Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বন্ধ হোক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পঞ্চায়েত দখল
তন্ময় মল্লিক

পঞ্চায়েত কারও চোখে স্থানীয় সরকার, কারও চোখে উন্নয়নের হাতিয়ার, কারও চোখে চোর তৈরির কারখানা। পঞ্চায়েত সম্পর্কে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হলেও একটা ব্যাপারে প্রায় সকলেই এক মত, পঞ্চায়েত আসলে মধুভাণ্ড। এই মধুভাণ্ডের নাগাল পাওয়া নিয়েই যত মারামারি, বোমাবাজি, খুনোখুনি। এই পঞ্চায়েতই নাকি এবার পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা ভোটে ওলট-পালটের নাটের গুরু। পঞ্চায়েতের কেষ্টবিষ্টুদের হম্বিতম্বি, কাটমানি, বিনা ভোটে ক্ষমতা দখল নিয়েই যত ক্ষোভ। মোদ্দা কথা, ফুল ফুটুক বা না ফুটুক, আজ ‘নন্দ ঘোষ’ পঞ্চায়েত। পঞ্চয়েতের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভোটে হারজিতের চাবিকাঠি। পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা না থাকলে পরাজয় যেমন নিশ্চিত, তেমনি ধাক্কা খায় উন্নয়ন। আর স্বচ্ছতা থাকলে, ভালো কাজ করলে ভোটবাক্স উপচে পড়ে। তবে, পঞ্চায়েতে স্বচ্ছতার প্রাথমিক শর্ত, মানুষের অবাধ ভোট। চমকে ধমকে বিনা ভোটে মসনদ দখল বন্ধ হওয়া খুবই দরকার। তার জন্য প্রয়োজন হলে হোক আইন সংশোধন।
নিরঙ্কুশ ক্ষমতা চরম দুর্নীতির জন্ম দেয়। ঊনবিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ রাজনীতিতে জন্ম নেওয়া এই প্রবাদ আজও একইভাবে খেটে যায়। বরং ভোগবাদী সমাজ ব্যবস্থায় তা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। গ্রামোন্নয়নের কোটি কোটি টাকা পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের মাধ্যমে খরচ হয়। তাকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে মধুভাণ্ড। সেই মধুভাণ্ডের নাগাল পেতে মরিয়া হয়ে উঠছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাতার তলায় বেড়ে ওঠা মাস্তান বাহিনী। পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, মালদহ সহ অধিকাংশ জেলায় বহু চোর, ডাকাত সরাসরি পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় ঢুকে গিয়েছে। ক্ষমতা দখল মানেই কোটি কোটি টাকা খরচের লাইসেন্স হাতে পেয়ে যাওয়া। প্রত্যেকটি পঞ্চায়েতেই বছরে গড়ে আড়াই থেকে তিন কোটি টাকার কাজ হয়। দুষ্কৃতীদের একটা বড় অংশ ঠিকাদারি ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষের একটা লাভ হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, রাস্তাঘাটে ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি বেশ কম। টাকা রোজগারের জন্য তাদের আর কষ্ট করে রাতে বের হতে হয় না। বাম জামানায় বাঁকুড়া, হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুরের সংযোগস্থলে আশ্রয় নেওয়া কয়েকটি ডাকাত বাহিনী বিস্তীর্ণ এলাকার ভোট নিয়ন্ত্রণ করত। রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর তাদের একটা বড় অংশ তৃণমূলের হয়ে ছড়ি ঘোরাচ্ছিল। এখন তাদের অনেকেই জাতীয় পতাকার উপর দিকে থাকা রংয়ের দিকেই ঝুঁকতে শুরু করেছে। বলাবাহুল্য, ক্ষমতা দখলের জন্য প্রায় সব দলই মাস্তানদের মদত দেয়। কেউ ঘোমটার আড়ালে খ্যামটা নাচে, কেউ নাচে ঘোমটা ছাড়াই। তবে, সব সময়ই অ্যাডভান্টেজে শাসক দল। কংগ্রেস জমানায় পঞ্চায়েত থাকলেও নির্বাচন হতো না। মূলত শাসক দলের পছন্দের গণ্যমান্যরা পঞ্চায়েতের কর্তা হতেন। তখন অবশ্য এখনকার মতো পঞ্চায়েতের মাধ্যমে এত উন্নয়নের কাজও হতো না। পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিদের ভূমিকা ছিল মূলত প্রতিবেশীদের মধ্যে গণ্ডগোলের মীমাংসা করা, আর রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীতে প্রধান অতিথি হওয়া।
বামফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পরের বছর অর্থাৎ ১৯৭৮ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত গঠন হয়েছিল। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মোড়কে গ্রামে গ্রামে মধ্যবিত্তদের মধ্যে প্রভাব বিস্তারই ছিল সিপিএমের আসল উদ্দেশ্য। সিপিএম পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে অত্যন্ত কৌশলে দলের সংগঠন বৃদ্ধির কাছে লাগাতে পেরেছিল। তখন পঞ্চায়েতের মাধ্যমে আহামরি উন্নয়ন কিছু না হলেও বিরোধীদের দুরমুশের কাজটা হতো নিখুঁতভাবে। ’৭৮ সাল থেকে ’৯৮ সাল পর্যন্ত রাজ্যের অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং সমস্ত জেলা পরিষদ ছিল সিপিএম তথা বামফ্রন্টের দখলে। রায়তি জমিতে লাল ঝান্ডা পুঁতে দিয়ে খাস ঘোষণা, কথায় কথায় খেতমজুর বয়কট, পুকুরে বিষ ঢেলে ভাতে মারা, সামাজিক বয়কটের অস্ত্রে বিরোধীদের মেরুদণ্ড তখন লাউডগার চেয়েও পলকা।
তবে বাম জমানায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোটজয়ের শুরুয়াতটা হয়েছিল ছাত্র রাজনীতির হাত ধরে। আশির দশকের প্রথমদিকে সম্ভবত দমদমের মতিঝিল কলেজে এসএফআই প্রথম বিনা ‘বাধা’য় ছাত্র সংসদ দখল করেছিল। তারপর কলেজে কলেজে শুরু হয়েছিল ‘জোর যার মুলুক তার’ থিওরি। এসএফআইয়ের সেই সব নেতা যখন সিপিএমের সঙ্গে যুক্ত হলেন তখন তাঁরাই চালু করলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পঞ্চায়েত দখল। ‘নো রিক্স, ফুল গেন’ থিওরি বেশ মনে ধরেছিল রাজ্য নেতাদেরও। তাই কেউ প্রতিবাদ করেননি, উল্টে উৎসাহ জুগিয়ে গিয়েছেন।
’৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পরই প্রথম সিপিএম কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল। উপদ্রুত এলাকায় বোমা, গুলির লড়াই তো ছিলই। তবে, সেবার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সিপিএমের ঝুলি থেকে বেরিয়েছিল ব্রহ্মাস্ত্র ‘সাদা থান’। কমরেডদের কাছে খুব জনপ্রিয় হয়েছিল ‘সাদা থান’-এর থিওরি। কারণ কথায় কথায় ‘সাঁইবাড়ি বানিয়ে ছাড়ব’ হুমকিটা বস্তাপচা হয়ে গিয়েছিল। বিরোধীরা সেভাবে খাচ্ছিল না। তবে, ‘সাদা থান’-এর হুমকিতে বিরোধী পরিবারের অন্দরমহলে বয়ে গিয়েছিল সন্ত্রাসের হিমেল স্রোত। অকাল বৈধব্যের আশঙ্কায় বাড়ির মহিলারাই তাঁদের স্বামীকে সিপিএম বিরোধিতা থেকে বিরত রাখার মরিয়া চেষ্টা চালাতেন। তাতেই একের পর এক পঞ্চায়েত বিনা লড়াইয়ে সিপিএমের ঝুলিতে গিয়ে জমা হতো।
হাজার হাজার আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতলেও সিপিএম নেতারা কিন্তু হরিনাম জপার মতো মুখে বলতেন, ‘নির্বাচন গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ উৎসব’। নির্বাচন আমরাও চাই। কিন্তু, বিরোধীরা না প্রার্থী দিলে আমরা কী করব?
২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনেও একই সুর শোনা গিয়েছে অধিকাংশ জেলার তৃণমূলের নেতাদের গলায়। তৃণমূলের বহু নেতাকেই বলতে শোনা গিয়েছে, এত উন্নয়ন হয়েছে যে বিরোধীরা প্রার্থী পাচ্ছে না। তাই নাকি তাঁরা একের পর এক পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, এমনকী জেলা পরিষদ বিনা ভোটে জিতেছেন।
আসলে, সব শাসকের ভাষা, ভাবনা ও সুর একই হয়। তবে, এব্যাপারে বিজেপির ভাষা এবং সুর কিঞ্চিৎ কড়া এবং চড়া। ত্রিপুরায় বিজেপি ক্ষমতা দখলের পর সে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে শতকরা ৮৫ ভাগ আসনেই বিনা ভোটে জয়ী হয়ে গেল। অবশ্য তা নিয়ে ত্রিপুরার কোনও ‘বিপ্লবী’ সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত দৌড়াননি। আসলে বিনা ভোটে জেতাটা একটা ভয়ঙ্কর নেশা। মাদকের নেশার চেয়েও ভয়ঙ্কর। নেশায় বাধা দিলে তাণ্ডব অনিবার্য। এই নেশার কবলে পড়লে ণত্ব-ষত্ব জ্ঞানও লোপ পায়।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী মানে, তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীহীন। অর্থাৎ মানেটা এই রকম, তিনি এতটাই কাজের ও এত গুণের অধিকারী যে সকলেই তাঁর নেতৃত্ব স্বীকার করে নিয়েছেন। কিন্তু বাস্তব কি সে কথা বলে?
