Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

‘শিশুর মন কী পথে চলে, কীভাবে কাজ করে, সে সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান নিতান্তই অল্প। মনোবিদগণ বয়স্ক ব্যক্তির মন লইয়া যতটা নাড়াচাড়া করিয়াছেন, তাহার তুলনায় শিশুর মন সম্বন্ধে তাঁহারা বিশেষ কিছু করেন নাই। ইহার একটা কারণও আছে। বয়স্ক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করিলেই সে বলিতে পারে— তাহার মনে কি ভাব উঠিতেছে, কোন পথে তাহার মন চলিতেছে।’
এটি গিরীন্দ্রশেখর বসুর একটি প্রবন্ধের সূচনাংশ। প্রবন্ধটির নাম ‘শিশুর মন’। গিরীন্দ্রশেখর ছিলেন বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী। বিশ্বখ্যাত মনোবিদ ফ্রয়েডের সঙ্গেও তাঁর নিবিড় যোগাযোগ ছিল। পরস্পরের মধ্যে নিয়মিত পত্র-বিনিময় হতো। ফ্রয়েড গিরীন্দ্রশেখরের মনোভাবনার মান্যতা দিয়েছিলেন। শুধু বড়দের নয়, ‘শিশুর মন’-ও জানতেন তিনি। রাজশেখর বসুর ভ্রাতা গিরীন্দ্রশেখর ছোটদের কথা ভেবে একটিই বই লিখেছিলেন। ‘লাল-কালো’ বইটি আমাদের শিশুসাহিত্যের চিরায়ত সম্পদ।
গিরীন্দ্রশেখরের খেদোক্তির বাস্তব সত্যতা রয়েছে। সত্যিই তো শিশুদের, শুধু শিশুই বা বলি কেন, সামগ্রিকভাবে ছোটদের মনের অন্দরমহলের খবরাখবর ঠিকঠাক রাখি না আমরা। ছোটদের বুঝি না। বোঝার চেষ্টাও করি না। নিজের শৈশব-বাল্যর সঙ্গে মেলানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। ব্যর্থ হওয়াই তো স্বাভাবিক! সময় দ্রুত বদলে যাচ্ছে এই এলোমেলো, বিভ্রান্ত সময় মনের গভীরে গোপনে ছাপ ফেলছে। ছোটদের দিগ্‌ভ্রান্ত-বিভ্রান্ত করছে। সময়ের শিকার আমাদের সন্তানসন্ততিরাও হচ্ছে। সে সব নিয়ে আমরা সেভাবে ভাবিত নই, বরং তাদের ভুলভাল পথে চালিত করছি। বানাতে চাইছি নিজেদের ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র। নিজে যা পারিনি, তার বাস্তবায়ন ঘটাবে সন্তান। গর্বে আমার বুক ফুলে উঠবে। আত্মীয়স্বজনকে জানাব হোয়াটসঅ্যাপে, সর্বসাধারণকে ফেসবুকে। যা-তা বাবা নই, যা-তা মা নই,—তা প্রমাণ করার জন্য আমরা এখন কম-বেশি মরিয়া।
সব সন্তান তো এভাবে ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র হয়ে উঠতে পারে না। অসাফল্য প্রবল মনোযন্ত্রণার কারণ হয়ে ওঠে। তাদের কাছে অসহ্য হয়ে ওঠে বাবা-মা’র মানসিক উৎপীড়ন। বুক-ফোলানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলে প্রায়শই তারা কাণ্ডজ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন। ব্যর্থতা সাময়িক, অদূরেই রয়েছে সাফল্যের হাতছানি। এসব বলে উজ্জীবিত না করে আমরা আমাদের সন্তান-সন্ততিদের হতাশার অন্ধকারে নিমজ্জিত করি।
আমরা আমাদের সন্তানদের উপর বুঝে, না বুঝে কী ভয়ঙ্কর চাপই না সৃষ্টি করি! আমার আদরের ‘বাছা’ আমারই মতন রক্ত-মাংসের মানুষ, রোবট নয়। সঙ্গত কারণেই বুদ্ধাঙ্কে, ধারণ-ক্ষমতায় তারতম্য থাকতে পারে, ফলে আরেকজনের দৃষ্টান্ত দেখিয়ে তাকে ভর্ৎসনার কোনও মানে হয় না।
