Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা। বছর চল্লিশ বয়স। ঝাঁকা নামিয়ে রেখে চায়ের অর্ডার দিয়েছেন। জানলাম, বাড়ি তাঁর কেশপুর। বিস্ময়ের সঙ্গে জিগ্যেস করলাম, এত তাড়াতাড়ি ভোট দেওয়া হয়ে গেল! ম্লান মুখে তিনি বললেন, ‘‘ভোট দিইনি।’’ কেন ভোটার লিস্টে নাম নেই? —‘‘আছে। সব বারই থাকে জানি। কিন্তু কোনোদিন ভোট দিইনি। ভোট দিতে কেমন লাগে জানা হল না একবার! ভোট দিতে দেয় না। পার্টির ছেলেরা আগের দিন এসে বলে যায়, এবারও বলে গেছে, কেউ বুথে যাবে না। তোমরা তো সিপিএমকেই ভোট দেবে। সে আমরাই দিয়ে দেব। কাজ কামাই করে, রোদে পুড়ে তোমাদের যাওয়ার দরকার নেই। তোমরা সকাল সকাল যে যার কাজে বেরিয়ে পড়বে। ’’
এই মানুষটি যে কোনও বিচ্ছিন্ন চরিত্র নয়, পাঠক বয়স্ক হলে নিশ্চয় জানেন। অথচ রেজাল্ট বেরনোর পর আমরা অবাক হয়ে দেখতাম কেশপুরের সিপিএম প্রতীকের প্রার্থী রেকর্ড ভোটে জিতেছেন! প্রায় প্রতি ভোটে ভেঙে যেত তার পূর্ববর্তী ভোটের রেকর্ড! দীর্ঘদিন মাঠে ময়দানে নেমে রিপোর্টিং করার সুবাদে দেখেছি—কেশপুর কোনও বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয়, বাংলাজুড়ে তখন কেশপুর আর কেশপুর! যেখানে ভদ্র কথায়, এমনকী চোখ রাঙানিতেও কাজ হয়নি সেখানে সিপিএম রকমারি অত্যাচার নামিয়ে আনত। কোথাও সরাসরি ডান্ডা মারত। বাড়ির মেয়ে বউদের উপর অত্যাচার করত। বাবা মায়ের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে বাগড়া দিত। পুরনো পাকা চাকরি খেত। অত্যন্ত যোগ্য ছেলেমেয়েদের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং ন্যায্য চাকরি আটকে দিত। মাইনে, পেনশন বন্ধ হতো। কোথাও সবক শেখাত চাষিদের খেতমজুর বয়কট করে। ভূমি আইনের অপব্যাখ্যা করে অনেক সামান্য ব্যক্তির সামান্য জমিজমাও বেদখল করে নিত। ঘর জ্বালাত। মাছ ভরা পুকুরে, জলকরে বিষ ঢেলে দিত। এমনকী ‘হাত’-এ ভোট দেওয়ার অপরাধে হাত কেটে নেওয়ার মতো পৈশাচিক কাণ্ড ঘটিয়েছে সিপিএমের পাপীরা। কলকাতার অদূরে হাওড়ার কান্দুয়া গ্রামে এখনও ঘুরে বেড়াচ্ছেন এমন কয়েকজন জ্যান্ত দৃষ্টান্ত। সব দেখেও পুলিস-প্রশাসনের সব স্তর বোবা কালা অন্ধের ন্যায় আচরণ করত। বস্তুত, পার্টি আর প্রশাসন হরিহর আত্মা হয়ে উঠেছিল।
২০১১ সালে বাংলা হল সিপিএমের ‘শেষপুর’। তার আগে বাম জমানার একটা বড় সময়জুড়ে এটাই চলেছে। অথচ, ১৯৭৭ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার আগে সিপিএম গগনভেদী চিৎকার করে তার পূর্বসূরি কংগ্রেসের ২৭ বছরব্যাপী দুঃশাসনের সাতকাহন শুনিয়েছিল, মানুষকে পাশে নিতে। তাদের মূল বক্তব্য ছিল, ১৯৭২-৭৬ পর্বে বাংলায় আধা-ফ্যাসিবাদ চলেছিল। ১১০০ বামপন্থী কর্মী-সমর্থক নিহত হয়েছিলেন কংগ্রেসি গুন্ডাদের হাতে। অথচ, একজনও অপরাধীর বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেয়নি। জ্যোতি বসু তাঁর ভাষণে এবং লেখাপত্রে কংগ্রেসকে ‘মানুষের শত্রু’ বলে উল্লেখ করেছেন বার বার। কংগ্রেস সম্পর্কে সজাগ করতে গিয়ে ১৯৭২ সালে নির্বিচারে ভোট লুটের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন। পরিস্থিতি সেবার এমন হয়েছিল যে রাস্তায় মিলিটারি পর্যন্ত নামাতে হয়েছিল। প্রতিবাদে বামেরা পাঁচ বছর বিধানসভা বয়কট করেছিলেন। ১৯৭২-৭৫ সালে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণার কালটি গণতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে অন্ধকার এক অধ্যায়।
