Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মুছে যাচ্ছে বাঙালির ব্যাঙ্ক-ব্যবসার উজ্জ্বল স্মৃতি
হারাধন চৌধুরী

গত অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকে (জানুয়ারি-মার্চ, ২০১৯) আয়কর জমার নিরিখে সেরাদের একটি তালিকা তৈরি করেছে আয়কর দপ্তর। তাতে বাংলার মাত্র চারজনের নাম রয়েছে। বলা বাহুল্য যে, তাঁদের কেউই বাঙালি নন। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের আয়কর (কর্পোরেট এবং ব্যক্তিগত) চিত্রেও বাংলার রং ভীষণ অনুজ্জ্বল। কর্পোরেট আয়কর জমার ক্ষেত্রে আইটিসি এবং আরও দু-চারটির নাম ছাড়া উল্লেখ করার মতো কিছু নেই। তাদের কোনোটিই বাঙালি প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাত নয়। আর, পশ্চিমবঙ্গের ভিতরে ব্যক্তিগত আয়কর প্রদানকারী সেরা ১০০ জনের মধ্যেও বাঙালি মাত্র ২০ জন। এবং, তাঁদের কেউই এই তালিকায় শীর্ষস্থানাধিকারী নন, এমনকী তাঁরা গোড়ার দিকেও জায়গা পাননি।
এই আক্ষেপ অবশ্য আমাদের নতুন নয়। প্রতি বছর এই ধরনের একাধিক সরকারি বেসরকারি সমীক্ষা চিত্র প্রকাশ পায়। সেখানেই প্রকট হয় আর্থিক ক্ষেত্রে বাংলার ও বাঙালির ক্রমান্বয় পিছু হঠার করুণ বাস্তব। তার মধ্যেও আমরা সান্ত্বনা খুঁজতাম বাংলার বা কলকাতার কিছু ঐতিহ্যকে আঁকড়ে। কিন্তু দ্রুত বদলে যেতে থাকা বিশ্ব অর্থনীতির ঝাপটায় বেসামাল আমরা সান্ত্বনার সম্বলটুকুকেও প্রোটেক্ট করতে ব্যর্থ হচ্ছি। আমাদের এই ব্যর্থতা যেন অপ্রতিরোধ্য! তার একটি ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের সর্বশেষ সংস্কার পদক্ষেপ।
ব্যাঙ্কিং সেক্টরের হাল দিন দিন খারাপ হচ্ছে। তার মধ্যে সবচেয়ে করুণ দশা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কিং সেক্টরের। সঙ্কটে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও। ক্রমশ যে-অতলে যাচ্ছে তা থেকে পরিত্রাণের গ্রাহ্য নীতি কী এই সরকারের অন্তত জানা নেই। তবে, সরকার অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গত বছর ছয় যাবৎ কিছু পদক্ষেপ করেছে, তার ফল যা-ই হোক না কেন। তার মধ্যে একটি হল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা। কিছু আয়তনে ছোট এবং অলাভজনক ব্যাঙ্ককে অপেক্ষাকৃত একটি বড় ব্যাঙ্কের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। তার ফলে, ছোট ব্যাঙ্কগুলির নাম ও অস্তিত্ব লোপ পাচ্ছে। যাবতীয় শাখাসহ সেই ব্যাঙ্কগুলি সংযুক্ত বড় ব্যাঙ্কের পরিচয়ে পরিচিত হচ্ছে। এই সংস্কারকে বলা হচ্ছে সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া। যেমন ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (ইউবিআই) এবং ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অফ কমার্স (ওবিসি) মিশে যাচ্ছে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের (পিএনবি) সঙ্গে। এর ফলে প্রথম দুটি ব্যাঙ্কের নাম অস্তিত্ব কিছুই থাকবে না। পুরোটারই নতুন পরিচয় হবে পিএনবি। একইভাবে এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক মিশে যাচ্ছে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের সঙ্গে। এই পঙ্‌঩ক্তিতে আরও কয়েকটি ব্যাঙ্ক আছে। এই দফায় দশটি ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণের মাধ্যমে চারটি ব্যাঙ্কে পরিণত হচ্ছে। