Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাজনীতির পাঁকে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা
শুভময় মৈত্র

দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন অনেক সময়। কেউ কেউ বড্ড বেশি যোগাযোগ রাখছেন ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। তারপর সেখানে তীব্র দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হওয়ায় অনেক সময় চাকরিতে ইস্তফা দিতে হচ্ছে। নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় যোগ দিতে হচ্ছে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে। ভোটপ্রচারে তাঁদের মুখ ফসকে বেরিয়ে যাচ্ছে এমন সব ভাষা যা একেবারে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকেই শেখা। কিন্তু একথা তো অস্বীকার করা যায় না দেশটা যে চলে তার একটা বড় কারণ আমাদের সরকারি কর্মচারিরা। তাদের কাজে শিথিলতা থাকে অনেক সময়। সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্রের মতই অল্পবিস্তর দুর্নীতিও খুঁজে পাওয়া যাবে খুঁটিয়ে দেখলে। তা সত্ত্বেও কিছু নিয়ম নীতির মধ্যে দিয়ে প্রশাসন এবং আইনব্যবস্থা পথ হাঁটে। দেশের নিয়ম যেরকম, তাতে নীতি ঠিক করেন নির্বাচনে জেতা মন্ত্রীমশাই কিংবা জনপ্রতিনিধি, আর তার বাস্তবায়নে মাঠে নামে প্রশাসন। ফলে সেই নিয়মে পড়াশোনায় অত্যন্ত ভালো আইএএস কিংবা আইপিএস অফিসারদেরও জনগণের ভোটে নির্বাচিত লোকজনের কথা শুনে চলতে হয় বেশিরভাগ সময়। একথা তো সত্যি যে আমাদের দেশে এমন কোনও নিয়ম নেই যে ভোটে প্রার্থী হতে গেলে কিংবা ভোট দিতে গেলে মাধ্যমিকের অঙ্কে আশি পেতে হবে। অথচ সরকারি প্রশাসনে উচ্চপদের চাকরি পেতে গেলে অঙ্ক না হলেও, অন্যান্য অনেক বিষয়ে ভালো নম্বর পাওয়া জরুরি।
সরকারি পরীক্ষাতেও মাঝে মাঝে বিভিন্ন জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে, কিন্তু মোটের ওপর আমাদের দেশে উচ্চপদের সরকারি চাকরি অনৈতিকভাবে পাওয়া শক্ত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রচুর প্রস্তুতি নিতে হয় এই ধরনের পরীক্ষায় সফলতা পেতে। আর শেষ পর্যন্ত অসাধারণ পরিশ্রম করে যাঁরা সফল হন, তাঁদের মধ্যে একটা বড় অংশকে কাজ করতে হয়ে এমন নেতাদের অধীনে যাঁদের জীবনে সফলতা অন্য পথে এসেছে। রাজনীতিবিদদের একটা বড় অংশের মধ্যে কৈশোর বা যৌবনে পড়াশোনা, খেলাধুলো, বা অন্য কোনও প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রে সফলতার হার উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারিদের থেকে অনেক অনেক কম। অন্তর্জালে রাজনীতিবিদ অনেকের বিদ্যালয় এবং স্নাতকস্তরের মার্কশিট থাকে না। কজন রাজনীতিবিদ তাঁর পড়াশোনার ফলগুলোকে জানাতে পারেন সবাইকে? পারেন না, তার কারণ সকলের পড়াশোনার ফলাফল সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়, মনোহর পারিক্কার কিংবা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মত নয়। পড়াশোনার কথা না হয় ছেড়েই দেওয়া গেল। কতজন রাজনীতিবিদ আছেন যাঁরা ইস্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সফল হয়েছেন, কিংবা একটা আবৃত্তি করে বা ছবি এঁকে টিফিনবক্স বা জলের বোতল পেয়েছেন? সে সংখ্যাটাও সম্ভবত খুব কম।
বিষয়টাকে আর একটু নির্দিষ্টভাবে আলোচনা করা যাক। জীবনের প্রথম সরকারি পরীক্ষা সাধারণভাবে মাধ্যমিক স্তরে। এবার তুলনা করা যাক মাধ্যমিকে সাংসদদের গড় নম্বর আর আইএএস-আইপিএসদের। আমাদের রাজ্যের ক্ষেত্রে এই তুলনা হতে পারে বিধায়ক আর ডব্লুবিসিএস অফিসারদের মধ্যে। ফলাফল সকলেরই জানা। এটা কিন্তু অবশ্যই গড়ের প্রশ্ন। পড়াশোনা বা খেলাধুলো ভালো না করেও এমন এক-দুজন রাজনীতিবিদ থাকতেই পারেন যাঁর অবদান দেশের ক্ষেত্রে অনস্বীকার্য। তবে সেটা ভীষণ অল্প কিছু ক্ষেত্রের উদাহরণ। গড়ের বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, তার কারণ এক-দুজন মনীষীকে নিয়ে রচনা লেখা যায়, কিন্তু দেশ চলে বিপুল সংখ্যক দক্ষ মানুষের দৈনন্দিন কাজের নিরিখে। তাই তো বারবার গড়ের কথাটা আসে। সূচক যাই ধরা হোক না কেন, সেই গড় আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের ক্ষেত্রে খুব উচ্চস্তরের গুণগত মান প্রকাশ করতে পারে না। এর ওপর আছে শিক্ষাগত যোগ্যতায় সততার প্রশ্ন। শুধু আজকে নয়, স্বাধীনতার পর থেকেই রাজনীতিবিদদের একটা অংশ নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে যা দাবি করেছেন, পরে তা সত্য হিসেবে প্রমাণ করতে অসমর্থ হয়েছেন তাঁরা। অর্থাৎ তাঁরা বোঝেন যে ডিগ্রির দাম আছে, তাইতো নিজেদের মানোন্নয়নে একঝুড়ি মিথ্যে নম্বর বইতে হয় সেই বিশেষ বিশেষ নেতানেত্রীকে। তবে এতক্ষণ যা বলা হল সেকথা নতুন কিছু নয়, আমাদের দেশে এমনটাই চলছে সাতচল্লিশের পর থেকে।
