Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও। দ্বিতীয় হল, সমীক্ষা যদি সঠিকভাবে রাশিবিজ্ঞানের নিয়ম মেনে করা হয়, তাহলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের করা সমীক্ষার ফলাফল খুবই কাছাকাছি আসা উচিত। সেটা যে হচ্ছে না, বিভিন্ন সংস্থার ভবিষ্যৎ দর্শন যে বিভিন্ন, এটাই প্রমাণ করে যে সব সমীক্ষা সঠিক পদ্ধতি মেনে করা হয় নি। মোটের ওপর দেশজুড়ে এনডিএ এগিয়ে আছে এমনটা আভাস পাওয়া গেলেও তার মধ্যে ভ্যারিয়েন্স (ভেদমান) যথেষ্ট বেশি। এর একটা বড় কারণ হচ্ছে খুব ভালোভাবে সমীক্ষা করতে গেলে অনেক বেশি অর্থ এবং সময়ের প্রয়োজন। চটজলদি তার ব্যবস্থা করা শক্ত। এছাড়া যে কথাটা বারবার আলোচনা করা হয় তা হল কোন দল কত ভোট পাবে সে বিষয়টা অনেক ভালোভাবে বোঝা যায় সমীক্ষায়। কিন্তু ভোট শতাংশ থেকে আসন সংখ্যার বিন্যাস বোঝা অনেক কঠিন। ফলে আসনের হিসেব কষতে যাওয়া আরও বেশি গোলমেলে ব্যাপার। সব মিলিয়ে তাই সত্যিটা লুকিয়ে থাকে ভোটযন্ত্রে। সেই ভোটযন্ত্র নিয়েই আবার বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলাচল। জয়ী দল অবশ্যই বলবে যে যন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করেছে, আর পরাজিতরা খুঁজে পাবে বিভিন্ন গণ্ডগোল।
নির্বাচন দেশজুড়ে হলেও, এবার সবথেকে বেশি আকর্ষণীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। তার কারণ বিজেপি খুব ভালো ফল করার চেষ্টা করছে এই রাজ্যে। স্বভাবতই পঞ্চাশের দশকের পর রাজ্যে এই প্রথম নির্বাচনের মূল ইস্যু ধর্ম এবং জাতপাত। এ বিষয়টা প্রমাণ করা শক্ত, এবং কোনও রাজনৈতিক দলই নিজের থেকে সরাসরি একথা স্বীকার করতে চাইবে না। বরং অন্য দলকে এই অপবাদ দেবে। তবে উপলব্ধি করাই যায় যে সংখ্যাগুরু সংখ্যালঘুর দ্বন্দ্ব কিংবা মতুয়া সংক্রান্ত আলোচনা যথেষ্ট প্রভাব ফেলবে এবারের নির্বাচনে। সেই হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচন বিজলি, সড়ক, পানির নয়। উন্নয়নেরও নয়। যে কোনও সরকারই কিছু উন্নয়ন করে থাকে, আবার না পাওয়ার হতাশাও থাকে কিছু। সেগুলো কিছুদিন পরে ভুলে যায় মানুষ। তাই বাম আমলের উন্নয়ন কিংবা অনুন্নয়নের কথা ভেবে আজকের দিনে আর কেউ ভোট দিতে যাবেন না। ২০১৪ পর্যন্ত একটানা দশ বছরের কংগ্রেস রাজত্বে কেন্দ্রে কী কী ঘটেছিল সেটাও হয়তো ভুলে গেছেন সকলে।
হাতের কাছে থাকল কেন্দ্রে বিজেপি আর রাজ্যে তৃণমূলের উন্নয়নের স্লোগান। অবশ্যই দু দল কিছু কিছু কাজ করেছে, আবার অনেক অকাজও। কিন্তু ভোটপ্রচারে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নের সংখ্যারাশির চেয়ে। মনে রাখতে হবে উন্নয়নের কথা সর্বদা ভোটে জেতায় না। বরং এমনটাও অনেক সময় দেখা গেছে যে কোনও রাজনৈতিক দল সত্যিকারের উন্নয়নের চেষ্টা করা মাত্র নির্বাচনে হেরেছে। তাই পশ্চিমবঙ্গে এবারের ভোটে প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িকতা এবং জটিল জাতপাতের হিসেবকে উপেক্ষা করলে ভুল হবে। ভোটফলে প্রতিফলিত হবে সেই হিসেবগুলোই।
গত কয়েকটি নির্বাচনের ভোটের ভাগ অবশ্যই ভবিষ্যতবাণীর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। সেই পরিবর্তনও পরিষ্কার লক্ষ্য করা যায় সংখ্যা ঘাঁটলে। ২০০৮ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে বামফ্রন্টের ভোট কমা অবশ্যই সেই প্রমাণ দেয়। ২০১১ তে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর বড় নির্বাচন বলতে ২০১৪-র লোকসভা এবং ২০১৬-র বিধানসভা। দশমিক ভুলে (অর্থাৎ পূর্ণসংখ্যায় লিখলে) ২০১৪/২০১৬-তে ভোটের ভাগ মোটামুটি তৃণমূল ৩৯%/৪৫%, বামফ্রন্ট ৩০%/২৬%, কংগ্রেস ১০%/১২% এবং বিজেপি ১৭%/১০%। তাই যে সহজ ভোটবিন্যাস থেকে আলোচনা শুরু করা যায় তা আলগাভাবে বলতে গেলে তৃণমূল ৪৫%, বামফ্রন্ট ২৫%, বিজেপি ১৫%, কংগ্রেস ১০%। বুঝতেই পারছেন এগুলো কোন সঠিক সংখ্যা নয়, যোগবিয়োগ সহজভাবে বোঝার একটা প্রচেষ্টা মাত্র।
