Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

তাহলে, হাওয়া এবার কোন দিকে?
মোশারফ হোসেন

দেখতে দেখতে মোট সাত দফা ভোটগ্রহণের পাঁচটি দফাই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। গোটা দেশে। আমাদের রাজ্যেও। বাকি দুটি দফায় মাত্র ১১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। যদিও ওইসব কেন্দ্রের ভোট বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বের বিচারে অত্যন্ত সংবেদনশীল। ক্ষমতাসীন পক্ষের স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে বিরোধীপক্ষের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে শেষের এই দুটি পর্বে। তবুও গত পাঁচটি পর্বের ভোটের চেহারা দেখে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে ফলাফল নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে। শাসক দলের নেতানেত্রীরা যা দাবি করছেন তার সরল অর্থ হল, এবারও দেশবাসী তাঁদের পক্ষেই ‘রায়দান’ করছেন। ইভিএমের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আপাত বন্দি সেই ‘রায়’কে প্রকাশ্যে আনলেই স্পষ্ট হবে দেশে ফের একবার মোদি সরকার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। অন্যদিকে, বিরোধীপক্ষের দাবি সম্পূর্ণ বিপরীত খাতে বইছে। এবারে নরেন্দ্র মোদির সামনে প্রধান দুই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ানো ব্যক্তিত্ব রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ কথা, মানুষের মনের ভাষা তাঁরা পড়তে পারছেন। সিংহভাগ ভারতবাসী এবার মোদি ও তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গদের রাজনৈতিক নির্বাসন দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন। এই ভোটে মোদি-রাজের অবসান হচ্ছেই।
আবার, অধিকাংশ সাধারণ মানুষ বিশেষত দিন আনা দিন খাওয়া দরিদ্র ভারতবাসী তো বটেই, মধ্যবিত্তদের বড় অংশও এটুকু বোঝেন, ক্ষমতায় যে-ই আসুক না কেন তাঁদের দৈনন্দিন দিনলিপিতে আহামরি কোনও পরিবর্তন হবে না। ভোটের আগে যারা যেমন প্রতিশ্রুতিই দিক না কেন, ভোটের পরে তার অধিকাংশই বিস্মৃতি গভীরে তলিয়ে যায়। বহুক্ষেত্রেই নেতানেত্রীরাও প্রাক-ভোটপর্বে দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতিগুলিকে খুব একটা মনে রাখতে চান না। এসবের উদাহরণের অভাব খুব একটা নেই। হাতে গরম উদাহরণ হলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাঁচবছর আগে ভোটভিক্ষার পাত্র হাতে দাঁড়ানো ওই মানুষটি কত রকমের প্রতিশ্রুতিই তো দিয়েছিলেন! বিদেশে পাচার হওয়া রাশি রাশি কালো টাকা ফিরিয়ে এনে প্রতিটি ভারতীয়ের অ্যাকাউন্টে পনেরো লক্ষ করে ভরে দেওয়া থেকে শুরু করে বছরে দু’কোটি চাকরি, সব কা সাথ সব কা বিকাশ, আচ্ছে দিন—তালিকাটি দীর্ঘ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার টানাপোড়েনে মাঝখানে কোনও অঘটন ঘটেনি। ফলে পুরো পাঁচ বছরের মেয়াদই পূরণ করার সুযোগ পেয়েছিল মোদি সরকার। ফলে গতবার ভোটের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণের যথেষ্ট সুযোগ ছিল তাঁর হাতে। শুধু তাই নয়, সরকার এবং নিজের দলে মোদি এমন একটি অবস্থানে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন যাতে তিনি কোনও কাজ করতে চাইলে তাঁকে বাধা দেওয়ার