Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে। শুধু কিছু নতুন বোঝা চাপিয়ে দেওয়ায় মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মোহভঙ্গ হয়েছে। গরিবরা ভাগ্যের হাতে নিজেদের সঁপে দিয়েছে। অন্যদিকে, তাদের দিকে ছুঁড়ে দেওয়া টুকরোটাকরা সুবিধা গুনে যাচ্ছে মাঝারি আকারের কর্পোরেটরা (৪০০০)।
বাজেট নিয়ে সক্রিয়ভাবে আলোচনা করে চলেছেন শুধু অর্থনীতিবিদগণ এবং সম্পাদকীয় নিবন্ধকারগণ—কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এই দুই শ্রেণীই অবজ্ঞাত হচ্ছেন। (আগাম অনুমতি ছাড়া সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রকে প্রবেশাধিকার কেড়ে নিয়েছেন অর্থমন্ত্রী)

কোন ইঞ্জিন চালানো হচ্ছে?
২০১৯-২০ অর্থবর্ষে জিডিপির ৭ অথবা ৮ শতাংশ বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার। এটা মাত্র ১ শতাংশ তফাতের বিষয় নয়। এখানে তফাতটা ধারাবাহিক ভদ্রস্থ বৃদ্ধি (কনটিনিউড মডারেট গ্রোথ) এবং সম্ভাবনাময়রূপে ত্বরান্বিত বৃদ্ধির (পোটেনশিয়ালি অ্যাকসিলারেটেড গ্রোথ) মধ্যে দেখতে হবে। এটাও একটা লক্ষণ যে প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার অধীন ইকনমিক ডিভিশনটি অর্থসচিবের অধীন বাজেট ডিভিশনের সঙ্গে কথাবার্তা বলে না। বেশিরভাগ পর্যবেক্ষণ লক্ষ করেছেন যে সরকার ভদ্রস্থ বৃদ্ধি (৭ শতাংশ) নিয়ে সন্তুষ্ট নাকি উচ্চ এবং ত্বরান্বিত বৃদ্ধির (৮+ শতাংশ) লক্ষ্য স্থির করছে—ভাষণের মধ্যে তার কোনও ইঙ্গিত ছিল না। আমার মনে হচ্ছে, সরকার প্রথমটা চাইছে।
উচ্চ এবং ত্বরান্বিত বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন বৃদ্ধির চারটি যন্ত্রের সবক’টিকে একসঙ্গে পুরোদস্তুর কাজে লাগানো। ২০১৩-১৪ সালে পণ্যসামগ্রী রপ্তানির যে দৃষ্টান্ত (৩১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) স্থাপিত হয়েছিল সেটা অতিক্রম করা গিয়েছে মাত্র এই ২০১৮-১৯ সালে এসে। এবং, তার পর বৃদ্ধির হারটা পূর্ববর্তী বছরের সাপেক্ষে ছিল পরিমিত ৯ শতাংশ। ২০১৮-১৯ সালে রাজস্ব হিসাবের উপর (সুদ প্রদান এবং অনুদানের নিটফল) সরকারি ব্যয় ছিল জিডিপির ৭.১৮ শতাংশ। ব্যক্তিগত উপভোগ কতকগুলি অনির্ণেয় বিষয়ের উপর নির্ভর করে—তার মধ্যে রাখতে হবে মুদ্রাস্ফীতি, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক ওঠানামা, নিরাপত্তা প্রভৃতিকে। গৃহস্থের সামনে দোটানার বারোমাস্যাও চলে—‘‘আমার এখন সঞ্চয় করা উচিত, না কি খরচাটা করেই ফেলব?’’ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় যে ব্যক্তিগত উপভোগ হ্রাসের রামধাক্কাটা লেগেছে মোটরগাড়ি এবং মোটরবাইকের বিক্রিতে।

বিনিয়োগ থমকে রয়েছে
এই কারণে বিনিয়োগ ছেড়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা আস্থা রাখে বিনিয়োগের শক্তির উপর এবং ব্যক্তিগত উপভোগের উপরে কিছুটা কম। একটি অর্থনীতিতে বিনিয়োগের সাধারণ পরিমাপটি হল গ্রস ফিক্সড ক্যাপিটাল ফর্মেশন (জিএফসিএফ)।
নীচের সারণিতে স্পষ্ট হবে এই ব্যাপারে প্রথম মোদি সরকারের ভূমিকাটি:

