বিশেষ নিবন্ধ
 

বর্ষপ্রবেশ, সঙ্গে গণেশ

জয়ন্ত কুশারী: সম্মানের ঝোলটা পুরোটাই গেল গণেশের কোলে। যেন কল্কে পেলেন না অন্য দেবতারা। লক্ষ্মীর কোলে যদি বা জুটল, তা সে না জোটারই মতো। শুধু ঝোলের তলানিটুকুই হয়তো জুটল তাঁর কোলে। এর পরও কি লক্ষ্মী বাণিজ্যে বসবেন আলো করে? মানে ‘বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী’। সম্মানটা অন্তর থেকে হলে, সম্মানটা সম্মানজনক অনুপাতে হলে, ব্যাবসায় থিতু হওয়া যায়। কথা হচ্ছিল বিক্রিবাট্টার প্রথম দিন নিয়ে। মানে পয়লা বৈশাখ নিয়ে। অর্থাৎ লক্ষ্মীর হাল হালখাতার দিনে ঠিক কেমন, তা একবার চোখ মেলে দেখুন—গণেশের সঙ্গে পুজো পাওয়া। মনটাও কেমন মনমরা হয়ে থাকে। দেখলে তো বোঝা যায়। হাজার হোক সঙ্গে আসা, আর সসম্মানে একলা আসা। দুটোর মধ্যে বিস্তর পার্থক্য। সম্মানটা ফিফ্‌঩টি ফিফ্‌঩টি না হোক, সিক্সটি ফরটি তো হতে পারত। তাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু এ তো নাইনটি-টেনও নয়। বিশ্বাস হচ্ছে না। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির শুভ নববর্ষের আমন্ত্রণপত্র দেখুন। দেখবেন গণেশে শুরু। গণেশে শেষ। অর্থাৎ ‘শ্রীশ্রী গণেশায় নমঃ’। শেষটা গণেশের কৃপা-ই পাথেয় হোক এই বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের। ভুলেও লক্ষ্মীর নাম লেখেন ক’জন। কেন বাংলার বাঙালির প্রতিষ্ঠানে (পড়বেন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে) বছর পয়লায় লক্ষ্মী এমন ব্যাকফুটে? ব্যাকফুটে বাঙালি কি এ কারণেই? বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতার বাজারে বাঙালির বাণিজ্য লক্ষ্মী কি অধরা সে কারণেই?
সবই যে হিং-টিং-ছট! ঩হিং-টিং-ছট প্রশ্ন সব মাথার মধ্যে কামড়ায়। ব্যাবসায় বাঙালি কেন ধুঁকছে এই বাংলায়? এখন উত্তর খোঁজার পালা।
শাস্ত্রের বিধান অনুসারে ধর্মীয় কৃত্যগুলি মূলত দু’ভাগে বিভক্ত, একটি তিথিকৃত্য এবং অপরটি সংক্রান্তিকৃত্য নামে অভিহিত। বিশ্বকর্মা পুজো, কার্তিক পুজো—ইতু পুজো, মকর সংক্রান্তি বা পৌষ সংক্রান্তি, চড়কপুজো হল সংক্রান্তিকৃত্য। বাকি সবই প্রায় তিথিকৃত্যের মধ্যে পড়ে। অর্থাৎ তিথি ধরে পুজো হলেই তিথিকৃত্য। পয়লা বৈশাখ গণেশ (লক্ষ্মী) পুজো যেন উল্লেখিত দুটি কৃত্যের কোনওটির আওতায় পড়ে না। এটি আচারাৎ। মানে আচারবশত হয়। শাস্ত্রে এই আচার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—‘আচারোঽপি ধর্মঃ’ অর্থাৎ দেশাচার প্রদেশাচার আর কুলাচারবশত সংযোজিত কৃত্য (Retual)-কে ধর্মীয় কৃত্য বা শাস্ত্রসম্মত কৃত্য ধরা হয়। শাস্ত্রের উদারতা কিন্তু এখানেই থেমে নেই। এ বিষয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে দেওয়া হল এই আচারগুলিকে। পরবর্তী বচনটিতে। ‘আচারো প্রথমো ধর্মঃ।’ এখানে আচারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হল। তাই বলা হল—আচার হল প্রথম ধর্ম। পয়লা বৈশাখের গণেশ পুজো প্রদেশাচার। বাংলার আচার। বাঙালির আচার। সেই আচার শাস্ত্রের স্বীকৃতি পেল। উল্লেখিত (শাস্ত্রের) দুটি বচন বলে। প্রসঙ্গত বলা যেতে পারে গণেশপুজো কিন্তু তিথিকৃত্যের মধ্যে পড়ে। এই তিথি কৃত্য বিহিত পুজো বছরে একবারই হয়। ব্যতিক্রম কেবল মা দুর্গার ক্ষেত্রে। আর গণেশের ক্ষেত্রে। শারদীয়া দুর্গাপুজো, বাসন্তী দুর্গাপুজো। গণেশেরও একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্রবিহিত তিথি আছে। এবং সেটা বছরে দু’বার। প্রথমটি হল ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী। দ্বিতীয়টি মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের চতুর্থী। অর্থাৎ শ্রীপঞ্চমী বা সরস্বতীপুজোর আগের তিথি। ভাদ্র এবং মাঘের এই দুটি চতুর্থী তিথিকে সৌভাগ্য চতুর্থী, বরদা চতুর্থী, গণেশ চতুর্থী, বিনায়ক চতুর্থী বলা হয়। মহারাষ্ট্রে (এখন অবশ্য কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গেও) বিশেষ করে মুম্বইয়ে মহা আড়ম্বরে ভাদ্র মাসের গণেশ চতুর্থীতে গণেশপুজো আর সিদ্ধি বিনায়ক ব্রত পালন করা হয়। এই পুজোর জৌলুস সহস্রগুণ বেড়ে গিয়েছে ঐতিহাসিকতার দিক থেকেও। ব্রিটিশ ভারতবর্ষে বালগঙ্গাধর তিলক (মহারাষ্ট্রে) জাঁকজমক সহকারে গণেশপুজো শুরু করার দরুন।
এখন আসা যাক, বর্ষপ্রবেশে বা বঙ্গাব্দের প্রথম দিনটি গণেশ-বন্দনার মাধ্যমে অতিবাহিত করার যে রেওয়াজ তা কেবল রেওয়াজ বা আচারবশতই হয়, এমনটা কিন্তু নয়। এই প্রসঙ্গে কারণ হিসাবে একটি উদ্ধৃতি স্মরণ করা যায়—
‘বিদ্যারম্ভে বিবাদে চ প্রবেশে নির্গমে তথা...।’ গণেশের এই স্মরণমূলক প্রশস্তিসূচক স্তোত্রের ‘প্রবেশে’র অন্য একটি অর্থ বর্ষপ্রবেশ বা বছরের প্রথম দিন ধরতে হবে। তাই বর্ষপ্রবেশে গণেশের স্মরণ-মনন-চিন্তন-পূজনের এই রেওয়াজ বা আচারটিতে শাস্ত্রের সিলমোহর পড়ল খুবই স্পষ্টভাবে। ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর প্রমুখ মুখ্য দেবতা থাকতে গণেশই মুখ্য হলেন এই দিনে কোন যুক্তিতে? খুব কি মন্দ হত এমন প্রশ্ন করলে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে স্বয়ং বিষ্ণু একেবারে মুখিয়ে ছিলেন। তিনি কী বলছেন একবার শুনুন—
সর্বাদ্যমগ্রপূজ্যঞ্চ সর্বপূজ্যং গুণার্ণবম্‌।
঩স্বেচ্ছয়া সগুণং ব্রহ্ম নির্গুণঞ্চাপি স্বেচ্ছয়া।।
