Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিভাজনের ঘোলা জলে হারিয়ে যাচ্ছে বিকাশ
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

এক জার্মান দার্শনিক হিটলারের আমলে আমাদের সচেতন করেছিলেন এই বলে—তোমরা সবাই ছোট মানুষ (লিটল ম্যান) তোমাদের কোনও প্রশ্নের অধিকার আছে কি? বৃহৎ রাষ্ট্রযন্ত্রে তোমাদের অস্তিত্বটা কোথায়! তা কী অনুধাবন করতে পেরেছ? নাটবল্টুদের কোনও প্রশ্ন থাকা উচিত নয়। নিজের চেষ্টায় কিছু কাল বেঁচে থাক, তারপর অসীম অনন্তে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাও। তবু প্রশ্ন আসে, উত্তর খোঁজার ব্যর্থ চেষ্টায় কিছুটা সময় কাটে। তারপরে সেই বিখ্যাত এক কবি ও নাট্যকার শেক্সপিয়রের কথায়—‘It is a tale told by an idiot, full of sound and fury signifying nothing.’
প্রবীণ হয়েছি, অতীতের অনেকটাই দেখার সুযোগ হয়েছে। মস্তিষ্কের একটি কুঠুরীতে সে সব সঞ্চিত আছে। প্রশ্নও আছে অনেক। প্রথম প্রশ্ন— ভারতবর্ষের মতো ঐতিহ্যপূর্ণ, ইতিহাস সমৃদ্ধ এই বিশাল দেশটিকে কোন অবাঞ্চিত শক্তি টুকরো টুকরো করে দিয়ে গেল? আর সেটা মেনে নেওয়া হল কেন? আবার বলা হল, ভারতবর্ষ এই পৃথিবীর একটি বৃহৎ ‘গণতন্ত্র’। তন্ত্র শব্দটি তো বোঝা গেল, কিন্তু গণ বা জনগণেশের এই তন্ত্রে কতটা অধিকার বা সচেতন ভূমিকা স্বীকৃত?
আর এক বিখ্যাত কবি কোলরিজ জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে দাবা খেলেছিলেন। সে যেন শকুনির পাশা খেলা। ১৯৪০ সালে কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মৌলনা আবুল কালাম আজাদ একটি বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘It was India’s historic destiny that many human races and cultures and religions should flow to her, finding a home in her hospitable soil, and that many a caravan should find rest here...’ তিনি এগারোশো বছরের ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, আমাদের ভাষা, কবিতা, সাহিত্য-সংস্কৃতি, আমাদের ফ্যাশান, সাজপোশাক, আমাদের চালচলন এবং প্রথা—সবই কিন্তু বহন করছে ঐক্যের সুর। আমরা একসঙ্গে বেঁচে আছি এবং বেঁচে থাকার ধরন-ধারণ, আমাদের জাতীয়তা বোধ—সবকিছুকেই একটা ছাঁচে ঢালাই করে ফেলেছি। কোনও ভাবেই এই ঐক্যকে ভাঙা সম্ভব নয়। এ যেন সেই কবির কথা—‘শক-হুন-দল পাঠান-মোগল এক দেহে হল লীন।’
একই সময়ে (১৯৪০ সাল) মুসলিম লিগের প্রেসিডেন্ট জিন্নাহ বললেন, ‘it is a dream that the Hindus and Muslims can ever evolve a common nationality; and this misconception of one Indian nation has gone far beyond the limits and is the cause of more of our troubles and will lead India to destruction if we fail to revise our notions in time. The Hindus and Muslims belong to two different religious philosophies, social customs, and literature. They neither intermarry nor interdine together, and indeed they belong to two different civilisations which are based mainly on conflicting ideas and conceptions. Their aspects on life, and of life, are different.’
তাহলে দেখা যাচ্ছে প্রথম থেকেই দুই শিবিরের পরস্পর বিরোধী দুটি ধারণার সংঘাত। জিন্নাহ সাহেব তাঁর সম্প্রদায়কে সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিভাজনে রাখার স্বপক্ষে যুক্তি খাড়া করছেন। হিন্দুর জীবন ও সংস্কৃতি এবং মুসলিমদের জীবন ও সংস্কৃতি সম্পূর্ণ আলাদা। দুটি জাতির দুই মেরুতে অবস্থান। ‘জাগে নব ভারতের জনতা/ এক জাতি এক প্রাণ একতা। এটি সঙ্গীতেই থাক। বাস্তব জীবনে এই একতা আসেনি, আসবেও না।
এই বিভাজনের অস্ত্রটি বিদেশি শাসকরা খুব সুচারুভাবে ব্যবহার করে প্রতিশোধ নিয়েছিলেন। তারই ফল চর্তুদিকে ফলছে। প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে সংঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। প্রকৃত সমস্যাকে আড়াল করে দাঁড়াচ্ছে। ‘রোটি , কাপড়া অউর মকান’—এই যে চাহিদা যা ধর্ম, জাতি, ভাষা, বর্ণ—কোনও কিছুই মানে না। সবার ঊর্ধ্বে জনজীবনের বিকাশের যে ইস্যুটি বারেবারে হারিয়ে যায়, তা হারায় এই বিভাজনের ঘোলা জলে।
কারও মাথাতেই আসে না আসল সমস্যাটা কী? তৈরি করা সমস্যার মেঘের আড়ালে দাঁড়িয়ে কয়েকটি কথার বাণ ছুঁড়ে যাঁরা হিরো হতে চান তাঁদের বরাতে সব শেষে জোটে একটি সুন্দর ‘জিরো’। এই খেলাটিকে রপ্ত করার নামই কি রাজনীতি! কল্যাণ শব্দটির বিস্তার পরিধি কতটা। আদৌই কি আমরা কল্যাণ চাই? উত্তেজনা শূন্য শান্ত জীবন চাই, সুখী পরিবার চাই, সুন্দর নিরাপদ একটা দেশ চাই! সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আমাদের ধর্মের কোনও সঠিক রূপ আমরা তৈরি করতে পেরেছি কি?
আজকের বাঁচাটা কালকের বেঁচে থাকাকে উদ্বুদ্ধ করবে কি? সাধারণ মানুষের অতি সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর কেউ কি দেবেন। কিছু দান, কিছু তোষণ, কিছু পিঠ চাপড়ানো, কিছু আলিঙ্গন ইত্যাদি যেসব দৃশ্য সংবাদ মাধ্যমে ভেসে ওঠে তার পেছনে কোনও জনদরদি স্থায়ী পরিকল্পনা আছে কি? গলা ফাটিয়ে চিৎকার করলেই কি নেতা হওয়া যায়? চড় মেরে চুমু খেয়ে কে কবে কার মন জয় করতে পেরেছে! একটি গানের একটি লাইন চিরসমাদৃত হবে—কয়েকটি শব্দ—প্রেমিক লোকের স্বভাব স্বতন্ত্রর। গৌতম বুদ্ধ থেকে স্বামী বিবেকানন্দ, খ্রিস্ট হতে শ্রীচৈতন্য, কোরান থেকে বাইবেল, বেদান্ত থেকে বৈষ্ণব—একটি কথাই তো পতাকার মতো তুলে রেখেছেন—সবার ওপরে মানুষ সত্য। সেবাই তো ধর্ম।
সবশেষে একটি প্রশ্ন—তাহলে?
03rd  June, 2019
ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা নজিরবিহীন,
কিন্তু তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে?

