Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’ গুজরাত ছেড়ে দিল্লির আঙিনায় আসার পর গত কয়েক বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন কোনও জনসভা করেননি, যেখানে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এই তোপ দাগেননি। শুধু তাই নয়, পরিবারতন্ত্র নিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ব্লগও লিখে ফেলেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, যে দলে পরিবারতন্ত্র প্রাধান্য পায়, সেই দল ক্ষমতায় থাকলে দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব হয়। ১১৬৫ শব্দের ওই ব্লগে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের স্মৃতিকথা লিখেছেন মোদি। জানিয়েছেন, ‘ওই বছর দেশের মানুষ কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রকে হারিয়ে বিকাশের পক্ষেই ভোট দিয়েছেন। এতদিন ভারতের দুর্নীতি, পরিবারতন্ত্রই সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। সামনে আসার মতো কোনও ইতিবাচক দিকই ছিল না। সেই কারণেই ২০১৪ সালে দেশের মানুষ ইতিহাস তৈরি করেছিল।’ মোদির কথায় স্পষ্ট, তাঁর দলে পরিবারতন্ত্রের কোনও ঠাঁই নেই। সত্যিই কি তাই?
ভারতের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের পথিকৃৎ কংগ্রেস। এর শুরু জওহরলাল নেহরুকে দিয়ে, যখন তিনি তাঁর উত্তরসূরিকে নিজের পরিবার থেকেই বেছে নিয়েছিলেন। তিনি ১৯৫৯ সালে তাঁর ৪২ বছরের কন্যা ইন্দিরাকে কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। মহাত্মা গান্ধী একবার বলেছিলেন যে স্বাধীনোত্তর যুগে কংগ্রেসকে এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে দলটিকে গণতান্ত্রিক ভারতের উপযুক্ত করে তোলা যায়, ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার সময়কার নয়। কিন্তু, এর এক দশকের মধ্যেই স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দল থেকে কংগ্রেস পারিবারিক-অধীনস্থ একটি সংস্থায় পরিণত হয়েছিল। ভারতের পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির প্রথম পদক্ষেপটি নিয়েছিলেন জওহরলালই। তাঁর কন্যা ইন্দিরা সেই ধারাটিকে মজবুত করেছিলেন। রাজীব গান্ধী, সঞ্জয় গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে হালে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ওয়াধেরার প্রবেশ নতুন করে প্রমাণ করেছে যে ভারতের পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি আদতে জন্মাধিকার সূত্রে নিয়ন্ত্রিত। শুনলে অবাক হবেন, দ্বিতীয় লোকসভায় পরিবারকেন্দ্রিক সাংসদের সংখ্যাটা ছিল ২। সেটাই পঞ্চদশ লোকসভায় হয়েছে ৫৩। স্বাধীনতার পর থেকে সবচেয়ে বেশি সময় দেশ চালিয়েছে কংগ্রেস। ফলে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ তোলার সুযোগ বেশি। বিজেপির নির্বাচনী ইতিহাস শুরু হয়েছে সবে আশির দশকে। লোকসভার তথ্যই জানাচ্ছে, এরই মধ্যে পরিবারতন্ত্র জাঁকিয়ে বসেছে বিজেপিতেও। ইতিহাসের ধারা বজায় রয়েছে ১৬তম লোকসভা নির্বাচনেও। প্রয়াত বেদপ্রকাশ গোয়েলের নাম কে শোনেননি। বিজেপির