Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

তাহলে, হাওয়া
এবার কোন দিকে?
মোশারফ হোসেন

দেখতে দেখতে মোট সাত দফা ভোটগ্রহণের পাঁচটি দফাই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। গোটা দেশে। আমাদের রাজ্যেও। বাকি দুটি দফায় মাত্র ১১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। যদিও ওইসব কেন্দ্রের ভোট বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বের বিচারে অত্যন্ত সংবেদনশীল। ক্ষমতাসীন পক্ষের স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে বিরোধীপক্ষের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে শেষের এই দুটি পর্বে। তবুও গত পাঁচটি পর্বের ভোটের চেহারা দেখে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে ফলাফল নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে। শাসক দলের নেতানেত্রীরা যা দাবি করছেন তার সরল অর্থ হল, এবারও দেশবাসী তাঁদের পক্ষেই ‘রায়দান’ করছেন। ইভিএমের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আপাত বন্দি সেই ‘রায়’কে প্রকাশ্যে আনলেই স্পষ্ট হবে দেশে ফের একবার মোদি সরকার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। অন্যদিকে, বিরোধীপক্ষের দাবি সম্পূর্ণ বিপরীত খাতে বইছে। এবারে নরেন্দ্র মোদির সামনে প্রধান দুই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ানো ব্যক্তিত্ব রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ কথা, মানুষের মনের ভাষা তাঁরা পড়তে পারছেন। সিংহভাগ ভারতবাসী এবার মোদি ও তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গদের রাজনৈতিক নির্বাসন দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন। এই ভোটে মোদি-রাজের অবসান হচ্ছেই।
আবার, অধিকাংশ সাধারণ মানুষ বিশেষত দিন আনা দিন খাওয়া দরিদ্র ভারতবাসী তো বটেই, মধ্যবিত্তদের বড় অংশও এটুকু বোঝেন, ক্ষমতায় যে-ই আসুক না কেন তাঁদের দৈনন্দিন দিনলিপিতে আহামরি কোনও পরিবর্তন হবে না। ভোটের আগে যারা যেমন প্রতিশ্রুতিই দিক না কেন, ভোটের পরে তার অধিকাংশই বিস্মৃতি গভীরে তলিয়ে যায়। বহুক্ষেত্রেই নেতানেত্রীরাও প্রাক-ভোটপর্বে দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতিগুলিকে খুব একটা মনে রাখতে চান না। এসবের উদাহরণের অভাব খুব একটা নেই। হাতে গরম উদাহরণ হলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাঁচবছর আগে ভোটভিক্ষার পাত্র হাতে দাঁড়ানো ওই মানুষটি কত রকমের প্রতিশ্রুতিই তো দিয়েছিলেন! বিদেশে পাচার হওয়া রাশি রাশি কালো টাকা ফিরিয়ে এনে প্রতিটি ভারতীয়ের অ্যাকাউন্টে পনেরো লক্ষ করে ভরে দেওয়া থেকে শুরু করে বছরে দু’কোটি চাকরি, সব কা সাথ সব কা বিকাশ, আচ্ছে দিন—তালিকাটি দীর্ঘ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার টানাপোড়েনে মাঝখানে কোনও অঘটন ঘটেনি। ফলে পুরো পাঁচ বছরের মেয়াদই পূরণ করার সুযোগ পেয়েছিল মোদি সরকার। ফলে গতবার ভোটের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণের যথেষ্ট সুযোগ ছিল তাঁর হাতে। শুধু তাই নয়, সরকার এবং নিজের দলে মোদি এমন একটি অবস্থানে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন যাতে তিনি কোনও কাজ করতে চাইলে তাঁকে বাধা