Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কাশ্মীর: নতুন চ্যালেঞ্জ
সমৃদ্ধ দত্ত

উৎসবের মেজাজে আশা করি এটা কেউ ভাবছেন না যে, কাশ্মীরিদের কেমন টাইট দেওয়া হল! শ্রীনগর থেকে অনেক দূরের নিরাপদ আবহে বসে অতি আনন্দে আমরা যদি কেউ ভেবেও থাকি যে এভাবে অবশেষে কাশ্মীরিদের দারুণ শিক্ষা দেওয়া হল, তাহলে অবিলম্বে সেই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। কারণ গোটা ভারতে প্রবল খুশির আতসবাজি পরিলক্ষিত হচ্ছে। কিন্তু আমাদের সবার আগে নিশ্চিত করে জানা দরকার কাশ্মীরিদের কেমন লাগছে এই সিদ্ধান্তে? তাঁরা কি খুশি? যদি খুশি না হন তাহলে কিন্তু ৩৭০ নং অবলুপ্তি অথবা আস্ত একটা রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার এই সিদ্ধান্তের থেকেও এখন অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হল কাশ্মীরিদের মন জয় করা।
কেন দরকার? কারণ কাশ্মীরিরাও যদি মনে করেন ভারত সরকার আদতে তাদের বিশেষ অধিকার থেকে বঞ্চিত করে অপমান করেছে এবং শিক্ষা দিতে চেয়েছে, তাহলে তারা কিন্তু ভারতকে শত্রু ভাবতে শুরু করবে। নিজেদের দূরে সরিয়ে নেবে মানসিকভাবে। আর কাশ্মীরবাসী যদি ভারতের উপর প্রবলভাবে রেগে যায় এবং ভারতকে এনিমি স্টেট হিসেবে ধরে নেয় তাহলে সবথেকে খুশি কে হবে? পাকিস্তান! পাকিস্তানের প্রধান টার্গেট হল কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সঙ্গে প্রক্সি ওয়ার চালিয়ে যাওয়া। আজ যদি ভারতই কাশ্মীরবাসীকে ক্রুদ্ধ করে মনের থেকে দূরে সরিয়ে দেয় তাহলে সবদিক থেকে আনন্দে আত্মহারা হবে পাকিস্তান।
কাশ্মীর যদি ভারতের পক্ষে থাকে এবং ভারত সরকারের উপর নির্ভর করে উন্নয়নের জন্য এবং হিন্দুস্তান জিন্দাবাদ বলে, তাহলেই পাকিস্তানকে সবথেকে বড় ধাক্কা দেওয়া হয়। মনে রাখতে হবে কাশ্মীরে বরাবরই দুটি ফ্রন্ট। একটি অংশ সরাসরি ভারত বিরোধী। তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী। অর্থাৎ ভারতের থেকে তারা মুক্তি চেয়ে আজাদ কাশ্মীর চায়। আর অন্য একটি অংশ কিন্তু প্রথম থেকেই ভারতপন্থী। কাশ্মীরের অন্দরেই ওই অংশকে বলা হয় প্রো ইন্ডিয়ান ফ্র্যাকশন। এই প্রো ইন্ডিয়ান সংগঠনগুলির মধ্যে রয়েছে মূল স্রোতের রাজনৈতিক দলগুলি। যেমন ন্যাশনাল কনফারেন্স, কংগ্রেস, পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি ইত্যাদি। এইসব পার্টি ও সংগঠনগুলি ভারতের নির্বাচন কমিশনের আইন মেনেই প্রতিটি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছে বরাবর। