Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কাশ্মীর: নতুন চ্যালেঞ্জ
সমৃদ্ধ দত্ত

উৎসবের মেজাজে আশা করি এটা কেউ ভাবছেন না যে, কাশ্মীরিদের কেমন টাইট দেওয়া হল! শ্রীনগর থেকে অনেক দূরের নিরাপদ আবহে বসে অতি আনন্দে আমরা যদি কেউ ভেবেও থাকি যে এভাবে অবশেষে কাশ্মীরিদের দারুণ শিক্ষা দেওয়া হল, তাহলে অবিলম্বে সেই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। কারণ গোটা ভারতে প্রবল খুশির আতসবাজি পরিলক্ষিত হচ্ছে। কিন্তু আমাদের সবার আগে নিশ্চিত করে জানা দরকার কাশ্মীরিদের কেমন লাগছে এই সিদ্ধান্তে? তাঁরা কি খুশি? যদি খুশি না হন তাহলে কিন্তু ৩৭০ নং অবলুপ্তি অথবা আস্ত একটা রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার এই সিদ্ধান্তের থেকেও এখন অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হল কাশ্মীরিদের মন জয় করা।
কেন দরকার? কারণ কাশ্মীরিরাও যদি মনে করেন ভারত সরকার আদতে তাদের বিশেষ অধিকার থেকে বঞ্চিত করে অপমান করেছে এবং শিক্ষা দিতে চেয়েছে, তাহলে তারা কিন্তু ভারতকে শত্রু ভাবতে শুরু করবে। নিজেদের দূরে সরিয়ে নেবে মানসিকভাবে। আর কাশ্মীরবাসী যদি ভারতের উপর প্রবলভাবে রেগে যায় এবং ভারতকে এনিমি স্টেট হিসেবে ধরে নেয় তাহলে সবথেকে খুশি কে হবে? পাকিস্তান! পাকিস্তানের প্রধান টার্গেট হল কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সঙ্গে প্রক্সি ওয়ার চালিয়ে যাওয়া। আজ যদি ভারতই কাশ্মীরবাসীকে ক্রুদ্ধ করে মনের থেকে দূরে সরিয়ে দেয় তাহলে সবদিক থেকে আনন্দে আত্মহারা হবে পাকিস্তান।
কাশ্মীর যদি ভারতের পক্ষে থাকে এবং ভারত সরকারের উপর নির্ভর করে উন্নয়নের জন্য এবং হিন্দুস্তান জিন্দাবাদ বলে, তাহলেই পাকিস্তানকে সবথেকে বড় ধাক্কা দেওয়া হয়। মনে রাখতে হবে কাশ্মীরে বরাবরই দুটি ফ্রন্ট। একটি অংশ সরাসরি ভারত বিরোধী। তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী। অর্থাৎ ভারতের থেকে তারা মুক্তি চেয়ে আজাদ কাশ্মীর চায়। আর অন্য একটি অংশ কিন্তু প্রথম থেকেই ভারতপন্থী। কাশ্মীরের অন্দরেই ওই অংশকে বলা হয় প্রো ইন্ডিয়ান ফ্র্যাকশন। এই প্রো ইন্ডিয়ান সংগঠনগুলির মধ্যে রয়েছে মূল স্রোতের রাজনৈতিক দলগুলি। যেমন ন্যাশনাল কনফারেন্স, কংগ্রেস, পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি ইত্যাদি। এইসব পার্টি ও সংগঠনগুলি ভারতের নির্বাচন কমিশনের আইন মেনেই প্রতিটি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছে বরাবর। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভোট বয়কটের ডাক উপেক্ষা করে এই দলগুলি ভোটে লড়ে কখনও জিতেছে, কখনও হেরেছে। যে প্রক্রিয়ায় ৩৭০ ধারা অবলোপ করা হয়েছে সেটি কিন্তু সবথেকে বেশি আঘাত করেছে এই প্রো ইন্ডিয়া গ্রুপকেই। কারণ সৈয়দ আলি শাহ জিলানি, মিরওয়াইজ উমর ফারুখ অথবা ইয়াসিন মালিকদের মতো বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতারা ৩৭০ নং ধারা বিলোপসাধনের পর কী মনে করলেন সেটা নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। কারণ তাঁরা কাশ্মীরকে ভারতের অঙ্গরাজ্য হিসেবে স্বীকারই করেন না। সুতরাং তাঁরা রেগেই যান অথবা খুশিই হন, কিছু যায় আসে না।
