Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে। সেদিন ইভিএম-এর ভোট গুণে ঠিক হবে পরের পাঁচ বছরের ভারত-ভাগ্য-বিধাতা হবে কে, বা কোন দল বা দলগুলি। দমবন্ধ করা এই মাঝের তিন-চারটে দিন কাক্কেশ্বর কুচকুচের হাতে আছে শুধু পেনসিল। যা দিয়ে শ্লেটে আঁকিবুকি কেটে করা যেতে পারে সমস্ত রকমের সম্ভাবনা আর অসম্ভাবনার জটিল দশমিক আর ত্রৈরাশিকের অঙ্ক। আর সেই অঙ্ক করতে সাহায্য করার জন্যে ছাত্রবন্ধু শিক্ষক হিসেবে হাজির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, টিভি চ্যানেল আর সংবাদপত্র। তাদের বুথ-ফেরত সমীক্ষার ফলাফল নিয়ে। ইংরেজিতে যাকে বলে ‘এক্সিট পোল’।
কিন্তু বিভিন্ন সংস্থার করা এই বুথ-ফেরত সমীক্ষার ফলগুলি অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের সাহায্য করার চাইতে অনেক বেশি করে গুলিয়ে দেয় আমাদের অঙ্কের যোগ-বিয়োগ। যেমন ধরা যাক, এ বারেই প্রধান এক ডজন এক্সিট পোলের হিসেব মিলিয়ে দেখছি, এনডিএ-র আসন-সংখ্যা সেখানে ২৭৭ থেকে ৩৫২-র মধ্যে, ইউপিএ-এর ক্ষেত্রে তা ৮২ থেকে ১৩২-এর মধ্যে। এক এক সংস্থার হিসেব এক এক রকমের। এবং তাদের মধ্যে বিস্তর ফারাক। ২৭৭ আর ৩৫২-র মধ্যে পার্থক্যটা প্রায় ১৪ শতাংশ। আবার ধরা যাক, উত্তর প্রদেশের ক্ষেত্রে ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিসের হিসেবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটকে দেওয়া হয়েছে ৮০টির মধ্যে ৬২-৬৮টি আসন। ওদিকে এবিপি-নিয়েলসেনের হিসেবে এই জোটকে প্রথমে ২২টি আসন দিয়ে পরে করা হয়েছে ৩৫টি। এর মধ্যে কোন হিসেবটাকে জনগণ বেশি গুরুত্ব দেবে? পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে যেমন কোনও এক্সিট পোল বিজেপিকে দিয়েছে ১১টি আসন, আবার কোনও সমীক্ষা দিয়েছে ২৩টি। পার্থক্যটা কিন্তু বিস্তর। প্রায় ২৯ শতাংশ। তাই জনসাধারণ দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ঘুরপাক খাবে এ ক’দিন। এবং সেই সঙ্গে এটাও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, এমন হবে নাতো যে এদের কারও হিসেবই মিলল না শেষ পর্যন্ত? এক্সিট পোলের ভুল হবার ইতিহাস যে বড্ড দীর্ঘ এবং ক্লান্তিহীন। যেমন হয়েছিল ২০১৫-র দিল্লি বিধানসভার ক্ষেত্রে। কেউই পূর্বাভাস দিতে পারেনি আম আদমি পার্টির ৭০-এর মধ্যে ৬৭টি আসন পাবার মত বিপুল জয়ের। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় এই সমীক্ষাগুলি যে কোনও দলের বিপুল জয়কে ঠিকঠাক ধরতে পারে না অনেক ক্ষেত্রেই। আবার ভুলটা উল্টো দিকেও হয়। অনেক সময় বিজয়ীকে আন্দাজ করতে পারে না। ২০১৫-তে বিহারে নীতীশ কুমারের জয়ের পূর্বাভাসে ব্যর্থ হয়েছে অধিকাংশ বুথ-ফেরত সমীক্ষা।
