Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে গতকাল ভোটগ্রহণের শেষদিন অবধি মোট দশটি সপ্তাহ কাটল—দীর্ঘ, বিরক্তিকর এবং কখনও মনে হচ্ছিল বিষণ্ণ। আমরা অনেক কিছুই দেখলাম, কেবল কর্মপন্থা (পলিসি) বিষয়ে বিতর্ক ছাড়া। প্রাচুর্য দেখা গেল—রাজনৈতিক দলের, প্রার্থীর, র‌্যালি ও রোড শোয়ের, টাকা খরচের, কুকথা বর্ষণের, হিংসার, বহুকীর্তিত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটের অকর্মণ্যতার, এবং নির্বাচন কমিশনের ((ইসি) ক্লিন চিটের। তবুও, দিনের শেষে একটি বিপুলায়তন গণতান্ত্রিক অনুশীলনের পরিসমাপ্তি ঘটল।
রিপোর্ট কার্ডে নির্বাচন কমিশনের প্রাপ্তি স্রেফ ‘গড়পড়তা’। আমাকে যেটা অবাক করেছে তা হল—বিভিন্ন রাজ্যের জন্য বিভিন্ন ‘স্ট্যান্ডার্ড’ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলব—তামিলনাড়ুতে রোড শো, গাড়ির কনভয় এবং হোর্ডিংয়ের অনুমতি ছিল না; শহর ও নগরগুলিতে পোস্টার এবং দেওয়াল লিখন নিষিদ্ধ ছিল; ব্যয়-বিষয়ক পর্যবেক্ষকরা ছিলেন খামখেয়ালি; ধারণাগত ব্যয় (নোশনাল এক্সপেনডিচার) ব্যাপারটিকে একটি হাস্যকর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, দিল্লিতে এবং উত্তর, পশ্চিম এবং পূর্ব ভারতের নির্বাচনী কেন্দ্রগুলি বস্তুত হোর্ডিং ও পোস্টারে ছয়লাপ ছিল। রোড শো এবং সুদীর্ঘ কনভয় বের করাটাই নিয়ম ছিল। অকল্পনীয় বিপুল খরচ-খরচার বহর নজরে পড়লেও সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকদের টিকি দেখা যায়নি। আমি অবাক হচ্ছি, নিয়মকানুন প্রয়োগের ক্ষেত্রে এই যে ব্যাপক বৈষম্য—নির্বাচন কমিশন এটাকে ‘জাস্টিফাই’ করবে কীভাবে?
মিডিয়া: কোনটি?
প্রিন্ট এবং ভিস্যুয়াল মিডিয়া পক্ষ নিয়েছিল। বেশিরভাগ সরকারের পক্ষ নিয়েছিল ভয়ে অথবা ভক্তিতে—ভয়টাই মূল। কেউ কেউ বিজেপির সহযাত্রীতে পরিণত হয়েছিল। মনে হচ্ছিল, কেউ মনে রাখেনি যে লোকসভার জাতীয় নির্বাচনটা হল সরকারের পাঁচ বছরের সাফল্য-ব্যর্থতার একটি পরীক্ষা। খুবই সামান্য সংখ্যক খবর কাগজ এবং চ্যানেল বিজেপি সরকারের সমালোচনা করার বা তাদের ‘রেকর্ড’ জনসমক্ষে তুলে ধরার সাহস দেখিয়েছে। ধন্যবাদ অনলাইন মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে—দেশজুড়ে অসাধারণ বিতর্কের পরিবেশটা তারাই তৈরি করেছিল। চনমনে বিতর্কের এটাই প্রভাব যে—আবছাভাবে যেটাকে ‘আন্ডারকারেন্ট’ বলা যায়—এটাই এই নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করে দেবে।
সমস্ত ইস্তাহারই উপেক্ষিত হয়েছিল—এমনকী সেসবের রচয়িতারাও সেটা করেছেন; ব্যতিক্রম একটি। বিজেপির ইস্তাহারের ভিত্তিতে প্রচারে অনীহা ছিল স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর। রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতিগুলির কথা বারংবার প্রচারে এনেছেন, বিশেষত ‘ন্যায়’, কৃষকদের বিষয়গুলি এবং চাকরির কথা প্রতিটি জনসভায় বলেছেন।
নিরুদ্দিষ্ট ছিল অর্থনীতি
বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি। পুলওয়ামার ঘটনাটি হল একটি বিরাট গোয়েন্দা ব্যর্থতা ((ইন্টেলিজেন্স ফেলিয়োর)। আর, বালাকোট হল একটি রহস্যে মোড়া ব্যাপার। মোদিজির ‘জাতীয়তাবাদ’-এর যুক্তি দেশকে দু’ভাগ করেছে—‘‘আপনি কি আমার পক্ষে অথবা আপনি কি আমার বিরুদ্ধে?’’ এবং, আপনি যদি মোদিজির নীতির বিরোধী হয়ে থাকেন তবে আপনি একজন ‘জাতীয়তা-বিরোধী’ মানুষ। এই মাপকাঠিতে, ২০১৯-এ যাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন তাঁরা ‘জাতীয়তা-বিরোধী’ বলেই গণ্য হবেন এবং আমরা হয়ে উঠতে পারি মুখ্যত জাতীয়তা-বিরোধী একটি জাতি!
