Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দমনমূলক ফেডারালিজম
পি চিদম্বরম

১৯৯৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাজেট ভাষণে আমি ‘কোঅপারেটিভ ফেডারাল পলিটি’—এই ফ্রেজ বা বাগধারাটি ব্যবহার করেছিলাম। এই বাগধারা আমিই প্রথম ব্যবহার করেছি এমন কোনও দাবি করছি না, কিন্তু আমি আনন্দিত যে ‘কোঅপারেটিভ ফেডারালিজম’ কথাটি বাজেট ভাষণে এবং অন্য অনেক উপলক্ষে বারংবার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
রাজ্যগুলি সার্বভৌম
‘কোঅপারেটিভ ফেডারালিজম’ বলতে কী বোঝায়? এই ফ্রেজ এটাই নিশ্চিত করে যে ভারত হল একটি ফেডারাল স্টেট বা যুক্তরাষ্ট্র। একটি কেন্দ্রীয় সরকার আছে এবং কিছু রাজ্য সরকার আছে। প্রত্যেক সরকারের জন্যই সংরক্ষিত নিজস্ব সাংবিধানিক পরিধি (এরিয়াস অফ লেজিসলেশন) আছে। রাজ্য সরকারের জন্য সংরক্ষিত ক্ষেত্র কেন্দ্রীয় সরকার (সংসদের মাধ্যমে) বেদখল করতে পারে না, তেমনি রাজ্য সরকারও (বিধানসভার মাধ্যমে) কেন্দ্রের জন্য সংরিক্ষত ক্ষেত্র বেদখল করতে পারে না। আবার কিছু ক্ষেত্র আছে যেখানে উভয় সরকারই আইনপ্রণয়ন করার অধিকারী। আইনপ্রণয়ণের ক্ষেত্রগুলির (লেজিসলেটিভ ফিল্ডস) বিভাজনই হল যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর সার। সাংবিধানিক ব্যবস্থার (কনস্টিটিউশনাল স্কিম) প্রতি শ্রদ্ধাটিই হল সহযোগিতামূলক মৈত্রীতন্ত্র (কোঅপারেটিভ ফেডারালিজম)।
তা সত্ত্বেও, ভারতের সংবিধানে কিছু ব্যতিক্রমী ব্যবস্থাও আছে—যে-কোনও অনির্ণীত বিষয়ে আইনপ্রণয়নের জন্য সংসদকে অনুমতি দিতে (সংবিধানের ২৪৮ ধারা); রাজ্য তালিকাভুক্ত যে-কোনও বিষয় একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ‘জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় অথবা উপযুক্ত’ গণ্য হলে (সংবিধানের ২৪৯ ধারা); যখন দেশে জরুরি অবস্থা চলছে তখন
যে-কোনও বিষয়ের ক্ষেত্রে (সংবিধানের
২৫০ ধারা)।
সংবিধানের ২৫৮(২) ধারাটি একটি ‘ইন্টারেস্টিং’ ব্যবস্থা। সংসদে প্রণীত একটি আইন যা রাজ্যকে বা তার অফিসারদের উপর কিছু ক্ষমতা এবং দায়িত্ব অর্পণ করতে পারে, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কেন্দ্রকে এই বাবদ রাজ্যকে অর্থ দিতে হবে। এই ব্যবস্থাটিতে রাজ্যগুলির সার্বভৌম, অধিকার এবং ক্ষমতার প্রতি জোরালো সমর্থন রয়েছে।
বিলগুলি পিছন দিয়ে আনা হচ্ছে
বিজেপি সরকারটি ব্যতিক্রম: এটা না রাজ্যগুলির অধিকারকে মর্যাদা দেয়, না খেয়াল করে সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা বা সূক্ষ্ম বৈশিষ্ট্যগুলি।
