Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পঞ্চায়েত নির্বাচন, ৩৭০ কিংবা ৩৫এ
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গ ২০১৮, আর ত্রিপুরা ২০১৯। পঞ্চায়েত ভোটে ফলাফল একইরকম। ঠিক কত আসন সেটা গোনার দরকার নেই। সহজ অঙ্কে বিষয়টা এরকম। ধরা যাক, মোট আসন ১০০, শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৭০টি আসনে। বাকি তিরিশের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের শেষে শাসক দল ২০, বিরোধীরা দশ। পাটিগণিতের অঙ্ক একেবারে মিলে গেল। কোন রাজ্য সেটা বিচার্য বিষয় নয়, কোন রাজনৈতিক দল সেটাও জানার প্রয়োজন নেই।
মূল কথা হল, শাসক কে? সে কতটা দখলদারি রাখতে চাইছে? এই মুহূর্তে দেশে বিজেপির একচ্ছত্র আধিপত্য। সেই কারণেই সংসদে ফটাফট বিল পাশ, ভারতের মানচিত্রের মাথার দিকের রাজ্যে উল্লম্ব বক্ররেখা টেনে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। একটায় বিধানসভা থাকবে, একটায় থাকবে না। কাশ্মীরে দীর্ঘ স্বায়ত্তশাসন সংক্রান্ত বেশ পুরনো কিছু ধারা এক খোঁচায় উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। তাই শুধু অঙ্কের ৩৭০ কিংবা লেজে অক্ষর নিয়ে ৩৫এ, সবই বাতিলের পথে। সেই প্রেক্ষিতে পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত আলোচনা তো তুচ্ছ। ত্রিপুরায় বিজেপিরই সরকার, এবং তারা ক্ষমতায় এসেছে বামেদের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে।
ফলে, সেখানকার পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়জয়কার নিয়ে খুব বেশি ভুরু কোঁচকানোর জায়গা নেই। এমনটাই হওয়া স্বাভাবিক। পশ্চিমবঙ্গ বা ত্রিপুরায় বাম শাসনের ইতিহাসের সঙ্গে এর পার্থক্য কতটা? তা হল, বাম আমলে বিভিন্ন পৌরসভা বা পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দলের দাদাগিরি বজায় থাকলেও, কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিরোধীদেরও অস্তিত্ব ছিল। বাম শাসনের অবসানে বিরোধীদের চিহ্নটুকুও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ত্রিপুরার ক্ষেত্রে আর একটি পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। তা হল ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর বামেদের অবক্ষয় সাংঘাতিক গতিতে হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের থেকেও দ্রুত। বিধানসভায় হারার সময়েও বামেরা যথেষ্ট বাহুবলী দ্বিতীয় শক্তি ছিল। তারপর গত লোকসভা নির্বাচনে ভোট শতাংশের হিসেবে বিজেপি ছিল প্রথম, কংগ্রেস দ্বিতীয় আর বামেরা তৃতীয়। এই পঞ্চায়েত নির্বাচনও সেই পরিসংখ্যানই পেশ করছে। অর্থাৎ বাম শক্তি ক্ষমতা থেকে সরে গেলে প্রধান বিরোধী পক্ষ হিসেবেও নিজেদের অবস্থান বজায় রাখতে পারছে না, চলে যাচ্ছে একেবারে তৃতীয় সারিতে।
বিজেপির যে ভাবনা, তাতে রাজনৈতিকভাবে বামেরাই সবথেকে বড় শত্রু। সুতরাং তাদের মূল লক্ষ্য সংসদীয় গণতন্ত্রে বামেদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া। সেই কাজে অবশ্যই সফল বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গ এবং ত্রিপুরায় ভোট শতাংশে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে বামফ্রন্ট। বাকি শুধু কেরল। সেখানেও এবারের লোকসভা নির্বাচনে আসনের হিসেবে বামেরা শূন্যের কাছাকাছি। লোকসভায় প্রতিনিধিত্বের নিরিখে সারা দেশে এক অঙ্ক পার করতে পারে নি এই জোট।