সমস্যা হল, প্রো ইন্ডিয়ান নেতা-নেত্রীদের যেভাবে গ্রেপ্তার করে অজানা স্থানে আটকে রেখে, গোটা কাশ্মীরকে তালাবন্ধ করে রেখে, শুধু শ্রীনগরের মতো একটা ছোট শহরেই ৪৩ হাজার নিরাপত্তাবাহিনী নামিয়ে অঘোষিত কারফিউ পরিস্থিতি করে ৩৭০ ধারা বিলোপসাধন করা হয়েছে, সেটায় সাধারণ ভারতপন্থী কাশ্মীরিরাও যদি অসম্মানিত, অপমানিত ও আঘাতপ্রাপ্ত মনে করেন নিজেদের, তাহলে একটা বড় ক্ষতি হবে সুদূরপ্রসারী। কারণ ফারুখ আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা, মেহবুবা মুফতিদের গ্রেপ্তার করে তাঁদের সঙ্গেও বিচ্ছিন্নতবাদী নেতাদের মতো আচরণ করে বস্তুত তাঁদেরই তীব্র সঙ্কটে ফেলে দেওয়া হল।
কেন? কারণ এখন তাঁদের উদ্দেশ্যে বিচ্ছিন্নতবাদী নেতারা বিদ্রুপ করে আক্রমণ করে বলবেন, ভারতপন্থী হয়ে তোমাদের লাভ কী হল? আমাদের যেমন বন্দি করা হয়েছে আগেই, তোমাদেরও তেমনভাবেই বন্দি করা হল। অর্থাৎ আমাদেরও যেমন ভারত সরকার বিশ্বাস করে না, শত্রু মনে করে, ঠিক তোমাদেরও তাই মনে করে। অথচ তোমরা এতকাল ধরে নিজেদের ভারতের অংশ মনে করে এসে আমাদের বিচ্ছিন্নতবাদী তকমা দিয়ে বিরোধিতা করে এসেছো এবং আজাদির বিরুদ্ধাচারণ করে ভারতের সঙ্গেই থাকতে চেয়েছো। এতকাল ভারতের দালালি করলে, ভারত সরকার তার কী প্রতিদান দিল? ঠিক এই আশঙ্কার কথাটাই মঙ্গলবার ফারুখ আবদুল্লা কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন। তিনি বলছিলেন, আমাদের ভারতপন্থা মনোভাবের কোনও প্রেস্টিজই রাখলো না আজকের ভারত সরকার। আমরা যে এতকাল ধরে ভারতের পক্ষে জোরদার সওয়াল করে এলাম, সেই আমাদের মতো প্রো ইন্ডিয়ান রাজনৈতিক দলগুলিকেই গ্রেপ্তার করে, আমাদের রাজ্যকে সম্পূর্ণ ঘরে বন্দি করে রেখে ভারত সরকার বুঝিয়ে দিল তারা কাশ্মীরের ভূমিটাই শুধু চায়, কাশ্মীরিদের চায় না। আর এই মনোভাব একবার কাশ্মীরিদের মধ্যে প্রবেশ করলে সেটা কি ভারতের পক্ষে ভালো হবে?
৩৭০ নং থাক আর নাই থাক, কাশ্মীরকে যদি আবার সেই আরও বেশি করে নিরাপত্তা বাহিনী দিয়েই মুড়ে রাখতে হয় তাহলে পরিস্থিতির কী পরিবর্তন হল? কাশ্মীরের মানুষের ভালোর জন্যই যে ৩৭০ ধারা বিলোপ করা হয়েছে এই বিশ্বাসটি দিতে হবে কাশ্মীরিদের। তা না হলে নিছক বিজেপি নিজেদের অ্যাজেন্ডা ও ইস্তাহার পূরণ করে হাততালি কুড়িয়ে নিল, এই পারসেপশনেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে এই সিদ্ধান্তটি। ঐতিহাসিক উত্তরণ ঘটবে না। ঠিক এই কারণেই এখন ভারত সরকারের আরও বেশি করে উচিত কাশ্মীরের মন জয় কীভাবে করা যায় সেই পন্থা ঠান্ডা মাথায় ভাবা। কারণ কাশ্মীরকে সম্পূর্ণভাবে জয় করা তখনই সম্ভব যখন নিছক কিছু পাহাড়, নদী, জঙ্গল, টিউলিপ, আপেলবাগান নয়, কাশ্মীরিরাও মনেপ্রাণে ভারতের অঙ্গ হয়ে যাবে। পাকিস্তান শত চেষ্টা করলেও কাশ্মীরিরা যখন পাকিস্তানের প্ররোচনা অগ্রাহ্য করে ভারতের পক্ষেই জয়ধ্বনি দেবে, সেটাই হবে পাকিস্তানকে সবথেকে বড় থাপ্পড়।
১৯৪৭ সালের ২২ অক্টোবর পাকিস্তান যখন পাঠান হানাদার পাঠিয়ে কাশ্মীর দখলের চেষ্টা করেছিল তারপর ভারত সংযুক্তির পর থেকেই কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শেখ আবদুল্লা কিংবা মহারাজ হরি সিং, ভারতের সঙ্গে তাঁদের নানাবিধ সময়ে মনান্তর হলেও তাঁদের কেউই কোনওদিন পাকিস্তানের সঙ্গে সংযুক্তির কথা চিন্তাই করেননি। দু’জনের কেউ পাকিস্তানকে পছন্দ করতেন না। সুতরাং পাকিস্তান চাইলেও কাশ্মীরকে কোনোদিন ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না সেটা তারাও জানে। তাই পাকিস্তান সর্বদাই কাশ্মীরিদের প্ররোচিত করে চলে যে ভারত সরকার তোমাদের সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ করে। তোমাদের রাজ্যকে একটা পুলিসস্টেট বানিয়ে রেখেছে। লক্ষ লক্ষ সেনাবাহিনী একটা রাজ্যে।
