Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদিময় রাজনীতিতে
নয়া পাঠ ‘বাণপ্রস্থ কথা’
মৃণালকান্তি দাস

তাঁর বাড়িতে পা দিলেই চন্দনকাঠের একটা মূর্তিতে চোখ পড়বেই। তাতে অর্জুনকে বিশ্বরূপ দেখাচ্ছেন শ্রীকৃষ্ণ। তার পিছনে মহাভারতের টুকরো নানা ছবি। শরশয্যায় শায়িত ভীষ্মও। বিজেপিতে আদবানিকে ভীষ্ম পিতামহের সঙ্গে তুলনা করা হয়। নিজের হাতে তৈরি দলে যেভাবে তিনি প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন, তাকে কি তাঁকে আজ ভীষ্মের সেই শরশয্যার সঙ্গে তুলনা করা যায়? অথচ, এই অসম্মান অবশ্যই লৌহপুরুষের প্রাপ্য ছিল না। কিন্তু নিজেকে ওই পর্যায়ে নামিয়ে আনার দায় তাঁরই। তিনি কি জানতেন না, গোপন রক্তক্ষরণে বেলাশেষের পথ আকীর্ণ হয়ে ওঠে!
তবুও ইতিহাসের পাতা উল্টে বলতেই হয়, ১৯৮৪ লোকসভা ভোটের ২ থেকে বিজেপি–কে ১৯৮৯ সালে ৮০–এ তুলে এনেছিলেন প্রধানত তিনিই। যাঁরা এখন বিজেপির বড় নেতা, বড় মন্ত্রী, সকলেই তাঁর প্রশিক্ষণে সমৃদ্ধ। অটলবিহারী বাজপেয়ি বলতেন, অনুজপ্রতিম লালকৃষ্ণ ‘সংগঠনের প্রাণকেন্দ্র’। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিজেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে ক্ষমতায় আসার পিছনেও সেই আদবানির বিশাল অবদান। তাঁর অভিজ্ঞতা যেকোনও নির্বাচনে বিজেপির জন্য অমূল্য সম্পদ হতে পারে। আজও। বিজেপি ক্ষমতায় এলে কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? লালকৃষ্ণ আদবানি বলেছিলেন, ‘কোনও প্রশ্নের অবকাশ নেই। আমাদের সিনিয়র নেতা বাজপেয়িজি। সংসদীয় রাজনীতিতে তুলনাহীন। মানুষের কাছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। তিনিই হবেন প্রধানমন্ত্রী।’ আদবানির বদলে ‘মডারেট’ বাজপেয়ি প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন অনেকেই। তখন বাজপেয়িই সর্বংসহা। আদবানি উগ্র হিন্দু নেতা। লৌহপুরুষ। আজ সেই আদবানিই নরমপন্থী। এনডিএ জমানায় বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁদের মধ্যে মতপার্থক্য হলেও দু’জনের সম্পর্ক এতই নিবিড় ছিল যে, সরকার ও দলের মধ্যে একাধিক শক্তিকেন্দ্র গড়ে ওঠেনি।
২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসেই সেই বাজপেয়ি, যোশিদের সঙ্গে আদবানিকেও ‘মার্গ দর্শক মণ্ডলী’–তে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। ক্ষমতা ও দায়িত্ব থেকে বহু যোজন দূরে। গত পাঁচ বছর সেই উপদেষ্টা মণ্ডলীর একটিও বৈঠক হয়নি। লালকৃষ্ণ আদবানির নীরবতা এতটাই গভীর ছিল যে, তাঁর দলের নিরঙ্কুশ আধিপত্যের গত পাঁচ বছরে সংসদের ভিতরে ‘সরকারি ভাবে’ তিনি মুখ ফুটে বলেছেন মাত্র ৩৬৫টি শব্দ। অথচ, সংসদের অধিবেশনের দিনগুলিতে ৯২ শতাংশ হাজিরার মালিক নবতিপর প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী। সংসদ ভবনের কোনও অনুষ্ঠানে যদি একজন সাংসদও উপস্থিত থাকেন, তাঁর নাম এল কে আদবানি। কষ্ট পেয়েছেন, কিন্তু প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা যে তাঁর কাছে সবচেয়ে বড়।