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভোট বয়কটের ডাক উপেক্ষা করে এই দলগুলি ভোটে লড়ে কখনও জিতেছে, কখনও হেরেছে। যে প্রক্রিয়ায় ৩৭০ ধারা অবলোপ করা হয়েছে সেটি কিন্তু সবথেকে বেশি আঘাত করেছে এই প্রো ইন্ডিয়া গ্রুপকেই। কারণ সৈয়দ আলি শাহ জিলানি, মিরওয়াইজ উমর ফারুখ অথবা ইয়াসিন মালিকদের মতো বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতারা ৩৭০ নং ধারা বিলোপসাধনের পর কী মনে করলেন সেটা নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। কারণ তাঁরা কাশ্মীরকে ভারতের অঙ্গরাজ্য হিসেবে স্বীকারই করেন না। সুতরাং তাঁরা রেগেই যান অথবা খুশিই হন, কিছু যায় আসে না।
সমস্যা হল, প্রো ইন্ডিয়ান নেতা-নেত্রীদের যেভাবে গ্রেপ্তার করে অজানা স্থানে আটকে রেখে, গোটা কাশ্মীরকে তালাবন্ধ করে রেখে, শুধু শ্রীনগরের মতো একটা ছোট শহরেই ৪৩ হাজার নিরাপত্তাবাহিনী নামিয়ে অঘোষিত কারফিউ পরিস্থিতি করে ৩৭০ ধারা বিলোপসাধন করা হয়েছে, সেটায় সাধারণ ভারতপন্থী কাশ্মীরিরাও যদি অসম্মানিত, অপমানিত ও আঘাতপ্রাপ্ত মনে করেন নিজেদের, তাহলে একটা বড় ক্ষতি হবে সুদূরপ্রসারী। কারণ ফারুখ আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা, মেহবুবা মুফতিদের গ্রেপ্তার করে তাঁদের সঙ্গেও বিচ্ছিন্নতবাদী নেতাদের মতো আচরণ করে বস্তুত তাঁদেরই তীব্র সঙ্কটে ফেলে দেওয়া হল।
কেন? কারণ এখন তাঁদের উদ্দেশ্যে বিচ্ছিন্নতবাদী নেতারা বিদ্রুপ করে আক্রমণ করে বলবেন, ভারতপন্থী হয়ে তোমাদের লাভ কী হল? আমাদের যেমন বন্দি করা হয়েছে আগেই, তোমাদেরও তেমনভাবেই বন্দি করা হল। অর্থাৎ আমাদেরও যেমন ভারত সরকার বিশ্বাস করে না, শত্রু মনে করে, ঠিক তোমাদেরও তাই মনে করে। অথচ তোমরা এতকাল ধরে নিজেদের ভারতের অংশ মনে করে এসে আমাদের বিচ্ছিন্নতবাদী তকমা দিয়ে বিরোধিতা করে এসেছো এবং আজাদির বিরুদ্ধাচারণ করে ভারতের সঙ্গেই থাকতে চেয়েছো। এতকাল ভারতের দালালি করলে, ভারত সরকার তার কী প্রতিদান দিল? ঠিক এই আশঙ্কার কথাটাই মঙ্গলবার ফারুখ আবদুল্লা কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন। তিনি বলছিলেন, আমাদের ভারতপন্থা মনোভাবের কোনও প্রেস্টিজই রাখলো না আজকের ভারত সরকার। আমরা যে এতকাল ধরে ভারতের পক্ষে জোরদার সওয়াল করে এলাম, সেই আমাদের মতো প্রো ইন্ডিয়ান রাজনৈতিক দলগুলিকেই গ্রেপ্তার করে, আমাদের রাজ্যকে সম্পূর্ণ ঘরে বন্দি করে রেখে ভারত সরকার বুঝিয়ে দিল তারা কাশ্মীরের ভূমিটাই শুধু চায়, কাশ্মীরিদের চায় না। আর এই মনোভাব একবার কাশ্মীরিদের মধ্যে প্রবেশ করলে সেটা কি ভারতের পক্ষে ভালো হবে?