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (এসবিআই) সহযোগী ব্যাঙ্কগুলি এবং আরও একাধিক ছোট ব্যাঙ্কের সংযুক্তির পর ২০১৭ সালে সারা দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৭। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের আমলে সেই সংখ্যাটি আরও ছোট হয়ে যাচ্ছে—১২। এর ফলে, ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্র কতটা প্রাণবায়ু পাবে কিংবা দেশের অর্থনীতির চেহারায় কী ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটতে পারে তা বলবেন অর্থনীতির পণ্ডিতরা। এই নিবন্ধে তা নিয়ে আলোচনার অবকাশ নেই।
আমাদের আক্ষেপ হল, সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে বাংলার গুরুত্ব আরও কমে গেল। একসময় রিজার্ভ ব্যাঙ্কেরও (আরবিআই) হেড কোয়ার্টার্স কলকাতায় ছিল। ১৯৩৭ সালে সেটা মুম্বইতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। উপ মহাদেশের একটি অত্যন্ত প্রাচীন ব্যাঙ্ক হল ব্যাঙ্ক অফ ক্যালকাটা (১৮০৬)। সে আর নেই। ১৮০৯ সালে নাম পাল্টে এটাই হয়ে যায় ব্যাঙ্ক অফ বেঙ্গল। ১৯২১ সালে ব্যাঙ্ক অফ বোম্বাই এবং ব্যাঙ্ক অফ মাদ্রাজ নামে দুটি প্রেসিডেন্সি ব্যাঙ্কের সংযুক্তিকরণ ঘটে যায় ব্যাঙ্ক অফ বেঙ্গলের সঙ্গে। আর এইভাবেই গড়ে ওঠে ইম্পিরিয়াল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। স্বাধীন ভারতে ইম্পিরিয়াল ব্যাঙ্ক অধিগ্রহণের মাধ্যমে গড়ে ওঠে আজকের স্টেট ব্যাঙ্ক (এসবিআই)। দেশের প্রধান এই বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের সদর দপ্তর এখন মুম্বই। হারিয়ে গিয়েছে ইউনাইটেড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যাঙ্ক, প্রবর্তক ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অফ বাঁকুড়া, মেট্রোপলিটন ব্যাঙ্ক, সাদার্ন ব্যাঙ্কসহ অনেক ব্যাঙ্ক, যেগুলি ছিল বাংলার একেবারে নিজস্ব।
অতএব আমরা দেখতে পাচ্ছি, জাতীয় ক্ষেত্রে বাংলা তথা কলকাতার গুরুত্ব ক্রমান্বয়ে কমছে। রাজধানী, সুপ্রিম কোর্ট আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কলকাতা থেকে। একে একে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অনেক বৃহৎ শিল্প বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর। কোনোক্রমে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় কার্যালয় কলকাতায় আছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল—ইউবিআই, এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক ও ইউকো ব্যাঙ্ক। কলকাতার এই গৌরবটুকুও ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিতে চলেছে। প্রথমোক্ত দুটি ব্যাঙ্কের মধ্যে ইউবিআই বাংলার একেবারে নিজস্ব ব্যাঙ্ক। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির মধ্যে এটাই বাঙালির শিল্প এবং বাণিজ্যবুদ্ধির সাক্ষ্য বহন করে চলেছে।
