Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা। বছর চল্লিশ বয়স। ঝাঁকা নামিয়ে রেখে চায়ের অর্ডার দিয়েছেন। জানলাম, বাড়ি তাঁর কেশপুর। বিস্ময়ের সঙ্গে জিগ্যেস করলাম, এত তাড়াতাড়ি ভোট দেওয়া হয়ে গেল! ম্লান মুখে তিনি বললেন, ‘‘ভোট দিইনি।’’ কেন ভোটার লিস্টে নাম নেই? —‘‘আছে। সব বারই থাকে জানি। কিন্তু কোনোদিন ভোট দিইনি। ভোট দিতে কেমন লাগে জানা হল না একবার! ভোট দিতে দেয় না। পার্টির ছেলেরা আগের দিন এসে বলে যায়, এবারও বলে গেছে, কেউ বুথে যাবে না। তোমরা তো সিপিএমকেই ভোট দেবে। সে আমরাই দিয়ে দেব। কাজ কামাই করে, রোদে পুড়ে তোমাদের যাওয়ার দরকার নেই। তোমরা সকাল সকাল যে যার কাজে বেরিয়ে পড়বে। ’’
এই মানুষটি যে কোনও বিচ্ছিন্ন চরিত্র নয়, পাঠক বয়স্ক হলে নিশ্চয় জানেন। অথচ রেজাল্ট বেরনোর পর আমরা অবাক হয়ে দেখতাম কেশপুরের সিপিএম প্রতীকের প্রার্থী রেকর্ড ভোটে জিতেছেন! প্রায় প্রতি ভোটে ভেঙে যেত তার পূর্ববর্তী ভোটের রেকর্ড! দীর্ঘদিন মাঠে ময়দানে নেমে রিপোর্টিং করার সুবাদে দেখেছি—কেশপুর কোনও বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয়, বাংলাজুড়ে তখন কেশপুর আর কেশপুর! যেখানে ভদ্র কথায়, এমনকী চোখ রাঙানিতেও কাজ হয়নি সেখানে সিপিএম রকমারি অত্যাচার নামিয়ে আনত। কোথাও সরাসরি ডান্ডা মারত। বাড়ির মেয়ে বউদের উপর অত্যাচার করত। বাবা মায়ের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে বাগড়া দিত। পুরনো পাকা চাকরি খেত। অত্যন্ত যোগ্য ছেলেমেয়েদের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং ন্যায্য চাকরি আটকে দিত। মাইনে, পেনশন বন্ধ হতো। কোথাও সবক শেখাত চাষিদের খেতমজুর বয়কট করে। ভূমি আইনের অপব্যাখ্যা করে অনেক সামান্য ব্যক্তির সামান্য জমিজমাও বেদখল করে নিত। ঘর জ্বালাত। মাছ ভরা পুকুরে, জলকরে বিষ ঢেলে দিত। এমনকী ‘হাত’-এ ভোট দেওয়ার অপরাধে হাত কেটে নেওয়ার মতো পৈশাচিক কাণ্ড ঘটিয়েছে সিপিএমের পাপীরা। কলকাতার অদূরে হাওড়ার কান্দুয়া গ্রামে এখনও ঘুরে বেড়াচ্ছেন এমন কয়েকজন জ্যান্ত দৃষ্টান্ত। সব দেখেও পুলিস-প্রশাসনের সব স্তর বোবা কালা অন্ধের ন্যায় আচরণ করত। বস্তুত, পার্টি আর প্রশাসন হরিহর আত্মা হয়ে উঠেছিল।
২০১১ সালে বাংলা হল সিপিএমের ‘শেষপুর’। তার আগে বাম জমানার একটা বড় সময়জুড়ে এটাই চলেছে। অথচ, ১৯৭৭ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার আগে সিপিএম গগনভেদী চিৎকার করে তার পূর্বসূরি কংগ্রেসের ২৭ বছরব্যাপী দুঃশাসনের সাতকাহন শুনিয়েছিল, মানুষকে পাশে নিতে। তাদের মূল বক্তব্য ছিল, ১৯৭২-৭৬ পর্বে বাংলায় আধা-ফ্যাসিবাদ চলেছিল। ১১০০ বামপন্থী কর্মী-সমর্থক নিহত হয়েছিলেন কংগ্রেসি গুন্ডাদের হাতে। অথচ, একজনও অপরাধীর বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেয়নি। জ্যোতি বসু তাঁর ভাষণে এবং লেখাপত্রে কংগ্রেসকে ‘মানুষের শত্রু’ বলে উল্লেখ করেছেন বার বার। কংগ্রেস সম্পর্কে সজাগ করতে গিয়ে ১৯৭২ সালে নির্বিচারে ভোট লুটের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন। পরিস্থিতি সেবার এমন হয়েছিল যে রাস্তায় মিলিটারি পর্যন্ত নামাতে হয়েছিল। প্রতিবাদে বামেরা পাঁচ বছর বিধানসভা বয়কট করেছিলেন। ১৯৭২-৭৫ সালে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণার কালটি গণতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে অন্ধকার এক অধ্যায়।