স্বাধীনতার ভগীরথ হল কংগ্রেস। কংগ্রেসের সঙ্গে সেঁটে রয়েছে গান্ধীজিসহ বহু সংগ্রামী নায়কের নাম। তাঁদের নামের সঙ্গে সমার্থক ঠেকত ‘স্বাধীনতা’ এবং ‘গণতন্ত্র’ শব্দ দুটি। এই পরিচয় ভাঙিয়েই স্বাধীন ভারতের বেশিরভাগটাই কব্জায় এনেছিল কংগ্রেস। কিন্তু, মানুষ দেখেছিল সবটাই ভণ্ডামিমাত্র! কংগ্রেসের এই জনবিরোধী মূর্তি চুরমার করেই জ্যোতি বসু বাংলায় বামফ্রন্ট জমানার সূচনা করেছিলেন।
১৯৭৭ সালের ২৫ আগস্ট বামফ্রন্ট সরকারের প্রথম বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র বলেছিলেন, ‘‘আমরা এটাই চাই যে গ্রামের এবং শহরের দরিদ্রতম মানুষটিও যেন এই উপলব্ধিতে স্থিত হতে পারেন যে, এবার ব্যবস্থা পাল্টে গেছে, এখন থেকে সম্পদই সব নয়, তাঁদের যদি সহায়-সম্পদ নাও থাকে তা হ’লেও তাঁরা আর্থিক উন্নতির সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না। ... যে সাধারণ মানুষ গত তিরিশ বছর ধ’রে বঞ্চিত ও প্রতারিত হয়ে এসেছেন, আমরা এমন এক পরিবেশ সৃষ্টি করতে চেষ্টা ক’রে যাবো যাতে তিনি বুঝতে পারেন আর ভয় নেই, যা তাঁর প্রাপ্য এখন থেকে তা তাঁকে পৌঁছে দেওয়া হবে। ’’
‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নয় বছর’ বইয়ের ভূমিকায় ১৯৮৬ সালের ২১ জুন জ্যোতি বসু লিখেছিলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যের সব শ্রেণীর মানুষের ক্ষেত্রেই গণতান্ত্রিক অধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করার প্রতি আমরা বিশেষ নজর দিয়েছি। এ সব অধিকার ও স্বাধীনতা গণতন্ত্রের মৌলিক শর্ত, অথচ কংগ্রেস আমলে এগুলি নির্দয়ভাবে অপহৃত হয়েছিল।’’
আর এই সরকারেরই বিরুদ্ধে ভূতপূর্ব কংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর অভিযোগ ছিল—বাংলার গ্রামের উন্নতির জন্য যেখানে এক টাকা খরচ করার কথা বাম রাজত্বে সেখানে সম্ভবত দশ পয়সার বেশি খরচ হয় না। বাকিটা অবৈধ লেনদেনে হাপিস হয়ে যায়। রাজীব গান্ধী যে একটুও ভুল বলেননি তার প্রমাণ, বিদায়কালে বামেরা একটি অত্যন্ত বেহাল বাংলা রেখে গিয়েছিল। দারিদ্রসীমার নীচে বিপুল সংখ্যক মানুষ, শিল্প-ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে অলক্ষ্মীর দবদবা, বেকার যুবক-যুবতীদের হাহাকার আর রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রের ক্ষয়াটে চেহারা। হয়তো একটু ভুল বলা হল। ব্যতিক্রম ছিল সিপিএম পার্টির কিছু নেতার চেহারা। তাঁদের এককালের চিমড়ে চেহারা অতীত, তাঁরা বিজ্ঞাপনের নাদুস-নুদুস বেবিদের মতো চকচকে। টালির ঘরের জায়গায় দোতলা-তিনতলা বাড়ি তাঁদের। বিড়ি ফেলে দামি সিগারেটে সুখটান দেন। ছেলেমেয়েরা নামী ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ে। তাদের অনেকে বড় পাশ দিয়ে বিদেশে গবেষণা অথবা চাকরি করে। স্কুল পাঠশালার সবচেয়ে কমা সার্টিফিকেট হাতে নিয়েও সরকারি দপ্তর আলো করা পরিবার নেহাত কম নয়। রাজকোষ খালি করে ক্যাডার পোষার কারবারটি বাম জমানার এক বিরাট আবিষ্কার।