কাশ্মীরের সিংহভাগ মানুষই কিন্তু জানে ভারতের সঙ্গে থাক঩লেই তাদের আর্থ সামাজিক লাভ সবথেকে বেশি। তাই সাধারণ ভারতীয়দের সঙ্গে কাশ্মীরিদের সম্পর্ক অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। অমরনাথ যাত্রায় কাদাজল-বর্ষা-রোদ্দুর চরম দুর্গম পথে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের কাশ্মীরি মুসলিমরাই কাঁধে করে নিয়ে যান। পর্যটকদের শিকারায় ঘোরান, হোটেলে রাখেন, হাউসবোটে রান্না করে খাওয়ান। কোনও ভারতবাসী একথা বলেন না যে সাধারণ কাশ্মীরিরা খুব খারাপ মানুষ। শুধু মাঝে মাঝে আড্ডায় গল্পে বলা হয় যে তারা ইন্ডিয়াকে পছন্দ করে না। কিন্তু আমাদের কাশ্মীর যাওয়া, অমরনাথ যাত্রা, অতিথেয়তা পাওয়া, এয়ারপোর্ট থেকে গাড়ি পাওয়া এসব কিছুই এতকাল কিন্তু আটকায়নি।
প্রশ্ন হল এখন কী হবে? এখনও কি তাঁরা আগামীদিনে একইরকম সৌহার্দ্যপূর্ণ থাকবেন আমাদের সঙ্গে? নাকি মনের দরজাটা বন্ধ করে দেবেন? এটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন। যদি কাশ্মীরিদের মধ্যে আর কোনও বিভাজন না থাকে? অর্থাৎ প্রো ইন্ডিয়ান আর অ্যান্টি ইন্ডিয়ান দুটি অংশ মিশে গিয়ে আগামীদিনে কাশ্মীরবাসীর সকলেই অ্যান্টি ইণ্ডিয়া হয়ে যাবে না তো? সেটা কি কাম্য? সেই সুযোগটা নেবে পাকিস্তান। আর কিছুদিনের মধ্যেই আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেবে। সেই নিয়ে মার্কিন প্রশাসন আর তালিবানদের মধ্যে বৈঠক চলছে। সেই বৈঠকের মধ্যস্থতাকারীর নাম পাকিস্তান। সুতরাং আমেরিকার এখন সবথেকে বেশি দরকার পাকিস্তানকে। আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা সরে গেলে আবার যদি সেখানে তালিবান ও আল কায়েদা থাবা বসায়, তাহলে কাশ্মীর হবে অন্যতম প্রধান টার্গেট পাকিস্তানের কাছে। আর তখন কাশ্মীরবাসীকে ক্ষিপ্ত করে রেখে ওই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে যাবে ভারতের পক্ষে।
তাই এখনই দরকার সবার আগে কাশ্মীরবাসীর মন জয় করা। মুসলিম, হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ এসব বিভাজন না-করে ভারত যে-কাশ্মীরকে সব মিলিয়ে পাশে রাখতে চায়, তাদের প্রকৃতই স্বদেশবাসী মনে করে, অন্তর থেকে এই বার্তা বারংবার দেওয়া দরকার। কাশ্মীরকে টাইট দিলাম এটা মনে করে আনন্দ করার আগে ভাবা দরকার যে নিজের দেশের মানুষকে টাইট দেওয়ার মধ্যে কি বিজয় আছে? বিচ্ছিন্নতাবাদীদের টাইট দেওয়া হোক। সন্ত্রাসবাদীদের টাইট দেওয়া হোক। কাশ্মীরের সবাই তো আর তেমন নয়। যদি তাই হতেন তাহলে মেহবুবা মুফতির সঙ্গে বিজেপি গাঁটছড়া বেঁধে সরকার গড়েছিল কেন? আজ সেই মেহবুবা মুফতিকেই সলিটারি কনফাইনমেন্টে বন্দি করে রাখা হয়েছে বলে তাঁর কন্যা অভিযোগ করেছেন। তাই কাশ্মীরবাসীকে টাইট দেওয়া গেল ভেবে আত্মতৃপ্ত হওয়ার সময় এটা নয়।
