Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন। কিন্তু, পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন: একটি অত্যন্ত অপ্রিয় জোট সরকারের বিরুদ্ধে সাহসী সংগ্রামের মূল্য অর্জন করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী, কারাবাসসহ নানাবিধ হয়রানি সহ্য করেছিলেন তিনি, বস্তুত একা লড়ে সেইসব মানুষের সমর্থন ফিরিয়ে এনে জয়ী হয়েছিলেন তিনি, যারা তাঁর দলকে এবং তাঁকেও (রায়বেরিলিতে) হারিয়েছিল। আর রাজীব গান্ধীর বিপুল জয়ের নেপথ্যে ছিল প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার কারণে সহানুভূতির ঢেউ।
বিপুল জনসমর্থন
বিজেপির জয়টা শুধু বিপুলসংখ্যক আসনেই (৩০৩) নয়, দলটি যেভাবে সুইপ করেছে তার ব্যাপ্তিটা অবাক-করা। বিজেপি তিনটিমাত্র রাজ্যে দাঁত ফোটাতে পারেনি—কেরল, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ। জয়ের ব্যবধানটাও অবিশ্বাস্য রকমের বড়, দু’টি দলের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে সাধারণত যা হয়ে থাকে তার তুলনায় খুব বড়। এই প্রসঙ্গে যে রাজ্যগুলির নাম করতে হয় সেগুলি হল—গুজরাত, রাজস্থান, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ও অসম।
প্রামাণ্য সংখ্যা কিছু নেই ঠিকই, কিন্তু নির্বাচন এবং সমীক্ষাগুলি নিশ্চিত করেছে যে, প্রত্যাশা মতোই হিন্দিভাষী এবং হিন্দি-জানা রাজ্যগুলির উচ্চবর্ণের মানুষজন বিজেপিকে ঢেলে ভোট দিয়েছে। একই কাণ্ড করেছে অন্যান্য অগ্রসর শ্রেণীও (ওবিসি)। বিস্মকরভাবে এও লক্ষ করা যাচ্ছে যে, দলিত, মুসলিম এবং খ্রিস্টানদেরও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিজেপির পক্ষে ভোট দিয়েছে। তাদের ‘মোটিভেশন’
আলাদা হতে পারে, কিন্তু বাস্তবটা হল তারা ভোটটা দিয়েছে বিজেপিকে।
ভোট পেয়েছে, আস্থা নয়
আমি মনে করি, মোদিজি সুখী কিন্তু তৃপ্ত নন। একটি জিনিস মোদিজি উপলব্ধি করেছেন, যেটা সম্ভবত, তাঁর দলের অন্যরা বুঝতে
পারেননি: দলিত, মুসিলম, খ্রিস্টান এবং
হতদরিদ্রদের ভোট পাওয়াটাই যথেষ্ট নয়, জরুরি
হল তাদের আস্থা অর্জন করা। প্রথম দফার
শেষে তিনি জানতেন যে ওইসব শ্রেণীর আস্থা উপভোগ করেননি, তাই তাঁর গোড়ার দিকের স্লোগান ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর
সঙ্গে পরে যোগ করেছিলেন ‘সবকা বিশ্বাস’।
এটি একটি স্মার্ট পদক্ষেপ ছিল ঠিকই কিন্তু এর ঝঞ্ঝাটও অনেক। নিশ্চিত প্রতিবন্ধকতা ছিল কয়েকটি নাম—গিরিরাজ সিং, সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি এবং সঞ্জীব বাল্যন। অন্য কয়েকজন, নির্বাচিত কিন্তু পরিত্যক্ত অথবা নির্বাচিত এবং প্রতীক্ষিত—মহেশ শর্মা, অনন্তকুমার হেগড়ে, সাক্ষী মহারাজ, সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর এবং অন্যরা অজ্ঞাত।
গিরিরাজ সিং, একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী, তিনি ইতিমধ্যেই জোটসঙ্গী দু’টি দলের নেতাদের সম্পর্কে অন্যায় মন্তব্য করে বসেছেন, একটি ইফতারে যোগ দেওয়ার কারণে। এজন্য বিজেপি সভাপতির ভর্ৎসনার পরেও তিনি কিন্তু দুঃখ প্রকাশ করেননি। ভোটের পর সাক্ষী মহারাজ একজন কয়েদির (২০১৭ সালে দেশ তোলপাড় হয়ে-যাওয়া উন্নাও ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্ত এক বিধায়ক) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ধন্যবাদ জানিয়ে আসেন, তাঁর জয়ের কারণে। তারপর কিন্তু তাঁকে আর ভর্ৎসনা করা হল না।
