Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়। এমনকী মেয়েরা বেশ নিয়ম করেই বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষার শীর্ষস্থানগুলি দখল করছে বলে নারীশক্তির জয়গান করাও আমার এ লেখার উদ্দেশ্য নয়। শিক্ষা-সংক্রান্ত সে সকল বিষয়গুলিও গুরুত্বপূর্ণ, সে নিয়ে বরং পরে কখনও আলোচনা করা যাবে। আপাতত পরীক্ষায় শীর্ষস্থানাধিকারিণী একটি মেয়ের কিছু কথা যে চমকে দিয়েছে আমাকে, এবং আমার মতোই অনেককে, তা নিয়ে কিঞ্চিৎ আলোচনা-বিশ্লেষণ করতে চাই। এবং তা যেন ভ্যাপসা গরমে এক পশলা বৃষ্টির মতই স্বস্তির।
সিবিএসই-র মত বড় পরীক্ষায় (যুগ্মভাবে) প্রথম হবার পরে স্বাভাবিক ভাবেই সংবাদ মাধ্যমের সম্মুখীন হয় উত্তর প্রদেশের মুজফ্‌ফরনগরের করিশমা আরোরা। এবং অবশ্যাম্ভাবী ভাবেই একটা প্রশ্ন ধেয়ে আসে করিশমার দিকে—“ভবিষ্যতে কি হতে চাও তুমি?” এমন ঝকঝকে ফল করা মেয়েটি বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্রী হলে তার উত্তর ‘ডাক্তার’ কিংবা ‘ইঞ্জিনিয়ার’-এর মধ্যে ঘুরপাক খাবার সম্ভাবনাই ছিল চোদ্দ আনা। আইআইটি-র মত শীর্ষমানের প্রযুক্তির শিক্ষাকেন্দ্রে কিংবা এইমস-এর মতো চিকিৎসা-বিদ্যা শিক্ষার তাবড় প্রতিষ্ঠানে পড়বার সুযোগ পাবার জন্যে অনেকসময় বাঁধন-ছাড়া পাগলামি দেখে অভ্যস্ত আমাদের সমাজ-জীবন। কোনও কোনও ক্ষেত্রে পরীক্ষা-সফল ছাত্রদের কাছ থেকে বিজ্ঞানের কোনও বিষয়ে গবেষণা বা পড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশের মত উত্তরও আসে বটে। ক্বচিৎ কখনও উচ্চ-পদাধিকারী সরকা঩রি প্রশাসক (আইএএস/আইপিএস/আইএফএস) হবার ইচ্ছেও প্রকাশ করে ফেলে ছাত্রটি। আর আর্টসের ছাত্র হলে উত্তরগুলি সাধারণত গবেষক, শিক্ষক, বা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি হবার ইচ্ছার মধ্যে ঘুরতে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। এটাই দস্তুর।
যেমন, একই সঙ্গে প্রথম হওয়া অন্য ছাত্রীটি যেমন যোগ দিতে চেয়েছে ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসে। প্রশাসনের উচ্চপদে আকর্ষণীয় জীবন হাতছানি দেয় নিশ্চয়ই। তবু, করিশমা আরোরা কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে জানায়, সে হতে চায় কত্থক ডান্সার। নৃত্যশিল্পী।
পরীক্ষায় দুর্দান্ত ফল করা এই ছাত্রগুলি তো মেধাবী, সপ্রতিভ। পৃথিবীটা এদের হাতের মুঠোয়। তারা যেখানে হাত দেবে, সোনা ফলা উচিত সেখানেই। অন্তত সেই প্রত্যয়টা তাদের মধ্যে না জাগলে তো তাদের শিক্ষাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। গতানুগতিকতার ঊর্দ্ধে উঠে জীবনকে দেখা তো এদেরই মানায়। তবু প্রতি বছর যে সমস্ত মেধাবী ছেলেমেয়ে ভালো ফল করে চলে বিভিন্ন কঠিন পরীক্ষায়, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কিংবা প্রশাসক হওয়াটাই কি তাদের জীবনের ইচ্ছে আর উদ্দেশ্য? এতটা বুড়োটে ইচ্ছে হতে পারে বাচ্চা বাচ্চা স্কুলের ছেলেমেয়েগুলোর? একটা বছর আঠারোর স্কুলের ছেলে বা মেয়ে কতটা জানে ইঞ্জিনিয়ারের দৈনন্দিন কাজের প্রকরণ? কতটা বোঝে একজন শীর্ষ-প্রশাসকের কাজের চাপ আর দায়বদ্ধতা? কতটা উপলব্ধি করে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাজের দায়ভার? এই সমস্ত ভারী ভারী ইচ্ছেগুলি তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া নয়তো? অভিভাবকের প্রত্যাশার রাঙতার মোড়কে নিজেদের