ফেডারালিজমের প্রতি বিজেপি সরকারের দায়বদ্ধতা কতখানি, রাজ্যসভায় তাদের বিল পাস করিয়ে নেওয়ার রকম দেখেই তা পরিমাপ করা যায়। লোকসভা যেখানে জনগণের কক্ষ (হাউস অফ দ্য পিপল) সেখানে রাজ্যসভা হল রাজ্যগুলির একটি পর্ষদ (কাউন্সিল অফ স্টেটস)। ২ আগস্ট চলতি অধিবেশনে লোকসভা ২৮টি বিল পাস করে দিল এবং রাজ্যসভা পাস করে দিল ২৬টি বিল। সেগুলির একটিও ‘রিপিট’ হল না, ‘একটি বিলও’ বিরোধী দলগুলির সঙ্গে আলোচনার ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হল না। বিস্তারিত ‘স্ক্রুটিনি’র জন্য একটিও বিলকে স্ট্যান্ডিং কমিটি কিংবা সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হল না। কোনও বিলের জন্য রাজ্য সরকারগুলির মতামত নেওয়া হল না, এমকী সেই বিলগুলিকেও নেওয়া হল না যেগুলি সংবিধানের যুগ্মতালিকাভুক্ত (তালিকা ৩) এবং এর ফলে রাজ্যগুলির অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করা হল। বিরোধীদের পক্ষ থেকে আনা একটিও সংশোধনী প্রস্তাব সরকার গ্রহণ করেনি।
কয়েকটি দৃষ্টান্তই যথেষ্ট। ‘জাস্টিস পুত্তাস্বামী’তে সংবিধানের ১১০ ধারার পরিধি সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট তার ব্যাখ্যা দিয়ে দিয়েছে এবং সরকারের পক্ষে এই রায় অবশ্যপালনীয়। রাজ্যসভা একটি অর্থবিল (মানি বিল) সংশোধন করতে পারে না বা বিলটি বাতিল করতে পারে না; রাজ্যসভা কিছু পরামর্শ দিতে পারে মাত্র এবং বিলটি লোকসভায় ফেরত পাঠাতে পারে, পরামর্শগুলি লোকসভা গ্রহণ করতেও পারে, না-ও পারে। রাষ্ট্রপতি অর্থবিলের জন্য তাঁর সম্মতি ঝুলিয়ে রাখতে পারেন না কিংবা পুনর্বিবেচনার জন্য সেটি সংসদে ফেরতও পাঠাতে পারেন না। এই
সকল সীমাবদ্ধতার সুযোগ নিয়ে, ১১০ ধারা নির্লজ্জের মতন লঙ্ঘন করে, সরকার অর্থবিলের [ফিনান্স (নং ২) বিল] মাধ্যমে অন্তত দশটি নন-ফিনান্সিয়াল আইন সংশোধন করে নিয়েছে এবং এইভাবে এড়িয়ে গিয়েছে রাজ্যসভার স্ক্রুটিনি অথবা একটি ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির পুনর্বিবেচনার নির্দেশ।
তথ্যের অধিকার আইন, ২০০৫ সর্বত্র ‘সেমিফাইনাল লেজিসলেশন’ হিসেবে অভিনন্দিত হয়েছে। এই আইনের ১৫ নম্বর ধারা রাজ্য তথ্য কমিশন গঠনের জন্য রাজ্য সরকারকে ক্ষমতা দিয়েছে। রাজ্য তথ্য কমিশনার বাছাই এবং নিয়োগ রাজ্যগুলিই করবে। এই অফিসের প্রাথমিক মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর। এই পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বেতন, ভাতা এবং অন্যসকল শর্ত নির্ধারণের ক্ষমতা এযাবৎ রাজ্যগুলির উপর ন্যস্ত ছিল (ধারা ১৬)। এখন প্রাথমিক শর্ত এবং বেতন, ভাতা ও অন্য শর্তাবলি নির্ধারণের ওই ক্ষমতাটি কেন্দ্র নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছে! আমরা জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কেন? কোনও জবাব মেলেনি।
