Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে গতকাল ভোটগ্রহণের শেষদিন অবধি মোট দশটি সপ্তাহ কাটল—দীর্ঘ, বিরক্তিকর এবং কখনও মনে হচ্ছিল বিষণ্ণ। আমরা অনেক কিছুই দেখলাম, কেবল কর্মপন্থা (পলিসি) বিষয়ে বিতর্ক ছাড়া। প্রাচুর্য দেখা গেল—রাজনৈতিক দলের, প্রার্থীর, র‌্যালি ও রোড শোয়ের, টাকা খরচের, কুকথা বর্ষণের, হিংসার, বহুকীর্তিত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটের অকর্মণ্যতার, এবং নির্বাচন কমিশনের ((ইসি) ক্লিন চিটের। তবুও, দিনের শেষে একটি বিপুলায়তন গণতান্ত্রিক অনুশীলনের পরিসমাপ্তি ঘটল।
রিপোর্ট কার্ডে নির্বাচন কমিশনের প্রাপ্তি স্রেফ ‘গড়পড়তা’। আমাকে যেটা অবাক করেছে তা হল—বিভিন্ন রাজ্যের জন্য বিভিন্ন ‘স্ট্যান্ডার্ড’ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলব—তামিলনাড়ুতে রোড শো, গাড়ির কনভয় এবং হোর্ডিংয়ের অনুমতি ছিল না; শহর ও নগরগুলিতে পোস্টার এবং দেওয়াল লিখন নিষিদ্ধ ছিল; ব্যয়-বিষয়ক পর্যবেক্ষকরা ছিলেন খামখেয়ালি; ধারণাগত ব্যয় (নোশনাল এক্সপেনডিচার) ব্যাপারটিকে একটি হাস্যকর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, দিল্লিতে এবং উত্তর, পশ্চিম এবং পূর্ব ভারতের নির্বাচনী কেন্দ্রগুলি বস্তুত হোর্ডিং ও পোস্টারে ছয়লাপ ছিল। রোড শো এবং সুদীর্ঘ কনভয় বের করাটাই নিয়ম ছিল। অকল্পনীয় বিপুল খরচ-খরচার বহর নজরে পড়লেও সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকদের টিকি দেখা যায়নি। আমি অবাক হচ্ছি, নিয়মকানুন প্রয়োগের ক্ষেত্রে এই যে ব্যাপক বৈষম্য—নির্বাচন কমিশন এটাকে ‘জাস্টিফাই’ করবে কীভাবে?
মিডিয়া: কোনটি?
প্রিন্ট এবং ভিস্যুয়াল মিডিয়া পক্ষ নিয়েছিল। বেশিরভাগ সরকারের পক্ষ নিয়েছিল ভয়ে অথবা ভক্তিতে—ভয়টাই মূল। কেউ কেউ বিজেপির সহযাত্রীতে পরিণত হয়েছিল। মনে হচ্ছিল, কেউ মনে রাখেনি যে লোকসভার জাতীয় নির্বাচনটা হল সরকারের পাঁচ বছরের সাফল্য-ব্যর্থতার একটি পরীক্ষা। খুবই সামান্য সংখ্যক খবর কাগজ এবং চ্যানেল বিজেপি সরকারের সমালোচনা করার বা তাদের ‘রেকর্ড’ জনসমক্ষে তুলে ধরার সাহস দেখিয়েছে। ধন্যবাদ অনলাইন মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে—দেশজুড়ে অসাধারণ বিতর্কের পরিবেশটা তারাই তৈরি করেছিল। চনমনে বিতর্কের এটাই প্রভাব যে—আবছাভাবে যেটাকে ‘আন্ডারকারেন্ট’ বলা যায়—এটাই এই নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করে দেবে।
সমস্ত ইস্তাহারই উপেক্ষিত হয়েছিল—এমনকী সেসবের রচয়িতারাও সেটা করেছেন; ব্যতিক্রম একটি। বিজেপির ইস্তাহারের ভিত্তিতে প্রচারে অনীহা ছিল স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর। রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতিগুলির কথা বারংবার প্রচারে এনেছেন, বিশেষত ‘ন্যায়’, কৃষকদের বিষয়গুলি এবং চাকরির কথা প্রতিটি জনসভায় বলেছেন।
নিরুদ্দিষ্ট ছিল অর্থনীতি
বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি। পুলওয়ামার ঘটনাটি হল একটি বিরাট গোয়েন্দা ব্যর্থতা ((ইন্টেলিজেন্স ফেলিয়োর)। আর, বালাকোট হল একটি রহস্যে মোড়া ব্যাপার। মোদিজির ‘জাতীয়তাবাদ’-এর যুক্তি দেশকে দু’ভাগ করেছে—‘‘আপনি কি আমার পক্ষে অথবা আপনি কি আমার বিরুদ্ধে?’’ এবং, আপনি যদি মোদিজির নীতির বিরোধী হয়ে থাকেন তবে আপনি একজন ‘জাতীয়তা-বিরোধী’ মানুষ। এই মাপকাঠিতে, ২০১৯-এ যাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন তাঁরা ‘জাতীয়তা-বিরোধী’ বলেই গণ্য হবেন এবং আমরা হয়ে উঠতে পারি মুখ্যত জাতীয়তা-বিরোধী একটি জাতি!
