Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নরেন্দ্র মোদি মেজাজ হারাচ্ছেন কেন?
শুভা দত্ত

নরেন্দ্র মোদির রাজনীতি নিয়ে অনেকের ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর সৌজন্যবোধ নিয়ে এ যাবৎ কোনও প্রশ্ন ওঠেনি। ২০১৯-এর ভোটপর্ব যখন শেষ পর্যায়ে, তখন তিনি মেজাজ হারিয়ে একেবারে রাহুল গান্ধীর প্রয়াত পিতার নামে নিন্দা করে বসলেন। এভাবে তিনি ভদ্রতার সীমা ছাড়ালেন।
রাহুল বহুদিন ধরেই রাফাল চুক্তিতে দুর্নীতির অভিযোগ তুলছেন। স্লোগান দিচ্ছেন, ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’। এতদিন বিজেপি নেতারা তার জবাবে কটূক্তি করেছেন বলে শুনিনি। কিন্তু গত ৫ মে মোদিকে রাহুলের উদ্দেশে বলতে শোনা গেল, আপনার বাবা তো একসময় মিস্টার ক্লিন বলে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু তিনি ভ্রষ্টাচারী নম্বর ওয়ান হিসাবে মারা গেলেন।
প্রয়াত রাজীব গান্ধীর আমলে বোফর্স কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছিল। প্রধানমন্ত্রী তার কথাই বলতে চেয়েছেন। তিনি যে কথাটি ভুলে গিয়েছেন, তা হল, বোফর্স নিয়ে রাজীবের বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালতে টেকেনি। প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কোনও দুর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন বলে প্রমাণ নেই।
সুতরাং আইনের চোখে ওই অভিযোগ অসত্য। তার চেয়েও বড় কথা হল, মৃত ব্যক্তির নামে অভিযোগ করা শিষ্টাচারসম্মত নয়। মনে হয় নরেন্দ্র মোদি কোনও কারণে নার্ভাস হয়ে পড়েছেন। নার্ভাস হলে মানুষ অল্পে মেজাজ হারায়। উল্টোপাল্টা বলে ফেলে।
কেন মোদি নার্ভাস হচ্ছেন? দেশে পাঁচ দফা ভোটগ্রহণের পরে তাঁর মনে কি জয় নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে? তিনি অবশ্য মুখে বলছেন, এবার জিতছেনই। সত্যিই কি তিনি জিতবেন বলে নিশ্চিত? নাকি দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য এইসব বলছেন?
মোদি ২০১৪ সালে ভোটের আগে বলতেন, দেশকে জঙ্গিদের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখবেন। কোটি কোটি চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করবেন। কালো টাকার মালিকদের শায়েস্তা করবেন। মেয়েদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবেন। এইরকম আরও কত কী! সেই প্রতিশ্রুতিগুলি নিয়ে এবার আর বিজেপি নেতারা বিশেষ উচ্চবাচ্য করছেন না। গত কয়েক মাস যাবৎ ভোটের প্রচারে মোদি, অমিত শাহ এবং তাঁদের দলের অন্যরা সবচেয়ে জোর দিচ্ছেন সন্ত্রাসবাদ দমনের ইস্যুতে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে কাশ্মীরের পুলওয়ামায় মারাত্মক কাণ্ড ঘটে। সিআরপিএফ-এর কনভয় যখন হাইওয়ে দিয়ে যাচ্ছিল, বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি নিয়ে তাতে ধাক্কা মারে এক জঙ্গি। ৪০ জনের বেশি আধা সেনা জওয়ান নিহত হন।
স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখা যায় দেশ জুড়ে। জঙ্গি হানার কয়েক দিনের মাথায় আমাদের বায়ুসেনা পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ঢুকে বালাকোট নামে এক জায়গায় বোমা ফেলে আসে। সেখানে জঙ্গিদের শিবির ছিল। সরকারের দাবি, সন্ত্রাসবাদীদের যোগ্য জবাব দেওয়া হয়েছে।
কংগ্রেসের পাল্টা দাবি, মোদির আমলে জম্মু-কাশ্মীরে আরও তৎপর হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসবাদীরা। সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তাকর্মীদের ওপরে আক্রমণের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে ২৬০ শতাংশ। অনুপ্রবেশও বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, ২০১৩ সালে কাশ্মীরে জঙ্গি হানা হয়েছিল ১৭০টি। ২০১৮-তে হয়েছে ৬১৪টি। এই জন্য কংগ্রেস বলছে, সন্ত্রাসবাদীদের তৎপরতা বেড়েছে ২৬০ শতাংশ।