‘ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন বিল’ নামে যেটি আনা হয়েছে সেটি রাজ্যগুলিকে চূড়ান্ত অপমান। মেডিকেল শিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্য সরকারগুলির হাতে যে ক্ষমতা আছে সেগুলির সবই কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং পড়ে রইল মাত্র প্রতিটি রাজ্যকে কমিশনের চার বছর মেয়াদের মধ্যে দু’বছরের সদস্যপদ দেওয়ার ব্যবস্থাটি! এটা মেডিকেল শিক্ষাকে তালিকা ৩ থেকে তালিকা ১-এ সরিয়ে দেওয়ারই শামিল। তবুও রাজ্যগুলির পর্ষদ এটাকে অনুমোদন দিয়ে দিল রাজ্যগুলির কোনোরকম আপত্তি ছাড়াই।
ঝুলিতে প্রতিটি চাতুরি
রাজ্যসভায় বিলগুলির উপর ভোটাভুটি সরকার কী করে ‘ম্যানেজ’ করে? মুসলিম নারী (বিবাহ অধিকার সুরক্ষা) বিল বা তিন তালাক বিল নামে পরিচিত বিলটির কথাই ধরা যাক। সরকার ৯৯-৮৪ ভোটে জিতে গেল, কারণ ভোটাভুটির সময় ৪৬ জন বিরোধী সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন! বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) একজনও উপস্থিত ছিলেন না। সমাজবাদী পার্টির (এসপি) ছ’জন সদস্য গরহাজির ছিলেন। এনসিপির চারজন সদস্যের মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন দু’জন। একেবারে ভোটাভুটির দিনেই একজন কংগ্রেস সদস্য ইস্তফা দিলেন (এবং পরদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন)। কংগ্রেসের চারজন সদস্য অনুপস্থিতও ছিলেন। এআইএডিএমকে, জেডি(ইউ), টিআরএস এবং পিডিপি সদস্যরা বিলের বিরুদ্ধে ভাষণ দিলেন বটে ভোটাভুটির সময় তাঁরা উধাও হয়ে গেলেন!
বিভাজন, ফুসলানি, চোখরাঙানি, শাসানি, অথবা ‘ক্লোজ ডিল’—ঝুলিতে যতরকম চাতুরি কৌশল আছে, আইন পাস করানোর জন্য, তার সবগুলিই ব্যবহার করেছে বিজেপি—এর ফলে যে জিনিসটি হতে চলেছে তা হল—রাজ্যগুলি পুরপ্রশাসনের স্তরে নেমে আসবে এবং ওইসঙ্গে যোগ হবে ‘ওয়াননেস’-এর অশুভ আইডিয়া—সবকিছুর জন্য একটিই সরকার।
05th  August, 2019
তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন: মিলবে লোকসভা-উত্তর রাজ্য-রাজনীতির মতিগতি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে প্রথম তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ আগামী ২৫ নভেম্বর,ফলাফল ২৮ নভেম্বর। খড়্গপুর সদর করিমপুর এবং কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল থেকে বিবাদমান রাজ্য-রাজনীতির একাধিক প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে। বিশদ

