Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে: একটি প্রধান প্রতিপক্ষ আমূল রূপান্তরের ভিতর দিয়ে যেতে পারে, তাতে ভালো মন্দের যে-কোনোটা হতে পারে, এবং সেই দলের নতুন অবতার-এ নির্বাচনী যুদ্ধে প্রবেশে অতীতের সুযোগ নাও মিলতে পারে। ২০১৯-এ সেটাই ঘটেছে।
২০১৪-র ক্ষমতাসীন দল (কংগ্রেস) এবার প্রধান চ‌্যালেঞ্জার হয়ে উঠেছে এবং ২০১৪-র চ‌্যালেঞ্জার (বিজেপি) এবার ক্ষমতাসীন দল। বাহ‌্যত, দুই প্রধান প্রতিপক্ষের অবস্থান এই যে উল্টে যাওয়া, তার মধ‌্যেও একটা ‘ট‌্যুয়িস্ট’ লক্ষ করার আছে; কারণ, ২০১৯-এর বিজেপি আর ২০১৪-র বিজেপি এক নয়। ২০১৪-র বিজেপির একটা দলীয় অবয়ব ছিল, অন‌্যদিকে ২০১৯-এর বিজেপি হল একব‌্যক্তির প্রদর্শনী। নরেন্দ্র মোদি বিজেপির সমস্ত কাঠামো উপেক্ষা করেছেন এবং স্বয়ং হয়ে উঠেছেন দল। তার ফলে লড়াইয়ের ধরনটা এবার অন‌্যরকম। ২০১৪-র লড়াই ছিল বিজেপি বনাম কংগ্রেস আর এবার সেটা হয়ে গিয়েছে মোদিজি বনাম কংগ্রেস।
অর্থ এবং ক্ষমতা
মোদিজির পিছনে রয়েছে অর্থ, ক্ষমতা আর রাজনৈতিক কর্তৃত্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর জোট। অর্থের কথাটা পাড়ি। এক একটা মোদি র‌্যালির খরচ কম করে ১০ কোটি টাকা এবং তিনি দিনে তিন-চারটি করে তা করছেন। এই যে বিপুল খরচ তার এক ভগ্নাংশেরও কৈফিয়ত দেওয়া হয় না এবং মঞ্চে আসীন প্রার্থীদের ব‌্যয়ের হিসেবেও যদি এই খরচ যুক্ত করে দেখানো হয় তো আমি অবাকই হব। রাষ্ট্র ক্ষমতায়, এটা ভালোমতো জানা আছে যে মোদিজি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের এড়িয়ে গিয়েছেন এবং রাষ্ট্র ক্ষমতার সমস্ত যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করেন—যেমন ইন্টেলিজেন্স ব‌্যুরো, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, রাজস্ব দপ্তর এবং তদন্তকারী সংস্থাগুলো। রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রসঙ্গে বলতে হয় যে, তাঁরটাই একমাত্র কণ্ঠ যেটা বিজেপির অন্দরে রাজ করে—জোট তৈরির বেলা, প্রার্থী বাছাই, নির্বাচনী কৌশল এবং মানুষকে কোন কাহিনী খাওয়ানো হবে সেটা ঠিক করে দেওয়া। বিখ‌্যাত ব্লগ-লেখকের একমাত্র কাজ হল ‘এক্স-পোস্ট জাস্টিফিকেশন’ জোগান দেওয়া।
অর্থ এবং ক্ষমতার বিচারে বিজেপির সমকক্ষ কংগ্রেস নয়। যাই হোক, কংগ্রেস এগিয়ে চিন্তা-ভাবনার ক্ষেত্রে। নির্বাচনী মরশুমের গোড়ায় কংগ্রেস মানুষের কিছু আকুল আকাঙ্ক্ষার কথা উপলব্ধি করেছে—কম হইচই, বেশি নিরাপত্তা, প্রচুর কর্মসংস্থান, কৃষকদের সুরাহা এবং গরিবের কল‌্যাণ। মানুষের কথা শোনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। মানুষের ওইসব কণ্ঠই ইতিমধ‌্যে আমাদের কিছু করার আইডিয়া জুগিয়েছে এবং তার থেকেই উঠে এসেছে ভারতীয় রাজনীতির নির্বাচনী ইস্তাহারগুলোর সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলি।
২ এপ্রিল কংগ্রেসের ইস্তাহার প্রকাশের পর লড়াইটা মোদিজি বনাম কংগ্রেস আর রইল না; লড়াইটা পাল্টে গেল মোদিজি বনাম কংগ্রেসের ইস্তাহারে। মোদিজির যে-কোনও একটি ভাষণ শুনুন, তাহলেই এটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। মিথ‌্যাচার এবং গান্ধী পরিবারকে কুৎসার কোটা ফুরিয়ে গেলেই মোদিজি কংগ্রেসের ইস্তাহার নিয়ে পড়েন, কিছু কাল্পনিক অশরীরী খাড়া করেন আর সেগুলোকে বধ করার ভান করেন। কংগ্রেসের ইস্তাহার প্রকাশের দিন কয়েক বাদে বিজেপির ইস্তাহার প্রকাশ হলেও মোদিজি সেটা নিয়ে টুঁ শব্দটিও করেন না এবং আমার ধারণা, ওঁদের ইস্তাহারটি বিশেষভাবে বিস্মৃতির আড়ালে চলে যাবে। কংগ্রেসের ইস্তাহারের বিষয়বস্তুর জোশটা মোদিজি টের পেয়ে গিয়েছেন।
