Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’ গুজরাত ছেড়ে দিল্লির আঙিনায় আসার পর গত কয়েক বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন কোনও জনসভা করেননি, যেখানে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এই তোপ দাগেননি। শুধু তাই নয়, পরিবারতন্ত্র নিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ব্লগও লিখে ফেলেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, যে দলে পরিবারতন্ত্র প্রাধান্য পায়, সেই দল ক্ষমতায় থাকলে দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব হয়। ১১৬৫ শব্দের ওই ব্লগে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের স্মৃতিকথা লিখেছেন মোদি। জানিয়েছেন, ‘ওই বছর দেশের মানুষ কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রকে হারিয়ে বিকাশের পক্ষেই ভোট দিয়েছেন। এতদিন ভারতের দুর্নীতি, পরিবারতন্ত্রই সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। সামনে আসার মতো কোনও ইতিবাচক দিকই ছিল না। সেই কারণেই ২০১৪ সালে দেশের মানুষ ইতিহাস তৈরি করেছিল।’ মোদির কথায় স্পষ্ট, তাঁর দলে পরিবারতন্ত্রের কোনও ঠাঁই নেই। সত্যিই কি তাই?
ভারতের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের পথিকৃৎ কংগ্রেস। এর শুরু জওহরলাল নেহরুকে দিয়ে, যখন তিনি তাঁর উত্তরসূরিকে নিজের পরিবার থেকেই বেছে নিয়েছিলেন। তিনি ১৯৫৯ সালে তাঁর ৪২ বছরের কন্যা ইন্দিরাকে কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। মহাত্মা গান্ধী একবার বলেছিলেন যে স্বাধীনোত্তর যুগে কংগ্রেসকে এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে দলটিকে গণতান্ত্রিক ভারতের উপযুক্ত করে তোলা যায়, ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার সময়কার নয়। কিন্তু, এর এক দশকের মধ্যেই স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দল থেকে কংগ্রেস পারিবারিক-অধীনস্থ একটি সংস্থায় পরিণত হয়েছিল। ভারতের পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির প্রথম পদক্ষেপটি নিয়েছিলেন জওহরলালই। তাঁর কন্যা ইন্দিরা সেই ধারাটিকে মজবুত করেছিলেন। রাজীব গান্ধী, সঞ্জয় গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে হালে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ওয়াধেরার প্রবেশ নতুন করে প্রমাণ করেছে যে ভারতের পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি আদতে জন্মাধিকার সূত্রে নিয়ন্ত্রিত। শুনলে অবাক হবেন, দ্বিতীয় লোকসভায় পরিবারকেন্দ্রিক সাংসদের সংখ্যাটা ছিল ২। সেটাই পঞ্চদশ লোকসভায় হয়েছে ৫৩। স্বাধীনতার পর থেকে সবচেয়ে বেশি সময় দেশ চালিয়েছে কংগ্রেস। ফলে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ তোলার সুযোগ বেশি। বিজেপির নির্বাচনী ইতিহাস শুরু হয়েছে সবে আশির দশকে। লোকসভার তথ্যই জানাচ্ছে, এরই মধ্যে পরিবারতন্ত্র জাঁকিয়ে বসেছে বিজেপিতেও। ইতিহাসের ধারা বজায় রয়েছে ১৬তম লোকসভা নির্বাচনেও। প্রয়াত বেদপ্রকাশ গোয়েলের নাম কে শোনেননি। বিজেপির রাষ্ট্রীয় কোষাধ্যক্ষ ছিলেন দীর্ঘদিন। অটলবিহারী বাজপেয়ির