অর্থনীতি বিস্মৃত হয়ে গিয়েছিল। কাঁপুনি ধরে গিয়েছিল—মান্য রিপোর্টগুলি এবং অফিসিয়াল তথ্য-পরিসংখ্যান হাজির হতেই, কেননা তাতে সরকারের মিথ্যের ঝুলি ফুটিফাটা হয়ে গিয়েছিল। যখন প্রধানমন্ত্রী প্রচার করছেন এবং অর্থমন্ত্রী ব্লগ লিখছেন তখন দেশের অর্থনীতি ডুবছে (দ্রষ্টব্য: ‘‘অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে’’ শিরোনামে আমার লেখা বিশেষ নিবন্ধ/ ১৩ মে ‘বর্তমান’)। গত সপ্তাহে আরও দুঃসংবাদ ছিল। ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ ম্যানুফ্যাকচারিং গ্রোথ ছিল নেগেটিভ এবং পরের মাসেও তা ইতিবাচক হয়নি। বাজারের সূচকে সেনসেক্স এবং নিফটি টানা ন’দিন পতন রেকর্ড করেছে। ডলার-টাকার বিনিময় হার ৭০.২৬ টাকা ছুঁয়েছে। স্বচ্ছ ভারত, উজ্জ্বলা এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (পিএমওয়াই) থেকে মানুষের প্রাপ্তির বিষয়ে খবর-কাগজগুলি যে প্রতিবেদন ছেপেছে তা মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে টাইট দেওয়ার পর ভারত তেলসংকটে পড়ে গিয়েছে, এমনকী দামও বেড়ে গিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের ভিতর শুল্কযুদ্ধ তীব্র হয়েছে—তার ফলে ভারতের বহির্বাণিজ্য ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জনসভায় ভাষণের মান পরিষ্কার নেমে গিয়েছে। অস্বীকার করার উপায় নেই যে নেটজুড়ে এলোপাথাড়ি কুভাষা এবং অভিধা নিক্ষিপ্ত হচ্ছে, যেসব বক্রোক্তি বা পরোক্ষ ইঙ্গিত করা হচ্ছে তাও অসংসদীয়! ‘গণতন্ত্রের চপেটাঘাত’ আক্ষরিক অর্থে প্রধানমন্ত্রীকে চপেটাঘাতের হুমকি ছিল। একটি মহাভারতীয় চরিত্র সম্পর্কে যে পরোক্ষ ইঙ্গিত করা হয়েছিল ব্যাখ্যা করলে গালাগালি দাঁড়ায়। নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে যা যা বলা হয়েছে সবই তিনি অপরাধ হিসেবে নিয়েছেন এবং ভিকটিমদের নিয়ে শিকারক্রীড়া খেলেছেন, কিন্তু বাস্তবটাকে মানেননি যে তাঁরই কারণে ভিকটিমদের এক দীর্ঘ ধ্বংসরেখা আঁকা হয়েছে।
মোদিজির নানা দিক
প্রচারের অন্তিম লগ্নে, মধ্য গ্রীষ্মে অপ্রত্যাশিতরকম মেঘ ফেটে পড়ার মতো, অপরিকল্পিত হাস্যরসবর্ষণ হল। এজন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ঋণ স্বীকার করি। প্রচারের তিক্ততা কাটিয়ে দিয়েছিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে তাঁর বিস্ময়কর প্রতীতিগুলি। প্রথমটা ছিল বালাকোটে আঘাত হানা নিয়ে। মোদিজি বলেছিলেন, ‘‘খারাপ আবহাওয়ার কারণে এক্সপার্টরা এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে দ্বিধান্বিত ছিলেন, কিন্তু আমি বললাম যে ব্যাপক মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশ এবং বৃষ্টি আমাদের পক্ষে ভালো হতে পারে, আমাদের কার্যকলাপ ওদের র‌্যাডারে ধরা পড়বে না। এটা আমার কাঁচা জ্ঞান। তখন আমি বললাম, পুরো মেঘাচ্ছন্ন, অতএব এগিয়ে যান আপনারা।’’
লালকৃষ্ণ আদবানির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা স্মরণ করে মোদিজি বলেছিলেন, ‘‘আমি প্রথম ডিজিটাল ক্যামেরা ব্যবহার করি ১৯৮৭-৮৮ নাগাদ ... আমি আদবানিজির একটি ছবি তুলেছিলাম এবং দিল্লিতে পাঠিয়েছিলাম (ট্রান্সমিটেড)। আদবানিজি তো অবাক! এবং, জিগ্যেস করেছিলেন, ‘আজ আমার রঙিন ছবি কীভাবে পাওয়া গেল?’’’
বিজ্ঞান বিষয়ে মোদিজির পরাবস্তুবাদী (সুররিয়াল) অভিজ্ঞতাগুলি নিঃসন্দেহে ঈশ্বরের কৃপা। ২০১৪ সালে মোদিজি কথিত আরও একটি কাহিনী আমাকে মনে করিয়ে দেওয়া হল—‘‘ভগবান আমাকে কালার মিক্সিং ও ম্যাচিংয়ের ‘সেন্স’ দিয়েছেন। যেহেতু আমি ‘গড-গিফটেড’, তাই আমি সবকিছুর ভিতর ‘ফিট’ করে যাই।’’
ভারতের নির্বাচনের উপর ভগবান নজর রেখেছেন।
20th  May, 2019
ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি।
বিশদ

জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশদ

অ্যাপোলো ৫০: গো ফর দ্য মুন
মৃণালকান্তি দাস

 মই বেয়ে লুনার মডিউল ঈগল থেকে চাঁদের বুকে নামতে নামতে নিল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘একজন মানুষের এই একটি পদক্ষেপ হবে মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।’ সেই ছিল চাঁদের বুকে মানুষের প্রথম পদচিহ্ন আর মানবজাতির সেদিনের প্রমিথিউস ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং। চাঁদের বুকে নিলের পা ফেলার মাধ্যমে মানুষ চাঁদকে জয় করেছিল।
বিশদ

19th  July, 2019
বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
বিশদ

18th  July, 2019
পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। 
বিশদ

16th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আরএসএস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার।
বিশদ

15th  July, 2019
সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

 কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে।
বিশদ

15th  July, 2019
একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

 বিশ্বের চারদিক থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশিরভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক আর কাকে বলে।
বিশদ

14th  July, 2019
বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়।
বিশদ

13th  July, 2019
ঘোষণা ও বাস্তব
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত সরকারের অন্যতম প্রধান একটি প্রকল্পই হল নদী সংযোগ প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন নদীকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে উদ্বৃত্ত জলসম্পন্ন নদী থেকে বাড়তি জল শুকনো নদীতে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বারংবার এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। গোটা প্রকল্প রূপায়ণ করতে অন্তত ১ লক্ষ কোটি টাকা দরকার। এদিকে আবার বুলেট ট্রেন করতেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! আধুনিক রাষ্ট্রে অবশ্যই দুটোই চাই। কিন্তু বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিচার করলে? কোনটা বেশি জরুরি? বিশদ

