, বাসন্তী দুর্গাপুজো। গণেশেরও একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্রবিহিত তিথি আছে। এবং সেটা বছরে দু’বার। প্রথমটি হল ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী। দ্বিতীয়টি মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের চতুর্থী। অর্থাৎ শ্রীপঞ্চমী বা সরস্বতীপুজোর আগের তিথি। ভাদ্র এবং মাঘের এই দুটি চতুর্থী তিথিকে সৌভাগ্য চতুর্থী, বরদা চতুর্থী, গণেশ চতুর্থী, বিনায়ক চতুর্থী বলা হয়। মহারাষ্ট্রে (এখন অবশ্য কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গেও) বিশেষ করে মুম্বইয়ে মহা আড়ম্বরে ভাদ্র মাসের গণেশ চতুর্থীতে গণেশপুজো আর সিদ্ধি বিনায়ক ব্রত পালন করা হয়। এই পুজোর জৌলুস সহস্রগুণ বেড়ে গিয়েছে ঐতিহাসিকতার দিক থেকেও। ব্রিটিশ ভারতবর্ষে বালগঙ্গাধর তিলক (মহারাষ্ট্রে) জাঁকজমক সহকারে গণেশপুজো শুরু করার দরুন।
এখন আসা যাক, বর্ষপ্রবেশে বা বঙ্গাব্দের প্রথম দিনটি গণেশ-বন্দনার মাধ্যমে অতিবাহিত করার যে রেওয়াজ তা কেবল রেওয়াজ বা আচারবশতই হয়, এমনটা কিন্তু নয়। এই প্রসঙ্গে কারণ হিসাবে একটি উদ্ধৃতি স্মরণ করা যায়—
‘বিদ্যারম্ভে বিবাদে চ প্রবেশে নির্গমে তথা...।’ গণেশের এই স্মরণমূলক প্রশস্তিসূচক স্তোত্রের ‘প্রবেশে’র অন্য একটি অর্থ বর্ষপ্রবেশ বা বছরের প্রথম দিন ধরতে হবে। তাই বর্ষপ্রবেশে গণেশের স্মরণ-মনন-চিন্তন-পূজনের এই রেওয়াজ বা আচারটিতে শাস্ত্রের সিলমোহর পড়ল খুবই স্পষ্টভাবে। ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর প্রমুখ মুখ্য দেবতা থাকতে গণেশই মুখ্য হলেন এই দিনে কোন যুক্তিতে? খুব কি মন্দ হত এমন প্রশ্ন করলে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে স্বয়ং বিষ্ণু একেবারে মুখিয়ে ছিলেন। তিনি কী বলছেন একবার শুনুন—
সর্বাদ্যমগ্রপূজ্যঞ্চ সর্বপূজ্যং গুণার্ণবম্‌।
঩স্বেচ্ছয়া সগুণং ব্রহ্ম নির্গুণঞ্চাপি স্বেচ্ছয়া।।
সমং প্রকৃতিরূপঞ্চ প্রকৃতং প্রকৃতে পরম।
ত্বাং স্তোতুমক্ষমোঽনন্তঃ সহস্রবদনেন চ।।
ন ক্ষমঃ পঞ্চবক্ত্রশ্চ ন ক্ষমশ্চতুরাননঃ।
সরস্বতী ন শক্তা চ ন শক্তোঽহং তবস্তুতৌ
ন চ শক্তা চতুর্বেদাঃ কে বা তে বেদবাদিনঃ।