শৈশবে বা অল্প বয়সে যেসব কুসংস্কার মজ্জাগত হয়ে গিয়েছে সেসব থেকে মুক্তিলাভ সহজ ব্যাপার নয়। যদি আরএসএস এবং বিজেপির প্রবীণ নেতাদের কথায় সময়ে সময়ে এই সমস্ত কুসংস্কারে প্রকট হয় তবে কোনও লাভ নেই (‘ঈদের জন্য বিদ্যুৎ, দেওয়ালিতে বিদ্যুৎ নয়’, ‘এমন নির্বাচন ক্ষেত্র যেখানে সংখ্যালঘুরাই সংখ্যাগুরু)। কোনও লাভ নেই যদি না দলিত এবং মুসলিমদের পিটিয়ে হত্যার ঘটনা বন্ধ করা হয় এবং প্রতি সপ্তাহে এই ধরনের অন্তত একটি অভিযোগ নথিবদ্ধ করা হয়। উপলব্ধি বদলে সাহায্য করবে না, যদি বিজেপির নির্বাচিত ৩০৩ জন এমপির ভিতরে মুসলিম সমাজ থেকে একজনমাত্র থাকেন।
ভীতি, কল্যাণ
আর একটি ভয়ংকর সমস্যা আছে। দু’টিমাত্র শর্ত পূরণ করতে পারলেই বিজেপি এই শ্রেণীগুলির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হবে। প্রথম শর্ত হল—কারও ভয়-ভীতির মধ্যে বসবাস করা উচিত নয়। দ্বিতীয় শর্তটি হল—তাদের আর্থিক সংগতির ধারাবাহিক শ্রীবৃদ্ধি। আজ এই দু’টি শর্তের কোনোটিই পূরণ হয়নি; এই দু’টি শর্ত পূরণে সরকার কী পদক্ষেপ করবে, কীভাবে এগবে সেটা দেখার জন্য আমাদের আগ্রহ থাকবে।
নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণীর মানুষের মন থেকে ভীতি দূর করতে কঠোর পদক্ষেপ জরুরি। প্রত্যেক সময়ে রেহাই দেওয়ার ব্যাপার রয়েছে, এই ধরনের কুকর্ম এবং সেটা যারা ঘটাচ্ছে দু’টিকেই শাস্তির আওতায় আনা আবশ্যক। সমস্তরকম শাস্তি এড়িয়ে যারা এসব করে যাচ্ছে এবং ভীতির পরিবেশ কায়েম করছে, বিজেপি নেতৃত্ব কি তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করবে? এটি একটি বড় জিজ্ঞাসা যে, হালফিল পরিস্থিতি দেখে এসব হবে বলে ভরসা হয় না, কিন্তু আমার আশা, যারা দণ্ডনীয় আচরণকে প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বের ক্ষমতা এবার তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হবে।
দ্বিতীয় শর্তের পুরোটা, বস্তুত, সরকারের একার হাতে নেই। অসন্তুষ্ট শ্রেণীগুলির আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে যদি কেবলমাত্র তাদেরকে দেওয়া যায় বেশি চাকরি; চাকরির বেশি বেশি নিরাপত্তা; উচ্চ আয়; এবং সরকারি পণ্য ও পরিষেবাতে তাদের অধিকার। উচ্চ এবং ন্যায্য অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সুযোগ এনে দেয় চাকরি এবং আয়। সেখানে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষ যে ভয়াবহ বার্তা রেখে গেল তাতে করে উচ্চ এবং ন্যায্য বৃদ্ধির আশা নেই।
দলিত, মুসলিম, খ্রিস্টান এবং দারিদ্রসীমার নীচের শ্রেণীগুলি, আমার সন্দেহ হয়, বিজেপি প্রার্থীদের ভোট দিয়েছিল এই ভেবে যে অন্য কোনও প্রার্থীই এই লড়াইতে জেতার ক্ষমতা রাখেন না এবং ‘উইনিং’ সাইডে নিশ্চিত করেই আর কোনও প্রার্থীর দেখা মিলবে না। এটা ছিল বিচক্ষণতার ভোট; এ কোনও আস্থার ভোট ছিল না। তাদের আস্থা অর্জনে বিজেপিকে আরও অনেকটা করতে হবে।
এটি একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। বিজেপি এই সরকার গড়েছে তাদের আবেগবিহ্বল বা প্যাশনেট সাপোর্টারদের (যাদের দৃষ্টিতে মোদিজি কোনও ভুলই করতে পারেন না) এবং অসন্তুষ্ট শ্রেণীগুলির (যাদের দৃষ্টিতে মোদিজি, যতদূর সম্ভব, কোনও ঠিক কাজ করেননি) ভোট নিয়ে। করিৎকর্মা মোদিজি এই অজানা সাগর কীভাবে পাড়ি দেন সেটা দেখার জন্যই আমরা অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করব।
10th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
বাংলায় রামবোকামির মরশুম
হারাধন চৌধুরী 