এবার প্রতিটি আসনে জিতবেন কে? সেই আসনে যিনি বেশি ভোট পাবেন তিনি। সার্বিকভাবে যদি বিজয়ী দলের ভোট শতাংশ রাজ্যজুড়ে দ্বিতীয় শক্তির থেকে ১০% বেশি থাকে তাহলে অধিকাংশ আসনে জেতা সম্ভব। যে ভোট শতাংশের অঙ্ক থেকে প্রারম্ভিক আলোচনা, তাতে যোজনখানেক এগিয়ে আছে তৃণমূল। তাই রাজ্যজুড়ে বিশাল কিছু পরিবর্তন হতে গেলে ভোট ঘুরতে হবে অনেক বেশি মাত্রায়। অন্যদিকে এটাও মনে রাখতে হবে যে ২০১৬-র পর থেকে বেশিরভাগ ছোট-বড় নির্বাচনে বাম কিংবা কংগ্রেসকে সরিয়ে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে বিজেপি। গতবছরের ঘটনাবহুল পঞ্চায়েত নির্বাচন তার একটা প্রমাণ।
নির্বাচনের একটা বড় অংশ হল সংবাদমাধ্যমের প্রচার। সেই প্রচার সাধারণ মানুষের মনে কতটা দাগ কাটতে পারল তা বোঝা যাবে ভোটফলের পর। কিন্তু তার আগে ভোট পূর্ববর্তী বা বুথফেরত সমীক্ষাতে এই প্রচার যথেষ্ট প্রভাব ফেলে।
যেহেতু বিভিন্ন সংবাদ বিপণির সঙ্গে তাদের লাভ ক্ষতির পাটিগণিত জড়িয়ে থাকে তাই তাদের মনের মাধুরীও অনেকটা মিশে যায় সম্ভাবনার অঙ্কে। সেখানে যে ভাবনাটা সবথেকে বেশি বিক্রি হয়েছে তা হল এ রাজ্যে মূল লড়াই তৃণমূল বনাম বিজেপির এবং বিজেপির ভোট খানিকটা বাড়বে। সেই প্রেক্ষিতে এই নির্বাচনের গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। ধরা যাক কিছুটা কমলেও তৃণমূল তাদের ভোট মোটামুটি ধরে রাখতে পারল, অর্থাৎ সেই ভোট নেমে হল ৪০% এর আশেপাশে। এই ৫% ভোটটা দিয়ে দিন বিজেপিকে। বামেদের ভোট ২৫% থেকে কমিয়ে ১৫% করুন। সেই ১০% ভোটও হাতবদল করুন বিজেপিকে। সেক্ষেত্রে বিজেপি পনেরো থেকে বেড়ে হবে ৩০%। এই রকমের পরিস্থিতিতেও তাদের সঙ্গে তৃণমূলের পার্থক্য থাকবে ১০% জনমতের। সেই হিসেবে তৃণমূলকে ৩২ থেকে ৩৬টি আসন দেওয়াই যায়। বাকিটুকুর বেশিরভাগই যাবে বিজেপির দিকে, অর্থাৎ ৪ থেকে ৮। এক আধটা পেতে পারে কংগ্রেস বা বামেরা। আর তৃণমূল যদি শেষ বিধানসভার মত নিজেদের ৪৫% ভোট ধরে রাখে, সেক্ষেত্রে কিন্তু তৃণমূলের ৩৯ বা তার বেশি আসনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বুথফেরত সমীক্ষা যদিও এই কথা বলছে না।
বুথফেরত সমীক্ষা বলছে, তৃণমূল, বাম আর কংগ্রেসের আরও কিছু ভোট বাগিয়ে নিয়ে বিজেপি পৌঁছবে ৩৫% থেকে ৪০% এর আশেপাশে। তাদের কথামতো তৃণমূল আর বিজেপির পার্থক্য যদি পাঁচ শতাংশের মধ্যে চলে আসে, তখন কিন্তু বিজেপির আসন বেশ কিছুটা বেড়ে যেতেই পারে। তবে এই পরিস্থিতিতে আসনের ভবিষ্যদ্বাণী করা একেবারেই ঠিক নয়, কারণ দু দলের ভোট কাছাকাছি এলে আসনের হিসেবে বিপুল ওলটপালট হয়। সেক্ষেত্রে এটা বুঝতে হবে যে এই ভোটে তৃণমূল বিরোধী একটা হাওয়া উঠেছে। সেরকম ঘটনা ঘটলে যেখানে বিজেপি দুর্বল, সেখানে তৃণমূল বিরোধী ভোট পৌঁছে যেতে পারে বাম বা কংগ্রেসে, যদিও সেই ভবিষ্যদ্বাণী সংবাদমাধ্যমের খাতায় অনুপস্থিত। তারাও যদি খান কয়েক আসন জুটিয়ে নেয় তাহলে তৃণমূলের নম্বর বেশ কমবে। সব মিলিয়ে বুথফেরত সমীক্ষার হিসেব বলছে, তৃণমূল নেমে যাবে ৩০-এর নীচে আর বিজেপি দুই অঙ্কে পৌঁছবে। সঙ্গে এটাও মনে রাখা জরুরি যে অল্প কয়েকটি আলোচিত সম্ভাবনা ছাড়াও অনেকরকম ফল লুকিয়ে থাকতে পারে ভোটবাক্সে। তাই ২৩ তারিখে ভোটফল প্রকাশ হওয়ার আগে লিখে রাখুন আপনার নিজের ভবিষ্যদ্বাণী। দেখে নিন কতটা মিলল সেই অঙ্ক। লড়াই, বদলা, ইত্যাদি পেশিশক্তির শব্দমালা ছেড়ে ভোটফলের পর সবাই যদি এই গ্রীষ্মে নিজের মাথায় ঠান্ডা জল ঢেলে ভোট বিশ্লেষণের অঙ্ক কষেন, সেটাই রাজ্যের পক্ষে মঙ্গল। তারপর না হয় কেন্দ্রের দিকে নজর দেওয়া যাবে।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
21st  May, 2019
হিন্দু বাঙালির বাড়ি ভাঙছে, হারাচ্ছে দেশ 
শুভময় মৈত্র