কিন্তু শুধু দু’বছরের তথ্য দিয়ে কাশ্মীরের পুরো ছবিটা বোঝা যায় না। সামগ্রিকভাবে কংগ্রেস আমলের তুলনায় বিজেপি জমানায় জঙ্গি হানার সংখ্যা খুব বাড়েনি, কমেওনি। মোটামুটি একই আছে। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে কেন্দ্রে ছিল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার। তখন কাশ্মীরে জঙ্গি হানা হয়েছে ১৭১৭ বার। অন্যদিকে ২০১৪ থেকে ২০১৮-র মধ্যে কেন্দ্রে ছিল বিজেপি। ওই বছরগুলিতে জঙ্গি হানার সংখ্যা ১৭০৮। ২০১৮-১৯ সালে জঙ্গিরা কতবার হামলা করেছে, তার হিসাব এখনও মেলেনি।
কংগ্রেস আমলের তুলনায় এখন অনুপ্রবেশ কিছু কমেছে। সরকারের দেওয়া তথ্য বলছে, ২০০৯ থেকে ’১৩-র মধ্যে অনুপ্রবেশ হয়েছিল ১৭৬২ বার। ২০১৪ থেকে ’১৮-র মধ্যে ওই সংখ্যা কমে হয়েছে ১৪৫৬।
২০১৬ সালে কাশ্মীরে বুরহান ওয়ানি নামে এক জঙ্গি নিহত হয়। সে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিনের নেতা ছিল। এই মৃত্যুর পরে কাশ্মীর উপত্যকায় গোলযোগ বৃদ্ধি পায়। অনুপ্রবেশের চেষ্টাও বাড়তে থাকে। সম্ভবত বুরহানের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর থেকে সন্ত্রাসবাদীরা এদেশে ঢুকতে চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাদের অনেককে যে রুখে দেওয়া গিয়েছে তাতে সন্দেহ নেই।
সন্ত্রাসবাদীরা শুধু জম্মু-কাশ্মীরেই নেই, দেশের অন্যত্রও আছে। উত্তর-পূর্বের বেশ কয়েকটি রাজ্য দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসকবলিত। এছাড়া মধ্য ভারতের দণ্ডকারণ্যে আছে মাওবাদীরা। ওইসব জায়গায় শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য বিজেপি সরকারের চেষ্টা কতদূর ফলপ্রসূ হয়েছে?
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৫ সালের পর থেকে উত্তর-পূর্বে জঙ্গি হানায় হতাহতের সংখ্যা কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। ১৯৯৭ সালের পরে ২০১৭ সালেই ওই অঞ্চল ছিল সবচেয়ে শান্ত।
মধ্য ভারতের ছবিটা কীরকম?
গতবছরে মোদি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ২০১৪ থেকে ’১৭-র মধ্যে আত্মসমর্পণ করেছে ৩৩৮০ জন মাওবাদী। যদিও নানা মহল থেকে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে, আত্মসমর্পণকারী বলে যাদের দেখানো হয়েছে, তারা সকলে সত্যিই মাওবাদী ছিল তো? নাকি অনেক ক্ষেত্রে গ্রামের নিরীহ মানুষকে ধরে আত্মসমর্পণকারী সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে?
যাই হোক, মাওবাদী হিংসা যে আগের চেয়ে কিছু কমেছে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তার কৃতিত্ব বিজেপি’র একার নয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকই বলছে, মাওবাদীদের তৎপরতা কমতে শুরু করে ২০১১ সাল থেকে। তার মানে কংগ্রেস আমল থেকেই মাওবাদী দমনে সাফল্য আসতে শুরু করেছিল।
বিজেপি নেতারা সন্ত্রাসবাদীদের কঠোর হাতে দমন করার কথা বলেন ঠিকই, কিন্তু কংগ্রেস আমলের তুলনায় তাঁদের রেকর্ড তেমন উজ্জ্বল নয়।
অর্থনীতির ক্ষেত্রে মোদি সরকারের সাফল্য কেমন? নতুন নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে কি?
এককথায় বলতে গেলে, এক্ষেত্রে বিজেপি সরকারের রেকর্ড খুব খারাপ। তথ্য বলছে, চলতি বছরে দেশে বেকারত্বের হার ৬.১ শতাংশ। ১৯৭২-৭৩ সালের পরে বেকারত্বের হার কখনও এত বেশি হয়নি। ২০১১-১২ সালে দেশে কর্মহীন ছিলেন ২.২ শতাংশ মানুষ। সেই তুলনায় কর্মহীনের সংখ্যা এখন অনেক বেড়েছে বলতে হবে। ১৫ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে যাদের বয়স, তাদেরই কাজের অভাব সবচেয়ে বেশি। ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের কাজের সুযোগ কম। শহরে তরুণদের মধ্যে ১৮.৭ শতাংশ ও তরুণীদের ২৭.২ শতাংশের হাতে কাজ নেই। গ্রামের ক্ষেত্রে তরুণদের ১৭.৪ শতাংশ ও তরুণীদের ১৩.৬ শতাংশ কাজ খুঁজছেন।
