Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অন্তর্ভুক্তির পক্ষে বিপক্ষে
পি চিদম্বরম

দিনটা ছিল ১৭ মে, ২০১৯। নরেন্দ্র মোদি মধ্যপ্রদেশের খাড়গোনে জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, ‘‘কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, কচ্ছ থেকে কামরূপ—পুরো দেশ বলছে, ‘অব কি বার, ৩০০ বার, ফির এক বার, মোদি সরকার।’’’ তাঁর নির্বাচনী জ্ঞান (সেফোলজি) যথার্থ, কিন্তু ভৌগোলিক দিকটা ভ্রান্ত। শেষমেশ এটাই প্রমাণ হল যে, নির্বাচনী লক্ষ্যভেদ করার খেলায় তাঁর দশে দশই প্রাপ্য।
কৃতিত্বের ক্রম অনুযায়ী অভিনন্দন প্রাপ্য মোদিজির, বিজেপি পার্টির, লক্ষ লক্ষ বিজেপি কর্মীর এবং তাদের জোটসঙ্গীদের। দ্বিতীয় বার দায়িত্বগ্রহণের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাই যে সরকার পরিচালনায় এবং দেশের সেবাকার্যে তিনি সফল হোন।
বুথ-ফেরত সমীক্ষা দু’দিন পরে ১৯ মে প্রকাশ করা হয়। অন্তত দু’টি সমীক্ষায় ধরা পড়েছিল যে বিজেপি ৩০০, সহযোগীদের নিয়ে তারা ৩৫০ এবং কংগ্রেস ৫০-এর মতো আসন পাবে। দুটি ভোট পরিসংখ্যানগত নমুনা সংগ্রহ এবং নির্বাচনী পূর্বাভাসের প্রতি কিছুটা আস্থা ফিরিয়ে আনল।
প্রতিদ্বন্দ্বী দৃষ্টি
আজ শুরু হচ্ছে নতুন যাত্রা। যাত্রা কখনও শেষ হবে না। পাঁচ বছর অন্তে একটা বিরাম আসে, এবং আরম্ভ হয় পুনর্যাত্রা। ভারতকে পরিচালনার অধিকারলাভের প্রশ্নে দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে মতভেদ আছে এবং থাকবেও। এই মতপার্থক্যটাই হল বহুদলীয় গণতন্ত্রের একটি বৈশিষ্ট্য (হলমার্ক)। এটা বিশেষভাবে লক্ষণীয় বহু ও বিচিত্র মতের সমন্বয়ে প্রস্ফুটিত সমাজের প্রাণস্পন্দিত গণতন্ত্রে। একটি দল বৈচিত্রের সংস্কৃতি প্রত্যাখ্যান করেও জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হতে পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তাদের বৈচিত্রটা বাস্তব নয়।
ভারত সম্পর্কে বিজেপির একটা নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে: এক জাতি, এক ইতিহাস, এক সংস্কৃতি, এক ঐতিহ্য, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, একটা জাতীয় ভাষা, এবং ‘একতা’র আরও অনেক দিক। কংগ্রেসের একটি পৃথক দৃষ্টিভঙ্গি আছে: এক দেশ, ইতিহাসের নানাবিধ ভাষ্য, অনেক উপ-ইতিহাস, বহু সংস্কৃতি, বহু দেওয়ানি বিধি, অনেক ভাষা, এবং ঐক্যের সন্ধানী একজন মানুষের জন্য বৈচিত্রের আরও নানা দিক। আঞ্চলিক দলগুলিরও পৃথক পৃথক দৃষ্টিভঙ্গি আছে: প্রদেশ বিশেষে দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা হতে পারে, সেখানে তাদের রাজনৈতিক বিবৃতির ভিতর একটা সাধারণ যোগসূত্র রয়ে যায়: সেটা হল—প্রদেশের ইতিহাস, ভাষা এবং মানুষের সংস্কৃতির স্থান সবার উপরে এবং, বিশেষ করে, সেই প্রদেশের ভাষার পৃষ্ঠপোষণা করতে হবে এবং মুখ্য মানতে হবে তাকেই।
ভাষার মুখ্যতা
বিশেষ করে ভাষা একটি আবেগের নাম। সংস্কৃতি, সাহিত্য, শিল্পকলা, এবং মানুষের জীবনের অন্য প্রতিটি দিক আবর্তিত হয় ভাষাকে কেন্দ্র করে। এই কথাটি শুধু তামিল জনগোষ্ঠীর জন্য প্রযোজ্য নয়, বরং যাঁরা তেলুগু, মালায়ালম, কন্নড়, ওড়িয়া, বাংলা প্রভৃতি ভাষায় যাঁরা কথা বলেন, আমি মনে করি, প্রতিটি প্রাচীন ভাষার ক্ষেত্রেই এটা সত্য। রাজনীতিতে ভাষার মুখ্যতা, বিশেষ করে রাজনৈতিক ভাবের আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে এই সত্য অগ্রাহ্য করার উপায় নেই।