কেন্দ্রীয় সরকার কি জানে না এটা? অবশ্যই জানে। আগামীদিনে অপেক্ষা করছে বিপুল ইনভেস্টমেন্ট, প্রচুর উন্নয়নের প্যাকেজ। সবই ঠিক। কিন্তু আমরা এখনও জানি না সাধারণ কাশ্মীরিরা সেই পরিকল্পনাকে কীভাবে গ্রহণ করবেন। সেটা জানা জরুরি। কাশ্মীরের মাটিতে হাজার হাজার ‘বেওসায়ী’ ঢুকিয়ে দেওয়া যেতেই পারে। কিন্তু সেটাই একমাত্র সমাধান হবে না। ওটাকেই একমাত্র উন্নয়ন কাশ্মীরিরা নাও ভাবতে পারেন। তাই কাশ্মীরিদের আস্থা ফেরানোই আপাতত প্রধান লক্ষ্য হোক। স্বদেশবাসীর সঙ্গে ইগোর লড়াই করা বোকামো! পাকিস্তান তো এটাই চায় যে ভারতবাসী কাশ্মীরবাসীকে ঘৃণা করুক। যাতে কাশ্মীরবাসীও ভারতকে শত্রু ভাবে। আমরা সেই ফাঁদে পা দেব কেন? ৩৭০ নং ধারা অবলুপ্তির কি প্রয়োজন ছিল না? অবশ্যই ছিল। একটি দেশে ভিন্ন আইন থাকবে কেন? সকলেই যদি ভারতবাসী হয় তাহলে কোনও বৈষম্য থাকাই তো উচিত নয়। সেটাই নীতিগত অবস্থান। শুধু কাশ্মীর কেন, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, শিলং, কার্বি আংলং সর্বত্রই আমাদের জমি কেনার অধিকার থাকা উচিত। সেটাই তো সমানাধিকার। কেন অরুণাচল প্রদেশের কিছু এলাকায় ঢুকতে গেলে ইনার পারমিট লাগবে? কেন দেশের সর্বত্র সকলের অবাধ যাতায়াত থাকবে না? কেন মেধার ভিত্তিতে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হতে পারবে না বহু উচ্চ মার্কস পাওয়া ছাত্রছাত্রী? সবই তো বৈষম্য! সব বৈষম্যের অবসান হোক।
সুতরাং ৩৭০ নং ধারার অবলোপ নিয়ে প্রশ্নই নেই। সঠিক কাজ হয়েছে। প্রশ্ন হল পদ্ধতিটি নিয়ে। এভাবে একটা গোটা রাজ্যকে অন্ধকারে রেখে, তাদেরই তালাবন্ধ করে, স্কুলকলেজ অফিস বন্ধ করে, মোবাইল ইন্টারনেট স্তব্ধ করে দিয়ে যদি কোনও সরকার দাবি করে আমরা তোমাদের ভালোর জন্য এসব করছি, তাদের অপমানে লাগতেও পারে। তাই এখন সর্বাগ্রে দরকার সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়া। কাশ্মীরবাসীকে শত্রু প্রতিপন্ন করে তাঁদের উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতি তাঁরা বিশ্বাস করবেন না। বরং এখন প্রয়োজন তাঁদের কাছে টানার। তাঁদের কথা শোনার। তাঁদের উপর কোনও সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না-দিয়ে তাঁদের পাশে বসিয়ে বলতে হবে, আপনারাই বলুন, কীভাবে এখন এগনো যায়। কারণ, কাশ্মীরের কীসে ভালো হবে সেটা কাশ্মীরিরাই সবথেকে ভালো বলতে পারবেন। আমরা এই হুজুগে মানুষ নেহাত দুদিন এই আনন্দ নিয়ে নাচানাচি করব। ‘কাশ্মীরে জমি কিনব’, ‘কাশ্মীরি মেয়ে বিয়ে করা যাবে’ ইত্যাদি বোকা বোকা নন-সিরিয়াস কমেন্ট করব ফেসবুকে। কিন্তু কয়েকদিন পরই আবার যে যার নিজেদের জীবনে ফিরে গিয়ে পুজোর বাজারে ঢুকে পড়ব।
সুতরাং প্রকৃত চ্যালেঞ্জ সরকারের। কাশ্মীরকে আন্তরিকভাবে ভারতের অন্তঃস্থলে মিশিয়ে দেওয়ার কাজটিই কিন্তু হবে কাশ্মীরের নয়া ইতিহাস রচনা। সেটা নিছক একটা ভূমিখণ্ড দখল নয়। কাশ্মীরিয়াৎকে আপন করে নেওয়া। একমাত্র তাহলেই পাকিস্তান সবথেকে বেশি ধাক্কা খাবে! আর কাশ্মীরিদের আমরা যদি শত্রু বিবেচনা করে চলি, তাহলে কিন্তু টেনিসের পরিভাষায় অ্যাডভান্টেজ পাকিস্তান হয়ে যাবে! সে সুযোগ দেব কেন?
09th  August, 2019
তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন: মিলবে লোকসভা-উত্তর রাজ্য-রাজনীতির মতিগতি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে প্রথম তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ আগামী ২৫ নভেম্বর,ফলাফল ২৮ নভেম্বর। খড়্গপুর সদর করিমপুর এবং কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল থেকে বিবাদমান রাজ্য-রাজনীতির একাধিক প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে। বিশদ

