Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতার নেতৃত্ব মানতে কংগ্রেসি অনীহা কি আখেরে মোদিজির সুবিধে করে দিল?
শুভা দত্ত

প্রবল তাপে পুড়ছে রাজ্য। আকশে মেঘের চিহ্নমাত্র নেই। ঘূর্ণিঝড় ফণীর হাত থেকে এ যাত্রায় রেহাই মিললেও কাঠফাটা রোদ আর মাথা ঘোরানো গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না। বাঁকুড়া-পুরুলিয়ার মতো রুখু জেলাগুলো ইতিমধ্যেই চল্লিশ ছাড়িয়েছে, মহানগরী কলকাতাও বসে নেই। সেও প্রায় চল্লিশের ঘরে! রাজ্যের আট জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে! ফলে গোটা রাজ্য জুড়েই হাঁসফাঁস জীবন, কাজকর্মের স্বাভাবিক ধারা বজায় রাখতে প্রকৃত অর্থেই মাথার ঘাম পায়ে ঝরছে মানুষের। তবে, এই চড়া গরমের মধ্যে নতুন লোকসভার জন্য লড়াই কিন্তু অব্যাহত এবং সে লড়াই এখন একেবারে তুঙ্গে। সেই লড়াইতে শামিল হতে ভোটপ্রার্থী, ভোটকর্মী থেকে ভোটদাতা সাধারণ মানুষ সকলেই নাজেহাল, ওষ্ঠাগত প্রাণ।
কিন্তু তাতে কী? ভোট বলে কথা, তায় রাজ্যটার নাম পশ্চিমবঙ্গ। রোদ গরমের সাধ্য কি এখানে ভোটের লড়াইতে বাদ সাধে! ঝরুক ঘাম, ঘুরুক মাথা, তেষ্টায় ছাতি ফেটে যাক, রোদের ঝলসানিতে ধাঁধিয়ে যাক চোখ—ভোটের লড়াই চলছে, চলবে। দেখতে দেখতে সাত দফা লড়াইয়ের পাঁচ দফা তো শেষ। আজ ষষ্ঠ দফা। রাজ্যের আরও কয়েকটি লোকসভা কেন্দ্রের ভাগ্য ঠিক হয়ে যাবে আজ। বাকি থাকবে কলকাতা সহ আর কয়েকটি আগামী রবিবারের জন্য—সেদিনই শেষ দফা। আর ঠিক তার তিন দিন পর ২৩ মে জানা যাবে আগামী পাঁচ বছর দিল্লি কার, কে চালাবেন দেশ। দেশের আমজনতা বেছে নিলেন কাকে—বিদায়ী শাসক মোদিজিকে, না কি বিরোধী শিবিরের কাউকে? ভোটের লড়াই যত শেষের দিকে আসছে এই প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর নিয়ে গণকৌতূহল তত বাড়ছে। এবং সেটাই স্বাভাবিক। সত্যি বলতে কী, এই কৌতূহল যে কেবল দেশ-জনতাকেই মজিয়েছে এমন নয়, দেশ রাজনীতির অন্দর-বাহির থেকে রাজনৈতিক আলোচক, বিশ্লেষক সকলকেই আচ্ছন্ন করেছে। মোদিজি না রাহুল, রাহুল না মমতা—কে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী তা নিয়ে জল্পনা যথেষ্টই জমে উঠেছে। তার কারণ দেশ জুড়ে এবারের ভোটফল নিয়ে অঙ্কের যত ছড়াছড়িই হোক এখনও নিশ্চিত করে কেউই বলতে পারছেন না নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ শেষ অবধি কটা সিট পাবে। একটা কথা অবশ্য মোটের ওপর সকলেই বলছেন, এবার মোদিজির দল গতবারের চেয়ে বেশ কিছু আসন কম পাবে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ওড়িশার মতো রাজ্যগুলির সঙ্গে দক্ষিণেও তাঁর দল প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে না—সম্ভাবনা নাকি এমনই। এই ঘাটতি মেটাতেই নাকি এবার পূর্ব ও উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলিতে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে গেরুয়া শিবির। তার জন্যই নাকি পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন সংখ্যায় সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী! অবশ্য তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এ রাজ্যে জনমন কতটা ভিজবে, ভোটবাক্সে তাঁরা পদ্মদলকে কতটা সমর্থন জানাবে—তা নিয়ে সংশয় ফুরোচ্ছে না।