৩৭০ নং থাক আর নাই থাক, কাশ্মীরকে যদি আবার সেই আরও বেশি করে নিরাপত্তা বাহিনী দিয়েই মুড়ে রাখতে হয় তাহলে পরিস্থিতির কী পরিবর্তন হল? কাশ্মীরের মানুষের ভালোর জন্যই যে ৩৭০ ধারা বিলোপ করা হয়েছে এই বিশ্বাসটি দিতে হবে কাশ্মীরিদের। তা না হলে নিছক বিজেপি নিজেদের অ্যাজেন্ডা ও ইস্তাহার পূরণ করে হাততালি কুড়িয়ে নিল, এই পারসেপশনেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে এই সিদ্ধান্তটি। ঐতিহাসিক উত্তরণ ঘটবে না। ঠিক এই কারণেই এখন ভারত সরকারের আরও বেশি করে উচিত কাশ্মীরের মন জয় কীভাবে করা যায় সেই পন্থা ঠান্ডা মাথায় ভাবা। কারণ কাশ্মীরকে সম্পূর্ণভাবে জয় করা তখনই সম্ভব যখন নিছক কিছু পাহাড়, নদী, জঙ্গল, টিউলিপ, আপেলবাগান নয়, কাশ্মীরিরাও মনেপ্রাণে ভারতের অঙ্গ হয়ে যাবে। পাকিস্তান শত চেষ্টা করলেও কাশ্মীরিরা যখন পাকিস্তানের প্ররোচনা অগ্রাহ্য করে ভারতের পক্ষেই জয়ধ্বনি দেবে, সেটাই হবে পাকিস্তানকে সবথেকে বড় থাপ্পড়।
১৯৪৭ সালের ২২ অক্টোবর পাকিস্তান যখন পাঠান হানাদার পাঠিয়ে কাশ্মীর দখলের চেষ্টা করেছিল তারপর ভারত সংযুক্তির পর থেকেই কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শেখ আবদুল্লা কিংবা মহারাজ হরি সিং, ভারতের সঙ্গে তাঁদের নানাবিধ সময়ে মনান্তর হলেও তাঁদের কেউই কোনওদিন পাকিস্তানের সঙ্গে সংযুক্তির কথা চিন্তাই করেননি। দু’জনের কেউ পাকিস্তানকে পছন্দ করতেন না। সুতরাং পাকিস্তান চাইলেও কাশ্মীরকে কোনোদিন ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না সেটা তারাও জানে। তাই পাকিস্তান সর্বদাই কাশ্মীরিদের প্ররোচিত করে চলে যে ভারত সরকার তোমাদের সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ করে। তোমাদের রাজ্যকে একটা পুলিসস্টেট বানিয়ে রেখেছে। লক্ষ লক্ষ সেনাবাহিনী একটা রাজ্যে।
কাশ্মীরের সিংহভাগ মানুষই কিন্তু জানে ভারতের সঙ্গে থাক঩লেই তাদের আর্থ সামাজিক লাভ সবথেকে বেশি। তাই সাধারণ ভারতীয়দের সঙ্গে কাশ্মীরিদের সম্পর্ক অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। অমরনাথ যাত্রায় কাদাজল-বর্ষা-রোদ্দুর চরম দুর্গম পথে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের কাশ্মীরি মুসলিমরাই কাঁধে করে নিয়ে যান। পর্যটকদের শিকারায় ঘোরান, হোটেলে রাখেন, হাউসবোটে রান্না করে খাওয়ান। কোনও ভারতবাসী একথা বলেন না যে সাধারণ কাশ্মীরিরা খুব খারাপ মানুষ। শুধু মাঝে মাঝে আড্ডায় গল্পে বলা হয় যে তারা ইন্ডিয়াকে পছন্দ করে না। কিন্তু আমাদের কাশ্মীর যাওয়া, অমরনাথ যাত্রা, অতিথেয়তা পাওয়া, এয়ারপোর্ট থেকে গাড়ি পাওয়া এসব কিছুই এতকাল কিন্তু আটকায়নি।
