Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে: একটি প্রধান প্রতিপক্ষ আমূল রূপান্তরের ভিতর দিয়ে যেতে পারে, তাতে ভালো মন্দের যে-কোনোটা হতে পারে, এবং সেই দলের নতুন অবতার-এ নির্বাচনী যুদ্ধে প্রবেশে অতীতের সুযোগ নাও মিলতে পারে। ২০১৯-এ সেটাই ঘটেছে।
২০১৪-র ক্ষমতাসীন দল (কংগ্রেস) এবার প্রধান চ‌্যালেঞ্জার হয়ে উঠেছে এবং ২০১৪-র চ‌্যালেঞ্জার (বিজেপি) এবার ক্ষমতাসীন দল। বাহ‌্যত, দুই প্রধান প্রতিপক্ষের অবস্থান এই যে উল্টে যাওয়া, তার মধ‌্যেও একটা ‘ট‌্যুয়িস্ট’ লক্ষ করার আছে; কারণ, ২০১৯-এর বিজেপি আর ২০১৪-র বিজেপি এক নয়। ২০১৪-র বিজেপির একটা দলীয় অবয়ব ছিল, অন‌্যদিকে ২০১৯-এর বিজেপি হল একব‌্যক্তির প্রদর্শনী। নরেন্দ্র মোদি বিজেপির সমস্ত কাঠামো উপেক্ষা করেছেন এবং স্বয়ং হয়ে উঠেছেন দল। তার ফলে লড়াইয়ের ধরনটা এবার অন‌্যরকম। ২০১৪-র লড়াই ছিল বিজেপি বনাম কংগ্রেস আর এবার সেটা হয়ে গিয়েছে মোদিজি বনাম কংগ্রেস।
অর্থ এবং ক্ষমতা
মোদিজির পিছনে রয়েছে অর্থ, ক্ষমতা আর রাজনৈতিক কর্তৃত্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর জোট। অর্থের কথাটা পাড়ি। এক একটা মোদি র‌্যালির খরচ কম করে ১০ কোটি টাকা এবং তিনি দিনে তিন-চারটি করে তা করছেন। এই যে বিপুল খরচ তার এক ভগ্নাংশেরও কৈফিয়ত দেওয়া হয় না এবং মঞ্চে আসীন প্রার্থীদের ব‌্যয়ের হিসেবেও যদি এই খরচ যুক্ত করে দেখানো হয় তো আমি অবাকই হব। রাষ্ট্র ক্ষমতায়, এটা ভালোমতো জানা আছে যে মোদিজি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের এড়িয়ে গিয়েছেন এবং রাষ্ট্র ক্ষমতার সমস্ত যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করেন—যেমন ইন্টেলিজেন্স ব‌্যুরো, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, রাজস্ব দপ্তর এবং তদন্তকারী সংস্থাগুলো। রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রসঙ্গে বলতে হয় যে, তাঁরটাই একমাত্র কণ্ঠ যেটা বিজেপির অন্দরে রাজ করে—জোট তৈরির বেলা, প্রার্থী বাছাই, নির্বাচনী কৌশল এবং মানুষকে কোন কাহিনী খাওয়ানো হবে সেটা ঠিক করে দেওয়া। বিখ‌্যাত ব্লগ-লেখকের একমাত্র কাজ হল ‘এক্স-পোস্ট জাস্টিফিকেশন’ জোগান দেওয়া।
অর্থ এবং ক্ষমতার বিচারে বিজেপির সমকক্ষ কংগ্রেস নয়। যাই হোক, কংগ্রেস এগিয়ে চিন্তা-ভাবনার ক্ষেত্রে। নির্বাচনী মরশুমের গোড়ায় কংগ্রেস মানুষের কিছু আকুল আকাঙ্ক্ষার কথা উপলব্ধি করেছে—কম হইচই, বেশি নিরাপত্তা, প্রচুর কর্মসংস্থান, কৃষকদের সুরাহা এবং গরিবের কল‌্যাণ। মানুষের কথা শোনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। মানুষের ওইসব কণ্ঠই ইতিমধ‌্যে আমাদের কিছু করার আইডিয়া জুগিয়েছে এবং তার থেকেই উঠে এসেছে ভারতীয় রাজনীতির নির্বাচনী ইস্তাহারগুলোর সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলি।
২ এপ্রিল কংগ্রেসের ইস্তাহার প্রকাশের পর লড়াইটা মোদিজি বনাম কংগ্রেস আর রইল না; লড়াইটা পাল্টে গেল মোদিজি বনাম কংগ্রেসের ইস্তাহারে। মোদিজির যে-কোনও একটি ভাষণ শুনুন, তাহলেই এটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। মিথ‌্যাচার এবং গান্ধী পরিবারকে কুৎসার কোটা ফুরিয়ে গেলেই মোদিজি কংগ্রেসের ইস্তাহার নিয়ে পড়েন, কিছু কাল্পনিক অশরীরী খাড়া করেন আর সেগুলোকে বধ করার ভান করেন। কংগ্রেসের ইস্তাহার প্রকাশের দিন কয়েক বাদে বিজেপির ইস্তাহার প্রকাশ হলেও মোদিজি সেটা নিয়ে টুঁ শব্দটিও করেন না এবং আমার ধারণা, ওঁদের ইস্তাহারটি বিশেষভাবে বিস্মৃতির আড়ালে চলে যাবে। কংগ্রেসের ইস্তাহারের বিষয়বস্তুর জোশটা মোদিজি টের পেয়ে গিয়েছেন।
