Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না। প্রগতিবাদী বুদ্ধিজীবী, কাগজে উত্তর সম্পাদকীয় লেখা ঘোষিত বামপন্থীরাও আর থাকতে না-পেরে একেবারে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানটা মেনে নেওয়া যায় না। এটা মেনে নিলে বাংলার সংস্কৃতির আর কিছু থাকবে না।
এই রাজ্যের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারটা আসলে কী? ১৯৭০ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মধ্যেই খুন হয়েছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক গোপালচন্দ্র সেন। স্বাধীন ভারতে এমন ঘটনা আর ঘটেনি। সেটাই কি বঙ্গ সংস্কৃতি? নাকি ১৯৭৯ সালে পূর্ববঙ্গ থেকে আসা তফসিলি জাতির অসহায় নিরস্ত্র মানুষের উপর যখন গুলি চালিয়েছিল পুলিস? মরিচঝাঁপির সেই ঘটনা বাংলার সংস্কৃতি? কিংবা ২০০৭ সালে কলকাতায় যখন তিনদিন ধরে দাঙ্গা চলল, দাঙ্গাবাজরা জ্বালিয়ে দিল সিপিএমের দু-দুটো পার্টি অফিস, বামফন্টের চেয়ারম্যান ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে রাজ্য ছেড়ে চলে যেতে বললেন কবি তসলিমা নাসরিনকে। সেটাই কি ছিল বাংলার ঐতিহ্য?
এরাজ্যে গত বছর পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য এতজন মানুষ খুন হলেন। অথচ একই বছরে দেশের তিনটি রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হয়ে বিজেপি থেকে কংগ্রেসের সরকার তৈরি হল। কোথাও একজন মানুষেরও মৃত্যু হয়নি। তবে কি রাজনৈতিক কারণে পিঁপড়ের মতো মানুষকে পিষে মারাটাই বঙ্গ সংস্কৃতি?
এতকাল কেমন ছিল বাঙালি সমাজ? সেটা বুঝতে গেলে একটু ফিরে দেখতে হবে। ভারতের নবজাগরণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বাংলা। সেই জাগরণকে অনেকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের জাগরণ বলে কটাক্ষ করেন। আসলে এই হিন্দুত্বের সঙ্গে কোনও উপাসনা পদ্ধতির বিশেষ সম্পর্ক নেই, সম্পর্কটা আছে ভারতীয়ত্বের, দেশপ্রেমের। নবগোপাল মিত্র যখন ‘হিন্দুমেলা’ শুরু করলেন বা রবীন্দ্রনাথ যেদিন ‘শিবাজি উৎসব’ পাঠ করলেন তখন তাতে দেশাত্মবোধ ছিল, সাম্প্রদায়িকতা ছিল না। আধুনিক ভারতে ‘হিন্দুত্ব’ শব্দটাই তো বাঙালির অবদান। ১৮৯২ সালে চন্দ্রনাথ বসু তাঁর ‘হিন্দুত্ব: হিন্দুর প্রকৃত ইতিহাস’ বইটি প্রকাশ করলেন। ঠিক তার পরের বছরই কলকাতার সিমলাপল্লির নরেন্দ্রনাথ দত্ত শিকাগোতে হিন্দুধর্মের প্রতিনিধি হয়ে জগৎ কাঁপিয়ে এলেন। এত বছরের পরাধীন একটা দেশ আত্মবিশ্বাসে জেগে উঠল স্বামী বিবেকানন্দের আহ্বানে। সেটা কি বাঙালি জাতির ঐতহ্য নয়?
বঙ্কিমচন্দ্র ‘আনন্দ মঠ’-এ বন্দেমাতরম গানে দেশমাতৃকাকে বললেন ‘ত্বাং হি দুর্গা দশপ্রহরণধারিণী’। সেই ‘বন্দেমাতরম’কেই জাতীয় মন্ত্র করলেন অরবিন্দ ঘোষ। ১৯০৫ সালে বাঙালি শিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর আঁকলেন ভারতমাতার চিত্র। সেই প্রথম আঁকা হল ভারতমায়ের ছবি! ভগিনী নিবেদিতা সেই চিত্র নিয়ে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত ঘরে ঘরে জাগরণের কথা বলেছিলেন। ১৯২২ সালে ধূমকেতু পত্রিকায় বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামের ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতা প্রকাশিত হল। কবি দেশমাতৃকাকে দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন। জেল হল নজরুলের। নিষিদ্ধ হল ধূমকেতু। বিজ্ঞানী প্রফুল্লচন্দ্র রায় লিখেছিলেন, ‘হিস্ট্রি অফ হিন্দু কেমিস্ট্রি। ঋষি বঙ্কিম, শ্রীঅরবিন্দ, কাজী নজরুল ইসলাম, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র তো বাঙালিই ছিলেন।