জয় গৃহশিক্ষকতা করেন, বাড়ি সিঁথি মোড়ের কাছে, বরানগরে। নিজেদের তিরিশ বছরের পুরনো বাড়ি, সারানোর প্রয়োজন। একান্নবর্তী পরিবার, দাদা বড় ইঞ্জিনিয়ার। তিনি আর একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন কাছেই। 
বিশদ

বাংলায় এনআরসি বিজেপির স্বপ্নের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না তো 
মেরুনীল দাশগুপ্ত

লোকসভা ভোটে অপ্রত্যাশিত ফলের পর বাংলার বিজেপি রাজনীতিতে যে জমকালো ভাবটা জেগেছিল সেটা কি খানিকটা ফিকে হয়ে পড়েছে? পুজোর মুখে এমন একটা প্রশ্ন কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের আমজনতার মধ্যে ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। 
বিশদ

জন্মদিনে এক অসাধারণ নেতাকে কুর্নিশ
অমিত শাহ

 আজ, মঙ্গলবার আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬৯তম জন্মদিন। অল্প বয়স থেকেই মোদিজি নিজেকে দেশের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। যৌবন থেকেই তাঁর মধ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়নে কাজের একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে মোদিজির শৈশবটা খুব সুখের ছিল না। বিশদ

17th  September, 2019
ব্যাঙ্ক-সংযুক্তিকরণ কতটা সাধারণ মানুষ এবং সামগ্রিক ব্যাঙ্কব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে?
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

অনেকগুলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে দেশে সরকারি ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা হল আর সংযুক্তির পর চারটি এমন বেশ বড় ব্যাঙ্ক তৈরি হল, আকার আয়তনে সেগুলিকে খুব বড় মাপের ব্যাঙ্কের তকমা দেওয়া যাবে। এসব ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে দেশের অর্থনীতির খুব উপকার হবে।  
বিশদ