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের গণেশ খণ্ডে গণেশ প্রসঙ্গে স্বয়ং বিষ্ণুর এই উক্তি বাংলায় তর্জমা করলে অর্থ হবে এই রকম—হে গুণার্ণব (গণেশ)! সব কিছুর আদিতে (তুমি) অগ্রপূজ্য ও সর্বপূজ্য। স্বেচ্ছায় তুমি সগুণ ব্রহ্ম ও স্বেচ্ছায় তুমি নির্গুণ-ব্রহ্ম। অনন্ত (বিষ্ণু) সহস্র বদনে তোমার স্তুতি করতে অক্ষম। পঞ্চানন (শিব) পাঁচ মুখে আর চতুরানন (ব্রহ্মা) চার মুখে তোমার স্তুতি করতে অসমর্থ। সরস্বতী এবং আমিও তোমার স্তুতিতে অশক্ত। চতুর্বেদ ও বেদবাদিরাও উক্ত কাজে অসমর্থ। গণেশকে দেওয়া বিষ্ণুর এহেন দরাজ শংসাপত্র দেখে ভৃগু প্রমুখ ঋষি একদন্তের (গণেশের) স্তোত্রে বললেন-
যদাজ্ঞয়া সৃষ্টি করো বিধাতা,
যদাজ্ঞয়া পালক এবং বিষ্ণুঃ।
যদাজ্ঞয়া সংহারকো হরোঽপি,
তমেকদন্তং শরণং ব্রজামঃ।।
হে গণেশ! তোমার আজ্ঞায় ব্রহ্মা সৃষ্টিকারক। বিষ্ণু জগৎপালক এবং শিব জগৎ সংহারকর্তা। আমরা এহেন একদন্তের শরণাগত হলাম।
বছর শুরুর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বর্ষ আরম্ভ গড্ডলিকাপ্রবাহে গা ভাসায়নি। অর্থাৎ বিবর্তনের মধ্যে দিয়েই চলেছে নববর্ষ গণনা। ঠিক একইভাবে গণেশ ঠাকুরও বিবর্তনের ধারায় অবগাহন করেছেন। কি, মানতে পারছেন না! চোখ-কানের বিবাদ ঘোচাতে খুলুন গণেশ পুরাণের উত্তরখণ্ড। দেখুন বালক্রীড়ার ছিয়াশি অধ্যায়—
ধ্যায়েৎ সিংহগতংবিনায়কমমুং দিগ্‌বাহুমাদ্যে যুগে।
ত্রেতায়ান্তু ময়ূরবাহনমমুং ষড়বাহুকং সিদ্ধিদম।।
দ্বাপরে তু গজাননং যুগভুজং রক্তাঙ্গরাগং বিভূম্‌।
তুর্য্যে তু দ্বিভুজং সিতাঙ্গরুচিরং সর্বার্থদং সর্বদা।।
সত্যযুগে তিনি বিনায়ক নামে দশ হাত বিশিষ্ট সিংহবাহনযুক্ত ছিলেন। ত্রেতাযুগে তিনি সিদ্ধিক নামে ষড়ভুজ এবং ময়ূর বাহন বিশিষ্ট ছিলেন। দ্বাপরযুগে তিনি গজানন নামে চতুর্বাহু সমন্বিত রক্তবর্ণযুক্ত ছিলেন। কলিযুগে তিনিই আবার সর্বার্থদ নামে সর্বদা দ্বিভুজ ও শ্বেতকায় হয়ে বিরাজ করছেন।
দুর্গা মন্ত্রিসভার শিল্প-বাণিজ্যমন্ত্রী মহামহিম গণেশ কিন্তু সম্মানের ঝোলটা নিজের কোলেই কেবল টানেননি। অর্থমন্ত্রী মহামান্যা লক্ষ্মীকে তিনি মাথায় করে রেখেছেন। এক চালচিত্রের শারদীয়া দুর্গাপ্রতিমা দ্রষ্টব্য। এর থেকে কি এটা প্রমাণ হয় না শিল্পবাণিজ্য চাঙা হলে বাণিজ্যের লেখচিত্রে অর্থ ঊর্দ্ধগামী হয়। তাই বর্ষপ্রবেশ গণেশ ছাড়া! নৈব নৈব চ।