স্বাধীনতার ভগীরথ হল কংগ্রেস। কংগ্রেসের সঙ্গে সেঁটে রয়েছে গান্ধীজিসহ বহু সংগ্রামী নায়কের নাম। তাঁদের নামের সঙ্গে সমার্থক ঠেকত ‘স্বাধীনতা’ এবং ‘গণতন্ত্র’ শব্দ দুটি। এই পরিচয় ভাঙিয়েই স্বাধীন ভারতের বেশিরভাগটাই কব্জায় এনেছিল কংগ্রেস। কিন্তু, মানুষ দেখেছিল সবটাই ভণ্ডামিমাত্র! কংগ্রেসের এই জনবিরোধী মূর্তি চুরমার করেই জ্যোতি বসু বাংলায় বামফ্রন্ট জমানার সূচনা করেছিলেন।
১৯৭৭ সালের ২৫ আগস্ট বামফ্রন্ট সরকারের প্রথম বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র বলেছিলেন, ‘‘আমরা এটাই চাই যে গ্রামের এবং শহরের দরিদ্রতম মানুষটিও যেন এই উপলব্ধিতে স্থিত হতে পারেন যে, এবার ব্যবস্থা পাল্টে গেছে, এখন থেকে সম্পদই সব নয়, তাঁদের যদি সহায়-সম্পদ নাও থাকে তা হ’লেও তাঁরা আর্থিক উন্নতির সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না। ... যে সাধারণ মানুষ গত তিরিশ বছর ধ’রে বঞ্চিত ও প্রতারিত হয়ে এসেছেন, আমরা এমন এক পরিবেশ সৃষ্টি করতে চেষ্টা ক’রে যাবো যাতে তিনি বুঝতে পারেন আর ভয় নেই, যা তাঁর প্রাপ্য এখন থেকে তা তাঁকে পৌঁছে দেওয়া হবে। ’’
‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নয় বছর’ বইয়ের ভূমিকায় ১৯৮৬ সালের ২১ জুন জ্যোতি বসু লিখেছিলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যের সব শ্রেণীর মানুষের ক্ষেত্রেই গণতান্ত্রিক অধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করার প্রতি আমরা বিশেষ নজর দিয়েছি। এ সব অধিকার ও স্বাধীনতা গণতন্ত্রের মৌলিক শর্ত, অথচ কংগ্রেস আমলে এগুলি নির্দয়ভাবে অপহৃত হয়েছিল।’’
আর এই সরকারেরই বিরুদ্ধে ভূতপূর্ব কংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর অভিযোগ ছিল—বাংলার গ্রামের উন্নতির জন্য যেখানে এক টাকা খরচ করার কথা বাম রাজত্বে সেখানে সম্ভবত দশ পয়সার বেশি খরচ হয় না। বাকিটা অবৈধ লেনদেনে হাপিস হয়ে যায়। রাজীব গান্ধী যে একটুও ভুল বলেননি তার প্রমাণ, বিদায়কালে বামেরা একটি অত্যন্ত বেহাল বাংলা রেখে গিয়েছিল। দারিদ্রসীমার নীচে বিপুল সংখ্যক মানুষ, শিল্প-ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে অলক্ষ্মীর দবদবা, বেকার যুবক-যুবতীদের হাহাকার আর রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রের ক্ষয়াটে চেহারা। হয়তো একটু ভুল বলা হল। ব্যতিক্রম ছিল সিপিএম পার্টির কিছু নেতার চেহারা। তাঁদের এককালের চিমড়ে চেহারা অতীত, তাঁরা বিজ্ঞাপনের নাদুস-নুদুস বেবিদের মতো চকচকে। টালির ঘরের জায়গায় দোতলা-তিনতলা বাড়ি তাঁদের। বিড়ি ফেলে দামি সিগারেটে সুখটান দেন। ছেলেমেয়েরা নামী ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ে। তাদের অনেকে বড় পাশ দিয়ে বিদেশে গবেষণা অথবা চাকরি করে। স্কুল পাঠশালার সবচেয়ে কমা সার্টিফিকেট হাতে নিয়েও সরকারি দপ্তর আলো করা পরিবার নেহাত কম নয়। রাজকোষ খালি করে ক্যাডার পোষার কারবারটি বাম জমানার এক বিরাট আবিষ্কার।