যে দেশে যুবকদের এক বড় অংশ বেকার থাকে, সেখানে নানা অশান্তি সৃষ্টি হয়। তরুণদের একাংশ অবধারিতভাবে নানা অসাধু কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ে। নানা স্বার্থান্বেষী মহল তাদের নিজেদের কাজে লাগায়। অনেক সময় বেকার যুবকদের একটা অংশ চরমপন্থীদের দলে ভেড়ে। এইভাবে অর্থনৈতিক সংকট সমাজে অস্থিরতার জন্ম দেয়।
কর্মসংস্থানের হাল এত খারাপ কেন?
বিরোধীরা বলছেন, এর জন্য দায়ী নোটবন্দি আর জিএসটি।
২০১৬ সালে ৮ নভেম্বরের সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী সবাইকে চমকে দিয়ে ঘোষণা করলেন, দেশে পাঁচশো আর হাজার টাকার নোট বাতিল। দেশে ওইসময় যত নোট চালু ছিল, তার ৮৬ শতাংশই পাঁচশো ও হাজার টাকার। সরকার ভেবেছিল, নোট বাতিল করে কালো টাকার মালিকদের জব্দ করা যাবে। কিন্তু পরে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানায়, প্রায় সব নোট ফেরত এসেছে।
তাহলে আর কালো টাকার মালিকদের শাস্তি দেওয়া হল কই?
অসাধু উপায়ে যারা বিপুল ধনসম্পত্তির মালিক হয়েছে, তারা দিব্যি রয়ে গেল। কিন্তু নোট বাতিলের ফলে ক্ষতি হল অর্থনীতির। বিশেষত, অর্থনীতির যে শাখায় সবচেয়ে বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হয়, সেই অসংগঠিত ক্ষেত্র পড়ল সবচেয়ে বিপদে। সেখানে মূলত নগদ টাকায় কারবার হয়। নোটবাতিলে অনেক ছোট ব্যবসার ঝাঁপ বন্ধ হল। তার অনিবার্য পরিণতি, কর্মসংকোচন। হাজার হাজার মানুষের বেকার হয়ে যাওয়া।
২০১৭ সালের জুলাই মাসে দেশে গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স চালু হয়। এতেও ছোট ও মাঝারি ব্যবসা সংকটে পড়ে। বহু কর্মী ছাঁটাই হন। মোদি বলেছিলেন, ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রে দেশকে সুপার পাওয়ারে পরিণত করবেন। তার কী হল?
সরকারের দাবি, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের জোরে আর্থিক বৃদ্ধি ঘটবে। ২০২৫ সাল নাগাদ দেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের ২৫ শতাংশ আসবে ম্যানুফ্যাকচারিং থেকে।
ওই প্রকল্প চালু হয়েছে কয়েক বছর হয়ে গেল। এখন ছবিটা কী?
তথ্য বলছে, এখনও পর্যন্ত জিডিপি-র বড়জোর ১৫ শতাংশ আসে ম্যানুফ্যাকচারিং থেকে। আগামী দিনে তার পরিমাণ খুব বেশি বাড়বে বলে আশা কম।
২০১২ সালে দিল্লিতে নির্ভয়া কাণ্ডের পরে বোঝা গিয়েছিল, পথেঘাটে মেয়েদের কতবড় বিপদ ঘটতে পারে। মোদি বলেছিলেন, তাঁর সরকার মহিলাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে। কিন্তু তথ্য বলছে, বিপদ কমেনি। বরং বেড়েছে। নারী নির্যাতনের নানা মামলায় যারা জেলে বন্দি, তারা শাস্তি পেয়েছে কমই। অনেক সময় দেখা গিয়েছে, আক্রান্ত মেয়েটি লোকলজ্জার ভয়ে সাক্ষী দেয়নি। অনেক সময় নিপীড়নকারী পুরুষটিই ভয় দেখিয়েছে আক্রান্ত মহিলা ও তার পরিবারকে।
সারা দেশে চাষিরা কেমন আছেন?
মোদি তো বলেছিলেন, ২০২২ সালের মধ্যে কৃষকদের আয় হবে ডবল। তার কোনও ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে কি? মনে হয় না।
কৃষকদের ঋণ বাড়ছে। চাষের যন্ত্রপাতি, বীজ, সার ইত্যাদি কিনতে গিয়ে তাঁরা দেনাগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। ফসলের ন্যায্য দামও সবসময় মিলছে না। দেনার দায়ে আত্মঘাতী হয়েছেন অনেক চাষি। গত কয়েক বছরে দেশে কয়েকটি বড় কৃষক মিছিল দেখা গিয়েছে।
সব মিলিয়ে স্পষ্ট, এনডিএ সরকারের পাঁচ বছরে ব্যর্থতার ভাগ বেশি। সাফল্য কম। ভোটের বাক্সে সেই ব্যর্থতার প্রতিফলন পড়তে বাধ্য। মোদি তো নার্ভাস হবেনই।
09th  May, 2019
 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
একনজরে
 বেজিং, ২৪ মে (পিটিআই): চীনের দক্ষিণপশ্চিম গুইঝৌউ প্রদেশে নৌকাডুবিতে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ওই ঘটনায় আরও আটজন নিখোঁজ। শুক্রবার সেদেশের সরকারি সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, ২৯ জন যাত্রীকে নিয়ে বৃহস্পতিবার একটি নৌকা বেইপান নদীতে ডুবে যায়। ...