মতো কোনও শক্তি ছিল না। কিন্তু বাস্তবে তিনি কেবল নিজের এবং নিজের পছন্দের কিছু মানুষের বিকাশ ও সমৃদ্ধি ঘটানোর কাজেই আত্মনিয়োগ করেছিলেন। একদা গরিব চাওয়ালা মোদি প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেই ন’লাখ টাকা দামের পোশাকে নিজেকে সজ্জিত করেছেন। স্বাধীন ভারতের অন্য সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর সমস্ত রেকর্ডকে ম্লান করে দিয়ে মাত্র সাড়ে চার বছরে প্রায় একশোবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। তাঁর ওইসব সফরের মূল্য চোকাতে হয়েছে দেশবাসীকেই। কয়েক হাজার কোটি টাকা। তিনি বারে বারে বিদেশে গিয়েছেন, কিন্তু বিদেশ থেকে একটি কালো টাকাও ফিরিয়ে আনতে পারেননি। কারা সেইসব কালো টাকা বিদেশে পাচার করেছিল তাদের নামের তালিকাটুকু পর্যন্ত দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হননি। বরং নাম জানা বেশ কয়েকজন রাঘব বোয়ালের হাত ধরে দেশের আরও হাজার হাজার কোটি টাকা হাওয়া হয়ে গিয়েছে। মোদিজি ওই অপরাধীদেরও টিকি পর্যন্ত ছুঁতে পারেননি। এগুলো তো বটেই, ভারতের মানুষ নরেন্দ্র মোদির মুখে গত তিন-চার বছরে আরও অনেক প্রতিশ্রুতি, আশ্বাস, আস্ফালন শুনেছেন। কিন্তু সেইসব আশ্বাস, আস্ফালন, প্রতিশ্রুতি কেবল কথার কথা হয়েই রয়ে গিয়েছে। কাজে আসেনি। অন্যদিকে, বহু আশা করে মোদিকে ক্ষমতায় আসতে সাহায্য করা কোটি কোটি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
এতসব সত্ত্বেও মানুষ আশা ছাড়ছে না। কারণ, আশাই তো বাঁচিয়ে রাখে! সেকারণেই এবারের ভোটপর্ব নিয়েও আলাপ আলোচনা, হিসেব নিকেশ চলছে। রাজনৈতিক অরাজনৈতিক দুই আঙিনাতেই। চায়ের ঠেক থেকে অফিস আদালত চত্বরে, ট্রেন বাসে, ঘরোয়া সমাবেশে। বিয়েবাড়ি থেকে যে কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে গোটাকতক মাথা এক হলেই, একটু ফুরসত মিললেই একটাই আলোচনা—তাহলে এবার রেজাল্ট কেমন হতে পারে? না। স্কুল-কলেজে ছেলেমেয়ের পরীক্ষার রেজাল্ট নয়। ভোটের ফল। এবার এনডিএ মোট কতগুলো আসন পেতে পারে? আমাদের রাজ্যে বিজেপি কি আট-দশটা পাবে? কংগ্রেসের ক’টা থাকবে? সিপিএম কি একেবারেই জিরো হয়ে যাবে? দিদির দল কি তাঁর কথা মতো বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশই পাচ্ছে? তাহলে তো দিল্লি দিদির মুঠোয় এসে যাচ্ছে। রাহুলের বদলে বিরোধীরা দিদিকেই সামনে এগিয়ে দিতে চাইবে। হাজার হোক, মহিলার ক্যারিশ্মার ধারে কাছে আর কেউ আসে না। অতবার কেন্দ্রে মন্ত্রী তো হয়েছিলেন! মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর রাজ্যটার ভোলও তো বদলে দিয়েছেন! আর, দাপটটা দেখছেন তো? একা বুক চিতিয়ে লড়ে যাচ্ছেন। একটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছেন মোদির মতো লোককে! উল্টোদিক থেকে কেউ বলে, কিন্তু ওনার কেবল ওইদিকটাই দেখলেন! এই যে এখানে এমন নির্লজ্জের মতো তোষণ করে যাচ্ছেন, এর কোনও মানে হয়! তাছাড়া পাকিস্তানকে সমঝে দেওয়ার ক্ষমতা মোদির মতো আর কার আছে? আর পাঁচটা বছর ক্ষমতা পেলে সবাইকে ঢিট করে দেবে। পাকিস্তান হয়েছে, হিন্দুস্থান হবে না কেন? দেশজুড়ে এবার দেশভক্তির পালে জোর হাওয়া। সেই হাওয়াতেই মোদিজি তরী পার করে দেবেন। পরের বাক্যটি শুরু করার আগেই বক্তাকে থামিয়ে দেন কেউ। বলেন, আরে থামুন থামুন। পাঁচ বছর কোনও কাজ না করে কেবল পাকিস্তানের জুজু দেখিয়ে আর ক’টা অর্ধসত্য, অসত্য বস্তাপচা কাহিনী ফেঁদেই লোকটা পার পেয়ে যাবে! তা কি হয়! যুক্তি-পাল্টা যুক্তি, মন্তব্য আরও এগিয়ে চলে। মন্তব্যের শেষ নেই। প্রশ্নেরও সীমা নেই। বিশেষত বাঙালির ভাণ্ডারে আর যা কিছুরই অভাব থাক না কেন, যুক্তি-পাল্টা যুক্তির কোনও অভাব থাকে না।