এই চাপাচাপিতে প্রিয় সন্তানের প্রাণ যে ওষ্ঠাগত, তা আমাদের বোধগম্য হয় না! এখন আর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ঢল নেই। বেসরকারি কলেজ অনেক হয়েছে। দোয়াত আছে কালি নাইয়ের মতো কলেজ আছে ছাত্র নেই। ছেলেমেয়েকে এখন আর অনেকেই ইঞ্জিনিয়ার বানাতে চান না, অনেকেরই লক্ষ্য ডাক্তারি। যেন-তেন-প্রকারেণ ডাক্তার বানাতেই হবে। সরকারিতে না হল তো কুছ পরোয়া নেই, বেসরকারি কলেজ তো আছে। রাজ্যে না হলে বহিঃরাজ্যে, বহিঃরাষ্ট্রে যেতেও দ্বিধা নেই, এমনকী নেপাল-বাংলাদেশেও। হয়তো সেখানে ‘ডাক্তার’ বানাবার ‘কল’ আছে, সেই কলে অর্থ জোরে কৌশলে আমরা ডাক্তার বানিয়ে আনছি। ডাক্তার হলেই দেদার অর্থ ‘বাছা’র স্বর্গসুখ না হলেও সর্বসুখ তো বটেই। বাবা-মা’র এমনতরো ইচ্ছে পূরণ করতে গিয়ে সন্তানসন্ততিদের কী অবস্থা হচ্ছে—সে খবর আর কে রাখে!
ডাক্তার তৈরির এই খেলা তো কৈশোরের তারুণ্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে। সেই শৈশব থেকেই সীমাহীন চাপ সহ্য করতে হয়। এই চাপ, চাপাচাপি একসময় অসহনীয় হয়ে ওঠে। আশপাশে যত মাঠ ছিল, সব কবেই লোপাট হয়ে গেছে। পেল্লায় ফ্ল্যাট উঠেছে। খেলার মাঠ তো নেই-ই, আর খেলার তেমন ফুরসতই বা কোথায়! পেট-ফোলা ব্যাগ নিয়ে স্কুলে যেতে হয়। স্কুলে হাজার কসরত, বইভারে প্রায় কুঁড়ো হয়ে ফিরতে না ফিরতেই ছোটো কোচিং। যত বিষয়, তত মাস্টারমশাই। এ-কোচিং সে-কোচিং করে পড়ারই সময় পায় না, এরপর আবার মেটাতে হয় বাবার বায়নাক্কা, মা’র আবদার। ছবি আঁকায়, আবৃত্তিতে বা গানে হয়ে উঠতে হয় পারঙ্গম। সেখানেও প্রতিযোগিতা, ফার্স্ট হয়ে পদকটদক নিশ্চিত করার জন্য চলে বাড়তি মেহনত। গল্পের বই পড়ার অবকাশই নেই। ফলে ‘চাঁদের পাহাড়’-এর শঙ্করের সঙ্গে আফ্রিকায়, ‘ভোম্বল সর্দার’-এর ভোম্বলের সঙ্গে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে পরিভ্রমণ হয় না। বই-পড়া নেই মানে তার কল্পনাশক্তি তৈরি হচ্ছে না। যন্ত্রের মতো জীবনে অনুভূতি উপলব্ধিও হারাতে বসেছে। কেমন যেন নিস্তরঙ্গ। জীবন থেকে আনন্দ অদৃশ্য, লোপ পেয়েছে বিস্ময়ও। চারপাশে এখন শুধুই ‘অদ্ভুত আঁধার’, গ্রাস করছে বিষণ্ণতা। আগামী দিনে যারা হবে দেশের কর্ণধার, তাদের বিপন্নতা আমাদের এখনও সেভাবে ভাবাচ্ছে না।
উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাড়তে বাড়তে এখন আকাশ ছুঁয়েছে। বাড়ানোর পেছনে আর কেউ নয়, আমরা, মানে অভিভাবককুল। উচ্চাশা, স্বপ্ন—এসব ছাড়া জীবন হয় না। জীবনের অগ্রগতি হয় না। যদি তা বাড়াবাড়ি রকমের হয়ে যায়, তবে তো অবসাদ আসবেই। সেই অবসাদ-অন্ধকারে তাজা কিশোর-প্রাণও তলিয়ে যাচ্ছে, এমনকী চিরতরে হারিয়েও যাচ্ছে। কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা এখন ভয়ঙ্কররকম বেড়েছে। খুব সম্প্রতি কলকাতার নামী বেসরকারি স্কুলের এক ছাত্রী যেভাবে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে, তা বড়ই বেদনার। নিজেকে এভাবে শেষ করে সে বোধহয় আমাদের বোঝাতে চেয়েছে, সন্তানের প্রকৃত হিতাকাঙ্ক্ষী হয়েও আমরা তার হিতাহিত বুঝি না। তাই এভাবে ফুল ফোটার আগেই ঝরে পড়ে, মৃত্যু হয় যাবতীয় সম্ভাবনার। ওই মেয়েটি আকস্মিক ওপথে যায়নি। মাঝেমাঝেই পরম প্রিয়জনকে এভাবেই কেউ কেউ চরম শিক্ষা দিয়ে যায়। তবু আমাদের বোধোদয় হয় না। একের পর এক দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটে।