লেখক সর্বভারতীয় প্রাচ্যবিদ্যা আকাদেমির অধ্যক্ষ
15th  April, 2017
ধ্রুবতারা ফুটবল, স্বপ্ন সরণিতে মিজোরাম

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: এই লেখাটা যেদিন আপনি পড়ছেন, অর্থাৎ রোববার সেই দিনটা যখন শেষ হব হব করবে, তখন আমার মন কতটা ফুরফুরে থাকবে অথবা কতটা মুহ্যমান থাকব তা বলতে পারব না। কারণ, আমি জ্যোতিষী নই।
বিশদ

এত তাড়াতাড়ি ভোটের বাদ্যি বাজিয়ে দেওয়ার চেষ্টা কেন

শুভা দত্ত: সামনের বছর পঞ্চায়েত ভোট। সে ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। এবং তার আগে তেমন বড় কোনও ভোটও নেই রাজ্যে। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গের পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ভোট একেবারে দোরগোড়ায় এসে পড়েছে। আর তাই রাজ্যজুড়ে ভোটের গরম হাওয়া বইতে শুরু করে দিয়েছে! রাজনৈতিক তরজা হানাহানি কাটাকাটিও শুরু হয়ে গিয়েছে।
বিশদ

  স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে চরম দুরবস্থার জন্য দায়ী কিছু কর্পোরেট সংস্থার বিপুল অনাদায়ী ঋণ

 দেবনারায়ণ সরকার: ২০১৭-র ১ এপ্রিল থেকে প্রবীণদের জন্য ৫ বছরের সঞ্চয় প্রকল্পে থেকে শুরু করে পিপিএফ, কিষাণ বিকাশপত্র, সুকন্যা সমৃদ্ধি—সমস্ত স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে ফের ১০ বেসিক পয়েন্ট সুদ কমাল কেন্দ্র। এর আগে এই হার ১০ শতাংশ কমানো হয়েছিল গত অক্টোবরে। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের আমলে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতো ডাকঘর সঞ্চয় প্রকল্পগুলির সুদের হারও বাজার সুদের হারের পরিবর্তনের সঙ্গে সংগতি রেখে প্রতি ত্রৈমাসিকে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
বিশদ

29th  April, 2017
এই পুর নির্বাচনে পাহাড় থেকে সমতলে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের খোঁজ মিলবে

বিশ্বনাথ চক্রবর্তী: আগামী ১৪ মে রাজ্যের ৭টি পুরসভার ১৪৮টি ওয়ার্ডে ৩৮৫টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এই ৭টি পুরসভার মধ্যে পাহাড়ের ৪টি পুরসভায় গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে কংগ্রেস এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার পূজালি পুরসভা ছিল তৃণমূলের দখলে। মুর্শিদাবাদের ডোমকল পুরসভাটি ২০১৫ সালে গঠিত হওয়ার পর এই প্রথম সেখানে ভোট হতে চলেছে। বিশদ

29th  April, 2017
 বাজেট হাসপাতাল তৈরি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, আগামীদিনে অগ্রাধিকার পাক জেলাও

নিমাই দে: এমন একটা প্রতিযোগিতার বাজারে, যেখানে সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মৌচাকে ঢিল মারতে নামছে, সেখানে সরকারি হাসপাতাল চত্বরে বাজেট হাসপাতালই হোক, হোক পলিক্লিনিক বা পে ক্লিনিক, একটা জিনিস অবশ্যই নজর রাখতে হবে, তা যেন বেসরকারি ক্ষেত্রের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করার মতো জায়গায় থাকে। কারণ, বিগত দিনের অভিজ্ঞতাই বলছে, পে ক্লিনিকগুলি কিন্তু সাফল্যের মুখ দেখেনি। যদিও হাসপাতালে কান পাতলে শোনা যায়, এর পিছনে রয়েছে বাম আমলের লাগামছাড়া দুর্নীতি। ...বহু টাকা নাকি কর্মীরা নয়ছয় করেছেন স্রেফ ইউনিয়ন নামক দাদাগিরি করে। তার ফলে মাসের পর মাস রোগী দেখেও টাকা না পেয়ে ডাক্তাররা নিরাশ হয়ে কেউ হাসপাতাল ছেড়েছেন, কেউবা পলিক্লিনিকের ধার মাড়াননি।
বিশদ