ভারত-মার্কিন সহযোগিতাই ঠেকাতে পারবে
অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারের বিপদ 
কেনেথ আই জাস্টার

কেউ কি ভাবতে পেরেছিল, সামান্য একটি ছাতাপড়া ‘মেলন’ জাতীয় ফলের ভিতর লুকিয়ে রয়েছে অগণিত মানুষের জিয়নকাঠি? হ্যাঁ, পেনিসিলিন—এটাই হল সর্বপ্রথম অ্যান্টিবায়োটিক।   বিশদ

20th  November, 2019
শিবসেনা ও একটি পরম্পরার অপমৃত্যু
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শিবাজি পার্কের জনসভায় তির-ধনুকটা নামিয়ে বক্তৃতা শুরু করতে গিয়েও থমকে গেলেন বাল থ্যাকারে। শব্দবাজির দাপট কানের যাবতীয় সহ্যক্ষমতা অতিক্রম করছে। সঙ্গে চিৎকার... উল্লাস। অপেক্ষা করছেন শিবসেনা ‘প্রমুখ’। তির-ধনুক তাঁর দলের প্রতীক। পৌরুষের প্রতীক। তিনি নিজেও তাই। ১৯৯৫ সালের বিধানসভা ভোটের শেষ পর্বের প্রচার।  
বিশদ

19th  November, 2019
প্রচলিত ছকে মৌসুমি বায়ু চরিত্র বোঝা যাচ্ছে না
শান্তনু বসু

২০১৯-এর এই উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাত আবহাওয়াবিদদের হিসেবেই ছিল না। উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাত ভূগর্ভস্থ জলস্তরকে পুনরুজ্জীবিত করবে সন্দেহ নেই, কিন্তু আগামী বছর যদি আরও দেরিতে কেরলে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে, ভারতের কৃষি আবার অনিশ্চয়তায় চলে যাবে। চলতি বছরের উদ্বৃত্ত জলকে ধরে রাখা হয়েছে—এমন সুখবর কিন্তু নেই।
বিশদ

18th  November, 2019
একটি কাল্পনিক স্মরণসভা
সন্দীপন বিশ্বাস

সাদা কাপড়ে মোড়া মঞ্চজুড়ে সারি সারি চেয়ার-টেবিল। টেবিলের উপরে ফুলদানিতে সাদা ফুল। মঞ্চের একপাশে বড় একটি ছবি। তাতে সাদা মালা দেওয়া। শোকস্তব্ধ পরিবেশ। আজ এখানে প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশনের স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে সমাজের গণ্যমান্য সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনেকেই এসেছেন।  
বিশদ

18th  November, 2019
মূল্যবোধের রাজনীতি ও
মহারাষ্ট্রের কুর্সির লড়াই
হিমাংশু সিংহ

আজকের নির্বাচনী রাজনীতি যে কতটা পঙ্কিল ও নোংরা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ আজকের মহারাষ্ট্র। সঙ্কীর্ণ স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতিতে ক্ষমতা দখলের নেশায় ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই আজ মরিয়া। মহারাষ্ট্রের ফল বেরনোর পর গত তিন সপ্তাহের রাজনীতির নাটকীয় ওঠাপড়া সেই অন্ধকার দিকটাকেই বড় প্রকট করে তুলেছে। ভোটের ফল ও কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন তা নিয়ে দুই পুরনো জোট শরিকের দ্বন্দ্ব যে দেশের বাণিজ্য পীঠস্থান মুম্বই তথা মহারাষ্ট্রকে এমন নজিরবিহীন সঙ্কটে ফেলবে, তা কে জানত? যে জোট পাঁচ বছর ধরে রাজ্য শাসন করল এবং এবারও গরিষ্ঠতা পেল, সেই জোটই ভেঙে খান খান!
বিশদ

17th  November, 2019
ঘর ওয়াপসি ও কিছু প্রশ্ন
তন্ময় মল্লিক

 ঘর ওয়াপসি। ঘরে ফেরা। ‘ভাইজান’ সিনেমার ছোট্ট মুন্নির ঘরে ফেরার কাহিনীর দৌলতে ‘ঘর ওয়াপসি’ এখন আমবাঙালির অতি পরিচিত শব্দ। সেই পরিচিত শব্দটি অতি পরিচিতির মর্যাদা পেয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নেতাদের একাংশের ঘন ঘন জার্সি বদলের দৌলতে।
বিশদ

16th  November, 2019
জল বেড়েছে, বোধ বাড়েনি
রঞ্জন সেন

 সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার ফলে পৃথিবীর বহু উপকূলবর্তী দেশ ও দ্বীপ বিপন্ন হবে বলে পরিবেশবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এটাও বলছেন আমরা সবাই মিলে এবং রাষ্ট্রনায়কেরা চাইলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে পারি। বিশদ

16th  November, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

15th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মল্লারপুরের মাঝিপাড়া গ্রামের ঘটনায় অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেপ্তার করা হল। মঙ্গলবার রাতে তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। বুধবার ধৃতকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৬ সহ একাধিক ধারা যুক্ত করে রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়।  ...