তবে, এক্ষেত্রেও সর্বস্তরেই একটা মত কমন—এবার বঙ্গে বিজেপি বাড়ছে। ২০১৪ সালে পাওয়া মাত্র দুটি আসন এবার চার ছটা বেড়ে গেলে আশ্চর্যের কিছু নেই। জনতা বলছে, বিশেষজ্ঞদের অনেকেও বলছেন এই সম্ভাবনার কথা। তবে, এই চলতি মতও শেষ বিচারে গ্রহণযোগ্য হবে কতটা তা নিয়েও ধন্দ আছে বহুজনার। মোজিদি যেভাবে সভায় সভায় জনতার নয়নের মণি মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে লক্ষ্য করে কড়া কড়া কথা বলছেন, কোলমাফিয়া, সিন্ডিকেট, নারদা-সারদা ইত্যাদি নিয়ে তোপ দাগছেন—তাতে তাঁর সভায় উপস্থিত জনতাই কতটা খুশি হচ্ছেন তা নিয়েও তথ্যভিজ্ঞদের অনেকের সন্দেহ আছে। কেননা, যাঁদের সামনে প্রধানমন্ত্রী এসব বলছেন তাঁরা পদ্মপার্টির সমর্থক হতে পারেন, সভাতেও যেতে পারেন কিন্তু তাঁরাও গত কয়েক বছর ধরে এ রাজ্যের ব্যাপক উন্নয়নের স্বাদ পেয়েছেন, উন্নয়নের সুবাদে জীবনযাত্রায় আধুনিক পৃথিবীর সুযোগ সুবিধার স্পর্শ পেয়েছেন—এবং এই অভাবনীয় উন্নয়নের কারিগর যে তাঁদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর একক ঐকান্তিক প্রয়াসেই যে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে সিপিএমের ফেলে যাওয়া রুগ্ন মৃতপ্রায় শিল্পহীন বাংলা আজ আলোয় উজ্জীবিত বিশ্ববাংলায় পরিণত হয়েছে, বিশ্বের দরবারে সেরার শিরোপা পাওয়া উন্নয়নের দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে, শিল্পে বিনিয়োগে কর্মসংস্থানে শান্তি-সংহতিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে দেশের মধ্যে অগ্রগণ্য বলে বিবেচিত হচ্ছে—তাও জেনেছেন। এমন পরিস্থিতিতে এহেন মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে ক্রমাগত কটু কথার রাজনীতি কতটা তাঁরা গ্রহণ করবেন, কতটা তাতে প্রভাবিত হবেন—তা নিয়ে প্রশ্ন থাকে বইকি।
সত্যি বলতে কী, দেশের সামগ্রিক সম্ভাব্য ভোটফলের সঙ্গে বাংলার তফাৎটা হয়ে যাচ্ছে এখানেই। দিল্লির মসনদে মোদিজি ফিরছেন কি ফিরছেন না তা নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একচ্ছত্র আধিপত্য নিয়ে দ্বিধা সংশয়ের কোনও প্রশ্নই উঠছে না! বরং, মমতার দাবি মতো ৪২-এ ৪২ হয়ে যেতেও পারে—এমন একটা বিশ্বাস বাতাসে ইতস্তত ঘুরছে। সে হোক বা না হোক শেষ লোকসভায় মমতার তৃণমূলের পাওয়া ৩৪ আসনে যে হাত পড়ছে না বরং তাতে নতুন করে দু-একটা যোগ হতে পারে এমনই মত দিচ্ছেন অনেক বিশ্লেষক। তাঁদের মতে, কংগ্রেস, সিপিএমের রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতায় ভাটা এবং মা-মাটি-মানুষের প্রতি মমতার ঐকান্তিক দায়বদ্ধতা এবং নজিরবিহীন উন্নয়ন এই ভাবনার প্রেক্ষাপট রচনা করেছে। ক্ষমতায় এসে ইস্তক একনিষ্ঠভাবে মমতা তাঁর দায়বদ্ধতা যেমন অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন, তেমনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রতিশ্রুত উন্নয়নের সফল বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন এবং ঘটিয়ে চলেছেন। ফলে এই রাজ্যের মানুষের কাছে তাঁর ভাবমূর্তি আজ কার্যত অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তাঁকে ছোঁবে কে?
শুধু রাজ্যে কেন, দেশের বাদবাকি অংশেও তাঁর এই লড়াকু উন্নয়নকামী গরিব সাধারণের প্রতি দায়বদ্ধ ভাবমূর্তির প্রভাব যথেষ্ট। দেশের রাজনৈতিক শিবিরগুলি সেটা বেশ ভালোই জানে। গোটা ভারতে তাঁর মতো জনপ্রিয় প্রভাবশালী নেত্রী ক’জন আছেন বলুন তো? নরেন্দ্র মোদির মতো জবরদস্ত প্রতিপক্ষকে ভোটযুদ্ধে ধরাশায়ী করতে তাঁর সমকক্ষই বা ক’জন? কিন্তু, এবারের লোকসভা ভোটে তাঁর এই অনন্য ক্ষমতাশক্তিকে পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারল না মোদি-বিরোধী শিবির। ফেডারেল ফ্রন্টই হোক বা ইউনাইটেড ইন্ডিয়া—মমতাকে প্রধান নেত্রী প্রজেক্ট করে কংগ্রেসকে নিয়ে জাতীয় স্তরে একটা জোরদার মোদি-বিরোধী শক্তি গড়ে উঠতেই পারত। সেরকম একটা সূচনাও হয়েছিল। যতদূর মনে পড়ছে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও প্রথমটায় এমন একটা ফ্রন্ট তৈরি নিয়ে বিশেষ আশাবাদী ছিলেন। সেই শিবিরের অন্যতম প্রধান নেত্রী যে মমতা সেটাও বোঝা যাচ্ছিল আর সেজন্যই বিরোধী জোটের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তাঁর নামটাই বেশি করে ভেসে উঠছিল। আর তাই দেখে প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন উড়তে শুরু করেছিল পশ্চিমবঙ্গের বাতাসে।
