Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নির্বাচনে কৃষক-শ্রমিকের রায় কার পক্ষে?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

৫৪৩টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৪২টি আসনই গ্রামীণ ভারতের অন্তর্গত। এই ৩৪২টি আসনে প্রায় ৬০ কোটির কাছাকাছি ভোটারের ৭০ ভাগই কৃষিজীবী মানুষ। অন্যদিকে, দেশের ৫৪৩টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৫৭টি আসন পুরোপুরি শহরকেন্দ্রিক। বাকি ১৪৪টি আসন আধা-শহর, আধা-গ্রাম বিশিষ্ট। এই দুই শ্রেণীর আসনের মধ্যে এমন ৭৬টি লোকসভা আসন আছে যেখানে ছোট-বড়-মাঝারি বিভিন্ন শিল্পে কর্মরত ভোটারের সংখ্যা ৩০ শতাংশ বা তার বেশি। ৫০, ৬০ এমনকী ৭০-এর দশক পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলি শ্রমিক এবং কৃষক আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে এবং তাঁদের চিন্তাভাবনা ও চাহিদার নিরিখে নির্বাচনী ইস্তাহার তৈরি থেকে নির্বাচনী প্রচারের কৌশল স্থির করতেন। অর্থনৈতিক উদারীকরণের প্রভাবে শিল্পক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা কমতে কমতে একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। বাজার অর্থনীতি এবং বিশ্বায়নের প্রভাবে রাজনৈতিক দলগুলির শ্রমিকদের নিয়ে আন্দোলন করবার ক্ষেত্রেও ৫০-৬০-এর দশকের থেকে উদ্যোগ অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। ফলে লোকসভা ভোটকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির প্রচার অনেকটাই কমে এসেছে। বরং উদারীকরণের পরবর্তী সময় থেকে দেশের নির্বাচনগুলিতে প্রচারে কৃষিক্ষেত্রের সংকট অনেক বেশি জায়গা করে নিতে পেরেছে।
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে, এমনকী আগেও শিল্পকে কেন্দ্র করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি শ্রমিকদের সংগঠিত করবার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। জ্যোতি বসু থেকে ইন্দ্রজিৎ গুপ্ত, চিত্ত বসু থেকে গুরুদাস দাশগুপ্ত—শ্রম আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন। ৫০-এর দশকের পর প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক দলই শ্রমিক সংগঠন গড়ে তুলেছিল মূলত নির্বাচনী রাজনীতির কথা বিবেচনা করে। স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গে ১৯৫২ সালে প্রথম লোকসভা নির্বাচনে সিপিআই যে পাঁচটি আসন পেয়েছিল সেই আসনগুলি মূলত শ্রমিকশ্রেণী এবং শহরের মধ্যবিত্ত ভোটারদের সমর্থনে। ৬০ এবং ৭০-এর দশকে হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, দমদম, বারাকপুরের মতো শিল্প-অধ্যুষিত বিধানসভা বা লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে মূলত শ্রম আন্দোলনের মাধ্যমে শ্রমিক শ্রেণীর সমর্থন পেয়ে বারবার জয়ী হয়েছে বামেরা। তবে ভারতের অন্যত্র যেমন; মহারাষ্ট্র, দিল্লি-তে বামপন্থীরা শ্রমিকদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিলেও নির্বাচনী রাজনীতিতে শ্রমিকদের সমর্থন কিন্তু বামপন্থীদের পক্ষে কখনওই যায়নি বলা যায়। বাংলা, কেরল এবং ত্রিপুরার বাইরের শ্রমিকদের মধ্যে একটি প্রবাদবাক্য এখনও চালু আছে— ‘‘রুটির জন্য লাল পার্টি, ভোটের জন্য সবুজ বা গেরুয়া পাটি।’’