এই প্রসঙ্গে ইউবিআই বৃত্তান্তে একবার চোখ রাখাটা অপ্রাসঙ্গিক হবে না।
সফল আইনজীবী ছিলেন পূর্ববঙ্গের কুমিল্লার নরেন দত্ত। সত্যনিষ্ঠ পথে উপার্জনের ভাবনায় তিনি আইন পেশা ছেড়ে দেন। ১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠা করলেন কুমিল্লা ব্যাঙ্কিং কর্পোরেশন। যাত্রা শুরু হল ৪০০০ টাকার মূলধন (পেড-আপ ক্যাপিটাল) নিয়ে। আমানত বা ডিপোজিট পাওয়া গেল ২৫০০ টাকা। এই পুরো টাকার মধ্যে দত্ত মশায়ের ব্যক্তিগত শেয়ার ছিল ১৫০০ টাকার। স্বাধীনতা সংগ্রামের উল্লেখযোগ্য কেন্দ্র কুমিল্লার খ্যাতি ছিল ‘এ টাউন অফ ব্যাঙ্কস অ্যান্ড ট্যাঙ্কস’ হিসেবে। কারণ, বাংলার আরও দুটি প্রথম সারির ব্যাঙ্কের সদর দপ্তর ছিল এই শহর। ব্যাঙ্ক দুটি হল ইন্দুভূষণ দত্তের কুমিল্লা ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক এবং অখিলচন্দ্র দত্তের পাইওনিয়ার ব্যাঙ্ক। কুমিল্লা ব্যাঙ্কিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করে নরেন দত্ত প্রতিজ্ঞা করলেন, নিজে বঞ্চিত হলেও পুঁজি অক্ষুণ্ণ রেখে উচ্চমানের পরিচালনার জন্য মরিয়া থাকবেন। নিজেকে দেওয়া কথা নরেনবাবু তাঁর দীর্ঘ জীবনে কীভাবে রেখেছিলেন সে এক বিরলপ্রায় ইতিহাস। নরেনবাবুর মৃত্যু হয় ১৯৬২-তে। তার আগে তিনি তৈরি করে নিয়েছিলেন তাঁর সুযোগ্য পুত্র বটকৃষ্ণ দত্তকে, যিনি বি কে দত্ত নামে বিখ্যাত হয়েছিলেন।
কলকাতা থেকে কমার্স গ্রাজুয়েট হয়ে কুমিল্লা ফিরে গিয়ে বটকৃষ্ণবাবু বাবার ব্যাঙ্কে শিক্ষানবিশি শুরু করেন। শিক্ষানবিশি সাফল্যের সঙ্গে শেষ করার পর ২১ বর্ষীয় বটকৃষ্ণবাবু স্বাধীনভাবে ব্যবসা শুরু করলেন। এবং, সেটাও ব্যাঙ্ক ব্যবসা। নাম দিলেন দ্য নিউ স্ট্যান্ডার্ড ব্যাঙ্ক। হেড অফিস খোলা হল একটি ছোট গাড়ির গ্যারাজ ভাড়ায় নিয়ে। ব্যবসার দ্রুত প্রসারের কৌশল হিসেবে বটুবাবু মোবাইল ব্যাঙ্কিং চালু করলেন—ব্যাঙ্কই চলে যাবে সোজা কাস্টমারের কাছে! এই অভিনব উদ্যোগটি কেমন? সকাল ৮-১০টা পর্যন্ত ব্যাঙ্ক। তারপর ব্যাঙ্কের ঝাঁপ বন্ধ। ব্যাঙ্কের এমডি স্বয়ং দুজন কর্মচারীকে নিয়ে এরপর সাইকেলে চেপে হাজির হতেন জেলা কোর্ট চত্বরে। হিসেবের খাতা, চেকবই, নগদ টাকা সমেত। কাস্টমার তালিকায় থাকতেন চাষি থেকে জোতদার, কোর্টের উকিল, মোক্তার, কর্মচারী থেকে মামলার বাদি বিবাদি, এমনকী ধনী মুসলিম পরিবারের মহিলারাও। অতি দ্রুত জনপ্রিয় হল সেই উদ্যোগ। কোর্ট চত্বরে সাড়ে তিন টাকায় একটি পান গুমটি ভাড়ায় নিয়ে খোলা হল ব্যাঙ্কের প্রথম শাখা। কিন্তু সম্ভ্রান্ত নাগরিকরা ব্যাপারটিকে ভালোভাবে নিলেন না। শেষমেশ মান রাখতে নরেনবাবু কোর্ট চত্বরে একটি টিনের চালার ঘর খাড়া করে দিলেন। সেখানেই উঠে এল দ্য নিউ স্ট্যান্ডার্ড ব্যাঙ্কের হেড অফিসসহ নতুন ব্রাঞ্চ।