খোঁজ নিলে দেখা যাবে, এরাজ্যে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে যাঁরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন তাঁদের বেশিরভাগই এলাকায় সব চেয়ে বেশি অপছন্দের মানুষ। বরং বলা ভালো, ভোট হলে হেরে যাবে বুঝেই সন্ত্রাস করে পঞ্চায়েত কব্জা করেছেন। আর সেটা করতে গিয়েই শাসক দল যুগে যুগে নিজের কবর নিজেই খুঁড়েছে।
এরাজ্যে সিপিএম যেহেতু রাজনৈতিক চর্চার বহু যোজন দূরে অবস্থান করছে, তাই ‘খাঁড়ার ঘা’ দেওয়ার চেয়ে বর্তমান শাসক দলের কাজের নমুনা উত্থাপনই প্রাসঙ্গিক। ২০১৮ সালে বাঁকুড়া জেলায় ২৫০৫টি গ্রাম সভার আসনের মধ্যে ১৫৯৩টি আসনে তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়। এর মধ্যে বিষ্ণুপুর মহকুমার কোনও আসনেই ভোট হয়নি। সমস্ত আসনই তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতে। কিন্তু, লোকসভা ভোটে এই বিষ্ণপুরেই তৃণমূল গোহারা হারল। হারল বাঁকুড়াও।
বাঁকুড়া জেলার ওন্দার রামসাগর বিজেপির দীর্ঘদিনের শক্ত ঘাঁটি। ২০১৩ সালেও রামসাগর পঞ্চায়েতটি বিজেপি জিতেছিল। কিন্তু, এবার সেই পঞ্চায়েতের ২০টি আসনের মধ্যে ১৮টিই তৃণমূল বিনা ভোটে ছিনিয়ে নিল। মাত্র দু’টিতে ভোট হল। সেই দু’টি আসনেই জিতল বিজেপি। এলাকার মানুষ প্রমাণ করে দিলেন, বিরোধীদের প্রার্থী দিতে না পারার দাবিটা কতটা অন্তঃসারশূন্য।
এখানে একটা কথা না বললে বোধহয় সত্যের অপলাপ হবে, বিগত আট বছরে গ্রাম বাংলায় রাস্তাঘাট, পানীয় জল, আলো সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চোখে পড়ার মতো উন্নয়ন হয়েছে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সর্বস্তরে পরিষেবা দেওয়ার অনন্য নজির তৈরি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষ যদি ঠিকঠাক ভোট দিতে পারত, তাহলে হয়তো অধিকাংশ জায়গায় শাসক দলই জয়ী হতো। কারণ তখনও বিরোধীদের সেভাবে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু, পঞ্চায়েতের মধুভাণ্ডের নাগাল পেতে শাসক দলের মাদার ও যুবর আত্মঘাতী লড়াই এরাজ্যে বিজেপিকে পায়ের তলায় মাটি দিয়েছে। লাঠির দাপটে তৃণমূলের যোগ্যদের প্রার্থী হওয়া থেকে বঞ্চিত করেছে। বঞ্চিতরা নির্দল হয়ে ভোটে দাঁড়ালে তাঁদের জয় নিশ্চিত বুঝেই লেঠেল বাহিনী দাঁড়াতে দেয়নি। তৃণমূলের সেই সেই বঞ্চিতরাই লোকসভা ভোটে তলে তলে বিজেপিকে সমর্থন করেছে। তার জেরেই বহু জায়গায় বিজেপির পায়ের তলার মাটি এখন পাথরের মতো শক্ত।
বিনা ভোটে জয়লাভ মানে পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখল। পঞ্চায়েত যখন থেকে মধুভাণ্ড, তখন থেকেই শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিততে মরিয়া। অথচ এই বিনা ভোটে ক্ষমতা দখল শাসক দলকে শক্তিশালী করে না, বরং ভিতর থেকে ফোঁপরা করে দেয়। বিরোধীশূন্য পঞ্চায়েতে বাসা বাঁধে দুর্নীতি। দলের মধ্যে যাতে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস না পায়, তার জন্য কুখ্যাত কয়লা মাফিয়াকে নিয়ে মনোনয়ন জমা দেয় নেতা। চোখের সামনে অন্যায়, দুর্নীতি দেখেও মানুষ ভয়ে চুপ করে থাকতে বাধ্য হয়।
তাই বিরোধীদের প্রার্থী না পাওয়ার অজুহাত দিয়ে পঞ্চায়েতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতার প্রহসন অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার। তার জন্য প্রয়োজনে আইন সংশোধন করা হোক। মেয়াদ উত্তীর্ণ পুরসভার কাজ যেভাবে প্রশাসক করেন, একইভাবে কোথাও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতার পরিস্থিতি হলে সেখানকার উন্নয়নের দায়িত্ব বিডিওকে দেওয়ার আইন হোক। এই নিয়ম চালু করলেই কেউ বিনা ভোটে জেতার কথা ভাববেও না। সব রাজনৈতিক নেতাই গণতন্ত্রের কথা বলেন। কিন্তু, গণতন্ত্র শুধু মুখের বুলি নয়, গণতন্ত্র এক মহান ভাবনা। গণতন্ত্র ধর্মের মতোই পবিত্র। তাকে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। আর সেই কর্তব্য পালনের প্রথম পদক্ষেপ হবে বিনা ভোটে পঞ্চায়েত দখলের রাস্তা বন্ধ করা।
07th  September, 2019
ব্যাঙ্ক-সংযুক্তিকরণ কতটা সাধারণ মানুষ এবং সামগ্রিক ব্যাঙ্কব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে?
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

অনেকগুলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে দেশে সরকারি ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা হল আর সংযুক্তির পর চারটি এমন বেশ বড় ব্যাঙ্ক তৈরি হল, আকার আয়তনে সেগুলিকে খুব বড় মাপের ব্যাঙ্কের তকমা দেওয়া যাবে। এসব ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে দেশের অর্থনীতির খুব উপকার হবে।  
বিশদ

রাজনীতির উত্তাপ কি পুজোর আমেজ
জমে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
শুভা দত্ত

 পরিস্থিতি যা তাতে এমন কথা উঠলে আশ্চর্যের কিছু নেই। উঠতেই পারে, উঠছেও। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের মুখে প্রায় প্রতিদিনই যদি কিছু না কিছু নিয়ে নগরী মহানগরীর রাজপথে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে, পুলিস জলকামান, লাঠিসোঁটা, কাঁদানে গ্যাস, ইটবৃষ্টি, মারদাঙ্গা, রক্তারক্তিতে যদি প্রায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনজীবন ব্যবসাপত্তর উৎসবের মরশুমি বাজার কিছু সময়ের জন্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এমন কথা এমন প্রশ্ন ওঠাই তো স্বাভাবিক।
বিশদ

15th  September, 2019
আমেরিকায় মধ্যবয়সের
সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়া
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