কিন্তু জাতীয় স্তরে জোট হবে, তাতে কংগ্রেস থাকবে, অথচ নেতৃত্বের রাশ থাকবে অন্য দলের হাতে—এটা ভারতের রাজনৈতিক জলবায়ু এখনও মনে হয় ঠিক হজম করে উঠতে পারে না! কংগ্রেস জোটে থাকলে যেন ঐতিহাসিক সূত্রেই যাবতীয় রাশ কংগ্রেসের হাতেই দিতে হবে! তাই, জোটের গল্পে প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গ একটু ঘন হওয়ার মুখেই রাহুলজি ঘোষণা করে দিলেন—যা হবে রেজাল্ট দেখেই হবে। ব্যাস! ধাক্কা। ক্যাপ্টেনবিহীন জাহাজের দশায় পড়ল জোট। তবু, মমতার নেতৃত্বে চন্দ্রবাবুরা মোদি-বিরোধী শক্তিগুলিকে এককাট্টা করার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন, আজও সে চেষ্টা অব্যাহত। ২১ মে দিল্লিতে মমতাকে মধ্যমণি করে বিরোধীদের বৈঠক তারই প্রমাণ। কিন্তু, এই বৈঠক নিয়ে রাহুল-কংগ্রেস কতটা আন্তরিক তা বুঝতে ২১ অবধি অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ইউপিতে অখিলেশ-মায়াবতী জোট হওয়ায় মোদিজি এবং তাঁর দলের কপালে গাঢ় ভাঁজ দেখেও কেন জোট নিয়ে কংগ্রেসের এখনও এত দোলাচল বোঝা দায়!
প্রশ্ন তো উঠছে, মমতার নেতৃত্ব মানতে কংগ্রেসি অনীহাই কি এর কারণ? এর পর যদি কেউ বলেন, মমতার নেতৃত্ব মানতে কংগ্রেসি অনীহাই আখেরে মোদিজির সুবিধে করে দিল—দোষ দেওয়া যাবে! ভাবুন তো সারা দেশে যদি মোদি-বিরোধী শক্তিগুলো জননেত্রী মমতার নেতৃত্বে মমতার তত্ত্ব মেনে শক্তি ক্ষমতা অনুযায়ী একের বিরুদ্ধে এক লড়তে নামত—মোজিদির বিরুদ্ধে বিরোধীদের লড়াইটা কত পোক্ত হতো! ভুললে চলবে শেষ লোকসভায় অর্থাৎ ২০১৪ সালের ভোটে বিজেপি ২৮২ আসন পেয়ে রেকর্ড করেছিল ঠিকই কিন্তু ভোট পেয়েছিল মাত্র ৩১ শতাংশ! স্বাধীনতা উত্তর ভারতে এত কম ভোট পেয়ে এমন গরিষ্ঠ সরকার গঠিত হয়নি আগে—এটাও তো রেকর্ড!
অথচ, সেবার ছিল উত্তাল মোদি-হাওয়া! তাতেই ৩১ শতাংশ। আর এবার নোটবন্দি ইত্যাদির কারণে হাওয়া কেমন তা আলাদা করে বলার দরকার নেই আশা করি। কিন্তু, মোদিজির বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে লড়ার মানুষটি কই! গোটা দেশে একমাত্র একজন—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, জোটবদ্ধ অভিযানের অভাবে তাঁর লড়াইয়ের ক্ষেত্র তো পশ্চিমবঙ্গের আঞ্চলিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ হয়ে রইল। অন্যদিকে, বালাকোট, দ্বিতীয় সার্জিকাল স্ট্রাইক, অভিনন্দন ভর্তমান উদ্ধার, আধুনিকতম ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উদ্বোধন এবং কাশ্মীরে সেনা কনভয়ে জঙ্গি হামলার পর প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতি ভারতের তরফে কড়া হুঁশিয়ারি, পরমাণু অস্ত্র নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য ইত্যাদির পর দেশ জুড়ে গেরুয়া পালে নতুন করে যে বাতাস লাগেনি, জনমনের একাংশে ৫৬ ইঞ্চির প্রতি রাজনৈতিক ভাবাবেগ যে একেবারেই চাগাড় দেয়নি—এমনটাও কি জোর দিয়ে বলা
যাচ্ছে? বলা গেলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক
বিশেষজ্ঞদের একাংশ থেকে শুরু করে এ তাবৎ প্রকাশিত বেশ কয়েকটি জনমত সমীক্ষা টেনেটুনে হলেও মোদিজিকেই পাশ মার্ক দিচ্ছেন কেন, কিছু আসন কম হলেও দ্বিতীয়বারের জন্য মোদিজিকেই দিল্লির মসনদে দেখছেন কীভাবে! লোকসভা ভোটযুদ্ধে মমতার নেতৃত্বে মোদি-বিরোধী দলগুলো এককাট্টা হয়ে নামলে কি এত সহজে এমন সম্ভাবনার কথা ভাবা যেত?
12th  May, 2019
সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা।  
বিশদ