মন্ত্রিসভায় জাহাজ মন্ত্রীও ছিলেন। তাঁর ছেলে পীযূষ গোয়েল এখন কেন্দ্রের রেলমন্ত্রী। হিমাচলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রেম কুমার ধুমলের ছেলে অনুরাগ ঠাকুর বিজেপি সংসদ সদস্যই শুধু নয়, ভারতীয় ক্রিকেটের হর্তাকর্তাও। ২০০৬ সালের ২২ এপ্রিল নিজের ভাই প্রবীনের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন বিজেপির শীর্ষনেতা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রমোদ মহাজন। প্রয়াত প্রমোদ মহাজন কন্যা পুনম মহাজন এখন বিজেপির সংসদ সদস্য, যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভানেত্রীও। প্রমোদ মহাজন ছিলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী তথা মহারাষ্ট্রের জনপ্রিয় বিজেপি নেতা গোপীনাথ মুন্ডের শ্যালকও। ২০১৪ সালে পথ দুর্ঘটনায় মারা যান গোপীনাথ মুন্ডে। বিড কেন্দ্রে উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জেতেন গোপীনাথ মুন্ডের দ্বিতীয় মেয়ে প্রীতম মুন্ডে। আর বড় মেয়ে পঙ্কজা মুন্ডে এখন মহারাষ্ট্রের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাবা গঙ্গাধর ফড়নবিশ বিজেপির শীর্ষ নেতা ছিলেন। পিসি শোভা ফড়নবিশ ওই রাজ্যের মন্ত্রীও ছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজুর বাবা রিনচিন খারু অরুণাচল প্রদেশের প্রথম প্রোটেম স্পিকার ছিলেন। বাজপেয়ি সরকারের মন্ত্রী ছিলেন বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র প্রধান। তাঁর ছেলে ধর্মেন্দ্র প্রধান এখন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী। আরও তথ্য চান?
উত্তরপ্রদেশের একসময়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা বিহারের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডনের পুত্র আশুতোষ ট্যান্ডন এখন প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যশিক্ষা মন্ত্রী। রাজস্থানে বিজেপির শীর্ষনেতা বিজয়রাজে সিন্ধিয়া। বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া তাঁরই মেয়ে। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন রাজস্থান থেকে। বসুন্ধরা রাজের ছেলে দুষ্মন্ত সিং এখন সংসদ সদস্য। এবারও লোকসভায় প্রার্থী হয়েছেন। বসুন্ধরা রাজের বোন যশোধরা রাজে মধ্যপ্রদেশে মন্ত্রী ছিলেন। বিজেপির নেতা ও বর্তমানে রাজস্থানের রাজ্যপাল কল্যাণ সিংয়ের ছেলের নাম রাজবীর সিং। তিনি এটা আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। এবার লোকসভা ভোটে নয়ডা আসনের জন্য টিকিট পেয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ছেলে পঙ্কজ সিং। কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাম বি এস ইয়েদুরাপ্পা। তাঁর সাংসদ ছেলে বিওয়াই রাঘবেন্দ্র ওই রাজ্যের শিমোগা লোকসভা আসন থেকে ফের প্রার্থী হয়েছেন। বিজেপিতেও যে পরিবারতন্ত্রের গভীর অবদান রয়েছে, এই অসম্পূর্ণ তালিকা তার উদাহরণ মাত্র। আসলে ভারতীয় রাজনীতি মানে, ছোটবেলার সেই সহজ বাক্যটা বারবার ফিরে আসে। ‘বাবার হল আবার জ্বর, সারিল ঔষধে।’ মোগল সাম্রাজ্যের অধিপতিদের নাম মনে রাখার জন্য এটাই ছিল টোটকা। সেই সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে বহুকাল। কিন্তু, সেই ‘ব্যামো’ সারেনি। পরিবারতন্ত্রের ব্যামো!