আমার মামার বাড়ি ভারত-বাংলাদেশের একটি সীমান্ত গ্রামে। বলা বাহুল্য, আমার মায়ের জন্ম দেশভাগের অনেক আগে। স্বভাবতই তাঁর স্মৃতির অনেকখানি জুড়ে ছিল অখণ্ড ভারতীয় গ্রামদেশ ও তার সংস্কৃতি। ১৯৪৭-এ মায়ের শৈশবের গ্রামের উপর দিয়েই ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের ভূগোল এবং ইতিহাস খুলেছিল এক নতুন অধ্যায়। 
বিশদ

04th  June, 2019
বিভাজনের ঘোলা জলে হারিয়ে যাচ্ছে বিকাশ
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

এক জার্মান দার্শনিক হিটলারের আমলে আমাদের সচেতন করেছিলেন এই বলে—তোমরা সবাই ছোট মানুষ (লিটল ম্যান) তোমাদের কোনও প্রশ্নের অধিকার আছে কি? বৃহৎ রাষ্ট্রযন্ত্রে তোমাদের অস্তিত্বটা কোথায়! তা কী অনুধাবন করতে পেরেছ? নাটবল্টুদের কোনও প্রশ্ন থাকা উচিত নয়।
বিশদ

03rd  June, 2019
সবকা বিকাশ কীভাবে হতে পারে
পি চিদম্বরম

 বিপুল জনসমর্থন সবসময় আশীর্বাদ হয় না, একটি দুর্বলতর বিরোধী শাসনকার্যকে আরও দুঃসহ করে তোলে এবং উপর্যুপরি দু’দফায় ক্ষমতালাভ শাসকের অজুহাত খাড়া করার সুযোগ কেড়ে নেয়। আমি নিশ্চিত যে মানুষের বিরাট প্রত্যাশা আর তাঁর মন্ত্রিসভার উপর কতখানি বোঝা চাপল সেই কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি খুব ভালো করেই জানেন।
বিশদ

03rd  June, 2019
ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যে এত হিংসা কেন!
শুভা দত্ত

ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। এ ওকে মারছে, সে তাকে মারছে, পার্টি অফিস দখল করে নিচ্ছে, না হয় ভেঙেচুরে তছনছ করে দিচ্ছে, দল বেঁধে বাড়িতে বাড়িতে চড়াও হয়ে হুমকি দিচ্ছে, আসবাবপত্র, টাকাকড়ি, গয়নাগাটি লুটে নিয়ে যাচ্ছে, ভীতসন্ত্রস্ত মানুষ ঘরসংসার ফেলে আত্মরক্ষার তাগিদে অন্যত্র পালাতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কোথাও কোথাও তো রক্ত ঝরছে, খুনখারাপির ঘটনাও ঘটে যাচ্ছে!
বিশদ

02nd  June, 2019
নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় ইনিংস: ভারতের
বিদেশ নীতি নিয়ে প্রয়োজনীয় ভাবনা
গৌরীশংকর নাগ