14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
তাহলে, হাওয়া
এবার কোন দিকে?
মোশারফ হোসেন

দেখতে দেখতে মোট সাত দফা ভোটগ্রহণের পাঁচটি দফাই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। গোটা দেশে। আমাদের রাজ্যেও। বাকি দুটি দফায় মাত্র ১১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। যদিও ওইসব কেন্দ্রের ভোট বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বের বিচারে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
বিশদ

11th  May, 2019
রাজনীতির পাঁকে সরকারের
উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা
শুভময় মৈত্র

দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন অনেক সময়। কেউ কেউ বড্ড বেশি যোগাযোগ রাখছেন ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। তারপর সেখানে তীব্র দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হওয়ায় অনেক সময় চাকরিতে ইস্তফা দিতে হচ্ছে। নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় যোগ দিতে হচ্ছে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে। ভোটপ্রচারে তাঁদের মুখ ফসকে বেরিয়ে যাচ্ছে এমন সব ভাষা যা একেবারে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকেই শেখা।
বিশদ

11th  May, 2019
মোদিময় রাজনীতিতে
নয়া পাঠ ‘বাণপ্রস্থ কথা’
মৃণালকান্তি দাস

তাঁর বাড়িতে পা দিলেই চন্দনকাঠের একটা মূর্তিতে চোখ পড়বেই। তাতে অর্জুনকে বিশ্বরূপ দেখাচ্ছেন শ্রীকৃষ্ণ। তার পিছনে মহাভারতের টুকরো নানা ছবি। শরশয্যায় শায়িত ভীষ্মও। বিজেপিতে আদবানিকে ভীষ্ম পিতামহের সঙ্গে তুলনা করা হয়। নিজের হাতে তৈরি দলে যেভাবে তিনি প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন, তাকে কি তাঁকে আজ ভীষ্মের সেই শরশয্যার সঙ্গে তুলনা করা যায়?
বিশদ