গান্ধীনগরে গত আঠাশ বছর সংসদ সদস্য ছিলেন আদবানি। এবার তাঁকে সরিয়ে প্রার্থী করা হয়েছে অমিত শাহকে। কারণ বয়স? হ্যাঁ, ৯১। কিন্তু এখনও সচল। তিনি সংসদ সদস্য ছিলেন উনপঞ্চাশ বছর। কখনও লোকসভার, কখনও রাজ্যসভার। এবার তিনি আর সাংসদ থাকছেন না। সংসদ থেকে রাজনৈতিক সন্ন্যাসের পথে লালকৃষ্ণ আদবানি। বিজেপিতে আদবানি যুগের অবসান। উত্থান অমিত শাহের। বিজেপিতে যে প্রশ্নটা উঠেছে তা হল, মোদি কি এবার তাঁর উত্তরাধিকারী হিসেবে অমিত শাহকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন? যদি আবার বিজেপি সরকার হয় এবং যদি অমিত শাহ জিতে আসেন এবং মন্ত্রী হন, তা হলে তিনিই হবেন সরকারের দু-নম্বর ব্যক্তি। অটলবিহারী বাজপেয়ির যেমন ছিলেন লালকৃষ্ণ আদবানি, তেমন মোদির রাজত্বে দলে তো দু’নম্বর পদে অমিতের উত্থান। তাহলে মোদি কি তাঁর উত্তরাধিকারের নিরুচ্চার ঘোষণাটাও সেরে রাখলেন? জানা গিয়েছে, বাদ দেওয়ার আগে মোদি–শাহরা একবারও কথা বলেননি আদবানির সঙ্গে। বরং চাপ দেওয়া হয়েছে, তিনি অবসর ঘোষণা করুন!‌ আদবানি নীরব। এতটা অপমান প্রাপ্য ছিল তাঁর?
প্রার্থী না হতে পেরে নীরব আদবানি শুধু ৫৩৫ শব্দের একটা ব্লগ লিখলেন। যার শিরোনাম: নেশন ফার্স্ট, পার্টি নেক্সট, সেল্ফ লাস্ট। দেশ আগে, দল পরে, শেষে নিজে। নিশানা অব্যর্থ। জানিয়ে দিয়েছিলেন, প্রথমে ভারতীয় জনসঙ্ঘ, পরে ভারতীয় জনতা পার্টিতে তিনি বা অটলবিহারী বাজপেয়িরা চিরকাল নিজেকে পিছনে রেখে দল এবং দলের উপরে দেশকে স্থান দেওয়ার অনুশীলনই করে এসেছেন। সেটাই করে যাবেন বাকি জীবন। অথচ, মোদি-শাহের আমলে দল ছাপিয়ে নেতাই বড় হয়ে উঠেছেন। প্রার্থী নন আর, প্রচারেও নেই। এক রকম অন্তরালে ঠেলে দিতে চাওয়া হয়েছিল যাঁকে, সেই তিনিই যে ভোটের মুখে এমন ‘মেঘনাদ’ হবেন, বোধহয় ভাবতেও পারেনি টিম মোদি। আদবানির কথা ভেবে দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। মোদির নাম না-করে মমতার কটাক্ষ, ‘যখন প্রয়োজন ছিল, তখন আদবানি ছিলেন প্রকৃত মেন্টর (মাগদর্শক)। যখন তাঁর প্রয়োজন ফুরিয়ে গিয়েছে, যখন তুমি খুব বড় হয়ে গিয়েছে, তখন তুমি অতীতকেই ভুলে গেলে। কিন্তু ওল্ড ইজ অলওয়েজ গোল্ড। প্রত্যেকেই একদিন বুড়ো হবে। একদিন সবাইকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। এটাই বাস্তব।’
আদবানিকে আবার প্রার্থী না-করার সিদ্ধান্ত নিয়ে খুব বেশি অবাক হওয়ার কোনও কারণ নেই। রাজনীতিতেও একটা সময় অবসর নিতেই হয়। তিনি দেশের উপ-প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সামলেছেন। তার আগে জনতা সরকারের আমলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন। লোকসভা ও রাজ্যসভায় বিরোধী নেতার দায়িত্ব সামলেছেন। একসময় রাজ্যসভার নেতাও ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে দলের সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন। বর্তমান নেতৃত্বের অধিকাংশই তাঁর নিজের হাতে তৈরি। প্রধানমন্ত্রী মোদি থেকে শুরু করে সুষমা স্বরাজ, অরুণ জেটলি, বেঙ্কাইয়া নাইডু, সদ্যপ্রয়াত অনন্ত কুমার-দের গুরু হলেন আদবানি। কিন্তু তাঁর এই প্রস্থানটা একেবারেই সাদামাটা। বিজেপি নেতাদের একাংশের মতে, যিনি দলটাকে নিজের হাতে তৈরি করে শক্তিশালী করেছিলেন, তাঁর বিদায়টা সম্মানজনক হতে পারত। এতটা উপেক্ষার কোনও প্রয়োজন ছিল না। আর একটু মর্যাদা তাঁর প্রাপ্য ছিল। আর এত নেতার ছেলে-মেয়েকে প্রার্থী করা হচ্ছে, সেখানে আদবানির ছেলে বা মেয়েকেও প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়াই যেত।