ভোট পড়ার হারও এবার হিসেব নিকেশ, অনুমানের একটি বড় ফ্যাক্টর। ভোট পড়ছে ব্যাপক হারে। অধিকাংশ কেন্দ্রেই ৭৫- ৮০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ভোটের লাইনে হাজার হাজার মহিলা পুরুষ, বৃদ্ধ বৃদ্ধা, তরুণ তরুণী। এমনকী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তথা তথাকথিত প্রতিবন্ধীরাও। আমাদের রাজ্যের বীরভূম জেলার বোলপুর কেন্দ্রে তো ৮৬ শতাংশ ভোট পড়ল। সারা ভারতে এটি এবার রেকর্ড। এত মানুষ ভোটের লাইনে। এর মানে কী? এপ্রশ্নেও পরস্পরবিরোধী মতের ছড়াছড়ি। কারও মতে, এ হল অ্যান্টি ইনকাম্বেন্সি অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানবিরোধী মতদানের সুযোগের সদ্ব্যবহারের চেষ্টা। তাহলে তো গোটা দেশে মোদি ও তাঁর দলবলের পক্ষেও অশনিসঙ্কেত। একইভাবে এরাজ্যেও শাসকদলের বিরুদ্ধে ভোট দিতেই এত মানুষ বুথের সামনে লাইন দিয়েছিলেন! নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গত সাতবছরের অক্লান্ত পরিশ্রমকে স্বীকৃতি জানিয়ে, তাঁর উন্নয়নযজ্ঞে মুগ্ধ হয়ে বাংলার অগ্নিকন্যাকে আরও বড় দায়িত্বের দিকে এগিয়ে দিতেই বাংলার কোটি কোটি ভোটারের এমন সক্রিয় ভূমিকা? বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর হাওয়া উঠেছে। মমতার কোনও বিকল্প হবে না। বাংলার দিদিই এবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন। কেউ আটকাতে পারবে না।
এসব প্রশ্নের সঠিক জবাব এখনই মেলার কোনও পথ নেই। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও সপ্তাহদুয়েক। ফের একবার মোদি সরকার? নাকি মোদি-বিদায়ের পালা। অথবা দিল্লির তখতে রাহুল গান্ধীর অভিষেক, নাকি বাংলার অগ্নিকন্যার নেতৃত্বে দেশে তথাকথিত জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে— এর ফয়সালা হবে আগামী ২৩ মে অথবা তার কয়েকদিনের মধ্যেই।
এপ্রসঙ্গে একটি ঘটনার কথা বলে লেখা শেষ করব। বেশ কয়েকবছর আগে একটি ভোটের মুখে কলকাতার কয়েকজন প্রবীণ সাংবাদিক রাজ্যেরই একটি মফস্‌সল এলাকায় পাড়ি দিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য, ভোটের হাওয়া অনুধাবনের চেষ্টা করা। একটি চায়ের দোকানের সামনে বাঁশের বেঞ্চিতে বসে খানিক গল্পগুজবের পর এক সাংবাদিক ওখানে উপস্থিত স্থানীয় এক বৃদ্ধের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিলেন, বলুন তো কত্তা, হাওয়া এবার কোনদিকে? গাড়ি চড়ে আসা অপরিচিত সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাব দিতে সেই বৃদ্ধ এক মুহূর্তের বেশি সময় নেননি। তাঁর জবাবটি ছিল, বাবু, হাওয়া এবার চতুর্দিকে। এবার যা বুঝার বুঝে লিন।
এবারও বোধহয় হাওয়া চতুর্দিকেই বইছে। মানুষ খোলসা করে তাঁদের মনের কথা বলতে চাইছেন না। অতএব অপেক্ষা ছাড়া গতি নেই।
07th  May, 2019
আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। বিশদ