বিশ্বযুদ্ধোত্তর পর্বে বিশ্বজুড়ে আর্থিক মন্দা। ভারতেও তা আছড়ে পড়ল। নবগঠিত রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর চিন্তামন দেশমুখ গ্রাহকস্বার্থরক্ষার যুক্তিতে ছোট ছোট ব্যাঙ্কগুলিকে কোনও একটি বড় ছাতার তলায় সংযুক্ত হতে পরামর্শ দিলেন। বটুবাবুর তা মনে ধরল। ১৯৪৬ সালে কুমিল্লা ব্যাঙ্কিং কর্পোরেশন এবং দ্য নিউ স্ট্যান্ডার্ড ব্যাঙ্ক একসঙ্গে মিশে গেল। সংযুক্ত কুমিল্লা ব্যাঙ্কিং কর্পোরেশনের ডেপুটি এমডি নির্বাচিত হলেন বি কে দত্ত। দাঙ্গা, দেশভাগের ঘটনা বাঙালির ব্যাঙ্কগুলিকে পঙ্গু করে দিচ্ছিল। তবু যেসব ছোট ব্যাঙ্ক রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পরামর্শ গ্রাহ্য করেনি তাদের অনেকে বেশ ভুগেছিল। যেমন ১৯৫০-এ ধসে গিয়েছিল নাথ ব্যাঙ্ক একটি উল্লেখযোগ্য ব্যাঙ্ক। একরাশ উদ্বেগ নিয়ে দ্রুত কলকাতায় ছুটে এসেছিলেন আরবিআই ডেপুটি গভর্নর মিস্টার মেখরি। বাঙালি ব্যাঙ্কগুলির চারজন নামী কর্তাকে একটি বৈঠকে ডেকে পাঠালেন। বললেন, বঙ্গদেশের ব্যাঙ্কগুলিকে বাঁচাবার পথ কী বলুন। উপস্থিত বাঙালি ব্যাঙ্কারদের মধ্যে বয়োকনিষ্ঠ ছিলেন বি কে দত্ত। তবু তাঁর প্রস্তাব মেনে সবাই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করলেন যে কুমিল্লা ব্যাঙ্কিং কর্পোরেশন, কুমিল্লা ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক, বেঙ্গল সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক এবং হুগলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত হয়ে যাবে।
বাঙালির চারটি নামী ব্যাঙ্কের অ্যামালগামেশনের মাধ্যমেই জন্ম নিয়েছিল ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। মাত্র ১২ কোটি টাকার পুঁজি আর ২৭ কোটি টাকার আমানত নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ইউবিআই। পরে একাধিক দফায় এই ব্যাঙ্কের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছিল কটক ব্যাঙ্ক, তেজপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যাঙ্ক, হিন্দুস্থান মার্কেনটাইল ব্যাঙ্ক এবং নারাং ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। ১৯৬৯ সালে দেশের প্রধান আরও ১৩টি ব্যাঙ্কের সঙ্গে ‘রাষ্ট্রায়ত্ত’ হিসেবে ঘোষিত হয় ইউবিআই। দেশের অগ্রণী ব্যাঙ্কেরই তকমা পেয়েছিল ব্যাঙ্কটি। যদিও সেই কৌলীন্য দীর্ঘ দিন ধরে রাখতে পারেনি। রুগ্ন হয়ে পড়ছিল। অনেক ঝড় ঝাপটা পেরিয়ে বাঙালির এই ব্যাঙ্ক সম্প্রতি লাভের মুখও দেখতে শুরু করেছিল। তার মধ্যে ফের রূপান্তরের পরীক্ষায় বসছে বাঙালির বাণিজ্য-ভাগ্য। জানি না, এর ফল বাংলার বা দেশের পক্ষে কতটা ভালো হবে।
বাঙালির ব্যবসা বুদ্ধি নেই। এই অপবাদ বার বার দেওয়া হলেও ইতিহাস কিন্তু অন্য সাক্ষ্য দেয়। উনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে এই কলকাতায় সাহেবদের বাণিজ্যেরও শরিক ছিলেন বাঙালিরা। ইংরেজরা নিজেদের ভুলে সেইসব ব্যবসায় একে একে লালবাতি জ্বালিয়েছিল। ১৮২০-২৩ সালের ভিতর জলে গিয়েছিল প্রায় ২ কোটি পাউন্ড! দেউলিয়া ইংরেজ ব্যবসায়ীরা চুপিসারে ভারত থেকে ভেগে যায়। আর সাহেবদের দেনার দায়ে জেল খেটে মরেন কিছু বাঙালি ব্যবসায়ী। তখন ব্যবসার ঝুঁকি ছেড়ে ধনী বাঙালিদের একাংশ জমিদারি কিনে সুখী হওয়ার সহজ পথ নিয়েছিলেন। কিন্তু আজ বাঙালি কোন পথে যাবে? আজকের পরস্থিতির পুরো দায় কি বাঙালির? এর উত্তর বাঙালির জানা নেই। মোদি সরকারের অর্থনীতির পণ্ডিতরা বাতলে দেবেন দয়া করে? 
03rd  September, 2019
জন্মদিনে এক অসাধারণ নেতাকে কুর্নিশ
অমিত শাহ