ভুবনেশ্বর, ২৪ মে (পিটিআই): পাঁচে পাঁচ। রেকর্ড গড়ে পরপর পাঁচবারের জন্য ওড়িশার ক্ষমতা নিজেদের দখলে রাখল বিজু জনতা দল (বিজেডি)। ১৪৭টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১১২টিতে ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২৪ মে: তত্ত্ব কথা আওড়ানোর লোক আছে। কিন্তু মাঠে ময়দানে নেমে কাজ করার জন্য দলীয় কর্মী নেই। সেই কারণে সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশের কাছে পৌঁছনোই যায়নি। লোকসভা থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়ে কার্যত এই মর্মেই দলের কেন্দ্রীয় ...

সংবাদদাতা, কান্দি: নিজের জীবনের অন্তত ২০ বছর বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলোর মাধ্যমে কাটিয়েছেন। কখনও কাবাডি নিয়ে মেতে উঠেছিলেন, আবার কখনও ভলিবল খেলায় উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। যদিও ফুটবল তাঁর প্রিয় খেলা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩/৪১ দিবা ৬/২৬। শ্রবণা ১৩/১৪ দিবা ১০/১৫। সূ উ ৪/৫৭/০, অ ৬/৯/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ২/১০/২৫ দিবা ৫/৪৮/৪৮। শ্রবণানক্ষত্র ১২/৪০/১৪ দিবা ১০/০/৪৪, সূ উ ১/২৯/৫, অ ৬/১১/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১/১৩/৪১ গতে ২/৫৩/৬ মধ্যে, কালবেলা ৬/৩৬/৩ মধ্যে ও ৪/৩২/৩১ গতে ৬/১১/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩২/৩০ মধ্যে ও ৩/৩৬/২ গতে ৪/৫৬/৩১ মধ্যে।
১৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সুরাতে আগুন: মৃতদের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা সাহায্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানী ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি মৃতদের ...বিশদ

24-05-2019 - 06:19:00 PM

সুরাতে আগুন: কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু
সুরাত পুলিস কমিশনার সতীশকুমার মিশ্র জানিয়েছেন, কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু ...বিশদ

24-05-2019 - 06:16:00 PM

সুরাতে আগুন: সমবেদনা জানালেন মোদি 
অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। সুরাতে আগুন লাগার ঘটনা প্রসঙ্গে জানালেন নরেন্দ্র মোদি। ...বিশদ

24-05-2019 - 06:07:00 PM

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সুরাতে
ভয়াবহ আগুন সুরাতের সার্থনার একটি বাড়িতে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১৮টি ইঞ্জিন। ...বিশদ

24-05-2019 - 06:01:00 PM

শুভ্রাংশু রায়কে সাসপেন্ড করল তৃণমূল
দলে থেকে দল বিরোধী মন্তব্য করার অপরাধে এবং অন্য ...বিশদ

24-05-2019 - 05:26:55 PM

আউশগ্রামের দিগনগরে তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগানোর অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে 

24-05-2019 - 04:26:22 PM