দেওয়ার মতো কোনও শক্তি ছিল না। কিন্তু বাস্তবে তিনি কেবল নিজের এবং নিজের পছন্দের কিছু মানুষের বিকাশ ও সমৃদ্ধি ঘটানোর কাজেই আত্মনিয়োগ করেছিলেন। একদা গরিব চাওয়ালা মোদি প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেই ন’লাখ টাকা দামের পোশাকে নিজেকে সজ্জিত করেছেন। স্বাধীন ভারতের অন্য সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর সমস্ত রেকর্ডকে ম্লান করে দিয়ে মাত্র সাড়ে চার বছরে প্রায় একশোবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। তাঁর ওইসব সফরের মূল্য চোকাতে হয়েছে দেশবাসীকেই। কয়েক হাজার কোটি টাকা। তিনি বারে বারে বিদেশে গিয়েছেন, কিন্তু বিদেশ থেকে একটি কালো টাকাও ফিরিয়ে আনতে পারেননি। কারা সেইসব কালো টাকা বিদেশে পাচার করেছিল তাদের নামের তালিকাটুকু পর্যন্ত দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হননি। বরং নাম জানা বেশ কয়েকজন রাঘব বোয়ালের হাত ধরে দেশের আরও হাজার হাজার কোটি টাকা হাওয়া হয়ে গিয়েছে। মোদিজি ওই অপরাধীদেরও টিকি পর্যন্ত ছুঁতে পারেননি। এগুলো তো বটেই, ভারতের মানুষ নরেন্দ্র মোদির মুখে গত তিন-চার বছরে আরও অনেক প্রতিশ্রুতি, আশ্বাস, আস্ফালন শুনেছেন। কিন্তু সেইসব আশ্বাস, আস্ফালন, প্রতিশ্রুতি কেবল কথার কথা হয়েই রয়ে গিয়েছে। কাজে আসেনি। অন্যদিকে, বহু আশা করে মোদিকে ক্ষমতায় আসতে সাহায্য করা কোটি কোটি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
এতসব সত্ত্বেও মানুষ আশা ছাড়ছে না। কারণ, আশাই তো বাঁচিয়ে রাখে! সেকারণেই এবারের ভোটপর্ব নিয়েও আলাপ আলোচনা, হিসেব নিকেশ চলছে। রাজনৈতিক অরাজনৈতিক দুই আঙিনাতেই। চায়ের ঠেক থেকে অফিস আদালত চত্বরে, ট্রেন বাসে, ঘরোয়া সমাবেশে। বিয়েবাড়ি থেকে যে কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে গোটাকতক মাথা এক হলেই, একটু ফুরসত মিললেই একটাই আলোচনা—তাহলে এবার রেজাল্ট কেমন হতে পারে? না। স্কুল-কলেজে ছেলেমেয়ের পরীক্ষার রেজাল্ট নয়। ভোটের ফল। এবার এনডিএ মোট কতগুলো আসন পেতে পারে? আমাদের রাজ্যে বিজেপি কি আট-দশটা পাবে? কংগ্রেসের ক’টা থাকবে? সিপিএম কি একেবারেই জিরো হয়ে যাবে? দিদির দল কি তাঁর কথা মতো বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশই পাচ্ছে? তাহলে তো দিল্লি দিদির মুঠোয় এসে যাচ্ছে। রাহুলের বদলে বিরোধীরা দিদিকেই সামনে এগিয়ে দিতে চাইবে। হাজার হোক, মহিলার ক্যারিশ্মার ধারে কাছে আর কেউ আসে না। অতবার কেন্দ্রে মন্ত্রী তো হয়েছিলেন! মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর রাজ্যটার ভোলও তো বদলে দিয়েছেন! আর, দাপটটা দেখছেন তো? একা বুক চিতিয়ে লড়ে যাচ্ছেন। একটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছেন মোদির মতো লোককে! উল্টোদিক থেকে কেউ বলে, কিন্তু ওনার কেবল ওইদিকটাই দেখলেন! এই যে এখানে এমন নির্লজ্জের মতো তোষণ করে যাচ্ছেন, এর কোনও মানে হয়! তাছাড়া পাকিস্তানকে সমঝে দেওয়ার ক্ষমতা মোদির মতো আর কার আছে? আর পাঁচটা বছর ক্ষমতা পেলে সবাইকে ঢিট করে দেবে। পাকিস্তান হয়েছে, হিন্দুস্থান হবে না কেন? দেশজুড়ে এবার দেশভক্তির পালে জোর হাওয়া। সেই হাওয়াতেই মোদিজি তরী পার করে দেবেন। পরের বাক্যটি শুরু করার আগেই বক্তাকে থামিয়ে দেন কেউ। বলেন, আরে থামুন থামুন। পাঁচ বছর কোনও কাজ না করে কেবল পাকিস্তানের জুজু দেখিয়ে আর ক’টা অর্ধসত্য, অসত্য বস্তাপচা কাহিনী ফেঁদেই লোকটা পার পেয়ে যাবে! তা কি হয়! যুক্তি-পাল্টা যুক্তি, মন্তব্য আরও এগিয়ে চলে। মন্তব্যের শেষ নেই। প্রশ্নেরও সীমা নেই। বিশেষত বাঙালির ভাণ্ডারে আর যা কিছুরই অভাব থাক না কেন, যুক্তি-পাল্টা যুক্তির কোনও অভাব থাকে না।
