Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

৫, ১০, ২০ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে
পি চিদম্বরম

রাজ্যসভায় ২০১৯-২০ বাজেট নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় বলেছিলাম, ‘‘যদি জিডিপির স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার ১২ শতাংশ হয় তবে প্রতি ছ’বছরে জিডিপির আকারটা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। আর বৃদ্ধির হারটা যদি নমিনাল ১১ শতাংশ হয় তবে জিডিপি দ্বিগুণ হতে সময় নেবে সাত বছর।’’ আমি অর্থমন্ত্রীকে জোর দিতে বলেছিলাম যে শুধু ২০২৪-২৫ সালে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতি অর্জনেই থেমে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিলে হবে না; তাঁকে আরও দেখিয়েছিলাম যে এর ফলে অর্থনীতির আকারটা প্রথম ছয়-সাত বছরে ১০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের হয়ে যাবে এবং তার পরবর্তী ছয়-সাত বছরে সেটা হয়ে যাবে ২০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের।
৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আমি কোনও বিদ্রুপ করতে চাইনি। লক্ষ্যটা স্বচ্ছ বটে (এবং, ওই মাইলফলক ছুঁতে পারলে আমরা সত্যিই সুখী হব) কিন্তু আহামরি নয়। কেন একথা বলছি?
সহজ অঙ্ক
গত দশ বছরে ভারতের অর্থনীতির নমিনাল গ্রোথ ছিল বছরে গড়পড়তা ১২ শতাংশ। মনে রাখতে হবে যে এটা কিন্তু ‘নমিনাল’ বৃদ্ধি। আপনি যদি অঙ্ক কষেন এবং ১০০ সংখ্যাকে বছরে একবার করে ১১ অথবা ১২ শতাংশ দিয়ে গুণ করেন তবে আপনি নীচের সারণিটা পাবেন:

অবশ্য মার্কিন ডলারে পরিমাপ করার জন্য বিনিময় হারটা যুক্তিসংগতভাবে সুস্থির থাকতে হবে। যদি ভারতীয় মুদ্রা এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হারটি ৭০-৭৫ টাকার মধ্যে থাকে, তবে যে ভারতীয় অর্থনীতি ২০১৮-১৯ সালে ২.৭৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার স্তরে ছিল সেটা ২০২৪-২৫ সালের ভিতরে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার স্তরে উন্নীত হয়ে যাবে। অর্থনীতির আকার ২০২৪-২৫ সালের ভিতরে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যটি স্থির করার সময় অর্থনৈতিক সমীক্ষায় অনুমান করা হয়েছিল যে ভারতীয় মুদ্রামান ডলার প্রতি ৭৫ টাকা পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। কিন্তু সেখানেই কেন থেমে যাওয়া?
ভারতের অর্থনীতির সাইজটা ১৯৯১ সালে ৩২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ছিল। সেটা ২০০৩-০৪ সালে দ্বিগুণ হয়ে গেল। সেটারও দ্বিগুণ হয়ে গেল ২০০৮-০৯ সালে। এবং, পরবর্তী দ্বিগুণ সাইজ পাওয়া গেল ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে আর সেটা দাঁড়াল ২.৪৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভবিষ্যতেও, প্রতি ছয় অথবা সাত বছরে জিডিপি দ্বিগুণ হয়ে যাবে। প্রতিটি মাইলফলক একটি সন্তুষ্টির বিষয় নিঃসন্দেহে কিন্তু কোনও আহামরি লাভ হয়েছে বলে ভাবা ঠিক হবে না।
কিছু গুরুতর প্রশ্ন
আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলি হল:
১. নমিনাল গ্রোথের হারটা ১১ বা ১২ শতাংশ থেকে কীভাবে দ্রুততার সঙ্গে ১৪ শতাংশে আমরা নিয়ে যাব (যখন ভারত দুই সংখ্যার ১০ জিডিপি বৃদ্ধির হার অর্জনে সক্ষম হবে )?
২. গড় ভারতীয়ের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হারটা কেমন হবে?
৩. সবচেয়ে দরিদ্র ১০ শতাংশ এবং সবচেয়ে ধনী ১০ শতাংশের মধ্যেকার বৈষম্যটি আরও চওড়া হবে না কি কমে আসবে?
আমরা চাই এই প্রশ্নগুলির উত্তর এবং নমিনাল বৃদ্ধির নিম্নহার, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির নিম্নহার ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের নেপথ্য কারণগুলি দূর করার উপযোগী নীতি নেওয়া হোক। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হল, ম্যাক্রো-ইকনমিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার দাবিটি অর্থমন্ত্রী এড়িয়ে গেলেন এবং জানালেন না অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়ন কী।
এসব প্রশ্নের কিছু উত্তর ইকনমিক সার্ভে ২০১৮-১৯ থেকে পাওয়া যেতে পারে। প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার (সিইএ) মতে, বৃদ্ধির উচ্চহারের চাবিকাঠিটি হল আরও বেশি বেসরকারি বিনিয়োগ (গ্রেটার প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট)। কিছুদিন আগে তাঁর কণ্ঠে এটাই পুনরাবৃত্ত হয়েছিল যে শুধু দেশের অভ্যন্তরের সম্পদ বিনিয়োগটাই যথেষ্ট হবে না। এখানেই বিদেশি বিনিয়োগের গুরুত্ব।
সম্পদের সন্ধানে
দেশীয় সম্পদের অপ্রতুলতা নিয়ে উদ্বেগের যুক্তিগ্রাহ্য কারণ দেখিয়েছেন প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। শুধুমাত্র কর রাজস্ব এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির উদ্বৃত্ত থেকেই সরকারি বিনিয়োগ বা পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট পাওয়া সম্ভব। এগুলির ভিতরে লক্ষ্যমাত্রা অনু্যায়ী কর রাজস্ব আদায়ের সমস্যা আছে। বিশেষভাবে ২০১৮-১৯ গিয়েছে একটি খারাপ বছর। তা সত্ত্বেও সরকার ২০১৯-২০ সালে কর রাজস্ব আদায়ের জন্য আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে এগনোরই লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে।
প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার উদ্বেগের যাথার্থ্য নীচের সারণিতে পাওয়া যাবে:
যদি অতি প্রত্যাশার কর রাজস্ব সংগ্রহ না-হয় তবে সরকারের মোট রাজস্ব এবং তৎসহ মূলধনী ব্যয় চাপে পড়ে যায়—যেটা ২০১৮-১৯ সালেই ঘটেছে—সরকার কর রাজস্ব বাবদ ‘লস’ করেছে ১,৬৭,৪৫৫ কোটি টাকা এবং সরকারের মূলধনী ব্যয়টাও স্বাভাবিক কারণে ধাক্কা খেয়েছে।
প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার বক্তব্য যথার্থ। বড় মাপের বিনিয়োগ নেই, ২০১৯-২০ সালে জিডিপি বৃদ্ধির হার হয়ে যাবে ৭ শতাংশ। জিডিপির মুদ্রাস্ফীতি-পুনর্বিন্যস্ত বৃদ্ধির (ইনফ্লেশন-অ্যাডজাস্টেড গ্রোথ) হারটি ৭ বা ৮ শতাংশ সম্পর্কে সরকারি নথিপত্রে অস্পষ্টতা এই কারণেই।
22nd  July, 2019
আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। বিশদ

অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

 ১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। বিশদ

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। বিশদ

22nd  August, 2019
চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

22nd  August, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চার বছরের বি টেক করতে করতে মাঝপথে কোর্স ছেড়ে দিতে পারবেন ছাত্রছাত্রীরা। সেরকম সংস্থান রাখা হবে। সেই পড়ুয়া যে ক’বছর পড়বেন, তার স্বীকৃতি দেওয়া হবে। পরে অবশ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো কোর্স শেষ করার সুযোগ থাকবে তাঁর। ...

 ইসলামাবাদ, ২২ আগস্ট (পিটিআই): সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভার অধিবেশন চলাকালীন নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর নির্দেশ দিলেন ইমরান খান। কাশ্মীর ইস্যুকে সামনে রেখে তাঁর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের নেতা-কর্মীদের এই নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। ...

 অমিত চৌধুরী, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর থানার কেশবচক পঞ্চায়েতের নছিপুর বারোয়ারিতলার মাটির তৈরি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্যার জলে বছর দুয়েক আগে ভেঙে গিয়েছে। ত্রিপল টাঙিয়ে চলছে পড়াশোনা। সাপের ভয়ে শিশুদের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: জিয়াগঞ্জ শহরের ভট্টপাড়ায় ভাগীরথীর পাশে সবুজে ঘেরা পরিবেশে ভবঘুরেদের জন্য চারতলা ঝাঁ চকচকে আবাসন তৈরি হলেও তা এখন ফাঁকা পড়ে। ৫০শয্যার ‘ভালোবাসা’য় চলতি বছরের প্রথম থেকেই শহর বা পুরসভা এলাকার ভবঘুরেদের নিয়মিত থাকা-খাওয়ার কথা থাকলেও তাঁদের দেখা নেই। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৮-কথা সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪- অভিনেত্রী সায়রাবানুর জন্ম
১৯৯৪- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী সাঁতারু আরতি গুপ্তর (সাহা) মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ৭/৪ দিবা ৮/৯। কৃত্তিকা ৫৬/৯ রাত্রি ৩/৪৭। সূ উ ৫/১৯/৪১, অ ৫/৫৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৭/৫১ গতে ১০/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, অষ্টমী ৫৫/৩০/৩৯ রাত্রি ৩/৩১/১। কৃত্তিকানক্ষত্র ৪৭/২৮/৩০ রাত্রি ১২/১৮/৯, সূ উ ৫/১৮/৪৫, অ ৬/২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৫২ গতে ১০/২০ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/২৭ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৬/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫১ মধ্যে ও ৩/৪ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯/৩৭ গতে ১০/৫/৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৩ গতে ১১/৪০/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫১/২১ গতে ১০/১৫/৫৫ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি 
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি প্রকাশ করল ইসরো ...বিশদ

22-08-2019 - 08:25:16 PM

২৬ আগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমের সিবিআই হেফাজত 
পি চিদম্বরমের ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আজ সিবিআই঩য়ের ...বিশদ

22-08-2019 - 06:50:00 PM

ফের আক্রান্ত পুলিস, এবার আমতায়
ফের একবার পুলিসকে মারধর করে উদি ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:49:07 PM

রায়গঞ্জে বিজেপি সমর্থকের কান কাটার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 
রায়গঞ্জের পূর্বপাড়া এলাকায় হাঁসুয়া দিয়ে এক মহিলার কান কেটে নেওয়ার ...বিশদ

22-08-2019 - 04:21:05 PM

তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে গোলমাল, জখম ১ 
তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য এবং অখিল ভারতীয় ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:52 PM

চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই
সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পি চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:00 PM