Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

তাহলে, হাওয়া
এবার কোন দিকে?
মোশারফ হোসেন

দেখতে দেখতে মোট সাত দফা ভোটগ্রহণের পাঁচটি দফাই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। গোটা দেশে। আমাদের রাজ্যেও। বাকি দুটি দফায় মাত্র ১১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। যদিও ওইসব কেন্দ্রের ভোট বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বের বিচারে অত্যন্ত সংবেদনশীল। ক্ষমতাসীন পক্ষের স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে বিরোধীপক্ষের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে শেষের এই দুটি পর্বে। তবুও গত পাঁচটি পর্বের ভোটের চেহারা দেখে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে ফলাফল নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে। শাসক দলের নেতানেত্রীরা যা দাবি করছেন তার সরল অর্থ হল, এবারও দেশবাসী তাঁদের পক্ষেই ‘রায়দান’ করছেন। ইভিএমের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আপাত বন্দি সেই ‘রায়’কে প্রকাশ্যে আনলেই স্পষ্ট হবে দেশে ফের একবার মোদি সরকার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। অন্যদিকে, বিরোধীপক্ষের দাবি সম্পূর্ণ বিপরীত খাতে বইছে। এবারে নরেন্দ্র মোদির সামনে প্রধান দুই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ানো ব্যক্তিত্ব রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ কথা, মানুষের মনের ভাষা তাঁরা পড়তে পারছেন। সিংহভাগ ভারতবাসী এবার মোদি ও তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গদের রাজনৈতিক নির্বাসন দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন। এই ভোটে মোদি-রাজের অবসান হচ্ছেই।
আবার, অধিকাংশ সাধারণ মানুষ বিশেষত দিন আনা দিন খাওয়া দরিদ্র ভারতবাসী তো বটেই, মধ্যবিত্তদের বড় অংশও এটুকু বোঝেন, ক্ষমতায় যে-ই আসুক না কেন তাঁদের দৈনন্দিন দিনলিপিতে আহামরি কোনও পরিবর্তন হবে না। ভোটের আগে যারা যেমন প্রতিশ্রুতিই দিক না কেন, ভোটের পরে তার অধিকাংশই বিস্মৃতি গভীরে তলিয়ে যায়। বহুক্ষেত্রেই নেতানেত্রীরাও প্রাক-ভোটপর্বে দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতিগুলিকে খুব একটা মনে রাখতে চান না। এসবের উদাহরণের অভাব খুব একটা নেই। হাতে গরম উদাহরণ হলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাঁচবছর আগে ভোটভিক্ষার পাত্র হাতে দাঁড়ানো ওই মানুষটি কত রকমের প্রতিশ্রুতিই তো দিয়েছিলেন! বিদেশে পাচার হওয়া রাশি রাশি কালো টাকা ফিরিয়ে এনে প্রতিটি ভারতীয়ের অ্যাকাউন্টে পনেরো লক্ষ করে ভরে দেওয়া থেকে শুরু করে বছরে দু’কোটি চাকরি, সব কা সাথ সব কা বিকাশ, আচ্ছে দিন—তালিকাটি দীর্ঘ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার টানাপোড়েনে মাঝখানে কোনও অঘটন ঘটেনি। ফলে পুরো পাঁচ বছরের মেয়াদই পূরণ করার সুযোগ পেয়েছিল মোদি সরকার। ফলে গতবার ভোটের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণের যথেষ্ট সুযোগ ছিল তাঁর হাতে। শুধু তাই নয়, সরকার এবং নিজের দলে মোদি এমন একটি অবস্থানে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন যাতে তিনি কোনও কাজ করতে চাইলে তাঁকে বাধা দেওয়ার মতো কোনও