Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কেন তেরোজন অর্থনীতিবিদ অখুশি হবেন?
পি চিদম্বরম

প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন পাঁচ বছর আগে তাঁর প্রথম অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকনমিক সার্ভে ২০১৪-১৫) পেশ করে বলেছিলেন, ‘‘ভারত একটা সুন্দর জায়গায় (সুইট স্পট) পৌঁছে গিয়েছে—জাতির ইতিহাসে এটা বিরল—এইভাবে শেষমেশ দুই সংখ্যার মধ্যমেয়াদি বৃদ্ধির কৌশলে ভর করে এগনো যাবে।’’ ওই প্রতিজ্ঞা রক্ষায় সরকার যে ব্যর্থ হয়েছিল সেটা মেনে নেওয়ার জন্য প্রথম মোদি সরকারের পুরো মেয়াদ ওই দায়িত্বে তিনি থাকেননি। তাঁর দায়িত্ব অর্পিত হয়েছিল ড. কৃষ্ণমূর্তি সুব্রামনিয়নের উপর। ড. কৃষ্ণমূর্তিকে স্বীকার করে নিতে হয়েছে প্রথম মোদি সরকার তার পাঁচ বছরে গড় জিডিপি বৃদ্ধি অর্জন করেছিল মাত্র ৭.৫ শতাংশ।
৭.৫ শতাংশ বৃদ্ধির হার সন্তোষজনক, কিন্তু দুই সংখ্যার বৃদ্ধির লক্ষ্যের ধারেকাছেও যে পৌঁছানো গেল না। পাশাপাশি এটাও দেখতে হবে গত পাঁচ বছরের বিকাশ-পথরেখাটা ছিল এইরকম—বৃদ্ধির হার ৭.৪, ৮.০, ৮.২, ৭.২ এবং ৬.৮ শতাংশ। প্রথম তিন বছরে ৭.৪ থেকে ৮.২ শতাংশে উন্নীত হওয়ার ঘটনায় ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন নিশ্চয় প্রীত হয়ে থাকবেন, কিন্তু আমার সন্দেহ হয় যে, ২০১৬-র নভেম্বরে ডিমনিটাইজেশনের আঘাতটা দেশের উপর এসে পড়াতেই সেটা নিশ্চিতরূপে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তারপর থেকেই অর্থনীতির বিকাশ-পথরেখাটি ৮.২ থকে ৭.২ এবং সেখান থেকে ৬.৮ শতাংশে নেমে গিয়েছে।
অর্থনৈতিক অবনমনটা যখন আরও বেশি তখনই দ্বিতীয় মোদি সরকার দায়িত্বভার নিয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হারের ত্রৈমাসিক হিসেবটা ছিল এইরকম: ৮.০,৭.০, ৬.৬ এবং ৫.৮ শতাংশ। আজকের শোচনীয় পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় মোদি সরকারের জন্য নতুন প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা নিম্নরূপ লক্ষ্য স্থির করে দিয়েছেন:
‘‘২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের ভিতর ভারত ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতি রূপে বিকাশলাভের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে, যে লক্ষ্য ভারতকে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি করে তুলবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের জন্য মনিটারি পলিসি ফ্রেমওয়ার্ক হিসেবে ৪ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি সরকার নির্দিষ্ট করে দিয়েছে, এর জন্য প্রয়োজন জিডিপির ৮ শতাংশ প্রকৃত বার্ষিক বৃদ্ধির হার।’’