‘তোমাদের রামচন্দ্র আর আমাদের মা দুর্গা’ এটাও হাস্যকর জল্প। শ্রীরামচন্দ্রই দেবীদুর্গার অকালবোধন করেছিলেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেবের পারিবারিক কুলদেবতা ছিলেন রঘুবীর শ্রীরামচন্দ্র। বাবা ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায় যেদিন জমিদারের হয়ে মিথ্যা সাক্ষী দিতে অস্বীকার করে গ্রামছাড়া হলেন সেদিন রঘুবীরের মূর্তিটাই সম্বল করে কামার পুকুরে এসেছিলেন।
এস ওয়াজেদ আলী তাঁর ‘ভারতবর্ষ’ প্রবন্ধে এক অসাধারণ দৃশ্যকল্পের বর্ণনা করেছিলেন। এক বাঙালি মুদি দোকানদার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রামায়ণ পাঠ করছেন। বাড়ির সদস্যরা শুনেছেন। ওয়াজেদ আলী ঠিকই ধরেছিলেন, ভারতবর্ষকে বাদ দিলে বাংলার না-থাকে শ্রী, না-থাকে গৌরব। সত্যিই ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বাঙালির সেই সংস্কৃতিকে। যেখানে শ্রীরামচন্দ্র ছিলেন, হিন্দুত্ব ছিল কিন্তু সাম্প্রদায়িকতা ছিল না।
তাই যাঁরা ‘বন্দেমাতরম’ বা ‘ভারতমাতা কী জয়’ বলতে গর্ব বোধ করেন, এমন বঙ্গসন্তান সানন্দে ‘জয় শ্রীরাম’ বলবেন। আপত্তি তাঁদের থাকবে যাঁরা ‘ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে’ বলে স্লোগান দেন। স্বদেশের সংস্কৃতি, পূর্বপুরুষের বিশ্বাসে আঘাত করাটাই যাঁদের আর্দশের মূল ভিত্তি। কীসের জন্য আজ এত হাহুতাশ? ঠিক কোন বঙ্গ সংস্কৃতির জন্য শোকাচ্ছন্ন তাঁরা? সেটাও একটা সংস্কৃতি ধরলে তার বয়স খুব বেশি নয়। ১৯১০ সালে বঙ্গভঙ্গ আইন রদ হল। বাংলার মানুষ বুঝিয়েছিল যে হিন্দু মুসলমান দু’ধর্মের ভিত্তিতে বাংলাকে ভাগ করা যাবে না। কিন্তু চল্লিশ দশকে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি মুসলিম লিগের পাকিস্তানের দাবিকে সমর্থন করল।
ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অক্লান্ত প্রয়াসে কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গ ভারতে থেকে গেল,
না-হলে সম্পূর্ণ বাংলাটাই পাকিস্তানের অংশ হতো। ‘কমিউনিস্ট পার্টি অফ পাকিস্তানের’ও (সিপিপি) জন্ম হয়েছিল কলকাতাতেই। কিন্তু আজ পাকিস্তানের কোথাও সেই সিপিপি-র সাইন বোর্ডও নেই।
রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও পরস্পরকে সম্মান দেওয়ার রেওয়াজ ছিল বাংলায়। শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যুর পরে সেই সংস্কৃতিও নষ্ট হয়ে গেল। শ্যামাপ্রসাদের সঙ্গে বিরোধীদের মতাদর্শগত পার্থক্য থাকলেও গভীর হৃদয়ের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু কাশ্মীরে শ্যামাপ্রসাদকে হত্যার পরে এরাজ্য-রাজনীতিতে এক অদ্ভুত বিকৃতি দেখা দিল। ১৯৫৩ সালের ২৩ জুন মৃত্যু হল শ্যামাপ্রসাদের। তাঁর মরদেহ মাঝরাতে কলকাতা বিমানবন্দরে আনা হল। তখনও সেখানে উপচেপড়া মানুষের ভিড়। শ্যামাপ্রসাদের উপরে এই অন্যায় আচরণে কলকাতা সেদিন ফুঁসছে। কিন্তু ২৭ জুন এক অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিল সিপিআই, প্রজা সোশ্যালিস্ট পার্টির মতো বাম দলগুলি। ১ পয়সা ট্রামভাড়া বৃদ্ধির জন্য ভীষণ জঙ্গি আন্দোলন শুরু হল। কলকাতায় ১১টি ট্রাম পুড়িয়ে দেওয়া হল। কংগ্রেস সরকার গ্রেপ্তার করল বাম নেতাদের। ২ জুলাই বামেরা সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিল। তখনও শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যুর দশদিন অতিক্রান্ত হয়নি। ভুলিয়ে দেওয়া হল শ্যামাপ্রসাদকে। বাংলায় জন্ম নিল এক বিকৃত সংস্কৃতির। এরপর থেকে বাংলায় যা শুরু হল তাকে সাংস্কৃতিক অসহিষ্ণুতা বললে ভুল হবে না। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে, সংবাদ মাধ্যমে সব জায়গাতেই শুরু হল ‘আমাদের লোক’ খোঁজার পালা। যা কিছু মার্ক্সীয় সেটাই প্রগতিশীল তার বিরোধিতা করাই প্রতিক্রিয়াশীলতা। গ্রামে গ্রামে, শহরের পাড়ায় পাড়ায় সমাজের জায়গা নিল পার্টি অফিস। এরাজ্যের মানুষের সব পরিচয় হারিয়ে কেবল রাজনৈতিক পরিচয় বড় হয়ে উঠল।
যেহেতু ধ্বনিবর্ধক যন্ত্রটা তাঁদের হাতে ছিল, তাই তাঁদের বিরোধীদের রক্তপিপাসু রাক্ষসের চেহারাটাই বাংলার মানুষকে সহজে পরিবেশন করা সম্ভব হল। বহুদিন ধরে বিজেপিকে ব্রাহ্মণ্যবাদী, মুসলমান-বিরোধী দাঙ্গাবাজ হিসাবেই দেখানোর অক্লান্ত প্রয়াস করেছে এই চক্র। যেখানে বাস্তবটা একেবারে উল্টোটাই। যে দু’টি রাজ্যে কমিউনিস্ট শাসন দশকের পর দশক চলেছে সেখানে পার্টি হয়ে গেছে বর্ণহিন্দু নেতৃত্বাধীন। অন্যদিকে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে, রাজ্যস্তরে উঠে এসেছেন তথাকথিত অন্ত্যজ সম্প্রদায়ের মানুষ। স্বাধীন ভারতে মুসলমান-বিরোধী সবচেয়ে বড় দাঙ্গাগুলি ঘটেছে অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যে। ১৯৬৯ সালে দু’মাস ধরে গুজরাতে দাঙ্গা হয়েছিল। মারা গিয়েছিলেন দু’হাজার মানুষ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের হিতেন্দ্র কানাইয়ালাল দেশাই। ১৯৮৯ সালে ভাগলপুরে দাঙ্গাতে মৃত্যু হয়েছিল এক হাজারেরও বেশি মানুষের। যার বেশিরভাগই মুসলমান সম্প্রদায়ের। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তখন কংগ্রেসের সতেন্দ্রনারায়ণ সিংহ। ২০০২ সালে ২৭ফেব্রুয়ারি গোধরায় ৫৯ জন অযোধ্যা ফেরত করসেবককে ট্রেনের কামরাতে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি দাঙ্গা শুরু হয়। গুজরাত সরকার একদিনের মধ্যে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিস এবং আধাসামরিক বাহিনীকে দেখামাত্র গুলির আদেশ দেওয়া হয়েছিল। পুলিসের গুলিতে ২৫৪ জন দাঙ্গাবাজের মৃত্যু হয়। বিজেপি-শাসিত অন্য কোনও রাজ্যে কিংবা অটলবিহারী বাজপেয়ির ছ’বছর আর নরেন্দ্র মোদির বর্তমান শাসনকালে কোথাও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর এমন লজ্জাজনক দাঙ্গার ঘটনা আর ঘটেনি।
এই সত্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরাও বোঝেন। তাই বিজেপি শাসিত রাজ্যকে তাঁরা নিরাপদ মনে করেন। ২০০২ সালের গুজরাত দাঙ্গার মুখ হয়ে উঠেছিলেন কুতুবুদ্দিন। কুতুবুদ্দিনকে কলকাতায় নিয়ে এসে রাজনৈতিক প্রচারে পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার করেছিল সিপিএম। বলতে পারেন কুতুবুদ্দিন এখন কোথায় আছেন? সেই মানুষটা তাঁর দুই মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে আবার গুজরাত ফিরে গেছেন। কারণ, তাঁর মনের গভীরে বিশ্বাস আছে ২০০২ সালের দুঃস্বপ্ন ক্ষণিকের। গুজরাতে সংখ্যাগুরু সমাজ আর বিজেপি সরকার তাঁদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে।
