Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয় বা রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট পুতিনের পক্ষে রায়ে যেমন ওই দেশের মানুষের শক্তিশালী নেতার পক্ষে জনমত প্রতিফলিত হয়েছিল, তেমনি আমাদের দেশে নরেন্দ্র মোদির এই বিপুল জয় ভোটারদের মজবুত সরকার এবং শক্তিশালী নেতার পক্ষে রায় বলা যায়।
অন্যদিকে দীর্ঘ বাম-কংগ্রেস রাজনীতি এবং পরবর্তী পর্যায়ে তৃণমূল বনাম বাম-কংগ্রেস রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে স্পষ্ট উঠে এল তৃণমূল বনাম বিজেপির রাজনীতি। বামেদের অপ্রাসঙ্গিক করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিজেপি তৃণমূলের বিকল্প শক্তি হিসেবে এই লোকসভা নির্বাচন নিজেদের প্রতিষ্ঠা করল বলা যায়। বামেদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রথমে কংগ্রেস এবং পরে তৃণমূল কংগ্রেস মূলত শহরে তাদের অবস্থান জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু বিজেপির রাজনীতি প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে মূলত গ্রামকে কেন্দ্র করে। রাজ্যে যে ফল প্রকাশিত হয়েছে তাতে স্পষ্ট মূলত গ্রামীণ এলাকায় বিজেপি তৃণমূলকে পর্যুদস্ত করতে সক্ষম হয়েছে।
বিজেপি যে সমস্ত আসনে জয়ী হয়েছে তা মূলত কৃষিপ্রধান গ্রামীণ আসন। ২৭টি গ্রামীণ লোকসভার মধ্যে ১৫টি লোকসভা কেন্দ্রে তারা জয়ী হয়েছে। বিধানসভা ভিত্তিক ফলাফল থেকে দেখা যাচ্ছে বিজেপি যে ১৩৮টি বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে তার মধ্যে প্রায় ১০০টি গ্রামীণ বিধানসভা কেন্দ্র। গ্রামবাংলায় এত উন্নয়নের পরেও গ্রামের সাধারণ মানুষের রায় কিন্তু তৃণমূলের পক্ষে যথেষ্ট দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে রইল। বহুসংখ্যক মানুষ এই লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটদান করে প্রমাণ করলেন যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁরা ভোট দিতে পারেননি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে গণতন্ত্রের যে পরিসর সংকুচিত হয়েছিল, তারই স্পষ্ট প্রতিফলন এবারের নির্বাচনে পরিলক্ষিত হয়েছে। তৃণমূল সরকারের উপভোক্তারাও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নটিকে যে গুরুত্ব দিয়েছেন, ফলেই প্রকাশিত।
আবার আশা যাক দেশের ফলাফলের দিকে। লোকসভা নির্বাচনের পাঁচ মাস আগে ঘটে যাওয়া পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল মোদি-অমিত শাহর ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। বিশেষ করে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং রাজস্থানে বিজেপির পরাজয় মোদি-অমিত শাহকে যথেষ্ট চাপে রেখেছিল। পাশাপাশি ২০১৪-২০১৮ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনুষ্ঠিত ৩০টি লোকসভা উপনির্বাচনের ফলাফলও বিজেপির পক্ষে সহায়ক ছিল না। এর মধ্যে ৮টিতে বিজেপি হেরেছিল। নোটবন্দি এবং জিএসটি নিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ীরা সন্তুষ্ট ছিল না। ২০১৪-র দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলির মধ্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুর্নীতি দমনে মোদি কার্যত পিছিয়েছিল। উপরন্তু, আরবিআই থেকে সিবিআই-এর মতন বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির অপব্যবহারের অভিযোগ করছিল বিরোধীরা। রাজ্যে রাজ্যে বিরোধীরা জোটের উদ্যোগ নিলেও উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্র বাদে কোথাও তা সফল হয়নি। এইরূপ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নরেন্দ্র মোদির সামনে উঠে এল পুলওয়ামার ঘটনা এবং তাকে কেন্দ্র করে বালাকোটে ভারতীয় বিমান বাহিনীর হামলা। শত বিভাজিত বিরোধী পক্ষের তুলনায় মোদির হাতে দেশ সুরক্ষিত—শেষ বিচারে ভোটারদের কাছে জাতীয় নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছিল। যাকে মোকাবিলা করা রাহুল গান্ধী বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর পক্ষে সম্ভব ছিল না। মানুষ সুস্থির সরকার, মজবুত সরকার এবং দেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে একজন শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি অর্জনকারী ব্যক্তিকেই সামনে রেখে তাদের রায় দিয়েছিল।