যে বয়সে পৌঁছে দূরের আত্মীয়স্বজন ও পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ক্রমশ আগের মতো সম্ভব হয় না, সেই প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জীবনে ইন্টারনেট এক প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কারণে যে, নিঃসঙ্গতা এমন এক উপসর্গ যা বয়স্ক মানুষদের শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। বিশদ

14th  September, 2019
মোদি সরকারের অভূতপূর্ব কাশ্মীর পদক্ষেপ পরবর্তী ভারতীয় কূটনীতির সাফল্য-ব্যর্থতা
গৌরীশঙ্কর নাগ

 এই অবস্থায় এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ৩৭০ ধারা বিলোপ পর্বের প্রাথমিক অবস্থাটা আমরা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি।
বিশদ

14th  September, 2019
ব্যর্থতা নয়, অভিনন্দনই
প্রাপ্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের
মৃণালকান্তি দাস

 কালামের জেদেই ভেঙে পড়েছিল ইসরোর রোহিনী। না, তারপরেও এ পি জে আব্দুল কালামকে সে দিন ‘ফায়ার’ করেননি ইসরোর তদানীন্তন চেয়ারম্যান সতীশ ধাওয়ান! বলেননি, ‘দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কালামকে’! তার এক বছরের মধ্যেই ধরা দিয়েছিল সাফল্য। ধাওয়ানের নির্দেশে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সেই কালাম-ই। তাঁর কথায়, ‘ওই দিন আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ পাঠ পেয়েছিলাম। ব্যর্থতা এলে তার দায় সংস্থার প্রধানের। কিন্তু,সাফল্য পেলে তা দলের সকলের। এটা কোনও পুঁথি পড়ে আমাকে শিখতে হয়নি। এটা অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত।’ বিশদ

13th  September, 2019
রাষ্ট্রহীনতার যন্ত্রণা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভিক্টর নাভরস্কি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করলেন, তিনি আচমকাই ‘রাষ্ট্রহীন’ হয়ে পড়েছেন। কারণ, তাঁর দেশ ক্রাকোজিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির কাছে মানবিকতার নিরিখে ক্রাকোজিয়ার আর কোনও ‘অস্তিত্ব’ নেই।
বিশদ

10th  September, 2019
জাতির গঠনে জাতীয় শিক্ষানীতি
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

 অভিধান অনুসরণ করে বলা যায়, পঠন-পাঠন ক্রিয়াসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতালব্ধ মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর প্রক্রিয়াই শিক্ষা। জ্ঞানকে বলা হচ্ছে অভিজ্ঞতালব্ধ প্রতীতি। শিক্ষা দ্বারা অর্জিত বিশেষ জ্ঞানকে আমরা বিদ্যা বলি। কালের কষ্টিপাথরে যাচাই করে মানুষ আবহমান কাল ধরে নিজ অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানরাশিকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পুস্তকের মধ্যে লিখে সঞ্চিত করে গেছে।
বিশদ

09th  September, 2019
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শতবর্ষে ভারত প্রান্তিক রাষ্ট্র থেকে প্রথম দশে, লক্ষ্য শীর্ষস্থান
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির মুখে উড্রো উইলসন সমেত বিশ্বের তাবড় নেতারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। যুদ্ধের রাহুর গ্রাস থেকে এই সুন্দর পৃথিবীকে কীভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত ছিলেন। উইলসন বুঝতে পেরেছিলেন মানুষের মগজে রয়েছে যুদ্ধের অভিলাষ। যুদ্ধভাবনা মুছে ফেলে শান্তিভাবনা প্রতিষ্ঠা করা দরকার।
বিশদ

09th  September, 2019
পুজোর মুখে বিপর্যয়: ঘরে বাইরে

 দুর্ঘটনা বিপর্যয় তো আর জানান দিয়ে আসে না! নেপালের ভূমিকম্প কি আমাদের আয়েলার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কত মানুষ ঘর-সংসার সব হারিয়ে রাতারাতি সর্বস্বান্ত হয়েছেন, কত সংসার উজাড় হয়ে গেছে—শত চেষ্টাতেও সেই ক্ষত পুরোটা পূরণ করা গিয়েছে কি? যায়নি। এই বউবাজারে রশিদ জমানার সেই ভয়ানক বিস্ফোরণের পর কত লোকের কত সর্বনাশ হয়েছিল—কজন তার বিহিত পেয়েছিলেন? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে সেপ্টেম্বরের শুরুতে বউবাজারে বাড়ি ধসে যে ক্ষতি বাসিন্দাদের হল তাতে তাই ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ বললে কিছুমাত্র ভুল হয় না। বিশদ