23rd  August, 2019
অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

 ১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। বিশদ

23rd  August, 2019
চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

22nd  August, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
একনজরে
 কাজল মণ্ডল, ইসলামপুর, সংবাদদাতা: ইসলামপুর মহকুমায় জনজাগরণ কর্মসূচি নিয়ে বিজেপি এখনও মাঠে নামতে পারেনি। তাছাড়া ইতিমধ্যেই একবার কর্মসূচি ঘোষণা করে তার দিনক্ষণ পিছতেও হয়েছে বিজেপিকে। জনজাগরণ নামের ওই কর্মসূচি প্রকৃত পক্ষে বিরোধীদের কাউন্টার করার কর্মসূচি। কিন্তু এনিয়ে বিজেপি’র টালবাহানায় দলের ...

নয়াদিল্লি, ২৩ আগস্ট (পিটিআই): বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ বিচারকের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য উত্তরপ্রদেশ সরকারকে শুক্রবার নির্দেশিকা জারি করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে এই নির্দেশিকা জারি করতে হবে। ৩০ সেপ্টেম্বর অবসর গ্রহণ করতে চলেছেন ওই বিশেষ বিচারক। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফেডারেশনের অনুমোদিত টুর্নামেন্ট হলেও ডুরান্ড কাপের ব্যাক ড্রপে নেই এআইএফএফের কোনও লোগো। এফএসডিএলের আপত্তিতেই ডুরান্ড কাপের ব্যাক ড্রপে ফেডারেশনের লোগো নেই বলে জানা গেল। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: তৃণমূলকে সরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে আনার ব্যাপারে ভোটারদের দু’বার ভাবতে বললেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সন্ত্রাস ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতমূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৯০: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হয়ে কলকাতায় পা রাখলেন জোব চার্নক
১৯০৮: বিপ্লবী শিবরাম রাজগুরুর জন্ম
১৯৯১: সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মিখাইল গর্বাচভ

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  August, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  August, 2019

দিন পঞ্জিকা

আজ জন্মাষ্টমী উৎসব
৭ ভাদ্র ১৪২৬, ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, অষ্টমী ৮/১ দিবা ৮/৩২। রোহিণী ৫৭/১৯ রাত্রি ৪/১৬। সূ উ ৫/২০/১, অ ৫/৫৮/২১, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/১৩ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৪৯ মধ্যে পুনঃ ৪/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/২৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে উদয়াবধি।
আজ জন্মাষ্টমী উৎসব
৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, নবমী ৫৪/২১/৫৯ রাত্রি ৩/৩/৫১। রোহিণীনক্ষত্র ৪৮/১৪/৪৬ রাত্রি ১২/৩৬/৫৭, সূ উ ৫/১৯/৩, অ ৬/১/২৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১৪ গতে ১০/৩০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ১/৩১ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ১/১৫/৩৩ গতে ২/৫০/৫১ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৪/২১ মধ্যে ও ৪/২৬/৯ গতে ৬/১/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২৬/৯ মধ্যে ও ৩/৫৪/২১ গতে ৫/১৯/১৯ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ঝাড়খণ্ডে লাইনচ্যুত মালগাড়ি 
ঝাড়খণ্ডে লাইনচ্যুত মালগাড়ি। দুর্ঘটনার জেরে বহু দুরপাল্লার ট্রেন একাধিক স্টেশনে ...বিশদ

09:14:13 PM

ডুরান্ড কাপ জিতল গোকুলাম
মোহন বাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ জিতল গোকুলাম এফ ...বিশদ

07:02:58 PM

অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিগুলিতে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত 
প্রতিরক্ষা উৎপাদন সচিবের থেকে লিখিত আশ্বাস মেলায় কর্মবিরতি প্রত্যাহার করলেন ...বিশদ

03:49:44 PM

অরুণ জেটলির প্রয়াণে শোকপ্রকাশ প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের 

02:40:20 PM

প্রয়াত অরুণ জেটলি, আজকের দিনের সব কর্মসূচি বাতিল করল রাজ্য বিজেপি 

02:09:35 PM

এক গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুকে হারামাল, অরুণ জেটলির প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে ট্যুইট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির 

01:41:21 PM