এটা একটা ঠিকঠাক লক্ষ্য। কিন্তু আমাদের সামনে যে প্রশ্নটা এসে পড়ছে, তা হল, অর্থনৈতিক সমীক্ষা যে লক্ষ্য স্থির করে দিয়েছে নির্মলা সীতারামনের প্রথম বাজেট সেটাকে কতটা এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে?
আমরা প্রত্যেকে কয়েকটি বক্সের তালিকা বানিয়ে ফেলতে পারি এবং নিজেদেরকে জিজ্ঞাসা করতে পারি, বাজেট বিবৃতির ভিত্তিতে, অর্থমন্ত্রী ক’টা বক্সে টিক চিহ্ন দিয়েছেন।
২০১৮-র অক্টোবরে আন্তর্জা঩তিক খ্যাতিসম্পন্ন তেরোজন অর্থনীতিবিদ, তাঁদের কেউ ভারতীয় অথবা ভারত-বংশোদ্ভব, তাঁদের লেখা ১৪টি নিবন্ধ ২০১৯-এ ‘অর্থনীতি এখন কী চায়’ (হোয়াট দ্য ইকনমি নিডস নাও) শিরোনামের একটি বইতে ছাপা হয়েছে। ড. অভিজিত ব্যানার্জি এবং ড. রঘুরাম রাজন বেশকিছু আইডিয়া বের করেছেন এবং তারপর ‘ভারত যে আটটি মস্ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি’ নামে একটি সংযোজন তালিকা দিয়েছেন। সবগুলোই প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে অর্থনীতি নিয়ে ভাবিত। ওই বই থেকে ধার করা পাঁচটি আইডিয়া নিয়ে আমি আমার বক্সগুলির তালিকা তৈরি করেছি।
নীচে বক্সগুলোতে দেখুন কেন ‘টিক’ অথবা ‘ক্রস’ চিহ্ন দিলাম:
ý ফিসকাল ঘাটতি শাসন: ফিসকাল ঘাটতি শাসনে মোদি সরকারের রেকর্ড মোটে ভালো না। প্রথম পাঁচ বছরের ভিতর এই সরকার ফিসকাল ঘাটতি ৪.৫ শতাংশ থেকে ৩.৪ শতাংশে নামিয়ে আনতে পেরেছিল। সত্যি বলতে কী, ফিসকাল ঘাটতিটা বছর চারেক ৩.৪ থেকে ৩.৫ শতাংশের ভিতর আটকে ছিল এবং ২০১৯-২০ সালের বাজেট সেটাকে ৩.৩ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ২০১৮-১৯ সালের সংখ্যাটি সন্দেহজনক, কেননা, ওই বছরে রাজস্বের যে ক্ষতি হয়েছিল
এবং বাজেটবহির্ভূত ঋণ নেওয়া হয়েছিল তার পরিমাণটা বিপুল।
ý চাপে যেসব ক্ষেত্র (কৃষি, বিদ্যুৎ, ব্যাঙ্ক): কৃষিক্ষেত্রের উদ্বেগ কমানোর কোনও সূত্র দিশা বাজেট ভাষণে পাওয়া গেল না। বিদ্যুৎ প্রসঙ্গে তিনি স্রেফ চালু কর্মসূচির কথারই পুনরাবৃত্তি করে গেলেন, ‘উদয়’, এটার লক্ষ্য হল বণ্টন সংস্থাগুলির আর্থিক এবং চালনা সংক্রান্ত দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া। এটাতে যোগ করেছে ‘পুরনো এবং অদক্ষ প্ল্যান্টগুলোর অবসর’ এবং ‘প্রাকৃতিক গ্যাসসঙ্কটের কারণে গ্যাস প্ল্যান্টগুলির ক্ষমতার চেয়ে কম ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হয়েছে’। ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে কী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিকে নতুন করে মূলধন জোগানোর (রিক্যাপিটালাইজেশন) জন্য ৭০ হাজার কোটি টাকার ব্যবস্থা করা হবে, মনে রাখতে হবে যে অঙ্কটা একেবারেই যথেষ্ট নয় এবং আর্থিক দিক থেকে ভালো অবস্থায় আছে এমন নন-ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানিগুলির (এনবিএফসি) ‘পুলড অ্যাসেটস’ কিনে নেওয়ার জন্য কিছু ব্যাঙ্ককে ‘এককালীন ছয় মাসের জন্য আংশিক ক্রেডিট গ্যারান্টি’ দেওয়া হবে—লিকুইডিটির অপ্রতুলতার বিষয়টি কিন্তু পুরোপুরি ভুলে যাওয়া হয়েছে।