তামিলদের আমি ভালো জানি। তামিল সভ্যতা ও সংস্কৃতির কেন্দ্র হল তার ভাষা। তামিলভাষী মানুষের কাছে তামিলটাই হল তাঁর পরিচয়, ‘তামিঝান’। কর্ণাটকী সঙ্গীতের তিনজন মহান গীতিকার তামিলনাড়ুতে জন্মগ্রহণ করেন কিন্তু তাঁরা গান রচনা করেন সংস্কৃত ও তেলুগু ভাষায়। তামিল ইসাই (সঙ্গীত) আন্দোলন জন্ম নিয়েছিল তামিলের মুখ্যতা ও গর্বকে উঁচুতে তুলে ধরার জন্য। বেশিরভাগ ‘অর্চনা’ অনুষ্ঠিত হতো সংস্কৃতে, তবু অধিকাংশ মন্দিরের অর্চক এবং পূজারিদের ভাষা বেছে নেওয়ার অবকাশ রয়েছে; তামিলে অর্চনা বিকল্প হিসেবে পালনের সরকারি অনুমোদন আছে এবং এই নীতি প্রত্যেকে মেনেও নিয়েছে। হিন্দুত্ব বলতে আজ আমরা যেটা বুঝি সেটা ছিল শৈব ও বৈষ্ণব এবং হিন্দুত্ব এইভাবেই নিবন্ধিত হয়ে আছে তামিল ইতিহাসে ও ধর্মীয় সংস্কৃতিতে। বস্তুত, তামিল ধ্রুপদী সাহিত্য একই সঙ্গে ধর্মীয় ভাব প্রচারের মাধ্যম এবং সুন্দর সাহিত্যচর্চার দৃষ্টান্ত হিসেবে গৃহীত হয়েছিল। তামিল ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে, পাশাপাশি, খ্রিস্টান এবং মুসলিম পণ্ডিত ও লেখকরাও বিরাট অবদান রেখেছেন।
তামিলদের এবং তামিল ভাষা সম্পর্কে আমি যা যা বললাম, সেগুলি সমানভাবে সত্য কেরল, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ও তাঁদের ভাষাগুলি সম্পর্কে।
এবার ফিরে আসা যাক বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিদ্বন্দ্বী দৃষ্টিভঙ্গি প্রসঙ্গে। ২০১৯ নির্বাচনের ফলাফল থেকে এটা সাব্যস্ত হয় না যে অন্যসব দৃষ্টিভঙ্গিকে হটিয়ে দিয়ে একটিমাত্র দৃষ্টিভঙ্গিকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বরং এটাই সত্য যে, ধর্ম কখনও ভাষা অথবা সংস্কৃতিকে অতিক্রম করতে পারবে না।
একবিংশ শতকে সেকুলার
সেকুলার স্টেট বা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের ধারণাটি ভারতের নয়। এটা আধুনিক গণতন্ত্র এবং গণরাজ্যের বৈশিষ্ট্যগুলির অন্যতম, ইউরোপের দেশগুলির আদর্শস্থানীয় দৃষ্টান্ত। কেউ বলতে পারবেন না যে ইউরোপীয় দেশগুলির মানুষ ধর্মবিশ্বাসী নন, কিন্তু রাজনীতি এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় তাঁরা সেকুলার থাকার ব্যাপারে অনড় অবস্থান নিয়েছেন। সেকুলার বলতে সত্যি বোঝায়, মূলত, ‘ধর্মীয় অথবা আধ্যাত্মিক বিষয়ে যুক্ত নয়’ এমনটা। সময়ের পরিবর্তনে, বিশেষ করে ইউরোপে, এটার মানে দাঁড়াল চার্চ বা গির্জার নিয়ন্ত্রণ থেকে রাষ্ট্রকে আলাদা করে আনা। আধুনিক যুগে, বিশেষ করে যে সমাজে বহুত্ববাদ এবং সংস্কৃতির বৈচিত্র স্বীকৃত সেখানে সেকুলার কথার অর্থ হল—চূড়ান্ত অবস্থান বর্জন এবং অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন। আমার আলোচনার কেন্দ্রে ভারত—এবং ভারতের সরকার এবং প্রশাসন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত প্রতিষ্ঠান—অবশ্যই সর্বদা অন্তর্ভুক্তির (ইনক্লুসিভ) নীতিতে অবিচল থাকবে।
সদ্য-সমাপ্ত নির্বাচনে বিজেপি কি অন্তর্ভুক্তির নীতির উপর দাঁড়িয়ে লড়াইটা করেছিল? আমার সংশয় আছে। প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে, বিজেপির ৩০২ জন এমপি-র মধ্যে মুসলিম সম্প্রদায় থেকে একজনও থাকছেন না। অন্য যারা নিজেদেরকে এই ব্যবস্থায় বিযুক্ত (এক্সক্লুডেড) বলে ভাববেন তাঁদের মধ্যে আছেন দলিত, জনজাতি, খ্রিস্টান, ভূমিহীন কৃষক এবং কৃষি-শ্রমিকরা। কয়েকটি শ্রেণী উন্নয়ন প্রক্রিয়া থেকে বাস্তবিকই বিযুক্ত থাকবেন জাতি, দারিদ্র, অশিক্ষা, বার্ধক্য, সংখ্যার লঘুত্ব এবং প্রান্তিক হয়ে যাওয়ার কারণে। সুতরাং, আজ প্রয়োজন প্রধানমন্ত্রীর মূল স্লোগান ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর পুনরাবৃত্তি।
আমার আশঙ্কা হয়, কিছু মানুষকে আলাদা করে রাখার মানসিকতা (এক্সক্লুশনারি অ্যাজেন্ডা) নিয়েই এই ভোটে বিজেপি লড়েছিল। আমি আশা করব, এবার দেশ পরিচালনার নীতি হবে সবার কল্যাণ (ইনক্লুশনারি)।
27th  May, 2019
বিধানসভা ভোট কিন্তু হবে মমতাকে দেখেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ইন্দিরা গান্ধীর টার্গেট ছিল একটাই। যেভাবে হোক সিপিএমের কোমর ভেঙে দিতে হবে। তিনি মনে করতেন, সিপিএম আসলে সিআইএ’র মদতপুষ্ট। ঠিকঠাক সুযোগ পেলে পূর্ববঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গে সশস্ত্র আন্দোলন করিয়ে বৃহত্তর বাংলা গঠন করে ফেলবে। কাজেই বাংলা কংগ্রেস এবং সিপিআই পছন্দের তালিকায় থাকলেও সিপিএমকে মোটে বরদাস্ত করতে পারতেন না ইন্দিরা।
বিশদ