16th  September, 2019
রাজনীতির উত্তাপ কি পুজোর আমেজ
জমে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
শুভা দত্ত

 পরিস্থিতি যা তাতে এমন কথা উঠলে আশ্চর্যের কিছু নেই। উঠতেই পারে, উঠছেও। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের মুখে প্রায় প্রতিদিনই যদি কিছু না কিছু নিয়ে নগরী মহানগরীর রাজপথে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে, পুলিস জলকামান, লাঠিসোঁটা, কাঁদানে গ্যাস, ইটবৃষ্টি, মারদাঙ্গা, রক্তারক্তিতে যদি প্রায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনজীবন ব্যবসাপত্তর উৎসবের মরশুমি বাজার কিছু সময়ের জন্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এমন কথা এমন প্রশ্ন ওঠাই তো স্বাভাবিক।
বিশদ

15th  September, 2019
আমেরিকায় মধ্যবয়সের
সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়া
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

যে বয়সে পৌঁছে দূরের আত্মীয়স্বজন ও পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ক্রমশ আগের মতো সম্ভব হয় না, সেই প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জীবনে ইন্টারনেট এক প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কারণে যে, নিঃসঙ্গতা এমন এক উপসর্গ যা বয়স্ক মানুষদের শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। বিশদ

14th  September, 2019
মোদি সরকারের অভূতপূর্ব কাশ্মীর পদক্ষেপ পরবর্তী ভারতীয় কূটনীতির সাফল্য-ব্যর্থতা
গৌরীশঙ্কর নাগ

 এই অবস্থায় এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ৩৭০ ধারা বিলোপ পর্বের প্রাথমিক অবস্থাটা আমরা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি।
বিশদ

14th  September, 2019
ব্যর্থতা নয়, অভিনন্দনই
প্রাপ্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের
মৃণালকান্তি দাস

 কালামের জেদেই ভেঙে পড়েছিল ইসরোর রোহিনী। না, তারপরেও এ পি জে আব্দুল কালামকে সে দিন ‘ফায়ার’ করেননি ইসরোর তদানীন্তন চেয়ারম্যান সতীশ ধাওয়ান! বলেননি, ‘দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কালামকে’! তার এক বছরের মধ্যেই ধরা দিয়েছিল সাফল্য। ধাওয়ানের নির্দেশে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সেই কালাম-ই। তাঁর কথায়, ‘ওই দিন আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ পাঠ পেয়েছিলাম। ব্যর্থতা এলে তার দায় সংস্থার প্রধানের। কিন্তু,সাফল্য পেলে তা দলের সকলের। এটা কোনও পুঁথি পড়ে আমাকে শিখতে হয়নি। এটা অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত।’ বিশদ

13th  September, 2019
রাষ্ট্রহীনতার যন্ত্রণা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভিক্টর নাভরস্কি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করলেন, তিনি আচমকাই ‘রাষ্ট্রহীন’ হয়ে পড়েছেন। কারণ, তাঁর দেশ ক্রাকোজিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির কাছে মানবিকতার নিরিখে ক্রাকোজিয়ার আর কোনও ‘অস্তিত্ব’ নেই।
বিশদ

10th  September, 2019
জাতির গঠনে জাতীয় শিক্ষানীতি
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

 অভিধান অনুসরণ করে বলা যায়, পঠন-পাঠন ক্রিয়াসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতালব্ধ মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর প্রক্রিয়াই শিক্ষা। জ্ঞানকে বলা হচ্ছে অভিজ্ঞতালব্ধ প্রতীতি। শিক্ষা দ্বারা অর্জিত বিশেষ জ্ঞানকে আমরা বিদ্যা বলি। কালের কষ্টিপাথরে যাচাই করে মানুষ আবহমান কাল ধরে নিজ অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানরাশিকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পুস্তকের মধ্যে লিখে সঞ্চিত করে গেছে।
বিশদ

09th  September, 2019
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শতবর্ষে ভারত প্রান্তিক রাষ্ট্র থেকে প্রথম দশে, লক্ষ্য শীর্ষস্থান
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির মুখে উড্রো উইলসন সমেত বিশ্বের তাবড় নেতারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। যুদ্ধের রাহুর গ্রাস থেকে এই সুন্দর পৃথিবীকে কীভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত ছিলেন। উইলসন বুঝতে পেরেছিলেন মানুষের মগজে রয়েছে যুদ্ধের অভিলাষ। যুদ্ধভাবনা মুছে ফেলে শান্তিভাবনা প্রতিষ্ঠা করা দরকার।
বিশদ

