Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যে এত হিংসা কেন!
শুভা দত্ত

ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। এ ওকে মারছে, সে তাকে মারছে, পার্টি অফিস দখল করে নিচ্ছে, না হয় ভেঙেচুরে তছনছ করে দিচ্ছে, দল বেঁধে বাড়িতে বাড়িতে চড়াও হয়ে হুমকি দিচ্ছে, আসবাবপত্র, টাকাকড়ি, গয়নাগাটি লুটে নিয়ে যাচ্ছে, ভীতসন্ত্রস্ত মানুষ ঘরসংসার ফেলে আত্মরক্ষার তাগিদে অন্যত্র পালাতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কোথাও কোথাও তো রক্ত ঝরছে, খুনখারাপির ঘটনাও ঘটে যাচ্ছে! এতে সব মিলিয়ে নৈহাটি বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের মতো বেশ কিছু জায়গায় একটা রীতিমতো ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে। আর তার জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত, মানুষের কাজকাম চৌপাট হওয়ার জোগাড়। পুলিস প্রশাসন অবস্থা আয়ত্তে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন ঠিকই কিন্তু যে কোনও কারণেই হোক সর্বত্র অবস্থা পুরোপুরি আয়ত্তে আসছে না! নানান অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেই চলেছে। ফলে, অভিযোগের আঙুল উঠছে পুলিসের একাংশের দিকে। অনেকেই বলছেন, পুলিসের ওই অংশ একটু যেন গা-ছাড়া গয়ংগচ্ছ ভাব দেখাচ্ছে। ঘটনা নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর যতটা ক্ষিপ্র ও সক্রিয় হওয়া উচিত, ততটা হচ্ছে না!
ফলে উত্তর-দক্ষিণ পূর্ব-পশ্চিম—বাংলার নানা জায়গায় একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে। এমনকী, দুষ্কৃতী তাণ্ডবে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। পুলিসের একাংশের এই ভূমিকায় বৃহস্পতিবার ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিসমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং! ঘরছাড়া দলীয় কর্মীদের ঘরে ফেরাতে এবং দখল হওয়া পার্টি অফিস পুনরুদ্ধারে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মনোবল বাড়াতে মমতা বৃহস্পতিবার নৈহাটিতে সভা করেন। সেখানে নানান অনভিপ্রেত ঘটনা ও সেইসব ঘটনা নিয়ন্ত্রণে পুলিসি ব্যর্থতার অভিযোগ এনে তিনি কার্যত বাহিনীর সংশ্লিষ্ট অংশকে হুঁশিয়ারি দেন। নিজের মন্ত্রকের কাজ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতার ক্ষোভ জানানো দেখে মমতা-বিরোধীরা কেউ কেউ হয়তো মজা পেয়েছেন, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় টীকা-টিপ্পনীও কেটেছেন। কাটুন।
কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর যাত্রাপথে ওইভাবে স্লোগান দেওয়া বা ভিড়জটলা কি পুলিসি নিরাপত্তার একটা চরম গাফিলতি নয়—আপনারাই বলুন? কে জয় শ্রীরাম বলবে, কে জয় হিন্দ বন্দেমাতরম্‌ বলবে সেটা নিশ্চয়ই ব্যক্তিগত অভিরুচির ব্যাপার। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ের চারপাশে অপরিচিত জনতার ভিড়, হুড়োহুড়ি কি স্বাভাবিক? সেখানে পুলিসের নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকবে না, গোয়েন্দা পুলিসের কাছে আগাম খবর থাকবে না যে তাঁর যাওয়ার পথে এমন অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে!? এবং সেই আগাম খবরের ভিত্তিতে মুখ্যমন্ত্রীর যাত্রাপথের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে না!? বিশেষ করে ভোটের পর যখন পরিস্থিতি মোটেই স্বাভাবিক নয়, মারামারি ভাঙাভাঙি খুনোখুনি চলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে তার দু’পাশের এলাকাতেই চলছে—তখন তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে এমন হালকা মনোভাব, এমন গা-ছাড়া আচরণ কেন! মানেটা কী? বৃহস্পতিবার ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা যখন গাড়ি থেকে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া খুব বেশি কাউকে, মানে পুলিসের কর্তা-কর্মীদের কাউকে তো আশপাশে দেখা যায়নি! বরং, স্থানীয় লোকজনের অনেককেই মোবাইলে ছবি তুলতে তুলতে মুখ্যমন্ত্রীর যথেষ্ট কাছে চলে এসেছে, তাদের কেউ বাধা তো দিলেন না! শুধু তাই নয়, আশপাশে জড়ো হওয়া জনতাকে সরানোর ব্যাপারেও তো স্থানীয় পুলিস বাহিনীকে তেমন সক্রিয় হতে দেখা গেল না!
কেন গেল না, কেন দেখা যায়নি—তার পিছনে কোন রাজনীতির কী খেলা আছে সে প্রসঙ্গে যাচ্ছি না— কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতার ওই ঢিলেঢালা নিরাপত্তার ফাঁক দিয়ে সেদিন বড় কোনও ঘটনা যদি ঘটে যেত— কী হতো! কে দায় নিতেন? শুধু মুখ্যমন্ত্রীর কথা বলছি না, যে কোনও মন্ত্রী বা ভিআইপি’র জন্যই তো এমন ঢিলেঢালা নিরাপত্তা বিপজ্জনক। ভোটের সময় দেখা গেল জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা পাওয়া বাবুল সুপ্রিয়’র গাড়ি অবলীলায় ভেঙে চলে গেল কিছু দুষ্কৃতী! কী করে পারল? বিশেষ নিরাপত্তার সেই আঁটোসাটো বেষ্টনী সেখানেই বা কোথায় ছিল! ভগবানের অশেষ করুণা যে, দুষ্কৃতীরা গাড়ি ভেঙেই ক্ষান্ত দিয়েছে। বাবুলকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করার পথে যায়নি। কিন্তু, যেতেই পারত। সেদিন নিরাপত্তাকর্মী কেন্দ্রীয় বাহিনীর যা হাবভাব দেখা গিয়েছিল তাতে দুষ্কৃতীরা অনায়াসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে হেনস্তা করে যে যার ঘরে ফিরে যেতে পারত বলেই মনে করছেন তথ্যভিজ্ঞজনেদের অনেকেই। এবং তাঁদের এই আশঙ্কা যে একেবারেই অমূলক, টিভিতে সেই দৃশ্য দেখার পর এমনটা জোর দিয়ে বলা যাবে কি? কী ভয়ানক ভাবুন! আমাদের সৌভাগ্য সেই ভয়ানকের পুরো চেহারাটা শেষ অবধি আমাদের দেখতে হয়নি।
এ তো গেল একদিক। অন্যদিকে এই প্রশ্নটাও তো উঠছে যে—ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যে এত হিংসা কেন! কী হয়েছে যে হঠাৎ করে হিংসার এমন বাড়াবাড়ি? সন্দেহ নেই এবার ভোটের হাওয়া প্রথম থেকেই বেশ গরম ছিল। বিজেপি এ রাজ্যের ওপর বিশেষ নজর দেওয়ায় লোকসভা ভোটকে কেন্দ্র করে একটা জোরালো রাজনৈতিক লড়াইয়ের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর প্রধান সেনাপতি অমিত শাহ দফায় দফায় এ রাজ্যে এসেছেন, প্রচার করেছেন এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক তরজায় উত্তপ্ত বাগযুদ্ধে তাঁদের টক্করও চলেছে প্রায় সমানে সমানে। ভোটের ফলেও তার আভাস ভালোই মিলেছে। বিজেপি’র আসন একলাফে ২ থেকে ১৮-তে উঠে গেছে। হ্যাঁ, সেই ২০০৯ সালের পর এই প্রথম মমতার একচ্ছত্র আধিপত্যের বাংলায় তাঁর দল তৃণমূল আসন সংখ্যার বিচারে হয়তো একটু ধাক্কা খেয়েছে। তাতেই বা হয়েছেটা কী? খেলার মতো রাজনৈতিক লড়াইতে এমনটা তো হতেই পারে। তবে, আসন কমলেও মোট ভোটের শতাংশে তো মমতার তৃণমূল এগিয়েছে ৪ শতাংশ!