সমং প্রকৃতিরূপঞ্চ প্রকৃতং প্রকৃতে পরম।
ত্বাং স্তোতুমক্ষমোঽনন্তঃ সহস্রবদনেন চ।।
ন ক্ষমঃ পঞ্চবক্ত্রশ্চ ন ক্ষমশ্চতুরাননঃ।
সরস্বতী ন শক্তা চ ন শক্তোঽহং তবস্তুতৌ
ন চ শক্তা চতুর্বেদাঃ কে বা তে বেদবাদিনঃ।
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের গণেশ খণ্ডে গণেশ প্রসঙ্গে স্বয়ং বিষ্ণুর এই উক্তি বাংলায় তর্জমা করলে অর্থ হবে এই রকম—হে গুণার্ণব (গণেশ)! সব কিছুর আদিতে (তুমি) অগ্রপূজ্য ও সর্বপূজ্য। স্বেচ্ছায় তুমি সগুণ ব্রহ্ম ও স্বেচ্ছায় তুমি নির্গুণ-ব্রহ্ম। অনন্ত (বিষ্ণু) সহস্র বদনে তোমার স্তুতি করতে অক্ষম। পঞ্চানন (শিব) পাঁচ মুখে আর চতুরানন (ব্রহ্মা) চার মুখে তোমার স্তুতি করতে অসমর্থ। সরস্বতী এবং আমিও তোমার স্তুতিতে অশক্ত। চতুর্বেদ ও বেদবাদিরাও উক্ত কাজে অসমর্থ। গণেশকে দেওয়া বিষ্ণুর এহেন দরাজ শংসাপত্র দেখে ভৃগু প্রমুখ ঋষি একদন্তের (গণেশের) স্তোত্রে বললেন-
যদাজ্ঞয়া সৃষ্টি করো বিধাতা,
যদাজ্ঞয়া পালক এবং বিষ্ণুঃ।
যদাজ্ঞয়া সংহারকো হরোঽপি,
তমেকদন্তং শরণং ব্রজামঃ।।
হে গণেশ! তোমার আজ্ঞায় ব্রহ্মা সৃষ্টিকারক। বিষ্ণু জগৎপালক এবং শিব জগৎ সংহারকর্তা। আমরা এহেন একদন্তের শরণাগত হলাম।
বছর শুরুর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বর্ষ আরম্ভ গড্ডলিকাপ্রবাহে গা ভাসায়নি। অর্থাৎ বিবর্তনের মধ্যে দিয়েই চলেছে নববর্ষ গণনা। ঠিক একইভাবে গণেশ ঠাকুরও বিবর্তনের ধারায় অবগাহন করেছেন। কি, মানতে পারছেন না! চোখ-কানের বিবাদ ঘোচাতে খুলুন গণেশ পুরাণের উত্তরখণ্ড। দেখুন বালক্রীড়ার ছিয়াশি অধ্যায়—
ধ্যায়েৎ সিংহগতংবিনায়কমমুং দিগ্‌বাহুমাদ্যে যুগে।
ত্রেতায়ান্তু ময়ূরবাহনমমুং ষড়বাহুকং সিদ্ধিদম।।
দ্বাপরে তু গজাননং যুগভুজং রক্তাঙ্গরাগং বিভূম্‌।
তুর্য্যে তু দ্বিভুজং সিতাঙ্গরুচিরং সর্বার্থদং সর্বদা।।
সত্যযুগে তিনি বিনায়ক নামে দশ হাত বিশিষ্ট সিংহবাহনযুক্ত ছিলেন। ত্রেতাযুগে তিনি সিদ্ধিক নামে ষড়ভুজ এবং ময়ূর বাহন বিশিষ্ট ছিলেন। দ্বাপরযুগে তিনি গজানন নামে চতুর্বাহু সমন্বিত রক্তবর্ণযুক্ত ছিলেন। কলিযুগে তিনিই আবার সর্বার্থদ নামে সর্বদা দ্বিভুজ ও শ্বেতকায় হয়ে বিরাজ করছেন।
দুর্গা মন্ত্রিসভার শিল্প-বাণিজ্যমন্ত্রী মহামহিম গণেশ কিন্তু সম্মানের ঝোলটা নিজের কোলেই কেবল টানেননি। অর্থমন্ত্রী মহামান্যা লক্ষ্মীকে তিনি মাথায় করে রেখেছেন। এক চালচিত্রের শারদীয়া দুর্গাপ্রতিমা দ্রষ্টব্য। এর থেকে কি এটা প্রমাণ হয় না শিল্পবাণিজ্য চাঙা হলে বাণিজ্যের লেখচিত্রে অর্থ ঊর্দ্ধগামী হয়। তাই বর্ষপ্রবেশ গণেশ ছাড়া! নৈব নৈব চ।