রাষ্ট্রীয় কোষাধ্যক্ষ ছিলেন দীর্ঘদিন। অটলবিহারী বাজপেয়ির মন্ত্রিসভায় জাহাজ মন্ত্রীও ছিলেন। তাঁর ছেলে পীযূষ গোয়েল এখন কেন্দ্রের রেলমন্ত্রী। হিমাচলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রেম কুমার ধুমলের ছেলে অনুরাগ ঠাকুর বিজেপি সংসদ সদস্যই শুধু নয়, ভারতীয় ক্রিকেটের হর্তাকর্তাও। ২০০৬ সালের ২২ এপ্রিল নিজের ভাই প্রবীনের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন বিজেপির শীর্ষনেতা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রমোদ মহাজন। প্রয়াত প্রমোদ মহাজন কন্যা পুনম মহাজন এখন বিজেপির সংসদ সদস্য, যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভানেত্রীও। প্রমোদ মহাজন ছিলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী তথা মহারাষ্ট্রের জনপ্রিয় বিজেপি নেতা গোপীনাথ মুন্ডের শ্যালকও। ২০১৪ সালে পথ দুর্ঘটনায় মারা যান গোপীনাথ মুন্ডে। বিড কেন্দ্রে উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জেতেন গোপীনাথ মুন্ডের দ্বিতীয় মেয়ে প্রীতম মুন্ডে। আর বড় মেয়ে পঙ্কজা মুন্ডে এখন মহারাষ্ট্রের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাবা গঙ্গাধর ফড়নবিশ বিজেপির শীর্ষ নেতা ছিলেন। পিসি শোভা ফড়নবিশ ওই রাজ্যের মন্ত্রীও ছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজুর বাবা রিনচিন খারু অরুণাচল প্রদেশের প্রথম প্রোটেম স্পিকার ছিলেন। বাজপেয়ি সরকারের মন্ত্রী ছিলেন বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র প্রধান। তাঁর ছেলে ধর্মেন্দ্র প্রধান এখন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী। আরও তথ্য চান?
উত্তরপ্রদেশের একসময়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা বিহারের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডনের পুত্র আশুতোষ ট্যান্ডন এখন প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যশিক্ষা মন্ত্রী। রাজস্থানে বিজেপির শীর্ষনেতা বিজয়রাজে সিন্ধিয়া। বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া তাঁরই মেয়ে। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন রাজস্থান থেকে। বসুন্ধরা রাজের ছেলে দুষ্মন্ত সিং এখন সংসদ সদস্য। এবারও লোকসভায় প্রার্থী হয়েছেন। বসুন্ধরা রাজের বোন যশোধরা রাজে মধ্যপ্রদেশে মন্ত্রী ছিলেন। বিজেপির নেতা ও বর্তমানে রাজস্থানের রাজ্যপাল কল্যাণ সিংয়ের ছেলের নাম রাজবীর সিং। তিনি এটা আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। এবার লোকসভা ভোটে নয়ডা আসনের জন্য টিকিট পেয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ছেলে পঙ্কজ সিং। কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাম বি এস ইয়েদুরাপ্পা। তাঁর সাংসদ ছেলে বিওয়াই রাঘবেন্দ্র ওই রাজ্যের শিমোগা লোকসভা আসন থেকে ফের প্রার্থী হয়েছেন। বিজেপিতেও যে পরিবারতন্ত্রের গভীর অবদান রয়েছে, এই অসম্পূর্ণ তালিকা তার উদাহরণ মাত্র। আসলে ভারতীয় রাজনীতি মানে, ছোটবেলার সেই সহজ বাক্যটা বারবার ফিরে আসে। ‘বাবার হল আবার জ্বর, সারিল ঔষধে।’ মোগল সাম্রাজ্যের অধিপতিদের নাম মনে রাখার জন্য এটাই ছিল টোটকা। সেই সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে বহুকাল। কিন্তু, সেই ‘ব্যামো’ সারেনি। পরিবারতন্ত্রের ব্যামো!