কল্পনাকে ধরেছে ইস্তাহার
তামিলনাড়ুতে দু’সপ্তাহের নির্বাচনী প্রচারের ধকল সয়ে সবে ফিরেছি এবং আপনাদের জানাতে পারি তামিল ভোটারদের কল্পনার যতটা আমার চোখে ধরা পড়েছে। প্রথম ছয়টি হল:
১. দারিদ্রসীমার নীচের পরিবারগুলিকে বছরে ৭২ হাজার (মাসে ৬০০০) টাকা;
২. কৃষিঋণ মকুব (ডিএমকে এর সঙ্গে যোগ করেছে ছোট অঙ্কের গহনার ঋণ);
৩. একশো দিনের কাজের গ‌্যারান্টির স্কিমটাকে দেড়শো দিনের করা;
৪. লক্ষ লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতির প্রতি বিশ্বাস উৎপাদনে ন’মাসের ভেতর ২৪ লক্ষ সরকারি চাকরির বন্দোবস্ত;
৫. মহিলা, দলিত, তফসিলি জাতি, তফসিলি জনজাতি, বনবাসী, সাংবাদিক, লেখক, পণ্ডিত, এনজিও এবং সরকারি ক্ষমতার (বিরোধী নেতা ও প্রার্থীদের ঘরে আয়কর তল্লাশিটাই যুক্তিতর্ক রুখে দেওয়ার প্রমাণ) অপব‌্যবহারের দরুন যে-সমস্ত মানুষ বিরক্ত হয়ে উঠেছেন তাঁদের সকলের নিরাপত্তা; এবং,
৬. তামিল ভাষা, জাতি, সংস্কৃতি, মনীষী এবং ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা-মর্যাদা।
নিঃসন্দেহে, অধিকাংশ পছন্দের প্রতিশ্রুতি হল জনকল‌্যাণ সম্পর্কিত। আর এই কারণে মানুষ মনে করে যে প্রতিরক্ষা এবং অর্থনীতি হল নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব-কর্তব‌্য এবং কতকগুলো জটিল বিষয়—এগুলো নির্বাচনী প্রচারে বিতর্কের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে না। নির্বাচিত সরকার এসব গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তার মূল‌্য তাকে দিতে হবে (উদাহরণ, বিমুদ্রাকরণের সাজা মানুষ মোদি সরকারকে দেবে)।
আইডিয়ার ক্ষমতা
ফিল্ড রিপোর্টগুলো যদি একেবারে ভুল না হয় তবে কংগ্রেসের ইস্তাহার এবং রাহুল গান্ধীর সংযমী কণ্ঠে প্রতিটি আইডিয়া নিয়ে স্পষ্ট উচ্চারণ তামিলনাড়ুতে ডিএমকের নেতৃত্বাধীন জোটকে এক বিরাট জয় এনে দেবে। পাশাপাশি, কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি এবং ডিএমকের প্রতিশ্রুতির চতুর মিশ্রণ দ্বারা এম কে স্ট‌্যালিন দেখিয়ে দিয়েছেন ‘কল‌্যাণ’-এর আইডিয়ার জোর কতটা।
এটা এখনও নির্বাচনের গোড়ার পর্ব এবং মাত্র দু’দফার ভোট (১৮৬ আসন) নেওয়া হয়েছে। কঠিন দুটি দফা হল—তিন (১১৫টি আসন) আর চার (৭১টি আসন)—আইডিয়ার লড়াইটা নির্বাচনী রাজনীতিকে হিন্দি বলয়ে টেনে নিয়ে যাবে।
‘সম্পদ এবং কল‌্যাণ’ হল মানুষের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা। ভারতের ছোট ছোট শহর আর গ্রামে পা রাখলে মোদিজি এটা বুঝতে পারতেন, কিন্তু তিনি উড়ে বেড়াতে পছন্দ করেন। এই যে ‘মেসেজ’—এর সম্ভাবনার দিকটি যদি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি অনুধাবন করে এবং দেশের প্রান্তে প্রান্তে তা ছড়িয়ে দেয় (এমনকী পৃথক পৃথক ভাবেও)—তবে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রত‌্যেকের পৃথক পৃথক লড়াইতেও জয় হবে। আমি আমার ‘ফিঙ্গার ক্রসড’ রাখলাম (যা আমরা চাই তেমন কিছুই ঘটবে বলে আশা রাখছি)।
22nd  April, 2019
ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি।
বিশদ

জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশদ

অ্যাপোলো ৫০: গো ফর দ্য মুন
মৃণালকান্তি দাস

 মই বেয়ে লুনার মডিউল ঈগল থেকে চাঁদের বুকে নামতে নামতে নিল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘একজন মানুষের এই একটি পদক্ষেপ হবে মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।’ সেই ছিল চাঁদের বুকে মানুষের প্রথম পদচিহ্ন আর মানবজাতির সেদিনের প্রমিথিউস ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং। চাঁদের বুকে নিলের পা ফেলার মাধ্যমে মানুষ চাঁদকে জয় করেছিল।
বিশদ

19th  July, 2019
বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
বিশদ

18th  July, 2019
পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। 
বিশদ

16th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আরএসএস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার।
বিশদ

15th  July, 2019
সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

 কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে।
বিশদ

15th  July, 2019
একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

 বিশ্বের চারদিক থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশিরভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক আর কাকে বলে।
বিশদ

14th  July, 2019
বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়।
বিশদ

13th  July, 2019
ঘোষণা ও বাস্তব
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত সরকারের অন্যতম প্রধান একটি প্রকল্পই হল নদী সংযোগ প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন নদীকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে উদ্বৃত্ত জলসম্পন্ন নদী থেকে বাড়তি জল শুকনো নদীতে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বারংবার এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। গোটা প্রকল্প রূপায়ণ করতে অন্তত ১ লক্ষ কোটি টাকা দরকার। এদিকে আবার বুলেট ট্রেন করতেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! আধুনিক রাষ্ট্রে অবশ্যই দুটোই চাই। কিন্তু বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিচার করলে? কোনটা বেশি জরুরি? বিশদ