ভারত-মার্কিন সহযোগিতাই ঠেকাতে পারবে
অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারের বিপদ 
কেনেথ আই জাস্টার

কেউ কি ভাবতে পেরেছিল, সামান্য একটি ছাতাপড়া ‘মেলন’ জাতীয় ফলের ভিতর লুকিয়ে রয়েছে অগণিত মানুষের জিয়নকাঠি? হ্যাঁ, পেনিসিলিন—এটাই হল সর্বপ্রথম অ্যান্টিবায়োটিক।   বিশদ

20th  November, 2019
শিবসেনা ও একটি পরম্পরার অপমৃত্যু
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শিবাজি পার্কের জনসভায় তির-ধনুকটা নামিয়ে বক্তৃতা শুরু করতে গিয়েও থমকে গেলেন বাল থ্যাকারে। শব্দবাজির দাপট কানের যাবতীয় সহ্যক্ষমতা অতিক্রম করছে। সঙ্গে চিৎকার... উল্লাস। অপেক্ষা করছেন শিবসেনা ‘প্রমুখ’। তির-ধনুক তাঁর দলের প্রতীক। পৌরুষের প্রতীক। তিনি নিজেও তাই। ১৯৯৫ সালের বিধানসভা ভোটের শেষ পর্বের প্রচার।  
বিশদ