৯০-এর দশকের পর ভারতীয় রাজনীতিতে জাত ও ধর্মের প্রভাবে শ্রেণীগত রাজনীতির গুরুত্ব কমতে শুরু করে, ফলে শ্রমিকরা আর্থিক মানদণ্ডের অপেক্ষা অনেক বেশি প্রভাবিত হতে থাকে পরিচয়সত্তার রাজনীতির দ্বারা। এর ফলে শ্রমিকদের মধ্যে বামপন্থীদের প্রভাব কিছুটা হলেও কমে আসে, বৃদ্ধি পায় ভারতীয় মজদুর সংঘের মতো বিজেপি প্রভাবিত শ্রমিক সংগঠনগুলি। ৯০-এর দশক থেকে কংগ্রেসের প্রভাবিত শ্রমিক সংগঠন আই.এন.টি.ইউ.সি.-র ভূমিকাও ক্রমশই হ্রাস পায়। অন্যদিকে, আঞ্চলিক দলগুলির ভাবনা-চিন্তার ওপর ভিত্তি করে রাজ্যভিত্তিক একাধিক শ্রমিক সংগঠন গড়ে ওঠে। স্বভাবতই এর ফলে শ্রমিক আন্দোলনের সর্বভারতীয় চেহারা, গুরুত্ব এবং উপস্থিতি ভারতীয় রাজনীতিতে ক্রমশ কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। নয়া-উদার অর্থনীতিতে রাষ্ট্রীয় মালিকানার সমাপ্তি ঘটায় এবং ব্যক্তি মালিকানা প্রাধান্য পাওয়াতে শ্রমিক নেতাদের পক্ষে দাবি আদায়ের পন্থা হিসেবে শ্রমিক ধর্মঘটের মতো পুরনো পন্থা পরিত্যাগ করতে হয়েছে। বরং, নতুন শিল্পভাবনায় শ্রমিক-মালিকের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তা বলে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ যে নেই, তা বলা যায় না। বরং বেতন থেকে কাজের সময়, চাকরির অনিশ্চয়তা নিয়ে শ্রমিকদের যথেষ্ট ক্ষোভ রয়েছে।
আমাদের রাজ্যে শিল্পভিত্তিক ৮টি লোকসভার আসন রয়েছে। একনজরে এই ৮টি লোকসভা কেন্দ্রের ২০১৪-র জয়ী দল ও ব্যবধান এবং ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের নিরিখে এগিয়ে থাকা দলের নাম ও ভোটের ব্যবধান দেখুন (সারণি-১ দ্রষ্টব্য):
গত লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে দার্জিলিং এবং আসানসোল শিল্পাঞ্চল বাদে বাকি সব লোকসভা কেন্দ্রেই তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়েছিল। কিন্তু ২০১৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের নিরিখে শিল্পপ্রধান ৮টি লোকসভা কেন্দ্রেই তৃণমূল কংগ্রেস লিড নিয়েছিল। এই ৮টি শিল্পপ্রধান লোকসভা কেন্দ্র ছাড়াও বর্ধমান, দুর্গাপুর, ডায়মন্ডহারবার, বারাসত এবং তমলুক লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে শিল্পক্ষেত্রের উপস্থিতি কৃষিক্ষেত্রের পাশাপাশি রয়েছে। কৃষি ও শিল্পভিত্তিক মিশ্র এই চারটি লোকসভা কেন্দ্রেও তৃণমূল কংগ্রেস ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে এবং ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের ভিত্তিতে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।
দীর্ঘ খরা কাটিয়ে বামেরা সিঙ্গুরের টাটাদের মোটর কারখানা এবং নন্দীগ্রামে কেমিক্যাল হাব গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে কৃষক আন্দোলনের মুখে পড়ে বামেরা পিছু হঠতে বাধ্য হয়েছিল। ২০০৯-এর লোকসভা নির্বাচন থেকে এখনও অবধি অধিকাংশ শিল্পকেন্দ্রিক লোকসভা এবং বিধানসভাগুলিতে তৃণমূল কংগ্রেস বামেদের সরিয়ে জয়ী হয়ে আসছে। এ রাজ্যে শিল্পাঞ্চলভিত্তিক যে ৭০টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে, তার মধ্যে গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস একাই ৫১টি বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিল, বামেরা পেয়েছিল ১৫টি আসন, বিজেপি ২টি এবং গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ২টি আসনে জয়ী হয়। অথচ এক সময় ৭০টি শিল্পাঞ্চলকেন্দ্রিক বিধানসভার মধ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বামেরাই ৮০ শতাংশ আসনেই জয়ী হয়ে আসছিল।