অর্থনীতি বিস্মৃত হয়ে গিয়েছিল। কাঁপুনি ধরে গিয়েছিল—মান্য রিপোর্টগুলি এবং অফিসিয়াল তথ্য-পরিসংখ্যান হাজির হতেই, কেননা তাতে সরকারের মিথ্যের ঝুলি ফুটিফাটা হয়ে গিয়েছিল। যখন প্রধানমন্ত্রী প্রচার করছেন এবং অর্থমন্ত্রী ব্লগ লিখছেন তখন দেশের অর্থনীতি ডুবছে (দ্রষ্টব্য: ‘‘অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে’’ শিরোনামে আমার লেখা বিশেষ নিবন্ধ/ ১৩ মে ‘বর্তমান’)। গত সপ্তাহে আরও দুঃসংবাদ ছিল। ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ ম্যানুফ্যাকচারিং গ্রোথ ছিল নেগেটিভ এবং পরের মাসেও তা ইতিবাচক হয়নি। বাজারের সূচকে সেনসেক্স এবং নিফটি টানা ন’দিন পতন রেকর্ড করেছে। ডলার-টাকার বিনিময় হার ৭০.২৬ টাকা ছুঁয়েছে। স্বচ্ছ ভারত, উজ্জ্বলা এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (পিএমওয়াই) থেকে মানুষের প্রাপ্তির বিষয়ে খবর-কাগজগুলি যে প্রতিবেদন ছেপেছে তা মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে টাইট দেওয়ার পর ভারত তেলসংকটে পড়ে গিয়েছে, এমনকী দামও বেড়ে গিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের ভিতর শুল্কযুদ্ধ তীব্র হয়েছে—তার ফলে ভারতের বহির্বাণিজ্য ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জনসভায় ভাষণের মান পরিষ্কার নেমে গিয়েছে। অস্বীকার করার উপায় নেই যে নেটজুড়ে এলোপাথাড়ি কুভাষা এবং অভিধা নিক্ষিপ্ত হচ্ছে, যেসব বক্রোক্তি বা পরোক্ষ ইঙ্গিত করা হচ্ছে তাও অসংসদীয়! ‘গণতন্ত্রের চপেটাঘাত’ আক্ষরিক অর্থে প্রধানমন্ত্রীকে চপেটাঘাতের হুমকি ছিল। একটি মহাভারতীয় চরিত্র সম্পর্কে যে পরোক্ষ ইঙ্গিত করা হয়েছিল ব্যাখ্যা করলে গালাগালি দাঁড়ায়। নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে যা যা বলা হয়েছে সবই তিনি অপরাধ হিসেবে নিয়েছেন এবং ভিকটিমদের নিয়ে শিকারক্রীড়া খেলেছেন, কিন্তু বাস্তবটাকে মানেননি যে তাঁরই কারণে ভিকটিমদের এক দীর্ঘ ধ্বংসরেখা আঁকা হয়েছে।
মোদিজির নানা দিক
প্রচারের অন্তিম লগ্নে, মধ্য গ্রীষ্মে অপ্রত্যাশিতরকম মেঘ ফেটে পড়ার মতো, অপরিকল্পিত হাস্যরসবর্ষণ হল। এজন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ঋণ স্বীকার করি। প্রচারের তিক্ততা কাটিয়ে দিয়েছিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে তাঁর বিস্ময়কর প্রতীতিগুলি। প্রথমটা ছিল বালাকোটে আঘাত হানা নিয়ে। মোদিজি বলেছিলেন, ‘‘খারাপ আবহাওয়ার কারণে এক্সপার্টরা এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে দ্বিধান্বিত ছিলেন, কিন্তু আমি বললাম যে ব্যাপক মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশ এবং বৃষ্টি আমাদের পক্ষে ভালো হতে পারে, আমাদের কার্যকলাপ ওদের র‌্যাডারে ধরা পড়বে না। এটা আমার কাঁচা জ্ঞান। তখন আমি বললাম, পুরো মেঘাচ্ছন্ন, অতএব এগিয়ে যান আপনারা।’’
লালকৃষ্ণ আদবানির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা স্মরণ করে মোদিজি বলেছিলেন, ‘‘আমি প্রথম ডিজিটাল ক্যামেরা ব্যবহার করি ১৯৮৭-৮৮ নাগাদ ... আমি আদবানিজির একটি ছবি তুলেছিলাম এবং দিল্লিতে পাঠিয়েছিলাম (ট্রান্সমিটেড)। আদবানিজি তো অবাক! এবং, জিগ্যেস করেছিলেন, ‘আজ আমার রঙিন ছবি কীভাবে পাওয়া গেল?’’’
বিজ্ঞান বিষয়ে মোদিজির পরাবস্তুবাদী (সুররিয়াল) অভিজ্ঞতাগুলি নিঃসন্দেহে ঈশ্বরের কৃপা। ২০১৪ সালে মোদিজি কথিত আরও একটি কাহিনী আমাকে মনে করিয়ে দেওয়া হল—‘‘ভগবান আমাকে কালার মিক্সিং ও ম্যাচিংয়ের ‘সেন্স’ দিয়েছেন। যেহেতু আমি ‘গড-গিফটেড’, তাই আমি সবকিছুর ভিতর ‘ফিট’ করে যাই।’’
ভারতের নির্বাচনের উপর ভগবান নজর রেখেছেন।
20th  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা।  
বিশদ