ইচ্ছেগুলিকে কি মুড়িয়ে রাখছে এরা? কোথায় যায় এদের পাখি হয়ে গান গাইবার স্বপ্ন, কিংবা ফড়িং হয়ে নাচবার আকাঙ্ক্ষা? যাচ্ছেতাই এই ইচ্ছেগুলি কি আর এদের তাড়িয়ে ফেরে না? কবি হবার স্বপ্ন কি আর দেখে না আজকের ঝকঝকে কৈশোর? মঞ্চের আলো-আঁধারিতে হাজার দর্শকের সামনে অভিনয়ের আকাঙ্ক্ষা থাকে না এদের কারও? এদের কেউ চাঁদের পাহাড়ে যেতে চায় না শঙ্করের মত? আঠেরো বছর বয়স মানেই যে মায়াবী স্বপ্ন, অটল প্রত্যয়, আর দুর্দমনীয় ইচ্ছা ভেসে ওঠে চোখের সামনে, সেগুলি কি বিশ্ব-সংসার থেকে বিলুপ্ত হতে বসেছে? ফেলুদা কিংবা ব্যোমকেশ হয়ে রহস্য সমাধানের ইচ্ছেগুলি কি শুকিয়ে গিয়েছে আজকের সমাজে?
আর দেশের অগণিত অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরাও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবে বইকি। বোর্ডের পরীক্ষায় প্রথম-দ্বিতীয় না হলেও। তাদের কেউ মাস্টার, কেউ ডাক্তার, কেউ উকিল হতে চায়। এর মধ্যে ব্যতিক্রমী কোনও এক অমলকান্তি আবার হতে চায় একফালি রোদ্দুর। তাই সাধারণ মানের কোনও কোনও ছাত্রেরও যে এমন বেয়াড়া রকমের ইচ্ছে হবে না, তেমনটা তো নয়। তাদের কারও ছেলেবেলাতেও এমনই স্বপ্ন উঁকি মারে জোনাকি হয়ে। ইচ্ছে-ডানা উড়ে চলে সুদূর-প্রসারিত দিগন্তে। কিন্তু বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় ভালো চাকরি, সচ্ছল রোজগারের সুযোগ বড় অল্প এই দেশে। গড়পড়তা ছেলেমেয়েদের তাই দাঁতে দাঁত চেপে সেই সীমিত সংখ্যক সুযোগের কোনও একটাকে আঁকড়ে ধরবার কৌশল আয়ত্ত্ব করবার অনুশীলন করে যেতে হয়। জীবন-ধারণের বেয়াড়া প্রয়োজনে এবং পারিপার্শ্বিকের প্রয়োজনে-প্রত্যাশায় তাদের অনেকেরই স্বপ্নগুলি ঝিমিয়ে পড়ে। হয়ে পড়ে মুমূর্ষু। মারা পড়ে তাদের কৈশোরের উচ্ছ্বলতা। স্বপ্ন নিয়ে বিলাসিতা করার স্পর্ধা দেখানো কঠিন হয়ে পড়ে তাদের।
কিন্তু মেধাবী, কৈশোরের সীমান্তেই প্রায় দুনিয়া জয় করে ফেলা ছেলেমেয়েগুলোও যে কেন তাদের স্বপ্ন নিয়ে নাড়াচাড়া করে না, সেটাই ভাবি। তারাও যেন স্থবির সমাজের ততোধিক স্থবির মানসিকতার শরিক হয়ে পড়ে। তারই মাঝে এমন একটি মেয়ে—এক ব্যতিক্রমী মেয়ে—কতটা ধাক্কা মারতে পারে স্থবির মানসিকতার সেই প্রাচীন বন্ধ দুয়ারে? এই ব্যতিক্রমটাই কেন যে নিয়ম হয়ে ওঠে না! কত্থক নাচের তালে দুনিয়া জয় করতে চেয়েছে মেয়েটি। সেটা হল আর নাই হল, তার জীবনে ডানা-মেলা গাঙচিল হয়ে আনন্দ-আশ্চর্যের সমুদ্রে অবগাহন কে আটকায়?
এরই মাঝে আমি অবশ্য স্বপ্ন দেখি এক উজ্জ্বল সমাজের। সমাজের পরিকাঠামো আর মানসিকতার যুগ্ম উত্তরণ। কেবলমাত্র পরীক্ষা-সফল ছেলেমেয়েরাই নয়, সাধারণ মানের ছাত্র-ছাত্রীরাও সেখানে নিঃসঙ্কোচে উড়তে পারবে নিজেদের ইচ্ছে-ডানায় ভর করে। জীবিকা তাদেরকে টেনে ধরবে না। জীবন বেঁধে রাখবে না শিকল দিয়ে। প্রতিযোগিতার ইঁদুর-দৌড়ে তাদের ক্ষত-বিক্ষত হতে হবে না প্রতিনিয়ত। আর এই ওড়াটাও কিন্তু তাদের প্রতিভা সেখানে লুকিয়ে আছে বলে নয়। ডানা মেলে ওড়াতেই তাদের মুক্তি বলে। সেই ওড়াতে এক বিন্দু প্রতিভা না থাকলেও। কোনও এক স্বপ্ন-জোনাকির মোহময় আবেশে তারাও তখন হয়ে উঠবে অসাধারণ। অমলকান্তিরা যখন হবে ক্ষান্তবর্ষণ কাক-ডাকা বিকেলের লাজুক একফালি রোদ্দুর।
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
08th  June, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

 জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
বিশদ

12th  August, 2019
রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

 প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।
বিশদ

11th  August, 2019
শুধু উন্নয়ন নয়, ভোটের জন্য চাই ভালো মাস্টার
তন্ময় মল্লিক

মোটা বেতন দিয়ে মাস্টার রাখলেই ছেলেমেয়ে মানুষ হয় না। তেমনটা হলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েই উচ্চশিক্ষিত হতো। কিন্তু, তা তো হয় না। ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনায় আগ্রহ, মেধা যেমন থাকা দরকার, তেমনই নজরদারিটাও জরুরি। ফাঁকিবাজি থাকলেই ছাত্র হয় গাড্ডু খাবে, অথবা ‘বিবেচনায়’ পাশ।
বিশদ

10th  August, 2019
পঞ্চায়েত নির্বাচন, ৩৭০ কিংবা ৩৫এ
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গ ২০১৮, আর ত্রিপুরা ২০১৯। পঞ্চায়েত ভোটে ফলাফল একইরকম। ঠিক কত আসন সেটা গোনার দরকার নেই। সহজ অঙ্কে বিষয়টা এরকম। ধরা যাক, মোট আসন ১০০, শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৭০টি আসনে। বাকি তিরিশের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের শেষে শাসক দল ২০, বিরোধীরা দশ। পাটিগণিতের অঙ্ক একেবারে মিলে গেল।
বিশদ

10th  August, 2019
কাশ্মীর: নতুন চ্যালেঞ্জ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রকৃত চ্যালেঞ্জ সরকারের। কাশ্মীরকে আন্তরিকভাবে ভারতের অন্তঃস্থলে মিশিয়ে দেওয়ার কাজটিই কিন্তু হবে কাশ্মীরের নয়া ইতিহাস রচনা। সেটা নিছক একটা ভূমিখণ্ড দখল নয়। কাশ্মীরিয়াৎকে আপন করে নেওয়া। একমাত্র তাহলেই পাকিস্তান সবথেকে বেশি ধাক্কা খাবে! আর কাশ্মীরিদের আমরা যদি শত্রু বিবেচনা করে চলি, তাহলে কিন্তু টেনিসের পরিভাষায় অ্যাডভান্টেজ পাকিস্তান হয়ে যাবে! সে সুযোগ দেব কেন?
বিশদ

09th  August, 2019
সংযুক্তিকরণের মিশ্র অভিজ্ঞতার পংক্তিতে কাশ্মীর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 সমস্ত প্রশ্ন আসলে আবর্তিত হচ্ছে মূলত কাশ্মীরসমস্যা সমাধানের প্রশ্নে ‘স্বাধিকার বনাম সংযুক্তিকরণ’ ভাবনাকে কেন্দ্র করে। নেহরুর অনুসৃত কাশ্মীরের স্বাধিকার মডেল বিগত ৭০ বছর ধরে কার্যকরী থাকলেও কাশ্মীরসমস্যার সমাধান কিন্তু অধরাই থেকে গিয়েছে। তৈরি হয়েছিল অচলাবস্থা। বিজেপির সংযুক্তিকরণ মডেলে কাশ্মীরের এই দীর্ঘ অচলাবস্থা ভেঙে এগিয়ে চলার কথা বলা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে সংযুক্তিকরণ মডেলের যে অভিজ্ঞতা উঠে এসেছে, তা মিশ্র। চীনের সঙ্গে তিব্বতের সংযুক্তিকরণ সফল হয়েছে। আলাস্কার ক্ষেত্রেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্তিকরণ সফল ছিল। আবার চীনের সঙ্গে হংকংয়ের সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া কিন্তু কঠিন বাধার সম্মুখীন হয়েছে। এখন দেখার, কাশ্মীরকে ভারতের মূল প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার ফল কী হয়? বিশদ