কেরিয়ার গড়া নিয়ে উৎকণ্ঠা যেমন আছে, তেমনই আছে উদ্বেগ। পরীক্ষা-বৈতরিণী পার হলেও মন-পসন্দ চাকরি যে রাজ্যে নিশ্চিত, তা নয়। ডাক্তার হতে পারলে না হয় স্বাধীন ব্যবসায়
পসার জমানো যাবে! মানুষের অসুখবিসুখের তো আর শেষ নেই! তাই মরীচিকার পেছনেই ছেলেমেয়েরা ধাবমান। দৌড়তে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ছে, রক্তাক্ত হচ্ছে।
আমাদের দেশে বড় মানুষের, কৃতী মানুষের অভাব নেই। তাঁরা কেউই এমন চাপের মুখোমুখি দাঁড়াননি। তাঁদের বেড়ে ওঠা, জীবনের লক্ষ্য কখনওই এমন একমুখী ছিল না। তাঁরা আনন্দের সঙ্গে বেড়ে উঠেছিলেন। ছড়িয়ে পড়েছিলেন জীবনের নানা ক্ষেত্রে, সৃজনে মননে। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া, বড় হওয়া নানাভাবেই হতে পারে। গেয়ে, লিখে, এঁকে, এমনকী খেলেও। সুপ্ত থাকা প্রতিভার স্ফুরণ ঘটলে এখন অবশ্য অভিভাবককুল হা-রে-রে-রে করে ওঠেন। উৎসাহ নয়, প্রায়শই জোটে ভর্ৎসনা। ‘কী সর্বনাশ, গোল্লায় গেল’—এই বলে সোৎসাহে মড়াকান্নাও জুড়ে দেন কেউ কেউ।
আগের দিনে পরিবারের একজন উৎসাহিত না করলে অন্য পাঁচজন করত। পরিবারগুলো ছিল বড়সড়, একান্নবর্তী। মিলমিশের অভাব ছিল না। স্নেহ-ভালোবাসা সহমর্মিতা ছিল অফুরান।
একান্নবর্তী পরিবারে কবেই ভাঙন ধরেছে। স্নেহময় ঠাকুরদার, স্নেহময়ী ঠাকুরমার এখন দুর্গতির শেষ নেই। একচিলতে ফ্ল্যাট বাড়িতে সম্পর্কের টানাপোড়েনে খিটিরমিটিরে ছোট শিশুটি বালকত্ব পেরিয়ে কোনওরকমে কৈশোরে পৌঁছয়। পৌঁছনোর সেই পথটি প্রায়শই মসৃণ থাকে না। ফলে অনেক অভিজ্ঞতাই তার কাছে সুখকর হয়ে ওঠে না। এসব বেড়ে ওঠার দিনগুলোকে ধ্বস্ত করে।
ডাক্তারিটাক্তারি না হলে নিদেনপক্ষে এখন সায়েন্স পড়তেই হবে। সায়েন্স না পড়লে জীবন ষোলোআনাই মাটি, মূর্খবৎ এমন ভাবনা এখন অনেককেই পেয়ে বসেছে। আর্টস পড়ে পড়ানোর চাকরি তো হাতের পাঁচ, ডব্লুবিসিএস দিয়ে এ-ক্যাটাগরিতে সফল হয়ে সম্মানজনক চাকরি তো হাতের মুঠোয়। সায়েন্সে ভালোমেয়েদের গিজগিজে ভিড়। আর্টসে ভিড়ভাট্টা তেমন প্রকট নয়, ফলে ‘ভালো’রা গেলে সাফল্য প্রায় অনিবার্য হয়ে ওঠে। এসব নিয়ে বাবা-মা’রা ভাবুন। নতুন করে ভাবুন। ভাবনায় কত ভ্রান্তি আছে, তা নিজেরাই আবিষ্কার করুন।
সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে
রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর
মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি। পারলে সারাক্ষণই বড়ত্ব ফলাই। নিজেকে শুধরানোর সময় এসেছে।
20th  July, 2019
ব্যাঙ্কের রাহুমুক্তি কবে? তাকিয়ে দেশের মানুষ
মৃণালকান্তি দাস