শত বিভক্ত বিরোধীদের একত্রিত করবার চেষ্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছিলেন বটে, কিন্তু প্রত্যেকেরই অন্তরে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অভিলাষ বারবার প্রতিফলিত হয়েছে। মায়াবতী থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রবাবু নাইডু থেকে শরদ পাওয়ার প্রত্যেকে নানাভাবে বুঝিয়েছেন দিল্লির নেতৃত্বের প্রশ্নে তাঁদের সুপ্ত বাসনা। আবার বৃহৎ দল হিসাবে কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধীকেও তাঁরা নির্বাচনের আগে মেনে নিতে চাননি। প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? এই প্রশ্ন কখনও বিরোধী নেতারা এড়িয়ে গেছেন, কখনও বা চালাকি করে এড়িয়ে গেছেন সবাই প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন এই বলে। অথচ মানুষ কিন্তু চেয়েছিল স্পষ্টভাবে একজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে তুলে ধরে বিরোধীরা ভোটে যাক। সমস্ত বিরোধীরা কেবলমাত্র মোদির বিরোধিতা করেছেন অথচ নিজেরা একজনকে নেতা হিসাবে তুলে ধরতে পারেননি। আর যত মোদি বিরোধিতা করেছেন ততই নির্বাচনটা মোদি-কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছিল।
পাশাপাশি বিরোধী দলগুলি ব্যর্থ হয়েছিল ভোটারদের সামনে একটি সাধারণ কর্মসূচি প্রস্তুত করে তা তুলে ধরতে। পূর্বে যে কয়টি পাঁচমেশালি সরকার কেন্দ্রে তৈরি হয়েছিল তার অভিজ্ঞতা কিন্তু ভোটারদের কাছে একেবারেই সুখকর ছিল না। বিভিন্ন আঞ্চলিক দলগুলো নানা বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ায়, অতীতের একাধিক জোট সরকারের কোনও নির্দিষ্ট দিশা ছিল না। বিশ্বনাথপ্রতাপ সিং থেকে দেবেগৌড়া সরকারের অভিজ্ঞতা মানুষের কাছে থাকায় নির্দিষ্ট কর্মসূচিহীন বিরোধীদের কখনওই বিকল্প হিসাবে ভোটাররা মেনে নেননি। শেষ বিচারে তাই দেশের মানুষ স্থায়ী সরকার এবং শক্তিশালী নেতার পক্ষেই রায় দিয়েছেন।
আবার ফেরা যাক রাজ্যের ফলে। বাম-কংগ্রেস বনাম তৃণমূলের রাজনীতির মধ্যে বিজেপি ঢুকে পড়ল কী করে? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে তৃণমূলের বিরোধীশূন্য রাজনীতির ভাবনার মধ্যে। বাম এবং কংগ্রেসকে রাজ্য থেকে মুছে ফেলার উদ্যোগ তৃণমূল কংগ্রেস নিয়েছিল। তারই ফলশ্রুতি ছিল একের পর এক পুরসভা, পঞ্চায়েত জোরপূর্বক দখল, এমনকী বিরোধী দলের জেতা এমএলএ-দেরকেও তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের সভায় হাজির করিয়ে তৃণমূল নেত্রী দলের বিজয় হিসাবে দেখেছিলেন। দলের একাধিক নেতাকে কাজে লাগিয়ে, প্রশাসন ব্যবহার করে কংগ্রেসের শেষ দুর্গ মালদা, মুর্শিদাবাদ যেমন দখল নিয়েছিল শাসকদল, তেমনি জলপাইগুড়ির মতন বামেদের দখলে থাকা জেলাপরিষদেরও দখল নেয় তৃণমূল। রাজ্যে বিরোধীশূন্য রাজনীতির পরিসর তৈরি হলে মোদি-অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়েন বাংলা দখলের জন্য। একের পর এক কর্মসূচি পালন করে বিজেপি তৃণমূল ভোটারদের মধ্যে এই আত্মবিশ্বাস সঞ্চার করতে সক্ষম হয় যে কেন্দ্রে সরকারে থাকা বিজেপি দলই একমাত্র তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম। তৃণমূল সরকারের ইমাম ভাতার উদ্যোগ এবং তিন তালাকের প্রশ্নে তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের ভূমিকার পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি ঘটনা সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে তৃণমূলের সংখ্যালঘু তোষণ নিয়ে প্রশ্ন জাগে।
শেষে ২০১৮-র রক্তক্ষয়ী পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলে গ্রামের বিপুল সংখ্যক মানুষের ক্ষোভ তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৈরি হয়। উপরন্তু তৃণমূল নেত্রীর মোদি-কেন্দ্রিক নির্বাচনী প্রচারও রাজ্য-রাজনীতিকে বিজেপিকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তোলে। প্রকৃতপক্ষে বিগত এক বছর ধরেই রাজ্যের সভাসমিতি আয়োজনের অনুমতি পাওয়াকে কেন্দ্র করে মোদি-অমিত শাহ বনাম মমতার দ্বন্দ্ব রাজ্যের ভোটারদের দ্বিমেরুকৃত করতে সাহায্য করেছিল। যে রাজ্য সরকার ৯০ শতাংশের বেশি মানুষের কাছে কোনও না কোনও পরিষেবা পৌঁছে দিয়েছে, সেই সরকারি দলকে এত তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে পড়তে হল মূলত গণতান্ত্রিক পরিসর সংকোচনের ইস্যুকে কেন্দ্র করেই।
 লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
25th  May, 2019
বিধানসভা ভোট কিন্তু হবে মমতাকে দেখেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ইন্দিরা গান্ধীর টার্গেট ছিল একটাই। যেভাবে হোক সিপিএমের কোমর ভেঙে দিতে হবে। তিনি মনে করতেন, সিপিএম আসলে সিআইএ’র মদতপুষ্ট। ঠিকঠাক সুযোগ পেলে পূর্ববঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গে সশস্ত্র আন্দোলন করিয়ে বৃহত্তর বাংলা গঠন করে ফেলবে। কাজেই বাংলা কংগ্রেস এবং সিপিআই পছন্দের তালিকায় থাকলেও সিপিএমকে মোটে বরদাস্ত করতে পারতেন না ইন্দিরা।
বিশদ