মানেটা কী দাঁড়ায়? কংগ্রেস, সিপিএমের শক্তিহীনতার পথ ধরে বিজেপি এ রাজ্যে শাসক তৃণমূলের প্রধান বিরোধী হিসেবে যেমন আত্মপ্রকাশ করেছে, আসন বাড়িয়েছে, ঠিক তেমনি কিছু আসন কমলেও তৃণমূল একলপ্তে ৪ শতাংশ ভোট বাড়িয়েছে। হ্যাঁ, লোকসভা ভোটযুদ্ধের এই ফলাফল থেকে এটুকু বলা যায় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম রাজ্য রাজনীতিতে খানিকটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছে। সেটা তো ইতিবাচকই বলতে হবে। সিপিএমের মতো ভয়ঙ্কর শক্তির সঙ্গে জীবন পণ করে লাগাতার যুদ্ধের মধ্য দিয়েই তো মমতা ক্ষমতার শিখরে এসেছেন। তিনি নতুন প্রতিপক্ষের সঙ্গে আজ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিচলিত হবেন কেন? ভোটফলেই তো দেখা যাচ্ছে জনসমর্থনের নিরিখে আগামী লড়াইয়ের জন্য শক্তির বাড়তি রসদও তিনি জোগাড় করে নিয়েছেন। বরং, রাজ্যে কোনও বিরোধী নেই তাই মমতার এত বাড়বাড়ন্ত বলে যাঁরা (পড়ুন সিপিএম কংগ্রেস) এতদিন হাহুতাশ করছিলেন, ভোটফলের এই চেহারা তাদেরকে কিছু স্বস্তি শান্তি দেবে। তাহলে, মোটের ওপর সকলেরই এই ভোটফলে সন্তুষ্ট হওয়ার কথা। কিন্তু, বাস্তব পরিস্থিতি তো তা বলছে না। চারদিকে গোলমাল হই-হাঙ্গামা মারপিট পার্টি অফিস দখল ইত্যাদি চলেই চলেছে! এবং অভিযোগের তির বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছুটছে রাজ্যের নতুন বিরোধী শক্তি হিসেবে জেগে ওঠা বিজেপি’র দিকে! শাসক তৃণমূলের নামও যে তিরের ফলায় উঠে আসছে না এমন নয়—তবে পরিমাণে তা কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, বিজেপি’র চেয়ে অনেক কম! তাই নয় কি?
অস্বীকার করার উপায় নেই—বাংলার রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সহিষ্ণুতা সংযম সৌজন্যের স্থান আজ রীতিমতো দুর্বল সংকুচিত। এই দুর্বলতার সূত্রপাত সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম আমলের শেষপর্বে কয়েকজন নেতার সৌজন্যে। পরবর্তীতে উগ্র মমতা বিরোধিতার পথে কয়েকজন নেতানেত্রী তো রাজনৈতিক পরিসরে সহিষ্ণুতার প্রায় গঙ্গাযাত্রা করিয়ে ছেড়েছেন। আজ তারই নিদারুণ ফলভোগ করছেন নৈহাটি-কাঁচরাপাড়া, বারাকপুর থেকে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া— এমনকী এই কলকাতা মহানগরীও! ভোটফল প্রকাশের পর যেসব হাঙ্গামা হচ্ছে তাতে কতটা রাজনৈতিক বিদ্বেষ বা দখলদারি মানসিকতা ক্রিয়াশীল আর কতটা ব্যক্তিগত রাগ মেটানোর সুযোগ ইন্ধন হিসেবে কাজ করছে তা নিয়ে গবেষণা চলতে পারে, কিন্তু একটা ব্যাপার পরিষ্কার— মানুষ এই ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস হিংসায় আতঙ্কিত বিরক্ত এবং একই সঙ্গে হতাশ। এই হতাশা আসন্ন ভোটগুলিতে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে। অন্তত তেমনটাই মনে করছে রাজ্যের রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞ মহলের একাংশ। তাঁরা খুব ভুল মনে করছেন— এমন বলা যাচ্ছে কি? সুতরাং, সাধু সাবধান। 
02nd  June, 2019
আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। বিশদ