 এ-কথাও তো সত্যি যে, হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বা ডাক্তারবাবুদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধানে তাঁর সদিচ্ছা আছে এবং ইতিমধ্যেই তার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রবীণদের বৈঠকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী সমাধানসূত্র খুঁজছেন— সেটাও কি ওই সদিচ্ছারই নামান্তর নয়? বিশদ

16th  June, 2019
নরেন্দ্র মোদির মালদ্বীপ সফর এবং ভারত মহাসাগরে ভারতের নতুন রণনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ

 মোদিজির এই দ্বীপপুঞ্জ-সফর কেবলমাত্র হাসি বিনিময় ও করমর্দনের রাজনীতি হবে না, বরং এর প্রধান অ্যাজেন্ডাই হল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মজবুত করা। তবে সেটা করতে গিয়ে ভারত যেন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অযথা হস্তক্ষেপ না করে বসে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারত মালদ্বীপকে সন্ত্রাসবাদের নয়া ‘আঁতুড়ঘর’ হতে দেবে। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকী মধ্যপ্রাচ্য থেকেও জেহাদি নেটওয়ার্কের কারবার মালদ্বীপেও পৌঁছে গিয়েছে। এই র‌্যাডিক্যালিজমের একমাত্র দাওয়াই হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তার সহায়ক শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক স্থিরতা।
বিশদ

15th  June, 2019
সতর্কতার সময়
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতীয় সংস্কৃতির সনাতন ধারাটি হল দিবে আর নিবে, মিলিবে মেলাবে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে আমাদের সরিয়ে এনেছে অসহিষ্ণুতা আর স্বল্পবিদ্যা। আর সবথেকে বেশি জায়গা করে নিয়েছে বিদ্বেষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ।
বিশদ

14th  June, 2019
ক্ষমতার ‘হিন্দি’ মিডিয়াম
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণের সীমারেখা। আর তার কারিগর আমরাই। আমাদের কাছে সাউথ ইন্ডিয়ান মানে মাদ্রাজি। দক্ষিণ ভারতের লোকজন নারকেল তেল খায়, অদ্ভুত ওদের উচ্চারণ, লুঙ্গি পরে বিয়েবাড়ি যায়... হাজারো আলোচনা। উত্তর ভারত মানে বিষম একটা নাক উঁচু ব্যাপার। আর দক্ষিণ মানেই রসিকতার খোরাক। তাই ওদের একটু ‘মানুষ’ করা দরকার। কীভাবে সেটা সম্ভব? হিন্দি শেখাতে হবে। বিশদ