ভোট পড়ার হারও এবার হিসেব নিকেশ, অনুমানের একটি বড় ফ্যাক্টর। ভোট পড়ছে ব্যাপক হারে। অধিকাংশ কেন্দ্রেই ৭৫- ৮০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ভোটের লাইনে হাজার হাজার মহিলা পুরুষ, বৃদ্ধ বৃদ্ধা, তরুণ তরুণী। এমনকী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তথা তথাকথিত প্রতিবন্ধীরাও। আমাদের রাজ্যের বীরভূম জেলার বোলপুর কেন্দ্রে তো ৮৬ শতাংশ ভোট পড়ল। সারা ভারতে এটি এবার রেকর্ড। এত মানুষ ভোটের লাইনে। এর মানে কী? এপ্রশ্নেও পরস্পরবিরোধী মতের ছড়াছড়ি। কারও মতে, এ হল অ্যান্টি ইনকাম্বেন্সি অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানবিরোধী মতদানের সুযোগের সদ্ব্যবহারের চেষ্টা। তাহলে তো গোটা দেশে মোদি ও তাঁর দলবলের পক্ষেও অশনিসঙ্কেত। একইভাবে এরাজ্যেও শাসকদলের বিরুদ্ধে ভোট দিতেই এত মানুষ বুথের সামনে লাইন দিয়েছিলেন! নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গত সাতবছরের অক্লান্ত পরিশ্রমকে স্বীকৃতি জানিয়ে, তাঁর উন্নয়নযজ্ঞে মুগ্ধ হয়ে বাংলার অগ্নিকন্যাকে আরও বড় দায়িত্বের দিকে এগিয়ে দিতেই বাংলার কোটি কোটি ভোটারের এমন সক্রিয় ভূমিকা? বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর হাওয়া উঠেছে। মমতার কোনও বিকল্প হবে না। বাংলার দিদিই এবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন। কেউ আটকাতে পারবে না।
এসব প্রশ্নের সঠিক জবাব এখনই মেলার কোনও পথ নেই। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও সপ্তাহদুয়েক। ফের একবার মোদি সরকার? নাকি মোদি-বিদায়ের পালা। অথবা দিল্লির তখতে রাহুল গান্ধীর অভিষেক, নাকি বাংলার অগ্নিকন্যার নেতৃত্বে দেশে তথাকথিত জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে— এর ফয়সালা হবে আগামী ২৩ মে অথবা তার কয়েকদিনের মধ্যেই।
এপ্রসঙ্গে একটি ঘটনার কথা বলে লেখা শেষ করব। বেশ কয়েকবছর আগে একটি ভোটের মুখে কলকাতার কয়েকজন প্রবীণ সাংবাদিক রাজ্যেরই একটি মফস্‌সল এলাকায় পাড়ি দিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য, ভোটের হাওয়া অনুধাবনের চেষ্টা করা। একটি চায়ের দোকানের সামনে বাঁশের বেঞ্চিতে বসে খানিক গল্পগুজবের পর এক সাংবাদিক ওখানে উপস্থিত স্থানীয় এক বৃদ্ধের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিলেন, বলুন তো কত্তা, হাওয়া এবার কোনদিকে? গাড়ি চড়ে আসা অপরিচিত সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাব দিতে সেই বৃদ্ধ এক মুহূর্তের বেশি সময় নেননি। তাঁর জবাবটি ছিল, বাবু, হাওয়া এবার চতুর্দিকে। এবার যা বুঝার বুঝে লিন।
এবারও বোধহয় হাওয়া চতুর্দিকেই বইছে। মানুষ খোলসা করে তাঁদের মনের কথা বলতে চাইছেন না। অতএব অপেক্ষা ছাড়া গতি নেই।
11th  May, 2019
একশো পঁচিশে সংসদের বাঙালি পণ্ডিত
হারাধন চৌধুরী

