Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি। একদিকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির ক্ষেত্রে এটা যেমন ছিল অভূতপূর্ব নতুন অধ্যায়ের সূচনা তেমনি সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরাধিকার প্রাপ্ত রাশিয়ায় যে সার্বিক সঙ্কট, মুদ্রাস্ফীতি, অর্থনীতিতে শক-থেরাপি, রাজনীতিতে নাটকীয়ভাবে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা এবং সর্বোপরি যে বিষয়টি আরও আলোড়ন তুলেছিল তা হল বাহ্যিক সম্পর্কের দিক থেকে তার ক্ষমতা এতটা হ্রাস পেয়েছিল যে রাশিয়া আর পাঁচটা মাঝারি ইউরোপীয় রাষ্ট্রের মতোই মামুলি একটা রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল। পতনের এই মাধ্যাকর্ষণ থেকে রাশিয়াকে কেউ যদি টেনে বের করতে পারেন, তবে তিনি ভ্লাদিমির পুতিন।
ইতিমধ্যেই সুবিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের ২০০৭-এর রেটিংয়ে তাঁকে 'A Man of steel confidence and strength' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এটা বলার পিছনে একটা গভীর ব্যঞ্জনা রয়েছে। তা হল ঠান্ডা যুদ্ধের অবসানে অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে নতুন যে বিশ্ব ব্যবস্থার আবির্ভাব ঘটছিল, তাতে মার্কিন নেতৃত্বে পশ্চিমি শক্তিজোট বেশ খানিকটা স্বস্তিবোধ করেছিল এটা ভেবে যে, এবার হয়তো পশ্চিমি উদারনীতিবাদ, মানবাধিকার, মুক্ত বাজারের মাধ্যমে একতরফা আধিপত্য কায়েম করা যাবে। কিন্তু এইসব নতুন মূল্যবোধের ভিত্তিতে শুধু নতুন বিশ্বব্যবস্থার কথা বললেই তো হল না, তার জন্য চাই নতুন নেতৃত্ব, মজবুত ব্যক্তিত্ব, দৃঢ়তার নতুন প্রযুক্তি। এই সবকিছুই যদি কোনও রাষ্ট্রনায়কের মধ্যে মূর্ত হয়ে উঠে থাকে তবে যাঁর নাম প্রথমেই উঠে আসবে নিঃসন্দেহে তিনি হলেন ভ্লাদিমির পুতিন।
কিন্তু কী সেই বিশ্বব্যবস্থা যা পশ্চিমের পাল্টা বিতর্ক হিসেবে পুতিন তৈরি করতে চাইছেন? বলাবাহুল্য, পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার যে একতরফা আগ্রাসী মনোভাবের প্রতিফলন ঘটছে—তাকে আর যাইহোক ঠিক ‘গণতান্ত্রিক’ এমনটা বলা যায় না। ইউরোপের অশান্ত পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে, বিশেষত ব্রেক্সিট নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও অচলাবস্থায় গোটা ইউরোপ যখন একপ্রকার মুহ্যমান, তখন আমরা দেখেছি কীভাবে রাশিয়া ক্রিমিয়াকে অধিগ্রহণ করে নিয়েছে। এই ইস্যুতে রাশিয়ার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে সমমনস্ক চীন, উত্তর কোরিয়া ও ইরান। এখান থেকে যদি একটা সরলরেখা টানা যায় তাহলে বিশ্ব রাজনীতিতে এই ঘটনার সুদূরপ্রসারী তাৎপর্য পরিষ্কার হয়ে যায়।
যদি রাজনৈতিক চিন্তার দিক থেকে আমরা দেখি, তাহলে এ কথা অস্বীকার করা যায় না যে আমরা বাধা অতিক্রম করে ক্রমশ মুক্ত গণতান্ত্রিক লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কার্ল পপার বা ইসিয়া বার্লিনের মতো বিংশ শতকের উজ্জ্বল উদারনৈতিক চিন্তাবিদদের মতে উদারনীতির সড়ক ধরে যে যাত্রা তা খুব একটা সহজ নয়। ইতিমধ্যেই চীন-রাশিয়ার নৈকট্য সেই অশনি সংকেতের সম্ভাবনাকেই উসকে দিচ্ছে। ২৩ জুলাই জাপান সাগর ও পূর্ব চীন সাগরে রাশিয়া ও চীনের যৌথ বিমান মহড়া একদিকে যেমন জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে, তেমনি এই বিমান মহড়ার টার্গেট যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অবশ্য রাশিয়ার পক্ষেও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক নয়। তার কারণ পশ্চিমে অবস্থিত জার্মানি ও বিশেষত ইউক্রেন সবসময়ই রাশিয়ার ভয়ে কণ্টকিত। ফলে একটা গভীর অস্থিরতার বাতাবরণকে যেন কোনওভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না।
