Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইরান-মার্কিন দ্বন্দ্ব
তেলসংকটের মুখে ভারত 
গৌরীশঙ্কর নাগ

গত ২২ এপ্রিল ইরান থেকে তেল আমদানির ওপর আমেরিকার ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার ফলে ২ মে থেকে ভারতসহ ৬টি রাষ্ট্র (চীন, ইতালি, গ্রিস, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান ও তুর্কি) ফের অসুবিধার মুখে পড়তে চলেছে। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, দেশের অভ্যন্তরে তুমুল বিরোধিতার মুখে দাঁড়িয়ে মোদি আশা করেছিলেন, তাঁর বিদেশনীতি (ইতিমধ্যেই যাকে আলিঙ্গনের বা কোলাকুলির কূটনীতি বা ‘Hugplomacy’ বলে বিরোধী শিবির দাগতে শুরু করেছেন), বিশেষত মার্কিন দৌত্য কিছুটা হলেও ক্ষতে প্রলেপ দেবে। কিন্তু সে গুড়ে বালি। কারণ, ট্রাম্প-পোম্পেওর চোখ রাঙানির সামনে ভারতের অসহায়তা একদিকে যেমন তার মার্কিন নীতির অসারতার ইঙ্গিতবাহী, তেমনি ভারতের অপ্রস্তুত অবস্থাও বলার অপেক্ষা রাখে না। লোকসভার ভোট বলে সরকারের তরফে হয়তো তেল কোম্পানিগুলিকে এখনই তেলের মূল্যবৃদ্ধি আটকাতে বার্তা দেওয়া হতে পারে। তাই কিছুটা হলেও কালবৈশাখীর মতো সাময়িক স্বস্তি। কিন্তু ২৩ মে ভোটপর্ব মিটলেই তৎক্ষণাৎ মূল্যবৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী। এমনকী একলাফে লিটারপিছু পেট্রল ও ডিজেলের দর ৫ টাকা বা ততোধিক দাম বাড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে, ইনফ্লেশন নতুন সরকারের গলার কাঁটা হয়ে উঠতেই পারে।
মনে রাখা দরকার, বিশ্ববাজারে খনিজ তেলের দাম চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হলেও, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার দরুন তেলের দাম দারুণভাবে প্রভাবিত হয়। যেমন গত বছর ৮ মে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক জেসিপিওএ (২০১৫) বাতিল করার পর থেকে ইরান-মার্কিন দ্বন্দ্ব ক্রমশ চড়ামাত্রা লাভ করেছে।
বলা বাহুল্য, আমেরিকা প্রদত্ত এই চাপের রাজনীতির মূল লক্ষ্য হল, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র গবেষণা থেকে নিরস্ত্র করা। তবে, ইরানের অনমনীয়তা ও কৌশলী অবস্থানের দরুন বল অনেকটা দূর গড়াবে বলে মনে হয়।
প্রথমত, ইরানের দিক থেকে যে দুটো সম্ভাব্য পদক্ষেপের ইঙ্গিত আমরা পাচ্ছি তার একটি হল ইরান ১৯৬৮ সালের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি থেকে সরে আসতে পারে। সেক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। চীন সেই কারণেই ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন পদক্ষেপকে এক হাত নিয়েছে।
দ্বিতীয়ত, তৈল বাণিজ্য মার খেলে ইরান সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যানেল স্ট্রেট অব হরমুজকে বন্ধ করে দিতে পারে বলে আগাম বার্তা দিয়েছে।
সেক্ষেত্রে সংকট ঘনীভূত হতে বাধ্য। তাছাড়া আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহৃত হলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আঞ্চলিক হিগেম্যানি প্রসারের পথ সুগম হতে পারে। ইতিমধ্যেই ইরান বেশ কতকগুলি রাষ্ট্রে যেমন ইরাক, লেবানন, ইয়েমেন, সিরিয়ার যথেষ্ট প্রভাব বিস্তারের সক্ষম হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আমেরিকা ইরানের এই সক্রিয়তাকে রোধ করতে চাইছে। বিখ্যাত Foreign Affairs জার্নালের সাম্প্রতিক একটি ইস্যুতে জন হপকিন্স স্কুলের বিশেষজ্ঞ মাইকেল ম্যান্ডেলবাম তাঁর The New Containment শীর্ষক প্রবন্ধে রাশিয়া, চীনের সঙ্গে সঙ্গে ইরানের প্রতি নয়া-মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গির আলোচনা করেছেন।
তবে, ইরানের শক্তি মার্কিন-বিরোধী জাতীয়তাবাদ নয়, বরং বৃহত্তর র‌্যাডিকাল ভাবধারা। সেইসঙ্গে ইরানের অর্থনীতি প্রধানত তেল ব্যবসার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ায় তেলের ওপর কোপ মেরে যদি অবাধ্য ইরানকে কিছুটা জব্দ করা যায়—সেটাই মার্কিন স্ট্রাটেজি। এতে অবশ্য আমেরিকারও আংশিক অসুবিধা হবে। তবে বিবেক মাথুরের মতো বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকা, ইউরোপ যতটা মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরশীল, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি তার থেকে অনেকটাই বেশি নির্ভরশীল। যেমন ক্রমশ শিল্প, পরিকাঠামো উন্নয়ন, পণ্য পরিবহণের ওপর জোর দেওয়ার ভারতের অভ্যন্তরীণ তেল চাহিদা অতি দ্রুত হারে বেড়ে চলেছে, যা এশিয়ার মধ্যে মুষ্টিমেয় সর্বাধিক চাহিদাসম্পন্ন অর্থনীতিগুলির মধ্যে অন্যতম।