23rd  August, 2019
অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

 ১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। বিশদ

23rd  August, 2019
চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

22nd  August, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ক্রেডিট কার্ড পরিষেবা চালু করল বন্ধন ব্যাঙ্ক। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাঙ্কের সঙ্গে যৌথভাবে এই ক্রেডিট কার্ড আনা হচ্ছে। শুক্রবার চতুর্থ প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে ক্রেডিট কার্ড চালু করার কথা ঘোষণা করেন বন্ধন ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান এবং ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: তৃণমূলকে সরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে আনার ব্যাপারে ভোটারদের দু’বার ভাবতে বললেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সন্ত্রাস ...

 কাজল মণ্ডল, ইসলামপুর, সংবাদদাতা: ইসলামপুর মহকুমায় জনজাগরণ কর্মসূচি নিয়ে বিজেপি এখনও মাঠে নামতে পারেনি। তাছাড়া ইতিমধ্যেই একবার কর্মসূচি ঘোষণা করে তার দিনক্ষণ পিছতেও হয়েছে বিজেপিকে। জনজাগরণ নামের ওই কর্মসূচি প্রকৃত পক্ষে বিরোধীদের কাউন্টার করার কর্মসূচি। কিন্তু এনিয়ে বিজেপি’র টালবাহানায় দলের ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফেডারেশনের অনুমোদিত টুর্নামেন্ট হলেও ডুরান্ড কাপের ব্যাক ড্রপে নেই এআইএফএফের কোনও লোগো। এফএসডিএলের আপত্তিতেই ডুরান্ড কাপের ব্যাক ড্রপে ফেডারেশনের লোগো নেই বলে জানা গেল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতমূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৯০: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হয়ে কলকাতায় পা রাখলেন জোব চার্নক
১৯০৮: বিপ্লবী শিবরাম রাজগুরুর জন্ম
১৯৯১: সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মিখাইল গর্বাচভ

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  August, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  August, 2019

দিন পঞ্জিকা

আজ জন্মাষ্টমী উৎসব
৭ ভাদ্র ১৪২৬, ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, অষ্টমী ৮/১ দিবা ৮/৩২। রোহিণী ৫৭/১৯ রাত্রি ৪/১৬। সূ উ ৫/২০/১, অ ৫/৫৮/২১, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/১৩ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৪৯ মধ্যে পুনঃ ৪/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/২৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে উদয়াবধি।
আজ জন্মাষ্টমী উৎসব
৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, নবমী ৫৪/২১/৫৯ রাত্রি ৩/৩/৫১। রোহিণীনক্ষত্র ৪৮/১৪/৪৬ রাত্রি ১২/৩৬/৫৭, সূ উ ৫/১৯/৩, অ ৬/১/২৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১৪ গতে ১০/৩০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ১/৩১ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ১/১৫/৩৩ গতে ২/৫০/৫১ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৪/২১ মধ্যে ও ৪/২৬/৯ গতে ৬/১/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২৬/৯ মধ্যে ও ৩/৫৪/২১ গতে ৫/১৯/১৯ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ঝাড়খণ্ডে লাইনচ্যুত মালগাড়ি 
ঝাড়খণ্ডে লাইনচ্যুত মালগাড়ি। দুর্ঘটনার জেরে বহু দুরপাল্লার ট্রেন একাধিক স্টেশনে ...বিশদ

09:14:13 PM

ডুরান্ড কাপ জিতল গোকুলাম
মোহন বাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ জিতল গোকুলাম এফ ...বিশদ

07:02:58 PM

অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিগুলিতে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত 
প্রতিরক্ষা উৎপাদন সচিবের থেকে লিখিত আশ্বাস মেলায় কর্মবিরতি প্রত্যাহার করলেন ...বিশদ

03:49:44 PM

অরুণ জেটলির প্রয়াণে শোকপ্রকাশ প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের 

02:40:20 PM

প্রয়াত অরুণ জেটলি, আজকের দিনের সব কর্মসূচি বাতিল করল রাজ্য বিজেপি 

02:09:35 PM

এক গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুকে হারামাল, অরুণ জেটলির প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে ট্যুইট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির 

01:41:21 PM