আজ হয়তো ২০০২ সালের ১১ এপ্রিলের কথা আদবানির নিশ্চয়ই মনে পড়ে যাচ্ছে বারবার। সেদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়িকে বাধ্য করেছিলেন, গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে মোদিকে সরানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে। দু’জনেই ছিলেন একই বিমানের যাত্রী। গুজরাতের দাঙ্গা (যা তখনও থেমে যায়নি) মোকাবিলায় ব্যর্থতার জন্য মহা খাপ্পা বাজপেয়ি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরে যেতে বলবেন মোদিকে। কিন্তু সেদিনের বিমানযাত্রায় আদবানি ও তাঁর কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী বাজপেয়িকে চাপ দিয়ে কার্যত বাধ্য করেছিলেন সিদ্ধান্ত বদলাতে। দলের কথা ভেবে আদবানি সেদিন কাজটা না করলে মোদির ভাগ্যের চাকা হয়তো অন্য পথেই ঘুরে যেত। গ্রহের ফেরে সেই মোদিই আদবানির শেষ স্বপ্ন পূরণের পথে সবচেয়ে বড় দেওয়াল হয়ে উঠেছিলেন। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই নরেন্দ্র মোদি বনাম লালকৃষ্ণ আদবানির লড়াই চরমে উঠেছিল। গোয়ায় জাতীয় যে কর্মসমিতির বৈঠকে নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হয়েছিল, সেই বৈঠক বয়কট করেছিলেন আদবানি। বৈঠকে সুষমা প্রায় মিনিট পঁয়তাল্লিশ পরে পৌঁছেছিলেন। আদবানি তো ক্ষোভে বিজেপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক সংস্থা পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠক থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। পরে পার্লামেন্টারি বোর্ড সেই ইস্তফা খারিজ করে। সে সময় মুরলি মনোহর যোশি, শান্তা কুমার, যশবন্ত সিনহারা এই প্রস্তাবের বিরোধী ছিলেন। পাঁচ বছর পর এসে দেখা যাচ্ছে, তাঁরা আর কেউ প্রার্থী নন। ভোটের ময়দান থেকে তাঁদের সরে যেতে হয়েছে। মোদি বিরোধী হলেই টিকিট নেই বিজেপিতে। আর বিজেপি‌র বিজ্ঞাপন:‌‌ ‘‌মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়।’‌
বিজেপির মার্গদর্শক মণ্ডলের সদস্য পঁচাশি বছর বয়সি মুরলি মনোহর যোশি কিন্তু আদবানির মতো নীরবে মেনে নেননি। হাটে হাঁড়ি ভেঙে কানপুরের ভোটদাতাদের উদ্দেশে খোলা চিঠি দিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘আমার প্রিয় কানপুরের ভোটদাতারা, বিজেপির সংগঠন সচিব রামলাল আমায় বলেছেন, আমি যেন কানপুর বা অন্য কোথাও প্রার্থী না হই।’ মোদি-শাহর নির্দেশ ছিল, যোশিকেই ঘোষণা করতে হবে যে, তিনি আর প্রার্থী হতে চান না। কিন্তু যোশি একেবারে সরাসরি কানপুরের ভোটারদের জানিয়েছেন, দল তাঁকে জানিয়েছে, তিনি যেন কানপুর বা অন্য কোনও কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী না হন। একইভাবে শান্তা কুমার, করিয়া মুন্ডা, কলরাজ মিশ্রদের বলা হয়েছিল, তাঁরা যেন নিজেরা ভোটে না-লড়ার কথা ঘোষণা করেন। আদবানি সেই ঘোষণা করেননি। কিন্তু প্রতিবাদের রাস্তাতেও যাননি। বাকিরা নির্দেশ মেনেছেন। হুকুম দেবনারায়ণ যাদবের ছেলেকে প্রার্থী করা হয়েছে। তাই তাঁর কোনও ক্ষোভ নেই। ভুবন চন্দ খান্ডুরির ছেলে কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে তাঁর জেতা আসন থেকে লড়ছেন। তাই তিনিও জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, ভোটে আর লড়বেন না।