গত ৭ বছরে রাজ্য সরকার প্রায় ১২ লক্ষ হাজার কোটি টাকা ‘মউ’ স্বাক্ষর করলেও বাস্তবে বিনিয়োগ কত হয়েছে তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। বৃহৎ শিল্পের প্রসারে রাজ্য সরকারের জমিনীতিকে অনেকেই দায়ী করে আসছেন। শিল্পাঞ্চলে কারখানা বন্ধ হওয়ার ঘটনা বা শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনাও কখনও কখনও প্রকাশ পাচ্ছে। কিন্তু চা বাগানের শ্রমিক থেকে বৃহৎ কল-কারখানার শ্রমিকরা ২ টাকা দামের চাল থেকে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। এই সামাজিক প্রকল্পগুলির মাধ্যমে যে বিপুল পরিমাণে উপভোক্তা রাজ্য সরকার তৈরি করতে পেরেছে তাতে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের একটা বড় অংশই রাজ্যের শাসকদলের পক্ষে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে সমস্ত দল তাদের নির্বাচনী ইস্তাহারে শ্রমিকদের উন্নয়নের নানা প্রকল্পের কথা বলছে। যেমন— কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহারে ‘শিল্প, পরিষেবা এবং কর্মসংস্থান’-এর নামে নতুন একটি মন্ত্রক তৈরির কথা ঘোষণা করেছে। কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কংগ্রেসের ইস্তাহারে শিল্পনগরী গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। এখন দেখার শিল্পপ্রধান লোকসভা কেন্দ্রগুলির শ্রমিকেরা এই নির্বাচনে কোন দলকে বেছে নেয়। তবে প্রথমে বিমুদ্রাকরণ এবং পরে পরিকাঠামো তৈরি না করে দ্রুত জিএসটি চালু করায় শিল্পক্ষেত্রের ওপর যে প্রভাব পড়েছে তাতে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির নির্বাচনে অস্বস্তিতে থাকার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
অন্যদিকে, বিগত ৫ বছরে কৃষিক্ষেত্রের সংকটকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক তরজা হয়েছে। উৎপাদিত ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) মোদি সরকার বাড়িয়েছে। গত বাজেটে ঘোষণা করেছে কৃষদের ফসল উৎপাদনের খরচ বাবদ দুই কিস্তিতে ৬ হাজার টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু রাজ্যে রাজ্যে কৃষক আত্মহত্যা, ফসলের লাভজনক দাম না পাওয়া এবং কৃষিঋণকে কেন্দ্র করে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীরা একের পর এক তোপ দাগছেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে হিন্দিবলয়ের তিন রাজ্য—মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং রাজস্থানের ভোটে জিতে কংগ্রেস কৃষকদের ঋণ মকুব করার কথা ঘোষণা করেছে। লোকসভা নির্বাচনের ইস্তাহারেও কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে ঋণ মকুব থেকে ঋণমুক্তির দিশা দেখাবে বলে জানিয়েছে। কংগ্রেস ইস্তাহারে ঘোষণা করেছে পৃথক কৃষি বাজেটের কথাও। দেশে প্রায় ৬০ কোটির কাছাকাছি কৃষক রয়েছেন তাঁদেরকে প্রভাবিত করবার জন্য সমস্ত রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী ইস্তাহারে কৃষির উন্নতিতে নানা প্রস্তাব দিচ্ছেন। শিল্পক্ষেত্রের মতোই একসময় কৃষিক্ষেত্রেও কৃষকদের সংগঠিত করবার ক্ষেত্রে বামপন্থীদের পাশাপাশি সমাজবাদী দলগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। কিন্তু ৯০-এর দশকের গোঁড়া শিল্পের মতো কৃষিক্ষেত্রেও জাত, ধর্মের রাজনীতির প্রভাব প্রকট হলে কৃষকরা শ্রেণীগত পরিচয়ের থেকেও পরিচয়সত্তার রাজনীতির ওপর ভিত্তি করে একের পর এক নির্বাচনে তাঁদের রায় দিয়েছেন। দেশের ৩৪২টি গ্রামীণ লোকসভা কেন্দ্রের ফলাফলে জাত-ধর্ম-বর্ণের প্রভাব স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের গ্রামীণ নির্বাচনী ক্ষেত্রে বিজেপির সমর্থন অন্য দলগুলির তুলনায় যথেষ্ট ভালো ছিল। ২০১৯-এর নির্বাচনে কৃষিক্ষেত্রে