Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সাম্প্রতিক পাতাল রেলের দুর্ঘটনা নাড়িয়ে দিয়ে গেছে শহর কলকাতাকে। আমাদের আত্মবিশ্বাসকে একেবারে কাঁপিয়ে দিয়েছে এই ঘটনা। দুর্ঘটনায় মৃত্যু আসে বারবার, সময়ের সঙ্গে তা সয়েও যায়। মানুষটাকে মনে থেকে যায় খুব কাছের কিছু আত্মীয়-স্বজনের। বাকিদের কাছে বিষয়টা প্রতিদিন দাঁত মাজার মত। সকালের চোখ বোলানো সংবাদপত্র, কিংবা বিকেলের সিরিয়ালের ফাঁকে চটজলদি খবরের চ্যানেল। এর মাঝেই জাল দিয়ে দুভাগ করা ছোট্ট টেবিলে পিংপং বলের মত জীবন আর মৃত্যুর খবর। নিজের গায়ে ছ্যাঁকা না লাগলে পুরোটাই অন্য জগতের, টেবিলের অন্য পাশটার। একটু তলিয়ে ভাবলে কিন্তু বিশ্বজুড়ে দুর্ঘটনায় কত মানুষ মারা যাচ্ছেন সে সংখ্যা চমকে ওঠার মত। এ দুনিয়ায় প্রতিদিন পথ দুর্ঘটনায় মারা যান তিন হাজারের বেশি মানুষ, আর তাদের অর্ধেকের বয়েস সাধারণভাবে ১৫ থেকে ৪৪ এর মধ্যে। শুধু আমাদের দেশেই প্রতিদিন পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা চারশোর মত। সোজা হিসেবে নিজেকে আপনি প্রতিদিন মরতে দেখছেন না, অথবা নিজে মরার কথা ভাবছেন না একেবারেই। কিন্তু এদেশে প্রত্যেকটি দিন কমবেশি চারশো বাড়িতে কান্নার রোল। অন্তর্জাল খুঁজে যা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে মার্কিন দেশে প্রতিদিন পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা একশোর কিছুটা বেশি। অঙ্কের তাতে অসুবিধে নেই, কারণ সহজ অনুপাত কষলেই বোঝা যায় ভারতের জনসংখ্যা মার্কিন দেশের থেকে যতটা বেশি তাতে ভারতে বেশি লোক মরার সম্ভাবনা বাড়বেই। আর্থসামাজিক প্রেক্ষিত আলোচনা করলে সঙ্গে আরও কয়েকটি বিষয় যোগ হবে। যেখানে খুব সহজেই অনুসিদ্ধান্তে আসা যাবে যে গরিব মানুষের জীবনের দাম কম। ঠিক সেই কারণেই বিহার বা উত্তরপ্রদেশে এনসেফেলাইটিসে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা সহজেই একশো ছাড়িয়ে যায়, যেমনটা ইউরোপ বা আমেরিকায় বছর বছর ঘটে না।
একথা তো মানতেই হবে যে মৃত্যুর সবথেকে বড় কারণ জন্ম। আপাতত বিজ্ঞানের যা অবস্থা তাতে জন্মালে মরতেই হবে। হয়তো বছর পঁচিশ পরে এমন সময় আসবে যখন যন্ত্রপাতি বসিয়ে অমর হওয়ার ব্যবস্থা করা যাবে, তবে তার খরচ সাধারণ মানুষের নাগালে থাকবে না। অল্প কজন মানুষ সেই সুযোগ পাবেন। ঠিক যেমন কর্কট রোগ থাবা বসালে মার্কিন দেশে গিয়ে অনেক ভালো চিকিৎসা করানো যায়, জীবন লম্বা হয় অনেকটা। কিন্তু আমাদের দেশে ক্যান্সার আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগেরই সঠিক চিকিৎসা করানোর, কিংবা বলা ভালো চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগই নেই। মার্কিন দেশ তাই স্বপ্নের চলচ্ছবিতে ঘুরঘুর করে। তবে জীবন বিজ্ঞানের প্রাথমিক স্তরের বিদ্যায় আপাতত এটুকু সহজবোধ্য যে নিজে কেঁদে ভূমিষ্ঠ হলে ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তার সঙ্গে খোদাই হয়ে যায়। তার পরের কোনও একটা সময় কেউ কাঁদুক বা না কাঁদুক, নশ্বর দেহ ত্যাগ করে পটল খেতে কাগতাড়ুয়া হতেই হবে। বিষয়টায় সবথেকে মুশকিল হল, জন্ম আর মৃত্যু কোনওটাই মানুষের নিজের হাতে নেই। ভাটপাড়ায় গুলিবিদ্ধ ফুচকাওয়ালা তাই পুতিনের ছেলে না হওয়ার জন্যে বিধাতাকে দোষ দিতেই পারে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়ি না থাকায় ভিড় মেট্রোয় কিংবা বনগাঁ লোকালে ফেরিওয়ালার মৃত্যু শেখায় পূর্ণ সংখ্যা থেকে ভগ্নাংশের অঙ্ক। সমান্তরাল লোহারেখার সারির মাঝে চাঁদের আলোয় চিকচিক করে সস্তার বয়াম-ভাঙা হিরের টুকরো। সঙ্গে মণিমুক্তো লাল-নীল-সবুজ টাকায় দুটো আর গুণ ভুল করা দুটাকায় পাঁচটা চিনির মণ্ড। কাঁধে ঝোলা-বওয়া “চুষতে থাকুন” তখন আর কখনও না ফেরা হলুদ পাখি। গ্রুপ থিয়েটারের আঁতলামোর ফাঁকে নন্দন চত্বরে বেখাপ্পা হাওয়ায় যদৃচ্ছ উড়ে বেড়ায় পথ হারানো লিটল ম্যাগাজিনের পাতা। যেগুলো ছেঁড়ে নি, যাদের ছেঁড়া হয়েছে ঝালমুড়িকে আস্তানা দেওয়ার জন্যে। সে পাতায় ভাসা মৃত্যুর গন্ধ মাখা দীর্ঘ কবিতার ছুটি নেই কোনও।