শক্তি ছিল না। কিন্তু বাস্তবে তিনি কেবল নিজের এবং নিজের পছন্দের কিছু মানুষের বিকাশ ও সমৃদ্ধি ঘটানোর কাজেই আত্মনিয়োগ করেছিলেন। একদা গরিব চাওয়ালা মোদি প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেই ন’লাখ টাকা দামের পোশাকে নিজেকে সজ্জিত করেছেন। স্বাধীন ভারতের অন্য সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর সমস্ত রেকর্ডকে ম্লান করে দিয়ে মাত্র সাড়ে চার বছরে প্রায় একশোবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। তাঁর ওইসব সফরের মূল্য চোকাতে হয়েছে দেশবাসীকেই। কয়েক হাজার কোটি টাকা। তিনি বারে বারে বিদেশে গিয়েছেন, কিন্তু বিদেশ থেকে একটি কালো টাকাও ফিরিয়ে আনতে পারেননি। কারা সেইসব কালো টাকা বিদেশে পাচার করেছিল তাদের নামের তালিকাটুকু পর্যন্ত দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হননি। বরং নাম জানা বেশ কয়েকজন রাঘব বোয়ালের হাত ধরে দেশের আরও হাজার হাজার কোটি টাকা হাওয়া হয়ে গিয়েছে। মোদিজি ওই অপরাধীদেরও টিকি পর্যন্ত ছুঁতে পারেননি। এগুলো তো বটেই, ভারতের মানুষ নরেন্দ্র মোদির মুখে গত তিন-চার বছরে আরও অনেক প্রতিশ্রুতি, আশ্বাস, আস্ফালন শুনেছেন। কিন্তু সেইসব আশ্বাস, আস্ফালন, প্রতিশ্রুতি কেবল কথার কথা হয়েই রয়ে গিয়েছে। কাজে আসেনি। অন্যদিকে, বহু আশা করে মোদিকে ক্ষমতায় আসতে সাহায্য করা কোটি কোটি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
এতসব সত্ত্বেও মানুষ আশা ছাড়ছে না। কারণ, আশাই তো বাঁচিয়ে রাখে! সেকারণেই এবারের ভোটপর্ব নিয়েও আলাপ আলোচনা, হিসেব নিকেশ চলছে। রাজনৈতিক অরাজনৈতিক দুই আঙিনাতেই। চায়ের ঠেক থেকে অফিস আদালত চত্বরে, ট্রেন বাসে, ঘরোয়া সমাবেশে। বিয়েবাড়ি থেকে যে কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে গোটাকতক মাথা এক হলেই, একটু ফুরসত মিললেই একটাই আলোচনা—তাহলে এবার রেজাল্ট কেমন হতে পারে? না। স্কুল-কলেজে ছেলেমেয়ের পরীক্ষার রেজাল্ট নয়। ভোটের ফল। এবার এনডিএ মোট কতগুলো আসন পেতে পারে? আমাদের রাজ্যে বিজেপি কি আট-দশটা পাবে? কংগ্রেসের ক’টা থাকবে? সিপিএম কি একেবারেই জিরো হয়ে যাবে? দিদির দল কি তাঁর কথা মতো বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশই পাচ্ছে? তাহলে তো দিল্লি দিদির মুঠোয় এসে যাচ্ছে। রাহুলের বদলে বিরোধীরা দিদিকেই সামনে এগিয়ে দিতে চাইবে। হাজার হোক, মহিলার ক্যারিশ্মার ধারে কাছে আর কেউ আসে না। অতবার কেন্দ্রে মন্ত্রী তো হয়েছিলেন! মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর রাজ্যটার ভোলও তো বদলে দিয়েছেন! আর, দাপটটা দেখছেন তো? একা বুক চিতিয়ে লড়ে যাচ্ছেন। একটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছেন মোদির মতো লোককে! উল্টোদিক থেকে কেউ বলে, কিন্তু ওনার কেবল ওইদিকটাই দেখলেন! এই যে এখানে এমন নির্লজ্জের মতো তোষণ করে যাচ্ছেন, এর কোনও মানে হয়! তাছাড়া পাকিস্তানকে সমঝে দেওয়ার ক্ষমতা মোদির মতো আর কার আছে? আর পাঁচটা বছর ক্ষমতা পেলে সবাইকে ঢিট করে দেবে। পাকিস্তান হয়েছে, হিন্দুস্থান হবে না কেন? দেশজুড়ে এবার দেশভক্তির পালে জোর হাওয়া। সেই হাওয়াতেই মোদিজি তরী পার করে দেবেন। পরের বাক্যটি শুরু করার আগেই বক্তাকে থামিয়ে দেন কেউ। বলেন, আরে থামুন থামুন। পাঁচ বছর কোনও কাজ না করে কেবল পাকিস্তানের জুজু দেখিয়ে আর ক’টা অর্ধসত্য, অসত্য বস্তাপচা কাহিনী ফেঁদেই লোকটা পার পেয়ে যাবে! তা কি হয়! যুক্তি-পাল্টা যুক্তি, মন্তব্য আরও এগিয়ে চলে। মন্তব্যের শেষ নেই। প্রশ্নেরও সীমা নেই। বিশেষত বাঙালির ভাণ্ডারে আর যা কিছুরই অভাব থাক না কেন, যুক্তি-পাল্টা যুক্তির কোনও অভাব থাকে না।
