Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইরান-মার্কিন দ্বন্দ্ব
তেলসংকটের মুখে ভারত 
গৌরীশঙ্কর নাগ

গত ২২ এপ্রিল ইরান থেকে তেল আমদানির ওপর আমেরিকার ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার ফলে ২ মে থেকে ভারতসহ ৬টি রাষ্ট্র (চীন, ইতালি, গ্রিস, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান ও তুর্কি) ফের অসুবিধার মুখে পড়তে চলেছে। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, দেশের অভ্যন্তরে তুমুল বিরোধিতার মুখে দাঁড়িয়ে মোদি আশা করেছিলেন, তাঁর বিদেশনীতি (ইতিমধ্যেই যাকে আলিঙ্গনের বা কোলাকুলির কূটনীতি বা ‘Hugplomacy’ বলে বিরোধী শিবির দাগতে শুরু করেছেন), বিশেষত মার্কিন দৌত্য কিছুটা হলেও ক্ষতে প্রলেপ দেবে। কিন্তু সে গুড়ে বালি। কারণ, ট্রাম্প-পোম্পেওর চোখ রাঙানির সামনে ভারতের অসহায়তা একদিকে যেমন তার মার্কিন নীতির অসারতার ইঙ্গিতবাহী, তেমনি ভারতের অপ্রস্তুত অবস্থাও বলার অপেক্ষা রাখে না। লোকসভার ভোট বলে সরকারের তরফে হয়তো তেল কোম্পানিগুলিকে এখনই তেলের মূল্যবৃদ্ধি আটকাতে বার্তা দেওয়া হতে পারে। তাই কিছুটা হলেও কালবৈশাখীর মতো সাময়িক স্বস্তি। কিন্তু ২৩ মে ভোটপর্ব মিটলেই তৎক্ষণাৎ মূল্যবৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী। এমনকী একলাফে লিটারপিছু পেট্রল ও ডিজেলের দর ৫ টাকা বা ততোধিক দাম বাড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে, ইনফ্লেশন নতুন সরকারের গলার কাঁটা হয়ে উঠতেই পারে।
মনে রাখা দরকার, বিশ্ববাজারে খনিজ তেলের দাম চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হলেও, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার দরুন তেলের দাম দারুণভাবে প্রভাবিত হয়। যেমন গত বছর ৮ মে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক জেসিপিওএ (২০১৫) বাতিল করার পর থেকে ইরান-মার্কিন দ্বন্দ্ব ক্রমশ চড়ামাত্রা লাভ করেছে।
বলা বাহুল্য, আমেরিকা প্রদত্ত এই চাপের রাজনীতির মূল লক্ষ্য হল, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র গবেষণা থেকে নিরস্ত্র করা। তবে, ইরানের অনমনীয়তা ও কৌশলী অবস্থানের দরুন বল অনেকটা দূর গড়াবে বলে মনে হয়।
প্রথমত, ইরানের দিক থেকে যে দুটো সম্ভাব্য পদক্ষেপের ইঙ্গিত আমরা পাচ্ছি তার একটি হল ইরান ১৯৬৮ সালের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি থেকে সরে আসতে পারে। সেক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। চীন সেই কারণেই ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন পদক্ষেপকে এক হাত নিয়েছে।
দ্বিতীয়ত, তৈল বাণিজ্য মার খেলে ইরান সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যানেল স্ট্রেট অব হরমুজকে বন্ধ করে দিতে পারে বলে আগাম বার্তা দিয়েছে।
সেক্ষেত্রে সংকট ঘনীভূত হতে বাধ্য। তাছাড়া আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহৃত হলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আঞ্চলিক হিগেম্যানি প্রসারের পথ সুগম হতে পারে। ইতিমধ্যেই ইরান বেশ কতকগুলি রাষ্ট্রে যেমন ইরাক, লেবানন, ইয়েমেন, সিরিয়ার যথেষ্ট প্রভাব বিস্তারের সক্ষম হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আমেরিকা ইরানের এই সক্রিয়তাকে রোধ করতে চাইছে। বিখ্যাত Foreign Affairs জার্নালের সাম্প্রতিক একটি ইস্যুতে জন হপকিন্স স্কুলের বিশেষজ্ঞ মাইকেল ম্যান্ডেলবাম তাঁর The New Containment শীর্ষক প্রবন্ধে রাশিয়া, চীনের সঙ্গে সঙ্গে ইরানের প্রতি নয়া-মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গির আলোচনা করেছেন।
তবে, ইরানের শক্তি মার্কিন-বিরোধী জাতীয়তাবাদ নয়, বরং বৃহত্তর র‌্যাডিকাল ভাবধারা। সেইসঙ্গে ইরানের অর্থনীতি প্রধানত তেল ব্যবসার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ায় তেলের ওপর কোপ মেরে যদি অবাধ্য ইরানকে কিছুটা জব্দ করা যায়—সেটাই মার্কিন স্ট্রাটেজি। এতে অবশ্য আমেরিকারও আংশিক অসুবিধা হবে। তবে বিবেক মাথুরের মতো বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকা, ইউরোপ যতটা মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরশীল, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি তার থেকে অনেকটাই বেশি নির্ভরশীল। যেমন ক্রমশ শিল্প, পরিকাঠামো উন্নয়ন, পণ্য পরিবহণের ওপর জোর দেওয়ার ভারতের অভ্যন্তরীণ তেল চাহিদা অতি দ্রুত হারে বেড়ে চলেছে, যা এশিয়ার মধ্যে মুষ্টিমেয় সর্বাধিক চাহিদাসম্পন্ন অর্থনীতিগুলির মধ্যে অন্যতম।