10th  May, 2019
জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের অনেক
সংশোধন প্রয়োজন 
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ভারতীয় সংবিধান রচয়িতারা অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনা করবার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে সংবিধান প্রদত্ত পূর্ণ স্বাধিকার দিয়েছিল। সংবিধানের ৩২৪নং ধারা বলে লোকসভা নির্বাচনে তত্ত্বাবধান, নির্দেশ ও নির্বাচনের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব রাখবার ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের হাতে।
বিশদ

10th  May, 2019
নরেন্দ্র মোদি মেজাজ হারাচ্ছেন কেন?
শুভা দত্ত

 নরেন্দ্র মোদির রাজনীতি নিয়ে অনেকের ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর সৌজন্যবোধ নিয়ে এ যাবৎ কোনও প্রশ্ন ওঠেনি। ২০১৯-এর ভোটপর্ব যখন শেষ পর্যায়ে, তখন তিনি মেজাজ হারিয়ে একেবারে রাহুল গান্ধীর প্রয়াত পিতার নামে নিন্দা করে বসলেন। এভাবে তিনি ভদ্রতার সীমা ছাড়ালেন।
বিশদ

09th  May, 2019
কেন্দ্রে শক্তিক্ষয়, রাজ্যে শক্তিবৃদ্ধি—
সম্ভাবনার বিচিত্র জল্পনায় মুখর বঙ্গ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 বিশেষ করে বিষয় যখন দেশের ক্ষমতা দখলের ভোট-মহারণ সঙ্গে বাংলায় জোড়া ফুলের ৪২-এ ৪২-এর ডাক, আর সে মহাসংগ্রামে দুই প্রধান প্রতিপক্ষের নাম মোদি-মমতা— তখন পায় কে! একেবারে রসিয়ে কষিয়ে গরমে নরমে যুক্তি অযুক্তি কুযুক্তির কড়া পাকে পাহাড় থেকে সাগর জঙ্গলমহল থেকে যাদবপুর যাকে বলে জল্পনা-কল্পনার একটা উৎসবই যেন শুরু হয়ে গেছে।
বিশদ

09th  May, 2019
তাহলে, হাওয়া এবার কোন দিকে?
মোশারফ হোসেন

দেখতে দেখতে মোট সাত দফা ভোটগ্রহণের পাঁচটি দফাই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। গোটা দেশে। আমাদের রাজ্যেও। বাকি দুটি দফায় মাত্র ১১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। যদিও ওইসব কেন্দ্রের ভোট বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বের বিচারে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
বিশদ

07th  May, 2019
রাজনীতির পাঁকে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা
শুভময় মৈত্র

 দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন অনেক সময়। কেউ কেউ বড্ড বেশি যোগাযোগ রাখছেন ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। তারপর সেখানে তীব্র দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হওয়ায় অনেক সময় চাকরিতে ইস্তফা দিতে হচ্ছে।
বিশদ

07th  May, 2019
ইরান-মার্কিন দ্বন্দ্ব
তেলসংকটের মুখে ভারত 
গৌরীশঙ্কর নাগ

গত ২২ এপ্রিল ইরান থেকে তেল আমদানির ওপর আমেরিকার ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার ফলে ২ মে থেকে ভারতসহ ৬টি রাষ্ট্র (চীন, ইতালি, গ্রিস, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান ও তুর্কি) ফের অসুবিধার মুখে পড়তে চলেছে।  বিশদ

06th  May, 2019
আমাদের কি ‘সাচ্চে দিন’
আসতে পারে না?
পি চিদম্বরম

আমার সামনে ১ মে তারিখের একটি ইংরেজি দৈনিক কাগজ রয়েছে। চলতি নির্বাচনের রকমারি খবর পড়ছি। নজরকাড়া শিরোনামের একটি ‘স্টোরি’ পড়লাম: ‘লোকসভায় বিরোধী দলনেতা নেই, সেই দল প্রধানমন্ত্রী পাওয়ার স্বপ্ন দেখে: মোদি’। নরেন্দ্র মোদি লখনউ এবং মজফ্ফরপুরে যে ভাষণ দিয়েছেন তার গুরুত্বপূর্ণ অংশের বিস্তারিত বিবরণ ওই রিপোর্টে রয়েছে।  বিশদ

06th  May, 2019
একনজরে
সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি, ১৪ মে: ‘বাক স্বাধীনতা মানে অন্যের অধিকারেও হস্তক্ষেপ নয়।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি বিকৃত করে ফেসবুক পোস্ট করার অপরাধ মামলায় আজ এই মন্তব্য ...