লেখক সর্বভারতীয় প্রাচ্যবিদ্যা আকাদেমির অধ্যক্ষ
15th  April, 2017
 কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে।
বিশদ

স্বাধীনতার ৭০ বছর, নেতাতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র?
হিমাংশু সিংহ

বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলন আমি দেখিনি। ৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের মুহূর্তে মধ্যরাতের জওহরলাল নেহরুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ চাক্ষুষ করার সুযোগও হয়নি। হওয়ার কথাও নয়, কারণ ওই ঘটনার প্রায় দু’দশক পর আমার জন্ম। সেদিনের কথা বইয়ে, ইতিহাসের পাতায় পড়েছি মাত্র।
বিশদ

15th  August, 2017
গভীর রাতের নাটক শেষে স্যালুট
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জেতা ম্যাচ কী করে হারতে হয়, এই নির্বাচন তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে। হারতে হারতে জিতে গিয়েছেন আহমেদ প্যাটেল। এই দুর্দিনে তাঁর জয় কংগ্রেসের মরা গাঙে বান হয়তো ডেকে আনবে না, তবে মনোবল সামান্য হলেও বাড়াবে। সোনিয়া গান্ধীর দলের এই দুর্দিনে এটাই বা কম কী? তবে আহমেদ প্যাটেল নন, অমিত শাহও নন, শেষ বিচারে আসল জয়ী নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এটাই। ওই গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনকেই তাই স্যালুট জানিয়েছি।
বিশদ

13th  August, 2017
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে: কিছু প্রশ্ন
শুভা দত্ত

শুধু ভারত ছাড়ো কেন? রামনবমী রাখিবন্ধন পুজোপাঠ স্বাধীনতা দিবস প্রজাতন্ত্র—সবকিছুতেই এখন এত বেশি বেশি রাজনৈতিক দখলদারি শুরু হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে উৎসবের মেজাজ ধরে রাখাই মুশকিল হচ্ছে। রাজনীতি ছাড়া যেন কিছু হতেই পারে না!
বিশদ

13th  August, 2017
বাৎসল্য রসের পরাকাষ্ঠা মা যশোদার আত্মাভিমান চূর্ণ করলেন শ্রীকৃষ্ণ
চিদানন্দ গোস্বামী

 ভারতবর্ষের পৌরাণিক সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক সূর্য-করোজ্জ্বল ঘটনা। তত্ত্বে গভীর, দার্শনিকতায় গভীর, নৈতিকতাতেও। তাই বিশ্ব-জাগতিক জীবনে আকর্ষণে চিরন্তন মূল্যবান রত্ন সম্পদ।
বিশদ

12th  August, 2017
কঠিন বর্জ্যের কানুন
বিনয়কান্তি দত্ত

কেন্দ্রীয় ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদগুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হল বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির বিচার ও মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্ট স্থানগুলির ভূগর্ভস্থ জল, বায়ু, মৃত্তিকা ও শব্দের গুণমানের মাপকাঠি নির্ধারণ, বিভিন্ন দপ্তরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া, ইত্যাদি কাজের। একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে এই নতুন কানুনে কঠিন বর্জ্য সমস্যার সব দিক বিচার করে, সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। মনে আসছে অসুরবধের জন্য দুর্গা দুর্গতিনাশিনীকে দশপ্রহরণে সজ্জিত করার কথা। এখন দেখতে হবে এই কানুন-রূপী দুর্গা বর্জ্যাসুরকে কতদিনে বধ করতে পারে। বিশদ

12th  August, 2017
গ্যাসে ভরতুকি ছাড়ার অনুরোধ আসলে ধান্ধা
মৃন্ময় চন্দ

 সরকারি অর্থনীতির চলন বোঝাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগন একবার বলেছিলেন—‘‘If it moves, tax it. If it keeps moving, regulate it. And if it stops moving, subsidize it.’’ ৫৭.৫ লাখ এলপিজি গ্রাহক ভরতুকি ছেড়ে দিয়েছেন। দেশে এলপিজি গ্রাহকের সংখ্যা এই মুহূর্তে ১৪.৭০ কোটি। বিশদ