লোকসভার তথ্যই বলছে, ২০১৪ থেকে ২০১৯-এ পরিবারতন্ত্রের সঙ্গে যোগ রয়েছে এমন সংসদ সদস্যের সংখ্যাটা কংগ্রেসের তুলনায় বিজেপিতে দাঁড়িয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। বিজেপির ২০ জন এবং কংগ্রেসের ৮ জন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা পরিসংখ্যান ঘেঁটে যে তথ্য তুলে এনেছেন তাতে স্পষ্ট, পরিবারের গুরুত্বকে উপেক্ষা করতে পারছে না বিজেপিও। পরিবারতন্ত্রের প্রভাব যথেষ্ট আঞ্চলিক দলগুলিতেও। ত্রয়োদশ লোকসভায় বিজেপি শরিক শিরোমণি অকালি দলে সংখ্যাটা শতকরা ৫০। রাষ্ট্রীয় লোক দলেও তাই। জেডিইউয়ে ২২ শতাংশ। ফারুক আবদুল্লার ন্যাশনাল কনফারেন্সে ২০ ও নবীন পট্টনায়কের বিজু জনতা দলে ১৮ শতাংশ। পরিবারতন্ত্র কায়েম করার ক্ষেত্রে আঞ্চলিক দলগুলোও পিছিয়ে নেই। উত্তরপ্রদেশের যাদব পরিবারও কম যায় না। মুলায়ম সিংহ পরিবারে অনেক কোন্দল থাকলেও উত্তরপ্রদেশের ‘যাদববংশ’-ই দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক পরিবার। চমকে যেতে হয় যাদব পরিবারের বংশতালিকা দেখলে। সেখানে সবাই নেতা, সবাই বড় বড় দায়িত্বে। যে কোনও নির্বাচনেও ‘নেতাজি’ মুলায়ম সিং যাদবের গোটা পরিবারই অংশ নেয়। ছেলে অখিলেশ থেকে ছেলের বউ ডিম্পল, অপর্ণারা রাজনীতির সামনের সারিতে। এছাড়াও, ভাই, ভাইপো, ভাইপো বউ, শ্যালক — কাউকেই রাজনৈতিক ‘মধুভাণ্ড’ থেকে বঞ্চিত করেননি মুলায়ম সিং যাদব। অন্যদিকে, বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের পরিবারের দিকে তাকান। মেয়ে মিশা ভারতী থেকে ছেলে তেজস্বী যাদব — কেউ বিধায়ক তো কেউ সংসদ সদস্য। রামবিলাস পাশোয়ানের সংসদ সদস্য ছেলে চিরাগ বাদ যাবে কেন। তাঁকেও দলের টিকিট দেওয়া হয়েছে এবারের লোকসভা ভোটে। উত্তরপ্রদেশে রাষ্ট্রীয় লোকদল প্রধান অজিত সিং নিজে এবার ভোটে লড়ছেন। তার সঙ্গেই ছেলে জয়ন্ত চৌধুরীকে ভোটে লড়াই করার সুযোগ করে দিয়েছেন। গজওয়েল বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও (কেসিআর)-এর বিধানসভা কেন্দ্র। তাঁর হয়ে গোটাটাই সামলান ভাগ্নে হরিশ রাও। সিদ্দিপেট বিধানসভা থেকে রেকর্ড ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন হরিশ। চন্দ্রশেখর টিআরএসের কার্যকরী সভাপতি পদে তাঁর ছেলে তথা মন্ত্রিসভার সদস্য কে টি রামা রাওকে ইতিমধ্যে নিযুক্ত করে দিয়েছেন। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী নিজামাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছেন মেয়ে কে কবিতাকে। তামিলনাড়ুতে প্রয়াত জননেতা করুনানিধির পরিবারের পরিবারতন্ত্র কি কোনও অংশে গান্ধী পরিবারের থেকে কম? ডিএমকের প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন একাধিক নেতা-মন্ত্রীর ছেলে-মেয়েরা। প্রার্থী করা হয়েছে প্রয়াত ডিএমকে সুপ্রিমো এম করুণানিধির কন্যা কানিমোঝি, প্রপৌত্র প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দয়ানিধি মারান, পার্টির শীর্ষ নেতা দুরাই মুরুগানের ছেলে ডি এম কাথির আনন্দ, অপর শীর্ষ নেতা আর্কোট এন বীরস্বামীর ছেলে ডা. কলানিধি