09th  September, 2019
পুজোর মুখে বিপর্যয়: ঘরে বাইরে

 দুর্ঘটনা বিপর্যয় তো আর জানান দিয়ে আসে না! নেপালের ভূমিকম্প কি আমাদের আয়েলার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কত মানুষ ঘর-সংসার সব হারিয়ে রাতারাতি সর্বস্বান্ত হয়েছেন, কত সংসার উজাড় হয়ে গেছে—শত চেষ্টাতেও সেই ক্ষত পুরোটা পূরণ করা গিয়েছে কি? যায়নি। এই বউবাজারে রশিদ জমানার সেই ভয়ানক বিস্ফোরণের পর কত লোকের কত সর্বনাশ হয়েছিল—কজন তার বিহিত পেয়েছিলেন? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে সেপ্টেম্বরের শুরুতে বউবাজারে বাড়ি ধসে যে ক্ষতি বাসিন্দাদের হল তাতে তাই ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ বললে কিছুমাত্র ভুল হয় না। বিশদ

08th  September, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

নয়াদিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): উৎসবের মরশুমে সুখবর। বুধবার রেলকর্মীদের জন্য ৭৮ দিনের উৎপাদনভিত্তিক বোনাস ঘোষণা করল কেন্দ্র। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন প্রকাশ জাভরেকর ও নির্মলা সীতারামন।  ...

সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য পে কমিশনের সুপারিশ গ্রহণ করার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা এই কমিশনের আওতায় আসছেন কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।   ...

 ইসলামাবাদ, ১৮ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): কাশ্মীর ইস্যুতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। এব্যাপারে কাউকেই পাশে পায়নি ইমরান খানের দেশ। এমনকী আন্তর্জাতিক মঞ্চেও অভিযোগ জানিয়ে কোনও লাভ হয়নি। তাই এবার কাশ্মীর ইস্যুকে গায়ের জোরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পেশ করতে চায় পাকিস্তান। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থপ্রাপ্তির যোগ। যেকোনও শুভকর্মের বাধাবিঘ্ন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম
 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৬৪ টাকা ৭২.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৭.৭০ টাকা ৯০.৯০ টাকা
ইউরো ৭৭.৬৩ টাকা ৮০.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৪৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,০০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৩৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৪৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
18th  September, 2019

দিন পঞ্জিকা

২ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পঞ্চমী ৩৪/৫৭ সন্ধ্যা ৭/২৭। ভরণী ৮/১৩ দিবা ৮/৪৫। সূ উ ৫/২৭/৪৭, অ ৫/৩৩/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ৩/৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/১৯ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩১ গতে ১২/৫৯ মধ্যে। 
১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পঞ্চমী ২৬/১২/৩৯ দিবা ৩/৫৬/৩৩। ভরণী ৩/৩৯/২৫ দিবা ৫/৫৫/১৫, সূ উ ৫/২৭/২৯, অ ৫/৩৫/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৬ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ৩/৬ মধ্যে ও ৩/৫৫ গতে ৫/২৮ মধ্যে, বারবেলা ৪/৪/২৯ গতে ৫/৩৫/২৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৩৩/২৯ গতে ৪/৪/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩১/২৯ গতে ১/০/২৯ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৯ মহরম 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আলিপুরদুয়ারে পূর্ণবয়স্ক হাতির মৃত্যু 
বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের উত্তর রায়ডাক রেঞ্জের কার্তিকার জঙ্গলে একটি পূর্ণবয়স্ক ...বিশদ

11:52:00 AM

কালনায় খাদির উদ্যোগে মসলিন বস্ত্র উৎপাদন সেন্টার পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11:45:00 AM

দুর্গাপুরে লরির ধাক্কায় জখম ৭
 

দুর্গাপুর ব্যারেজের কাছে লরির ধাক্কায় জখম হলেন সাতজন। দুর্ঘটনার পর ...বিশদ

11:43:00 AM

আজ দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক মমতার
আজ দুপুর দেড়টায় দিল্লির নর্থ ব্লকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরে অমিত শাহের ...বিশদ

11:40:49 AM

মালদহে দুর্ঘটনার কবলে বাস, জখম বহু 
মালদহের হবিবপুর ব্লকের হুড়া বাড়িতে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বেসরকারি বাস। দুর্ঘটনায় জখম ...বিশদ

11:37:00 AM

ফের বাড়ল পেট্রল, ডিজেলের দাম 
ফের ঊর্ধ্বমুখী পেট্রল, ডিজেলের দাম। নতুন দাম অনুযায়ী দিল্লিতে পেট্রল ...বিশদ

11:18:09 AM