ý আরও উন্নত বাণিজ্য পরিবেশ: বাণিজ্য পরিবেশ (বিজনেস এনভায়রনমেন্ট) আরও উন্নত বা ‘বেটার’ করার জন্য সামনে অনেকগুলি আইডিয়া ছিল। কোন ভালোটা হবে যদি ব্যবসা একই ধরনে একই কাজটিই করে এবং শুধু সেটা ‘করা’ মানেই ব্যবসা বাণিজ্য বেশি সহজ সরল হয়ে গেল? বিশেষ শিল্পাঞ্চলগুলোতে (এসআইজেড) অবধারিতরূপে রপ্তানিতে লক্ষ্য স্থির করা নয়; শ্রম আইন পাল্টে ফেলা, স্রেফ বিধিবদ্ধ করা নয়; স্টার্ট-আপ’দের শুরু করতে দেওয়া এবং তিন বছরের জন্য ব্যবসাটা তাদের করতে দেওয়া অনুমতি বা লাইসেন্স নেওয়ার জোরাজুরি ছাড়াই; এই আইডিয়াগুলো গ্রহণ করা যেতেই পারত।
ý কম পীড়াদায়ক নিয়মকানুন: সর্বোত্তম সমাধান হল ব্যাপক বিকেন্দ্রীকরণ। শুরু করতে হলে স্কুলশিক্ষাটাকে অবশ্যই রাজ্যগুলির হাতে ছেড়ে দিতে হবে—যেহেতু মূল সংবিধানে এমনই সংস্থান ছিল—এরপর যুগ্ম তালিকা থেকে আরও কিছু বিষয় রাজ্য তালিকায় হস্তান্তর করা জরুরি। উল্টোদিকে, অর্থমন্ত্রী কেন্দ্রের তরফে স্কুল এবং কলেজ শিক্ষার জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণের কথা শুনিয়েছেন! আরবিআই, সেবি, কম্পিটিশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া, সিবিডিটি, সিবিআইসি প্রভৃতি নিয়ন্ত্রক সংস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে এবং নিয়ন্ত্রণ বেড়ে গিয়েছে, হ্রাসের পরিবর্তে, যা বোঝাস্বরূপ।
þ আরও নগদ হস্তান্তর (ক্যাশ ট্রান্সফার): ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার আরও প্রসারের লক্ষ্যে সরকার বেশি উৎসাহ দিচ্ছে এবং মোটা অঙ্কের নগদ অর্থ তোলার (লার্জ ক্যাশ উইথড্রালস) অভ্যাসটাকে নিরুৎসাহিত করছে। এটাই স্বাভাবিক যে আরও বেশি ভর্তুকি এবং নগদ প্রাপ্য (ক্যাশ বেনিফিট) সরাসরি হস্তান্তর ব্যবস্থার মাধ্যমে (ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার রুট) প্রকৃত প্রাপকদের হাতে পৌঁছাবে। যদিও এই ‘সংস্কার’টি সাত বছরের পুরনো, তবুও আমি এই বক্সটাতে টিক চিহ্নই দিলাম। ১৯৯১-৯৬ পর্বে যে-ধরনের আমূল সংস্কারের (র‌্যাডিক্যাল রিফর্মস) পথ গ্রহণ করা হয়েছিল আজকের অর্থনীতির জন্য সেটাই দরকার। সরকারের এই ধরনের সংস্কার চালিয়ে যাওয়ারই নির্দেশ ছিল। সেখানে কোনও যুক্তি ছাড়াই সরকার কেবল ‘ইন্টারনাল রিফর্মস’-এর পথ বেছে নিয়েছে। এতে তেরোজন অর্থনীতিবিদ—যাঁরা সকলেই ভারতীয় অথবা ভারত-বংশোদ্ভব—হতাশ হবেন। সুতরাং হতাশ হবেন আমূল সংস্কারপন্থী অন্য অনেকেও।
08th  July, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

 জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
বিশদ

12th  August, 2019
রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

 প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।
বিশদ

11th  August, 2019
শুধু উন্নয়ন নয়, ভোটের জন্য চাই ভালো মাস্টার
তন্ময় মল্লিক

মোটা বেতন দিয়ে মাস্টার রাখলেই ছেলেমেয়ে মানুষ হয় না। তেমনটা হলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েই উচ্চশিক্ষিত হতো। কিন্তু, তা তো হয় না। ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনায় আগ্রহ, মেধা যেমন থাকা দরকার, তেমনই নজরদারিটাও জরুরি। ফাঁকিবাজি থাকলেই ছাত্র হয় গাড্ডু খাবে, অথবা ‘বিবেচনায়’ পাশ।
বিশদ

10th  August, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃতীয় প্রজন্মের ‘গ্র্যান্ড আই টেন নিয়োস’ গাড়ি বাজারে আনল হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া লিমিটেড। সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘নিয়োস’ কথাটির অর্থ আরও বেশি। সেই শব্দটির যথোপযুক্ত ব্যবহার হয়েছে এই হ্যাচব্যাক গাড়িটিতে, দাবি হুন্ডাইয়ের। ...

নয়াদিল্লি, ২০ আগস্ট (পিটিআই): অযোধ্যায় বিতর্কিত জমিতে মন্দির ভেঙেই মসজিদ নির্মাণ করা হয়। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এই দাবি করলেন রামলালা বিরাজমানের আইনজীবী সি এস বৈদ্যনাথন। নিজের দাবির স্বপক্ষে প্রত্নতাত্তিক বিভাগের রিপোর্ট তুলে ধরেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের সামনে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভালো আছেন বিশিষ্ট অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। শীঘ্রই ছুটি পেতে পারেন তিনি। মঙ্গলবার হাসপাতাল সূত্রে এ খবর জানা গিয়েছে। কিছুদিন আগে শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল সৌমিত্রবাবুকে। ...

মস্কো, ২০ আগস্ট (পিটিআই): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে সুর চড়াল রাশিয়া ও চীন। মার্কিন সরকারের এহেন পদক্ষেপের ফলে সামরিক ক্ষেত্রে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হবে বলেও দুই দেশের তরফে জানানো হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। ব্যবসাতে যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩১: গায়ক বিষ্ণু দিগম্বর পালুসকরের মৃত্যু
১৯৭২: বন সংরক্ষণ আইন চালু হল
১৯৭৮: ভিনু মানকড়ের মৃত্যু
১৯৮৬: জামাইকার স্প্রিন্টার উসেইন বোল্টের জন্ম
১৯৯৫: ভারতের নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখরের মৃত্যু
২০০৬: প্রখ্যাত সানাইবাদক ওস্তাদ বিসমিল্লা খানের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৭ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৪ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩২,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ ভাদ্র ১৪২৬, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, পঞ্চমী ০/২৯ প্রাতঃ ৫/৩১। অশ্বিনী ৪৮/৪০ রাত্রি ১২/৪৭। সূ উ ৫/১৯/২, অ ৬/০/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৪ মধ্যে পুনঃ ৩/২৮ গতে ৫/৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪০ গতে ১/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩০ গতে ৩/৫৪ মধ্যে।
৩ ভাদ্র ১৪২৬, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ষষ্ঠী ৫৩/৫৮/৩০ রাত্রি ২/৫৩/৩১। অশ্বিনীনক্ষত্র ৪২/৯/৫৩ রাত্রি ১০/১০/৪, সূ উ ৫/১৮/৭, অ ৬/৩/৪৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৯/৩১ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৩ গতে ৮/৫৩ মধ্যে ও ১/৩১ গতে ৫/১৮ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪০/৫৫ গতে ১/১৬/৩৭ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৯/৩১ গতে ১০/৫/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৯/৩১ গতে ৩/৫৩/৪৯ মধ্যে। 
১৯ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অসমের পর মহারাষ্ট্র, মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৫১ লক্ষ টাকা দান অমিতাভ বচ্চনের 
অসমের মতো মহারাষ্ট্রেও বন্যা কবলিতদের সাহায্যার্থে এগিয়ে এলেন বিগ বি। ...বিশদ

20-08-2019 - 05:24:59 PM

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজ্যপাল জগদীপ ধানকরের 
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হওয়ার পর প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ ...বিশদ

20-08-2019 - 04:58:00 PM

ব্রাজিলে ১৮ বাসযাত্রীকে পণবন্দি করল এক বন্দুকবাজ 

20-08-2019 - 04:57:51 PM

সদর স্ট্রিটে ২.৪৪ কোটি টাকার সোনা সহ ধৃত ৪ 

20-08-2019 - 04:47:02 PM

৭৪ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

20-08-2019 - 03:55:31 PM

খিদিরপুর ও কালীঘাট ব্রিজে ভারী যান নিষিদ্ধ 

20-08-2019 - 03:50:00 PM