11th  August, 2017
রেশনে আধার: এত তাড়াহুড়োর কি কোনও প্রয়োজন আছে?
নিমাই দে

 চাল দু’টাকা কেজি দরে। কিন্তু রেশন দোকানে গিয়ে তা পেতে হলে পকেট থেকে তখনই খরচ করতে হবে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। দু’টাকা কেজির গম। সেটাও পেতে গেলে বার করতে হবে নয় নয় করে ১৮ থেকে ২০ টাকা। এটাই নাকি কেন্দ্রের ক্যাশলেস ব্যবস্থা!
বিশদ

11th  August, 2017
আমাদের ‘মন কি বাত’ আপনি কবে শুনবেন মোদিজি?
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 দেশের মানুষের ন্যূনতম ভরণপোষণের ব্যবস্থা বহাল রাখতে কেন্দ্র কি সত্যিই আন্তরিক? সত্যিই কি—গরিব মধ্যবিত্তের কথা ভেবেই নোটবন্দি জিএসটি স্বচ্ছ ভারত—এইসব! তাই যদি, তবে দেশে কেন এখনও পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুদ রাখার ব্যবস্থা নেই? ... ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা ভেবে ফসল সংরক্ষণের কি যথেষ্ট ব্যবস্থা হয়েছে? হয়ে থাকলে কথায় কথায় এমন অনটন দেখা দেয় কী করে? ফড়ে দালালরা বাজার চড়িয়ে গরিব মধ্যবিত্তের পকেট কেটে মুনাফাবাজি করে যায় কীভাবে? উন্নত সেচের ব্যবস্থাই যদি থাকে তবে কেন খরা হলে ফসলের এমন দুর্গতি হয়? সাধারণের জমায় সুদ কমাতে যাঁরা এমন তৎপর তাঁরা ঋণখেলাপিদের শত শত কোটি টাকা মকুব করে দিচ্ছেন কীভাবে? মধ্যবিত্ত সংহার ছাড়া কি স্বচ্ছ ভারত গড়া যায় না? স্বচ্ছ ভারতে কি মধ্যবিত্তের ঠাঁই হবে না?
বিশদ

10th  August, 2017



একনজরে
 বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বিষ্ণুপুরের সারদা গার্ডেনে সুদীপ্ত সেনের কয়েকশো বিঘা বেনামি সম্পত্তি হাতানোর সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জেরে আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক অফিসার। কলেজ পড়ুয়া তাঁর ছেলেকেও মারধর করা হয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্প্রতি দুর্গাপুর পুরসভা নির্বাচনে নিরাপত্তার প্রশাসনিক আশ্বাস সত্ত্বেও ব্যাপক হাঙ্গামা হয়েছে। ভোট লুট হয়েছে। পুলিশ মার খেয়েছে। নির্বাচন কমিশন ভোট চলাকালীন অভিযোগ জানানোর রাস্তা বন্ধ রেখেছিল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত পাঁচ বছরে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ৮৫ পয়সা বেড়েছে বলে বিধানসভায় বিবৃতি দিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বুধবার বিধানসভায় প্রথমে বিদ্যুতের দাম ...

 ওয়াশিংটন, ১৬ এপ্রিল: এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় অঙ্কের অর্থ দানের কথা ঘোষণা করলেন মাইক্রোসফট করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। নিজের মোট সম্পদের ৫ শতাংশ দান করলেন ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক। কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: ব্রিটিশ সাহিত্যিক ভি এস নাইপলের জন্ম
১৯৮৮: দুর্ঘটনায় মৃত পাক প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জিয়া-উল-হক
২০০৮: ওলিম্পিকসে আটটি সোনা জিতে রেকর্ড মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেল্পসের


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪৫ টাকা ৬৫.১৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৭ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭৪.০৮ টাকা ৭৬.৬৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৬৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩২ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী দিবা ১২/৪৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/৫৯, সূ উ ৫/১৭/৫১, অ ৬/৩/৩৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-৩/৩, বারবেলা ২/৫২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪১-১/৫।
 ৩১ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী ১০/৫৫/৫২, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/২৩/৫৭, সূ উ ৫/১৫/৩৩, অ ৬/৫/২৫, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩০-৩/১/৩১, বারবেলা ৪/২৯/১১-৬/৫/২৫, কালবেলা ২/৫২/৫৭-৪/২৯/১১, কালরাত্রি ১১/৪০/২৯-১/৪/১৫।
২৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতে পাকিস্তানের নতুন হাই কমিশনার সোহেল