08th  September, 2019
অজানা ভবিষ্যৎ
সমৃদ্ধ দত্ত

টাকা কোথায় গেল? একের পর এক গ্রামবাসীর টাকা উধাও। সকলে সেই অফিসে আবার গেলেন। তারা এবার ভালো করে কম্পিউটার চেক করে বললেন, তোমাদের আগে যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল সেটা তো চেঞ্জ হয়েছে। এখানে নতুন এক অ্যাকাউন্ট দেখাচ্ছে। ওখানেই গেছে টাকা। প্রমোদকুমাররা জানেই না কোথায় নতুন অ্যাকাউন্ট! এক সহৃদয় ব্যাঙ্ককর্মী আবিষ্কার করলেন মোবাইল সার্ভিস প্রভাইডার কোম্পানি পেমেন্ট ব্যাঙ্ক চালু করেছে। ওই যে ফোনে আধার নম্বর চাওয়া হল এবং প্রমোদকুমাররা গিয়ে লিংক করিয়ে এলেন, আসলে ওই আধার নম্বরের মাধ্যমে তাঁদের অজ্ঞাতেই তাঁদের নামে পেমেন্ট ব্যাঙ্ক ‌অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে গিয়ে সেই অ্যাকাউন্টই শো করতে শুরু করেছে সরকারি দপ্তরে। আর সব টাকা সেখানে যাচ্ছে।
বিশদ

06th  September, 2019
নিজেকে জিজ্ঞেস করো, দেশের জন্য কী করতে পার
মৃণালকান্তি দাস

হোয়াইট হাউস-এর  পবিত্রতা নষ্ট করার দুর্নাম জুটেছিল কি না বেচারি বিল ক্লিন্টনের!‌ তখনও নাকি মার্কিন আম জনতা মুখ বেঁকিয়ে বলেছিল,  কোথায় মেরিলিন মনরো,  আর কোথায় মনিকা লিউইনস্কি!‌ তবে, মনরো–কেনেডির এই প্রেম রীতিমত ঢাক–ঢোল পিটিয়ে উদ্‌যাপিত হয়েছে মার্কিন গণজীবনে। ১৯ মে ১৯৬২। কেনেডির আসল জন্মদিনের ১০ দিন আগেই উৎসব হয়েছিল নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়্যার গার্ডেনে। ১৫ হাজার অতিথির তালিকায় তাবড় রাজনীতিক ও হলিউড সেলেবদের ছড়াছড়ি। বিরাট কনসার্টে মারিয়া কালাস,  এলা ফিটজেরাল্ড-এর মতো ডাকসাইটে শিল্পীদের পাশাপাশি মেরিলিন মনরো!‌ ইতিহাস হয়ে গিয়েছে সেই সন্ধ্যায় মনরোর গাওয়া  ‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ মিস্টার প্রেসিডেন্ট’।  
বিশদ

06th  September, 2019
মানুষই কি মানুষের পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে দাঁড়াচ্ছে!
মেরুনীল দাশগুপ্ত

শেষের সেদিন কি আর খুব দূরে নয়? সাম্প্রতিককালে বিশ্বজুড়ে প্রকৃতির নজিরবিহীন খামখেয়াল, মানুষের লোভের আগুনে সবুজের নির্বিচার মৃত্যু এবং বহু বহু বছর ধরে সীমাহীন অপচয়ের ফলে ফুরিয়ে আসা পানীয় জলের ভাঁড়ার আমাদের মনে আজ এই ভয়ঙ্কর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
বিশদ

05th  September, 2019
একনজরে
তেহরান ও দুবাই, ১৫ সেপ্টেম্বর (এপি): সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করল ইরান। রবিবার ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র আব্বাস মোসাবি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তেহরানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও অন্ধের মতো অভিযোগ আনা হয়েছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: হাওড়া শহরে এই মুহূর্তে কোনও টোটো বন্ধ করা হবে না। পুরানো যত টোটো চলাচল করছে, তা চলতে দেওয়া হবে। রাজ্য সরকার কোনও বেকার যুবককে কর্মচ্যুত করতে চায় না। রবিবার হাওড়া শরৎ সদনে টোটোচালকদের নিয়ে এক বৈঠকে এই ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কল্যাণী, ১৫ সেপ্টেম্বর: মোহন বাগানে ‘স্প্যানিশ ব্রিগেড’কে নিয়েই যতই চর্চা হোক, রবিবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে রেনবোর বিরুদ্ধে ম্যাচে বাঙালির গোলেই কলকাতা লিগে জয়ে ফিরল ...