রাশিয়া যেন সবকিছুতেই NATO-র গন্ধ পাচ্ছে। এই বোধ থেকে ২০১৮-র নভেম্বরে রাশিয়ার নৌবাহিনী আজভ সাগরের দিকে অগ্রসর হওয়া ইউক্রেনের জাহাজগুলিকে আটক করেছিল এই অজুহাতে যে এর পিছনে NATO-কে আজভ সাগরে ইউক্রেন ডেকে আনার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এটা যদি হয় মুদ্রার একদিক, তবে মুদ্রার অন্যদিকটাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তা হল ঠান্ডা যুদ্ধের অবসানে হাতে চাঁদ পাওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন বিশ্বব্যবস্থাকে পরিচালনা করার মতো কতটা প্রযুক্তি ও ‘ভিশন’ রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে আমরা ইতিমধ্যেই যেসব মারাত্মক ঘটনার অভিঘাত দেখলাম তাতে একটি বিষয় পরিষ্কার—শুধু চীন নয়, ইরানের মতো মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক শক্তি, এমনকী লাতিন আমেরিকার ভেনেজুয়েলার মতো শক্তিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে টক্কর দেওয়ার চেষ্টা করছে। শুধু কি তাই? হিসেব দিতে গেলে দীর্ঘ তালিকা পূর্ণ হয়ে যাবে। এর সাম্প্রতিকতম দৃষ্টান্ত এরদোগানের তুরস্ক। তুরস্ক যদি রাশিয়ার থেকে S400 প্রযুক্তি কেনে, তাহলে তাকে F35-এর মতো উন্নত প্রযুক্তির বিমান দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অস্বীকার করে। অনেকে ভেবেছিল এই চাপের কাছে তুরস্ক মাথা নোয়াবেই। কিন্তু আদতে তুরস্ক নিজের জেদে অনড় থাকে। পরিবর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেই তার অবস্থান পরিবর্তন করতে হয়েছে। বলা হয়েছিল অনুরূপ প্রযুক্তি কিনলে ভারতকেও CAATSA-র নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে হবে। নানা ইস্যুতে ব্যতিব্যস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নিষেধাজ্ঞা এখনও অবধি প্রয়োগ করেনি।
ভারতের পক্ষে রাশিয়ার উত্থানের তাৎপর্য কোথায়—সেই ভাবনার পরিপ্রেক্ষিত থেকে দেখলে এটা অবশ্যই ভারতের পক্ষে অশনি সংকেত যে চীন-রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা যত বাড়বে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়বে চীনের একতরফা উন্নাসিকতা। সেই সঙ্গে অতি সম্প্রতি আমরা দেখেছি ট্রাম্পের সঙ্গে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বৈঠক, যেখানে অনিবার্যভাবে কাশ্মীর ইস্যু উঠে এসেছে। ফলে ভারতের উপরে চাপ বাড়ছে। তবে কি ব্যালেন্স অফ পাওয়ারের জন্য রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের পুরনো বন্ধুত্বের প্রয়োজন হবে? তবে সাম্প্রতিককালে ভারতের বিদেশনীতি অনুধাবন করলে আমরা দেখব রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আমরা সেভাবে নিতে পারিনি। তবে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের পাশে এবার রাশিয়াও। অন্যদিকে আমরা দেখেছি চীনকে মোকাবিলা করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অফ শোর ব্যালেন্সিং’ এবং মার্কিন ঘেঁষা ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি। এমনকী আফ্রিকায় ভারতের জোরদার কূটনৈতিক তৎপরতাও আমরা দেখছি। এরমধ্যে রাশিয়ার উপস্থিতি বেশ গৌণ। অবশ্য এরমধ্যে প্রচ্ছন্ন রয়েছে ভারতের পোস্ট-কোল্ড ওয়ার দৃষ্টিভঙ্গি। মাল্টিপোলারিটির মধ্যে ভারত নিজেকেও একটি মেরু হিসেবে ধরে নিয়ে আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে।
কিন্তু শুধু চাইলেই তো হল না। দক্ষিণ এশিয়ায় এখনও যে অঞ্চলটি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে তার নাম আফগানিস্তান। ইতিমধ্যে কাতারের দোহায় বেশ কয়েক রাউন্ড আলোচনার পরেও শান্তির নিশ্চয়তা বিশবাঁও জলে। সেখানে ভারতের ভূমিকা কী হবে—তা দেখার বিষয় বইকি। ইতিমধ্যে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিতে ভারতের বক্তব্য অনুপস্থিত। অথচ মনে রাখা দরকার তাজাকিস্তানে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করে উত্তরের জোটকে ভারতই প্রথম সামরিক সাহায্য করেছিল।
আজ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভারতের কণ্ঠস্বর স্তিমিত। সেখানে ভারতকে যদি গুরুত্ব পেতে হয় তবে রাশিয়ার থেকে জোরালো সমর্থন পাওয়া দরকার। শুধু মার্কিন সাহায্য পেলেই হবে না মধ্য এশিয়ায় প্রবেশ করতে গেলে আফগানিস্তানই হল ভারতের কাঙ্ক্ষিত প্রবেশদ্বার।
অধিকর্তা, অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান সেন্টার ফর সাউথ এশিয়ান স্টাটিজ, সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়
12th  August, 2019
আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। বিশদ

অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

 ১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। বিশদ

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। বিশদ

22nd  August, 2019
চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

22nd  August, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 ইসলামাবাদ, ২২ আগস্ট (পিটিআই): সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভার অধিবেশন চলাকালীন নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর নির্দেশ দিলেন ইমরান খান। কাশ্মীর ইস্যুকে সামনে রেখে তাঁর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের নেতা-কর্মীদের এই নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: জিয়াগঞ্জ শহরের ভট্টপাড়ায় ভাগীরথীর পাশে সবুজে ঘেরা পরিবেশে ভবঘুরেদের জন্য চারতলা ঝাঁ চকচকে আবাসন তৈরি হলেও তা এখন ফাঁকা পড়ে। ৫০শয্যার ‘ভালোবাসা’য় চলতি বছরের প্রথম থেকেই শহর বা পুরসভা এলাকার ভবঘুরেদের নিয়মিত থাকা-খাওয়ার কথা থাকলেও তাঁদের দেখা নেই। ...

 অমিত চৌধুরী, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর থানার কেশবচক পঞ্চায়েতের নছিপুর বারোয়ারিতলার মাটির তৈরি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্যার জলে বছর দুয়েক আগে ভেঙে গিয়েছে। ত্রিপল টাঙিয়ে চলছে পড়াশোনা। সাপের ভয়ে শিশুদের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৮-কথা সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪- অভিনেত্রী সায়রাবানুর জন্ম
১৯৯৪- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী সাঁতারু আরতি গুপ্তর (সাহা) মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ৭/৪ দিবা ৮/৯। কৃত্তিকা ৫৬/৯ রাত্রি ৩/৪৭। সূ উ ৫/১৯/৪১, অ ৫/৫৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৭/৫১ গতে ১০/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, অষ্টমী ৫৫/৩০/৩৯ রাত্রি ৩/৩১/১। কৃত্তিকানক্ষত্র ৪৭/২৮/৩০ রাত্রি ১২/১৮/৯, সূ উ ৫/১৮/৪৫, অ ৬/২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৫২ গতে ১০/২০ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/২৭ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৬/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫১ মধ্যে ও ৩/৪ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯/৩৭ গতে ১০/৫/৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৩ গতে ১১/৪০/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫১/২১ গতে ১০/১৫/৫৫ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি 
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি প্রকাশ করল ইসরো ...বিশদ

22-08-2019 - 08:25:16 PM

২৬ আগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমের সিবিআই হেফাজত 
পি চিদম্বরমের ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আজ সিবিআই঩য়ের ...বিশদ

22-08-2019 - 06:50:00 PM

ফের আক্রান্ত পুলিস, এবার আমতায়
ফের একবার পুলিসকে মারধর করে উদি ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:49:07 PM

রায়গঞ্জে বিজেপি সমর্থকের কান কাটার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 
রায়গঞ্জের পূর্বপাড়া এলাকায় হাঁসুয়া দিয়ে এক মহিলার কান কেটে নেওয়ার ...বিশদ

22-08-2019 - 04:21:05 PM

তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে গোলমাল, জখম ১ 
তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য এবং অখিল ভারতীয় ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:52 PM

চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই
সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পি চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:00 PM