19th  November, 2019
প্রচলিত ছকে মৌসুমি বায়ু চরিত্র বোঝা যাচ্ছে না
শান্তনু বসু

২০১৯-এর এই উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাত আবহাওয়াবিদদের হিসেবেই ছিল না। উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাত ভূগর্ভস্থ জলস্তরকে পুনরুজ্জীবিত করবে সন্দেহ নেই, কিন্তু আগামী বছর যদি আরও দেরিতে কেরলে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে, ভারতের কৃষি আবার অনিশ্চয়তায় চলে যাবে। চলতি বছরের উদ্বৃত্ত জলকে ধরে রাখা হয়েছে—এমন সুখবর কিন্তু নেই।
বিশদ

18th  November, 2019
একটি কাল্পনিক স্মরণসভা
সন্দীপন বিশ্বাস

সাদা কাপড়ে মোড়া মঞ্চজুড়ে সারি সারি চেয়ার-টেবিল। টেবিলের উপরে ফুলদানিতে সাদা ফুল। মঞ্চের একপাশে বড় একটি ছবি। তাতে সাদা মালা দেওয়া। শোকস্তব্ধ পরিবেশ। আজ এখানে প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশনের স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে সমাজের গণ্যমান্য সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনেকেই এসেছেন।  
বিশদ

18th  November, 2019
মূল্যবোধের রাজনীতি ও
মহারাষ্ট্রের কুর্সির লড়াই
হিমাংশু সিংহ

আজকের নির্বাচনী রাজনীতি যে কতটা পঙ্কিল ও নোংরা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ আজকের মহারাষ্ট্র। সঙ্কীর্ণ স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতিতে ক্ষমতা দখলের নেশায় ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই আজ মরিয়া। মহারাষ্ট্রের ফল বেরনোর পর গত তিন সপ্তাহের রাজনীতির নাটকীয় ওঠাপড়া সেই অন্ধকার দিকটাকেই বড় প্রকট করে তুলেছে। ভোটের ফল ও কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন তা নিয়ে দুই পুরনো জোট শরিকের দ্বন্দ্ব যে দেশের বাণিজ্য পীঠস্থান মুম্বই তথা মহারাষ্ট্রকে এমন নজিরবিহীন সঙ্কটে ফেলবে, তা কে জানত? যে জোট পাঁচ বছর ধরে রাজ্য শাসন করল এবং এবারও গরিষ্ঠতা পেল, সেই জোটই ভেঙে খান খান!
বিশদ

17th  November, 2019
ঘর ওয়াপসি ও কিছু প্রশ্ন
তন্ময় মল্লিক

 ঘর ওয়াপসি। ঘরে ফেরা। ‘ভাইজান’ সিনেমার ছোট্ট মুন্নির ঘরে ফেরার কাহিনীর দৌলতে ‘ঘর ওয়াপসি’ এখন আমবাঙালির অতি পরিচিত শব্দ। সেই পরিচিত শব্দটি অতি পরিচিতির মর্যাদা পেয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নেতাদের একাংশের ঘন ঘন জার্সি বদলের দৌলতে।
বিশদ

16th  November, 2019
জল বেড়েছে, বোধ বাড়েনি
রঞ্জন সেন

 সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার ফলে পৃথিবীর বহু উপকূলবর্তী দেশ ও দ্বীপ বিপন্ন হবে বলে পরিবেশবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এটাও বলছেন আমরা সবাই মিলে এবং রাষ্ট্রনায়কেরা চাইলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে পারি। বিশদ

16th  November, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

15th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
একনজরে
বিএনএ, কোচবিহার: এই প্রথম কলকাতার সল্টলেকে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের উদ্যোগে প্রাথমিক শিক্ষকদের খেলাধুলোর বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। কোচবিহার জেলার পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহার থেকে পাঁচজন প্রাথমিক শিক্ষক এই প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছেন।  ...