বীরস্বামী, বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী কে পোনমুডির ছেলে গৌতম সিগামানিদের। বারামতীতে যেমন শরদ পাওয়ারের উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে দলের সাংসদ। এ বারও ভোটে তিনি লড়ছেন। ওড়িশায় বিজু পট্টনায়েক পরিবার, পাঞ্জাবে অমরিন্দর সিংয়ের পরিবার, উত্তরপ্রদেশে মায়াবতীর ভাই-ভাইপো। বালাসাহেব থ্যাকারেও এই রাজনীতিই করেছেন শিবসেনায়। সেখান থেকে আলাদা হয়েও এই সংস্কৃতির মধ্যে কোনও ভুল দেখে না এমএনএস। এমন উদাহরণ আরও আছে, আরও অনেক। ভারতে পরিবারতন্ত্রের এই গল্প শেষ হবার নয়। ফলে খাতায়-কলমে দেশের বহু লোকসভা আসন কখনও কংগ্রেস, কখনও বিজেপি, কখনও বা আঞ্চলিক দলগুলির হাতে গেলেও বাস্তবে এগুলি দলের হাতে নয়, থেকে যায় কয়েকটি পরিবারের হাতেই। ফলে পরিবারতন্ত্র চলছেই। জলে নেমে কুমিরের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন বালক নরেন্দ্র। এ কাহিনী গুজরাত জানে। এই কাহিনী প্রধানমন্ত্রীর সব জীবনীকারই তাঁদের বইতে লিখেছেন। আজকের নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি নিয়মিত স্নান করতেন বরানগরের শর্মিষ্ঠা সরোবরে। লোকে বলত, ওই সরোবরে অনেক কুমির রয়েছে। কিন্তু , সেই সব সাবধানবাণীকে পাত্তা না দিয়েই শর্মিষ্ঠা সরোবরে নিয়মিত এপার-ওপার করত বালক নরেন্দ্র। তখন তিনি অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। যে কাহিনী শোনা যায়, তাতে ওই সরোবরের মাঝখানে ছিল একটি কৃষ্ণ মন্দির। প্রবল বৃষ্টিতে সেবার গোটা মন্দিরটাই জলের নীচে চলে যায়। এমনকী, তার চূড়ায় যে গেরুয়া পতাকা ছিল সেটাও জলে ভেসে যায়। নিয়ম ছিল, সেই পতাকা বছরের একটি বিশেষ দিনে বদলাতে হবে। কিন্তু সেই পতাকা ভেসে গেলে কী হবে? গ্রামের অকল্যাণ হবে না তো! গোটা গ্রামেই ছিল আতঙ্ক। কিন্তু তার থেকেও বড় আতঙ্ক ছিল কুমির নিয়ে। কে নামবে জলে? সাহসী বালক নরেন্দ্র কিছু না ভেবেই ঝাঁপ দিয়েছিলেন। পুরনো পতাকা নামিয়ে নতুন গৈরিক পতাকা বসিয়ে দিয়ে এসেছিলেন মন্দিরের চূড়ায়। আর তখনই জল থেকে ওঠার সময় তুলে নিয়ে এসেছিল জ্যান্ত কুমির ছানা। সকলে চিৎকার করে উঠছিল—‘ফেলে দে ফেলে দে।’ ফেলেও দিয়েছিলেন সবার কথা শুনে। পরে নাকি নরেন্দ্র বলেছিলেন, ‘মগর মাছ মানে যে ভয়ঙ্কর ব্যাপার, সেটা বুঝতে পারিনি।’
সেই নরেন্দ্র দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে সত্যি সত্যিই হাঙর ধরেছেন। ভারতীয় রাজনীতিতে রাজনৈতিক ‘হাঙর’ পরিবারতন্ত্রের মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। কিন্তু ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁর দলেও যে পরিবারতন্ত্র জাঁকিয়ে বসে আছে, তার উদাহরণও তো ভূরি ভূরি। নিজের দলের অন্দরে সেই পরিবারতন্ত্রের মূল কি উপড়ে ফেলার সাহস দেখাবেন? ভোট প্রচারে সেই প্রশ্নও যে মোদির পিছু নিয়েছে!
21st  April, 2019
 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
একনজরে
ভুবনেশ্বর, ২৪ মে (পিটিআই): পাঁচে পাঁচ। রেকর্ড গড়ে পরপর পাঁচবারের জন্য ওড়িশার ক্ষমতা নিজেদের দখলে রাখল বিজু জনতা দল (বিজেডি)। ১৪৭টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১১২টিতে ...