ভারতের এই অত্যধিক এনার্জি ফুয়েল চাহিদা একদিকে যেমন তার অর্থনীতির প্রতিযোগিতামূলক অগ্রগতির পরিচায়ক, তেমনই বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তার ক্রমবর্ধমান নিবিড় যোগের ইঙ্গিতবাহী। সেইসঙ্গে লক্ষণীয় যে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত রিলায়েন্স ও এসারের মতো অয়েল সংস্থা বিদেশে পরিশোধিত তেল রপ্তানির ব্যবস্থা করলেও ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানির ৮৫ শতাংশেই সৌদি আরব ও ইরান জোগান দেয়। এমতাবস্থায় ইরান থেকে তেল আনার ওপর নিষেধাজ্ঞার দরুন কেবল তেলের দাম বাড়বেই না, সেইসঙ্গে বৃহৎ বেসরকারি কোম্পানিগুলির তেল ব্যবসাও মার খাবে, যার বিরূপ প্রভাব ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ওপর পড়বে।
এমতাবস্থায় ভারতের করণীয় কী?
প্রথমত, আমরা জানি উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের প্রভাবের অন্যতম মাধ্যম ভারত থেকে আগত অসংখ্য প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত কর্মী। সুতরাং এই লেবার সাপ্লাইকে ব্যবহার করে ভারত উপসাগরীয় অন্যান্য রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে তার অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতেই পারে।
দ্বিতীয়ত, ভারতের ইরান-নীতি যথাযথ হওয়া প্রয়োজন। একদিকে আমাদের যেমন ইরানি তেলের প্রয়োজন, তেমনি দেখতে হবে ইরানের পরমাণু গবেষণা কতটা আঞ্চলিক স্থিতির পক্ষে হানিকর? কেবল মার্কিন অঙ্গুলিহেলনে সিদ্ধান্ত নিলে হবে না।
তৃতীয়ত, চীন কিন্তু ধীরে ধীরে ইরানি তেল আমদানি বেশ খানিকটা কমিয়ে এনেছে। তাছাড়া চীনের এনার্জি কূটনীতি বলিষ্ঠ ও বহুমুখী। সুতরাং বলাই বাহুল্য যে ইরানের তেলের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা চীনের ওপর তেমন প্রভাব ফেলবে না। তাছাড়া জিসিসি-র কাছে দরবার, চীনের আফ্রিকা ও ভেনেজুয়েলা নীতি এবং মধ্য এশিয়ার সঙ্গে চীনের বহুবিধ সম্পর্কের মধ্য দিয়ে চীনের তৈল জোগান প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুদৃঢ় অবস্থায় রয়েছে।
চতুর্থত, চীনকে পুরোপুরি অনুসরণ না-করলেও ইরানের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আগামী দিনে ভারতকে এনার্জি-সমৃদ্ধ মধ্য এশিয়ার দিকে যেতে হবে। তবে, সেক্ষেত্রে ভারতের পক্ষে অস্বস্তির কারণ হতে পারে মধ্য এশিয়ার পুবে চীন ও দক্ষিণ-পশ্চিমে পাকিস্তানের অবস্থান। তবে ইরানি তেলের উৎসে টান পড়লে একদিক থেকে ‘শাপে বর’—তাতে করে তাপি প্রকল্পের গতি তরান্বিত হবে। এর ফলে মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ক্রমবর্ধমান এনার্জি চাহিদায় জর্জরিত দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক বোঝাপড়া ও ব্যবসায়িক যোগাযোগের দিগন্ত খুলে যাবে। তবে, সেইসঙ্গে বাণিজ্যিক যোগযোগের বেশ কতকগুলি চ্যানেল যেখানে ভারতে গুরুত্বপূর্ণ যোগদান রয়েছে, হয়তো সেগুলি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। যেমন ইরান-পাকিস্তান-ভারত (আই-পি-আই), তেমনই আইএনএসটিসি যার মাধ্যমে মধ্য এশিয়া ও মধ্য ইউরোপের সঙ্গে আরও নিবিড় যোগসূত্র গড়ে ওঠার প্রভূত সম্ভাবনা ছিল।
পরিশেষে, ইরানি তেলের জোগান বন্ধ হলে যতটুকু ক্ষতি তা হয়তো আমরা পুষিয়ে নিতে পারি যদি একদিকে বাণিজ্যিকভাবে বায়ো-ডিজেল উৎপাদন বৃদ্ধি ও অন্যদিকে আপৎকালীন অবস্থার জন্য আমরা তেল-ব্যাঙ্ক তৈরি করতে পারি। ইতিমধ্যে বিশাখাপত্তনমে আমরা এমন পদক্ষেপ করেছি। ভারতের এনার্জি পলিসি (২০০৬) অনুযায়ী ৯০ দিনের মতো আমদানিকৃত তেল ভাণ্ডারে মজুত করার কথা। তবে তেলের দাম ওঠা-পড়ার দরুন সেই মজুত ভাণ্ডার আমরা গড়ে তুলতে পারিনি। এখন অসুবিধায় পড়ে আমাদের ঠেকে শিখতে হবে।
 লেখক সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত 
06th  May, 2019
আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। বিশদ