কল্পনাকে ধরেছে ইস্তাহার
তামিলনাড়ুতে দু’সপ্তাহের নির্বাচনী প্রচারের ধকল সয়ে সবে ফিরেছি এবং আপনাদের জানাতে পারি তামিল ভোটারদের কল্পনার যতটা আমার চোখে ধরা পড়েছে। প্রথম ছয়টি হল:
১. দারিদ্রসীমার নীচের পরিবারগুলিকে বছরে ৭২ হাজার (মাসে ৬০০০) টাকা;
২. কৃষিঋণ মকুব (ডিএমকে এর সঙ্গে যোগ করেছে ছোট অঙ্কের গহনার ঋণ);
৩. একশো দিনের কাজের গ‌্যারান্টির স্কিমটাকে দেড়শো দিনের করা;
৪. লক্ষ লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতির প্রতি বিশ্বাস উৎপাদনে ন’মাসের ভেতর ২৪ লক্ষ সরকারি চাকরির বন্দোবস্ত;
৫. মহিলা, দলিত, তফসিলি জাতি, তফসিলি জনজাতি, বনবাসী, সাংবাদিক, লেখক, পণ্ডিত, এনজিও এবং সরকারি ক্ষমতার (বিরোধী নেতা ও প্রার্থীদের ঘরে আয়কর তল্লাশিটাই যুক্তিতর্ক রুখে দেওয়ার প্রমাণ) অপব‌্যবহারের দরুন যে-সমস্ত মানুষ বিরক্ত হয়ে উঠেছেন তাঁদের সকলের নিরাপত্তা; এবং,
৬. তামিল ভাষা, জাতি, সংস্কৃতি, মনীষী এবং ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা-মর্যাদা।
নিঃসন্দেহে, অধিকাংশ পছন্দের প্রতিশ্রুতি হল জনকল‌্যাণ সম্পর্কিত। আর এই কারণে মানুষ মনে করে যে প্রতিরক্ষা এবং অর্থনীতি হল নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব-কর্তব‌্য এবং কতকগুলো জটিল বিষয়—এগুলো নির্বাচনী প্রচারে বিতর্কের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে না। নির্বাচিত সরকার এসব গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তার মূল‌্য তাকে দিতে হবে (উদাহরণ, বিমুদ্রাকরণের সাজা মানুষ মোদি সরকারকে দেবে)।
আইডিয়ার ক্ষমতা
ফিল্ড রিপোর্টগুলো যদি একেবারে ভুল না হয় তবে কংগ্রেসের ইস্তাহার এবং রাহুল গান্ধীর সংযমী কণ্ঠে প্রতিটি আইডিয়া নিয়ে স্পষ্ট উচ্চারণ তামিলনাড়ুতে ডিএমকের নেতৃত্বাধীন জোটকে এক বিরাট জয় এনে দেবে। পাশাপাশি, কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি এবং ডিএমকের প্রতিশ্রুতির চতুর মিশ্রণ দ্বারা এম কে স্ট‌্যালিন দেখিয়ে দিয়েছেন ‘কল‌্যাণ’-এর আইডিয়ার জোর কতটা।
এটা এখনও নির্বাচনের গোড়ার পর্ব এবং মাত্র দু’দফার ভোট (১৮৬ আসন) নেওয়া হয়েছে। কঠিন দুটি দফা হল—তিন (১১৫টি আসন) আর চার (৭১টি আসন)—আইডিয়ার লড়াইটা নির্বাচনী রাজনীতিকে হিন্দি বলয়ে টেনে নিয়ে যাবে।
‘সম্পদ এবং কল‌্যাণ’ হল মানুষের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা। ভারতের ছোট ছোট শহর আর গ্রামে পা রাখলে মোদিজি এটা বুঝতে পারতেন, কিন্তু তিনি উড়ে বেড়াতে পছন্দ করেন। এই যে ‘মেসেজ’—এর সম্ভাবনার দিকটি যদি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি অনুধাবন করে এবং দেশের প্রান্তে প্রান্তে তা ছড়িয়ে দেয় (এমনকী পৃথক পৃথক ভাবেও)—তবে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রত‌্যেকের পৃথক পৃথক লড়াইতেও জয় হবে। আমি আমার ‘ফিঙ্গার ক্রসড’ রাখলাম (যা আমরা চাই তেমন কিছুই ঘটবে বলে আশা রাখছি)।
22nd  April, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা।  
বিশদ