সংবাদদাতা, কান্দি: নিজের জীবনের অন্তত ২০ বছর বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলোর মাধ্যমে কাটিয়েছেন। কখনও কাবাডি নিয়ে মেতে উঠেছিলেন, আবার কখনও ভলিবল খেলায় উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। যদিও ফুটবল তাঁর প্রিয় খেলা। ...

 নয়াদিল্লি ও মুম্বই, ২৪ মে (পিটিআই): মোদি-ঝড়ে দ্বিতীয় দিনেও চাঙ্গা শেয়ার বাজার। শুক্রবার ৬২৩ পয়েন্ট বেড়ে ৩৯ হাজার ৪৩৪.৭২ পয়েন্টে পৌঁছল বম্বে শেয়ার বাজার সূচক সেনসেক্স। ...

 দীপ্তিমান মুখোপাধ্যায়, হাওড়া: ব্যবধান মাত্র তিন বছরের। তার মধ্যেই হাওড়া সদর লোকসভার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রেই তৃণমূলের জয়ের মার্জিন অনেকখানি কমল। যদিও শতাংশের হারে তৃণমূলের ভোট না কমলেও সিপিএমের ভোট প্রায় সবটাই বিজেপির বাক্সে গিয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩/৪১ দিবা ৬/২৬। শ্রবণা ১৩/১৪ দিবা ১০/১৫। সূ উ ৪/৫৭/০, অ ৬/৯/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ২/১০/২৫ দিবা ৫/৪৮/৪৮। শ্রবণানক্ষত্র ১২/৪০/১৪ দিবা ১০/০/৪৪, সূ উ ১/২৯/৫, অ ৬/১১/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১/১৩/৪১ গতে ২/৫৩/৬ মধ্যে, কালবেলা ৬/৩৬/৩ মধ্যে ও ৪/৩২/৩১ গতে ৬/১১/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩২/৩০ মধ্যে ও ৩/৩৬/২ গতে ৪/৫৬/৩১ মধ্যে।
১৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সুরাতে আগুন: মৃতদের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা সাহায্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানী ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি মৃতদের ...বিশদ

24-05-2019 - 06:19:00 PM

সুরাতে আগুন: কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু
সুরাত পুলিস কমিশনার সতীশকুমার মিশ্র জানিয়েছেন, কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু ...বিশদ

24-05-2019 - 06:16:00 PM

সুরাতে আগুন: সমবেদনা জানালেন মোদি 
অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। সুরাতে আগুন লাগার ঘটনা প্রসঙ্গে জানালেন নরেন্দ্র মোদি। ...বিশদ

24-05-2019 - 06:07:00 PM

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সুরাতে
ভয়াবহ আগুন সুরাতের সার্থনার একটি বাড়িতে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১৮টি ইঞ্জিন। ...বিশদ

24-05-2019 - 06:01:00 PM

শুভ্রাংশু রায়কে সাসপেন্ড করল তৃণমূল
দলে থেকে দল বিরোধী মন্তব্য করার অপরাধে এবং অন্য ...বিশদ

24-05-2019 - 05:26:55 PM

আউশগ্রামের দিগনগরে তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগানোর অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে 

24-05-2019 - 04:26:22 PM