সিপিএম সার বুঝেছিল—কাজ করে, উন্নয়ন করে বার বার ক্ষমতায় ফেরা যায় না। কিছুদিন বাদেই মানুষের চাহিদা বাড়বে, টেস্ট বদলে যাবে। ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলেই মানুষ তার সদ্ব্যবহার করতে মরিয়া হয়ে উঠবে। ক্ষমতার মধুভাণ্ড অনন্তকাল অক্ষত রাখতে হলে মুষ্টিমেয় কিছু লোককে পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতিটাকেই জাগ্রত রাখতে হবে। এরাই ভোটলুটের সব দায় সামলাবে। ভোটার তালিকা তৈরি থেকে ভোট পূর্ববর্তী সন্ত্রাস এবং ভোটের দিন নানা রঙের ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটানো সবই তারা করবে। মোদ্দা কথা হল, মানুষকে ভোটের লাইনে দাঁড়াতে দেওয়া যাবে না। ভোটের লাইন আলো করে থাকবে শুধু রিগিং আর্টিস্টরা।
গণতন্ত্রের এই গৌড়ীয় মার্কসবাদী মডেল অক্ষত রাখতে জ্যোতি বসু স্বয়ং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কদর্য লড়াইতে নেমেছিলেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশনকে অসংসদীয় ভাষায় আক্রমণ করতে তিনি কুণ্ঠিত হননি। পার্টির অন্যায় স্বার্থকে সামনে রেখে দেশবাসীর সামনে তিনি যেন এটাই প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন, নির্বাচন কমিশন নামক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি আসলে গণতন্ত্রের এক শত্রু!
জ্যোতিবাবুর পার্টির ৩৪ বছরের শাসন প্রমাণ করেছিল, ক্ষমতার আসন আসলেই একটি ‘লঙ্কা’—সেটা যিনিই স্পর্শ করেন তিনিই একটি ‘রাবণ’-এ রূপান্তরিত হয়ে যান—অদ্ভুত কিম্ভুত এক জাদুর নাম ক্ষমতা! আর বৃহত্তর অর্থে ভারতের সমস্ত প্রদেশ ও কেন্দ্রীয় শাসন এবং সমস্ত রাজনৈতিক দল সম্পর্কেই এই প্রবচনটি প্রযোজ্য। কারণ, সব দলই বড় আশা জাগিয়ে মানুষের বিপুল সমর্থন জোগাড় করে একবার ক্ষমতায় আসে। আর সরকারি ক্ষমতা দখল হওয়ার পর থেকে মানুষের মোহভঙ্গের ব্যবধানটা দীর্ঘ হয় না। খুব দ্রুত টের পাওয়া যায় সবাই আসলে মুখোশধারী।
১৯৫১-২০১১। বাংলায় নির্বাচনী গণতন্ত্র অনুশীলনের ছয় দশক খুব উজ্জ্বল নয়। ২০১১ সালে বাংলায় যে ‘পরিবর্তন’ এসেছিল তার মূল সুর ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার। ২০১১ সালের ২ জুন মহাকরণ থেকে ‘মমতা ব্যানার্জি’র সই করা ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহকর্মীদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন’ শিরোনামে একটি লিফলেট বিলি করা হয়েছিল। তার শেষ লাইনটি ছিল এইরকম—‘‘আমরা যেন সংঘবদ্ধ প্রয়াসের মাধ্যমে পশ্চিম বাংলার ভাবমূর্তি উন্নততর করার কাজে ব্রতী হই।’’ সপ্তদশ লোকসভার ভোট শেষ হচ্ছে আগামী ১৯ মে। ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে ছয় দফা। প্রচার পর্বে অশান্তি থেকে নানা কায়দায় ভোট লুট, এমনকী খুন জখম পর্যন্ত সমস্ত অশান্তিই হয়ে গিয়েছে। এই মাটিতে তার আগে রয়েছে পঞ্চায়েত এবং পুরভোটের তিক্ত অভিজ্ঞতা। মার্কসবাদী গণতন্ত্রের ছায়া যেন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। অতীত, বর্তমানকে সামনে রেখে রাজ্যবাসী ভাবতে বসেছেন বাংলার ভোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে—‘ভাবমূর্তি উন্নততর’ করার আর কোনও উপায় কি আমরা সন্ধান করতে পারি না?  
14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
মমতার নেতৃত্ব মানতে কংগ্রেসি অনীহা কি আখেরে মোদিজির সুবিধে করে দিল?
শুভা দত্ত