আসলে এভাবেই বাজপেয়ি-আদবানির অনুগতদের এক এক করে এই পাঁচ বছরে মোদি-শাহ জুটি ছেঁটে ফেলেছে। যশবন্ত সিনহা, শত্রুঘ্ন সিনহা, অরুণ শৈরীরা আগেই বাদ গিয়েছেন। হাওয়া বুঝে উমা ভারতী তো কবেই হারিয়ে গিয়েছেন। হাওয়া বোঝার সেই ক্ষমতা আছে সুষমা স্বরাজেরও। স্বাস্থ্যের দোহাই দিয়ে বিদিশার এমপি অনেক দিন আগেই তাই জানিয়ে দিয়েছিলেন, অনেক হয়েছে, আর ভোট নয়। দলের উপেক্ষার পর পঁচাত্তরে পা দেওয়া লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজনকেও জানাতে বাধ্য করা হয়েছে, তিনি আর ভোটে লড়বেন না। অথচ, মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর থেকে আট বারের সাংসদ এটাও বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনি এবারও লড়তে চেয়েছিলেন। ফলে পঁচাত্তর পেরিয়ে যাওয়া নেতাদের ব্যাপারে বিজেপির নীতিও স্পষ্ট হয়েছে। মোদির রাজনীতিতে এ এক নয়া পাঠ তো বটেই। এবার নির্বাচনে প্রবীণদের মনোনয়ন না দিয়ে একপ্রকার বাণপ্রস্থেই ঠেলে দেওয়া হয়েছে। চিরতরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে সংসদে তাঁদের আনাগোনা। জল্পনা উঠেছে দল গড়লেন যাঁরা তাঁদেরকেই অলিখিত ‘বৃদ্ধাশ্রমে’ পাঠিয়ে ঠিক কী বার্তা দিতে চাইলেন মোদি? আদৌ কি এই সিদ্ধান্ত সঠিক? নাকি সময়ের দাবি?
বিজেপির একাংশের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে যেতে পারতেন ৩০ পৃথ্বীরাজ রোডে তাঁর একসময়কার রাজনৈতিক গুরুর বাড়ি। লোককল্যাণ রোডে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি নিবাস থেকে দূরত্ব এক কিলোমিটারও নয়। কিন্তু সেই রাস্তায় মোদি হাঁটলেন না। পাঠালেন সঙ্ঘের নেতা রামলালকে। আদবানিকে তিনি বললেন, দল চায় ভোটে না দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা তিনি নিজেই যেন দুনিয়াসুদ্ধ সবাইকে জানিয়ে দেন। অপমানিত আদবানি চুপ করে রামলালের কথা শুনেছিলেন। একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি। রাজনীতি নিষ্ঠুর সবারই জানা। কিন্তু অনুশাসিত বলে গর্ব করা বিজেপির কাছে রাজনীতি যে এতখানি হৃদয়হীন, আদবানিদের অপসারণের মধ্য দিয়ে তা আজ স্পষ্ট।
আদবানি হয়তো দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তিটা টানতে চাইছিলেন প্রধানমন্ত্রী পদে বসে। শিষ্য মোদির তাঁকে ডিঙিয়ে এগিয়ে যাওয়াটা তাঁর জন্য বাড়া ভাতে ছাই পড়ার মতো। একদিন হয়তো ৬৮ বয়সের এই নরেন্দ্র মোদিও কোনও উগ্র নেতার কাছে মিইয়ে যাবেন। আজকের আদবানির মতো তিনিই সেদিন হবেন নরমপন্থী। তিনিও মাগদর্শনে আচ্ছন্ন হবেন। কে না জানে, ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসের চাকা ঘুরছে অনবরত। তা বিলকুল জানে নাগপুরও!
10th  May, 2019
 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
একনজরে
দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২৪ মে: তত্ত্ব কথা আওড়ানোর লোক আছে। কিন্তু মাঠে ময়দানে নেমে কাজ করার জন্য দলীয় কর্মী নেই। সেই কারণে সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশের কাছে পৌঁছনোই যায়নি। লোকসভা থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়ে কার্যত এই মর্মেই দলের কেন্দ্রীয় ...

