Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ছুটির ফাঁদে
অতনু বিশ্বাস

ছুটির ফাঁদে পড়েছে সূর্যোদয়ের দেশটা। জাপান। হঠাৎ করে পড়ে পাওয়া চোদ্দো আনার মত দশদিনের অতিরিক্ত ছুটি জুটেছে জাপানিদের। আর সেই ছুটি নিয়ে করবেটা কী, তা বুঝতেই পারছে না হোক্কাইডো থেকে হাটেরুমা পর্যন্ত সকল জাপানবাসী।
ব্যাপারটা একটু খোলসা করা যাক। এমনিতে জাপানিদের বেশ খানিকটা দুর্নামই আছে ‘ওয়ার্কঅ্যাহলিক’ বা কাজে আসক্ত বলে। কর্মে আসক্তি সে দেশের জাতীয় বৈশিষ্ট্যই বলা চলে। তার ফলশ্রুতিতেই বোধকরি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে গুঁড়িয়ে যাওয়া একটা দেশের ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে জেগে ওঠে উন্নয়নের আর সমৃদ্ধির ফিনিক্স। প্রযুক্তির হাত ধরে। মার্কিন দানবের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলে সে।
৩০ এপ্রিল অবসর নিচ্ছেন জাপান সম্রাট আকিহিতো। এমনিতে জাপান সম্রাটরা সাধারণত অবসর বড় একটা নেন না। (কোন দেশের কোন সম্রাটই বা নেন!) তাঁরা স্বপদে থাকেন আমৃত্যু। গত দুই শতাব্দীর মধ্যে আকিহিতোই প্রথম জাপান সম্রাট যিনি সরে যাচ্ছেন পদ থেকে। অনেকটা অবশ্য স্বাস্থ্যের কারণেই। সেই সঙ্গে অবসান হচ্ছে ‘হেইসেই’ যুগের। নতুন রাজা হবেন আকিহিতোর জ্যেষ্ঠ পুত্র নারুহিতো। সূত্রপাত হবে ‘রেইয়া’ যুগের। যাই হোক, রাজার অবসর গ্রহণ উপলক্ষে (আর নতুন রাজার অভিষেকের জন্যে) দশ দিনের ছুটি দিচ্ছে জাপান। রীতিমত সংসদে অনুমোদন করেই। (ছুটি দিতে গেলেও সংসদের অনুমোদন! একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত একরত্তি দ্বীপরাষ্ট্রের আধ শতাব্দীর মধ্যে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে গেলে বোধকরি এমনটা দরকার।) শুনতে দশদিন লাগলেও আসলে কিন্তু ছুটিটা মাত্র দু'দিনের। ৩০ এপ্রিল আকিহিতোর অবসর, আর ১ মে নারুহিতোর অভিষেক। ‘গোল্ডেন উইক’ নামক প্রথাগত ছুটি আর দুজোড়া শনি-রবি জুড়ে গিয়ে এই ছুটিটা বড় হয়ে গিয়েছে, এই যা। কিন্তু সেই ছুটি নিয়ে মস্ত বড় হইচই।
জাপান ধনী দেশ হলেও ফুরসতের অভাবে জাপানিদের বিদেশে বেড়াতে যাবার সুযোগ বেশ কম। অনেকে তাই এই বিরল সুযোগে বেড়াতে যাচ্ছেন বিদেশে। অনেকেই আবার মস্ত ঝঞ্ঝাটে পড়েছেন। তাঁরা জানেনই না কি করে এতবড় ছুটি কাটাতে হয়। বন্ধ ক্রেসগুলি, বন্ধ বাচ্চাদের স্কুল, নার্সারি। তাহলে দিনভর বাচ্চাদের রাখবে কে? বিশেষ করে বাবা-মা দু’জনে চাকুরে হলে, তারা তো এভাবে বাচ্চা সামলাতে একেবারেই অভ্যস্ত নয়। ওদিকে কোথাও বেড়াতে যাওয়াও সহজ নয়। সব জায়গা ভিড়ে ভর্তি। সেটাও স্বস্তির নয় অনেকের কাছে। হোটেল ইত্যাদি বেড়ানোর আনুষঙ্গিক খরচও বেড়ে গেছে এই ছুটির ধাক্কায়। খুব স্বাভাবিক ভাবেই। অনেক মাস আগে থেকেই হলিডে প্যাকেজ, হোটেল, এইসব বুক করে রেখেছে অনেকে।
‘আবাহি শিমবান’ নামে এক সংবাদপত্র আবার উদ্যোগ নিয়ে এক সমীক্ষা করিয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, মাত্র ৩৫ শতাংশ জাপানি কিন্তু খুশি এই পড়ে পাওয়া ছুটি পেয়ে। আর অখুশি অনেক বেশি। ৪৫ শতাংশ। বাকিরা বোধহয় জানেই না যে, ছুটি পেলে খুশি হতে হয়, নাকি অখুশি। ‘জাপান টাইম’’-এর এক সমীক্ষায় আবার দেখা যাচ্ছে যে, লম্বা ছুটির ফলে সবাই বাড়িতে বসে থাকলে গৃহস্থালির কাজ যাবে অনেকটাই বেড়ে। সেটা কে সামলাবে? সেই আশঙ্কাতেও অখুশি অনেকে। আবার ‘হেইসেই’ যুগের সমাপ্তি আর ‘রেইয়া’ যুগের শুরুতে স্মারক বিক্রি হচ্ছে দেদার। সেই স্মারক কিনতে চায় অনেক রাজভক্ত জাপানবাসী। কিন্তু তাতে খরচের ধাক্কা আছে। তাতেও অখুশি অনেকে।