প্রবল তাপে পুড়ছে রাজ্য। আকশে মেঘের চিহ্নমাত্র নেই। ঘূর্ণিঝড় ফণীর হাত থেকে এ যাত্রায় রেহাই মিললেও কাঠফাটা রোদ আর মাথা ঘোরানো গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না। বাঁকুড়া-পুরুলিয়ার মতো রুখু জেলাগুলো ইতিমধ্যেই চল্লিশ ছাড়িয়েছে, মহানগরী কলকাতাও বসে নেই। সেও প্রায় চল্লিশের ঘরে!
বিশদ

12th  May, 2019
তাহলে, হাওয়া
এবার কোন দিকে?
মোশারফ হোসেন

দেখতে দেখতে মোট সাত দফা ভোটগ্রহণের পাঁচটি দফাই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। গোটা দেশে। আমাদের রাজ্যেও। বাকি দুটি দফায় মাত্র ১১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। যদিও ওইসব কেন্দ্রের ভোট বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বের বিচারে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
বিশদ

11th  May, 2019
রাজনীতির পাঁকে সরকারের
উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা
শুভময় মৈত্র

দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন অনেক সময়। কেউ কেউ বড্ড বেশি যোগাযোগ রাখছেন ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। তারপর সেখানে তীব্র দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হওয়ায় অনেক সময় চাকরিতে ইস্তফা দিতে হচ্ছে। নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় যোগ দিতে হচ্ছে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে। ভোটপ্রচারে তাঁদের মুখ ফসকে বেরিয়ে যাচ্ছে এমন সব ভাষা যা একেবারে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকেই শেখা।
বিশদ

11th  May, 2019
মোদিময় রাজনীতিতে
নয়া পাঠ ‘বাণপ্রস্থ কথা’
মৃণালকান্তি দাস

তাঁর বাড়িতে পা দিলেই চন্দনকাঠের একটা মূর্তিতে চোখ পড়বেই। তাতে অর্জুনকে বিশ্বরূপ দেখাচ্ছেন শ্রীকৃষ্ণ। তার পিছনে মহাভারতের টুকরো নানা ছবি। শরশয্যায় শায়িত ভীষ্মও। বিজেপিতে আদবানিকে ভীষ্ম পিতামহের সঙ্গে তুলনা করা হয়। নিজের হাতে তৈরি দলে যেভাবে তিনি প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন, তাকে কি তাঁকে আজ ভীষ্মের সেই শরশয্যার সঙ্গে তুলনা করা যায়?
বিশদ