কিন্তু বিপদ এখন অনেক বেশি। ধরা যাক আপনি ভারতের সবথেকে ভালো সরকারি প্রযুক্তিবিদ্যার কেন্দ্র আইআইটি থেকে প্রচুর নম্বর পেয়ে পাশ করেছেন। তারপর কোনও কারণে গবেষণার কাজে না গিয়ে দেশসেবা করতে আইএএস বা আইপিএস হয়েছেন। দেশ বা রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কোনও পদে আছেন। ভালোবাসেন অঙ্ক করতে। হয়তো ইংরেজি বা ইতিহাস জানেন দারুণ। প্রযুক্তির অত্যন্ত উন্নত তত্ত্ব সম্পর্কে আপনার সম্যক জ্ঞান। দেশটা কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় সেকথা আপনার থেকে ভালো জানে খুব কম লোক। আপনাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়ে ঋদ্ধ হন সাধারণ মানুষ। আপনাদের জ্ঞানের পরিধি এতটাই প্রসারিত যে দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গিয়ে অসাধারণ ভালো পড়াতে পারেন আপনারা। কিন্তু সেই আপনাদের জড়িয়ে পড়তে হয়েছে দুই নেতানেত্রী বা একাধিক রাজনৈতিক দলের দ্বন্দ্বের মধ্যে। রাজনীতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে থাকা যে দুর্নীতি, তা সামাল দিতে বারবার বিপদে পড়ছেন আপনারা।
এ অবস্থা কিন্তু ভারতের রাজনীতিতে অনেক কম ছিল আগের সহস্রাব্দেও। নিশ্চিন্তে কোথায় অফিসের কাজ শেষে নিজের ছেলেমেয়েদের একটু পড়াশোনা করাবেন, তার বদলে ভোটের সময় প্রতিদিন এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে আপনাদের। দেশের জন্যে লড়তে গিয়ে প্রাণ দিয়েছেন আপনারা। আর আপনার উৎসর্গীকৃত সেই জীবন নাকি সীমানা পেরিয়েছে ভোটপ্রার্থী নেতানেত্রীর অভিশাপে! শুধু প্রশাসনেই বা কেন? বিচার ব্যবস্থায় অত্যন্ত সৎ ভাবে কাজ করা মানুষদের অবস্থাও অনেকসময় সুবিধের নয়। কখনও বা উচ্চতর এবং উচ্চতম ন্যায়ালয়ের সম্মানীয় বিচারপতিদের কারও কারও বিরুদ্ধে উদ্ভট অপবাদ বা অভিযোগ আসছে বারবার। সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় অনেকেই মনে করছেন যে এসমস্ত ষড়যন্ত্রের পেছনে আছে রাজনৈতিক নেতারা।
তবু মুখ বুজে সবটুকু সহ্য করে নিয়ে সরকারি কর্মচারীরা চালিয়ে যাবেন প্রশাসন বা বিচার ব্যবস্থার কাজ। জেতার আশায় ভোটপ্রচারে নেতানেত্রী কথায় কথায় হেয় করবেন তাঁদের থেকে অনেক অনেকগুণ যোগ্য মানুষদের। জেলাপুলিসের ঊর্দ্ধতন কর্মচারিদের অপমানজনক কথা বারবার শোনানো হবে অমায়িক ভঙ্গীতে। এবং তারপর সেই নেতাদের মধ্যেই একজন ভোটে জিতবেন। তাঁরাই আবার সবাই মিলে দুশো বাহাত্তর পেরিয়ে সরকার গড়বেন। তাঁদের শপথ নেওয়াতে আসতে হবে দেশের উচ্চতম ন্যায়ালয়ের প্রধান বিচারপতিকে। তাঁদের নির্ধারিত নীতিকে প্রয়োগ করতে হবে দেশের শিক্ষিত সরকারি কর্মচারিদের। সেটুকু তো ঠিকই ছিল। কিন্তু তাঁদের কারও দুর্নীতি, তাঁদের হিংসা, তাঁদের অনেকের ক্ষমতার প্রতি তীব্র লোভ, এসবের দায়ভার যদি সরকারি কর্মীদের নিতে হয় তাহলে কিন্তু ভীষণ বিপদ। একটু ঘাড় বেঁকিয়ে তাকালেই দেখতে পাবেন এমন ঘটনা বাড়ছে আমাদের দেশে। উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মীদের ভয় দেখিয়ে কাজ করানো এবং তাঁদের ফাঁসিয়ে দেওয়ার ঘটনা উঠে আসছে বারবার। স্বাধীন সংস্থাগুলোর অবস্থাও তথৈবচ। বিচার ব্যবস্থা থেকে মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা, নির্বাচন কমিশন থেকে প্রশাসন, সব কিছুকেই আপন করে নেওয়ার যে রাজনৈতিক প্রচেষ্টা কেন্দ্র, বিভিন্ন রাজ্য এবং সর্বোপরি কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কের নীতি নির্ধারকদের মধ্যে ঢুকে পড়েছে, তার থেকে সরকারি কর্মীদের আশু মুক্তির প্রয়োজন। একদিকে তাঁদের কাজ রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে, অন্যদিকে সেই সব দলের সঙ্গে সঠিক দূরত্ব না রাখলে পরবর্তীকালে বিপদ বাড়তে পারে অনেকটা। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মীদের চাকরির সুরক্ষা তাই কাদাগোলা বিশবাঁও জলের তলায়।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
07th  May, 2019
 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, কান্দি: নিজের জীবনের অন্তত ২০ বছর বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলোর মাধ্যমে কাটিয়েছেন। কখনও কাবাডি নিয়ে মেতে উঠেছিলেন, আবার কখনও ভলিবল খেলায় উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। যদিও ফুটবল তাঁর প্রিয় খেলা। ...