সংবাদদাতা, ইটাহার: ব্লক কৃষি দপ্তরের ‘সুধা’ (সুনিশ্চিত ধান) পদ্ধতিতে চাষ করে বিশেষ সফলতা পেলেন উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ ব্লকের বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কলুয়া গ্রামের চাষি আবু শাহেদ। এঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই এলাকার অন্যান্য চাষিদের মধ্যে সুধা পদ্ধতিতে ধান চাষের ব্যাপারে উৎসাহ দেখা ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শীতের মরশুমের আগেই আলিপুর চিড়িয়াখানায় হাজির নতুন অতিথি। ভাইজাগ চিড়িয়াখানা থেকে মঙ্গলবার রাতে কলকাতায় এল চারটি জঙ্গলি কুকুর বা ঢোল, দু’টি রিং টেলড লেমুর (বাঁদরের এক প্রজাতি) এবং দু’টি স্পুনবিল পেলিকান। ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: উত্তরপ্রদেশের আগ্রার অপহৃতা এক নাবালিকা উদ্ধার হল কাঁথিতে। আগ্রা থেকে ওই নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে পুলিস এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ মণ্ডল। তার বাড়ি কাঁথি থানার ইড়দা গ্রামে। পুলিস ধৃত কিশোরের বাড়ি থেকে অপহৃতা নাবালিকাকে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব টেলিভিশন দিবস
১৬৯৪: ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ারের জন্ম
১৮৭৭: ফোনোগ্রাফ আবিষ্কারের কথা জানালেন থমাস এডিসন
১৯৭০: নোবেলজয়ী পদার্থবিদ চন্দ্রশেখর বেঙ্কটরামনের মৃত্যু
১৯৭৪ - শিশু সাহিত্যিক পুণ্যলতা চক্রবর্তীর মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১৭ টাকা ৭৩.৩৩ টাকা
পাউন্ড ৯০.৪৯ টাকা ৯৪.৮৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৬২ টাকা ৮১.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৫৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২১ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, নবমী ১৩/৫০ দিবা ১১/২৯। পূর্বফাল্গুনী ৩১/২২ রাত্রি ৬/২৯। সূ উ ৫/৫৬/৪২, অ ৪/৪৮/০০, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৩ মধ্যে পুনঃ ১/১১ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪১ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ৩/১৯ মধ্যে পুনঃ ৪/১২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/৫ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২২ গতে ১/০ মধ্যে।
৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২১ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, নবমী ৮/১৫/৩৯ দিবা ৯/১৭/৩। পূর্বফাল্গুনী ২৮/৯/৬ সন্ধ্যা ৫/১৪/২৫, সূ উ ৫/৫৮/৪৭, অ ৪/৪৭/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৫ মধ্যে ও ১১/৫৫ গতে ৩/২৯ মধ্যে ও ৪/২২ গতে ৬/০ মধ্যে, বারবেলা ৩/২৬/৪১ গতে ৪/৪৭/৪৮ মধ্যে, কালবেলা ২/৫/৩৩ গতে ৩/২৬/৪১ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/২৩/১৭ গতে ১/২/১২ মধ্যে।
২৩ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৭৬ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:56:31 PM

চোর সন্দেহে গণপিটুনি, মৃত ২ 
কোচবিহারের পাইটকাপাড়া গ্রামে চোর সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গণপিটুনির অভিযোগ। বুধবার ...বিশদ

03:24:52 PM

রায়গঞ্জের মারাইকুড়া গ্রামে চোর সন্দেহে ৪ জনকে গণপিটুনি গ্রামবাসীদের 

03:22:00 PM

হুগলির পাণ্ডুয়াতে প্রেমিকাকে খুন করে আত্মঘাতী যুবক 
হুগলির পাণ্ডুয়াতে প্রেমিকাকে খুন করে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। বৃহস্পতিবার ...বিশদ

02:43:32 PM

চারদিনের জেলা সফর শেষে কলকাতায় ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

02:39:00 PM

ডুয়ার্সে প্যাঙ্গোলিন সহ ধৃত ৫ 
পাচারের আগেই প্যাঙ্গোলিন উদ্ধার করল বৈকন্ঠপুর বনবিভাগের উত্তরবঙ্গের স্পেশাল ফোর্স। ...বিশদ

02:26:05 PM