প্রশ্ন হল এখন কী হবে? এখনও কি তাঁরা আগামীদিনে একইরকম সৌহার্দ্যপূর্ণ থাকবেন আমাদের সঙ্গে? নাকি মনের দরজাটা বন্ধ করে দেবেন? এটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন। যদি কাশ্মীরিদের মধ্যে আর কোনও বিভাজন না থাকে? অর্থাৎ প্রো ইন্ডিয়ান আর অ্যান্টি ইন্ডিয়ান দুটি অংশ মিশে গিয়ে আগামীদিনে কাশ্মীরবাসীর সকলেই অ্যান্টি ইণ্ডিয়া হয়ে যাবে না তো? সেটা কি কাম্য? সেই সুযোগটা নেবে পাকিস্তান। আর কিছুদিনের মধ্যেই আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেবে। সেই নিয়ে মার্কিন প্রশাসন আর তালিবানদের মধ্যে বৈঠক চলছে। সেই বৈঠকের মধ্যস্থতাকারীর নাম পাকিস্তান। সুতরাং আমেরিকার এখন সবথেকে বেশি দরকার পাকিস্তানকে। আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা সরে গেলে আবার যদি সেখানে তালিবান ও আল কায়েদা থাবা বসায়, তাহলে কাশ্মীর হবে অন্যতম প্রধান টার্গেট পাকিস্তানের কাছে। আর তখন কাশ্মীরবাসীকে ক্ষিপ্ত করে রেখে ওই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে যাবে ভারতের পক্ষে।
তাই এখনই দরকার সবার আগে কাশ্মীরবাসীর মন জয় করা। মুসলিম, হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ এসব বিভাজন না-করে ভারত যে-কাশ্মীরকে সব মিলিয়ে পাশে রাখতে চায়, তাদের প্রকৃতই স্বদেশবাসী মনে করে, অন্তর থেকে এই বার্তা বারংবার দেওয়া দরকার। কাশ্মীরকে টাইট দিলাম এটা মনে করে আনন্দ করার আগে ভাবা দরকার যে নিজের দেশের মানুষকে টাইট দেওয়ার মধ্যে কি বিজয় আছে? বিচ্ছিন্নতাবাদীদের টাইট দেওয়া হোক। সন্ত্রাসবাদীদের টাইট দেওয়া হোক। কাশ্মীরের সবাই তো আর তেমন নয়। যদি তাই হতেন তাহলে মেহবুবা মুফতির সঙ্গে বিজেপি গাঁটছড়া বেঁধে সরকার গড়েছিল কেন? আজ সেই মেহবুবা মুফতিকেই সলিটারি কনফাইনমেন্টে বন্দি করে রাখা হয়েছে বলে তাঁর কন্যা অভিযোগ করেছেন। তাই কাশ্মীরবাসীকে টাইট দেওয়া গেল ভেবে আত্মতৃপ্ত হওয়ার সময় এটা নয়।
কেন্দ্রীয় সরকার কি জানে না এটা? অবশ্যই জানে। আগামীদিনে অপেক্ষা করছে বিপুল ইনভেস্টমেন্ট, প্রচুর উন্নয়নের প্যাকেজ। সবই ঠিক। কিন্তু আমরা এখনও জানি না সাধারণ কাশ্মীরিরা সেই পরিকল্পনাকে কীভাবে গ্রহণ করবেন। সেটা জানা জরুরি। কাশ্মীরের মাটিতে হাজার হাজার ‘বেওসায়ী’ ঢুকিয়ে দেওয়া যেতেই পারে। কিন্তু সেটাই একমাত্র সমাধান হবে না। ওটাকেই একমাত্র উন্নয়ন কাশ্মীরিরা নাও ভাবতে পারেন। তাই কাশ্মীরিদের আস্থা ফেরানোই আপাতত প্রধান লক্ষ্য হোক। স্বদেশবাসীর সঙ্গে ইগোর লড়াই করা বোকামো! পাকিস্তান তো এটাই চায় যে ভারতবাসী কাশ্মীরবাসীকে