মোটের উপর ছুটির ফলে অখুশি হবার কারণ অনেক রকম। যেমন, ধরা যাক, সাধারণ লোকের তো ছুটি। তাই তারা বেড়াতে যাবে, যাবে সিনেমা-থিয়েটার দেখতে, ছুটবে বিনোদন পার্কে। খেতে ছুটবে রেস্তরাঁয়। কিন্তু স্বাভাবিক ভাবেই ছুটি নেই ট্যুরিজমের সঙ্গে যুক্ত লোকজনের। হোটেল ব্যবসা, বিনোদন ব্যবসা, রেস্তরাঁ কিংবা পিৎজা বা ফাস্টফুড স্টলের কর্মীদের। এদের বরং কাজ অনেকটাই বাড়বে এই দেশজোড়া ছুটির ফলে। থাকবে না দম ফেলবার ফুরসত। তাতে আবার অখুশি এরা।
আচ্ছা, আমাদের দেশের সংগঠিত ক্ষেত্রের চাকুরেদের কথা একটু ভাবা যাক এ প্রসঙ্গে। (অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের কথা অবশ্য এ আলোচনায় আসবে না। অন্ন সংস্থানের জন্য তাদের বেশিরভাগকে অবশ্যই মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়। আক্ষরিক অর্থেই।) এটা স্বীকার করে নেওয়াই ভালো, মোটের উপর আমরা ঠিক কাজ-পাগল নই। কোনও নিন্দুক আমাদের ওয়ার্কঅ্যাহলিক বলুক দেখি। ওই জাপানিদের যেমন বলে। আসলে আমাদের বেশিরভাগ লোকই হয়তো একটু ঢিলেঢালা। আর কর্ম-সংস্কৃতিটাও তেমনই। ছুটি পেলেই ‘আমার ছুটি’ বলে ছুট লাগানো আমাদের মজ্জায় মজ্জায়। শুন্ডি থেকে হল্লা পর্যন্ত। এমনকী ছুটি না-থাকলেও কাজের মধ্যে ছুটিকে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে দেওয়ায় আমাদের বিরল স্বাভাবিক নৈপুণ্য। তাতে কাজ দাঁড়িয়ে থাকে থমকে, জমে ওঠে ফাইলের পাহাড়। এ একেবারে অতি-চেনা দৃশ্য। অফিসে অফিসে। আবার ফাইল যখন টেবিল ছাড়িয়ে কম্পিউটারে জমা হচ্ছে, সেই আজকের দিনে ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসে গিয়ে হামেশা জানা যায়, লিঙ্ক নেই। সুতরাং কাজ বন্ধ। আমাদের ছুটি-বান্ধব কালচারে সত্যি সত্যিই সেই লিঙ্ক আছে না নেই, জানার কোনও উপায়ও নেই সাধারণ গ্রাহকের। কিন্তু কর্ম-সংস্কৃতির সঙ্গে আমাদের ‘লিঙ্ক’টা সত্যিই বড় একটা নেই। এটাই বাস্তব।
পদার্থবিদ্যার ক্লাসে পড়েছিলাম, প্রযুক্ত বলের অভিমুখে প্রযুক্ত বলের সঙ্গে সরণের গুণফল হচ্ছে ‘কাজ’-এর পরিমাণ। অর্থাৎ আমি যদি একটা পাহাড়কে ঠেলে গলৎঘর্ম হই, কিন্তু পাহাড়টা একবিন্দুও না সরে, তবে আমার ‘কাজ’-এর পরিমাণ শূন্য। সামাজিক স্তরে ‘কাজ’কেও তাই বিচার করতে হবে দেশের, সমাজের উন্নয়নের মাপকাঠিতে। যেমন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সূচক আর তার বৃদ্ধির অভিমুখ দিয়ে। প্রচেষ্টাটা কীভাবে চলেছে, তার মাপকাঠিতে নয়। আমাদের শ্যাওলা-ধরা সমাজের ক্ষেত্রে এই সরণটা কিন্তু বড্ড কম। তাই কাজটাকে আতশ কাচ দিয়েও খুঁজে পাওয়া কষ্টকর হয়ে যায়।
যাই হোক, অনেকটা সে কারণেই ভাবলাম যে, পড়ে পাওয়া ছুটির ফাঁদে হাঁসফাঁস করতে থাকা জাপানিদের কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থার কথা ঘটা করে জানানো উচিত আমাদের জনগণকে। জাপানিদের দেখে আমাদের ‘কাজ’ করতে শেখা প্রয়োজন, নাকি আমাদের দেখে ওদের ‘আজ আমাদের ছুটি ওভাই’ বলতে শেখাটা জরুরি, সেটাও আলোচনার বিষয়বস্তু হতে পারে। আচ্ছা, জাপানিরা তো একটা উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল পাঠাতে পারে আমাদের দেশে, কাজ আর ছুটিকে কী করে মিশিয়ে দিতে হয়, তা শেখার জন্য।
সেদিন বিকেলেই আমার এক সহকর্মী বেশ উৎসাহ নিয়ে জানালো যে, এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহে তিনদিন ছুটি—সোম, বুধ, শুক্র—পয়লা বৈশাখ, মহাবীর জয়ন্তী, গুড ফ্রাইডে। তাই মাঝে দু’দিন ক্যাজুয়াল লিভ নিয়ে নিলেই একটানা ন’দিন ছুটি। বেশ মজা করে তার খানিকটা বেড়ানোতে, আর বাকিটা রিলাক্স করে কাটানো যাবে। খবরটা শুনেই মনটা কিন্তু বেশ খুশি খুশি হয়ে উঠল।
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
13th  April, 2019
ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি।
বিশদ

জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশদ

অ্যাপোলো ৫০: গো ফর দ্য মুন
মৃণালকান্তি দাস

 মই বেয়ে লুনার মডিউল ঈগল থেকে চাঁদের বুকে নামতে নামতে নিল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘একজন মানুষের এই একটি পদক্ষেপ হবে মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।’ সেই ছিল চাঁদের বুকে মানুষের প্রথম পদচিহ্ন আর মানবজাতির সেদিনের প্রমিথিউস ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং। চাঁদের বুকে নিলের পা ফেলার মাধ্যমে মানুষ চাঁদকে জয় করেছিল।
বিশদ

19th  July, 2019
বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
বিশদ

18th  July, 2019
পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। 
বিশদ

16th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আরএসএস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার।
বিশদ

15th  July, 2019
সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

 কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে।
বিশদ

15th  July, 2019
একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

 বিশ্বের চারদিক থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশিরভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক আর কাকে বলে।
বিশদ

14th  July, 2019
বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়।
বিশদ

13th  July, 2019
ঘোষণা ও বাস্তব
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত সরকারের অন্যতম প্রধান একটি প্রকল্পই হল নদী সংযোগ প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন নদীকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে উদ্বৃত্ত জলসম্পন্ন নদী থেকে বাড়তি জল শুকনো নদীতে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বারংবার এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। গোটা প্রকল্প রূপায়ণ করতে অন্তত ১ লক্ষ কোটি টাকা দরকার। এদিকে আবার বুলেট ট্রেন করতেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! আধুনিক রাষ্ট্রে অবশ্যই দুটোই চাই। কিন্তু বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিচার করলে? কোনটা বেশি জরুরি? বিশদ