14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
মমতার নেতৃত্ব মানতে কংগ্রেসি অনীহা কি আখেরে মোদিজির সুবিধে করে দিল?
শুভা দত্ত

প্রবল তাপে পুড়ছে রাজ্য। আকশে মেঘের চিহ্নমাত্র নেই। ঘূর্ণিঝড় ফণীর হাত থেকে এ যাত্রায় রেহাই মিললেও কাঠফাটা রোদ আর মাথা ঘোরানো গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না। বাঁকুড়া-পুরুলিয়ার মতো রুখু জেলাগুলো ইতিমধ্যেই চল্লিশ ছাড়িয়েছে, মহানগরী কলকাতাও বসে নেই। সেও প্রায় চল্লিশের ঘরে!
বিশদ

12th  May, 2019
তাহলে, হাওয়া
এবার কোন দিকে?
মোশারফ হোসেন

দেখতে দেখতে মোট সাত দফা ভোটগ্রহণের পাঁচটি দফাই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। গোটা দেশে। আমাদের রাজ্যেও। বাকি দুটি দফায় মাত্র ১১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। যদিও ওইসব কেন্দ্রের ভোট বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বের বিচারে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
বিশদ

11th  May, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ছেলের হাতে খুন হলেন মা। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে হরিদেবপুর থানার করুণাময়ীতে। মৃতার নাম অপু সরকার (৪৪)। ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে তাঁকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পরে গুণধর ছেলে নিজেই এসে থানায় আত্মসমর্পণ করে। পুলিস জানিয়েছে, ওই ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এ রাজ্যে ছোট ও মাঝারি শিল্পের বহর বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। আমেরিকার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে যাতে ছোট শিল্পকে আরও বেশি করে ব্যবহার করা যায়, সেই চেষ্টা করবে ওয়াশিংটন ডিসি’র ইন্ডিয়ান আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ...

 কাজল মণ্ডল  ইসলামপুর, সংবাদদাতা: ইসলামপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হতেই জয় নিশ্চিত বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আবদুল করিম চৌধুরী। ভোটগ্রহণ হয়েছে ...

 সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: ইস্ট ইন্ডিয়ানিনজা স্পোর্টস মিটে অংশ নিয়ে অন্যান্য রাজ্যগুলির খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্রতিযোগিতার আসরে নেমে আলিপুরদুয়ার জেলার১৬ জন প্রতিযোগী সোনার পদক, ১০জন প্রতিযোগী রুপার পদক এবং ৪জন প্রতিযোগী ব্রোঞ্জ পদক জিতে নিয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

যারা বিদ্যার্থী তাদের মানসিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাবে। নানা বিষয়ে খুঁতখুঁতে ভাব জাগবে। গোপন প্রেম থাকলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৫: কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর জন্ম
১৯২১: নোবেলজয়ী সোভিয়েত বিজ্ঞানী আন্দ্রে শাখারভের জন্ম
১৯৯১: ভারতের ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮৮ টাকা ৯০.১১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৬ টাকা ৭৮.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৭৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫১/৪৭ রাত্রি ১/৪১। মূলা ৫৬/২৩ রাত্রি ৩/৩১। সূ উ ৪/৫৮/১২, অ ৬/৮/০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৯/২২ গতে ১১/৫৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে ৪/২২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৫ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩০ গতে ৮/৫০ মধ্যে।
৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫২/৪৪/৩৭ রাত্রি ২/৩/৪০। মূলানক্ষত্র ৫৮/১১/৫৫ শেষরাত্রি ৪/১৪/৩৫, সূ উ ৪/৫৭/৪৯, অ ৬/১০/৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২২ গতে ১২/২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৩০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৪ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৬/৫১ গতে ৮/১৫/৫৩ মধ্যে, কালবেলা ১/১২/৫৯ গতে ২/৫২/১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩১/৩ গতে ৮/৫২/১ মধ্যে।
১৫ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকের প্রথম সৌগতকে সাহায্যের আশ্বাস পার্থর
আজ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণার পর প্রথম স্থানাধিকারী সৌগত দাসকে ফোন ...বিশদ

04:54:19 PM

১২৮১০ হাওড়া-মুম্বই (সিএসএমটি) মেল আজ রাত ৮টার বদলে রাত ৯:১৫ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে 

03:53:16 PM

মাধ্যমিকে অকৃতকার্য হওয়ায় পূঃ বর্ধমানের গোপালপুরে আত্মঘাতী ছাত্রী  

03:34:10 PM

খড়্গপুরের আইটিআইয়ের কাছে যুবককে গুলি করে খুন

03:31:00 PM

সোপিয়ানে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই 

03:21:02 PM

৫০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:05:01 PM