এক্সিট পোলের সূত্রপাত হয় বিখ্যাত মার্কিন পোলস্টার ওয়ারেন মিটোওস্কি-র হাত ধরে। ১৯৬৭ সালে। তাই এক্সিট পোলের ইতিহাস মোটামুটি আধ শতাব্দীর। প্রথম এক্সিট পোলটা হয়েছিল সিবিএস নিউজের হয়ে। আমেরিকার কেন্টাকি-র এক স্থানীয় নির্বাচনে। উদ্দেশ্যটা নিশ্চয়ই ছিল নির্বাচন এবং ফল প্রকাশের অন্তর্বর্তী সময়ে খানিকটা উত্তেজনার জোগান দেওয়া। কিন্তু ডেটা বা তথ্য সংগ্রহ করে তা নিয়ে কোনও কিছুর পূর্বাভাস করতে গেলে বেশ খানিকটা রাশিবিজ্ঞানের তত্ত্ব আর তার প্রয়োগ প্রয়োজন। আর সেখানেই ভুল হয় সাধারণ ভাবে।
যেমন দেশের মধ্য থেকে কিছু কেন্দ্র যদৃচ্ছ ভাবে (র‍্যান্ডমলি) বেছে নিয়ে তাদের মধ্য থেকে আবার বাছতে হয় কিছু ভোটকেন্দ্র। কিন্তু এই বাছাটাই কি ঠিক ভাবে করে উঠতে পারে অধিকাংশ সমীক্ষক সংস্থা? দেশের প্রায় আধাআধি বুথই তো সংবেদনশীল। সেগুলিতে কি সঠিক অনুপাতে পৌঁছায় সমীক্ষকরা? ভোটকেন্দ্রগুলিতে যারা ভোট দিয়ে বের হয় তাদের জিজ্ঞেস করার কথা, তারা কাকে ভোট দিয়ে এলেন। তাও আবার সবাইকে নয়। একটা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন মেনে, যেমন হয়তো প্রত্যেক পঞ্চম ভোটারকে, জিজ্ঞেস করতে হবে। সমস্যা হল অত্যুৎসাহী অন্য ভোটারটা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এগিয়ে আসতে পারে সমীক্ষায় অংশ নিতে। তবু অগ্রাহ্য করতে হবে তাদের। এসব কি মানা হয় ঠিকঠাক?
এখানেই কিন্তু শেষ নয়। যাদের জিজ্ঞেস করা হবে তারা সবাই যে অমনি গড়গড় করে বলে দেবে তাদের ভোটটা কাকে দিয়ে এসেছে, তেমনটা হবে না কিছুতেই। কারও মধ্যে দ্বিধা কাজ করবে, কারও বা অবিশ্বাস। অনেকে আবার এসব সমীক্ষায় অংশ নিতে লজ্জা বা অস্বস্তি পায়। তাই অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের সমর্থকরা সমীক্ষায় অংশ নিতে বা তাদের মতামত প্রকাশে বেশি আগ্রহী। ওদিকে অপর কোনও দলের সমর্থকরা খুব বেশি তাদের মতামত দিতে চাইছে না। কিন্তু সমীক্ষকের পক্ষে সেটা বোঝা সম্ভব নয় কিছুতেই। তাই সমীক্ষায় কোনও দলের সমর্থন হয়ে গেল বেশি, বাস্তবে হয়তো ততটা সমর্থন নেই সে দলের। ব্রিটেনে যেমন কনজার্ভেটিভ দলের সমর্থকরা কম অংশ নেয় এ ধরনের সমীক্ষায়। একে বলে ‘শাই টোরি ফ্যাক্টর’। আমেরিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনের সময়ও অনেক ট্রাম্প সমর্থক এক্সিট পোলে অংশ নেয়নি বলে সমাজ-বিজ্ঞানীদের ধারণা।
এ সবের মিলিত প্রভাবে এক্সিট পোলের যাত্রাপথ, বিশেষ করে গত দু’দশকের সাফল্যের ইতিহাসটা, বেশ নড়বড়ে। বিশ্ব জুড়েই। আমেরিকার ২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফ্লোরিডার মত নিয়ন্ত্রক রাজ্যে এক্সিট পোল এগিয়ে রেখেছিল আল গোরে-কে। জিতলেন জর্জ বুশ। ২০০৪ সালে আবার জন কেরি সাড়ে ছয় শতাংশ ভোটে এগিয়ে ছিলেন বুশের থেকে। কিন্তু জিতলেন আবার বুশ। এই ফলের ব্যাখ্যা দিতে মার্কিন সমাজ-বিজ্ঞানীরা আজও হিমশম খেয়ে চলেছেন।