12th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

 কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
বিশদ

11th  July, 2019
কেন তেরোজন অর্থনীতিবিদ অখুশি হবেন?
পি চিদম্বরম

প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন পাঁচ বছর আগে তাঁর প্রথম অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকনমিক সার্ভে ২০১৪-১৫) পেশ করে বলেছিলেন, ‘‘ভারত একটা সুন্দর জায়গায় (সুইট স্পট) পৌঁছে গিয়েছে—জাতির ইতিহাসে এটা বিরল—এইভাবে শেষমেশ দুই সংখ্যার মধ্যমেয়াদি বৃদ্ধির কৌশলে ভর করে এগনো যাবে।’’
বিশদ

08th  July, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বন্যা দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিলিতে দুর্নীতি ঠেকাতে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ত্রিপল বিলি করছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন ব্লকের বিডিও। পাশাপাশি ত্রাণ শিবিরে খাবার বিলিতেও বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে।  ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: গ্রামের একমাত্র জল নিকাশির জায়গায় রাইসমিল গড়ে তোলার প্রতিবাদে শুক্রবার রামপুরহাট-১ ব্লকের খরুণ গ্রাম পঞ্চায়েতে অভিযোগ জানালেন তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা। এই ব্লকের চাকপাড়া, মালসা ও ফরিদপুর গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফিবছর বর্ষার সময় আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় থাকি।   ...

 সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: কাজ করার জন্য প্রয়োজন মতো পাইপ কিনতে হবে। তবে তা কিনে ফেলে রাখা যাবে না বলে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের সব এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিটি প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখে প্রতি মাসে এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে রিপোর্ট ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। প্রেম-প্রণয়ে শুভ। অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষে মানসিক চাপ বৃদ্ধি।প্রতিকার: আজ দই খেয়ে শুভ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২০: মা সারদার মৃত্যু
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৯২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,৪৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪১,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ১০/১৮ দিবা ৯/১৪। শতভিষা অহোরাত্র। সূ উ ৫/৬/৩, অ ৬/১৯/৩১, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১/২ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৮ গতে ১০/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩১ মধ্যে পুনঃ ২/১৪ গতে ৩/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১/২২ গতে ৩/১ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৬ গতে উদয়াবধি।
৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ৪/২৪/৪ দিবা ৬/৫১/২। শতভিষানক্ষত্র ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৫/৫/২৪, অ ৬/২১/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৫ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ১/২৩/১৫ গতে ৩/২/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৪৪/৫৮ মধ্যে ও ৪/৪২/২৩ গতে ৬/২১/৫৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৪২/২৩ মধ্যে ও ৩/৪৪/৫৮ গতে ৫/৫/৪১ মধ্যে। 
১৬ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১২৮২৭ হাওড়া-পুরুলিয়া এক্সপ্রেস আজ বিকেল ৪:৫০ মিনিটের বদলে সন্ধ্যা ৬টায় হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে 

03:09:36 PM

বিকাশ ভবনে অনশনরত প্রাথমিক শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী 

03:05:00 PM

ওঃ ইন্ডিজ সফরে খেলবেন না, বোর্ডকে জানালেন ধোনি 
অবসরের জল্পনার মাঝেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে খেলতে পারবেন না বলে ...বিশদ

01:48:08 PM

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হচ্ছেন জগদীপ ধানকর 
কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর পর পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হতে চলেছেন জগদীপ ধানকর। এদিন ...বিশদ

01:27:00 PM

পুলিস হেফাজত থেকে ফেরার ২ বন্দি 
পুলিসকে ধাক্কা দিয়ে পালাল দুই বিচারাধীন বন্দি। এদিন সকালে ঘটনাটি ...বিশদ

12:52:42 PM

পুরাতন মালদহে স্কুলে ভাঙচুর 
সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না ...বিশদ

12:33:59 PM