14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
মমতার নেতৃত্ব মানতে কংগ্রেসি অনীহা কি আখেরে মোদিজির সুবিধে করে দিল?
শুভা দত্ত

প্রবল তাপে পুড়ছে রাজ্য। আকশে মেঘের চিহ্নমাত্র নেই। ঘূর্ণিঝড় ফণীর হাত থেকে এ যাত্রায় রেহাই মিললেও কাঠফাটা রোদ আর মাথা ঘোরানো গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না। বাঁকুড়া-পুরুলিয়ার মতো রুখু জেলাগুলো ইতিমধ্যেই চল্লিশ ছাড়িয়েছে, মহানগরী কলকাতাও বসে নেই। সেও প্রায় চল্লিশের ঘরে!
বিশদ

12th  May, 2019
তাহলে, হাওয়া
এবার কোন দিকে?
মোশারফ হোসেন

দেখতে দেখতে মোট সাত দফা ভোটগ্রহণের পাঁচটি দফাই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। গোটা দেশে। আমাদের রাজ্যেও। বাকি দুটি দফায় মাত্র ১১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। যদিও ওইসব কেন্দ্রের ভোট বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বের বিচারে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
বিশদ

11th  May, 2019
রাজনীতির পাঁকে সরকারের
উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা
শুভময় মৈত্র

দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন অনেক সময়। কেউ কেউ বড্ড বেশি যোগাযোগ রাখছেন ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। তারপর সেখানে তীব্র দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হওয়ায় অনেক সময় চাকরিতে ইস্তফা দিতে হচ্ছে। নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় যোগ দিতে হচ্ছে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে। ভোটপ্রচারে তাঁদের মুখ ফসকে বেরিয়ে যাচ্ছে এমন সব ভাষা যা একেবারে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকেই শেখা।
বিশদ

11th  May, 2019
একনজরে
নয়াদিল্লি, ১৯ মে (পিটিআই): অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে রবিবার দিল্লির পুলিস কমিশনারের কাছে আর্জি জানাল রাজ্য বিজেপি। এ বিষয়ে পুলিস কমিশনার অমূল্য পট্টনায়েককে চিঠি দিয়েছে তারা। বিজেপি মুখপাত্র প্রবীণ শঙ্কর কাপুর একথা জানিয়েছেন। ...