28th  April, 2017
 অরুণাচলে চীনকে ঠেকাতে তৎপর সতর্ক ভারত

গৌরীশঙ্কর নাগ: আমরা ধরে নিয়েছিলাম তিব্বতের ওপর চীনের অধিকার যদি আমরা স্বীকার করে নিই, তাহলে হয়তো সমস্যার আশু সমাধান হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় এই যে, চীনের তরফ থেকে অনুরূপ আন্তরিকতা আমরা পাইনি। বরং সম্প্রতি হংকং ও ম্যাকাওকে সংযুক্তিকরণে সফল হওয়ায়, অরুণাচল নিয়ে চীন যে অত্যুৎসাহী হয়ে পড়েছে। সুতরাং ভারতের অত্যন্ত সাবধানী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। ইতিমধ্যে চীনের শান্তিপূর্ণ উত্থানের তত্ত্ব অনেকে খারিজ করে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে চীনের সঙ্গে দরকষাকষির ক্ষেত্রে ভারতের অভ্যন্তরে মোদি সরকারের প্রতি রাজনৈতিক সমর্থনের পাল্লা কতটা ভারী—তাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশদ

28th  April, 2017
তোর্সা নদীই কি জলবণ্টনের স্থায়ী সমাধান?

গিরিজাশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়: তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নানাবিধ কূটনৈতিক আলোচনা হয়ে গেল কিছুদিন আগেই। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।
বিশদ

27th  April, 2017
ভারত-বাংলাদেশ অভিন্ন নদীগুলির জলপ্রবাহ সমস্যা ও সমাধান

মোঃ তারিকুজ্জামান রেজা: বাংলাদেশ ও ভারত দুটি বন্ধু প্রতিবেশী রাষ্ট্র। এ দুই রাষ্ট্রের সম্পর্ক রক্তের বাঁধনে বাঁধা। ১৯৪৭ সালে দুটি ধর্মের ভিত্তিতে ভারত ভেঙে অপরিকল্পিতভাবে হয় পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান। কিন্তু, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানদের সেই পাকিস্তানের ঘোর কাটতে সময় লাগেনি। বিশদ

27th  April, 2017


একনজরে
 সংবাদদাতা, আরামবাগ: নাবালিকা অপহরণে মদত দেওয়ার অভিযোগে শনিবার ভোরে আরামবাগের ফাঁসিবাগান এলাকা থেকে মূল অভিযুক্তের বাবাকে গ্রেপ্তার করল আরামবাগ থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম রাজেশ প্রসাদ। বাড়ি ওই এলাকাতেই। ...

সোমনাথ বসু: এক সপ্তাহেই কতটা বদলে গিয়েছে মোহন বাগান। গত শনিবার আইজল এফসি’র মুখোমুখি হওয়ার আগে সবুজ-মেরুন জনতার চোখেমুখে ছিল আই লিগ জয়ের স্বপ্ন। কলকাতা ...

বাংলা নিউজ এজেন্সি: শুক্রবার রাতের ঝড়বৃষ্টিতে কোচবিহারের মাথাভাঙা, সিতাই, দিনহাটা সহ বিভিন্ন জায়গা লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে। এদিকে শনিবার সকালে মাদারিহাটের বন্ধ জয় বীরপাড়া চা বাগানে বাজ পড়ে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০১৪ সালে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচুর সাপের বিষ উদ্ধার হয়েছে। চোরাশিকারিরা সেই সাপের বিষ পাচার করছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সেগুলি কেউটে সাপের বিষ বলে চোরাশিকারিরা জিজ্ঞাসাবাদে বারবারই দাবি করেছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আপনার মনে ধর্মভাব জাগ্রত হবে। কর্মপ্রার্থীরা কর্মের সুযোগ পাবেন। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সূচনা হবে। অর্থ নিয়ে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭০-ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনক হিসাবে পরিচিত দাদাসাহেব ফালকের জন্ম।
১৯৪৫- জার্মানির চ্যান্সেলর এডলফ হিটলারের আত্মহত্যা।
১৯৮৭-ক্রিকেটার রোহিত শর্মার জন্ম।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪০ টাকা ৬৫.০৮ টাকা
পাউন্ড ৮১.৬৩ টাকা ৮৪.৪৪ টাকা
ইউরো ৬৮.৬৩ টাকা ৭১.১০ টাকা
29th  April, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৩১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৮০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৬ বৈশাখ, ৩০ এপ্রিল, রবিবার, পঞ্চমী রাত্রি ১২/৫০, মৃগশিরানক্ষত্র দিবা ৮/৩৩, সূ উ ৫/৮/৪৯, অ ৫/৫৮/৫৭, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/২৬ রাত্রি ৭/২৮-৮/৫৭, বারবেলা ৯/৫৮-১/১০, কালরাত্রি ১২/৫৮-২/২২।
১৬ বৈশাখ, ৩০ এপ্রিল, রবিবার, চতুর্থী ৮/২৭/০, মৃগশিরানক্ষত্র ১/১৯/৪২, সূ উ ৫/৮/৮, অ ৫/৫৯/৪, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৯/৩২-৯/২৫/৭, রাত্রি ৭/২৮/১৭-৮/৫৭/২৯, বারবেলা ৯/৫৭/১৪-১১/৩৩/৩৬, কালবেলা ১১/৩৩/৩৬-১/৯/৫৮, কালরাত্রি ১২/৫৭/১৪-২/২০/৫২। 
 ৩ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজ শহরের তাপমাত্রা থাকবে ৩৭ ডিগ্রির কাছাকাছি