ভারতের ক্ষেত্রেও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হতাশ করা পারফরম্যান্স দেখেছি আমরা সাম্প্রতিক অতীতে। ২০০৪ সালে এক্সিট পোলগুলি বাজপেয়ির জয়ের পূর্বাভাস করে। কিন্তু এনডিএ পায় মাত্র ১৮৭টি আসন। ২০০৯তে এক্সিট পোলগুলি মোটের উপর আবার অনুমান করে এনডিএ-র জয়। ফলাফল হয় উল্টো। ২০১৪তে এক্সিট পোলগুলিতে গণ্ডগোল হয় অন্য দিকে। অধিকাংশ পোলই এনডিএ-র জয়ের পূর্বাভাস করেছিল, এটা ঠিক। তবে তাদের বেশির ভাগই অনুমান করতে পারেনি যে এনডিএ ৩৩৬টি আসন পেয়ে ওরকম বিপুল জয় পেতে পারে। তাই, মোটের উপর আমাদের পক্ষে এক্সিট পোলগুলিকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা কঠিন। আর ভরসা করলেই বা কোন সংস্থার পোলে ভরসা করব, সেটাও পরিষ্কার নয়।
অথচ এক্সিট পোলের বিশ্বাসযোগ্যতা এরকম ছিল না একেবারে। ২০০৩ সালে জর্জিয়ার নির্বাচনের পরে নির্বাচনে প্রতারণার অভিযোগ জোরদার হয়। যার মূলে ছিল এক্সিট পোলের সঙ্গে মূল ফল একেবারে না মেলা। এর ফলশ্রুতিতে হয় ‘গোলাপ বিপ্লব’ (‘রোজ রেভোলিউশন’)। আর শেষে এডুয়ার্ড শেভোর্নাৎজে-র পদত্যাগ। দুঃখের বিষয় এই যে, এক্সিট পোলের সেই বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে যেতে বসেছে। বিশ্ব জুড়েই। আর তার মূলে অবশ্যই বেশ কিছু পোলস্টারের অযোগ্য এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন বুথ-ফেরত সমীক্ষা।
আমরা জানি সবই। তবু, বুথ-ফেরত সমীক্ষাগুলি নিয়েই নাড়াচাড়া করব এ ক’দিন। বিশ্বাস-অবিশ্বাস আর দ্বিধা-দ্বন্দ্বের দোলাচলে ঘুরপাক খাওয়া। আসলে এত সংস্থা এত রকমের পূর্বাভাস দিয়েছে, ২৩ তারিখ ভোটের ফল বেরলে তাদের কোনটা যে মিলবে, আর কোনটা নয়, এমনকী কোনওটাই আদপে মিলবে কিনা, বলা প্রায় অসম্ভব। আপনি যার জয় চাইছেন (রাজ্যে বা কেন্দ্রে), তার আসন-সংখ্যা বুথ-ফেরত সমীক্ষাগুলিতে পূর্বাভাস করা আসন-সংখ্যার চাইতে বেশিও হতে পারে, আবার কমও হতে পারে। আবার মিলেও যেতে পারে কোনওটার সঙ্গে। কিন্তু আমাদের মনেই পড়বে না যে, কার পূর্বাভাস কতটা মিলল, আর কারটা কতটা ভুল। তবু, আগামী ভোটগুলিতে— মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, দিল্লি কিংবা বিহারে—আমরা আবার এক্সিট পোলের হিসেব নিয়ে পড়ব। নির্বাচন এবং তার ফল—এর মধ্যবর্তী দম-বন্ধ-করা ‘স্যান্ডউইচ’ সময়সীমায় এটাই যে সবচেয়ে বড় বিনোদন।
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা।  
বিশদ