সংবাদদাতা, গাজোল: কথায় বলে বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। সব পার্বণ বা পুজোতেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন পুরোহিতরা। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোতেও তার ব্যতিক্রম হয় না।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্মান রক্ষায় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। শত্রুর সঙ্গে সম্মানজনক সমঝোতা। বাড়ি-ঘর বাহন কেনার যোগ। কর্মে সংস্থাগত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৬- ধ্রুপদী সংগীতশিল্পী এম এস শুভলক্ষ্মীর জন্ম
১৯৩১- হিজলি ক্যাম্পে বন্দিদের উপর গুলিতে হত দুই বিপ্লবী সন্তোষকুমার মিত্র এবং তারকেশ্বর সেনগুপ্ত
১৯৩২- নোবেলজয়ী স্কটিশ চিকিৎসক রোনাল্ড রসের মৃত্যু
১৯৭৫- স্বাধীনতা লাভ করল পাপুয়া নিউ গিনি

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০৯ টাকা ৭১.৭৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৯৩ টাকা ৮৯.১৩ টাকা
ইউরো ৭৭.০৩ টাকা ৮০.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
14th  September, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৭, ৯৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ০৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৫৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
15th  September, 2019

দিন পঞ্জিকা

৩০ ভাদ্র ১৪২৬, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বিতীয়া ২২/৫২ দিবা ২/৩৬। রেবতী ৫৭/১৮ রাত্রি ৪/২২। সূ উ ৫/২৬/৫৫, অ ৫/৩৬/৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১০/১৯ গতে ১২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/২৫ গতে ৮/৪৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৮ গতে ২/১৮ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৮ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৩৪ গতে ৪/৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/৪ গতে ১১/৩২ মধ্যে।
২৯ ভাদ্র ১৪২৬, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বিতীয়া ১৮/৮/৫৪ দিবা ১২/৪২/৮। রেবতী ৫৫/২৫/৫৮ রাত্রি ৩/৩৬/৫৭, সূ উ ৫/২৬/৩৪, অ ৩/৩৮/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ১০/১৯ গতে ১১/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৯ গতে ৮/৪৯ মধ্যে ও ১১/১০ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ২/৩৫/৩৪ গতে ৪/৭/৪ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৮/৪ গতে ৮/২৯/৩৪ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/৪/৪ গতে ১১/৩২/৩৪ মধ্যে। 
১৬ মহরম 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শিয়ালদহ-ব্যারাকপুর লাইনে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত 
শিয়ালদহ-ব্যারাকপুর ডিভিশনে সিগন্যালিংয়ের সমস্যার জন্য ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত। বিকাল ৫.১৫মিনিট ...বিশদ

07:51:39 PM

সোদপুরের শোরুমে আগুন
সোদপুরের স্টেশন রোডে জামাকাপড়ের একটি শোরুমে আগুন লাগল। ঘটনাটি আজ ...বিশদ

07:04:07 PM

কলকাতায় আসছেন অমিত শাহ 
অক্টোবর মাসের ১ বা ২ তারিখ নাগাদ কলকাতায় আসতে পারেন ...বিশদ

05:36:08 PM

পুলিসি হেনস্তার জেরে আত্মহত্যার অভিযোগ চন্দননগরে
পুলিসি হেনস্তার জেরে আত্মহত্যার অভিযোগ উঠল চন্দননগরে। আজ এখানে ঝুলন্ত ...বিশদ

05:26:55 PM

নবান্নে পৌঁছলেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেনেথ আই জাস্টার 

04:35:27 PM

আসানসোলে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী
 

আসানসোলের কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্ত্রী যশোদা ...বিশদ

04:27:00 PM