23rd  August, 2019
অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

 ১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। বিশদ

23rd  August, 2019
চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

22nd  August, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফেডারেশনের অনুমোদিত টুর্নামেন্ট হলেও ডুরান্ড কাপের ব্যাক ড্রপে নেই এআইএফএফের কোনও লোগো। এফএসডিএলের আপত্তিতেই ডুরান্ড কাপের ব্যাক ড্রপে ফেডারেশনের লোগো নেই বলে জানা গেল। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: তৃণমূলকে সরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে আনার ব্যাপারে ভোটারদের দু’বার ভাবতে বললেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সন্ত্রাস ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ক্রেডিট কার্ড পরিষেবা চালু করল বন্ধন ব্যাঙ্ক। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাঙ্কের সঙ্গে যৌথভাবে এই ক্রেডিট কার্ড আনা হচ্ছে। শুক্রবার চতুর্থ প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে ক্রেডিট কার্ড চালু করার কথা ঘোষণা করেন বন্ধন ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান এবং ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পূর্ত দপ্তরের অধীনে থাকা রাজ্যের প্রায় দু’হাজার ব্রিজ বা উড়ালপুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে বছরে চারবার। কেএমডিএ’র অধীনে থাকা উড়ালপুলগুলির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ব্রিজ অ্যাডভাইসরি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। তাদের নির্দেশেই ব্রিজের যান চলাচল বন্ধ রেখে লোড ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতমূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৯০: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হয়ে কলকাতায় পা রাখলেন জোব চার্নক
১৯০৮: বিপ্লবী শিবরাম রাজগুরুর জন্ম
১৯৯১: সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মিখাইল গর্বাচভ

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  August, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  August, 2019

দিন পঞ্জিকা

আজ জন্মাষ্টমী উৎসব
৭ ভাদ্র ১৪২৬, ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, অষ্টমী ৮/১ দিবা ৮/৩২। রোহিণী ৫৭/১৯ রাত্রি ৪/১৬। সূ উ ৫/২০/১, অ ৫/৫৮/২১, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/১৩ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৪৯ মধ্যে পুনঃ ৪/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/২৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে উদয়াবধি।
আজ জন্মাষ্টমী উৎসব
৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, নবমী ৫৪/২১/৫৯ রাত্রি ৩/৩/৫১। রোহিণীনক্ষত্র ৪৮/১৪/৪৬ রাত্রি ১২/৩৬/৫৭, সূ উ ৫/১৯/৩, অ ৬/১/২৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১৪ গতে ১০/৩০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ১/৩১ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ১/১৫/৩৩ গতে ২/৫০/৫১ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৪/২১ মধ্যে ও ৪/২৬/৯ গতে ৬/১/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২৬/৯ মধ্যে ও ৩/৫৪/২১ গতে ৫/১৯/১৯ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ঝাড়খণ্ডে লাইনচ্যুত মালগাড়ি 
ঝাড়খণ্ডে লাইনচ্যুত মালগাড়ি। দুর্ঘটনার জেরে বহু দুরপাল্লার ট্রেন একাধিক স্টেশনে ...বিশদ

09:20:10 PM

ডুরান্ড কাপ জিতল গোকুলাম
মোহন বাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ জিতল গোকুলাম এফ ...বিশদ

07:02:58 PM

অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিগুলিতে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত 
প্রতিরক্ষা উৎপাদন সচিবের থেকে লিখিত আশ্বাস মেলায় কর্মবিরতি প্রত্যাহার করলেন ...বিশদ

03:49:44 PM

অরুণ জেটলির প্রয়াণে শোকপ্রকাশ প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের 

02:40:20 PM

প্রয়াত অরুণ জেটলি, আজকের দিনের সব কর্মসূচি বাতিল করল রাজ্য বিজেপি 

02:09:35 PM

এক গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুকে হারামাল, অরুণ জেটলির প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে ট্যুইট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির 

01:41:21 PM