18th  June, 2019
ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা নজিরবিহীন,
কিন্তু তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে?

 এ-কথাও তো সত্যি যে, হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বা ডাক্তারবাবুদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধানে তাঁর সদিচ্ছা আছে এবং ইতিমধ্যেই তার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রবীণদের বৈঠকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী সমাধানসূত্র খুঁজছেন— সেটাও কি ওই সদিচ্ছারই নামান্তর নয়? বিশদ

16th  June, 2019
নরেন্দ্র মোদির মালদ্বীপ সফর এবং ভারত মহাসাগরে ভারতের নতুন রণনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ

 মোদিজির এই দ্বীপপুঞ্জ-সফর কেবলমাত্র হাসি বিনিময় ও করমর্দনের রাজনীতি হবে না, বরং এর প্রধান অ্যাজেন্ডাই হল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মজবুত করা। তবে সেটা করতে গিয়ে ভারত যেন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অযথা হস্তক্ষেপ না করে বসে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারত মালদ্বীপকে সন্ত্রাসবাদের নয়া ‘আঁতুড়ঘর’ হতে দেবে। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকী মধ্যপ্রাচ্য থেকেও জেহাদি নেটওয়ার্কের কারবার মালদ্বীপেও পৌঁছে গিয়েছে। এই র‌্যাডিক্যালিজমের একমাত্র দাওয়াই হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তার সহায়ক শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক স্থিরতা।
বিশদ

15th  June, 2019
সতর্কতার সময়
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতীয় সংস্কৃতির সনাতন ধারাটি হল দিবে আর নিবে, মিলিবে মেলাবে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে আমাদের সরিয়ে এনেছে অসহিষ্ণুতা আর স্বল্পবিদ্যা। আর সবথেকে বেশি জায়গা করে নিয়েছে বিদ্বেষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ।
বিশদ

14th  June, 2019
ক্ষমতার ‘হিন্দি’ মিডিয়াম
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণের সীমারেখা। আর তার কারিগর আমরাই। আমাদের কাছে সাউথ ইন্ডিয়ান মানে মাদ্রাজি। দক্ষিণ ভারতের লোকজন নারকেল তেল খায়, অদ্ভুত ওদের উচ্চারণ, লুঙ্গি পরে বিয়েবাড়ি যায়... হাজারো আলোচনা। উত্তর ভারত মানে বিষম একটা নাক উঁচু ব্যাপার। আর দক্ষিণ মানেই রসিকতার খোরাক। তাই ওদের একটু ‘মানুষ’ করা দরকার। কীভাবে সেটা সম্ভব? হিন্দি শেখাতে হবে। বিশদ

13th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: মঙ্গলবার সন্ধ্যার ৪০ সেকেন্ডের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া আমতা ২ নং ব্লকের কুশবেড়িয়া ও তাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার ...

 দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ১৯ জুন: উত্তরবঙ্গে তৈরি হোক এইমস। বাংলার কংগ্রেসিদের সুরেই এবার উত্তরবঙ্গে এইমস চাইছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি এমপিরা। উত্তরবঙ্গের মানুষের কথা মাথায় রেখে সংসদে এই ইস্যুটি সামনে আনবেন তাঁরা। একসময় রায়গঞ্জে এইমস তৈরি হবে বলে মনমোহন সিং সরকার সিদ্ধান্ত ...

জেনিভা, ১৯ জুন (এএফপি): সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে খুনের ঘটনায় সৌদি আরবের যুবরাজের যোগ থাকার জোরালো প্রমাণ মিলেছে বলে জানালেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের এক মানবাধিকার কর্মী। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবিও তুলেছেন তিনি। ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: চন্দ্রকোণা-১ ব্লকের ফুলমণি গ্রামে আন্ত্রিকের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। রবিবার থেকে ওই গ্রামের বাসিন্দারা আন্ত্রিকে আক্রান্ত হতে শুরু করেন। মঙ্গলবার বিকেল থেকে ক্ষীরপাই ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অনেকেই ভরতি হচ্ছেন। চন্দ্রকোণা-১ ব্লক মেডিক্যাল অফিসার নিরঞ্জন কুঁতি বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসার পর কয়েকজনকে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের আকস্মিক অবনতি। বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে। সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ। ব্যবসায় নতুন সুযোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭- লেখক সলমন রুশদির জন্ম,
১৯৭০- রাজনীতিক রাহুল গান্ধীর জন্ম,
১৯৮১- ভারতে টেস্ট টিউব বেবির জনক সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু,
২০০৮- বর্তমানের প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক বরুণ সেনগুপ্তের মৃত্যু 

19th  June, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৯ টাকা ৭১.০৫ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩২ টাকা ৮৯.৪৩ টাকা
ইউরো ৭৬.০২ টাকা ৭৯.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৪২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৭১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,১৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার, তৃতীয়া ৩০/৩০ অপঃ ৫/৯। উত্তরাষাঢ়া ২৬/৪৭ দিবা ৩/৩৯। সূ উ ৪/৫৬/২০, অ ৬/১৯/১৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২ গতে ৯/৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৯ গতে ২/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/৫৯ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৮ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। 
৪ আষাঢ় ১৪২৬, ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার, তৃতীয়া ২৭/২৪/১ দিবা ৩/৫৩/৬। উত্তরাষাঢ়ানক্ষত্র ২৫/৩৬/১১ দিবা ৩/৯/৫৮, সূ উ ৪/৫৫/৩০, অ ৬/২২/২১, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩২ গতে ৬/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ গতে ৯/১২ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/১০ মধ্যে ও ৩/৩৫ গতে ৪/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ৪/৪১/২৯ গতে ৬/২২/২১ মধ্যে, কালবেলা ৩/০/৩৮ গতে ৪/৪১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৮/৫৬ গতে ১২/৫৮/৪ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৬ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মিসড কল দিলেই সদস্য হওয়ার সুযোগ, ৬ জুলাই থেকে ফের অভিযানে বিজেপি  
আগামী বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে বুথভিত্তিক শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলার ...বিশদ

08:30:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
বিশ্ব উদ্বাস্তু দিবস১৯৩৯: ক্রিকেটার রমাকান্ত দেশাইয়ের জন্ম১৯৫২: লেখক বিক্রম শেঠের ...বিশদ

08:27:34 AM

বেতন পুনর্বিন্যাসের দাবিতে বিক্ষোভ ক. বিশ্ববিদ্যালয়ে 
ষষ্ঠ পে কমিশনে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বকেয়া ডিএ মিটিয়ে ...বিশদ

08:20:00 AM

আজ জয়েন্টের ফলপ্রকাশ 
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় প্রকাশিত হতে চলেছে ...বিশদ

08:15:00 AM

ট্রাম্পের ৬ ফুটের মূর্তি গড়ে পুজো তেলেঙ্গানার যুবকের
একেই বলে ট্রাম্প ভক্ত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৬ ফুটের ...বিশদ

08:15:00 AM

আজকের রাশিফল  
মেষ: বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে। বৃষ: ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটি ...বিশদ

08:11:21 AM