সারা ভারতের শাসনের দায়িত্বে মানুষ কখনও কমিউনিস্টদের হাতে দেননি। তবুও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ বা কেরলে একাধিকবার সেই নৃশংসতা দেখা গেছে। ২০০০ সালে ২৭ জুলাই বীরভূমের নানুরে সিপিএমের হার্মাদদের হাতে খুন হন ১১ জন গ্রামবাসী। তার মধ্যে স্মরণ মেটে ছিল তফসিলি উপজাতির মানুষ। বাকি ১০ জনই ছিল সংখ্যালঘু মুসলমান সম্রদায়ের।
সত্যি বলতে কী, নরহত্যার নিরিখে কমিউনিস্টদের স্থান আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে উপরে। ইউক্রেনের স্থানীয় ভাষায় ‘হলোডোমর’ কথাটির অর্থ ‘না খেতে দিয়ে হত্যা করা’। ১৯৩২-৩৩ সালে তাঁর বিরোধিতা করায় সরকারি হিসেবেই ৩৫ লক্ষ ইউক্রেনবাসীকে হত্যা করেন জোসেফ স্ট্যালিন। সারা পৃথিবীতে আজ স্ট্যালিন বা পল পটের মতো কমিউনিস্ট শাসকের নাম চেঙ্গিজ খাঁ বা হিটলারের মতো নরঘাতকদের সঙ্গে উচ্চারিত হয়। কিন্তু বাংলার মানুষের র্দুভাগ্য যে ওই অন্ধকারময় দিনগুলিতে, প্রগতিবাদী বুদ্ধিজীবীদের কল্যাণে পত্রপত্রিকায়, খবরের কাগজে, আলোচনায়, ‌বক্তৃতায় এইসব নাম শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, স্বামী বিবেকানন্দ বা রবীন্দ্রনাথের মতো মানবতাবাদী মনীষীর থেকে অনেক উপরে রাখা হতো। আজকে যাঁরা কাঁদছেন তাঁরা ওই কলঙ্কময় দিনগুলিকেই বাংলার ঐতিহ্য বলে ঢাক পেটাচ্ছেন।
আজ বাংলার মানুষ এইসব সহজ সত্য বুঝতে পেরেছেন। তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে তথাকথিত প্রগতিবাদীদের চক্রান্ত আর আগের মতো কাজ করছে না। মানুষ জেনে গেছে যে পূর্ববঙ্গ থেকে আসা উদ্বাস্তুদের জন্য এই প্রথম কোনও কেন্দ্রীয় সরকার সদর্থক ভূমিকা নিয়েছে। ‘নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল’ এত বছরের উদ্বাস্তু আন্দোলনের সব দাবিকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে। স্বাধীন ভারতে এই প্রথম নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আর তাঁর আজাদ হিন্দ বাহিনীকে সম্মান দিয়েছে কোনও কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন সরকার এবছর ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন তিন তিনজন বাঙালি বিজ্ঞানীকে। এই রাজ্যের সাধারণ মানুষ এইসব বোঝেন। তাঁরা ঠিক করে নিয়েছেন, নেতাজিকে যারা জাপানের প্রধানমন্ত্রী তোজোর কুকুর বলেছিল তাদের মুখোশ খুলে প্রকাশ্যে নিয়ে আসবে। বিদেশি সংস্থার সহায়তায় বা বিদেশের পরিত্যক্ত কোন আদর্শবাদের পচা গলা মমি জড়িয়ে যদি কেউ বাঁচতে চান, সেটা তাদের ব্যক্তিগত রুচি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তাঁদের সেই ‘স্বদেশি সমাজ’ ফিরে পেতে চান। চার রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলতে চান, ‘জয় শ্রীরাম, ভারত মায়ের জয় হোক’।
 লেখক কলকাতায় সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্সে কর্মরত। মতামত ব্যক্তিগত
18th  July, 2019
আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। বিশদ

অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

 ১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। বিশদ

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। বিশদ

22nd  August, 2019
চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

22nd  August, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দীর্ঘ ১৯ বছর পর মোহন বাগান ঐতিহাসিক ডুরান্ড কাপ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। মোহন বাগান শেষবার ডুরান্ডে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ২০০০ সালে। সেবার দিল্লির ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চার বছরের বি টেক করতে করতে মাঝপথে কোর্স ছেড়ে দিতে পারবেন ছাত্রছাত্রীরা। সেরকম সংস্থান রাখা হবে। সেই পড়ুয়া যে ক’বছর পড়বেন, তার স্বীকৃতি দেওয়া হবে। পরে অবশ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো কোর্স শেষ করার সুযোগ থাকবে তাঁর। ...

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ইসলামপুর পুরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তৃণমূল কংগ্রসের রঞ্জন মিশ্রের কাছ থেকে কাটমানি ফেরত পেতে বৃহস্পতিবার শতাধিক বাসিন্দা এবার পুরসভার চেয়ারম্যান কানাইয়ালাল আগরওয়ালের দ্বারস্থ হলেন। এদিন সকালে তাঁরা পুরসভা কার্যালয়ে এসে কানাইয়াবাবুর কাছে কাটমানি ফেরাতে পদক্ষেপের দাবি করেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৮-কথা সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪- অভিনেত্রী সায়রাবানুর জন্ম
১৯৯৪- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী সাঁতারু আরতি গুপ্তর (সাহা) মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ৭/৪ দিবা ৮/৯। কৃত্তিকা ৫৬/৯ রাত্রি ৩/৪৭। সূ উ ৫/১৯/৪১, অ ৫/৫৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৭/৫১ গতে ১০/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, অষ্টমী ৫৫/৩০/৩৯ রাত্রি ৩/৩১/১। কৃত্তিকানক্ষত্র ৪৭/২৮/৩০ রাত্রি ১২/১৮/৯, সূ উ ৫/১৮/৪৫, অ ৬/২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৫২ গতে ১০/২০ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/২৭ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৬/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫১ মধ্যে ও ৩/৪ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯/৩৭ গতে ১০/৫/৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৩ গতে ১১/৪০/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫১/২১ গতে ১০/১৫/৫৫ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি 
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি প্রকাশ করল ইসরো ...বিশদ

22-08-2019 - 08:25:16 PM

২৬ আগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমের সিবিআই হেফাজত 
পি চিদম্বরমের ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আজ সিবিআই঩য়ের ...বিশদ

22-08-2019 - 06:50:00 PM

ফের আক্রান্ত পুলিস, এবার আমতায়
ফের একবার পুলিসকে মারধর করে উদি ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:49:07 PM

রায়গঞ্জে বিজেপি সমর্থকের কান কাটার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 
রায়গঞ্জের পূর্বপাড়া এলাকায় হাঁসুয়া দিয়ে এক মহিলার কান কেটে নেওয়ার ...বিশদ

22-08-2019 - 04:21:05 PM

তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে গোলমাল, জখম ১ 
তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য এবং অখিল ভারতীয় ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:52 PM

চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই
সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পি চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:00 PM