 আজ, মঙ্গলবার আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬৯তম জন্মদিন। অল্প বয়স থেকেই মোদিজি নিজেকে দেশের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। যৌবন থেকেই তাঁর মধ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়নে কাজের একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে মোদিজির শৈশবটা খুব সুখের ছিল না। বিশদ

ব্যাঙ্ক-সংযুক্তিকরণ কতটা সাধারণ মানুষ এবং সামগ্রিক ব্যাঙ্কব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে?
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

অনেকগুলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে দেশে সরকারি ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা হল আর সংযুক্তির পর চারটি এমন বেশ বড় ব্যাঙ্ক তৈরি হল, আকার আয়তনে সেগুলিকে খুব বড় মাপের ব্যাঙ্কের তকমা দেওয়া যাবে। এসব ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে দেশের অর্থনীতির খুব উপকার হবে।  
বিশদ

16th  September, 2019
রাজনীতির উত্তাপ কি পুজোর আমেজ
জমে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
শুভা দত্ত

 পরিস্থিতি যা তাতে এমন কথা উঠলে আশ্চর্যের কিছু নেই। উঠতেই পারে, উঠছেও। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের মুখে প্রায় প্রতিদিনই যদি কিছু না কিছু নিয়ে নগরী মহানগরীর রাজপথে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে, পুলিস জলকামান, লাঠিসোঁটা, কাঁদানে গ্যাস, ইটবৃষ্টি, মারদাঙ্গা, রক্তারক্তিতে যদি প্রায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনজীবন ব্যবসাপত্তর উৎসবের মরশুমি বাজার কিছু সময়ের জন্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এমন কথা এমন প্রশ্ন ওঠাই তো স্বাভাবিক।
বিশদ

15th  September, 2019
আমেরিকায় মধ্যবয়সের
সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়া
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

যে বয়সে পৌঁছে দূরের আত্মীয়স্বজন ও পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ক্রমশ আগের মতো সম্ভব হয় না, সেই প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জীবনে ইন্টারনেট এক প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কারণে যে, নিঃসঙ্গতা এমন এক উপসর্গ যা বয়স্ক মানুষদের শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। বিশদ

14th  September, 2019
মোদি সরকারের অভূতপূর্ব কাশ্মীর পদক্ষেপ পরবর্তী ভারতীয় কূটনীতির সাফল্য-ব্যর্থতা
গৌরীশঙ্কর নাগ

 এই অবস্থায় এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ৩৭০ ধারা বিলোপ পর্বের প্রাথমিক অবস্থাটা আমরা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি।
বিশদ

14th  September, 2019
ব্যর্থতা নয়, অভিনন্দনই
প্রাপ্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের
মৃণালকান্তি দাস

 কালামের জেদেই ভেঙে পড়েছিল ইসরোর রোহিনী। না, তারপরেও এ পি জে আব্দুল কালামকে সে দিন ‘ফায়ার’ করেননি ইসরোর তদানীন্তন চেয়ারম্যান সতীশ ধাওয়ান! বলেননি, ‘দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কালামকে’! তার এক বছরের মধ্যেই ধরা দিয়েছিল সাফল্য। ধাওয়ানের নির্দেশে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সেই কালাম-ই। তাঁর কথায়, ‘ওই দিন আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ পাঠ পেয়েছিলাম। ব্যর্থতা এলে তার দায় সংস্থার প্রধানের। কিন্তু,সাফল্য পেলে তা দলের সকলের। এটা কোনও পুঁথি পড়ে আমাকে শিখতে হয়নি। এটা অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত।’ বিশদ

13th  September, 2019
রাষ্ট্রহীনতার যন্ত্রণা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভিক্টর নাভরস্কি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করলেন, তিনি আচমকাই ‘রাষ্ট্রহীন’ হয়ে পড়েছেন। কারণ, তাঁর দেশ ক্রাকোজিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির কাছে মানবিকতার নিরিখে ক্রাকোজিয়ার আর কোনও ‘অস্তিত্ব’ নেই।
বিশদ

10th  September, 2019
জাতির গঠনে জাতীয় শিক্ষানীতি
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