কৃষকের অসন্তোষ আদতেও কোনও প্রভাব ফেলে কি না তা নিয়ে নির্বাচনী বিতর্ক চলছে। তবে পুলওয়ামার ঘটনার পর জাতীয়তাবাদী ভাবাবেগের ওপর ভর করে বিজেপি গ্রামীণ ক্ষেত্রগুলিতে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে। অন্যদিকে, সর্বভারতীয় স্তরে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে বছরে ১৫০ দিনের কাজ নিশ্চিত করা, কৃষকদের ঋণ মকুব, ঋণ খেলাপি কৃষকদের জেলে না পাঠানোর মতো একাধিক প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। দেশের সবচেয়ে গরিব ৫ কোটি পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসে ৬ হাজার করে টাকা দেবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে কংগ্রেস।
এ রাজ্যে একের পর এক সামাজিক প্রকল্পের পাশাপাশি একর-পিছু কৃষকদের দুই কিস্তিতে ৫ হাজার টাকা প্রদানের ব্যবস্থা করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে কৃষকদের প্রতি যে আস্থা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৈরি করতে পেরেছিলেন, সেই আস্থা এবারের নির্বাচনেও সর্বত্র অটুট থাকে কি না তা আরেকবার পরখ করার সুযোগ থাকছে ২৩ মে ফল ঘোষণার দিন।
তবে এ রাজ্যেও বিজেপি উত্থানের মধ্যে দিয়ে পরিচয়সত্তার রাজনীতি গ্রামীণ কৃষিজীবী মানুষের ওপরেও প্রভাব ফেলেছে। সংখ্যালঘু কৃষকদের মধ্যে তৃণমূলের প্রতি সমর্থন প্রাক্‌ নির্বাচন সমীক্ষা থেকে উঠে আসছে। অন্যদিকে, কৃষিক্ষেত্রে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটের একটি বড় অংশের ভোট বিজেপির পক্ষে থাকার সম্ভাবনাও যথেষ্ট। পরিচয়সত্তার রাজনীতি কৃষিক্ষেত্রেও ঢুকে যাওয়াতে বামেদের প্রভাব কৃষকদের মধ্যে ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। যদিও সারা ভারতের মতো পশ্চিমবঙ্গেও গত কয়েক বছর বামেরা কৃষিক্ষেত্রের দুরবস্থা নিয়ে একের পর এক লং মার্চ আয়োজন করেছিল। ভোটের বাক্সে তার প্রভাব কিন্তু তেমন দেখা যাচ্ছে না। রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে ২৭টি লোকসভা কেন্দ্র মূলত কৃষিপ্রধান। এই ২৭টি কৃষিপ্রধান লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস একাই পেয়েছিল ২১টি আসন, কংগ্রেস ৪টি ও বামেরা ২টি আসনে জয়ী হয়েছিল। ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পুরসভাবিহীন সম্পূর্ণ গ্রামীণ এলাকাভিত্তিক বিধানসভা কেন্দ্র ছিল ১৬৩টি। এর মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস একাই জয়ী হয়েছিল ১১৮টি আসনে, বাম-কংগ্রেস জোট পেয়েছিল ৪৩টি আসন, অন্যদিকে বিজেপি পায় ২টি বিধানসভা আসন।
কৃষিপ্রধান ২৭টি লোকসভা কেন্দ্রে ২০১৪-র লোকসভা এবং ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের নিরিখে একনজরে জয়ী বা এগিয়ে থাকা দলের নাম এবং ভোটের ব্যবধান দেখুন (সারণি-২ দ্রষ্টব্য):
গ্রামীণ এলাকায় কৃষকদের সমর্থন পাবার বিষয়ে রাজ্যের চার পক্ষই নানা প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিচ্ছে। শেষপর্যন্ত গ্রামভিত্তিক রাজ্যের ২৭টি লোকসভা কেন্দ্রের ফলাফল আগামী ২৩ মে জানা যাবে। তবে সংগঠন, নেতৃত্ব, সরকারি পরিষেবার পাশাপাশি রাজনীতির নানান সমীকরণে তৃণমূল কংগ্রেস এই ২৭টি কেন্দ্রের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিরোধীদের থেকে যে কয়েক যোজন এগিয়ে রয়েছে সে বিষয়ে সংশয় নেই।
 লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক 
11th  April, 2019
ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি।
বিশদ

জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশদ

অ্যাপোলো ৫০: গো ফর দ্য মুন
মৃণালকান্তি দাস

 মই বেয়ে লুনার মডিউল ঈগল থেকে চাঁদের বুকে নামতে নামতে নিল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘একজন মানুষের এই একটি পদক্ষেপ হবে মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।’ সেই ছিল চাঁদের বুকে মানুষের প্রথম পদচিহ্ন আর মানবজাতির সেদিনের প্রমিথিউস ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং। চাঁদের বুকে নিলের পা ফেলার মাধ্যমে মানুষ চাঁদকে জয় করেছিল।
বিশদ

19th  July, 2019
বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
বিশদ

18th  July, 2019
পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। 
বিশদ

16th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আরএসএস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার।
বিশদ

15th  July, 2019
সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

 কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে।
বিশদ

15th  July, 2019
একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

 বিশ্বের চারদিক থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশিরভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক আর কাকে বলে।
বিশদ

14th  July, 2019
বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়।
বিশদ

13th  July, 2019
ঘোষণা ও বাস্তব
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত সরকারের অন্যতম প্রধান একটি প্রকল্পই হল নদী সংযোগ প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন নদীকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে উদ্বৃত্ত জলসম্পন্ন নদী থেকে বাড়তি জল শুকনো নদীতে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বারংবার এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। গোটা প্রকল্প রূপায়ণ করতে অন্তত ১ লক্ষ কোটি টাকা দরকার। এদিকে আবার বুলেট ট্রেন করতেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! আধুনিক রাষ্ট্রে অবশ্যই দুটোই চাই। কিন্তু বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিচার করলে? কোনটা বেশি জরুরি? বিশদ

12th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

 কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
বিশদ

11th  July, 2019
কেন তেরোজন অর্থনীতিবিদ অখুশি হবেন?
পি চিদম্বরম

প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন পাঁচ বছর আগে তাঁর প্রথম অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকনমিক সার্ভে ২০১৪-১৫) পেশ করে বলেছিলেন, ‘‘ভারত একটা সুন্দর জায়গায় (সুইট স্পট) পৌঁছে গিয়েছে—জাতির ইতিহাসে এটা বিরল—এইভাবে শেষমেশ দুই সংখ্যার মধ্যমেয়াদি বৃদ্ধির কৌশলে ভর করে এগনো যাবে।’’
বিশদ

08th  July, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: শনিবার দুপুরে পাঁচলার গাববেড়িয়ায় টোটো ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল এক শিশুর। তার নাম আমিরুদ্দিন শাহ (৭)। বাড়ি সিদ্ধেশ্বরী সাহাপাড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, এদিন ওই শিশুটি মায়ের সঙ্গে একটি টোটোয় মাজারে যাচ্ছিল। তখন একটি লরি ওই টোটোয় ...

কাবুল, ১৯ জুলাই (এএফপি): কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এক বিস্ফোরণে কমপক্ষে আটজন প্রাণ হারালেন। ঘটনায় আরও বহু মানুষ জখম হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া। সরকারি ...

নয়াদিল্লি, ১৯ জুলাই (পিটিআই): স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতা নিয়ে পরামর্শ চেয়ে আবারও জনতার দরবারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার এই আহ্বান জানিয়ে মোদি লিখেছেন, সাধারণ মানুষের চিন্তাভাবনার কথা জানবে গোটা দেশ। ...

 সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: কাজ করার জন্য প্রয়োজন মতো পাইপ কিনতে হবে। তবে তা কিনে ফেলে রাখা যাবে না বলে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের সব এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিটি প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখে প্রতি মাসে এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে রিপোর্ট ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। প্রেম-প্রণয়ে শুভ। অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষে মানসিক চাপ বৃদ্ধি।প্রতিকার: আজ দই খেয়ে শুভ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৯২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,৪৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪১,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ১০/১৮ দিবা ৯/১৪। শতভিষা অহোরাত্র। সূ উ ৫/৬/৩, অ ৬/১৯/৩১, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১/২ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৮ গতে ১০/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩১ মধ্যে পুনঃ ২/১৪ গতে ৩/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১/২২ গতে ৩/১ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৬ গতে উদয়াবধি।
৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ৪/২৪/৪ দিবা ৬/৫১/২। শতভিষানক্ষত্র ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৫/৫/২৪, অ ৬/২১/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৫ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ১/২৩/১৫ গতে ৩/২/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৪৪/৫৮ মধ্যে ও ৪/৪২/২৩ গতে ৬/২১/৫৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৪২/২৩ মধ্যে ও ৩/৪৪/৫৮ গতে ৫/৫/৪১ মধ্যে। 
১৬ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পাথরপ্রতিমায় পুকুরে কুমির
পাথরপ্রতিমা ব্লকের কুয়েমুড়ি গ্রামের একটি পুকুরে প্রমাণ সাইজের কুমির দেখা ...বিশদ

08:30:00 AM

স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতার জন্য পরামর্শ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি 
স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতা নিয়ে পরামর্শ চেয়ে আবারও জনতার দরবারে প্রধানমন্ত্রী ...বিশদ

08:30:00 AM

আজকের রাশিফল 
মেষ: পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। বৃষ: মাতৃস্থানীয় ব্যক্তির স্বাস্থ্যোন্নতির ইঙ্গিত। মিথুন: সম্পত্তি লাভের ...বিশদ

08:11:47 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম১৮৯৯: লেখক বনফুল ...বিশদ

07:50:00 AM

২২ জুলাই কর্ণাটক বিধানসভায় আস্থাভোট 

19-07-2019 - 08:37:08 PM

গড়িয়াহাট রোডে গাড়িতে আগুন, হতাহত নেই 

19-07-2019 - 06:58:00 PM