কাটমানি আর ব্ল্যাকমানির তরজায় দেশের রাজনীতি আজ বিপন্নপ্রায়। রাজনীতির প্রতি শ্রদ্ধা ও আগ্রহ নষ্ট হচ্ছে সাধারণ মানুষের, বিশেষত শিক্ষিত যুব সম্প্রদায়ের। এ লক্ষণ সুখের নয়—মানুষের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য—কারও জন্যই নয়।
বিশদ

23rd  July, 2019
৫, ১০, ২০ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে
পি চিদম্বরম

রাজ্যসভায় ২০১৯-২০ বাজেট নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় বলেছিলাম, ‘‘যদি জিডিপির স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার ১২ শতাংশ হয় তবে প্রতি ছ’বছরে জিডিপির আকারটা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। আর বৃদ্ধির হারটা যদি নমিনাল ১১ শতাংশ হয় তবে জিডিপি দ্বিগুণ হতে সময় নেবে সাত বছর।
বিশদ

22nd  July, 2019
২১ জুলাই সমাবেশ: মমতা কী বার্তা দেন জানতে উৎসুক বাংলা
শুভা দত্ত

ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে প্রতিবছর মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দিনটিতে বড়সড় সমাবেশের আয়োজন করে তাঁর প্রয়াত সহযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
বিশদ

21st  July, 2019
ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি।
বিশদ

20th  July, 2019
জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশদ

20th  July, 2019
অ্যাপোলো ৫০: গো ফর দ্য মুন
মৃণালকান্তি দাস

 মই বেয়ে লুনার মডিউল ঈগল থেকে চাঁদের বুকে নামতে নামতে নিল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘একজন মানুষের এই একটি পদক্ষেপ হবে মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।’ সেই ছিল চাঁদের বুকে মানুষের প্রথম পদচিহ্ন আর মানবজাতির সেদিনের প্রমিথিউস ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং। চাঁদের বুকে নিলের পা ফেলার মাধ্যমে মানুষ চাঁদকে জয় করেছিল।
বিশদ

19th  July, 2019
বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
বিশদ

18th  July, 2019
পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। 
বিশদ

16th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আরএসএস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার।
বিশদ

15th  July, 2019
সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

 কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে।
বিশদ

15th  July, 2019
একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

 বিশ্বের চারদিক থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশিরভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক আর কাকে বলে।
বিশদ