লোকসভার তথ্যই বলছে, ২০১৪ থেকে ২০১৯-এ পরিবারতন্ত্রের সঙ্গে যোগ রয়েছে এমন সংসদ সদস্যের সংখ্যাটা কংগ্রেসের তুলনায় বিজেপিতে দাঁড়িয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। বিজেপির ২০ জন এবং কংগ্রেসের ৮ জন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা পরিসংখ্যান ঘেঁটে যে তথ্য তুলে এনেছেন তাতে স্পষ্ট, পরিবারের গুরুত্বকে উপেক্ষা করতে পারছে না বিজেপিও। পরিবারতন্ত্রের প্রভাব যথেষ্ট আঞ্চলিক দলগুলিতেও। ত্রয়োদশ লোকসভায় বিজেপি শরিক শিরোমণি অকালি দলে সংখ্যাটা শতকরা ৫০। রাষ্ট্রীয় লোক দলেও তাই। জেডিইউয়ে ২২ শতাংশ। ফারুক আবদুল্লার ন্যাশনাল কনফারেন্সে ২০ ও নবীন পট্টনায়কের বিজু জনতা দলে ১৮ শতাংশ। পরিবারতন্ত্র কায়েম করার ক্ষেত্রে আঞ্চলিক দলগুলোও পিছিয়ে নেই। উত্তরপ্রদেশের যাদব পরিবারও কম যায় না। মুলায়ম সিংহ পরিবারে অনেক কোন্দল থাকলেও উত্তরপ্রদেশের ‘যাদববংশ’-ই দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক পরিবার। চমকে যেতে হয় যাদব পরিবারের বংশতালিকা দেখলে। সেখানে সবাই নেতা, সবাই বড় বড় দায়িত্বে। যে কোনও নির্বাচনেও ‘নেতাজি’ মুলায়ম সিং যাদবের গোটা পরিবারই অংশ নেয়। ছেলে অখিলেশ থেকে ছেলের বউ ডিম্পল, অপর্ণারা রাজনীতির সামনের সারিতে। এছাড়াও, ভাই, ভাইপো, ভাইপো বউ, শ্যালক — কাউকেই রাজনৈতিক ‘মধুভাণ্ড’ থেকে বঞ্চিত করেননি মুলায়ম সিং যাদব। অন্যদিকে, বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের পরিবারের দিকে তাকান। মেয়ে মিশা ভারতী থেকে ছেলে তেজস্বী যাদব — কেউ বিধায়ক তো কেউ সংসদ সদস্য। রামবিলাস পাশোয়ানের সংসদ সদস্য ছেলে চিরাগ বাদ যাবে কেন। তাঁকেও দলের টিকিট দেওয়া হয়েছে এবারের লোকসভা ভোটে। উত্তরপ্রদেশে রাষ্ট্রীয় লোকদল প্রধান অজিত সিং নিজে এবার ভোটে লড়ছেন। তার সঙ্গেই ছেলে জয়ন্ত চৌধুরীকে ভোটে লড়াই করার সুযোগ করে দিয়েছেন। গজওয়েল বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও (কেসিআর)-এর বিধানসভা কেন্দ্র। তাঁর হয়ে গোটাটাই সামলান ভাগ্নে হরিশ রাও। সিদ্দিপেট বিধানসভা থেকে রেকর্ড ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন হরিশ। চন্দ্রশেখর টিআরএসের কার্যকরী সভাপতি পদে তাঁর ছেলে তথা মন্ত্রিসভার সদস্য কে টি রামা রাওকে ইতিমধ্যে নিযুক্ত করে দিয়েছেন। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী নিজামাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছেন মেয়ে কে কবিতাকে। তামিলনাড়ুতে প্রয়াত জননেতা করুনানিধির পরিবারের পরিবারতন্ত্র কি কোনও অংশে গান্ধী পরিবারের থেকে কম? ডিএমকের প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন একাধিক নেতা-মন্ত্রীর ছেলে-মেয়েরা। প্রার্থী করা হয়েছে প্রয়াত ডিএমকে সুপ্রিমো এম করুণানিধির কন্যা কানিমোঝি, প্রপৌত্র প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দয়ানিধি