 অভিধান অনুসরণ করে বলা যায়, পঠন-পাঠন ক্রিয়াসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতালব্ধ মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর প্রক্রিয়াই শিক্ষা। জ্ঞানকে বলা হচ্ছে অভিজ্ঞতালব্ধ প্রতীতি। শিক্ষা দ্বারা অর্জিত বিশেষ জ্ঞানকে আমরা বিদ্যা বলি। কালের কষ্টিপাথরে যাচাই করে মানুষ আবহমান কাল ধরে নিজ অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানরাশিকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পুস্তকের মধ্যে লিখে সঞ্চিত করে গেছে।
বিশদ

09th  September, 2019
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শতবর্ষে ভারত প্রান্তিক রাষ্ট্র থেকে প্রথম দশে, লক্ষ্য শীর্ষস্থান
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির মুখে উড্রো উইলসন সমেত বিশ্বের তাবড় নেতারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। যুদ্ধের রাহুর গ্রাস থেকে এই সুন্দর পৃথিবীকে কীভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত ছিলেন। উইলসন বুঝতে পেরেছিলেন মানুষের মগজে রয়েছে যুদ্ধের অভিলাষ। যুদ্ধভাবনা মুছে ফেলে শান্তিভাবনা প্রতিষ্ঠা করা দরকার।
বিশদ

09th  September, 2019
পুজোর মুখে বিপর্যয়: ঘরে বাইরে

 দুর্ঘটনা বিপর্যয় তো আর জানান দিয়ে আসে না! নেপালের ভূমিকম্প কি আমাদের আয়েলার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কত মানুষ ঘর-সংসার সব হারিয়ে রাতারাতি সর্বস্বান্ত হয়েছেন, কত সংসার উজাড় হয়ে গেছে—শত চেষ্টাতেও সেই ক্ষত পুরোটা পূরণ করা গিয়েছে কি? যায়নি। এই বউবাজারে রশিদ জমানার সেই ভয়ানক বিস্ফোরণের পর কত লোকের কত সর্বনাশ হয়েছিল—কজন তার বিহিত পেয়েছিলেন? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে সেপ্টেম্বরের শুরুতে বউবাজারে বাড়ি ধসে যে ক্ষতি বাসিন্দাদের হল তাতে তাই ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ বললে কিছুমাত্র ভুল হয় না। বিশদ

08th  September, 2019
বন্ধ হোক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পঞ্চায়েত দখল
তন্ময় মল্লিক

পঞ্চায়েত কারও চোখে স্থানীয় সরকার, কারও চোখে উন্নয়নের হাতিয়ার, কারও চোখে চোর তৈরির কারখানা। পঞ্চায়েত সম্পর্কে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হলেও একটা ব্যাপারে প্রায় সকলেই এক মত, পঞ্চায়েত আসলে মধুভাণ্ড। এই মধুভাণ্ডের নাগাল পাওয়া নিয়েই যত মারামারি, বোমাবাজি, খুনোখুনি। এই পঞ্চায়েতই নাকি এবার পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা ভোটে ওলট-পালটের নাটের গুরু।
বিশদ

07th  September, 2019
অজানা ভবিষ্যৎ
সমৃদ্ধ দত্ত

টাকা কোথায় গেল? একের পর এক গ্রামবাসীর টাকা উধাও। সকলে সেই অফিসে আবার গেলেন। তারা এবার ভালো করে কম্পিউটার চেক করে বললেন, তোমাদের আগে যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল সেটা তো চেঞ্জ হয়েছে। এখানে নতুন এক অ্যাকাউন্ট দেখাচ্ছে। ওখানেই গেছে টাকা। প্রমোদকুমাররা জানেই না কোথায় নতুন অ্যাকাউন্ট! এক সহৃদয় ব্যাঙ্ককর্মী আবিষ্কার করলেন মোবাইল সার্ভিস প্রভাইডার কোম্পানি পেমেন্ট ব্যাঙ্ক চালু করেছে। ওই যে ফোনে আধার নম্বর চাওয়া হল এবং প্রমোদকুমাররা গিয়ে লিংক করিয়ে এলেন, আসলে ওই আধার নম্বরের মাধ্যমে তাঁদের অজ্ঞাতেই তাঁদের নামে পেমেন্ট ব্যাঙ্ক ‌অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে গিয়ে সেই অ্যাকাউন্টই শো করতে শুরু করেছে সরকারি দপ্তরে। আর সব টাকা সেখানে যাচ্ছে।
বিশদ

06th  September, 2019
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ১৬ সেপ্টেম্বর: জুরিখে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের উড়ানের তিন ঘণ্টা দেরি নিয়ে ‘সম্পূর্ণ তদন্তের’ নির্দেশ দিল এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে। রবিবার জুরিখ থেকে স্লোভেনিয়া যাওয়ার কথা ছিল রাষ্ট্রপতি। ...