 সাম্প্রতিক কালে দেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্কে একের পর এক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসার পরে অস্বস্তি বেড়েছে মোদি সরকারের। সেই অস্বস্তি আরও কয়েক দফা বাড়িয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বার্ষিক রিপোর্ট জানিয়েছে, গত অর্থবর্ষে বিভিন্ন ব্যাঙ্কে প্রতারণা-জালিয়াতির ঘটনা বেড়েছে আরও অনেকখানি। প্রায় ১৫ শতাংশ। শুধু তাই নয়, প্রতারণা সবচেয়ে বেশি হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতেই। জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ছ’মাসে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে ৯৫,৭০০ কোটি টাকার বেশি প্রতারণা হয়েছে। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতারণার ঘটনা ছুঁয়েছে ৫,৭৪৩টি। সম্প্রতি এই কথা জানিয়েছেন খোদ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। যেখানে তার আগের বছর ২,৮৮৫টি ঘটনায় নয়ছয়ের অঙ্ক ছিল ৩৮,২৬০ কোটি। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, কেন্দ্র বার বার নজরদারিতে জোর দেওয়ার কথা বললেও, প্রতারণা এতখানি বাড়ছে কী করে? কে বা কারা করছে এই প্রতারণা?
বিশদ

তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন: মিলবে লোকসভা-উত্তর রাজ্য-রাজনীতির মতিগতি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে প্রথম তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ আগামী ২৫ নভেম্বর,ফলাফল ২৮ নভেম্বর। খড়্গপুর সদর করিমপুর এবং কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল থেকে বিবাদমান রাজ্য-রাজনীতির একাধিক প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে। বিশদ

21st  November, 2019
ভারত-মার্কিন সহযোগিতাই ঠেকাতে পারবে
অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারের বিপদ 
কেনেথ আই জাস্টার

কেউ কি ভাবতে পেরেছিল, সামান্য একটি ছাতাপড়া ‘মেলন’ জাতীয় ফলের ভিতর লুকিয়ে রয়েছে অগণিত মানুষের জিয়নকাঠি? হ্যাঁ, পেনিসিলিন—এটাই হল সর্বপ্রথম অ্যান্টিবায়োটিক।   বিশদ

20th  November, 2019
শিবসেনা ও একটি পরম্পরার অপমৃত্যু
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শিবাজি পার্কের জনসভায় তির-ধনুকটা নামিয়ে বক্তৃতা শুরু করতে গিয়েও থমকে গেলেন বাল থ্যাকারে। শব্দবাজির দাপট কানের যাবতীয় সহ্যক্ষমতা অতিক্রম করছে। সঙ্গে চিৎকার... উল্লাস। অপেক্ষা করছেন শিবসেনা ‘প্রমুখ’। তির-ধনুক তাঁর দলের প্রতীক। পৌরুষের প্রতীক। তিনি নিজেও তাই। ১৯৯৫ সালের বিধানসভা ভোটের শেষ পর্বের প্রচার।  
বিশদ

19th  November, 2019
প্রচলিত ছকে মৌসুমি বায়ু চরিত্র বোঝা যাচ্ছে না
শান্তনু বসু

২০১৯-এর এই উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাত আবহাওয়াবিদদের হিসেবেই ছিল না। উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাত ভূগর্ভস্থ জলস্তরকে পুনরুজ্জীবিত করবে সন্দেহ নেই, কিন্তু আগামী বছর যদি আরও দেরিতে কেরলে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে, ভারতের কৃষি আবার অনিশ্চয়তায় চলে যাবে। চলতি বছরের উদ্বৃত্ত জলকে ধরে রাখা হয়েছে—এমন সুখবর কিন্তু নেই।
বিশদ

18th  November, 2019
একটি কাল্পনিক স্মরণসভা
সন্দীপন বিশ্বাস

সাদা কাপড়ে মোড়া মঞ্চজুড়ে সারি সারি চেয়ার-টেবিল। টেবিলের উপরে ফুলদানিতে সাদা ফুল। মঞ্চের একপাশে বড় একটি ছবি। তাতে সাদা মালা দেওয়া। শোকস্তব্ধ পরিবেশ। আজ এখানে প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশনের স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে সমাজের গণ্যমান্য সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনেকেই এসেছেন।  
বিশদ