 নয়াদিল্লি ও মুম্বই, ২৪ মে (পিটিআই): মোদি-ঝড়ে দ্বিতীয় দিনেও চাঙ্গা শেয়ার বাজার। শুক্রবার ৬২৩ পয়েন্ট বেড়ে ৩৯ হাজার ৪৩৪.৭২ পয়েন্টে পৌঁছল বম্বে শেয়ার বাজার সূচক সেনসেক্স। ...

 দীপ্তিমান মুখোপাধ্যায়, হাওড়া: ব্যবধান মাত্র তিন বছরের। তার মধ্যেই হাওড়া সদর লোকসভার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রেই তৃণমূলের জয়ের মার্জিন অনেকখানি কমল। যদিও শতাংশের হারে তৃণমূলের ভোট না কমলেও সিপিএমের ভোট প্রায় সবটাই বিজেপির বাক্সে গিয়েছে। ...

 লন্ডন, ২৪ মে: বল বিকৃতি কাণ্ডের জেরে এক বছর ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন তিনি। তবু ব্যাটের ধার এতটুকু কমেনি ডেভিড ওয়ার্নারের। বরং নির্বাসন কাটিয়ে ঢের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩/৪১ দিবা ৬/২৬। শ্রবণা ১৩/১৪ দিবা ১০/১৫। সূ উ ৪/৫৭/০, অ ৬/৯/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ২/১০/২৫ দিবা ৫/৪৮/৪৮। শ্রবণানক্ষত্র ১২/৪০/১৪ দিবা ১০/০/৪৪, সূ উ ১/২৯/৫, অ ৬/১১/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১/১৩/৪১ গতে ২/৫৩/৬ মধ্যে, কালবেলা ৬/৩৬/৩ মধ্যে ও ৪/৩২/৩১ গতে ৬/১১/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩২/৩০ মধ্যে ও ৩/৩৬/২ গতে ৪/৫৬/৩১ মধ্যে।
১৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সুরাতে আগুন: মৃতদের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা সাহায্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানী ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি মৃতদের ...বিশদ

24-05-2019 - 06:19:00 PM

সুরাতে আগুন: কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু
সুরাত পুলিস কমিশনার সতীশকুমার মিশ্র জানিয়েছেন, কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু ...বিশদ

24-05-2019 - 06:16:00 PM

সুরাতে আগুন: সমবেদনা জানালেন মোদি 
অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। সুরাতে আগুন লাগার ঘটনা প্রসঙ্গে জানালেন নরেন্দ্র মোদি। ...বিশদ

24-05-2019 - 06:07:00 PM

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সুরাতে
ভয়াবহ আগুন সুরাতের সার্থনার একটি বাড়িতে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১৮টি ইঞ্জিন। ...বিশদ

24-05-2019 - 06:01:00 PM

শুভ্রাংশু রায়কে সাসপেন্ড করল তৃণমূল
দলে থেকে দল বিরোধী মন্তব্য করার অপরাধে এবং অন্য ...বিশদ

24-05-2019 - 05:26:55 PM

আউশগ্রামের দিগনগরে তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগানোর অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে 

24-05-2019 - 04:26:22 PM