সিপিএম সার বুঝেছিল—কাজ করে, উন্নয়ন করে বার বার ক্ষমতায় ফেরা যায় না। কিছুদিন বাদেই মানুষের চাহিদা বাড়বে, টেস্ট বদলে যাবে। ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলেই মানুষ তার সদ্ব্যবহার করতে মরিয়া হয়ে উঠবে। ক্ষমতার মধুভাণ্ড অনন্তকাল অক্ষত রাখতে হলে মুষ্টিমেয় কিছু লোককে পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতিটাকেই জাগ্রত রাখতে হবে। এরাই ভোটলুটের সব দায় সামলাবে। ভোটার তালিকা তৈরি থেকে ভোট পূর্ববর্তী সন্ত্রাস এবং ভোটের দিন নানা রঙের ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটানো সবই তারা করবে। মোদ্দা কথা হল, মানুষকে ভোটের লাইনে দাঁড়াতে দেওয়া যাবে না। ভোটের লাইন আলো করে থাকবে শুধু রিগিং আর্টিস্টরা।
গণতন্ত্রের এই গৌড়ীয় মার্কসবাদী মডেল অক্ষত রাখতে জ্যোতি বসু স্বয়ং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কদর্য লড়াইতে নেমেছিলেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশনকে অসংসদীয় ভাষায় আক্রমণ করতে তিনি কুণ্ঠিত হননি। পার্টির অন্যায় স্বার্থকে সামনে রেখে দেশবাসীর সামনে তিনি যেন এটাই প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন, নির্বাচন কমিশন নামক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি আসলে গণতন্ত্রের এক শত্রু!
জ্যোতিবাবুর পার্টির ৩৪ বছরের শাসন প্রমাণ করেছিল, ক্ষমতার আসন আসলেই একটি ‘লঙ্কা’—সেটা যিনিই স্পর্শ করেন তিনিই একটি ‘রাবণ’-এ রূপান্তরিত হয়ে যান—অদ্ভুত কিম্ভুত এক জাদুর নাম ক্ষমতা! আর বৃহত্তর অর্থে ভারতের সমস্ত প্রদেশ ও কেন্দ্রীয় শাসন এবং সমস্ত রাজনৈতিক দল সম্পর্কেই এই প্রবচনটি প্রযোজ্য। কারণ, সব দলই বড় আশা জাগিয়ে মানুষের বিপুল সমর্থন জোগাড় করে একবার ক্ষমতায় আসে। আর সরকারি ক্ষমতা দখল হওয়ার পর থেকে মানুষের মোহভঙ্গের ব্যবধানটা দীর্ঘ হয় না। খুব দ্রুত টের পাওয়া যায় সবাই আসলে মুখোশধারী।
১৯৫১-২০১১। বাংলায় নির্বাচনী গণতন্ত্র অনুশীলনের ছয় দশক খুব উজ্জ্বল নয়। ২০১১ সালে বাংলায় যে ‘পরিবর্তন’ এসেছিল তার মূল সুর ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার। ২০১১ সালের ২ জুন মহাকরণ থেকে ‘মমতা ব্যানার্জি’র সই করা ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহকর্মীদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন’ শিরোনামে একটি লিফলেট বিলি করা হয়েছিল। তার শেষ লাইনটি ছিল এইরকম—‘‘আমরা যেন সংঘবদ্ধ প্রয়াসের মাধ্যমে পশ্চিম বাংলার ভাবমূর্তি উন্নততর করার কাজে ব্রতী হই।’’ সপ্তদশ লোকসভার ভোট শেষ হচ্ছে আগামী ১৯ মে। ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে ছয় দফা। প্রচার পর্বে অশান্তি থেকে নানা কায়দায় ভোট লুট, এমনকী খুন জখম পর্যন্ত সমস্ত অশান্তিই হয়ে গিয়েছে। এই মাটিতে তার আগে রয়েছে পঞ্চায়েত এবং পুরভোটের তিক্ত অভিজ্ঞতা। মার্কসবাদী গণতন্ত্রের ছায়া যেন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। অতীত, বর্তমানকে সামনে রেখে রাজ্যবাসী ভাবতে বসেছেন বাংলার ভোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে—‘ভাবমূর্তি উন্নততর’ করার আর কোনও উপায় কি আমরা সন্ধান করতে পারি না?  
14th  May, 2019
ভোটফলের পর রাজ্যে শান্তি
রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
শুভা দত্ত

 শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দিল্লির মসনদে ফিরে এলেন মোদিজি। ভোট পরবর্তী জনসমীক্ষার হরেক সম্ভাব্য ফলকে পিছনে ফেলে সাড়ে তিনশো আসনের জবরদস্ত গরিষ্ঠতা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয়বারের জন্য ফিরে এলেন দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে।
বিশদ

 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

25th  May, 2019
মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: লোকসভা ভোটের ফলাফলের রামপুরহাট পুরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৬টিতে তৃণমূলের পরাজয় হয়েছে। এমনকী, খোদ পুরসভার চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডেই গোহারা হেরেছে শাসক দল। এই অবস্থায় চেয়ারম্যানের ইস্তফা দাবি করেছে বিজেপি।  ...

 জয়ন্ত চৌধুরী, কলকাতা: জোট না হোক অন্তত আসন সমঝোতা করলে তারা দু’ পক্ষই লাভবান হতো। ভোটের ফল প্রকাশের পর এখন এভাবেই হাত কামড়াচ্ছেন বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ। তাঁরা ঐক্যবদ্ধ হলে ভোটের মেরুকরণ এতটা মসৃণ হতো না। ...

  প্যারিস, ২৫ মে: ফরাসি ওপেনে নোভাক ডকোভিচের সামনে ইতিহাস গড়ার হাতছানি। বিশ্বের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে একটানা চারটি গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতবেন এবার ফরাসি ওপেন চ্যাম্পিয়ন হলে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার। ২০১৬ সালে বছরের চারটি গ্র্যান্ডস্ল্যামই জিতেছিলেন এই সার্বিয়ান তারকা। ...

 জাকার্তা, ২৫ মে (এপি): ইন্দোনেশিয়ায় মাউন্ট অগুঙ্গ আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুত্পাতের জেরে বেশ কয়েক ঘণ্টা বালি বিমানবন্দরে বিমান চলাচল ব্যহত হয়। শুক্রবার রাতে থেকে বেশ কিছু উড়ান বাতিল করে দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে শনিবার থেকে ফের তা চালু হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে, সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১২৯৩: জাপানে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয় ৩০ হাজার মানুষের
১৮৯৭: ব্রাম স্টোকারের উপন্যাস ড্রাকুলা প্রকাশিত হয়
১৯৪৫: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখের জন্ম
১৯৪৯: মার্কিন কম্পিউটার প্রোগামিং বিশেষজ্ঞ ওয়ার্ড কানিংহামের জন্ম। তিনিই উইকিপিডিয়ার প্রথম সংস্করণ বের করেছিলেন
১৯৭৭: ইতালির ফুটবলার লুকা তোনির জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  May, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ১৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০, ৫২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০, ৯৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৬ মে ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৯/৪০ দিবা ৮/৫০। ধনিষ্ঠা ২০/৪২ দিবা ১/১৪। সূ উ ৪/৫৬/৪৬, অ ৬/১০/৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১০/২৮ গতে ১২/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৪ গতে ১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৬ মে ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৭/০/৩৮ দিবা ৭/৪৪/৪৪। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ১৯/১/৩২ দিবা ১২/৩৩/৬, সূ উ ৪/৫৬/২৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৪/৫৩ গতে ১১/৩৪/২১ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৪/২১ মধ্যে ও ১/১৩/৪৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৫৪/৫৩ গতে ২/১৫/২৫ মধ্যে।
২০ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের দাবিতে চেঙ্গাইল প্রেমচাঁদ জুটমিলে শ্রমিকদের বিক্ষোভ 

12:31:00 PM

আমেথিতে বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুন

11:54:00 AM

জলপাইগুড়ির পাহাড়পুরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, জখম ৩ 

11:25:00 AM

দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভূমিকম্প 
দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভূমিকম্প। মাত্রা ছিল ৪.৮। আজ সকাল ১০টা ...বিশদ

11:02:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:16:00 AM

পুরুলিয়ায় তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থীর ছবিতে লেখা অহংকারের পতন হল, চাঞ্চল্য
 

পুরুলিয়া শহরের বিভিন্ন দোকানের সামনে তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থীর ছবি সেঁটে ...বিশদ

09:57:00 AM