14th  July, 2019
বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়।
বিশদ

13th  July, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: ভারী বর্ষণের কারণে আলিপুরদুয়ার পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্যনগরের ম্যাকউইলিয়াম আর আর প্রাইমারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল জলমগ্ন হয়ে আছে। ক্লাস রুমের ভেতরেও হাঁটু ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের কর্মীরা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের হারে বেতন পাবেন কি না, এই বিতর্ক প্রায় দু’বছর ধরে অমীমাংসিত রয়েছে। হাইকোর্টে দু’দফায় এবং পরবর্তীকালে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালে (স্যাট) এর শুনানি হয়। হাইকোর্টের সর্বশেষ রায় অনুযায়ী, এই বিষয়টির চূড়ান্ত ফয়সালা ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: এবারই প্রথম হাওড়ার শৈলেন মান্না স্টেডিয়ামে ডুরান্ড কাপের ৬টি ম্যাচ হবে। এর আগে হাওড়ায় এই রকম সর্বভারতীয় ম্যাচ হয়নি। তাই নতুন করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে শৈলেন মান্না স্টেডিয়াম। এর জন্য হাওড়া পুরসভা জোরকদমে স্টেডিয়ামের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ ...

 মুম্বই, ২৩ জুলাই: জন্মদিনে উপহার ১০১ টাকা। এক গরিব মহিলা শ্রমিকের কাছ থেকে এই উপহার পেয়ে কেঁদে ফেললেন মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। ওই মহিলার নাম ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। কর্মক্ষেত্রে কোনও বিরূপ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। বিদ্যার্থীর শুভ ফল লাভ হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০২- ফরাসি লেখক আলেকজান্দার দুমার জন্ম
১৮৭০- সাহিত্যিক কালীপ্রসন্ন সিংহের মৃত্যু
১৮৮৪- ‘হিন্দু পেট্রিয়টে’-র সম্পাদক কৃষ্ণদাস পালের মৃত্যু
১৮৯৮- সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৩৭- অভিনেতা মনোজ কুমারের জন্ম
১৯৪৫- উইপ্রোর কর্ণধার আজিম প্রেমজির জন্ম
১৯৬৯- আমেরিকান অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী জেনিফার লোপেজের জন্ম
১৯৮০- মহানায়ক উত্তম কুমারের মৃত্যু
২০০৩- অভিনেতা শমিত ভঞ্জের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.২০ টাকা ৬৯.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৪০ টাকা ৮৭.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৭ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৪২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৬১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,১১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪১,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪১,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার, সপ্তমী ৩২/২৩ অপঃ ৬/৫। রেবতী ২৬/২৪ দিবা ৩/৪২। সূ উ ৫/৮/৯, অ ৬/১৭/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৯/৩১ গতে ১১/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে ৫/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/২৫ গতে ১০/৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৬ গতে ৩/৪৭ মধ্যে।
৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার, সপ্তমী ২২/২১/১৭ দিবা ২/২/৫৯। রেবতীনক্ষত্র ১৯/৪২/৮ দিবা ১২/৫৯/১৯, সূ উ ৫/৬/২৮, অ ৬/২১/১৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ৩/৩৫ গতে ৫/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/৭ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪৩/৫৩ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৫/১০ গতে ১০/৪/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৫/১০ গতে ৩/৪৫/৪৯ মধ্যে।
 ২০ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে
১৮০২- ফরাসি লেখক আলেকজান্দার দুমার জন্ম১৮৭০- সাহিত্যিক কালীপ্রসন্ন সিংহের মৃত্যু১৮৮৪- ...বিশদ

07:50:00 AM

আজকের রাশিফল
মেষ: সম্পত্তি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমার সম্ভাবনা আছে। বৃষ: কর্মক্ষেত্রে স্থিতাবস্থা বজায় ...বিশদ

07:45:00 AM

কর্ণাটক: আস্থা ভোটে হার কংগ্রেস-জেডি(এস) জোটের 

23-07-2019 - 07:47:35 PM

কর্ণাটক বিধানসভায় আস্থাভোট শুরু হল 

23-07-2019 - 07:22:00 PM

রাজাবাজারে গুলি চালানোর ঘটনায় ধৃত ২ 

23-07-2019 - 06:24:00 PM

আজ ও কাল বেঙ্গালুরু শহরে জারি ১৪৪ ধারা, বন্ধ সব পানশালা 

23-07-2019 - 06:04:22 PM