18th  June, 2019
ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা নজিরবিহীন,
কিন্তু তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে?

 এ-কথাও তো সত্যি যে, হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বা ডাক্তারবাবুদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধানে তাঁর সদিচ্ছা আছে এবং ইতিমধ্যেই তার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রবীণদের বৈঠকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী সমাধানসূত্র খুঁজছেন— সেটাও কি ওই সদিচ্ছারই নামান্তর নয়? বিশদ

16th  June, 2019
নরেন্দ্র মোদির মালদ্বীপ সফর এবং ভারত মহাসাগরে ভারতের নতুন রণনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ

 মোদিজির এই দ্বীপপুঞ্জ-সফর কেবলমাত্র হাসি বিনিময় ও করমর্দনের রাজনীতি হবে না, বরং এর প্রধান অ্যাজেন্ডাই হল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মজবুত করা। তবে সেটা করতে গিয়ে ভারত যেন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অযথা হস্তক্ষেপ না করে বসে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারত মালদ্বীপকে সন্ত্রাসবাদের নয়া ‘আঁতুড়ঘর’ হতে দেবে। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকী মধ্যপ্রাচ্য থেকেও জেহাদি নেটওয়ার্কের কারবার মালদ্বীপেও পৌঁছে গিয়েছে। এই র‌্যাডিক্যালিজমের একমাত্র দাওয়াই হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তার সহায়ক শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক স্থিরতা।
বিশদ

15th  June, 2019
সতর্কতার সময়
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতীয় সংস্কৃতির সনাতন ধারাটি হল দিবে আর নিবে, মিলিবে মেলাবে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে আমাদের সরিয়ে এনেছে অসহিষ্ণুতা আর স্বল্পবিদ্যা। আর সবথেকে বেশি জায়গা করে নিয়েছে বিদ্বেষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ।
বিশদ

14th  June, 2019
ক্ষমতার ‘হিন্দি’ মিডিয়াম
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণের সীমারেখা। আর তার কারিগর আমরাই। আমাদের কাছে সাউথ ইন্ডিয়ান মানে মাদ্রাজি। দক্ষিণ ভারতের লোকজন নারকেল তেল খায়, অদ্ভুত ওদের উচ্চারণ, লুঙ্গি পরে বিয়েবাড়ি যায়... হাজারো আলোচনা। উত্তর ভারত মানে বিষম একটা নাক উঁচু ব্যাপার। আর দক্ষিণ মানেই রসিকতার খোরাক। তাই ওদের একটু ‘মানুষ’ করা দরকার। কীভাবে সেটা সম্ভব? হিন্দি শেখাতে হবে। বিশদ