  জেসাস রদ্রিগেজের এখনও মনে পড়ে এক যুগ আগের সেই দিনটির কথা। যেদিন ঘরের প্রিয় সব আসবাবপত্র বিক্রি করে দিতে হয়েছিল তাঁকে। সন্তানরা খুব অবাক ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: দলসিংপাড়ায় রবিবার রাতে ১৫টি তক্ষক উদ্ধার করলেন স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের কর্মীরা। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনজনকে। বনদপ্তরের উত্তরবঙ্গ স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের কর্মীরা ...

পবিত্র ত্রিবেদী, কলকাতা: গতবারের মতো এবারও দুর্গাপুজোয় শিশু-কিশোরদের দিতে চমক দিতে তৈরি সল্টলেক এফডি পার্কের দুর্গা পুজো। সেখানে এবার মণ্ডপসজ্জায় ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে গালিভার্স ট্রাভেলস। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় নজর দেওয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত পরিশ্রমে শরীরে অবনতি। নানাভাবে অর্থ অপচয়। কর্মপরিবর্তনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৭: চিত্রশিল্পী গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম
১৯১৫: চিত্রশিল্পী এম এফ হুসেনের জন্ম
১৯৫০: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্ম
১৯৮৬: ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের জন্ম
১৯৯৯: কবি ও গীতিকার হসরত জয়পুরির মৃত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৯৩ টাকা ৭৩.০৮ টাকা
পাউন্ড ৮৭.১৪ টাকা ৯১.৩৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৫ টাকা ৮১.০৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯৫৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬, ১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬, ২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ ভাদ্র ১৪২৬, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ২৭/৪৪ অপঃ ৪/৩৩। অশ্বিনী অহোরাত্র। সূ উ ৫/২৭/১৪, অ ৫/৩৫/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৫৩ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/৯ গতে ৪/৪৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/২২ মধ্যে পুনঃ ৮/৪৫ গতে ১১/৭ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ৩/৫ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৮ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১/৩ গতে ২/৩৪ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৬ গতে ৮/৩৫ মধ্যে। আজ শ্রীশ্রীবিশ্বকর্মা পূজা
৩০ ভাদ্র ১৪২৬, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ২১/৫৫/১১ দিবা ২/১২/৫৬। অশ্বিনী ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৫/২৬/৫২, অ ৩/৩৭/৩২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৫২ গতে ১০/১৭ মধ্যে ও ১২/৪২ গতে ২/২৯ মধ্যে ও ৩/৬ গতে ৪/৪৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২০ মধ্যে ও ৮/৪৩ গতে ১১/৭ মধ্যে ও ১/২৮ গতে ৩/৪ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৮/১২ গতে ৮/২৯/৩২ মধ্যে, কালবেলা ১/৩/৩২ গতে ২/৩৪/৫২ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৬/১২ গতে ৮/৩৪/৫২ মধ্যে।
১৭ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৬৪২ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:58:13 PM

মালদহ মেডিক্যাল কলেজের শৌচাগারে উদ্ধার রোগীর ঝুলন্ত দেহ, চাঞ্চল্য 

03:41:33 PM

মেট্রোর কাজে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের
 

বউবাজার ধস কাণ্ডে মেট্রোর টানেলের কাজে অর্ন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা ...বিশদ

03:41:00 PM

চুঁচুড়ায় একটি বাড়িতে আগুন 
হুগলির চুঁচুড়া এলাকার সুজনবাগানে একটি বাড়িতে বিধ্বংসী আগুন। খবর পেয়ে ...বিশদ

03:39:28 PM

কোচবিহারে পুলিসের গাড়িতে হামলা, জখম ৮ 
মাথাভাঙা-১ ব্লকের নয়ারহাট এলাকায় পুলিসের গাড়িতে হামলার অভিযোগ। আহত হয়েছেন ...বিশদ

02:31:22 PM

৭০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

02:31:09 PM