08th  August, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বিষ্ণুপুর শহরে দলমাদল রোডে ভরসন্ধ্যায় যুবক খুনের ঘটনায় শুক্রবার রাতে পুলিস এক ফুচকা বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম মধুসূদন মাঝি। তার বাড়ি বিষ্ণুপুর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযোগ,ওইদিন সন্ধ্যায় ফুচকা বিক্রেতার সঙ্গে যুবকের বচসা বাধে। তা ...

সংবাদদাতা, বসিরহাট: ভ্যাপসা গুমোট গরমের শেষে একটানা বৃষ্টির স্বস্তি এখন অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বসিরহাট পুরসভা এলাকায়। বেশিরভাগ ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি জলের তলায়। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গোটা বিশ্বেই মধ্যবিত্ত শ্রেণী বাড়ছে দ্রুত। নতুন প্রজন্ম অর্থ উপার্জন করছে বলেই এই শ্রেণীর বাড়বাড়ন্ত। সরকারেরও উচিত তাদের কাজের সুযোগ করে দেওয়া। সেই কারণেই সরকার যতটা পেনশন খাতে খরচ করে, তার চেয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত শিক্ষা খাতে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গঙ্গাবক্ষে বিশ্বের দীর্ঘতম সাঁতার প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে মুর্শিদাবাদ সুইমিং অ্যাসোসিয়েশন। ভাগীরথী নদীর উপর এই সাঁতার প্রতিযোগিতা হবে ৮১ ও ১৯ কিলোমিটার দূরত্বে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ জেদ বা রাগের বশে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া শ্রেয়। প্রেম-প্রীতির যোগ বর্তমান। প্রীতির বন্ধন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০০: রাজনীতিক বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিতের জন্ম
১৯৩৬: গীতিকার ও পরিচালক গুলজারের জন্ম
১৯৫৮: ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করলেন প্রথম এশীয় ব্রজেন দাস
১৯৮০: সঙ্গীতশিল্পী দেবব্রত বিশ্বাসের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৮১ টাকা ৮৭.৯৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৮৩ টাকা ৮০.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
17th  August, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,২৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ আগস্ট ২০১৯, রবিবার, তৃতীয়া ৪৯/৪৯ রাত্রি ১/১৪। পূর্বভাদ্রপদ ২৯/২ অপঃ ৪/৫৫। সূ উ ৫/১৮/২, অ ৬/৩/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৯ গতে ৯/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩২ গতে ৯/২ মধ্যে, বারবেলা ১০/৫ গতে ১/১৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৫ গতে ২/৩০ মধ্যে।
৩২ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৮ আগস্ট ২০১৯, রবিবার, তৃতীয়া ৪৩/৯/৬ রাত্রি ১০/৩২/৩৬। পূর্বভাদ্রপদনক্ষত্র ২৬/১/৪১ দিবা ৩/৪১/৩৮, সূ উ ৫/১৬/৫৮, অ ৬/৫/৪৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/১২ গতে ৯/৩১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে, বারবেলা ১০/৫/১৬ গতে ১১/৪১/২২ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪১/২২ গতে ১/১৭/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৫/১৬ গতে ২/২৯/১০ মধ্যে।
 ১৬ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নেতাজিনগরে ২টি অটোর সংঘর্ষ, জখম মহিলা 

08:31:00 PM

বেনিয়াপুকুরে তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার 

06:21:00 PM

পানিহাটিতে গঙ্গায় ডুবে যাওয়া যুবকের দেহ উদ্ধার 

05:49:00 PM

পানিহাটিতে গঙ্গায় ডুবে যাওয়া যুবকের দেহ উদ্ধার 

05:46:00 PM

তপসিয়ায় বহুতলে আগুন, দমকলের ১টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে 

05:43:00 PM

শেক্সপিয়র সরণীর ঘটনায় ধৃতের পুলিস হেফাজত 
শেক্সপিয়র সরণীর ঘটনায় ২৯ আগস্ট পর্যন্ত ধৃতের পুলিস হেফাজত। ...বিশদ

04:09:25 PM