ভারতের এই অত্যধিক এনার্জি ফুয়েল চাহিদা একদিকে যেমন তার অর্থনীতির প্রতিযোগিতামূলক অগ্রগতির পরিচায়ক, তেমনই বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তার ক্রমবর্ধমান নিবিড় যোগের ইঙ্গিতবাহী। সেইসঙ্গে লক্ষণীয় যে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত রিলায়েন্স ও এসারের মতো অয়েল সংস্থা বিদেশে পরিশোধিত তেল রপ্তানির ব্যবস্থা করলেও ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানির ৮৫ শতাংশেই সৌদি আরব ও ইরান জোগান দেয়। এমতাবস্থায় ইরান থেকে তেল আনার ওপর নিষেধাজ্ঞার দরুন কেবল তেলের দাম বাড়বেই না, সেইসঙ্গে বৃহৎ বেসরকারি কোম্পানিগুলির তেল ব্যবসাও মার খাবে, যার বিরূপ প্রভাব ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ওপর পড়বে।
এমতাবস্থায় ভারতের করণীয় কী?
প্রথমত, আমরা জানি উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের প্রভাবের অন্যতম মাধ্যম ভারত থেকে আগত অসংখ্য প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত কর্মী। সুতরাং এই লেবার সাপ্লাইকে ব্যবহার করে ভারত উপসাগরীয় অন্যান্য রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে তার অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতেই পারে।
দ্বিতীয়ত, ভারতের ইরান-নীতি যথাযথ হওয়া প্রয়োজন। একদিকে আমাদের যেমন ইরানি তেলের প্রয়োজন, তেমনি দেখতে হবে ইরানের পরমাণু গবেষণা কতটা আঞ্চলিক স্থিতির পক্ষে হানিকর? কেবল মার্কিন অঙ্গুলিহেলনে সিদ্ধান্ত নিলে হবে না।
তৃতীয়ত, চীন কিন্তু ধীরে ধীরে ইরানি তেল আমদানি বেশ খানিকটা কমিয়ে এনেছে। তাছাড়া চীনের এনার্জি কূটনীতি বলিষ্ঠ ও বহুমুখী। সুতরাং বলাই বাহুল্য যে ইরানের তেলের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা চীনের ওপর তেমন প্রভাব ফেলবে না। তাছাড়া জিসিসি-র কাছে দরবার, চীনের আফ্রিকা ও ভেনেজুয়েলা নীতি এবং মধ্য এশিয়ার সঙ্গে চীনের বহুবিধ সম্পর্কের মধ্য দিয়ে চীনের তৈল জোগান প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুদৃঢ় অবস্থায় রয়েছে।
চতুর্থত, চীনকে পুরোপুরি অনুসরণ না-করলেও ইরানের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আগামী দিনে ভারতকে এনার্জি-সমৃদ্ধ মধ্য এশিয়ার দিকে যেতে হবে। তবে, সেক্ষেত্রে ভারতের পক্ষে অস্বস্তির কারণ হতে পারে মধ্য এশিয়ার পুবে চীন ও দক্ষিণ-পশ্চিমে পাকিস্তানের অবস্থান। তবে ইরানি তেলের উৎসে টান পড়লে একদিক থেকে ‘শাপে বর’—তাতে করে তাপি প্রকল্পের গতি তরান্বিত হবে। এর ফলে মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ক্রমবর্ধমান এনার্জি চাহিদায় জর্জরিত দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক বোঝাপড়া ও ব্যবসায়িক যোগাযোগের দিগন্ত খুলে যাবে। তবে, সেইসঙ্গে বাণিজ্যিক যোগযোগের বেশ কতকগুলি চ্যানেল যেখানে ভারতে গুরুত্বপূর্ণ যোগদান রয়েছে, হয়তো সেগুলি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। যেমন ইরান-পাকিস্তান-ভারত (আই-পি-আই), তেমনই আইএনএসটিসি যার মাধ্যমে মধ্য এশিয়া ও মধ্য ইউরোপের সঙ্গে আরও নিবিড় যোগসূত্র গড়ে ওঠার প্রভূত সম্ভাবনা ছিল।
পরিশেষে, ইরানি তেলের জোগান বন্ধ হলে যতটুকু ক্ষতি তা হয়তো আমরা পুষিয়ে নিতে পারি যদি একদিকে বাণিজ্যিকভাবে বায়ো-ডিজেল উৎপাদন বৃদ্ধি ও অন্যদিকে আপৎকালীন অবস্থার জন্য আমরা তেল-ব্যাঙ্ক তৈরি করতে পারি। ইতিমধ্যে বিশাখাপত্তনমে আমরা এমন পদক্ষেপ করেছি। ভারতের এনার্জি পলিসি (২০০৬) অনুযায়ী ৯০ দিনের মতো আমদানিকৃত তেল ভাণ্ডারে মজুত করার কথা। তবে তেলের দাম ওঠা-পড়ার দরুন সেই মজুত ভাণ্ডার আমরা গড়ে তুলতে পারিনি। এখন অসুবিধায় পড়ে আমাদের ঠেকে শিখতে হবে।
 লেখক সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত 
06th  May, 2019
 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
একনজরে
 লন্ডন, ২৪ মে: বল বিকৃতি কাণ্ডের জেরে এক বছর ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন তিনি। তবু ব্যাটের ধার এতটুকু কমেনি ডেভিড ওয়ার্নারের। বরং নির্বাসন কাটিয়ে ঢের ...