ভোট পড়ার হারও এবার হিসেব নিকেশ, অনুমানের একটি বড় ফ্যাক্টর। ভোট পড়ছে ব্যাপক হারে। অধিকাংশ কেন্দ্রেই ৭৫- ৮০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ভোটের লাইনে হাজার হাজার মহিলা পুরুষ, বৃদ্ধ বৃদ্ধা, তরুণ তরুণী। এমনকী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তথা তথাকথিত প্রতিবন্ধীরাও। আমাদের রাজ্যের বীরভূম জেলার বোলপুর কেন্দ্রে তো ৮৬ শতাংশ ভোট পড়ল। সারা ভারতে এটি এবার রেকর্ড। এত মানুষ ভোটের লাইনে। এর মানে কী? এপ্রশ্নেও পরস্পরবিরোধী মতের ছড়াছড়ি। কারও মতে, এ হল অ্যান্টি ইনকাম্বেন্সি অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানবিরোধী মতদানের সুযোগের সদ্ব্যবহারের চেষ্টা। তাহলে তো গোটা দেশে মোদি ও তাঁর দলবলের পক্ষেও অশনিসঙ্কেত। একইভাবে এরাজ্যেও শাসকদলের বিরুদ্ধে ভোট দিতেই এত মানুষ বুথের সামনে লাইন দিয়েছিলেন! নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গত সাতবছরের অক্লান্ত পরিশ্রমকে স্বীকৃতি জানিয়ে, তাঁর উন্নয়নযজ্ঞে মুগ্ধ হয়ে বাংলার অগ্নিকন্যাকে আরও বড় দায়িত্বের দিকে এগিয়ে দিতেই বাংলার কোটি কোটি ভোটারের এমন সক্রিয় ভূমিকা? বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর হাওয়া উঠেছে। মমতার কোনও বিকল্প হবে না। বাংলার দিদিই এবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন। কেউ আটকাতে পারবে না।
এসব প্রশ্নের সঠিক জবাব এখনই মেলার কোনও পথ নেই। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও সপ্তাহদুয়েক। ফের একবার মোদি সরকার? নাকি মোদি-বিদায়ের পালা। অথবা দিল্লির তখতে রাহুল গান্ধীর অভিষেক, নাকি বাংলার অগ্নিকন্যার নেতৃত্বে দেশে তথাকথিত জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে— এর ফয়সালা হবে আগামী ২৩ মে অথবা তার কয়েকদিনের মধ্যেই।
এপ্রসঙ্গে একটি ঘটনার কথা বলে লেখা শেষ করব। বেশ কয়েকবছর আগে একটি ভোটের মুখে কলকাতার কয়েকজন প্রবীণ সাংবাদিক রাজ্যেরই একটি মফস্‌সল এলাকায় পাড়ি দিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য, ভোটের হাওয়া অনুধাবনের চেষ্টা করা। একটি চায়ের দোকানের সামনে বাঁশের বেঞ্চিতে বসে খানিক গল্পগুজবের পর এক সাংবাদিক ওখানে উপস্থিত স্থানীয় এক বৃদ্ধের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিলেন, বলুন তো কত্তা, হাওয়া এবার কোনদিকে? গাড়ি চড়ে আসা অপরিচিত সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাব দিতে সেই বৃদ্ধ এক মুহূর্তের বেশি সময় নেননি। তাঁর জবাবটি ছিল, বাবু, হাওয়া এবার চতুর্দিকে। এবার যা বুঝার বুঝে লিন।
এবারও বোধহয় হাওয়া চতুর্দিকেই বইছে। মানুষ খোলসা করে তাঁদের মনের কথা বলতে চাইছেন না। অতএব অপেক্ষা ছাড়া গতি নেই।
11th  May, 2019
ভোটফলের পর রাজ্যে শান্তি
রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
শুভা দত্ত

 শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দিল্লির মসনদে ফিরে এলেন মোদিজি। ভোট পরবর্তী জনসমীক্ষার হরেক সম্ভাব্য ফলকে পিছনে ফেলে সাড়ে তিনশো আসনের জবরদস্ত গরিষ্ঠতা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয়বারের জন্য ফিরে এলেন দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে।
বিশদ

 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

25th  May, 2019
মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
একনজরে
অরূপ ভট্টাচার্য, চুঁচুড়া, বিএনএ: সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনকে সামনে রেখে বামেদের এ রাজ্য থেকে উৎখাত করেছিল তৃণমূল। তারপরেই সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক চাষিদের সরকারি সাহায্য দেওয়ার পাশাপাশি টাকাপয়সা ...

বিএনএ, জলপাইগুড়ি: বেতন আটকে রাখায় ধূপগুড়ি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করে চাকরি খোয়ালেন জলপাইগুড়ি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর। প্রায় ১২ বছর স্বাস্থ্য দপ্তরের কাজ করার পর চুক্তিভিত্তিক   ...

 জয়ন্ত চৌধুরী, কলকাতা: জোট না হোক অন্তত আসন সমঝোতা করলে তারা দু’ পক্ষই লাভবান হতো। ভোটের ফল প্রকাশের পর এখন এভাবেই হাত কামড়াচ্ছেন বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ। তাঁরা ঐক্যবদ্ধ হলে ভোটের মেরুকরণ এতটা মসৃণ হতো না। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: লোকসভা ভোটের ফলাফলের রামপুরহাট পুরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৬টিতে তৃণমূলের পরাজয় হয়েছে। এমনকী, খোদ পুরসভার চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডেই গোহারা হেরেছে শাসক দল। এই অবস্থায় চেয়ারম্যানের ইস্তফা দাবি করেছে বিজেপি।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে, সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১২৯৩: জাপানে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয় ৩০ হাজার মানুষের
১৮৯৭: ব্রাম স্টোকারের উপন্যাস ড্রাকুলা প্রকাশিত হয়
১৯৪৫: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখের জন্ম
১৯৪৯: মার্কিন কম্পিউটার প্রোগামিং বিশেষজ্ঞ ওয়ার্ড কানিংহামের জন্ম। তিনিই উইকিপিডিয়ার প্রথম সংস্করণ বের করেছিলেন
১৯৭৭: ইতালির ফুটবলার লুকা তোনির জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  May, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ১৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০, ৫২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০, ৯৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৬ মে ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৯/৪০ দিবা ৮/৫০। ধনিষ্ঠা ২০/৪২ দিবা ১/১৪। সূ উ ৪/৫৬/৪৬, অ ৬/১০/৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১০/২৮ গতে ১২/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৪ গতে ১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৬ মে ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৭/০/৩৮ দিবা ৭/৪৪/৪৪। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ১৯/১/৩২ দিবা ১২/৩৩/৬, সূ উ ৪/৫৬/২৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৪/৫৩ গতে ১১/৩৪/২১ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৪/২১ মধ্যে ও ১/১৩/৪৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৫৪/৫৩ গতে ২/১৫/২৫ মধ্যে।
২০ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের দাবিতে চেঙ্গাইল প্রেমচাঁদ জুটমিলে শ্রমিকদের বিক্ষোভ 

12:31:00 PM

আমেথিতে বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুন

11:54:00 AM

জলপাইগুড়ির পাহাড়পুরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, জখম ৩ 

11:25:00 AM

দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভূমিকম্প 
দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভূমিকম্প। মাত্রা ছিল ৪.৮। আজ সকাল ১০টা ...বিশদ

11:02:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:16:00 AM

পুরুলিয়ায় তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থীর ছবিতে লেখা অহংকারের পতন হল, চাঞ্চল্য
 

পুরুলিয়া শহরের বিভিন্ন দোকানের সামনে তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থীর ছবি সেঁটে ...বিশদ

09:57:00 AM