এখানে প্রশ্ন উঠবেই যে বিজেপি কি সামরিক শক্তি ব্যবহার করে বামেদের নিশ্চিহ্ন করেছে? মোটেই তা নয়। একেবারে সংসদীয় ব্যবস্থার মধ্যে থেকে বামেদের বিরুদ্ধে ঘুঁটি সাজিয়েছে তারা। রণে আর প্রণয়ে নীতির বালাই কখনওই থাকে না। সেটুকু গোলমালের সুযোগ বামেরা তাদের সুসময়ে নিয়েছে। আর সেই হিসেব কড়ায়গণ্ডায় নয়, একেবারে কয়েকগুণ বাড়িয়ে ক্ষমতা দখল করছে বিজেপি। সংসদীয় গণতন্ত্রের পরিধিতে বিজেপির যে আগ্রাসী মনোভাব, তা সামলানোর জন্যে এই সময় প্রস্তুত নয় ভারতের অন্যান্য রাজনৈতিক দল।
এই বিজেপি বাজপেয়ি আমলের বিজেপি নয়। যেখানে বিরোধীদের জন্যে কিছুটা জায়গা রাখা থাকত। নরেন্দ্র মোদি আর অমিত শাহের নেতৃত্বে বিজেপি এখন পুরোপুরি ডানপন্থী। মোটামুটিভাবে সংবিধানের আওতায় থেকে যে কোনও উপায়ে ক্ষমতা দখল তাদের কর্মসূচি। সেই পথেই চলছে তারা। কর্ণাটক দখল হয়ে গেছে বিধায়ক সরিয়ে। মধ্যপ্রদেশও টলোমলো। পশ্চিমবঙ্গে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ফল ভালো হওয়ার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন অনেকে। সামনের দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টি বিজেপির কাছে হেরে গেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। দুহাজার কুড়ির শেষের দিকে গোটা দেশে বিজেপি কিংবা বিজেপির বন্ধু সরকার থাকবে প্রায় সব জায়গাতেই। বড়জোর চার পাঁচটি রাজ্যে থাকতে পারে বিরোধী পক্ষ। সেই হিসেবে ছোট্ট ত্রিপুরার পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি তার বিরোধী দলগুলোকে আসন পেতে দুপুরের ভাত মাছের ঝোল সাজিয়ে দেবে এরকমটা ভাবার কোনও কারণ নেই।
বরং বিজেপি এখন এমন একটা ক্ষমতার জায়গায় এসে গেছে যে তারা ঠিক করে নিতে পারে যে কোন রাজ্যে তাদের বিরোধী কে হবে। অবশ্যই সারা দেশের নিরিখে বিজেপির সবথেকে পছন্দের বিরোধী দল কংগ্রেস। দুর্বল নেতৃত্ব সমেত একটি সর্বভারতীয় বিরোধী দলকে খাড়া করে রাখতে পারলে বিভিন্ন নির্বাচনে আঞ্চলিক দলগুলোর ভোট কেটে দেওয়া যায় সঠিক অঙ্কে। ফলে কংগ্রেসকে দ্বিতীয় স্থানে রাখার দায় বিজেপির আছে।
সেই কারণেই বাম-বিদায়ের পর ত্রিপুরায় কংগ্রেসের উত্থান প্রধান বিরোধী দল হিসেবে। যেখানে বিজেপির জিততে কিছুটা সময় লাগবে, সেখানে বাম দলগুলোর তুলনায় কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকা বিজেপির পক্ষে মঙ্গলের। কেরলের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। বামেরা নিশ্চিহ্ন, আর প্রায় সব আসন পেয়েছে কংগ্রেস। কিন্তু বিজেপির অগ্রগতি সেখানে লক্ষণীয়। সামনের বিধানসভা নির্বাচনে কেরল অবশ্যই দেখবে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা। সেখানে বামেরা তিন নম্বরে নেমে গেলে খুব অবাক হওয়ার কিছু নেই। তবে শক্তিশালী আঞ্চলিক দলও তো একেবারে বিনা যুদ্ধে লড়াই ছাড়বে না। সেই হিসেবে আলোচনা করতে হবে তৃণমূলের কথা। তাদের সঙ্গে বিজেপির গোপন আঁতাঁতের তত্ত্ব অবশ্যই বামেদের নির্বাচনী ইস্তাহারে থাকবে।
কিন্তু সেটা না-মেনে যদি সত্যিই বিজেপি এবং তৃণমূলকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা যায়, তাহলে সেখানেও লড়াইটা নিজেদের এক-দুই-এ রেখে বাকিদের অনেকটা পেছনে ফেলে দেওয়া। লক্ষ করলে দেখবেন, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস জোট যথেষ্ট ভোট পেয়ে প্রধান বিরোধী জোট হলেও তারপর থেকে বিজেপির প্রকৃত উত্থান শুরু। পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল গায়ের জোর দেখালেও বিজেপি সেখানে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছিল বেশ ভালোভাবেই। এখানেও সেই একই তত্ত্ব লাগানো যায়, যে রাজ্যের হিসেবে বামফ্রন্ট কিংবা বামঘেঁষা কংগ্রেসের তুলনায় তৃণমূল এবং বিজেপির নিজেদের এক আর দুই-এ রাখাটা অনেক বেশি যুক্তিযুক্ত। যথাক্রমটা তারাই ঠিক করবে।