 নয়াদিল্লি ও মুম্বই, ২৪ মে (পিটিআই): মোদি-ঝড়ে দ্বিতীয় দিনেও চাঙ্গা শেয়ার বাজার। শুক্রবার ৬২৩ পয়েন্ট বেড়ে ৩৯ হাজার ৪৩৪.৭২ পয়েন্টে পৌঁছল বম্বে শেয়ার বাজার সূচক সেনসেক্স। ...

 বিএনএ, মালদহ : নিজেদের জীবন দিয়ে মালদহে কংগ্রেসকে বাঁচিয়ে দিয়ে গেল সিপিএম। দক্ষিণ মালদহে কংগ্রেসের কষ্টার্জিত জয়ের পরে একথাই চর্চা চলছে মালদহের রাজনৈতিক মহলে। প্রবাদপ্রতিম ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২৪ মে: তত্ত্ব কথা আওড়ানোর লোক আছে। কিন্তু মাঠে ময়দানে নেমে কাজ করার জন্য দলীয় কর্মী নেই। সেই কারণে সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশের কাছে পৌঁছনোই যায়নি। লোকসভা থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়ে কার্যত এই মর্মেই দলের কেন্দ্রীয় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩/৪১ দিবা ৬/২৬। শ্রবণা ১৩/১৪ দিবা ১০/১৫। সূ উ ৪/৫৭/০, অ ৬/৯/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ২/১০/২৫ দিবা ৫/৪৮/৪৮। শ্রবণানক্ষত্র ১২/৪০/১৪ দিবা ১০/০/৪৪, সূ উ ১/২৯/৫, অ ৬/১১/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১/১৩/৪১ গতে ২/৫৩/৬ মধ্যে, কালবেলা ৬/৩৬/৩ মধ্যে ও ৪/৩২/৩১ গতে ৬/১১/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩২/৩০ মধ্যে ও ৩/৩৬/২ গতে ৪/৫৬/৩১ মধ্যে।
১৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সুরাতে আগুন: মৃতদের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা সাহায্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানী ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি মৃতদের ...বিশদ

24-05-2019 - 06:19:00 PM

সুরাতে আগুন: কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু
সুরাত পুলিস কমিশনার সতীশকুমার মিশ্র জানিয়েছেন, কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু ...বিশদ

24-05-2019 - 06:16:00 PM

সুরাতে আগুন: সমবেদনা জানালেন মোদি 
অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। সুরাতে আগুন লাগার ঘটনা প্রসঙ্গে জানালেন নরেন্দ্র মোদি। ...বিশদ

24-05-2019 - 06:07:00 PM

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সুরাতে
ভয়াবহ আগুন সুরাতের সার্থনার একটি বাড়িতে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১৮টি ইঞ্জিন। ...বিশদ

24-05-2019 - 06:01:00 PM

শুভ্রাংশু রায়কে সাসপেন্ড করল তৃণমূল
দলে থেকে দল বিরোধী মন্তব্য করার অপরাধে এবং অন্য ...বিশদ

24-05-2019 - 05:26:55 PM

আউশগ্রামের দিগনগরে তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগানোর অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে 

24-05-2019 - 04:26:22 PM