জিএফসিএফ ৩২.৯-এর উচ্চতা থেকে ৫ শতাংশ পয়েন্ট কমে গিয়েছে। এটা তিন বছর যাবৎ ২৮ শতাংশের মধ্যে থমকে ছিল এবং ২০১৮-১৯ সালে সামান্য সংশোধিত হয়ে ২৯.৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
যদি সরকারি এবং ব্যক্তিগত বিনিয়োগ বিশেষভাবে বাড়ে তবেই জিএফসিএফ বাড়বে। সরকারের কর রাজস্ব সংগ্রহের দক্ষতার উপর সরকারি বিনিয়োগ নির্ভর করে, কিন্তু সরকারের সেই দক্ষতা নিয়ে সংশয়ের অবকাশ রয়েছে। ২০১৮-১৯ সালের সংশোধিত হিসাবের (রিভাইজড এস্টিমেট) নিট কর রাজস্বের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ১,৬৭,৪৫৫ কোটি টাকা খুইয়েছে। ২০১৯-২০ সালের জন্য কর রাজস্বের অনুমিত বৃদ্ধির হারটি বড্ড বাড়াবাড়ি রকমের (শকিংলি অ্যামবিশাস) ধরা হয়ে গিয়েছে। কেউ কি বিশ্বাস করেন আয়কর রাজস্ব ২৩.২৫ শতাংশ অথবা জিএসটি রাজস্ব ৪৪.৯৮ শতাংশ বাড়বে?
ব্যক্তিগত বিনিয়োগ বা প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট নির্ভর করে কর্পোরেট সেভিংস এবং গৃহস্থের সঞ্চয়ের উপর। পাশাপাশি এটাও ভাবতে হবে যে বিনিয়োগ হল বিশ্বাসেরও ব্যাপার। যদি কর্পোরেটগণ পর্যাপ্ত মুনাফা করতে না-পারেন কিংবা সেইরূপ লাভের প্রত্যাশা না-রাখেন এবং মুনাফার অংশ পুনরায় বিনিয়োগ না-করেন অথবা গৃহস্থের সঞ্চয় থমকে যায় তবে ব্যক্তিগত বিনিয়োগ বাড়বে না।
কর্পোরেট মুনাফা এমন কতকগুলি বিষয়ের নির্ভরশীল যেগুলির উপর কর্পোরেটগণের কোনও নিয়ন্ত্রণ খাটে না। গৃহস্থদের সঞ্চয় প্রসঙ্গে বলি যে এই বাজেটে তাঁদের জন্য এমন কোনও উৎসাহ নজরে পড়েনি যে তাঁরা আরও বেশি সঞ্চয়ে উদ্বুব্ধ হবেন এবং সেগুলি বিনিয়োগে রূপান্তরিত হবে। গৃহস্থদের উপর, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উপর, বাড়তি চাপ বাড়িয়ে তাদের কাছ থেকে বিনিয়োগের সুরাহা প্রত্যাশা করা যায় না। তাদের উপর বাড়তি চাপ হয়ে যাচ্ছে পেট্রল ও ডিজেলের দামবৃদ্ধি, দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী লাভ চালিয়ে যাওয়া, শেয়ারের ‘বাইব্যাক’-এর উপর কর আরোপ, নিউজপ্রিন্ট, বই, স্প্লিট এয়ার কন্ডিশনার, কয়েক প্রকার গাড়ির যন্ত্রাংশ, রুপো এবং সোনার উপর চড়া হারে আমদানি শুল্ক চাপানো। যদি জিএফসিএফ স্ট্যাগন্যান্ট বা থমকে থাকে এবং ধরে নেওয়া হয় যে উৎপাদনশীলতা অথবা দক্ষতায় কোনও নাটকীয় উন্নতি ঘটছে না, তাহলে জিডিপি বৃদ্ধির হারে তাৎপর্যপূর্ণ বৃদ্ধি ঘটবে না।
কাঠামোগত সংস্কার নেই
বাজেট ভাষণের দুই স্থানে ‘স্ট্রাকচারাল রিফর্মস’ (কাঠামোগত সংস্কার)-এর কথাটি উচ্চারিত হয়েছে কিন্তু গোটা ব্যবস্থার মধ্যে এমন কোনও ইঙ্গিত পাওয়া গেল না যাকে কাঠামোগত সংস্কার বলে মেনে নেওয়া যাবে। এই বাজেট ভাষণ আমার মতটিকেই বরং প্রতিষ্ঠা দিল যে মনমোহন সিংয়ের মতো সাহসী সংস্কারক নরেন্দ্র মোদি অন্তত নন। তিনি রক্ষণশীল, সংরক্ষণ নীতির পক্ষে, মুক্ত বাণিজ্যে তাঁর বিশ্বাস নেই এবং ট্যাক্স-অ্যান্ড-স্পেন্ড পলিসির উপাসক। করব্যবস্থার কথা বাদ দিলে, শাসক হিসেবে তাঁর অবস্থানটি তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পদের মতো।
সরকারকে মনে হয় ৭ শতাংশের ভদ্রস্থ বৃদ্ধি (মডারেট গ্রোথ) নিয়েই তুষ্ট। সম্পদ সৃষ্টি অথবা জনকল্যাণ বৃদ্ধির পক্ষে ৭ শতাংশের বৃদ্ধি সত্যিই নগণ্য। ৭ শতাংশ বৃদ্ধি লাখো লাখো চাকরির ব্যবস্থা করতে নিতান্তই অক্ষম, অথচ আজ এটাই সবচেয়ে জরুরি। জনসংখ্যার সবচেয়ে নীচে যে ২০ শতাংশ মানুষ রয়েছেন তাঁদের মাথাপিছু আয় এই ৭ শতাংশ বৃদ্ধি দিয়ে বাড়ানোটা অসম্ভব। ৭ শতাংশ বৃদ্ধি দিয়ে ভারতকে হয়তো ‘সবচেয়ে দ্রুতগতির বৃহৎ অর্থনীতির একটি’ গোছের সার্টিফিকেট জুটিয়ে দেওয়া সম্ভব হতে পারে, কিন্তু সেটি অতি দরিদ্র, বেকার এবং উপেক্ষিত, দুর্বল ও শোষিত শ্রেণীর মানুষের জন্য কানাকড়িও মূল্য বহন করবে না।
15th  July, 2019
আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। বিশদ

অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

 ১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। বিশদ

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। বিশদ

22nd  August, 2019
চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

22nd  August, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ২২ আগস্ট (পিটিআই): বুধবার রাতে নাটকীয় পরিস্থিতিতে গ্রেপ্তারের পর জেলে রাত কাটানো ভিআইপি তালিকায় ঢুকে পড়লেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। আইএনএক্স মিডিয়ায় ৩০৫ কোটি ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দীর্ঘ ১৯ বছর পর মোহন বাগান ঐতিহাসিক ডুরান্ড কাপ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। মোহন বাগান শেষবার ডুরান্ডে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ২০০০ সালে। সেবার দিল্লির ...

 অমিত চৌধুরী, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর থানার কেশবচক পঞ্চায়েতের নছিপুর বারোয়ারিতলার মাটির তৈরি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্যার জলে বছর দুয়েক আগে ভেঙে গিয়েছে। ত্রিপল টাঙিয়ে চলছে পড়াশোনা। সাপের ভয়ে শিশুদের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৮-কথা সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪- অভিনেত্রী সায়রাবানুর জন্ম
১৯৯৪- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী সাঁতারু আরতি গুপ্তর (সাহা) মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ৭/৪ দিবা ৮/৯। কৃত্তিকা ৫৬/৯ রাত্রি ৩/৪৭। সূ উ ৫/১৯/৪১, অ ৫/৫৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৭/৫১ গতে ১০/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, অষ্টমী ৫৫/৩০/৩৯ রাত্রি ৩/৩১/১। কৃত্তিকানক্ষত্র ৪৭/২৮/৩০ রাত্রি ১২/১৮/৯, সূ উ ৫/১৮/৪৫, অ ৬/২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৫২ গতে ১০/২০ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/২৭ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৬/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫১ মধ্যে ও ৩/৪ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯/৩৭ গতে ১০/৫/৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৩ গতে ১১/৪০/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫১/২১ গতে ১০/১৫/৫৫ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি 
চন্দ্রযান ২-এর তোলা চাঁদের প্রথম ছবি প্রকাশ করল ইসরো ...বিশদ

22-08-2019 - 08:25:16 PM

২৬ আগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমের সিবিআই হেফাজত 
পি চিদম্বরমের ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আজ সিবিআই঩য়ের ...বিশদ

22-08-2019 - 06:50:00 PM

ফের আক্রান্ত পুলিস, এবার আমতায়
ফের একবার পুলিসকে মারধর করে উদি ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:49:07 PM

রায়গঞ্জে বিজেপি সমর্থকের কান কাটার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 
রায়গঞ্জের পূর্বপাড়া এলাকায় হাঁসুয়া দিয়ে এক মহিলার কান কেটে নেওয়ার ...বিশদ

22-08-2019 - 04:21:05 PM

তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে গোলমাল, জখম ১ 
তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য এবং অখিল ভারতীয় ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:52 PM

চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই
সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পি চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই। ...বিশদ

22-08-2019 - 04:03:00 PM