13th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
একনজরে
 দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ১৯ জুন: উত্তরবঙ্গে তৈরি হোক এইমস। বাংলার কংগ্রেসিদের সুরেই এবার উত্তরবঙ্গে এইমস চাইছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি এমপিরা। উত্তরবঙ্গের মানুষের কথা মাথায় রেখে সংসদে এই ইস্যুটি সামনে আনবেন তাঁরা। একসময় রায়গঞ্জে এইমস তৈরি হবে বলে মনমোহন সিং সরকার সিদ্ধান্ত ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: চন্দ্রকোণা-১ ব্লকের ফুলমণি গ্রামে আন্ত্রিকের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। রবিবার থেকে ওই গ্রামের বাসিন্দারা আন্ত্রিকে আক্রান্ত হতে শুরু করেন। মঙ্গলবার বিকেল থেকে ক্ষীরপাই ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অনেকেই ভরতি হচ্ছেন। চন্দ্রকোণা-১ ব্লক মেডিক্যাল অফিসার নিরঞ্জন কুঁতি বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসার পর কয়েকজনকে ...

  বিজাপুর, ১৯ জুন: ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে এক সমাজবাদী পার্টির নেতাকে অপহরণ করে খুন করল মাওবাদীরা। পুলিস জানিয়েছে, এসপি নেতা সন্তোষ পুনেম ওই এলাকায় কনট্রাক্টর হিসেবে কাজ করতেন। গতবছর তিনি বিধানসভা ভোটে দাঁড়িয়ে পরাজিত হন। ...

জেনিভা, ১৯ জুন (এএফপি): সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে খুনের ঘটনায় সৌদি আরবের যুবরাজের যোগ থাকার জোরালো প্রমাণ মিলেছে বলে জানালেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের এক মানবাধিকার কর্মী। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবিও তুলেছেন তিনি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের আকস্মিক অবনতি। বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে। সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ। ব্যবসায় নতুন সুযোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭- লেখক সলমন রুশদির জন্ম,
১৯৭০- রাজনীতিক রাহুল গান্ধীর জন্ম,
১৯৮১- ভারতে টেস্ট টিউব বেবির জনক সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু,
২০০৮- বর্তমানের প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক বরুণ সেনগুপ্তের মৃত্যু 

19th  June, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৯ টাকা ৭১.০৫ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩২ টাকা ৮৯.৪৩ টাকা
ইউরো ৭৬.০২ টাকা ৭৯.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৪২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৭১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,১৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার, তৃতীয়া ৩০/৩০ অপঃ ৫/৯। উত্তরাষাঢ়া ২৬/৪৭ দিবা ৩/৩৯। সূ উ ৪/৫৬/২০, অ ৬/১৯/১৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২ গতে ৯/৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৯ গতে ২/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/৫৯ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৮ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। 
৪ আষাঢ় ১৪২৬, ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার, তৃতীয়া ২৭/২৪/১ দিবা ৩/৫৩/৬। উত্তরাষাঢ়ানক্ষত্র ২৫/৩৬/১১ দিবা ৩/৯/৫৮, সূ উ ৪/৫৫/৩০, অ ৬/২২/২১, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩২ গতে ৬/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ গতে ৯/১২ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/১০ মধ্যে ও ৩/৩৫ গতে ৪/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ৪/৪১/২৯ গতে ৬/২২/২১ মধ্যে, কালবেলা ৩/০/৩৮ গতে ৪/৪১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৮/৫৬ গতে ১২/৫৮/৪ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৬ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মিসড কল দিলেই সদস্য হওয়ার সুযোগ, ৬ জুলাই থেকে ফের অভিযানে বিজেপি  
আগামী বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে বুথভিত্তিক শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলার ...বিশদ

08:30:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
বিশ্ব উদ্বাস্তু দিবস১৯৩৯: ক্রিকেটার রমাকান্ত দেশাইয়ের জন্ম১৯৫২: লেখক বিক্রম শেঠের ...বিশদ

08:27:34 AM

বেতন পুনর্বিন্যাসের দাবিতে বিক্ষোভ ক. বিশ্ববিদ্যালয়ে 
ষষ্ঠ পে কমিশনে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বকেয়া ডিএ মিটিয়ে ...বিশদ

08:20:00 AM

আজ জয়েন্টের ফলপ্রকাশ 
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় প্রকাশিত হতে চলেছে ...বিশদ

08:15:00 AM

ট্রাম্পের ৬ ফুটের মূর্তি গড়ে পুজো তেলেঙ্গানার যুবকের
একেই বলে ট্রাম্প ভক্ত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৬ ফুটের ...বিশদ

08:15:00 AM

আজকের রাশিফল  
মেষ: বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে। বৃষ: ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটি ...বিশদ

08:11:21 AM