10th  May, 2019
জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের অনেক
সংশোধন প্রয়োজন 
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ভারতীয় সংবিধান রচয়িতারা অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনা করবার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে সংবিধান প্রদত্ত পূর্ণ স্বাধিকার দিয়েছিল। সংবিধানের ৩২৪নং ধারা বলে লোকসভা নির্বাচনে তত্ত্বাবধান, নির্দেশ ও নির্বাচনের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব রাখবার ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের হাতে।
বিশদ

10th  May, 2019
নরেন্দ্র মোদি মেজাজ হারাচ্ছেন কেন?
শুভা দত্ত

 নরেন্দ্র মোদির রাজনীতি নিয়ে অনেকের ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর সৌজন্যবোধ নিয়ে এ যাবৎ কোনও প্রশ্ন ওঠেনি। ২০১৯-এর ভোটপর্ব যখন শেষ পর্যায়ে, তখন তিনি মেজাজ হারিয়ে একেবারে রাহুল গান্ধীর প্রয়াত পিতার নামে নিন্দা করে বসলেন। এভাবে তিনি ভদ্রতার সীমা ছাড়ালেন।
বিশদ

09th  May, 2019
কেন্দ্রে শক্তিক্ষয়, রাজ্যে শক্তিবৃদ্ধি—
সম্ভাবনার বিচিত্র জল্পনায় মুখর বঙ্গ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 বিশেষ করে বিষয় যখন দেশের ক্ষমতা দখলের ভোট-মহারণ সঙ্গে বাংলায় জোড়া ফুলের ৪২-এ ৪২-এর ডাক, আর সে মহাসংগ্রামে দুই প্রধান প্রতিপক্ষের নাম মোদি-মমতা— তখন পায় কে! একেবারে রসিয়ে কষিয়ে গরমে নরমে যুক্তি অযুক্তি কুযুক্তির কড়া পাকে পাহাড় থেকে সাগর জঙ্গলমহল থেকে যাদবপুর যাকে বলে জল্পনা-কল্পনার একটা উৎসবই যেন শুরু হয়ে গেছে।
বিশদ

09th  May, 2019
তাহলে, হাওয়া এবার কোন দিকে?
মোশারফ হোসেন

দেখতে দেখতে মোট সাত দফা ভোটগ্রহণের পাঁচটি দফাই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। গোটা দেশে। আমাদের রাজ্যেও। বাকি দুটি দফায় মাত্র ১১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। যদিও ওইসব কেন্দ্রের ভোট বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বের বিচারে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
বিশদ

07th  May, 2019
রাজনীতির পাঁকে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা
শুভময় মৈত্র

 দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন অনেক সময়। কেউ কেউ বড্ড বেশি যোগাযোগ রাখছেন ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। তারপর সেখানে তীব্র দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হওয়ায় অনেক সময় চাকরিতে ইস্তফা দিতে হচ্ছে।
বিশদ

07th  May, 2019
ইরান-মার্কিন দ্বন্দ্ব
তেলসংকটের মুখে ভারত 
গৌরীশঙ্কর নাগ

গত ২২ এপ্রিল ইরান থেকে তেল আমদানির ওপর আমেরিকার ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার ফলে ২ মে থেকে ভারতসহ ৬টি রাষ্ট্র (চীন, ইতালি, গ্রিস, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান ও তুর্কি) ফের অসুবিধার মুখে পড়তে চলেছে।  বিশদ

06th  May, 2019
আমাদের কি ‘সাচ্চে দিন’
আসতে পারে না?
পি চিদম্বরম

আমার সামনে ১ মে তারিখের একটি ইংরেজি দৈনিক কাগজ রয়েছে। চলতি নির্বাচনের রকমারি খবর পড়ছি। নজরকাড়া শিরোনামের একটি ‘স্টোরি’ পড়লাম: ‘লোকসভায় বিরোধী দলনেতা নেই, সেই দল প্রধানমন্ত্রী পাওয়ার স্বপ্ন দেখে: মোদি’। নরেন্দ্র মোদি লখনউ এবং মজফ্ফরপুরে যে ভাষণ দিয়েছেন তার গুরুত্বপূর্ণ অংশের বিস্তারিত বিবরণ ওই রিপোর্টে রয়েছে।  বিশদ

06th  May, 2019
একনজরে
সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি, ১৪ মে: ‘বাক স্বাধীনতা মানে অন্যের অধিকারেও হস্তক্ষেপ নয়।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি বিকৃত করে ফেসবুক পোস্ট করার অপরাধ মামলায় আজ এই মন্তব্য ...

