Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী তো তাঁর মর্মান্তিক প্রয়াণের সময়ও সভাপতি পদেই বৃত ছিলেন। আর রাহুল তো মাত্র কয়েক মাস আগেও জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে লোকসভা ভোট লড়েছেন।
কিন্তু, এবারের লোকসভা ভোটের ফলে কংগ্রেসের গুরুতর বিপর্যয়ের পর তার দায় নিয়ে সভাপতি পদ থেকে রাহুল গান্ধী সরে দাঁড়ানোর পর কংগ্রেসের অন্দরে এক অভূতপূর্ব নেতৃত্বহীনতা দেখা দিল! কংগ্রেসের নবীন, প্রবীণ, প্রৌঢ় কোনও শীর্ষ নেতা-নেত্রীই সভাপতি হতে আগ্রহী নন! সকলেই দফায় দফায় রাহুলজিকে অনুরোধ, উপরোধ করে চলেছেন—আপনি ফিরে আসুন পদে, আপনার নেতৃত্বে দল নরেন্দ্র মোদিজির গেরুয়া ব্রিগেডের বিরুদ্ধে লড়াই করবে জান বাজি রেখে—দেশ ও দশের স্বার্থে আগামী দিনের ভারতে ফের একবার কংগ্রেসের তেরঙ্গাকে স্বমহিমায় সগৌরবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংগ্রামে সভাপতি হিসেবে আপনি নেতৃত্ব দিন—সভাপতি তথা নেতা হিসেবে আপনাকে ছাড়া এই মুহূর্তে কোনও বিকল্প নেই আমাদের ইত্যাদি প্রভৃতি কত কী! হরেক নেতার হরেক দাবি, হরেক প্রার্থনা। কিন্তু, রাহুল গান্ধী অনড়। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন—সভাপতি পদে তিনি আর ফিরছেন না। অবশ্যই এখানে ‘আপাতত’ কথাটা যোগ করে নিতে হবে। কারণ, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু হয় না।
কিন্তু, যেটা লক্ষণীয়, রাহুল না করে দেওয়ার পর গত তিন মাস যাবৎ খালি পড়ে থাকল জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন! গোটা দেশ থেকে একজন সভাপতি খুঁজে পাওয়া গেল না কংগ্রেসে! সংসদে বাংলার অধীর চৌধুরীকে নেতা করে সোনিয়া, রাহুল সামাল দিলেন বটে কিন্তু ‘হাইকমান্ডে’র পাশের চেয়ারটি খালিই রইল দিনের পর দিন। তো, কংগ্রেসের মতো এমন একটা বিরাট ঐতিহ্যশালী দলের শীর্ষস্তরে এমন নেতৃত্বহীনতা দেখলে প্রশ্ন তো উঠবেই—উঠেছেও। কংগ্রেসের সাধারণ কর্মী সমর্থক নেতা-নেত্রী থেকে কংগ্রেস-বিরোধী শিবির মায় দেশের আমজনতা সর্বত্র জিজ্ঞাসা একটাই—রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগতে শুরু করল কেন? গান্ধী ফ্যামিলির বাইরে কি আজ একজনও নেই যিনি আপন রাজনৈতিক যোগ্যতাবলে শক্ত হাতে কংগ্রেসের হাল ধরতে পারেন, হতে পারেন উমেশচন্দ্র, সুরেন্দ্রনাথ, প্যাটেল, নেতাজি, চিত্তরঞ্জন প্রমুখের মতো চিরস্মরণীয় মহারথীদের আধুনিক উত্তরসূরি!?
সত্যি বলতে কি, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের কেন্দ্রীয় উদ্যোগের পর প্রশ্নটা যেন আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। তার অবশ্য সুনির্দিষ্ট কারণও আছে। কারণটা হল, ভারতের সংসদে এত বড় একটা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে গেল, কাশ্মীরের জনগণ ৩৭০ ধারা রদের সঙ্গে সঙ্গে এতদিন পাওয়া বিশেষ সুযোগ-সুবিধা হারাল, এই রদ প্রক্রিয়ায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক রীতিনীতি না মানার অভিযোগ উঠল, দেশের রাজনৈতিক মহল থেকে জনতার দৈনন্দিন জীবন—সর্বত্র এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় তোলপাড় চলছে অথচ, দেশের অন্যতম প্রভাবশালী দল কংগ্রেসের তথাকথিত হাইকমান্ড বা মাস কয়েকের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর তরফে তেমন কোনও সাড়া-শব্দ নেই! বরং ঘটনার দিন সংসদে কংগ্রেসের পক্ষে অধীর চৌধুরীর বক্তব্য শাসক বিজেপি তথা মোদি, অমিত শাহ জুটিকে সন্তুষ্ট করতে পারুক না পারুক সনিয়া-রাহুলের পক্ষে প্রীতিকর হয়নি বলেই খবর!
অন্যদিকে দেখা গেল—কংগ্রেসের তরুণ-প্রবীণ ব্রিগেডের কয়েকজন নেতার মন্তব্যেও ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে সেই মিশ্র-ভাবনার প্রকাশ ঘটেছে! গত বুধবার রাতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে পর্যন্ত ৩৭০ নিয়ে গরিষ্ঠ জনমতের পক্ষ নেওয়ার জন্য সওয়াল ওঠে বলে খবর! বৈঠকে উপস্থিত কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ সেই সূত্রে মোদিজি, অমিত শাহের ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত সমর্থনের কথা বলেন। অবশ্য, রাহুল গান্ধী সেই ভাবনা সরাসরি নাকচ করে দিয়ে পাল্টা লড়াইয়ের কথা বলেন। চিদম্বরম, আহমেদ প্যাটেলের মতো প্রবীণ এবং প্রিয়াঙ্কার মতো নবীন নেতা-নেত্রীর সমর্থনে রাহুলের যুক্তিই কমিটি বৈঠকে শেষ পর্যন্ত মান্যতা পায়। কিন্তু, ৩৭০ বাতিল নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরের মতপার্থক্যটি তাতে কতটা আড়াল করা গিয়েছে তা নিয়ে রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞমহলে যথেষ্ট সংশয় ছড়িয়েছে।