14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
মমতার নেতৃত্ব মানতে কংগ্রেসি অনীহা কি আখেরে মোদিজির সুবিধে করে দিল?
শুভা দত্ত

প্রবল তাপে পুড়ছে রাজ্য। আকশে মেঘের চিহ্নমাত্র নেই। ঘূর্ণিঝড় ফণীর হাত থেকে এ যাত্রায় রেহাই মিললেও কাঠফাটা রোদ আর মাথা ঘোরানো গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না। বাঁকুড়া-পুরুলিয়ার মতো রুখু জেলাগুলো ইতিমধ্যেই চল্লিশ ছাড়িয়েছে, মহানগরী কলকাতাও বসে নেই। সেও প্রায় চল্লিশের ঘরে!
বিশদ

12th  May, 2019
তাহলে, হাওয়া
এবার কোন দিকে?
মোশারফ হোসেন

দেখতে দেখতে মোট সাত দফা ভোটগ্রহণের পাঁচটি দফাই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। গোটা দেশে। আমাদের রাজ্যেও। বাকি দুটি দফায় মাত্র ১১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। যদিও ওইসব কেন্দ্রের ভোট বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বের বিচারে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
বিশদ

11th  May, 2019
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ২০ মে (পিটিআই): ভোট পরবর্তী এক্সিট পোল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। যদিও গেরুয়া শিবির রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। সপ্তম দফার নির্বাচনের পর এক্সিট পোলে ইঙ্গিত মিলেছে, দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছেন মোদি সরকার। শুধু ফিরছে না। ...

 কাজল মণ্ডল  ইসলামপুর, সংবাদদাতা: ইসলামপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হতেই জয় নিশ্চিত বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আবদুল করিম চৌধুরী। ভোটগ্রহণ হয়েছে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে চরম বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপের হুঁশিয়ারি, ২৩ মে ভোটের ফল বেরনোর পর শাসকদলের দুষ্কৃতীরা হিংসা ছড়ালে তার ভয়ঙ্কর পরিণামের জন্য তৈরি ...

  বিএনএ, বাঁকুড়া: আজ, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বাঁকুড়ায় মাধ্যমিকের মার্কশিট ও শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু হবে। জেলার তিন মহকুমায় একটি করে স্কুল থেকে তা বিলি করা হবে। ১১টা নাগাদ ছাত্রছাত্রীরা তা বিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে পারবে বলে বাঁকুড়ার জেলা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

যারা বিদ্যার্থী তাদের মানসিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাবে। নানা বিষয়ে খুঁতখুঁতে ভাব জাগবে। গোপন প্রেম থাকলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৫: কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর জন্ম
১৯২১: নোবেলজয়ী সোভিয়েত বিজ্ঞানী আন্দ্রে শাখারভের জন্ম
১৯৯১: ভারতের ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮৮ টাকা ৯০.১১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৬ টাকা ৭৮.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৭৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫১/৪৭ রাত্রি ১/৪১। মূলা ৫৬/২৩ রাত্রি ৩/৩১। সূ উ ৪/৫৮/১২, অ ৬/৮/০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৯/২২ গতে ১১/৫৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে ৪/২২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৫ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩০ গতে ৮/৫০ মধ্যে।
৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫২/৪৪/৩৭ রাত্রি ২/৩/৪০। মূলানক্ষত্র ৫৮/১১/৫৫ শেষরাত্রি ৪/১৪/৩৫, সূ উ ৪/৫৭/৪৯, অ ৬/১০/৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২২ গতে ১২/২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৩০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৪ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৬/৫১ গতে ৮/১৫/৫৩ মধ্যে, কালবেলা ১/১২/৫৯ গতে ২/৫২/১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩১/৩ গতে ৮/৫২/১ মধ্যে।
১৫ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকের প্রথম সৌগতকে সাহায্যের আশ্বাস পার্থর
আজ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণার পর প্রথম স্থানাধিকারী সৌগত দাসকে ফোন ...বিশদ

04:54:19 PM

১২৮১০ হাওড়া-মুম্বই (সিএসএমটি) মেল আজ রাত ৮টার বদলে রাত ৯:১৫ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে 

03:53:16 PM

মাধ্যমিকে অকৃতকার্য হওয়ায় পূঃ বর্ধমানের গোপালপুরে আত্মঘাতী ছাত্রী  

03:34:10 PM

খড়্গপুরের আইটিআইয়ের কাছে যুবককে গুলি করে খুন

03:31:00 PM

সোপিয়ানে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই 

03:21:02 PM

৫০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:05:01 PM