 নয়াদিল্লি, ১৪ মে (পিটিআই): জঙ্গি সংগঠন এলটিটিই-র উপর আরও পাঁচ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখল কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে এই নির্দেশের কথা জানানো হয়েছে। বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (১৯৬৭)-এর ভিত্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ...

সংবাদদাতা, পূর্বস্থলী: তীব্র দাবদাহের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে পূর্বস্থলীর আম। বাগান থেকে জাগ ভাঙা আম ট্রাকবোঝাই করে বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। অন্যদিকে এবারও পূর্বস্থলীতে তিনদিন ধরে আম উৎসব ও মেলা হবে। পূর্বস্থলী থানার মাঠে আগামী ২ জুন রবিবার আম ...

বিএনএ, মালদহ: মালদহের হবিবপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী দিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টা করলেও প্রচারে এখনও সেভাবে সাড়া ফেলতে পারল না কংগ্রেস। নির্বাচনী এলাকাজুড়ে দেওয়াল লিখন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে ভাবনা-চিন্তা করে বিষয় নির্বাচন করলে ভালো হবে। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। কারও সঙ্গে মতবিরোধ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: ধর্মীয় সংস্কারক ও দার্শনিক দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম
১৮৫৯: নোবেলজয়ী ফরাসি পদার্থ বিজ্ঞানী পিয়ের কুরির জন্ম
১৯০৫: কবি ও লেখক অন্নদাশঙ্কর রায়ের জন্ম
১৯৬৭: অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের জন্ম 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৬৫ টাকা ৭১.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৭৪ টাকা ৯২.৯৯ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৭২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ বৈশাখ ১৪২৬, ১৫ মে ২০১৯, বুধবার, একাদশী ১৩/৫৮ দিবা ১০/৩৬। উত্তরফাল্গুনী ৫/৩৯ দিবা ৭/১৬। সূ উ ৫/০/৩৬, অ ৬/৫/১৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৯/১১ গতে ১১/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/২৮ গতে ৫/১৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪৯ গতে ৯/০ মধ্যে পুনঃ ১/২২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৩ গতে ১/১১ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬ গতে ৩/৩৮ মধ্যে।
৩১ বৈশাখ ১৪২৬, ১৫ মে ২০১৯, বুধবার, একাদশী ১০/৫১/২১ দিবা ৯/২১/২২। উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র ৩/২৩/৩৫ দিবা ৬/২২/১৬ পরে হস্তানক্ষত্র ৫৯/৫৮/৫১, সূ উ ৫/০/৫০, অ ৬/৬/৪২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/৮ মধ্যে ও ১/৪৭ গতে ৫/২০ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৪৭ মধ্যে ও ১১/৫৬ গতে ১/২২ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৩/৪৬ গতে ১/১২/১ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৭/১৮ গতে ৯/৫৫/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৭/১৮ গতে ৩/৩৯/৪ মধ্যে। 
৯ রমজান
এই মুহূর্তে
বন্ধ হলদিয়া বন্দর 
শ্রমিক বিক্ষোভে স্তব্ধ হয়ে হলদিয়া বন্দর। বন্দর বন্ধ হওয়াতে অচলাবস্থা ...বিশদ

10:17:37 PM

এমন নির্বাচন কমিশন জম্মে দেখিনি: মমতা
বিজেপি যা বলছে নির্বাচন কমিশন তাই করছে। এমন নির্বাচন কমিশন ...বিশদ

09:22:00 PM

 অমিত শাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত: মমতা

09:17:27 PM

জরুরী সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী 

09:16:21 PM

গুয়াহাটির শপিং মলের বাইরে বিস্ফোরণ
গুয়াহাটির জু রোডের একটি শপিং মলের বাইরে বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনায় ...বিশদ

08:45:31 PM

রাজ্যে ভোট প্রচারের সময় কমল
শেষ দফার নির্বাচনী প্রচারে সময় কমিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। এর ...বিশদ

08:07:49 PM