18th  November, 2019
মূল্যবোধের রাজনীতি ও
মহারাষ্ট্রের কুর্সির লড়াই
হিমাংশু সিংহ

আজকের নির্বাচনী রাজনীতি যে কতটা পঙ্কিল ও নোংরা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ আজকের মহারাষ্ট্র। সঙ্কীর্ণ স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতিতে ক্ষমতা দখলের নেশায় ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই আজ মরিয়া। মহারাষ্ট্রের ফল বেরনোর পর গত তিন সপ্তাহের রাজনীতির নাটকীয় ওঠাপড়া সেই অন্ধকার দিকটাকেই বড় প্রকট করে তুলেছে। ভোটের ফল ও কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন তা নিয়ে দুই পুরনো জোট শরিকের দ্বন্দ্ব যে দেশের বাণিজ্য পীঠস্থান মুম্বই তথা মহারাষ্ট্রকে এমন নজিরবিহীন সঙ্কটে ফেলবে, তা কে জানত? যে জোট পাঁচ বছর ধরে রাজ্য শাসন করল এবং এবারও গরিষ্ঠতা পেল, সেই জোটই ভেঙে খান খান!
বিশদ

17th  November, 2019
ঘর ওয়াপসি ও কিছু প্রশ্ন
তন্ময় মল্লিক

 ঘর ওয়াপসি। ঘরে ফেরা। ‘ভাইজান’ সিনেমার ছোট্ট মুন্নির ঘরে ফেরার কাহিনীর দৌলতে ‘ঘর ওয়াপসি’ এখন আমবাঙালির অতি পরিচিত শব্দ। সেই পরিচিত শব্দটি অতি পরিচিতির মর্যাদা পেয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নেতাদের একাংশের ঘন ঘন জার্সি বদলের দৌলতে।
বিশদ

16th  November, 2019
জল বেড়েছে, বোধ বাড়েনি
রঞ্জন সেন

 সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার ফলে পৃথিবীর বহু উপকূলবর্তী দেশ ও দ্বীপ বিপন্ন হবে বলে পরিবেশবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এটাও বলছেন আমরা সবাই মিলে এবং রাষ্ট্রনায়কেরা চাইলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে পারি। বিশদ

16th  November, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

15th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
একনজরে
অভিজিৎ চক্রবর্তী, পূর্বস্থলী, সংবাদদাতা: মন্তেশ্বরের দেনুড় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নকশি কাঁথা এবার ভিন রাজ্যে বিপণনের জন্য উদ্যোগী হল ব্লক প্রশাসন। সম্প্রতি, দিল্লির একটি মার্কেটিং সংস্থার এজেন্ট দেনুড়ের মৌসা, গালাতুন, ধেনুয়া গ্রামে এসে গৃহবধূদের হাতের তৈরি নকশি কাঁথা দেখেন।  ...

সংবাদদাতা, জাঙ্গিপাড়া: শ্রীরামপুর-জাঙ্গিপাড়া ৩১ নং রাজ্য সড়কে বৃহস্পতিবার সকালে জাঙ্গিপাড়ার নেড়া মাধবপুরে কালভার্ট ভেঙে বালি ভর্তি একটি লরি পড়ে যায়। ঘটনায় এক স্কুলছাত্রী নিহত ও ...

বিএনএ, বাঁকুড়া: বুধবার রাতে বাঁকুড়া থানার মৌলাডাঙায় তালা ভেঙে পরপর দু’টি মন্দির থেকে লক্ষাধিক টাকার সোনা ও রুপোর গয়না চুরি গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। ...