ঘৃণা করুক। যাতে কাশ্মীরবাসীও ভারতকে শত্রু ভাবে। আমরা সেই ফাঁদে পা দেব কেন? ৩৭০ নং ধারা অবলুপ্তির কি প্রয়োজন ছিল না? অবশ্যই ছিল। একটি দেশে ভিন্ন আইন থাকবে কেন? সকলেই যদি ভারতবাসী হয় তাহলে কোনও বৈষম্য থাকাই তো উচিত নয়। সেটাই নীতিগত অবস্থান। শুধু কাশ্মীর কেন, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, শিলং, কার্বি আংলং সর্বত্রই আমাদের জমি কেনার অধিকার থাকা উচিত। সেটাই তো সমানাধিকার। কেন অরুণাচল প্রদেশের কিছু এলাকায় ঢুকতে গেলে ইনার পারমিট লাগবে? কেন দেশের সর্বত্র সকলের অবাধ যাতায়াত থাকবে না? কেন মেধার ভিত্তিতে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হতে পারবে না বহু উচ্চ মার্কস পাওয়া ছাত্রছাত্রী? সবই তো বৈষম্য! সব বৈষম্যের অবসান হোক।
সুতরাং ৩৭০ নং ধারার অবলোপ নিয়ে প্রশ্নই নেই। সঠিক কাজ হয়েছে। প্রশ্ন হল পদ্ধতিটি নিয়ে। এভাবে একটা গোটা রাজ্যকে অন্ধকারে রেখে, তাদেরই তালাবন্ধ করে, স্কুলকলেজ অফিস বন্ধ করে, মোবাইল ইন্টারনেট স্তব্ধ করে দিয়ে যদি কোনও সরকার দাবি করে আমরা তোমাদের ভালোর জন্য এসব করছি, তাদের অপমানে লাগতেও পারে। তাই এখন সর্বাগ্রে দরকার সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়া। কাশ্মীরবাসীকে শত্রু প্রতিপন্ন করে তাঁদের উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতি তাঁরা বিশ্বাস করবেন না। বরং এখন প্রয়োজন তাঁদের কাছে টানার। তাঁদের কথা শোনার। তাঁদের উপর কোনও সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না-দিয়ে তাঁদের পাশে বসিয়ে বলতে হবে, আপনারাই বলুন, কীভাবে এখন এগনো যায়। কারণ, কাশ্মীরের কীসে ভালো হবে সেটা কাশ্মীরিরাই সবথেকে ভালো বলতে পারবেন। আমরা এই হুজুগে মানুষ নেহাত দুদিন এই আনন্দ নিয়ে নাচানাচি করব। ‘কাশ্মীরে জমি কিনব’, ‘কাশ্মীরি মেয়ে বিয়ে করা যাবে’ ইত্যাদি বোকা বোকা নন-সিরিয়াস কমেন্ট করব ফেসবুকে। কিন্তু কয়েকদিন পরই আবার যে যার নিজেদের জীবনে ফিরে গিয়ে পুজোর বাজারে ঢুকে পড়ব।
সুতরাং প্রকৃত চ্যালেঞ্জ সরকারের। কাশ্মীরকে আন্তরিকভাবে ভারতের অন্তঃস্থলে মিশিয়ে দেওয়ার কাজটিই কিন্তু হবে কাশ্মীরের নয়া ইতিহাস রচনা। সেটা নিছক একটা ভূমিখণ্ড দখল নয়। কাশ্মীরিয়াৎকে আপন করে নেওয়া। একমাত্র তাহলেই পাকিস্তান সবথেকে বেশি ধাক্কা খাবে! আর কাশ্মীরিদের আমরা যদি শত্রু বিবেচনা করে চলি, তাহলে কিন্তু টেনিসের পরিভাষায় অ্যাডভান্টেজ পাকিস্তান হয়ে যাবে! সে সুযোগ দেব কেন?
09th  August, 2019
আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। বিশদ

অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

 ১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। বিশদ

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। বিশদ

22nd  August, 2019
চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

22nd  August, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ২২ আগস্ট (পিটিআই): বুধবার রাতে নাটকীয় পরিস্থিতিতে গ্রেপ্তারের পর জেলে রাত কাটানো ভিআইপি তালিকায় ঢুকে পড়লেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। আইএনএক্স মিডিয়ায় ৩০৫ কোটি ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: জিয়াগঞ্জ শহরের ভট্টপাড়ায় ভাগীরথীর পাশে সবুজে ঘেরা পরিবেশে ভবঘুরেদের জন্য চারতলা ঝাঁ চকচকে আবাসন তৈরি হলেও তা এখন ফাঁকা পড়ে। ৫০শয্যার ‘ভালোবাসা’য় চলতি বছরের প্রথম থেকেই শহর বা পুরসভা এলাকার ভবঘুরেদের নিয়মিত থাকা-খাওয়ার কথা থাকলেও তাঁদের দেখা নেই। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চার বছরের বি টেক করতে করতে মাঝপথে কোর্স ছেড়ে দিতে পারবেন ছাত্রছাত্রীরা। সেরকম সংস্থান রাখা হবে। সেই পড়ুয়া যে ক’বছর পড়বেন, তার স্বীকৃতি দেওয়া হবে। পরে অবশ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো কোর্স শেষ করার সুযোগ থাকবে তাঁর। ...

 অমিত চৌধুরী, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর থানার কেশবচক পঞ্চায়েতের নছিপুর বারোয়ারিতলার মাটির তৈরি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্যার জলে বছর দুয়েক আগে ভেঙে গিয়েছে। ত্রিপল টাঙিয়ে চলছে পড়াশোনা। সাপের ভয়ে শিশুদের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৮-কথা সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪- অভিনেত্রী সায়রাবানুর জন্ম
১৯৯৪- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী সাঁতারু আরতি গুপ্তর (সাহা) মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ৭/৪ দিবা ৮/৯। কৃত্তিকা ৫৬/৯ রাত্রি ৩/৪৭। সূ উ ৫/১৯/৪১, অ ৫/৫৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৭/৫১ গতে ১০/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, অষ্টমী ৫৫/৩০/৩৯ রাত্রি ৩/৩১/১। কৃত্তিকানক্ষত্র ৪৭/২৮/৩০ রাত্রি ১২/১৮/৯, সূ উ ৫/১৮/৪৫, অ ৬/২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৫২ গতে ১০/২০ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/২৭ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৬/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫১ মধ্যে ও ৩/৪ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯/৩৭ গতে ১০/৫/৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৩ গতে ১১/৪০/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫১/২১ গতে ১০/১৫/৫৫ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি 
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি প্রকাশ করল ইসরো ...বিশদ

22-08-2019 - 08:25:16 PM

২৬ আগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমের সিবিআই হেফাজত 
পি চিদম্বরমের ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আজ সিবিআই঩য়ের ...বিশদ

22-08-2019 - 06:50:00 PM

ফের আক্রান্ত পুলিস, এবার আমতায়
ফের একবার পুলিসকে মারধর করে উদি ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:49:07 PM

রায়গঞ্জে বিজেপি সমর্থকের কান কাটার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 
রায়গঞ্জের পূর্বপাড়া এলাকায় হাঁসুয়া দিয়ে এক মহিলার কান কেটে নেওয়ার ...বিশদ

22-08-2019 - 04:21:05 PM

তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে গোলমাল, জখম ১ 
তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য এবং অখিল ভারতীয় ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:52 PM

চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই
সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পি চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:00 PM