12th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

 কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
বিশদ

11th  July, 2019
কেন তেরোজন অর্থনীতিবিদ অখুশি হবেন?
পি চিদম্বরম

প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন পাঁচ বছর আগে তাঁর প্রথম অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকনমিক সার্ভে ২০১৪-১৫) পেশ করে বলেছিলেন, ‘‘ভারত একটা সুন্দর জায়গায় (সুইট স্পট) পৌঁছে গিয়েছে—জাতির ইতিহাসে এটা বিরল—এইভাবে শেষমেশ দুই সংখ্যার মধ্যমেয়াদি বৃদ্ধির কৌশলে ভর করে এগনো যাবে।’’
বিশদ

08th  July, 2019
একনজরে
 সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: কাজ করার জন্য প্রয়োজন মতো পাইপ কিনতে হবে। তবে তা কিনে ফেলে রাখা যাবে না বলে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের সব এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিটি প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখে প্রতি মাসে এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে রিপোর্ট ...

নয়াদিল্লি, ১৯ জুলাই (পিটিআই): স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতা নিয়ে পরামর্শ চেয়ে আবারও জনতার দরবারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার এই আহ্বান জানিয়ে মোদি লিখেছেন, সাধারণ মানুষের চিন্তাভাবনার কথা জানবে গোটা দেশ। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: গ্রামের একমাত্র জল নিকাশির জায়গায় রাইসমিল গড়ে তোলার প্রতিবাদে শুক্রবার রামপুরহাট-১ ব্লকের খরুণ গ্রাম পঞ্চায়েতে অভিযোগ জানালেন তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা। এই ব্লকের চাকপাড়া, মালসা ও ফরিদপুর গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফিবছর বর্ষার সময় আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় থাকি।   ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। প্রেম-প্রণয়ে শুভ। অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষে মানসিক চাপ বৃদ্ধি।প্রতিকার: আজ দই খেয়ে শুভ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৯২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,৪৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪১,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ১০/১৮ দিবা ৯/১৪। শতভিষা অহোরাত্র। সূ উ ৫/৬/৩, অ ৬/১৯/৩১, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১/২ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৮ গতে ১০/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩১ মধ্যে পুনঃ ২/১৪ গতে ৩/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১/২২ গতে ৩/১ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৬ গতে উদয়াবধি।
৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ৪/২৪/৪ দিবা ৬/৫১/২। শতভিষানক্ষত্র ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৫/৫/২৪, অ ৬/২১/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৫ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ১/২৩/১৫ গতে ৩/২/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৪৪/৫৮ মধ্যে ও ৪/৪২/২৩ গতে ৬/২১/৫৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৪২/২৩ মধ্যে ও ৩/৪৪/৫৮ গতে ৫/৫/৪১ মধ্যে। 
১৬ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উচ্চশিক্ষা সংসদের ভাইস চেয়ারম্যান (শিক্ষা) নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি 
অবশেষে উচ্চশিক্ষা সংসদের ভাইস চেয়ারম্যান (শিক্ষা) নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হল। ...বিশদ

09:06:13 AM

পাথরপ্রতিমায় পুকুরে কুমির
পাথরপ্রতিমা ব্লকের কুয়েমুড়ি গ্রামের একটি পুকুরে প্রমাণ সাইজের কুমির দেখা ...বিশদ

08:52:23 AM

স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতার জন্য পরামর্শ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি 
স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতা নিয়ে পরামর্শ চেয়ে আবারও জনতার দরবারে প্রধানমন্ত্রী ...বিশদ

08:40:23 AM

আজকের রাশিফল 
মেষ: পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। বৃষ: মাতৃস্থানীয় ব্যক্তির স্বাস্থ্যোন্নতির ইঙ্গিত। মিথুন: সম্পত্তি লাভের ...বিশদ

08:11:47 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম১৮৯৯: লেখক বনফুল ...বিশদ

07:50:00 AM

২২ জুলাই কর্ণাটক বিধানসভায় আস্থাভোট 

19-07-2019 - 08:37:08 PM