 নয়াদিল্লি, ২১ নভেম্বর (পিটিআই): আইএনএক্স মিডিয়া অর্থ তছরুপ মামলায় ২২ ও ২৩ নভেম্বর দু’দিন চিদম্বরমকে তিহার জেলেই জেরা করবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ইডির এক আবেদনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এমনটাই অনুমতি দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় শুভ ফল। ব্যবসায় শুভ। প্রেম-ভালোবাসায় মনোমালিন্য। মেজাজ বর্জন করা উচিত। শেয়ার বা ফাটকায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪ -রবার্ট ক্লাইভের মৃত্যু
১৮৫৬ - বিধবা বিবাহ আইনের প্রেক্ষাপটে ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকায় এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয় যে, বিধবা বিবাহ করলে বরকে এক হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে
১৮৭৭ - টমাস আলফা এডিসন গ্রামোফোন যন্ত্র আবিস্কার করেন
১৯৩৯: রাজনীতিক মুলায়ম সিং যাদবের জন্ম
১৯৬৩: টেক্সাসে খুন হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি। হামলায় গুরুতর আহত হন টেস্কাসের গভর্নর জন কোনালি’ও। সন্দেহভাজন লি হার্ভে অসওয়াল্ডকে ধরা হল দু’দিন পর পুলিসি হেপাজতে তাকে গুলি করে হত্যা করে জ্যাক রুবি।
১৯৬৭: টেনিস তারকা বরিস বেকারের জন্ম
১৯৭০: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মারভান আত্তাপাত্তুর জন্ম
১৯৮৬: ট্রেভর বারবিককে হারিয়ে বক্সিংয়ের ইতিহাসে তরুণতম হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন হলেন মাইক টাইসন
১৯৮৬: দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিবন্ধী অ্যাথলিট অস্কার পিস্টোরিয়াসের জন্ম
১৯৮৭ - সুরকার ও সঙ্গীতশিল্পী হেমাঙ্গ বিশ্বাসের মৃত্যু
১৯৯৫: প্রকাশিত হল কম্পিউটার ইমেজ দিয়ে তৈরি প্রথম ফিচারধর্মী ছবি ‘টয় স্টোরি’
২০০৩: বাগদাদে ডি এইচ এল এক্সপ্রেস নামক পণ্যবাহী বিমানে ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে আঘাত হানে জঙ্গিরা। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই হামলায় বিমানটির বাঁদিকে পাখা ক্ষতিগ্রস্তগ্রস্ত হয়। জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয় সেটি





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.২৪ টাকা ৭৩.৪১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭২ টাকা ৯৫.১০ টাকা
ইউরো ৭৭.৭১ টাকা ৮১.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৬৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ৭/৪০ দিবা ৯/২। উত্তরফাল্গুনী ২৬/৪৯ অপঃ ৪/৪১। সূ উ ৫/৫৭/২৪, অ ৪/৪৭/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৭/২৪ গতে ৯/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ৩/২০ মধ্যে পুনঃ ৪/১৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৪০ গতে ১১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৪ মধ্যে।
৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ২/১৯/৪১ দিবা ৫/৫৬/১৯ পরে একাদশী ৫৬/২৭/৪২ শেষরাত্রি ৪/৩৪/৪১। উত্তরফাল্গুনী ২৩/৫৫/৪৯ দিবা ৩/৩৩/৫৬, সূ উ ৫/৫৯/৩৬, অ ৪/৪৭/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে ও ৭/৩৫ গতে ৯/৪২ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৩/২৩ গতে ৪/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৫ মধ্যে ও ১১/৫৬ গতে ৩/২৯ মধ্যে ও ৪/২৩ গতে ৫/৫৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/৪১/৩৪ গতে ১০/২/৩৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/২/৩৩ গতে ১১/২৩/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫/৩১ গতে ৯/৪৪/৩২ মধ্যে।
২৪ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৭৬ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

21-11-2019 - 03:56:31 PM

চোর সন্দেহে গণপিটুনি, মৃত ২ 
কোচবিহারের পাইটকাপাড়া গ্রামে চোর সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গণপিটুনির অভিযোগ। বুধবার ...বিশদ

21-11-2019 - 03:24:52 PM

রায়গঞ্জের মারাইকুড়া গ্রামে চোর সন্দেহে ৪ জনকে গণপিটুনি গ্রামবাসীদের 

21-11-2019 - 03:22:00 PM

হুগলির পাণ্ডুয়াতে প্রেমিকাকে খুন করে আত্মঘাতী যুবক 
হুগলির পাণ্ডুয়াতে প্রেমিকাকে খুন করে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। বৃহস্পতিবার ...বিশদ

21-11-2019 - 02:43:32 PM

চারদিনের জেলা সফর শেষে কলকাতায় ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

21-11-2019 - 02:39:00 PM

ডুয়ার্সে প্যাঙ্গোলিন সহ ধৃত ৫ 
পাচারের আগেই প্যাঙ্গোলিন উদ্ধার করল বৈকন্ঠপুর বনবিভাগের উত্তরবঙ্গের স্পেশাল ফোর্স। ...বিশদ

21-11-2019 - 02:26:05 PM