08:48:00 AM

সুপার ওভারে গুজরাত লায়ন্সকে হারাল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স 

12:03:36 AM

আজ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা 
আজ, রবিবার শহরে কালবৈশাখীর ক্ষীণ আশা জুগিয়ে রাখল আবহাওয়া দপ্তর। তবে ঝড়বৃষ্টি হওয়ার ভালো সম্ভাবনা আছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে এবং দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি এলাকায়। পূর্ব বিহারের উপর থাকা একটি ঘূর্ণাবর্ত রাজ্যে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকিয়েছে। তার প্রভাবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের কর্তারা। তাঁরা বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমা বায়ু উপর দিকে উঠে আসছে। এদিকে, বিহারের ঘূর্ণাবর্ত থেকে ছত্তিশগড় পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে, যার অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯০০ মিটার উপরে।  

08:15:00 AM

সুপার ওভারে গুজরাত লায়ন্সকে জয়ের জন্য ১২ রানের টার্গেট দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স 

29-04-2017 - 11:51:00 PM

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স-গুজরাত লায়ন্স ম্যাচ সুপার ওভারে 

29-04-2017 - 11:38:42 PM

গুজরাত লায়ন্স ২০ ওভারে ১৫৩/৯ 

29-04-2017 - 09:40:01 PM






বিশেষ নিবন্ধ
ধ্রুবতারা ফুটবল, স্বপ্ন সরণিতে মিজোরাম
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: এই লেখাটা যেদিন আপনি পড়ছেন, অর্থাৎ রোববার সেই দিনটা যখন শেষ হব হব ...
এত তাড়াতাড়ি ভোটের বাদ্যি বাজিয়ে দেওয়ার চেষ্টা কেন
শুভা দত্ত: সামনের বছর পঞ্চায়েত ভোট। সে ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। এবং তার আগে ...
  স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে চরম দুরবস্থার জন্য দায়ী কিছু কর্পোরেট সংস্থার বিপুল অনাদায়ী ঋণ
 দেবনারায়ণ সরকার: ২০১৭-র ১ এপ্রিল থেকে প্রবীণদের জন্য ৫ বছরের সঞ্চয় প্রকল্পে থেকে শুরু করে ...
এই পুর নির্বাচনে পাহাড় থেকে সমতলে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের খোঁজ মিলবে
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী: আগামী ১৪ মে রাজ্যের ৭টি পুরসভার ১৪৮টি ওয়ার্ডে ৩৮৫টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এই ...
 বাজেট হাসপাতাল তৈরি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, আগামীদিনে অগ্রাধিকার পাক জেলাও
নিমাই দে: এমন একটা প্রতিযোগিতার বাজারে, যেখানে সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মৌচাকে ঢিল মারতে নামছে, সেখানে ...