 আবদুল বাসিতের বদলে ভারতে নিযুক্ত পাকিস্তান দূতাবাসের হাই কমিশনার হলেন সোহেল মাহমুদ

16-08-2017 - 10:10:11 PM

বন্যা পরিস্থিতি: মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রাজ্যের
এই বন্যা পরিস্থিতিতে যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। আজ একথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ নবান্ন থেকে বের হওয়ার সময় তিনি জানান, ডালখোলা বারসোই এলাকায় রেলব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। আমি রেলের সাথে কথা বলেছি, যাতে তারাতারি ব্রিজ মেরামতির কাজ শুরু হয়। তিনি জানান, পরিবহন দপ্তরকে বলেছি যতক্ষণ না ট্রেন পরিষেবা শুরু হয়, বেশি করে বাস চালাতে। আমি একসময় রেলমন্ত্রী ছিলাম, জানি কিভাবে কাজ করা যায়। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কিরণ রিজজুর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মমতা জানান, আমাদের কাছে কোনটা বেশি জরুরি? হিসাব দেওয়া না মানুষকে ত্রাণ দেওয়া ? আমি তো প্রধানমন্ত্রী, স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। জল নামলে তবে তো বোঝা যাবে কত কী ক্ষতি হয়েছে। কত কৃষি জমি নষ্ট হয়েছে, কত রাস্তা ভেঙেছে, কত বাড়ি ভেঙেছে।

16-08-2017 - 09:16:20 PM

 বিকেল 5 টা পর্যন্ত ধূপগুড়ির দুটি ওয়ার্ডেভোট পড়েছে ৮৯.৯৮ %

16-08-2017 - 07:42:00 PM

শিয়ালদহ-মালদা টাউন ৪ জোড়া স্পেশাল ট্রেন,  জেনে নিন দিনক্ষণ

০৩১৪৯ / ০৩১৫০ শিয়ালদহ-মালদা টাউন-শিয়ালদহ স্পেশাল (ভায়া ডানকুনি) শিয়ালদহ থেকে ১৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) – ২০ আগস্ট (রবিবার) ২০১৭ পর্যন্ত রাত ১১টা ২৫মিনিটে ছাড়বে। ট্রেনটি মালদা টাউন পৌঁছাবে পরদিন ভোর ৫টা ৫০মিনিটে। গাড়িটি ফের মালদা টাউন থেকে রওনা দেবে ১৮ আগস্ট- ২৩ আগস্ট ২০১৭ পর্যন্ত রাত ১১ টায় ছাড়বে। ট্রেনটি শিয়ালদহ পৌঁছাবে পরদিন ভোর ৬টায়। ট্রেনগুলিতে জেনারেল সেকেন্ড ক্লাস কামরা, স্লিপার কামরা, এসি ২ এবং এসি ৩ টিয়ার কামরা থাকবে।

16-08-2017 - 06:52:00 PM

হকারকে মারধর! পুরুলিয়ার কাশীপুরের তৃণমূল বিধায়কের ভিডিও ভাইরাল 
পুরুলিয়ার কাশীপুরের তৃণমূল বিধায়ক স্বপন বেলথোরিয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে কাশীপুরের বিধায়ক এবং তাঁর অনুগামীরা এক ব্যক্তিকে মারধর করছেন। এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত কাশীপুর থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ হয়নি। এমনকী কাশীপুরের বিধায়ক মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে জানান, ওই ভিডিওটি জাল এবং বিজেপির কিছু নেতা চক্রান্ত করে ওই ভিডিওটি হোয়াটস অ্যাপে ছড়িয়েছে। 

16-08-2017 - 05:49:20 PM

বাঁকুড়ার বড়জোড়ায় রাজ্য সড়কে স্কুল বাস ও ডাম্পারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, জখম ৮ পড়ুয়া 

16-08-2017 - 04:28:00 PM