12th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

 কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
বিশদ

11th  July, 2019
কেন তেরোজন অর্থনীতিবিদ অখুশি হবেন?
পি চিদম্বরম

প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন পাঁচ বছর আগে তাঁর প্রথম অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকনমিক সার্ভে ২০১৪-১৫) পেশ করে বলেছিলেন, ‘‘ভারত একটা সুন্দর জায়গায় (সুইট স্পট) পৌঁছে গিয়েছে—জাতির ইতিহাসে এটা বিরল—এইভাবে শেষমেশ দুই সংখ্যার মধ্যমেয়াদি বৃদ্ধির কৌশলে ভর করে এগনো যাবে।’’
বিশদ

08th  July, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: গ্রামের একমাত্র জল নিকাশির জায়গায় রাইসমিল গড়ে তোলার প্রতিবাদে শুক্রবার রামপুরহাট-১ ব্লকের খরুণ গ্রাম পঞ্চায়েতে অভিযোগ জানালেন তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা। এই ব্লকের চাকপাড়া, মালসা ও ফরিদপুর গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফিবছর বর্ষার সময় আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় থাকি।   ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: কাজ করার জন্য প্রয়োজন মতো পাইপ কিনতে হবে। তবে তা কিনে ফেলে রাখা যাবে না বলে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের সব এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিটি প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখে প্রতি মাসে এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে রিপোর্ট ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: শনিবার দুপুরে পাঁচলার গাববেড়িয়ায় টোটো ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল এক শিশুর। তার নাম আমিরুদ্দিন শাহ (৭)। বাড়ি সিদ্ধেশ্বরী সাহাপাড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, এদিন ওই শিশুটি মায়ের সঙ্গে একটি টোটোয় মাজারে যাচ্ছিল। তখন একটি লরি ওই টোটোয় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। প্রেম-প্রণয়ে শুভ। অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষে মানসিক চাপ বৃদ্ধি।প্রতিকার: আজ দই খেয়ে শুভ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২০: মা সারদার মৃত্যু
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৯২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,৪৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪১,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ১০/১৮ দিবা ৯/১৪। শতভিষা অহোরাত্র। সূ উ ৫/৬/৩, অ ৬/১৯/৩১, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১/২ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৮ গতে ১০/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩১ মধ্যে পুনঃ ২/১৪ গতে ৩/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১/২২ গতে ৩/১ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৬ গতে উদয়াবধি।
৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ৪/২৪/৪ দিবা ৬/৫১/২। শতভিষানক্ষত্র ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৫/৫/২৪, অ ৬/২১/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৫ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ১/২৩/১৫ গতে ৩/২/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৪৪/৫৮ মধ্যে ও ৪/৪২/২৩ গতে ৬/২১/৫৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৪২/২৩ মধ্যে ও ৩/৪৪/৫৮ গতে ৫/৫/৪১ মধ্যে। 
১৬ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
একুশে জুলাইয়ের সভাস্থল পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী
একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সভাস্থলের প্রস্তুতি পর্ব ...বিশদ

05:54:05 PM

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের বৈঠক, মিলল না রফাসূত্র

05:05:54 PM

ইন্দোনেশিয়া ওপেন: চেন ইউ ফেইকে হারিয়ে ফাইনালে পি ভি সিন্ধু 

04:32:32 PM

শীলা দীক্ষিত প্রয়াত 
প্রয়াত দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত। ...বিশদ

04:12:00 PM

মমতাকে ফোন অমিত শাহর 
কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর পর পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হতে চলেছেন জগদীপ ধানকর। এদিন ...বিশদ

03:24:53 PM

১২৮২৭ হাওড়া-পুরুলিয়া এক্সপ্রেস আজ বিকেল ৪:৫০ মিনিটের বদলে সন্ধ্যা ৬টায় হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে 

03:09:36 PM