আসলে মৃত্যু তো বাড়বেই। এখনই এই গ্রহের জনসংখ্যা সাতশো কোটি। গত এগারোই জুলাই গেল বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। নামী হোটেলে নৈশভোজের আসরে নড়েচড়ে বসলেন বিশেষজ্ঞরা। জানা গেল দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় দরিদ্র পরিবারের সন্তানসন্ততির সংখ্যা চার থেকে পাঁচ। পাকিস্তানে এ সমস্যা প্রচণ্ড। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে গুরুগম্ভীর ইংরেজি আলোচনায় গাঢ় অক্ষরে লেখা হল একই অবস্থা নাকি বিহার, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ বা কাশ্মীরে। এ সমস্ত তথ্য অর্থনীতির পক্ষে ভীষণ বিপদের। বুঝতে অসুবিধে হয় না যে বিত্তশালীদের কমসংখ্যক ছেলেমেয়ে এবং নিম্নবিত্তদের বৃহৎ পরিবার অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং সামগ্রিক অসাম্যকে অনেকগুণ বাড়িয়ে দেবে। উন্নত দেশে রাস্তা দিয়ে মানুষ হাঁটলে অনেক দূরে দাঁড়িয়ে যায় চলমান যানবাহন। কলকাতার রাজপথে যিশু হেঁটে বেড়ায় অবলীলায়, বাস, ট্রাম, ট্যাক্সির সঙ্গী হয়ে। মানুষ বাড়লে, এবং বিশেষ ভাবে নিম্নবিত্ত মানুষের সংখ্যা দ্রুতহারে বাড়তে থাকলে জীবনের দাম কমা ভাগের অঙ্কের মতই বাস্তব। সেজন্যে তো ব্যবস্থা নেবে সরকার। কাছের ভারতবর্ষই হোক কিংবা সুদূর সুদান, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ সরকারের দায়িত্ব। সমর্থ সরকার সেই দায়িত্ব নেবে, জনপ্রিয়তা কমলেও। আর ভবিষ্যতের দায় যদি না থাকে তাহলে যেমন চলছে তেমনটাই চলুক। বিশ্বের জনসংখ্যা যতদিনে হাজার কোটি ছোঁবে, তার আগেই চীনকে হারিয়ে আমরা পৌঁছব প্রথম স্থানে। সঙ্গে থাকবে আশেপাশের অনুন্নত দেশের মানুষের চাপও। রাজনীতির কচকচিতে মিলেমিশে একাকার হবে শরণার্থী আর অনুপ্রবেশকারী।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যাকে যে মানচিত্রের দেশভাঙা রেখা দিয়ে সমাধান করা যাবে না সে বোধটুকুই এখনও আত্মস্থ হয়নি বিশ্বের সেরা রাষ্ট্রনায়কদের। তবে মৃত্যুর বাস্তবতা এবং নিশ্চয়তার সঙ্গে মনুষ্যত্বকে গুলিয়ে ফেললে খুব ভুল হবে। রাস্তায় ভিড়, পরিষেবা অপ্রতুল, পরিকাঠামো ঝরঝরে এসব কথা বলে মৃত্যুকে যৌক্তিক করার চেষ্টা বড়ই অমানবিক। যে মানুষটি আত্মহত্যা করেন, তার মৃত্যুকেও সম্মান জানানোর দায় থাকে এই সমাজের। মুহূর্তের অসতর্কতায় কেউ দুর্ঘটনায় মারা গেলে রাজনীতি হবে সেটাই স্বাভাবিক। কারণ রাজনীতির কারবারিদের এক বড় মূলধন মৃত্যু।
তা বলে প্রয়াত সেই মানুষটিকে অসতর্কতার
জন্যে দুষলে পৌরুষত্ব দেখানো যেতে পারে, কিন্তু সেক্ষেত্রে মননশীলতার মাথা মাছের বাজারে সস্তায় বিক্রি হবে।
সেই প্রেক্ষিতেই টেলিভিশনে দৈনন্দিন মৃত্যু দেখে সাধারণ মানুষ অভ্যস্ত হয়ে গেলে মুশকিল। সরকারি হাসপাতালে কোনও এক রাতজাগা চিকিৎসক স্বপ্ন খুঁজে পান এক হতদরিদ্র শিশুর জীবন বাঁচানোর উল্লাসে। বাংলাদেশের এক জাহাজ ভর্তি মাল্লা আনন্দে গর্জন করে ওঠেন চারদিন সমুদ্রে ভাসা এ বঙ্গের এক জীবন্ত মাঝিকে উদ্ধার করে। রাস্তার মাঝে চিৎ হয়ে দিবানিদ্রায় মগ্ন বমি-মাখা মদ্যপকে মাথায় জল ঢেলে ফুটপাথে তুলে দেয় কোনও অজানা বন্ধু। তাই কার দায়, কোনও রাজনীতি, নামী বেসরকারি হাসপাতালে কার ভুলে প্রসূতির মৃত্যু, মেট্রো রেলের কামরার ভেতর আর বাইরে ভাগ হওয়ার অসহায়তা, এসব মেনে নিয়েও কাজ করুক সামান্য সহমর্মিতা। একটু শিউড়ে উঠে ভাবা যাক অন্যের এই মৃত্যুটা নিজেরও হতে পারত। আর সেটা যে হয় নি সেখান থেকেই আর একবার জন্মাক প্রতিদিনকার জীবন। মৃত্যু থেকে মুখ ফিরিয়ে নয়, তাকে সামনা-সামনি রুখে দিয়ে—“জগৎটাকে গায়ের চামড়ার মত আঁকড়ে ধরে”।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
20th  July, 2019
আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। বিশদ

অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

 ১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। বিশদ

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। বিশদ

22nd  August, 2019
চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

22nd  August, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
একনজরে
 ইসলামাবাদ, ২২ আগস্ট (পিটিআই): সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভার অধিবেশন চলাকালীন নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর নির্দেশ দিলেন ইমরান খান। কাশ্মীর ইস্যুকে সামনে রেখে তাঁর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের নেতা-কর্মীদের এই নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দীর্ঘ ১৯ বছর পর মোহন বাগান ঐতিহাসিক ডুরান্ড কাপ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। মোহন বাগান শেষবার ডুরান্ডে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ২০০০ সালে। সেবার দিল্লির ...

 অমিত চৌধুরী, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর থানার কেশবচক পঞ্চায়েতের নছিপুর বারোয়ারিতলার মাটির তৈরি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্যার জলে বছর দুয়েক আগে ভেঙে গিয়েছে। ত্রিপল টাঙিয়ে চলছে পড়াশোনা। সাপের ভয়ে শিশুদের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৮-কথা সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪- অভিনেত্রী সায়রাবানুর জন্ম
১৯৯৪- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী সাঁতারু আরতি গুপ্তর (সাহা) মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ৭/৪ দিবা ৮/৯। কৃত্তিকা ৫৬/৯ রাত্রি ৩/৪৭। সূ উ ৫/১৯/৪১, অ ৫/৫৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৭/৫১ গতে ১০/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, অষ্টমী ৫৫/৩০/৩৯ রাত্রি ৩/৩১/১। কৃত্তিকানক্ষত্র ৪৭/২৮/৩০ রাত্রি ১২/১৮/৯, সূ উ ৫/১৮/৪৫, অ ৬/২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৫২ গতে ১০/২০ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/২৭ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৬/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫১ মধ্যে ও ৩/৪ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯/৩৭ গতে ১০/৫/৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৩ গতে ১১/৪০/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫১/২১ গতে ১০/১৫/৫৫ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি 
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি প্রকাশ করল ইসরো ...বিশদ

22-08-2019 - 08:25:16 PM

২৬ আগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমের সিবিআই হেফাজত 
পি চিদম্বরমের ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আজ সিবিআই঩য়ের ...বিশদ

22-08-2019 - 06:50:00 PM

ফের আক্রান্ত পুলিস, এবার আমতায়
ফের একবার পুলিসকে মারধর করে উদি ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:49:07 PM

রায়গঞ্জে বিজেপি সমর্থকের কান কাটার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 
রায়গঞ্জের পূর্বপাড়া এলাকায় হাঁসুয়া দিয়ে এক মহিলার কান কেটে নেওয়ার ...বিশদ

22-08-2019 - 04:21:05 PM

তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে গোলমাল, জখম ১ 
তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য এবং অখিল ভারতীয় ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:52 PM

চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই
সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পি চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:00 PM