তার প্রমাণও মিলেছে। জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে দল যে দ্বিধার ভাবটা কাটিয়ে উঠতে পারেনি—গত বৃহস্পতিবার সংসদে অধীর চৌধুরী ও গুলাম নবি আজাদের বিতর্কিত মন্তব্য এবং পরবর্তীতে কংগ্রেস নেতা কর্ণ সিং ও তাঁর পুত্রের বক্তব্য তার প্রমাণ। গুলাম নবি বলে দিলেন, কাশ্মীরের মানুষজনকে টাকা দিয়ে কেনা যায় আর অধীর কাশ্মীরের বর্তমান অবস্থাকে ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে’র সঙ্গে তুলনা করে বিতর্ক বাধালেন। অন্যদিকে কর্ণ সিং ও তাঁর পুত্র বিক্রমাদিত্য মোদি-শাহের ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তকে ভূস্বর্গে নতুন যুগের সূচনা বলে অস্বস্তিতে ফেললেন দলকে! শুধু তাই নয়, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার মতো আরও কেউ কেউ এমনভাবে কেন্দ্রের ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তের পক্ষে-বিপক্ষে দাঁড়িয়ে—বর্তমান ক্ষেত্রে জাতীয় কংগ্রেসের রাজনৈতিক ভূমিকা কেবল ধোঁয়াশাচ্ছন্নই করে তোলেননি, পরন্তু সোনিয়া-রাহুল-প্রিয়াঙ্কা ঘোষিত বিরোধিতার নীতির গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। ফলে, শাসক পদ্মদলের ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দলের লাইন কী হবে তা নিয়ে রীতিমতো ধন্দে পড়ে গেছেন কংগ্রেসের উপর থেকে নিচুতলার প্রায় সকলেই। এবং প্রতিপক্ষের সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী দল কংগ্রেসের অন্দর-বাহিরের এই দ্বিধা দোলাচল, রাজনৈতিক নীতি নির্ধারণে এই মতপার্থক্যে সঙ্গত কারণেই বিশেষ স্বস্তিতে পদ্ম শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। কংগ্রেসের এই টালমাটাল কাটতে কাটতে জম্মু-কাশ্মীর-লাদাখের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে, দেশের নানা প্রান্তে ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে প্রতিবাদের যেটুকু ঢেউ-তরঙ্গ উঠেছে তাও মিলিয়ে যাবে, তখন এ নিয়ে আন্দোলনে নামা কংগ্রেসের পক্ষে খুব সুবিধেজনক হবে না—এমনই ধারণা শাসক বিজেপি’র। অন্তত তথ্যভিজ্ঞজনেদের অনেকে তেমনই বলছেন।
কিন্তু, এত বড় একটা দলে এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এত বিপরীত মত আসছে কেন? তাহলে কি দলের শীর্ষস্তরে সোনিয়া-রাহুলের মানে গান্ধী পরিবারের কর্তৃত্ব শিথিল হতে শুরু করেছে, ‘হাইকমান্ডে’র সার্বজনিক মান্যতায় টান পড়ছে? দলে গান্ধী পরিবারের বাইরের প্রভাব বাড়ছে? তাই যদি, তবে তিন মাসে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরে থেকে একজন যোগ্য সভাপতি খুঁজে পাওয়া গেল না কেন? তাহলে কি প্রকৃত অর্থেই যোগ্য বলিষ্ঠ নেতৃত্বের খরা দেখা দিয়েছে স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জাতীয় কংগ্রেসে? অন্যগুলো নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও শেষ প্রশ্নটিতে দেখা যাচ্ছে অনেকেই সহমত। ইন্দিরার আমল থেকেই কংগ্রেস পুরোপুরিভাবে গান্ধী পরিবার নির্ভর। সীতারাম কেশরী বা নরসীমা রাওয়ের মতো যাঁরা সভাপতি হয়েছেন তাঁরা কার্যত গান্ধী পরিবারের নির্দেশ-নীতিকে শিরোধার্য করেই কাজ চালিয়েছেন। ফলে সভাপতির চেয়ারে যে-ই থাকুন গান্ধী পরিবারের কর্তৃত্ব ও শাসনই বহাল থেকেছে কংগ্রেসে—নিন্দুকেরা তেমনটাই বলেন। শনিবার এই লেখা যখন লেখা হচ্ছে তখনও সভাপতি ঠিক হয়নি কংগ্রেসে। ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হচ্ছে। কুমারী শৈলজা মল্লিকার্জুন খাড়গে, মুকুল ওয়াসনিক, বেণুগোপালের মতো কিছু নাম উড়ছে বাতাসে।
শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে সেটা রাজনীতির ভাগ্যদেবতা জানেন। আমরা কেবল অতীত অভিজ্ঞতার নিরিখে এটুকুই অনুমান করতে পারি—সভাপতি পদে যিনিই মনোনীত হোন—তিনি গান্ধী পরিবারের বিশেষ প্রীতিভাজন হবেন। কিন্তু, আপন রাজনৈতিক দক্ষতা কৌশলে আজকের এই দিশেহারা জাতীয় কংগ্রেসকে তিনি কতটা দিশা দিতে পারবেন, জাতীয় রাজনীতিতে তার হৃত মহিমা কতটা ফেরাতে পারবেন তা বলবে সময়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই মনে করেন, সময়ের সেই পরীক্ষায় নয়া সভাপতির সাফল্যই নেতৃত্বহীনতার চলতি দুর্বলতা থেকে কংগ্রেসকে রেহাই দিতে পারে। না হলে ফের গান্ধী রাহুলেরই দ্বারস্থ হতে হবে কংগ্রেসকে। কংগ্রেসে গান্ধী-পরিবার নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার স্বপ্ন যাঁরা দেখেন তাঁদের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। নান্য পন্থা।
11th  August, 2019
আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। বিশদ

অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

 ১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। বিশদ

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। বিশদ

22nd  August, 2019
চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

22nd  August, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, লালবাগ: জিয়াগঞ্জ শহরের ভট্টপাড়ায় ভাগীরথীর পাশে সবুজে ঘেরা পরিবেশে ভবঘুরেদের জন্য চারতলা ঝাঁ চকচকে আবাসন তৈরি হলেও তা এখন ফাঁকা পড়ে। ৫০শয্যার ‘ভালোবাসা’য় চলতি বছরের প্রথম থেকেই শহর বা পুরসভা এলাকার ভবঘুরেদের নিয়মিত থাকা-খাওয়ার কথা থাকলেও তাঁদের দেখা নেই। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 নয়াদিল্লি, ২২ আগস্ট (পিটিআই): বুধবার রাতে নাটকীয় পরিস্থিতিতে গ্রেপ্তারের পর জেলে রাত কাটানো ভিআইপি তালিকায় ঢুকে পড়লেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। আইএনএক্স মিডিয়ায় ৩০৫ কোটি ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চার বছরের বি টেক করতে করতে মাঝপথে কোর্স ছেড়ে দিতে পারবেন ছাত্রছাত্রীরা। সেরকম সংস্থান রাখা হবে। সেই পড়ুয়া যে ক’বছর পড়বেন, তার স্বীকৃতি দেওয়া হবে। পরে অবশ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো কোর্স শেষ করার সুযোগ থাকবে তাঁর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৮-কথা সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪- অভিনেত্রী সায়রাবানুর জন্ম
১৯৯৪- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী সাঁতারু আরতি গুপ্তর (সাহা) মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ৭/৪ দিবা ৮/৯। কৃত্তিকা ৫৬/৯ রাত্রি ৩/৪৭। সূ উ ৫/১৯/৪১, অ ৫/৫৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৭/৫১ গতে ১০/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, অষ্টমী ৫৫/৩০/৩৯ রাত্রি ৩/৩১/১। কৃত্তিকানক্ষত্র ৪৭/২৮/৩০ রাত্রি ১২/১৮/৯, সূ উ ৫/১৮/৪৫, অ ৬/২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৫২ গতে ১০/২০ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/২৭ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৬/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫১ মধ্যে ও ৩/৪ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯/৩৭ গতে ১০/৫/৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৩ গতে ১১/৪০/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫১/২১ গতে ১০/১৫/৫৫ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি 
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি প্রকাশ করল ইসরো ...বিশদ

22-08-2019 - 08:25:16 PM

২৬ আগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমের সিবিআই হেফাজত 
পি চিদম্বরমের ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আজ সিবিআই঩য়ের ...বিশদ

22-08-2019 - 06:50:00 PM

ফের আক্রান্ত পুলিস, এবার আমতায়
ফের একবার পুলিসকে মারধর করে উদি ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:49:07 PM

রায়গঞ্জে বিজেপি সমর্থকের কান কাটার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 
রায়গঞ্জের পূর্বপাড়া এলাকায় হাঁসুয়া দিয়ে এক মহিলার কান কেটে নেওয়ার ...বিশদ

22-08-2019 - 04:21:05 PM

তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে গোলমাল, জখম ১ 
তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য এবং অখিল ভারতীয় ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:52 PM

চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই
সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পি চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:00 PM