Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দমনমূলক ফেডারালিজম
পি চিদম্বরম

১৯৯৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাজেট ভাষণে আমি ‘কোঅপারেটিভ ফেডারাল পলিটি’—এই ফ্রেজ বা বাগধারাটি ব্যবহার করেছিলাম। এই বাগধারা আমিই প্রথম ব্যবহার করেছি এমন কোনও দাবি করছি না, কিন্তু আমি আনন্দিত যে ‘কোঅপারেটিভ ফেডারালিজম’ কথাটি বাজেট ভাষণে এবং অন্য অনেক উপলক্ষে বারংবার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
রাজ্যগুলি সার্বভৌম
‘কোঅপারেটিভ ফেডারালিজম’ বলতে কী বোঝায়? এই ফ্রেজ এটাই নিশ্চিত করে যে ভারত হল একটি ফেডারাল স্টেট বা যুক্তরাষ্ট্র। একটি কেন্দ্রীয় সরকার আছে এবং কিছু রাজ্য সরকার আছে। প্রত্যেক সরকারের জন্যই সংরক্ষিত নিজস্ব সাংবিধানিক পরিধি (এরিয়াস অফ লেজিসলেশন) আছে। রাজ্য সরকারের জন্য সংরক্ষিত ক্ষেত্র কেন্দ্রীয় সরকার (সংসদের মাধ্যমে) বেদখল করতে পারে না, তেমনি রাজ্য সরকারও (বিধানসভার মাধ্যমে) কেন্দ্রের জন্য সংরিক্ষত ক্ষেত্র বেদখল করতে পারে না। আবার কিছু ক্ষেত্র আছে যেখানে উভয় সরকারই আইনপ্রণয়ন করার অধিকারী। আইনপ্রণয়ণের ক্ষেত্রগুলির (লেজিসলেটিভ ফিল্ডস) বিভাজনই হল যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর সার। সাংবিধানিক ব্যবস্থার (কনস্টিটিউশনাল স্কিম) প্রতি শ্রদ্ধাটিই হল সহযোগিতামূলক মৈত্রীতন্ত্র (কোঅপারেটিভ ফেডারালিজম)।
তা সত্ত্বেও, ভারতের সংবিধানে কিছু ব্যতিক্রমী ব্যবস্থাও আছে—যে-কোনও অনির্ণীত বিষয়ে আইনপ্রণয়নের জন্য সংসদকে অনুমতি দিতে (সংবিধানের ২৪৮ ধারা); রাজ্য তালিকাভুক্ত যে-কোনও বিষয় একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ‘জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় অথবা উপযুক্ত’ গণ্য হলে (সংবিধানের ২৪৯ ধারা); যখন দেশে জরুরি অবস্থা চলছে তখন
যে-কোনও বিষয়ের ক্ষেত্রে (সংবিধানের
২৫০ ধারা)।
সংবিধানের ২৫৮(২) ধারাটি একটি ‘ইন্টারেস্টিং’ ব্যবস্থা। সংসদে প্রণীত একটি আইন যা রাজ্যকে বা তার অফিসারদের উপর কিছু ক্ষমতা এবং দায়িত্ব অর্পণ করতে পারে, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কেন্দ্রকে এই বাবদ রাজ্যকে অর্থ দিতে হবে। এই ব্যবস্থাটিতে রাজ্যগুলির সার্বভৌম, অধিকার এবং ক্ষমতার প্রতি জোরালো সমর্থন রয়েছে।
বিলগুলি পিছন দিয়ে আনা হচ্ছে
বিজেপি সরকারটি ব্যতিক্রম: এটা না রাজ্যগুলির অধিকারকে মর্যাদা দেয়, না খেয়াল করে সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা বা সূক্ষ্ম বৈশিষ্ট্যগুলি।
ফেডারালিজমের প্রতি বিজেপি সরকারের দায়বদ্ধতা কতখানি, রাজ্যসভায় তাদের বিল পাস করিয়ে নেওয়ার রকম দেখেই তা পরিমাপ করা যায়। লোকসভা যেখানে জনগণের কক্ষ (হাউস অফ দ্য পিপল) সেখানে রাজ্যসভা হল রাজ্যগুলির একটি পর্ষদ (কাউন্সিল অফ স্টেটস)। ২ আগস্ট চলতি অধিবেশনে লোকসভা ২৮টি বিল পাস করে দিল এবং রাজ্যসভা পাস করে দিল ২৬টি বিল। সেগুলির একটিও ‘রিপিট’ হল না, ‘একটি বিলও’ বিরোধী দলগুলির সঙ্গে আলোচনার ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হল না। বিস্তারিত ‘স্ক্রুটিনি’র জন্য একটিও বিলকে স্ট্যান্ডিং কমিটি কিংবা সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হল না। কোনও বিলের জন্য রাজ্য সরকারগুলির মতামত নেওয়া হল না, এমকী সেই বিলগুলিকেও নেওয়া হল না যেগুলি সংবিধানের যুগ্মতালিকাভুক্ত (তালিকা ৩) এবং এর ফলে রাজ্যগুলির অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করা হল। বিরোধীদের পক্ষ থেকে আনা একটিও সংশোধনী প্রস্তাব সরকার গ্রহণ করেনি।