মারান, পার্টির শীর্ষ নেতা দুরাই মুরুগানের ছেলে ডি এম কাথির আনন্দ, অপর শীর্ষ নেতা আর্কোট এন বীরস্বামীর ছেলে ডা. কলানিধি বীরস্বামী, বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী কে পোনমুডির ছেলে গৌতম সিগামানিদের। বারামতীতে যেমন শরদ পাওয়ারের উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে দলের সাংসদ। এ বারও ভোটে তিনি লড়ছেন। ওড়িশায় বিজু পট্টনায়েক পরিবার, পাঞ্জাবে অমরিন্দর সিংয়ের পরিবার, উত্তরপ্রদেশে মায়াবতীর ভাই-ভাইপো। বালাসাহেব থ্যাকারেও এই রাজনীতিই করেছেন শিবসেনায়। সেখান থেকে আলাদা হয়েও এই সংস্কৃতির মধ্যে কোনও ভুল দেখে না এমএনএস। এমন উদাহরণ আরও আছে, আরও অনেক। ভারতে পরিবারতন্ত্রের এই গল্প শেষ হবার নয়। ফলে খাতায়-কলমে দেশের বহু লোকসভা আসন কখনও কংগ্রেস, কখনও বিজেপি, কখনও বা আঞ্চলিক দলগুলির হাতে গেলেও বাস্তবে এগুলি দলের হাতে নয়, থেকে যায় কয়েকটি পরিবারের হাতেই। ফলে পরিবারতন্ত্র চলছেই। জলে নেমে কুমিরের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন বালক নরেন্দ্র। এ কাহিনী গুজরাত জানে। এই কাহিনী প্রধানমন্ত্রীর সব জীবনীকারই তাঁদের বইতে লিখেছেন। আজকের নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি নিয়মিত স্নান করতেন বরানগরের শর্মিষ্ঠা সরোবরে। লোকে বলত, ওই সরোবরে অনেক কুমির রয়েছে। কিন্তু , সেই সব সাবধানবাণীকে পাত্তা না দিয়েই শর্মিষ্ঠা সরোবরে নিয়মিত এপার-ওপার করত বালক নরেন্দ্র। তখন তিনি অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। যে কাহিনী শোনা যায়, তাতে ওই সরোবরের মাঝখানে ছিল একটি কৃষ্ণ মন্দির। প্রবল বৃষ্টিতে সেবার গোটা মন্দিরটাই জলের নীচে চলে যায়। এমনকী, তার চূড়ায় যে গেরুয়া পতাকা ছিল সেটাও জলে ভেসে যায়। নিয়ম ছিল, সেই পতাকা বছরের একটি বিশেষ দিনে বদলাতে হবে। কিন্তু সেই পতাকা ভেসে গেলে কী হবে? গ্রামের অকল্যাণ হবে না তো! গোটা গ্রামেই ছিল আতঙ্ক। কিন্তু তার থেকেও বড় আতঙ্ক ছিল কুমির নিয়ে। কে নামবে জলে? সাহসী বালক নরেন্দ্র কিছু না ভেবেই ঝাঁপ দিয়েছিলেন। পুরনো পতাকা নামিয়ে নতুন গৈরিক পতাকা বসিয়ে দিয়ে এসেছিলেন মন্দিরের চূড়ায়। আর তখনই জল থেকে ওঠার সময় তুলে নিয়ে এসেছিল জ্যান্ত কুমির ছানা। সকলে চিৎকার করে উঠছিল—‘ফেলে দে ফেলে দে।’ ফেলেও দিয়েছিলেন সবার কথা শুনে। পরে নাকি নরেন্দ্র বলেছিলেন, ‘মগর মাছ মানে যে ভয়ঙ্কর ব্যাপার, সেটা বুঝতে পারিনি।’
সেই নরেন্দ্র দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে সত্যি সত্যিই হাঙর ধরেছেন। ভারতীয় রাজনীতিতে রাজনৈতিক ‘হাঙর’ পরিবারতন্ত্রের মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। কিন্তু ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁর দলেও যে পরিবারতন্ত্র জাঁকিয়ে বসে আছে, তার উদাহরণও তো ভূরি ভূরি। নিজের দলের অন্দরে সেই পরিবারতন্ত্রের মূল কি উপড়ে ফেলার সাহস দেখাবেন? ভোট প্রচারে সেই প্রশ্নও যে মোদির পিছু নিয়েছে!
21st  April, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

 জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
বিশদ

12th  August, 2019
রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

 প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।
বিশদ

11th  August, 2019
শুধু উন্নয়ন নয়, ভোটের জন্য চাই ভালো মাস্টার
তন্ময় মল্লিক

মোটা বেতন দিয়ে মাস্টার রাখলেই ছেলেমেয়ে মানুষ হয় না। তেমনটা হলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েই উচ্চশিক্ষিত হতো। কিন্তু, তা তো হয় না। ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনায় আগ্রহ, মেধা যেমন থাকা দরকার, তেমনই নজরদারিটাও জরুরি। ফাঁকিবাজি থাকলেই ছাত্র হয় গাড্ডু খাবে, অথবা ‘বিবেচনায়’ পাশ।
বিশদ

10th  August, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বদলি হওয়া বিভিন্ন রাজ্য কর্মী সংগঠনের পদাধিকারীদের ফের কলকাতার সচিবালয়ে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সিপিএম প্রভাবিত কো-অর্ডিনেশন কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর দুই সদস্য ও তৃণমূল প্রভাবিত কর্মী সংগঠনের কোর কমিটির এক সদস্যকে উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতায় ফেরানো হয়েছে। ...

 কুলিজ (অ্যান্টিগা), ২০ আগস্ট: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট খেলতে নামার আগে কিছুটা স্বস্তি পেলেন অজিঙ্কা রাহানে। গত দু’বছর ধরে তাঁর ব্যাটে কোনও সেঞ্চুরি নেই। টেস্ট দলে তাঁর পায়ের তলার জমি ক্রমাগত আলগা হচ্ছিল। রাহানে বুঝতে পারছিলেন, লাল বলে জাতীয় ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: কাঁথির তাজপুর গ্রামীণ হাটের জমিতে স্থায়ী দোকানঘর নির্মাণের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষের জেরে উত্তেজনা ছড়ায়। এই ঘটনায় দু’পক্ষের আটজন কমবেশি জখম হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে নিগ্রহের শিকার হন খোদ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিও।   ...

মস্কো, ২০ আগস্ট (পিটিআই): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে সুর চড়াল রাশিয়া ও চীন। মার্কিন সরকারের এহেন পদক্ষেপের ফলে সামরিক ক্ষেত্রে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হবে বলেও দুই দেশের তরফে জানানো হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। ব্যবসাতে যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩১: গায়ক বিষ্ণু দিগম্বর পালুসকরের মৃত্যু
১৯৭২: বন সংরক্ষণ আইন চালু হল
১৯৭৮: ভিনু মানকড়ের মৃত্যু
১৯৮৬: জামাইকার স্প্রিন্টার উসেইন বোল্টের জন্ম
১৯৯৫: ভারতের নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখরের মৃত্যু
২০০৬: প্রখ্যাত সানাইবাদক ওস্তাদ বিসমিল্লা খানের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৭ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৪ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ ভাদ্র ১৪২৬, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, পঞ্চমী ০/২৯ প্রাতঃ ৫/৩১। অশ্বিনী ৪৮/৪০ রাত্রি ১২/৪৭। সূ উ ৫/১৯/২, অ ৬/০/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৪ মধ্যে পুনঃ ৩/২৮ গতে ৫/৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪০ গতে ১/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩০ গতে ৩/৫৪ মধ্যে।
৩ ভাদ্র ১৪২৬, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ষষ্ঠী ৫৩/৫৮/৩০ রাত্রি ২/৫৩/৩১। অশ্বিনীনক্ষত্র ৪২/৯/৫৩ রাত্রি ১০/১০/৪, সূ উ ৫/১৮/৭, অ ৬/৩/৪৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৯/৩১ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৩ গতে ৮/৫৩ মধ্যে ও ১/৩১ গতে ৫/১৮ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪০/৫৫ গতে ১/১৬/৩৭ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৯/৩১ গতে ১০/৫/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৯/৩১ গতে ৩/৫৩/৪৯ মধ্যে। 
১৯ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
জাগুয়ার দুর্ঘটনার তদন্তে নয়া মোড়
কলকাতার শেক্সপিয়র সরণির জাগুয়ার দুর্ঘটনার তদন্তে নয়া মোড়। আজ জানা ...বিশদ

05:26:00 PM

শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে চিদাম্বরমের আর্জির শুনানি
আগামী শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে চিদাম্বরমের আর্জির শুনানি হবে বলে জানা ...বিশদ

05:18:17 PM

চায়ের দোকানে গিয়ে চা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী
আজ বুধবার ওড়িশা সীমান্তের দীঘার দত্তপুর এলাকায় জনসংযোগে গিয়েছিলেন ...বিশদ

05:15:00 PM

নেতাজি ইস্যুতে ধর্মতলায় বিক্ষোভ মিছিল ফরওয়ার্ড ব্লক 

04:10:00 PM

আবেদনে ত্রুটি, সুপ্রম কোর্টে পি চিদম্বরমের আবেদন গ্রাহ্য হল না 

04:07:16 PM

আরবিসি কলেজে সংঘর্ষ, গুলি 
টিএমসিপি ও এবিভিপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল নৈহাটির ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র ...বিশদ

02:44:51 PM