 অবশেষে মাসাধিক কালব্যাপী প্রতীক্ষার অবসান। নির্বাচন অতিক্রান্ত ও ফল ঘোষণার পর মোদির দ্বিতীয় ইনিংসে চমকের প্রত্যাশায় জল্পনা তুঙ্গে। আর সেই ভাবনা থেকেই আশা-আশঙ্কার দোলাচলে ভারতীয় বিদেশনীতি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে যে কথাটি এসে পড়ে তা হল পপুলিজম থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
বিশদ

01st  June, 2019
ইমেজ বদল
সমৃদ্ধ দত্ত

কিছু কিছু ফলাফল বড় গোলমেলে হয়। এই যেমন এবার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বহু আসনে এভাবে হেরে গেলেন সেটা নিয়ে বিস্তর ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ, ময়নাতদন্ত চলছে। হওয়াই সঙ্গত। এইসব ব্যাখ্যা থেকে যেটা স্পষ্ট বোঝা গেল যে মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। মানুষ আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাইছে না।
বিশদ

31st  May, 2019
একনজরে
  নয়াদিল্লি, ১১ জুন (পিটিআই): নিজের কেন্দ্রে ‘জল সঙ্কট’ নিয়ে সরব বিজেপি এমপি মীনাক্ষী লেখি। মঙ্গলবার দিল্লির জল বোর্ডের বাইরে রীতিমতো ধর্নায় বসেন তিনি। যদিও দিল্লি সরকারের আওতায় থাকা জল বোর্ডের দাবি, ক্ষমতা অনুযায়ী জল সরবরাহ করা হচ্ছে। বিজেপি মানুষকে ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রয়াত হয়েছেন শীলা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারপার্সন এমেরিটাস শীলা গৌতম। গত ৮ জুন তিনি পরলোক গমন করেন। ১৯৭১ সালে তিনি শীলা ফোম তৈরি করেন, যা ক্রমশ সফল ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক। ...

গ্রেম স্মিথ : অস্ট্রেলিয়া দলের প্রধান অস্ত্র পেস বোলিং। ওভালে ভারতের বিরুদ্ধে মন্থর, ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে অজিদের এই অস্ত্র কাজ করেনি। অন্য ম্যাচে ভয়ঙ্কর মূর্তিতে আবির্ভূত হলেও মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্সের মতো বোলাররা ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের উপর বিন্দুমাত্র ত্রাসের সঞ্চার করতে ...

 দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ১১ জুন: রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা এবং আইনশৃঙ্খলার ক্রমাবনতির অভিযোগ তুলে এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে দেবে বিজেপির সংসদীয় প্রতিনিধি দল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব শিশু শ্রমিক বিরোধী দিবস,
১৯২৯- লেখিকা অ্যান ফ্রাঙ্কের জন্ম,
১৯৫৭- পাকিস্তানের ক্রিকেটার জাভেদ মিঁয়াদাদের জন্ম,
২০০৩- মার্কিন অভিনেতা গ্রেগরি পেকের মৃত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৯ টাকা ৭০.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৮ টাকা ৮৯.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.২১ টাকা ৮০.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৯১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,২৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৩/৫০ সন্ধ্যা ৬/২৭। হস্তা ১৭/১৯ দিবা ১১/৫১। সূ উ ৪/৫৫/২০, অ ৬/১৭/৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/১০ মধ্যে পুনঃ ১/৪৯ গতে ৫/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৭ গতে ১/১২ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৬ গতে ১/১৬ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৫/৫৪/৩৯ রাত্রি ৭/১৭/২৫। হস্তানক্ষত্র ২০/৪৩/৩৩ দিবা ১/১২/৫৮, সূ উ ৪/৫৫/৩৩, অ ৬/১৮/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ গতে ১১/১৩ মধ্যে ও ১/৫৪ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৪ মধ্যে ও ১২/১ গতে ১/২৫ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৭/১২ গতে ১/১৭/৩৭ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৬/২২ গতে ৯/৫৬/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬/২৩ গতে ৩/৩৫/৫৭ মধ্যে। 
৮ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: ৪১ রানে পাকিস্তানকে হারাল অস্ট্রেলিয়া 

10:35:44 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ২৩০/৭(৪০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮) 

10:03:16 PM

 বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১৬০/৬(৩০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

09:20:41 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১১০/২(২০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

08:34:26 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৫১/১(১০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

07:52:25 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ৩০৮ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া 

06:45:03 PM