লোকসভা নির্বাচনেও কংগ্রেস শেষমেশ কোনওভাবে দুটি আসন জোটালেও বামেরা এই রাজ্যে একেবারে শূন্য। অর্থাৎ ২০১৮ এবং ২০১৯-এ ভারতের ক্ষুদ্রতম (পঞ্চায়েত) থেকে বৃহত্তম (লোকসভা) নির্বাচনের সবকটাতেই বামেরা বিপর্যস্ত এবং ভ্যানিশ। বিজেপি রাজনীতির এখানেই চূড়ান্ত সফলতা।
আপাতত যা পরিস্থিতি তাতে বামেদের পক্ষে নতুন করে ক্ষমতায় ফেরা প্রায় অসম্ভব। ‘প্রায়’ শব্দটি যোগ করতে হল কারণ রাজনীতিতে কখনও কখনও অবাক করার মতো কিছু ঘটনা ঘটে। যদিও তার সম্ভাবনা কম। তাহলে বামেরা করবেনটা কি?
একটা সহজ সমাধান দলে দলে বিজেপিতে যোগ দেওয়া, এবং সেই দলের মধ্যে ঢুকে নিজেদের বাম মতামত প্রকাশের চেষ্টা করা। আরএসএস-এর বেশ কিছু কর্মসূচিতে দেশের পিছিয়ে-পড়া মানুষের উন্নয়নের কথা আছে। সেই সমস্ত কাজে যোগ দিতে পারেন বাম নেতৃত্ব। বিজেপিরও এ ব্যাপারে বিশেষ ছুঁতমার্গ নেই। যে-কোনও দল থেকেই লোক নিতে তারা আগ্রহী। আর এর মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু বাম জনপ্রতিনিধি তৃণমূল কিংবা বিজেপিতে ঢুকে আবার ভোটে জিতেছেন।
তবে শিক্ষিত বাম নেতৃত্ব তো এরকম সহজ সমাধান মেনে নেবেন না। সুতরাং জটিল হিসেবে দলটা থাকবে। সেখানে অন্য দলগুলোর তুলনায় হয়তো শিক্ষিত এবং সৎ নেতাকর্মীর ঘনত্ব চূড়ান্ত অবক্ষয় সত্ত্বেও কিছুটা বেশিই হবে। সিপিএমের স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার জন্যে অন্তর্জালে নাম লেখানোর সাম্প্রতিক আহ্বানে অবশ্যই সাড়া দেবেন গুটিকয়েক যুক্তিবাদী যুবক-যুবতী। তবে তাতে আজকের পরিস্থিতিতে ভোট আসবে না। সংবাদমাধ্যমে প্রায় হারিয়ে যাবে এই দলের উপস্থিতি। বড়জোর দু-একটি বাক্যে খবর হবে যে কাশ্মীরে সিপিএম বিধায়ক তারিগামিকেও গ্রেপ্তার করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সারা দেশের বাম ভোট ধীরে ধীরে শতাংশের হিসেবে দশমিকের ডানদিকের অঙ্কেও হারিয়ে যাবে। অন্তত আজকে সামনে তাকিয়ে তেমনটাই মনে হচ্ছে। গত বছরে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচন তাই তৃণমূলের দেখানো পথ, যেটা বছর বদলানোর পর ত্রিপুরায় রূপায়ণ করেছে বিজেপি।
কিন্তু, বিজেপির মতো উন্নত সাংগাঠনিক শক্তির অভাবে তৃণমূলের পক্ষে সে ধারা ধরে রাখা শক্ত। আর একটি মাত্র রাজ্যে ক্ষমতায় থেকে গোটা দেশের শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করা কঠিন, যদি না ভেতরে ভেতরে কিছুটা বোঝাপড়া করা যায়। ফলে, সামনের দিনগুলোতে রাজ্য কিংবা দেশের আসন-বিন্যাস ত্রিপুরার পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলের মতোই হবে। বিজেপিই ঠিক করবে কোথায় তারা জিতবে, কোথায় তারা বিরোধীদের ক’টা আসন দেবে। গোপনে বা প্রকাশ্যে বিজেপির বিরোধিতা করে তাদের গাল দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু ফলাফল বদলানো কঠিন।
সেই কারণেই বোধহয় কাশ্মীর সংক্রান্ত বিষয়ে ভোট না-দিয়েই সংসদ ছেড়েছে তৃণমূল। পাড়ার ক্লাবের সভাসদ নির্বাচন তাই কাগজের ব্যালটেই হোক কিংবা বৈদ্যুতিন ভোটযন্ত্রে, দুর্গাপুজোয় এবার এরাজ্যের অনেকটা দখল নেবে বিজেপি। সামনের দু’বছর বিজেপিই স্থির করবে পশ্চিমবঙ্গে তারা কী চায়। থুড়ি, সারা ভারতেই—ত্রিবান্দ্রম থেকে ত্রিপুরা, কন্যাকুমারিকা থেকে কাশ্মীর।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
10th  August, 2019
আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। বিশদ

অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

 ১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। বিশদ

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। বিশদ

22nd  August, 2019
চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

22nd  August, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
একনজরে
 অমিত চৌধুরী, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর থানার কেশবচক পঞ্চায়েতের নছিপুর বারোয়ারিতলার মাটির তৈরি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্যার জলে বছর দুয়েক আগে ভেঙে গিয়েছে। ত্রিপল টাঙিয়ে চলছে পড়াশোনা। সাপের ভয়ে শিশুদের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দীর্ঘ ১৯ বছর পর মোহন বাগান ঐতিহাসিক ডুরান্ড কাপ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। মোহন বাগান শেষবার ডুরান্ডে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ২০০০ সালে। সেবার দিল্লির ...

 ইসলামাবাদ, ২২ আগস্ট (পিটিআই): সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভার অধিবেশন চলাকালীন নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর নির্দেশ দিলেন ইমরান খান। কাশ্মীর ইস্যুকে সামনে রেখে তাঁর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের নেতা-কর্মীদের এই নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৮-কথা সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪- অভিনেত্রী সায়রাবানুর জন্ম
১৯৯৪- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী সাঁতারু আরতি গুপ্তর (সাহা) মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ৭/৪ দিবা ৮/৯। কৃত্তিকা ৫৬/৯ রাত্রি ৩/৪৭। সূ উ ৫/১৯/৪১, অ ৫/৫৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৭/৫১ গতে ১০/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, অষ্টমী ৫৫/৩০/৩৯ রাত্রি ৩/৩১/১। কৃত্তিকানক্ষত্র ৪৭/২৮/৩০ রাত্রি ১২/১৮/৯, সূ উ ৫/১৮/৪৫, অ ৬/২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৫২ গতে ১০/২০ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/২৭ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৬/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫১ মধ্যে ও ৩/৪ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯/৩৭ গতে ১০/৫/৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৩ গতে ১১/৪০/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫১/২১ গতে ১০/১৫/৫৫ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি 
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি প্রকাশ করল ইসরো ...বিশদ

22-08-2019 - 08:25:16 PM

২৬ আগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমের সিবিআই হেফাজত 
পি চিদম্বরমের ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আজ সিবিআই঩য়ের ...বিশদ

22-08-2019 - 06:50:00 PM

ফের আক্রান্ত পুলিস, এবার আমতায়
ফের একবার পুলিসকে মারধর করে উদি ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:49:07 PM

রায়গঞ্জে বিজেপি সমর্থকের কান কাটার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 
রায়গঞ্জের পূর্বপাড়া এলাকায় হাঁসুয়া দিয়ে এক মহিলার কান কেটে নেওয়ার ...বিশদ

22-08-2019 - 04:21:05 PM

তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে গোলমাল, জখম ১ 
তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য এবং অখিল ভারতীয় ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:52 PM

চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই
সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পি চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:00 PM