 বিএনএ, মালদহ : নিজেদের জীবন দিয়ে মালদহে কংগ্রেসকে বাঁচিয়ে দিয়ে গেল সিপিএম। দক্ষিণ মালদহে কংগ্রেসের কষ্টার্জিত জয়ের পরে একথাই চর্চা চলছে মালদহের রাজনৈতিক মহলে। প্রবাদপ্রতিম ...

 বেজিং, ২৪ মে (পিটিআই): চীনের দক্ষিণপশ্চিম গুইঝৌউ প্রদেশে নৌকাডুবিতে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ওই ঘটনায় আরও আটজন নিখোঁজ। শুক্রবার সেদেশের সরকারি সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, ২৯ জন যাত্রীকে নিয়ে বৃহস্পতিবার একটি নৌকা বেইপান নদীতে ডুবে যায়। ...

ভুবনেশ্বর, ২৪ মে (পিটিআই): পাঁচে পাঁচ। রেকর্ড গড়ে পরপর পাঁচবারের জন্য ওড়িশার ক্ষমতা নিজেদের দখলে রাখল বিজু জনতা দল (বিজেডি)। ১৪৭টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১১২টিতে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩/৪১ দিবা ৬/২৬। শ্রবণা ১৩/১৪ দিবা ১০/১৫। সূ উ ৪/৫৭/০, অ ৬/৯/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ২/১০/২৫ দিবা ৫/৪৮/৪৮। শ্রবণানক্ষত্র ১২/৪০/১৪ দিবা ১০/০/৪৪, সূ উ ১/২৯/৫, অ ৬/১১/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১/১৩/৪১ গতে ২/৫৩/৬ মধ্যে, কালবেলা ৬/৩৬/৩ মধ্যে ও ৪/৩২/৩১ গতে ৬/১১/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩২/৩০ মধ্যে ও ৩/৩৬/২ গতে ৪/৫৬/৩১ মধ্যে।
১৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সুরাতে আগুন: মৃতদের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা সাহায্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানী ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি মৃতদের ...বিশদ

24-05-2019 - 06:19:00 PM

সুরাতে আগুন: কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু
সুরাত পুলিস কমিশনার সতীশকুমার মিশ্র জানিয়েছেন, কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু ...বিশদ

24-05-2019 - 06:16:00 PM

সুরাতে আগুন: সমবেদনা জানালেন মোদি 
অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। সুরাতে আগুন লাগার ঘটনা প্রসঙ্গে জানালেন নরেন্দ্র মোদি। ...বিশদ

24-05-2019 - 06:07:00 PM

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সুরাতে
ভয়াবহ আগুন সুরাতের সার্থনার একটি বাড়িতে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১৮টি ইঞ্জিন। ...বিশদ

24-05-2019 - 06:01:00 PM

শুভ্রাংশু রায়কে সাসপেন্ড করল তৃণমূল
দলে থেকে দল বিরোধী মন্তব্য করার অপরাধে এবং অন্য ...বিশদ

24-05-2019 - 05:26:55 PM

আউশগ্রামের দিগনগরে তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগানোর অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে 

24-05-2019 - 04:26:22 PM