13th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
বাংলায় রামবোকামির মরশুম
হারাধন চৌধুরী 

আমার মামার বাড়ি ভারত-বাংলাদেশের একটি সীমান্ত গ্রামে। বলা বাহুল্য, আমার মায়ের জন্ম দেশভাগের অনেক আগে। স্বভাবতই তাঁর স্মৃতির অনেকখানি জুড়ে ছিল অখণ্ড ভারতীয় গ্রামদেশ ও তার সংস্কৃতি। ১৯৪৭-এ মায়ের শৈশবের গ্রামের উপর দিয়েই ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের ভূগোল এবং ইতিহাস খুলেছিল এক নতুন অধ্যায়। 
বিশদ

04th  June, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, বালুরঘাট: সম্প্রতি বালুরঘাট শহরে নকল প্রসাধনী সামগ্রী উদ্ধার হওয়ার ঘটনা বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। শহরে প্রচুর প্রসাধনী সামগ্রীর দোকান খুলেছে। ওসব দোকানে বিভিন্ন নামিদামী ব্র্যান্ডের প্রসাধনী সামগ্রী রাখা হয়।   ...

  রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ১৬ জুন (পিটিআই): ইউএন মিশন ইন সাউথ সুদান (ইউএনএমআইএসএস) কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ভারতীয় শান্তিরক্ষা বাহিনীর প্রশংসায় মুখর হল রাষ্ট্রসঙ্ঘ ও স্থানীয় সংগঠনগুলি। ...

 দীপ্তিমান মুখোপাধ্যায়, হাওড়া: বকেয়া পুরকর জমা ও ট্রেড লাইসেন্স যাতে অনলাইনে পাওয়া যায়, সেদিকে নজর রাখতে পুরসভার অফিসারদের নির্দেশ দিল হাওড়া পুরসভার প্রশাসন। হাওড়া পুরসভা এলাকায় বকেয়া পুরকর ও ট্রেড লাইসেন্সের জন্য সাধারণ মানুষকে চরম নাকাল হতে হচ্ছে। ...

অযোধ্যা, ১৬ জুন (পিটিআই): প্রধানমন্ত্রীর সাহস আছে। সেকারণে অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি করতে নরেন্দ্র মোদির অর্ডিন্যান্স আনা উচিত। তা হলে কেউ তার বিরোধিতা করতে পারবে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত বিষয়ে অশান্তি বৃদ্ধির আশঙ্কা, আত্মীয়-পরিজনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি। শেয়ার, ফাটকা, লটারিতে অর্থাগম, কর্মক্ষেত্রে গোলযোগের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৬: জাপানে সুনামিতে ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৫০: শিল্পপতি লক্ষ্মী মিত্তালের জন্ম
১৯৫৩: চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের জন্ম
১৯৬৯: জার্মানির গোলকিপার অলিভার কানের জন্ম 

15th  June, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৭৩ টাকা ৭০.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৭ টাকা ৮৯.৭৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৪ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  June, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩, ২০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ৭৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২, ২৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭, ১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭, ২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
16th  June, 2019

দিন পঞ্জিকা

১ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ২২/৪৬ দিবা ২/২। অনুরাধা ১২/৫৮ দিবা ১০/৭। সূ উ ৪/৫৫/৪২, অ ৬/১৮/২০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৩ গতে ৯/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ২/৪৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১০/৩৩ গতে ১২/৪১ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১/১৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৭ গতে ২/১৭ মধ্যে।
৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ২২/২২/৭ দিবা ১/৫২/২২। অনুরাধানক্ষত্র ১৪/৮/৫৬ দিবা ১০/৩৫/৫, সূ উ ৪/৫৫/৩১, অ ৬/২০/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ গতে ৯/২৬ মধ্যে ও ১২/৭ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/৩৭ গতে ১২/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৭/২৫ গতে ১১/৩৮/৩ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৮/৩ গতে ১/১৮/৪১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৭/২৫ গতে ২/১৬/৪৭ মধ্যে।
 ১২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: বৃষ্টিবিঘ্নিত কারণে পাকিস্তানের ৪০ ওভার শেষে নির্ধারিত হল খেলা। ৮৯ রানে জিতল ভারত।

16-06-2019 - 12:15:19 AM

 বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ২১২/৬ (৪০ ওভার)

16-06-2019 - 12:05:18 AM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১৬৬/৬ (৩৫ ওভার), বৃষ্টির জন্য আপাতত: বন্ধ খেলা

16-06-2019 - 10:50:00 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৯৫/১ (২১ ওভার) 

16-06-2019 - 09:43:08 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৩৮/১ (১০ ওভার) 

16-06-2019 - 08:56:50 PM

জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আগামীকাল ৩টের সময় নবান্নে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর 
দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে ...বিশদ

16-06-2019 - 08:23:17 PM