কয়েকটি দৃষ্টান্তই যথেষ্ট। ‘জাস্টিস পুত্তাস্বামী’তে সংবিধানের ১১০ ধারার পরিধি সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট তার ব্যাখ্যা দিয়ে দিয়েছে এবং সরকারের পক্ষে এই রায় অবশ্যপালনীয়। রাজ্যসভা একটি অর্থবিল (মানি বিল) সংশোধন করতে পারে না বা বিলটি বাতিল করতে পারে না; রাজ্যসভা কিছু পরামর্শ দিতে পারে মাত্র এবং বিলটি লোকসভায় ফেরত পাঠাতে পারে, পরামর্শগুলি লোকসভা গ্রহণ করতেও পারে, না-ও পারে। রাষ্ট্রপতি অর্থবিলের জন্য তাঁর সম্মতি ঝুলিয়ে রাখতে পারেন না কিংবা পুনর্বিবেচনার জন্য সেটি সংসদে ফেরতও পাঠাতে পারেন না। এই
সকল সীমাবদ্ধতার সুযোগ নিয়ে, ১১০ ধারা নির্লজ্জের মতন লঙ্ঘন করে, সরকার অর্থবিলের [ফিনান্স (নং ২) বিল] মাধ্যমে অন্তত দশটি নন-ফিনান্সিয়াল আইন সংশোধন করে নিয়েছে এবং এইভাবে এড়িয়ে গিয়েছে রাজ্যসভার স্ক্রুটিনি অথবা একটি ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির পুনর্বিবেচনার নির্দেশ।
তথ্যের অধিকার আইন, ২০০৫ সর্বত্র ‘সেমিফাইনাল লেজিসলেশন’ হিসেবে অভিনন্দিত হয়েছে। এই আইনের ১৫ নম্বর ধারা রাজ্য তথ্য কমিশন গঠনের জন্য রাজ্য সরকারকে ক্ষমতা দিয়েছে। রাজ্য তথ্য কমিশনার বাছাই এবং নিয়োগ রাজ্যগুলিই করবে। এই অফিসের প্রাথমিক মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর। এই পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বেতন, ভাতা এবং অন্যসকল শর্ত নির্ধারণের ক্ষমতা এযাবৎ রাজ্যগুলির উপর ন্যস্ত ছিল (ধারা ১৬)। এখন প্রাথমিক শর্ত এবং বেতন, ভাতা ও অন্য শর্তাবলি নির্ধারণের ওই ক্ষমতাটি কেন্দ্র নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছে! আমরা জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কেন? কোনও জবাব মেলেনি।
‘ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন বিল’ নামে যেটি আনা হয়েছে সেটি রাজ্যগুলিকে চূড়ান্ত অপমান। মেডিকেল শিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্য সরকারগুলির হাতে যে ক্ষমতা আছে সেগুলির সবই কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং পড়ে রইল মাত্র প্রতিটি রাজ্যকে কমিশনের চার বছর মেয়াদের মধ্যে দু’বছরের সদস্যপদ দেওয়ার ব্যবস্থাটি! এটা মেডিকেল শিক্ষাকে তালিকা ৩ থেকে তালিকা ১-এ সরিয়ে দেওয়ারই শামিল। তবুও রাজ্যগুলির পর্ষদ এটাকে অনুমোদন দিয়ে দিল রাজ্যগুলির কোনোরকম আপত্তি ছাড়াই।
ঝুলিতে প্রতিটি চাতুরি
রাজ্যসভায় বিলগুলির উপর ভোটাভুটি সরকার কী করে ‘ম্যানেজ’ করে? মুসলিম নারী (বিবাহ অধিকার সুরক্ষা) বিল বা তিন তালাক বিল নামে পরিচিত বিলটির কথাই ধরা যাক। সরকার ৯৯-৮৪ ভোটে জিতে গেল, কারণ ভোটাভুটির সময় ৪৬ জন বিরোধী সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন! বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) একজনও উপস্থিত ছিলেন না। সমাজবাদী পার্টির (এসপি) ছ’জন সদস্য গরহাজির ছিলেন। এনসিপির চারজন সদস্যের মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন দু’জন। একেবারে ভোটাভুটির দিনেই একজন কংগ্রেস সদস্য ইস্তফা দিলেন (এবং পরদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন)। কংগ্রেসের চারজন সদস্য অনুপস্থিতও ছিলেন। এআইএডিএমকে, জেডি(ইউ), টিআরএস এবং পিডিপি সদস্যরা বিলের বিরুদ্ধে ভাষণ দিলেন বটে ভোটাভুটির সময় তাঁরা উধাও হয়ে গেলেন!
বিভাজন, ফুসলানি, চোখরাঙানি, শাসানি, অথবা ‘ক্লোজ ডিল’—ঝুলিতে যতরকম চাতুরি কৌশল আছে, আইন পাস করানোর জন্য, তার সবগুলিই ব্যবহার করেছে বিজেপি—এর ফলে যে জিনিসটি হতে চলেছে তা হল—রাজ্যগুলি পুরপ্রশাসনের স্তরে নেমে আসবে এবং ওইসঙ্গে যোগ হবে ‘ওয়াননেস’-এর অশুভ আইডিয়া—সবকিছুর জন্য একটিই সরকার।
05th  August, 2019
আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। বিশদ

অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

 ১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। বিশদ

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। বিশদ

22nd  August, 2019
চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

22nd  August, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চার বছরের বি টেক করতে করতে মাঝপথে কোর্স ছেড়ে দিতে পারবেন ছাত্রছাত্রীরা। সেরকম সংস্থান রাখা হবে। সেই পড়ুয়া যে ক’বছর পড়বেন, তার স্বীকৃতি দেওয়া হবে। পরে অবশ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো কোর্স শেষ করার সুযোগ থাকবে তাঁর। ...

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ইসলামপুর পুরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তৃণমূল কংগ্রসের রঞ্জন মিশ্রের কাছ থেকে কাটমানি ফেরত পেতে বৃহস্পতিবার শতাধিক বাসিন্দা এবার পুরসভার চেয়ারম্যান কানাইয়ালাল আগরওয়ালের দ্বারস্থ হলেন। এদিন সকালে তাঁরা পুরসভা কার্যালয়ে এসে কানাইয়াবাবুর কাছে কাটমানি ফেরাতে পদক্ষেপের দাবি করেন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দীর্ঘ ১৯ বছর পর মোহন বাগান ঐতিহাসিক ডুরান্ড কাপ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। মোহন বাগান শেষবার ডুরান্ডে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ২০০০ সালে। সেবার দিল্লির ...

 অমিত চৌধুরী, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর থানার কেশবচক পঞ্চায়েতের নছিপুর বারোয়ারিতলার মাটির তৈরি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্যার জলে বছর দুয়েক আগে ভেঙে গিয়েছে। ত্রিপল টাঙিয়ে চলছে পড়াশোনা। সাপের ভয়ে শিশুদের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৮-কথা সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪- অভিনেত্রী সায়রাবানুর জন্ম
১৯৯৪- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী সাঁতারু আরতি গুপ্তর (সাহা) মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ৭/৪ দিবা ৮/৯। কৃত্তিকা ৫৬/৯ রাত্রি ৩/৪৭। সূ উ ৫/১৯/৪১, অ ৫/৫৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৭/৫১ গতে ১০/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, অষ্টমী ৫৫/৩০/৩৯ রাত্রি ৩/৩১/১। কৃত্তিকানক্ষত্র ৪৭/২৮/৩০ রাত্রি ১২/১৮/৯, সূ উ ৫/১৮/৪৫, অ ৬/২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৫২ গতে ১০/২০ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/২৭ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৬/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫১ মধ্যে ও ৩/৪ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯/৩৭ গতে ১০/৫/৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৩ গতে ১১/৪০/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫১/২১ গতে ১০/১৫/৫৫ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি 
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি প্রকাশ করল ইসরো ...বিশদ

22-08-2019 - 08:25:16 PM

২৬ আগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমের সিবিআই হেফাজত 
পি চিদম্বরমের ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আজ সিবিআই঩য়ের ...বিশদ

22-08-2019 - 06:50:00 PM

ফের আক্রান্ত পুলিস, এবার আমতায়
ফের একবার পুলিসকে মারধর করে উদি ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:49:07 PM

রায়গঞ্জে বিজেপি সমর্থকের কান কাটার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 
রায়গঞ্জের পূর্বপাড়া এলাকায় হাঁসুয়া দিয়ে এক মহিলার কান কেটে নেওয়ার ...বিশদ

22-08-2019 - 04:21:05 PM

তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে গোলমাল, জখম ১ 
তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য এবং অখিল ভারতীয় ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:52 PM

চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই
সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পি চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:00 PM