 ঢাকা, ১৯ মে (পিটিআই): জেলবন্দি বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ব্যাপক অবনতি হয়েছে। তাঁর দল বিএনপির তরফে জানানো হয়েছে, জেলের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য গত এক সপ্তাহে খালেদা এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন যে, তিনি জীবন ও মৃত্যুর মাঝামাঝি অবস্থায় ...

 রঞ্জুগোপাল মুখোপাধ্যায়, শালতোড়া, বিএনএ: রবিবার কড়া নিরাপত্তায় বাঁকুড়া লোকসভার অন্তর্গত শালতোড়ার ১ নম্বর বুথে পুনর্নির্বাচন হয়। এদিন নির্বিঘ্নে ভোটগ্রহণপর্ব সম্পন্ন হয়। তবে বিজেপির তরফে দলীয় পোলিং এজেন্টকে বুথে যাওয়ার সময় বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। ...

 মনসুর হাবিবুল্লাহ, দিনহাটা, সংবাদদাতা: বন্যায় দিনহাটার দরিবশ জারিধরলায় বন্যার্তদের বাংলাদেশে যাওয়া আটকাতে এবার হেলিকপ্টারে উদ্ধার কার্য চালাবে প্রশাসন। বিএসএফ কর্তাদের সঙ্গে নিয়ে আগামী ৩০ মে হেলিপ্যাড বানানোর জন্য জায়গা পরিদর্শন করা হবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় বাধা কাটবে। বড়দের কথার মান্যতা দেওয়া দরকার। ব্যবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫০৬- ক্রিস্টোফার কলম্বাসের মৃত্যু
১৯০২- প্রজাতন্ত্র দেশ হিসেবে ঘোষণা কিউবার
১৯৩২- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপিনচন্দ্র পালের মৃত্যু
১৯৭৭- ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার অঞ্জুম চোপড়ার জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪৩ টাকা ৭১.১২ টাকা
পাউন্ড ৮৮.২৮ টাকা ৯১.৫৩ টাকা
ইউরো ৭১.১০ টাকা ৮০.০৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  May, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৪২০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৭৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,২২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
19th  May, 2019

দিন পঞ্জিকা

৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২০ মে ২০১৯, সোমবার, দ্বিতীয়া ৫০/৫৮ রাত্রি ১/২২। জ্যেষ্ঠা ৫৩/৪৭ রাত্রি ২/২৯। সূ উ ৪/৫৮/৩৩, অ ৬/৭/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৮/২৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/১ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৯ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৮ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ২/৫০ গতে ৪/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।
৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২০ মে ২০১৯, সোমবার, দ্বিতীয়া ৫১/৫৭/৫৯ রাত্রি ১/৪৫/৩০। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৫৫/৩৮/০ রাত্রি ৩/১৩/৩০, সূ উ ৪/৫৮/১৮, অ ৬/৯/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৬ গতে ১১/৫৬ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ২/৫১/৪২ গতে ৪/৩০/৩৬ মধ্যে, কালবেলা ৬/৩৭/১২ গতে ৮/১৬/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১২/৪৮ গতে ১১/৩৩/৫৪ মধ্যে। 
১৪ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিধানসভা উপনির্বাচন: বেলা ১২টা পর্যন্ত কান্দিতে ৩৯.৫৫ শতাংশ ও নওদায় ৩৯.২৫ শতাংশ ভোট পড়ল 

12:25:48 PM

ভাটপাড়ার আর্যসমাজ মোড়ে বোমাবাজি 

12:12:16 PM

বিধানসভা উপনির্বাচন: সকাল ১১টা পর্যন্ত কান্দিতে ৪২ শতাংশ ভোট পড়ল 

12:05:27 PM

হাওড়া স্টেশনে পাইপ ভেঙে জখম মহিলা 
হাওড়া স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে ভেঙে পড়া পাইপের ঘায়ে জখম ...বিশদ

11:32:33 AM

কাঁকিনাড়ায় অবরোধ উঠল 
২ ঘণ্টারও বেশি সময় পর কাঁকিনাড়ায় রেল অবরোধ উঠল। এদিন ...বিশদ

10:15:45 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, সোমবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল বেশ প্রভাবিত। ট্রাফিকের ...বিশদ

10:00:00 AM