কলম্বো ও রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ১৪ মে (পিটিআই): ন্যাশনাল থাওহিত জামাত (এনটিজে) সহ আরও দু’টি মুসলিম চরমপন্থী মৌলবাদী সংস্থাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কার সরকার। প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপাল সিরিসেনা সোমবারই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। এনটিজে ছাড়া বাকি দু’টি সংগঠন হল জামাতে মিলাতে ইব্রাহিম  এবং ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে গত ৬ এপ্রিল। কিন্তু, এখনও হাওড়া জেলায় ভোটের চুলচেরা বিশ্লেষণ নিয়ে ব্যস্ত জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। কোন বিধানসভা এলাকা থেকে কত লিড আসবে বা কোন বিধানসভা কেন্দ্রে ফল খারাপ হতে পারে, তা নিয়ে ব্লক ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে ভাবনা-চিন্তা করে বিষয় নির্বাচন করলে ভালো হবে। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। কারও সঙ্গে মতবিরোধ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: ধর্মীয় সংস্কারক ও দার্শনিক দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম
১৮৫৯: নোবেলজয়ী ফরাসি পদার্থ বিজ্ঞানী পিয়ের কুরির জন্ম
১৯০৫: কবি ও লেখক অন্নদাশঙ্কর রায়ের জন্ম
১৯৬৭: অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের জন্ম 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৬৫ টাকা ৭১.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৭৪ টাকা ৯২.৯৯ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৭২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ বৈশাখ ১৪২৬, ১৫ মে ২০১৯, বুধবার, একাদশী ১৩/৫৮ দিবা ১০/৩৬। উত্তরফাল্গুনী ৫/৩৯ দিবা ৭/১৬। সূ উ ৫/০/৩৬, অ ৬/৫/১৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৯/১১ গতে ১১/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/২৮ গতে ৫/১৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪৯ গতে ৯/০ মধ্যে পুনঃ ১/২২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৩ গতে ১/১১ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬ গতে ৩/৩৮ মধ্যে।
৩১ বৈশাখ ১৪২৬, ১৫ মে ২০১৯, বুধবার, একাদশী ১০/৫১/২১ দিবা ৯/২১/২২। উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র ৩/২৩/৩৫ দিবা ৬/২২/১৬ পরে হস্তানক্ষত্র ৫৯/৫৮/৫১, সূ উ ৫/০/৫০, অ ৬/৬/৪২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/৮ মধ্যে ও ১/৪৭ গতে ৫/২০ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৪৭ মধ্যে ও ১১/৫৬ গতে ১/২২ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৩/৪৬ গতে ১/১২/১ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৭/১৮ গতে ৯/৫৫/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৭/১৮ গতে ৩/৩৯/৪ মধ্যে। 
৯ রমজান
এই মুহূর্তে
বন্ধ হলদিয়া বন্দর 
শ্রমিক বিক্ষোভে স্তব্ধ হয়ে হলদিয়া বন্দর। বন্দর বন্ধ হওয়াতে অচলাবস্থা ...বিশদ

10:17:37 PM

এমন নির্বাচন কমিশন জম্মে দেখিনি: মমতা
বিজেপি যা বলছে নির্বাচন কমিশন তাই করছে। এমন নির্বাচন কমিশন ...বিশদ

09:22:00 PM

 অমিত শাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত: মমতা

09:17:27 PM

জরুরী সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী 

09:16:21 PM

গুয়াহাটির শপিং মলের বাইরে বিস্ফোরণ
গুয়াহাটির জু রোডের একটি শপিং মলের বাইরে বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনায় ...বিশদ

08:45:31 PM

রাজ্যে ভোট প্রচারের সময় কমল
শেষ দফার নির্বাচনী প্রচারে সময় কমিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। এর ...বিশদ

08:07:49 PM