 জেরুজালেম, ২০ নভেম্বর (এএফপি): সিরিয়ায় ইজরায়েলের আক্রমণে বুধবার মৃত্যু হল ১১ জন ইরানি এবং সিরীয় সেনার। মঙ্গলবারই সিরিয়ার দিক থেকে ইজরায়েলে চারটি রকেট হামলা করা হয়। এরপরেই সিরিয়ায় বিমান হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইজরায়েল। ...

বিএনএ, কোচবিহার: এই প্রথম কলকাতার সল্টলেকে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের উদ্যোগে প্রাথমিক শিক্ষকদের খেলাধুলোর বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। কোচবিহার জেলার পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহার থেকে পাঁচজন প্রাথমিক শিক্ষক এই প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছেন।  ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব টেলিভিশন দিবস
১৬৯৪: ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ারের জন্ম
১৮৭৭: ফোনোগ্রাফ আবিষ্কারের কথা জানালেন থমাস এডিসন
১৯৭০: নোবেলজয়ী পদার্থবিদ চন্দ্রশেখর বেঙ্কটরামনের মৃত্যু
১৯৭৪ - শিশু সাহিত্যিক পুণ্যলতা চক্রবর্তীর মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১৭ টাকা ৭৩.৩৩ টাকা
পাউন্ড ৯০.৪৯ টাকা ৯৪.৮৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৬২ টাকা ৮১.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৫৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২১ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, নবমী ১৩/৫০ দিবা ১১/২৯। পূর্বফাল্গুনী ৩১/২২ রাত্রি ৬/২৯। সূ উ ৫/৫৬/৪২, অ ৪/৪৮/০০, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৩ মধ্যে পুনঃ ১/১১ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪১ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ৩/১৯ মধ্যে পুনঃ ৪/১২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/৫ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২২ গতে ১/০ মধ্যে।
৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২১ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, নবমী ৮/১৫/৩৯ দিবা ৯/১৭/৩। পূর্বফাল্গুনী ২৮/৯/৬ সন্ধ্যা ৫/১৪/২৫, সূ উ ৫/৫৮/৪৭, অ ৪/৪৭/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৫ মধ্যে ও ১১/৫৫ গতে ৩/২৯ মধ্যে ও ৪/২২ গতে ৬/০ মধ্যে, বারবেলা ৩/২৬/৪১ গতে ৪/৪৭/৪৮ মধ্যে, কালবেলা ২/৫/৩৩ গতে ৩/২৬/৪১ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/২৩/১৭ গতে ১/২/১২ মধ্যে।
২৩ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৭৬ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:56:31 PM

চোর সন্দেহে গণপিটুনি, মৃত ২ 
কোচবিহারের পাইটকাপাড়া গ্রামে চোর সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গণপিটুনির অভিযোগ। বুধবার ...বিশদ

03:24:52 PM

রায়গঞ্জের মারাইকুড়া গ্রামে চোর সন্দেহে ৪ জনকে গণপিটুনি গ্রামবাসীদের 

03:22:00 PM

হুগলির পাণ্ডুয়াতে প্রেমিকাকে খুন করে আত্মঘাতী যুবক 
হুগলির পাণ্ডুয়াতে প্রেমিকাকে খুন করে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। বৃহস্পতিবার ...বিশদ

02:43:32 PM

চারদিনের জেলা সফর শেষে কলকাতায় ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

02:39:00 PM

ডুয়ার্সে প্যাঙ্গোলিন সহ ধৃত ৫ 
পাচারের আগেই প্যাঙ্গোলিন উদ্ধার করল বৈকন্ঠপুর বনবিভাগের উত্তরবঙ্গের স্পেশাল ফোর্স। ...বিশদ

02:26:05 PM